সংক্ষিপ্ত প্রশ্নের উত্তর লিখন :

Updated: 2 months ago
উত্তরঃ

হজ করতে এত মানুষ এসেছে দেখে মুহাম্মদ (স)-এর মন আনন্দে ভরে গেল। দশম হিজরিতে মহানবি (স) মদিনা থেকে মক্কায় যান হজ করতে। সেবার আরব দেশের নানা প্রান্ত থেকে প্রায় দুই লাখ মানুষ হজ পালন করতে মক্কায় এসেছিল। এত বিপুল সংখ্যক মানুষ দেখে মুহাম্মদ (স) মন আনন্দে ভরে গিয়েছিল। এত মানুষ ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করেছে দেখে তিনি আনন্দিত হয়েছিলেন।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
2 months ago
উত্তরঃ

মহানবি (স) বসবাস করতেন মদিনায়। দশম হিজরিতে তিনি তাঁর জন্মস্থান মক্কায় যেতে চাইলেন। এই খবর চারদিকে ছড়িয়ে পড়ল। তখন মদিনার হাজার হাজার মানুষ জড়ো হলো তাঁর কাছে। কেননা তারা সবাই মহানবির সাথে মক্কায় হজ করতে যেতে চান।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
2 months ago
উত্তরঃ

মহানবি (স)-এর দশম হিজরি সালের হজে গিয়ে দেওয়া ভাষণটি 'বিদায় হজের ভাষণ' নামে খ্যাত। সেবার আরব দেশের। নানা প্রান্ত থেকে প্রায় দুই লাখ মানুষ হজ পালন করতে আসে। মুহাম্মদ (স) সমবেত মানুষের উদ্দেশে ভাষণ দেন। আরাফাতের ময়দানে এটি ছিল তাঁর শেষ ভাষণ এবং এটিই তাঁর জীবনের শেষ হজ। তাই এ ভাষণ 'বিদায় হজের ভাষণ' নামে খ্যাত।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
2 months ago
উত্তরঃ

নবিজি (স) গোলামদের সম্পর্কে নির্দেশনা দিয়েছেন যে, গোলামরাও আল্লাহর বান্দা, তাই তাদের প্রতি নিষ্ঠুর ব্যবহার করা যাবে না। আমরা নিজেরা যা খাব আমাদের গোলামদেরও তাই খেতে দিতে হবে। আমরা যে কাপড় পরব তাদেরও তাই পরতে দিতে হবে। কোনো গোলাম যদি নিজের যোগ্যতায় আমির হয় তবে তাকে মেনে চলতে হবে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
2 months ago
উত্তরঃ

মহানবি (স) বিদায় হজের ভাষণে ধর্ম সম্পর্কে উপদেশ দিতে গিয়ে বলেছেন যে, "তোমরা ধর্ম নিয়ে বাড়াবাড়ি করবে না। নিজ নিজ ধর্ম পালন করবে। অন্য ধর্মের মানুষের ওপর নিজের ধর্ম চাপিয়ে দেবে না।"

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
2 months ago
উত্তরঃ

দশম হিজরিতে মুহাম্মদ (স) তাঁর শেষ ভাষণ দেন।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
2 months ago
উত্তরঃ

মহানবির (স)-এর শেষ ভাষণ থেকে আমরা অনেক গুরুত্বপূর্ণ বিষয় শিখতে পারি। যেমন- আমরা আল্লাহর কাছে হাজির হব এবং আমরা যে কাজ করব তার হিসাব চাইবেন তিনি। এজন্য আমাদের কাজের ক্ষেত্রে সতর্ক থাকতে হবে। আমাদের গোলামদের সাথে নিষ্ঠুর ব্যবহার করা যাবে না, নিজেরা যা 'খাব-পরব, তাদেরকেও তাই দিতে হবে। গোলাম নিজের যোগ্যতায় আমির হলে তাকে মানতে হবে। অন্যায়-অবিচার-পাপ থেকে দূরে থাকতে হবে। অন্যজনের সম্পত্তি দখল করা যাবে না। এছাড়া আমরা শিক্ষা পাই যে, ধর্ম নিয়ে বাড়াবাড়ি করা যাবে না। নিজ ধর্ম পালন করতে হবে কিন্তু অন্য ধর্মের মানুষের ওপর নিজ ধর্ম চাপিয়ে দেওয়া যাবে না। মানুষ হিসেবে মর্যাদা ধরে রাখতে হবে। মেয়েদের অধিকারকে সম্মান করতে হবে। ধনী-গরিবের বৈষম্য করা যাবে না। কাউকে জাতি বা ধর্ম দিয়ে আলাদা করা যাবে না। কুরআন এবং রাসুলের জীবনাদর্শ মেনে চলতে হবে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
2 months ago
উত্তরঃ

