দুটি বস্তুর প্রত্যক্ষ সংস্পর্শে সৃষ্ট বলের নাম স্পর্শ বল ।
বস্তুর চিরকাল নিজস্ব অবস্থা বজায় রাখার ধর্মকে বলে জড়তা ।
পদার্থের জড়তার পরিমাপক ভর ।
জড়তা দুই প্রকার ।
জড়তার ধারণা পাওয়া যায় নিউটনের গতির প্রথম সূত্র হতে ।
স্থিতিশীল বস্তুর চিরকাল স্থির থাকতে চাওয়ার প্রবণতাকে বলে স্থিতি জড়তা ।
চলন্ত বাস ব্রেক করলে যাত্রীরা সামনের দিকে ঝুঁকে পড়ে গতি জড়তার জন্য ।
হঠাৎ চলমান বাসের যাত্রীরা পিছনে হেলে পড়ে স্থিতি জড়তার জন্য ।
জড়তা বেশি হলে বস্তুর ভর বেশি হবে ।
বল শব্দটি সর্বপ্রথম ব্যবহার করা হয় নিউটনের প্রথম সূত্রে ।
দুটি বস্তুর প্রত্যক্ষ সংযোগ ছাড়া যে বল সৃষ্টি হয় তাকে বলে অস্পর্শ বল ।
দুটি চুম্বকের আকর্ষণ বল অস্পর্শ বল ।
ঘর্ষণ বল স্পর্শ বল ।
গাড়ি চালানোর সময় চালকদের নিরাপত্তার জন্য সিটবেল্ট বাঁধার কারণ জড়তা ।
অভিকর্ষজ বল অস্পর্শ বল ।
দূর্বল নিউক্লিয় বলের পাল্লা
মৌলিক বল চারটি ।
সৃষ্টি জগতের সবচেয়ে শক্তিশালী বল সবল নিউক্লিয় বল ।
তড়িৎ চৌম্বক বল মাধ্যাকর্ষণ শক্তির 1036 গুণ ।
তড়িৎ চৌম্বক বল বল আকর্ষণ-বিকর্ষণধর্মী ।
দুর্বল নিউক্লিয় বল আবিষ্কার করেন আব্দুস সালাম ।
দুর্বল নিউক্লিয় বল m দূরত্বে কাজ করে ।
তেজস্ক্রিয়তায় বিটা () রশ্মি নির্গমনের কারণ দুর্বল নিউক্লিয় বল ।
সবল নিউক্লিয় বল দূরত্বে কাজ করে ।
সৃষ্টি জগতের সবচেয়ে দুর্বল বল মহাকর্ষ বল ।
তড়িৎ চৌম্বক বল এবং দুর্বল নিউক্লিয়ার বল দুটি মৌলিক বল এক সূত্র দ্বারা ব্যাখ্যা করা যায় ।
তড়িৎ চৌম্বক বল অপেক্ষা দুর্বল নিউক্লিয় বল প্রায় ট্রিলিয়ন গুণ দুর্বল ।
তড়িৎ চৌম্বক বল অপেক্ষা সবল নিউক্লিয় বল একশত গুণ সবল ।
গ্যালাক্সির ভিতরে নক্ষত্ররা ঘুরপাক খায় মহাকর্ষ বলের কারণে ।
স্থির সরল দোলকের বল সাম্যবল ।
একটি বস্তুর উপর দুই বা ততোধিক বলের লব্ধি শূন্য হলে বস্তুটি স্থির থাকবে ।
1 kg ভরের বস্তুকে 3 N এবং 2 N বলে দু-দিকে টানা হলে নীট ত্বরণ
কোনো বস্তুর সাম্যাবস্থায় থাকার শর্ত ত্বরণ শূন্য ।
বলের সাম্যতা নিউটনের নিউটনের প্রথম সূত্রকে স্মরণ করিয়ে দেয় ।
কোনো বস্তুর উপর ক্রিয়াশীল দুটি বলের মান সমান এবং বিপরীতমুখী হলে সাম্য বল সৃষ্টি হয় ।
অসাম্য বল বস্তুর উপর ক্রিয়াশীল হলে বস্তুর বেগ এবং দিক এর পরিবর্তন ঘটে ।
ছোট বলকে সুতার সাহায্যে ঝুলিয়ে রাখলে সাম্য বল কাজে করে ।
সুতার সাহায্যে ঝুলন্ত বলকে একটু টেনে ছেড়ে দিলে অসাম্য বল সৃষ্টি হয় ।
রশি টানাটানি সাম্য বলের বাস্তব উদাহরণ ।
50 kg ভরের একটি স্থির বস্তুর ভরবেগ শূন্য ।
সমান ভরের দুটি বস্তুর ১ম টির ভরবেগ ২য়টির 5 গুণ হলে বেগের অনুপাত 5:1
ভর এবং বেগের গুণফলকে বলে ভরবেগ ।
ভরবেগ প্রকাশক প্রতীক p ।
ভরবেগের একক
ভরবেগের মাত্রা
ভরবেগ ভেক্টর রাশি ।
নিউটনের ২য় সূত্র হতে ভরবেগের ধারণা পাওয়া যায় ।
একটি বস্তুর উপর 10 N বল 2 s ধরে ক্রিয়া করলে ভরবেগের পরিবর্তন
5 kg ভরের একটি বস্তুর বেগ হলে ভরবেগ
স্থির বস্তুর ভরবেগ শূন্য ।
ভরবেগের দিক বেগের দিকে ।
1.5 kg ভরের একটি বন্দুক হতে 200 ms-1 বেগে 10 g ভরের গুলি ছোড়া হলে বন্দুকের পশ্চাৎ 1.33.ms-1
সংঘর্ষে অংশ নেওয়া দুটি বস্তুর ভর সমান হলে বেগ বেগের অদল-বদল হবে ।
সংঘর্ষের পূর্বে এবং পরে ভরবেগ সমান থাকে ।
আলোর কণা বা ফোটনের ভর শূন্য ।
ফোটনের ভর শূন্য হলে ভরবেগ শূন্য হবে না ।
ভরবেগের সাথে বলের সম্পর্ক রয়েছে ।
সংঘর্ষ ভরবেগের সংরক্ষণশীলতার সাহায্যে ব্যাখ্যা করা যায় ।
ভরবেগের সংরক্ষণশীলতার সূত্র হতে অন্য শক্তির সংরক্ষণশীলতার সূত্র পাওয়া যায় ।
m ভরের কোনো বস্তুর বেগ u হলে গতিশক্তি
ভরবেগের সংরক্ষণশীলতার সূত্রের গাণিতিক রূপ
শক্তির সংরক্ষণশীলতার সূত্রের গাণিতিক রূপ
বেগ দ্বিগুণ করলে গতিশক্তি চারগুণ হবে ।
গতির ক্ষেত্রে নিরাপদ ভ্রমণের জন্য প্রয়োজন গতি নিয়ন্ত্রণ ।
একটি ট্রাক এবং ছোট গাড়ির সংঘর্ষে ট্রাক ভয়াবহতা কম অনুভব করবে ।
দুর্ঘটনার সময় ক্ষতি কমানোর সবচেয়ে সহজ উপায় গতি কমানো ।
নিরাপদ ভ্রমণের সাথে সম্পর্ক যুক্ত গতি ও বল ।
কোনো বস্তুর উপর প্রযুক্ত বল ধ্রুব থাকলে ভর ও ত্বরণের সম্পর্ক- ভর যত কম হবে ত্বরণ তত বেশি হবে ।
ভরবেগের পরিবর্তনের হারের সাথে প্রযুক্ত বলের সম্পর্ক সমানুপাতিক ।
বলের সাথে ভর ও ত্বরণের সম্পর্ক নিউটনের ২য় সূত্র সূত্র হতে জানা যায় ।
নিউটনের ২য় সূত্র হতে বলের সংজ্ঞা পাওয়া যায় ।
বলের একক নির্ধারণে সমানুপাতিক ধ্রুবকের মান এক ।
বলের একক
বলের মাত্রা MLT-2
5 kg ভরের বস্তুর উপর 20 N বল প্রয়োগ করলে ত্বরণ 2 4 ms-2 হবে ।
একটি 150 g ভরের ফুটবলকে 30 N বলে কিক করলে ত্বরণ 200 ms-2
বলকে ভর দিয়ে ভাগ করলে ত্বরণ পাওয়া যায় ।
100 N বল 10 s ধরে 5 kg ভরের বস্তুর উপর প্রয়োগ করলে বেগ হবে 200 ms-1
একক ভরের দুটি বস্তুকণা একক দূরত্ব থেকে পরস্পরকে যে বলে আকর্ষণ করে তার মানকে বলে মহকর্ষীয় ধ্রুবক ।
5 kg ও 8 kg ভরের দুটি বস্তুর মধ্যে ক্রিয়াশীল বল 8 × 10-8 N হলে বস্তুদ্বয়ের মধ্যবর্তী দূরত্ব 0.18 m
পদার্থবিজ্ঞানের সবচেয়ে চমকপ্রদ বল মহাকর্ষ বল ।
r দূরত্বে অবস্থিত m₁, m₂ ভরের দুটি বস্তুর মধ্যে আকর্ষণ বল
মহাকর্ষীয় ধ্রুবক G এর একক N m2 kg-2
'G' এর মান
পৃথিবীর ব্যাসার্ধ R এর মান
পৃথিবীর ভর M এর মান
অভিকর্ষজ ত্বরণ g এর সাথে ভর M এর সম্পর্ক সমানুপাতিক ।
অভিকর্ষজ ত্বরণ g এর সাথে দূরত্ব R এর সম্পর্ক বর্গের ব্যস্তানুপাতিক ।
অভিকর্ষজ ত্বরণ g এর মান 9.8ms-2
G এর মাত্রা
পৃথিবী পৃষ্ঠ থেকে 100 km উচ্চতার স্পেস স্টেশনে g এর মান 9.49 ms²
একক ভরের দুটি বস্তু 1m দূরত্বে স্থাপন করলে তাদের মধ্যে আকর্ষণ বল 1 N
'g' এর সমীকরণ
চন্দ্র ও পৃথিবীর মধ্যবর্তী দূরত্ব দ্বিগুণ হলে মহাকর্ষীয় বল হবে এক-চতুর্থাংশ ।
পৃথিবী পৃষ্ঠ হতে উপরের দিকে g এর মানের কমতে থাকে ।
পৃথিবী পৃষ্ঠ হতে নিচের দিকে g এর মানের কমতে থাকে ।
কোনো বস্তুকে পৃথিবী যে বলে আকর্ষণ করে তাকে ওজন বলে ।
ভূপৃষ্ঠে দাঁড়িয়ে থাকা নিউটনের তৃতীয় সূত্র এর উদাহরণ ।
সংঘর্ষের সময় ক্রিয়া-প্রতিক্রিয়া বল কাজ করে ।
প্রকৃতিতে বল কাজ করে জোড়ায় জোড়ায় ।
নিউটনের গতির ৩য় সূত্র হতে ক্রিয়া-প্রতিক্রিয়া বলের ধারণা পাওয়া যায় ।
মানুষের চলন নিউটনের ৩য় সূত্র দিয়ে ব্যাখ্যা করা যায় ।
রকেট ভরের নিত্যতার নীতিতে চলে ।
বলের ঘাতের একক
খুব অল্প সময়ের জন্য যে বড় মানের বল প্রযুক্ত হয় তাকে বলে ঘাত বল ।
বল ও বলের ক্রিয়াকালের গুণফলকে বলে বলের ঘাত ।
দুটি তলের একটি অপরটির সাপেক্ষে গতিশীল না হলে এদের মধ্যকার ঘর্ষণ বলকে স্থিতি ঘর্ষণ বলা হয় ।
ঘর্ষণের ফলে শক্তির যে অপচয় হয় তা প্রধানত তাপশক্তি শক্তিরূপে আবির্ভূত হয় ।
ঘর্ষণ বল চার প্রকার ।
যে ঘর্ষণের কারণে প্যারাস্যুট ধীরে ধীরে নিচে নামে তাকে প্রবাহী ঘর্ষণ বলে ।
ঘর্ষণের ফলে তাপ উৎপন্ন হয় ।
ঘুরন্ত চাকাকে গতি ঘর্ষণ থামিয়ে দেয় ।
ঘর্ষণ কারণে আমরা রাস্তায় হাঁটতে পারি ।
বল বেয়ারিং চাকায় ব্যবহৃত হয় ।
ঘর্ষণকে প্রয়োজনীয় উপদ্রব বলা হয় ।
একটি গাড়ির ভর 2 kg, সম্মুখ বল 20 N, ঘর্ষণজনিত বল 10 N হলে গাড়িটির ত্বরণ 5 ms-2
তেল, মবিল এবং গ্রীজ পদার্থকে বলা হয় লুব্রিকেন্ট ।
লুব্রিকেন্ট ব্যবহৃত হয় ঘর্ষণ কমাতে ।
গাড়ির গতি নিয়ন্ত্রণে ঘর্ষণ বল কাজ করে ।
চলন্ত ট্রেন থেকে নামার চেষ্টা করলে আমি সামনের দিকে আছাড় খেয়ে পড়ি গতি জড়তার কারণে। কারণ, চলন্ত ট্রেনে থাকা অবস্থায় আমার পুরো শরীরটাই গতিশীল থাকে। এমতাবস্থায় আমি যখন মাটিতে পা দিই তখন শরীরের নিচের অংশ থেমে যায় কিন্তু ওপরের অংশ গতি জড়তার কারণে তখনো সামনের দিকে গতিশীল থাকে ফলে আমি আছাড় খেয়ে পড়ি।
চিত্রে A সুতাটি হ্যাচকা টান দিলে বল ব্লকটি অতিক্রম করে B সুতায় প্রযুক্ত হওয়ার যথেষ্ট সময় পাবে না ফলে সম্পূর্ণ বলটিই A সুতায় প্রযুক্ত হবে বলে তখন A সুতাটি ছিড়বে। কিন্তু ধীরে ধীরে টান দিলে বলটি সঞ্চালনের সময় পাবে ফলে নীট বলটি B সুতায় প্রযুক্ত হবে বলে তখন B সুতাটি ছিড়বে।
কথাটি সত্য নয়। বেশি ভরের বস্তুর ওজন বা বল বেশি হলেও উপর থেকে মুক্তভাবে ছেড়ে দিলে তার ত্বরণ মুক্তভাবে পড়ন্ত অন্য সকল বস্তুর ত্বরণের সমান হবে। আমরা জানি, কোনো বস্তুর ওজন, W = বস্তুর ভর অভিকর্ষজ ত্বরণ = mg এক্ষেত্রে দেখা যায়, যে বস্তুর ভর বেশি তথা 'm' এর মান বেশি তার জন্য ওজন বেশি। কিন্তু ত্বরণ সব বস্তুর ক্ষেত্রেই g অর্থাৎ 9.8 m s²। তাই, বস্তুর ভর বা ওজন যা-ই হোক সকল বস্তু উপর থেকে নিচে ছেড়ে দিলে ত্বরণ সমান হবে। অবশ্য হালকা বস্তুর ক্ষেত্রে বাতাসের বাধাসহ অন্যান্য ঊর্ধ্বমুখী বলের জন্য গতি অপেক্ষাকৃত বেশি বাধাপ্রাপ্ত হয় বলে ত্বরণ কমে যায়। কিন্তু বাতাসের বাধা না থাকলে ভারী-হালকা সকল বস্তুই একই ত্বরণে নিচে পড়তো।
লিফটের ক্যাবল ছিঁড়ে গেলে লিফট তথা ওজন মাপার যন্ত্র ৪ ত্বরণে নিচে পড়বে আমিও ৪ ত্বরণে নিচে পড়ব ফলে ওজন মাপার যন্ত্রের সাপেক্ষে আমার ত্বরণ শূন্য হবে ফলে আমার ওজন শূন্য দেখাবে।
ঘর্ষণহীন মেঝেতে একটি পাথরকে দড়ি বেধে টেনে নিজের দিকে আনতে চাইলে পাথরটি দ্রুত এসে আঘাত করতে পারে। এসময় ঘর্ষণ না থাকায় অল্প বল প্রয়োগেই পাথরটি ত্বরণ প্রাপ্ত হয় এবং চলতে শুরু করে। এজন্য একটু জোরে টান দিলে এটি দ্রুত নিজের দিকে চলে এসে আঘাত করতে পারে। তাছাড়া বল প্রয়োগে পাথরটি একবার গতিশীল হলে এটি চলতেই থাকবে যতক্ষণ না বিপরীতমুখী বল প্রয়োগ করে এটিকে থামানো হয়।
বস্তু যে অবস্থায় আছে চিরকাল সে অবস্থায় থাকতে চাওয়ার প্রবণতা বা সে অবস্থা বজায় রাখার ধর্মকে জড়তা বলে।
জড়তা দুই প্রকার। যথা-
১. স্থিতি জড়তা ও
২. গতি জড়তা।
যা স্থির বস্তুর উপর ক্রিয়া করে তাকে গতিশীল করে বা করার চেষ্টা করে বা যা গতিশীল বস্তুর উপর ক্রিয়া করে তার গতির পরিবর্তন করে বা করার চেষ্টা করে, তাকে বল বলে।
কোনো বস্তুর জড়তা এর ভরের উপর নির্ভর করে। অর্থাৎ ভর হচ্ছে বস্তুর জড়তার পরিমাপ। তাই স্থির বস্তুর জড়তা তার ভর দ্বারা পরিমাপ করা হয়।
কোনো বস্তুর উপর একাধিক বল ক্রিয়া করলে যদি বলের লব্ধি শূন্য হয় অর্থাৎ বস্তুটি সাম্যাবস্থায় থাকে, তবে ঐ বলগুলোকে সাম্য বল বলে।
কোনো বস্তুর উপর এক বা একাধিক বল, ক্রিয়া করলে যদি বলের লব্ধি কাজ করে অর্থাৎ বস্তুর ত্বরণ হয় তখন বস্তুটি সাম্যাবস্থায় থাকে না। যে বল বা বলগুলো এই অসাম্যাবস্থার সৃষ্টি করে তাকে অসাম্য বল বলে। যেমন কোনো বস্তুকে একটি সুতার সাহায্যে ঝুলিয়ে দিলে পৃথিবীর আকর্ষণ বলা তথা বস্তুর ওজন খাড়া নিচের দিকে এবং সুতার টান খাড়া উপরের দিকে ক্রিয়া করে। সুতাটি কেটে দেওয়া হলে বস্তুটির উপর কেবলমাত্র পৃথিবীর আকর্ষণ বল তথা অভিকর্ষ বল ক্রিয়া করবে। এই অভিকর্ষ বল বা বস্তুর ওজন হল অসাম্য বল।
কোনো বস্তুর ভর এবং বেগের গুণফলকে ঐ বস্তুর ভরবে বলে।
আগের অধ্যায়ে আমরা বস্তুর গতি নিয়ে আলোচনা করেছি কিন্তু কেন বস্তু গতিশীল হয় সেটি নিয়ে কিছু বলা হয়নি। এই অধ্যায়ে আমরা দেখব বস্তু গতিশীল হয় বলের কারণে এবং বল নিয়ে আইজ্যাক নিউটনের তিনটি যুগান্তকারী সূত্র নিয়ে আলোচনা করব। বল কীভাবে বস্তুর উপর কাজ করে সেটি নিয়ে আলোচনা করার সময় খুব স্বাভাবিকভাবেই বিভিন্ন ধরনের বল, বস্তুর জড়তা, বলের প্রকৃতি, ঘর্ষণ বল এই বিষয়গুলোও আলোচনায় উঠে আসবে।
Related Question
View All১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!
