কাজলা দিদির সাথে খুকি ঘুমাত। দিদি তাকে শোলক বলে শোনাত। কিন্তু পাশে দিদি না থাকায় বাঁশবাগান, চাঁদ, পুকুর ধার, নেবুর তলের জোনাক, ফুলের গন্ধ তাকে বিচলিত করে। আসলে দিদি না থাকায় খুকি একলা জেগে আছে।
খুকি খাবার খেতে এসে দিদিকে ডাকলে ও-ঘর থেকে দিদি আসে না। কারণ দিদি চিরদিনের জন্য তাদের ছেড়ে না ফেরার দেশে চলে গেছে, অর্থাৎ মারা গেছে। কিন্তু ছোট্ট বোনটি তা বোঝে না।
খাবার খেতে এসে খুকি দিদিকে ডাকে, কিন্তু মা তাকে ডাকেন না। কারণ মা জানেন, তার মেয়ে চিরদিনের জন্য এ পৃথিবী থেকে চলে গেছে। খুকি তা জানে না, বোঝেও না। তাই খুকি দিদিকে ডাকে, কিন্তু মা ডাকেন না।
শোলক-বলা কাজলা দিদি বলতে খুকি তার গল্প-বলা বড়ো বোনকে বুঝিয়েছে। ছোট্ট খুকির সারাক্ষণের সাথি ছিল কাজলা দিদি। তার বোন তাকে বিভিন্ন গল্প শোনাত। দিদির কাছে নানান গল্প শুনত বলে খুকি তার দিদিকে শোলক-বলা কাজলা দিদি বলেছে।
কাজলা দিদি এ পৃথিবীর মায়া ত্যাগ করে চিরকালের জন্য না ফেরার দেশে চলে গেছে। অর্থাৎ সে মরে গেছে।
আকাশে চাঁদ উঠে জোছনা ছড়ালে, জোনাকিরা থোকায় থোকায় লেবু গাছের তলে জ্বলে উঠলে কাজলা দিদি ছোট্টবোনটিকে শ্লোক শোনাত। তাই যখন চাঁদ ওঠে, পুকুর ধারে -লেবু গাছের তলে থোকায় থোকায় জোনাকি জ্বলে তখন কাজলা দিদির কথা'তার বেশি মনে পড়ে।
কাজলা দিদি মৃত্যুর মধ্য দিয়ে এ পৃথিবী থেকে চলে গেছে। আর কোনোদিনই ফিরে আসবে না। তাই কাজলা দিদির কথা উঠলে মা তার সন্তান হারানোর ব্যথা লুকাতে আঁচল দিয়ে মুখ ঢাকেন।
ছোট্ট বোনটির সারাক্ষণের খেলার সাথি ছিল তার কাজলা দিদি। দিদি তাকে পুতুল বানিয়ে দিত। পুতুলের বিয়ে দিয়ে দিত। তাই পুতুলের বিয়ের সময় দিদির কথা ছোট্ট বোনটির মনে পড়ে।
কাজলা দিদি চিরদিনের জন্য এ পৃথিবী থেকে চলে গেছে। কিন্তু তার ছোট্ট বোনটি তা জানে না। তাই দিদিকে না দেখতে পেয়ে মায়ের কাছে বারবার সে দিদির কথা জানতে চায়। দিদির কথা বললেই মা আঁচলে মুখ লুকান। ছোট্ট বোনটি এর কোনো মানে বোঝে না। তাই সে মনে করে দিদি বোধ হয় কোথাও লুকিয়ে আছে। সেও' দিদির মতো লুকাতে চায়। দিদির মতো সেও যদি লুকায় তখন তার মায়ের কেমন লাগবে, এ চরণটি দ্বারা তাই বোঝানো হয়েছে।
ডালিম গ্রাহু ফলে ভরে উঠেছে। বুলবুলি পাখি ডালিম গাছের ডালের ফাঁকে লুকিয়ে আছে। দিদি এ সবকিছু পছন্দ করত। তাই খুকি ডালিম গাছের ফল ছিঁড়তে মাকে বারণ করেছে যাতে বুলবুলি পাখি উড়ে না যায়। কারণ বুলবুলি পাখি উড়ে গেলে দিদি রাগ করতে পারে বলে সে মনে করে।
Contribute high-quality content, help learners grow, and earn for your efforts! 💡💰'
Related Question
View Allকাজলা দিদির সাথে খুকি ঘুমাত। দিদি তাকে শোলক বলে শোনাত। কিন্তু পাশে দিদি না থাকায় বাঁশবাগান, চাঁদ, পুকুর ধার, নেবুর তলের জোনাক, ফুলের গন্ধ তাকে বিচলিত করে। আসলে দিদি না থাকায় খুকি একলা জেগে আছে।
খুকি খাবার খেতে এসে দিদিকে ডাকলে ও-ঘর থেকে দিদি আসে না। কারণ দিদি চিরদিনের জন্য তাদের ছেড়ে না ফেরার দেশে চলে গেছে, অর্থাৎ মারা গেছে। কিন্তু ছোট্ট বোনটি তা বোঝে না।
খাবার খেতে এসে খুকি দিদিকে ডাকে, কিন্তু মা তাকে ডাকেন না। কারণ মা জানেন, তার মেয়ে চিরদিনের জন্য এ পৃথিবী থেকে চলে গেছে। খুকি তা জানে না, বোঝেও না। তাই খুকি দিদিকে ডাকে, কিন্তু মা ডাকেন না।
শোলক-বলা কাজলা দিদি বলতে খুকি তার গল্প-বলা বড়ো বোনকে বুঝিয়েছে। ছোট্ট খুকির সারাক্ষণের সাথি ছিল কাজলা দিদি। তার বোন তাকে বিভিন্ন গল্প শোনাত। দিদির কাছে নানান গল্প শুনত বলে খুকি তার দিদিকে শোলক-বলা কাজলা দিদি বলেছে।
কাজলা দিদি এ পৃথিবীর মায়া ত্যাগ করে চিরকালের জন্য না ফেরার দেশে চলে গেছে। অর্থাৎ সে মরে গেছে।
আকাশে চাঁদ উঠে জোছনা ছড়ালে, জোনাকিরা থোকায় থোকায় লেবু গাছের তলে জ্বলে উঠলে কাজলা দিদি ছোট্টবোনটিকে শ্লোক শোনাত। তাই যখন চাঁদ ওঠে, পুকুর ধারে -লেবু গাছের তলে থোকায় থোকায় জোনাকি জ্বলে তখন কাজলা দিদির কথা'তার বেশি মনে পড়ে।
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!