গোলাম যদি আমির হয় তাকে অনুসরণ করতে হবে তার যোগ্যতার জন্য। পৃথিবীর সব মানুষ সমান। বিদায় হজের ভাষণে সেই সাম্যের কথাই বলা হয়েছে। গোলামরাও আল্লাহর বান্দা, তাই তাদের প্রতি নিষ্ঠুর আচরণ করা যাবে না। নিজেরা যা ব্যবহার করি সেই একই খাবার ও পোশাক তাদের দিতে হবে। আর কোনো গোলাম যদি নিজের যোগ্যতায় আমির হয়, তবে তাকে মেনে চলতে হবে। কেননা সে নিজস্ব গুণ বা যোগ্যতায় সেটা অর্জন করেছে, তাকে অবহেলার কিছু নেই। আমরা সবাই আল্লাহর বান্দা।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
2 months ago
উত্তরঃ

মহানবি (স) বিদায় হজের ভাষণে ধর্ম বিষয়েও আলোচনা করেছেন। ধর্ম নিয়ে বাড়াবাড়ি করতে নিষেধ করেছেন তিনি। সবাইকে নিজ নিজ ধর্ম পালন করতে বলেছেন। অন্য ধর্মের মানুষের ওপর নিজ ধর্ম চাপিয়ে দিতে নিষেধ করেছেন। কাউকে জাতি বা ধর্ম দিয়ে আলাদা না করার ওপর জোর দিয়েছেন।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
2 months ago
উত্তরঃ

মহানবি (স) নিম্নোক্ত দুটি জিনিস মানুষের কাছে রেখে গেছেন:

১. আল্লাহর বাণী অর্থাৎ কুরআন। ২. আল্লাহর প্রেরিত রাসুল মহানবি (স)-এর জীবনের আদর্শ।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
2 months ago
28

Related Question

View All
উত্তরঃ

হজ করতে এত মানুষ এসেছে দেখে মুহাম্মদ (স)-এর মন আনন্দে ভরে গেল। দশম হিজরিতে মহানবি (স) মদিনা থেকে মক্কায় যান হজ করতে। সেবার আরব দেশের নানা প্রান্ত থেকে প্রায় দুই লাখ মানুষ হজ পালন করতে মক্কায় এসেছিল। এত বিপুল সংখ্যক মানুষ দেখে মুহাম্মদ (স) মন আনন্দে ভরে গিয়েছিল। এত মানুষ ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করেছে দেখে তিনি আনন্দিত হয়েছিলেন।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
2 months ago
19
উত্তরঃ

মহানবি (স) বসবাস করতেন মদিনায়। দশম হিজরিতে তিনি তাঁর জন্মস্থান মক্কায় যেতে চাইলেন। এই খবর চারদিকে ছড়িয়ে পড়ল। তখন মদিনার হাজার হাজার মানুষ জড়ো হলো তাঁর কাছে। কেননা তারা সবাই মহানবির সাথে মক্কায় হজ করতে যেতে চান।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
2 months ago
20
উত্তরঃ

মহানবি (স)-এর দশম হিজরি সালের হজে গিয়ে দেওয়া ভাষণটি 'বিদায় হজের ভাষণ' নামে খ্যাত। সেবার আরব দেশের। নানা প্রান্ত থেকে প্রায় দুই লাখ মানুষ হজ পালন করতে আসে। মুহাম্মদ (স) সমবেত মানুষের উদ্দেশে ভাষণ দেন। আরাফাতের ময়দানে এটি ছিল তাঁর শেষ ভাষণ এবং এটিই তাঁর জীবনের শেষ হজ। তাই এ ভাষণ 'বিদায় হজের ভাষণ' নামে খ্যাত।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
2 months ago
25
উত্তরঃ

নবিজি (স) গোলামদের সম্পর্কে নির্দেশনা দিয়েছেন যে, গোলামরাও আল্লাহর বান্দা, তাই তাদের প্রতি নিষ্ঠুর ব্যবহার করা যাবে না। আমরা নিজেরা যা খাব আমাদের গোলামদেরও তাই খেতে দিতে হবে। আমরা যে কাপড় পরব তাদেরও তাই পরতে দিতে হবে। কোনো গোলাম যদি নিজের যোগ্যতায় আমির হয় তবে তাকে মেনে চলতে হবে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
2 months ago
21
উত্তরঃ

মহানবি (স) বিদায় হজের ভাষণে ধর্ম সম্পর্কে উপদেশ দিতে গিয়ে বলেছেন যে, "তোমরা ধর্ম নিয়ে বাড়াবাড়ি করবে না। নিজ নিজ ধর্ম পালন করবে। অন্য ধর্মের মানুষের ওপর নিজের ধর্ম চাপিয়ে দেবে না।"

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
2 months ago
28
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র
মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews