সংক্ষিপ্ত- প্রশ্নোত্তর সমাধান

Updated: 6 months ago
উত্তরঃ

কম্পিউটার নেটওয়ার্ক তৈরি হয় দুই বা ততোধিক কম্পিউটারকে তার, ফাইবার অপটিক ক্যাবল বা ওয়াইফাই এর মতো মাধ্যমে সংযুক্ত করে। এই সংযোগের মাধ্যমে কম্পিউটারগুলো একে অপরের সাথে সংযুক্ত থেকে তথ্য আদান-প্রদান করতে পারে। নেটওয়ার্ক তৈরির জন্য প্রয়োজন হয় নেটওয়ার্ক ইন্টারফেস কার্ড, হাব, সুইচ, রাউটার এবং নেটওয়ার্ক অপারেটিং সিস্টেম।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

সার্ভার হলো একটি কম্পিউটার যা নেটওয়ার্কের অন্যান্য কম্পিউটারকে বিভিন্ন ধরনের সেবা প্রদান করে। এটি নেটওয়ার্কের কেন্দ্রীয় কম্পিউটার হিসেবে কাজ করে। সার্ভার ফাইল শেয়ারিং, ই-মেইল, ওয়েব পেইজ হোস্টিং, ডেটাবেজ ম্যানেজমেন্ট এবং অন্যান্য অনেক সেবা প্রদান করতে পারে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

নেটওয়ার্কে সার্ভার থেকে সেবা গ্রহণকারী কম্পিউটারকে ক্লায়েন্ট বলা হয়। ক্লায়েন্ট সার্ভার থেকে ফাইল ডাউনলোড করতে পারে, ই-মেইল পাঠাতে পারে, ওয়েব ব্রাউজ করতে পারে এবং আরও অনেক কাজ করতে পারে। ব্যক্তিগত কম্পিউটার, ল্যাপটপ, স্মার্টফোন ইত্যাদি ক্লায়েন্টের উদাহরণ।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

ই-মেইল সার্ভার হলো একটি সার্ভার, যা ইমেইল প্রেরণ, গ্রহণ ও সংরক্ষণের কাজ করে। ব্যবহারকারীরা ক্লায়েন্ট কম্পিউটার থেকে ইমেইল পাঠালে, ইমেইল সার্ভার সেটি প্রাপকের সার্ভারে পাঠিয়ে দেয়।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

যে বস্তু ব্যবহার করে কম্পিউটারগুলো জুড়ে দেওয়া হয় সেটা হচ্ছে মিডিয়া। যেমন- বৈদ্যুতিক তার, কো-এক্সিয়াল তার, অপটিক্যাল ফাইবার ইত্যাদি। কোনো মিডিয়া ব্যবহার না করেও তার বিহীন (যেমন- Wi-Fi) পদ্ধতিতে কম্পিউটারকে নেটওয়ার্কে জুড়ে দেওয়া যায়।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

তারযুক্ত ও তারবিহীন নেটওয়ার্কের মধ্যে পার্থক্য হলো-

তারযুক্ত নেটওয়ার্কতারবিহীন নেটওয়ার্ক
১. এ নেটওয়ার্কে কম্পিউটারগুলো ক্যাবল বা তারের মাধ্যমে সংযুক্ত থাকে।১. এ নেটওয়ার্কে কম্পিউটারগুলা ওয়াইফাই, ব্লুটুথ, রেডিও ওয়েভইত্যাদির মাধ্যমে সংযুক্ত থাকে।
২. এটি বেশি নিরাপদ ও দ্রুতগতির হয়।২. এটি তুলনামূলকভাবে কম নিরাপদ হয় এবং এর গতিও কিছুটা কম হয়।
Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

নেটওয়ার্ক এডাপ্টার বা নেটওয়ার্ক ইন্টারফেস কার্ড (NIC) একটি কম্পিউটারের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হার্ডওয়্যার। এটি একটি কম্পিউটারকে নেটওয়ার্কের সাথে সংযুক্ত করে এবং তথ্য আদান-প্রদানের অনুমতি দেয়। এটি একটি কম্পিউটারের জন্য একটি নেটওয়ার্কের দরজা যা ছাড়া অন্য কোনো ডিভাইসের সাথে সংযুক্ত হওয়া সম্ভব নয়।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

ক্লায়েন্টের কাছে ব্যবহারের জন্য যে সকল সুযোগ-সুবিধা দেওয়া হয়, তার সবই হচ্ছে রিসোর্স। কম্পিউটারের সাথে যদি একটি প্রিন্টার কিংবা একটি ফ্যাক্স মেশিন লাগানো হয় সেটি হচ্ছে এক প্রকার রিসোর্স।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

ক্লায়েন্ট এবং রিসোর্স এর মধ্যে পার্থক্য নিচে দেওয়া হলো:

ক্লায়েন্টরিসোর্স
১. যেসব কম্পিউটার সার্ভার থেকে কোনো ধরনের তথ্য নেয় তাদের ক্লায়েন্ট বলে।১. ক্লায়েন্ট এর কাছে ব্যবহারের জন্য যেসব সুযোগ-সুবিধা দেওয়া হয় তার সবই রিসোর্স।
২. প্রিন্টার ব্যবহারের ফলে যে সেবা গ্রহণ করে তা হলো ক্লায়েন্ট।২. কম্পিউটারের বা ক্লায়েন্ট এর সাথে যদি প্রিন্টার লাগানো থাকে তবে প্রিন্টার রিসোর্স।
৩. ক্লায়েন্ট সেবা গ্রহণ করে সার্ভারের কাছ থেকে।৩. রিসোর্স ক্লায়েন্ট কে সার্ভারের অনুমতিতে সেবা প্রদান করে।
Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

নেটওয়ার্কের যে ব্যবহারকারী সার্ভার বা ক্লায়েন্ট কম্পিউটার থেকে রিসোর্স ব্যবহার করে, তাকে ইউজার বলে। ইউজাররা ইমেইল পাঠানো, ফাইল ডাউনলোড, প্রিন্টার ব্যবহার, সফটওয়্যার অ্যাক্সেস। ইত্যাদি কাজে নেটওয়ার্ক ব্যবহার করে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

প্রটোকল হলো এক সেট নির্দেশাবলি বা নিয়ম যা কম্পিউটারগুলোর মধ্যে তথ্য আদান-প্রদানের জন্য ব্যবহৃত হয়। এটি নির্ধারণ করে যে তথ্য কীভাবে পাঠানো হবে, কীভাবে তা গ্রহণ করা হবে এবং ত্রুটির ক্ষেত্রে কী করা হবে। প্রটোকল ছাড়া, বিভিন্ন ধরনের কম্পিউটার এবং নেটওয়ার্ক একে অপরের সাথে যোগাযোগ করতে পারবে না। উদাহরণস্বরূপ, HTTP প্রোটোকল ওয়েব পেইজ লোড করার জন্য ব্যবহৃত হয়, এবং FTP প্রোটোকল ফাইল ট্রান্সফার করার জন্য ব্যবহৃত হয়।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

কম্পিউটার নেটওয়ার্কে অনেকগুলো কম্পিউটার একসাথে জুড়ে দেওয়া হয়, যেন একটি কম্পিউটার অন্য কম্পিউটারের সাথে যোগাযোগ করতে পারে। জুড়ে দেওয়া কম্পিউটারগুলোর অবস্থানের উপর ভিত্তি করে কম্পিউটার নেটওয়ার্ককে নিম্নলিখিত ভাগে ভাগ করা যায়-

১. PAN (Personal Area Network)
২. LAN (Local Area Network)
৩. MAN (Metropolitan Area Network)
8, WAN (Wide Area Network)

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

পার্সোনাল এরিয়া নেটওয়ার্ক (PAN) হলো একটি ছোট আকারের নেটওয়ার্ক যা ব্যক্তির নিজস্ব ব্যবহারের জন্য তৈরি করা হয়। সাধারণত এই নেটওয়ার্কটি একটি সীমিত এলাকা, যেমন একটি অফিস ডেস্ক বা একটি বাড়ি জুড়ে বিস্তৃত থাকে। PAN-এ সাধারণত কম্পিউটার, স্মার্টফোন, ট্যাবলেট, প্রিন্টার এবং অন্যান্য ব্যক্তিগত ইলেকট্রনিক ডিভাইসগুলোকে সংযুক্ত করা হয়। Bluetooth বা Wi-Fi প্রযুক্তি ব্যবহার করে PAN তৈরি করা হয়।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

লোকাল এরিয়া নেটওয়ার্ক (LAN) হলো একটি কম্পিউটার নেটওয়ার্ক যা একটি ছোট ভৌগোলিক এলাকা, যেমন- একটি অফিস, একটি স্কুল বা একটি বাড়ি জুড়ে বিস্তৃত থাকে। LAN-এ সাধারণত কম্পিউটার, প্রিন্টার, সার্ভার এবং অন্যান্য নেটওয়ার্ক ডিভাইসগুলোকে সংযুক্ত করা হয়। LAN-এর মাধ্যমে সংযুক্ত ডিভাইসগুলো একে অপরের সাথে তথ্য আদান-প্রদান করতে পারে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

মেট্রোপলিটন এরিয়া নেটওয়ার্ক (MAN) হলো একটি কম্পিউটার নেটওয়ার্ক যা একটি শহর বা মহানগরের মতো বড় ভৌগোলিক এলাকা জুড়ে বিস্তৃত থাকে। MAN সাধারণত একাধিক LAN-কে সংযুক্ত করে গঠিত হয়। MAN-এর মাধ্যমে বিভিন্ন সংস্থা, সরকারি অফিস এবং শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের কম্পিউটারগুলোকে সংযুক্ত করা হয়। MAN-এর গঠনে সাধারণত ফাইবার অপটিক ক্যাবল, মাইক্রোওয়েভ লিংক এবং স্যাটেলাইট লিংক ব্যবহার করা হয়।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

ওয়াইড এরিয়া নেটওয়ার্ক (WAN) হলো সবচেয়ে বড় ধরনের কম্পিউটার নেটওয়ার্ক। এটি বিশ্বের বিভিন্ন দেশ এবং মহাদেশ জুড়ে বিস্তৃত থাকতে পারে। ইন্টারনেট হলো এর একটি উদাহরণ। WAN-এর গঠনে সাধারণত টেলিফোন লাইন, স্যাটেলাইট লিংক এবং অন্যান্য মাধ্যম ব্যবহার করা হয়। WAN-এর মাধ্যমে লক্ষ লক্ষ কম্পিউটারকে সংযুক্ত করা সম্ভব, যার ফলে বিশ্বব্যাপী তথ্য আদান-প্রদান সহজ হয়েছে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

দুই বা ততোধিক কম্পিউটার একসাথে নেটওয়ার্কিং করার ভিন্ন ভিন্ন পদ্ধতিকে টপোলজি বলে। এটি নির্দেশ করে যে নেটওয়ার্কের বিভিন্ন ডিভাইস (যেমন কম্পিউটার, প্রিন্টার) কীভাবে একে অপরের সাথে সংযুক্ত থাকে এবং তাদের মধ্যে তথ্য কীভাবে প্রবাহিত হয়। মূলত টপোলজি হলো একটি নেটওয়ার্কের নকশা।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

অনেকগুলো কম্পিউটারকে খুব সহজভাবে জুড়ে দেওয়ার পদ্ধতিই হলো বাস টপোলজি। এই টপোলজিতে একটা মূল ব্যাকবোন বা মূল লাইনের সাথে সবগুলো কম্পিউটারকে জুড়ে দেওয়া হয়। বাস টপোলজিতে কোনো একটা কম্পিউটার যদি অন্যকোনো কম্পিউটারের সাথে যোগাযোগ করতে চায়, তাহলে সব কম্পিউটারের কাছেই সেই তথ্য পৌছে যায়। তবে যার সাথে যোগাযোগ করার কথা কেবল সেই কম্পিউটারটি তথ্যটা গ্রহণ করে। অন্য সব কম্পিউটার তথ্যগুলোকে উপেক্ষা করে।  

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

বাস টপোলজির সুবিধা নিম্নরূপ:
১. এখানে ব্যাকবোন একটি এবং এর সংগঠন সহজ এবং সাধারণ।
২. কম তারের প্রয়োজন হয়।
৩. খরচ কম হয়।
৪. কোনো একটি কম্পিউটার নষ্ট হয়ে গেলে অন্য কম্পিউটারসমূহ স্বাভাবিকভাবে কাজ করতে পারে।
৫. বাস টপোলজি সম্প্রসারণ করা সম্ভব।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

বাস টপোলজির অসুবিধা নিম্নরূপ:
১. নেটওয়ার্কে কম্পিউটারের সংখ্যা বৃদ্ধি পেলে ডেটা বা তথ্য আদান-প্রদানে সমস্যা হয়।
২. একসাথে একই সময়ে বেশি ডেটা আদান-প্রদানে সময় বেশি লাগে।
৩. ব্যাকবোন তারটি নষ্ট হয়ে গেলে পুরো নেটওয়ার্ক অচল হয়ে পড়ে।
৪. ত্রুটি খুঁজে পাওয়া কষ্টকর।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

রিং টপোলজি নেটওয়ার্কের এমন একটি কাঠামো যেখানে সবগুলো ডিভাইস একটি বন্ধ বৃত্তাকার পথে সংযুক্ত থাকে। ডেটা এই বৃত্তাকার পথে এক ডিভাইস থেকে অন্য ডিভাইসে একই দিকে প্রবাহিত হয়। একে একটি রিং-এর মতো দেখা যায় বলেই এর নাম রিং টপোলজি।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

রিং টপোলজির দুটি সুবিধা নিম্নরূপ:
১. নতুন ডিভাইস যোগ করতে বা অপসারণ করতে বাস টপোলজির মতোই রিং টপোলজিতেও অন্যান্য টপোলজির তুলনায় কম জটিলতা থাকে।
২. যদি নেটওয়ার্কে খুব বেশি ডিভাইস না থাকে, তাহলে রিং টপোলজি বেশ দ্রুত ডেটা ট্রান্সমিশন করতে পারে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

রিং টপোলজিতে প্রতিটি কম্পিউটার অন্য দুটি কম্পিউটারের সাথে যুক্ত থাকে। নিচে রিং টপোলজির চিত্রসহ বিবরণ দেওয়া হলো-যে টপোলজিতে কম্পিউটারগুলো একে অন্যের সাথে রিং বা বৃত্তের আকারে পরস্পরের সাথে যুক্ত থাকে তাকে রিং টপোলজি বলে। এ টপোলজিতে এক কম্পিউটার থেকে অন্য কম্পিউটারে তথ্য যায় একটা নির্দিষ্ট দিকে। তবে রিং টপোলজিতে সবসময় কম্পিউটারগুলো বৃত্তাকারে নাও থাকতে পারে সেগুলো এলোমেলোও থাকতে পারে। অর্থাৎ সব সময়েই যখন কম্পিউটারগুলোর মাঝে বৃত্তাকার যোগাযোগ থাকে, তাহলেই সেটা রিং টপোলজি।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

রিং টপোলজির প্রধান সীমাবদ্ধতা হলো, নেটওয়ার্কের কোনো একটি ডিভাইস বিকল হয়ে গেলে পুরো নেটওয়ার্কের ডেটা ট্রান্সমিশন বন্ধ হয়ে যেতে পারে। এছাড়াও যদি নেটওয়ার্কে অনেক ডিভাইস থাকে, তাহলে ডেটা এক ডিভাইস থেকে অন্য ডিভাইসে পৌঁছাতে অনেক সময় নিতে পারে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

স্টার টপোলজি নেটওয়ার্কের এমন একটি কাঠামো যেখানে সবগুলো ডিভাইস একটি কেন্দ্রীয় ডিভাইস (যেমন- হাব, সুইচ) এর সাথে সংযুক্ত থাকে। এই কেন্দ্রীয় ডিভাইসটি নেটওয়ার্কের সকল ডেটা ট্রাফিক নিয়ন্ত্রণ করে এবং সংযুক্ত ডিভাইসগুলোর মধ্যে ডেটা প্রেরণ এবং গ্রহণের ব্যবস্থা করে। এটি একটা তারার মতো দেখা যায় বলেই এর নাম স্টার টপোলজি।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

রিং ও স্টার টপোলজির মধ্যে তুলনা নিচে দেওয়া হলো-

রিংস্টার
১. রিং টপোলজিতে প্রত্যেকটি কম্পিউটার অন্য দুটি কম্পিউটারের সাথে যুক্ত থাকে।১. স্টার টপোলজিতে সবগুলো কম্পিউটার একটি কেন্দ্রীয় হাবের সাথে যুক্ত থাকে।
রিংস্টার
২. রিং টপোলজিতে এক কম্পিউটার থেকে অন্য কম্পিউটারে তথ্য যায় একটা নির্দিষ্ট দিকে।২. স্টার টপোলজিতে এক কম্পিউটার থেকে অন্য কম্পিউটারে তথ্য যায় নির্দিষ্ট দিকে হাবের মধ্য দিয়ে।
৩. এতে কম ক্যাবলের প্রয়োজন হয়।৩. এতে বেশী ক্যাবলের প্রয়োজন হয়।
Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

রিং টপোলজির তুলনায় স্টার টপোলজি উত্তম বলে মনে করা হয়। কারণ স্টার টপোলজিতে যদি কোনো ডিভাইসে সমস্যা হয়, তাহলে তা শুধু সেই ডিভাইসটিকে প্রভাবিত করে, পুরো নেটওয়ার্ককে নয়। আর রিং টপোলজিতে যদি কোনো ডিভাইসে সমস্যা হয়, তাহলে পুরো নেটওয়ার্কের কাজ বন্ধ হয়ে যেতে পারে। এছাড়া, স্টার টপোলজিতে নতুন ডিভাইস যোগ করা বা অপসারণ করা খুব সহজ।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

স্টার টপোলজির বৈশিষ্ট্য উল্লেখ করা হলো-
১. স্টার টপোলজি কেন্দ্রিয়ভাবে নিয়ন্ত্রণ করা যায় বলে ত্রুটি নির্ণয় সহজ হয়।
২. স্টার টপোলজিতে ডেটা চলাচলের গতি বেশি।
৩. নেটওয়ার্কে কোনো প্রকার বাধা সৃষ্টি না করেই স্টারে নতুন। কম্পিউটার যুক্ত করা যায়।
৪. একই নেটওয়ার্কে বিভিন্ন ধরনের ক্যাবল ব্যবহার করা যায়।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

স্টার টপোলজির দুটি প্রধান অসুবিধা হলো-
১. কেন্দ্রের হাব অকেজো হয়ে গেলে পুরো নেটওয়ার্কই বিকল হয়ে পড়ে।
২. এই টপোলজিতে অধিক ক্যাবল লাগে। কারণ প্রতি কম্পিউটার থেকে ক্যাবলকে কেন্দ্রীয় হাবের নিকট নিয়ে যেতে হয়। ক্যাবল বেশি লাগায় খরচও বেশি হয়।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

স্টার টপোলজির দুটি সুবিধা হলো-
১. সহজেই নেটওয়ার্কে অধিকসংখ্যক কম্পিউটার যোগ করা যেতে পারে।
২. নেটওয়ার্কে কোনো একটি কম্পিউটার বিকল হয়ে গেলে তা নেটওয়ার্কের উপর কোনো প্রভাব ফেলে না। অন্যান্য কম্পিউটার
নিজেদের মধ্যে ঠিকমতোই যোগাযোগ করতে পারে। কোন কম্পিউটার সমস্যাযুক্ত তাও বের করা যায় সহজেই।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

ট্রি টপোলজি হলো এমন একটি নেটওয়ার্কের গঠন যেখানে অনেকগুলো স্টার টপোলজি একত্রিত হয়ে একটি গাছের মতো কাঠামো তৈরি করে। এই টপোলজিতে প্রতিটি কম্পিউটার পূর্ববর্তী ও পরবর্তী স্তরের সকল কম্পিউটারের সাথে যুক্ত থাকে যা স্টার টপোলজির অনুরূপ। তাই ট্রি টপোলজিও স্টার টপোলজির মতোই নির্ভরযোগ্য এবং প্রসারণযোগ্য।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

ট্রি টপোলজিতে কম্পিউটার বা নোডগুলো পরস্পরের সাথে গাছের শাখা-প্রশাখার ন্যায় বিন্যস্ত ও যুক্ত থাকে। এতে একাধিক স্তরের কম্পিউটার একটি কেন্দ্রীয় সার্ভারের সাথে যুক্ত থাকে। বড় ধরনের নেটওয়ার্ক গঠনে অন্যান্য টপোলজির তুলনায় ট্রি বেশি সুবিধা প্রদান করে। ট্রি টপোলজির ক্ষেত্রে ডেটা নিরাপত্তা সবচেয়ে বেশি।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

ট্রি টপোলজির সুবিধাগুলো হলো-
১. যেকোনো সময় নেটওয়ার্ক সম্প্রসারিত করা যায়।
২. ডেটা নিরাপত্তা সবচেয়ে বেশি।
৩. নেটওয়ার্কের কোনো শাখা নষ্ট হলে, সম্পূর্ণ নেটওয়ার্ক অচল হয়ে পড়ে না।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

ট্রি টপোলজির অসুবিধাগুলো হলো-
১. প্রধান কম্পিউটার নষ্ট হলে সমগ্র নেটওয়ার্ক অচল হয়ে পড়ে।
২. অন্যান্য টপোলজির তুলনায় জটিল প্রকৃতির।
৩. বাস্তবায়ন খরচ অপেক্ষাকৃত বেশি।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

মেশ টপোলজি হলো এমন একটি নেটওয়ার্কের গঠন যেখানে প্রতিটি ডিভাইস অন্য সব ডিভাইসের সাথে সরাসরি সংযুক্ত থাকে। এটি একটি সম্পূর্ণ সংযুক্ত নেটওয়ার্ক। মেশ টপোলজি খুবই নির্ভরযোগ্য কারণ যদি কোনো কারণে একটি সংযোগ ব্যর্থ হয়, তাহলে ডেটা অন্য পথে পাঠানো যেতে পারে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

মেশ টপোলজি ব্যবহার করা সুবিধাজনক কারণ এটি খুবই নির্ভরযোগ্য। যদি কোনো সংযোগ ব্যর্থ হয়, তাহলে ডেটা অন্য পথে পাঠানো যেতে পারে। এছাড়া, মেশ টপোলজি খুবই দ্রুত ডেটা ট্রান্সমিশন করতে পারে। তবে, মেশ টপোলজি স্থাপন করতে অনেকগুলো ক্যাবল প্রয়োজন হয়, ফলে এটি খুবই ব্যয়বহুল হতে পারে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

নেটওয়ার্ক ব্যবহারে মেশ টপোলজি অধিক সুবিধাজনক। মেশ টপোলজিতে কম্পিউটারগুলো একটি আরেকটির সাথে যুক্ত থাকে এবং একাধিক পথে যুক্ত হতে পারে। ফলে একটি কম্পিউটার নষ্ট হলেও পুরো নেটওয়ার্কের উপর কোনো প্রভাব পরে না। মেশ টপোলজিতে নেটওয়ার্কের সমস্যা খুব সহজে সমাধান করা যায়। এতে ডেটা কমিউনিকেশনের নিশ্চয়তা অনেক বেশি থাকে। তাই নেটওয়ার্ক ব্যবহারে মেশ টপোলজি অধিক সুবিধাজনক।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

মেশ টপোলোজিতে প্রতিটি কম্পিউটারের সাথে সরাসরি লিংক থাকে। নিচে মেশ টপোলজির সংক্ষিপ্ত বর্ণনা করা হলো-
মেশ টপোলোজিতে কম্পিউটারগুলো একটি আরেকটির সাথে যুক্ত থাকে। এক্ষেত্রে কম্পিউটারগুলো পরস্পর একাধিক পথে যুক্ত হতে পারে। এ ধরনের নেটওয়ার্কের কোনো একটি কম্পিউটার নষ্ট হলে নেটওয়ার্কের অন্যান্য কম্পিউটারের সাথে তথ্য আদান-প্রদানে কোনো অসুবিধা হয় না। অর্থাৎ মেশ টপোলজি নেটওয়ার্ক হলো সহজ নেটওয়ার্ক।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

যদি একটি নেটওয়ার্কের প্রতিটি কম্পিউটারই সরাসরি নেটওয়ার্কভুক্ত অন্য সবগুলো কম্পিউটারের সাথে যুক্ত থাকে, তাহলে সেটিকে বলে কমপ্লিট মেশ। নিচের ছবিতে ছয়টি কম্পিউটারের একটি কমপ্লিট মেশ দেখানো হলো-

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

মেশ ও ট্রি টপোলজির মধ্যে মেশ টপোলজি অধিকতর ভালো। কারণ, মেশ টপোলজিতে প্রত্যেকটি কম্পিউটার একে অপরের সাথে সংযুক্ত থাকে। কম্পিউটারগুলো শুধু যে অন্য কম্পিউটার থেকে তথ্য নেয় তা নয় বরং সেটি নেটওয়ার্কের অন্য কম্পিউটারের মাঝে বিতরণও করতে পারে। এই নেটওয়ার্কের কোনো একটি কম্পিউটার নষ্ট হলেও নেটওয়ার্কের অন্যান্য কম্পিউটারগুলো সচল থাকে। অন্যদিকে ট্রি টপোলজির নেটওয়ার্কের মূল কম্পিউটার বা বুট কম্পিউটার নষ্ট হলে নেটওয়ার্ক অচল হয়ে যায়। তাই মেশ টপোলজি অধিকতর ভালো।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

হাইব্রিড টপোলজি হলো এমন একটি নেটওয়ার্কের গঠন যেখানে দুই বা ততোধিক ধরনের টপোলজি একত্রিত করা হয়। উদাহরণস্বরূপ, একটি নেটওয়ার্কে স্টার টপোলজি এবং রিং টপোলজি একত্রে ব্যবহার করা হতে পারে। হাইব্রিড টপোলজি বড় এবং জটিল নেটওয়ার্কের জন্য উপযোগী, কারণ এটি বিভিন্ন ধরনের টপোলজির সুবিধাগুলোকে একত্রিত করে এবং কোনো নির্দিষ্ট একটি টপোলজির দুর্বলতাগুলো কমিয়ে আনে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

নেটওয়ার্ক তথ্য ব্যবস্থাপনায় নতুন মাত্রা যোগ করেছে। এটি মুহূর্তের মধ্যেই তথ্য আদান-প্রদানের সুযোগ করে দেয়। আগে তথ্য সংগ্রহ ও প্রচার কঠিন এবং সময়সাপেক্ষ ছিল, কিন্তু এখন নেটওয়ার্কের মাধ্যমে তথ্য সহজেই সবার কাছে পৌঁছে দেওয়া যায়। এছাড়া, তথ্য সংরক্ষণ ও ব্যবহারের পদ্ধতিতেও পরিবর্তন এসেছে, যেমন- ডেটাবেসে তথ্য সংরক্ষণ করা এবং দ্রুত অনুসন্ধানের সুবিধা।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

ডেটাবেজ তথ্য সংগ্রহ ও উপস্থাপনার ক্ষেত্রে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি সরঞ্জাম। এটি বিপুল পরিমাণ তথ্যকে একটি সুসংগত ও সুগঠিতভাবে সংরক্ষণ করে, যা পরবর্তীতে বিশ্লেষণ, সিদ্ধান্ত গ্রহণ এবং প্রতিবেদন তৈরিতে সহায়তা করে। ডেটাবেজের সাহায্যে তথ্য খুঁজে পাওয়া খুব সহজ হয়ে যায় এবং তথ্যের সুরক্ষাও নিশ্চিত করা যায়। এছাড়া, ডেটাবেজের মাধ্যমে তথ্যকে বিভিন্নভাবে উপস্থাপন করা যায়, যেমন- চার্ট, গ্রাফ ইত্যাদির মাধ্যমে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

ই-টিকিট ব্যবস্থার অন্যতম সুবিধা হলো এটি যাত্রীদের কাগজের টিকিট বহন করার প্রয়োজনীয়তা দূর করেছে। যাত্রীরা শুধু তাদের পরিচয় প্রদান করলেই বিমান কর্তৃপক্ষ নেটওয়ার্কের মাধ্যমে টিকিটের তথ্য সংগ্রহ করতে পারে। এতে সময় বাঁচে, টিকিট হারানোর ঝামেলা কমে, এবং বিমানবন্দরে চেক-ইন প্রক্রিয়া আরও সহজ হয়ে যায়।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

তথ্য প্রযুক্তি আমাদের দৈনন্দিন জীবনে সময়ের অপচয় কমিয়ে আনে। উদাহরণস্বরূপ, এখন আর দীর্ঘ সময় লাইনে না দাঁড়িয়ে মোবাইল ব্যাংকিং এর মাধ্যমে আমরা যে কোনো সময়, যে কোনো স্থান থেকে অর্থ লেনদেন করতে পারি। ই-টিকেটিং সিস্টেমের মাধ্যমে আমরা ঘরে বসেই বিমান, ট্রেন বা বাসের টিকিট কিনতে পারি। স্বাস্থ্য ক্ষেত্রে টেলিমেডিসিনের মাধ্যমে দূরবর্তী এলাকায় থাকা রোগীরাও দক্ষ চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে পারে, চিকিৎসকের কাছে যাওয়ার জন্য দূরদূরান্তে ঘুরতে হয় না।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

নেটওয়ার্কের মাধ্যমে সফটওয়্যার ভাগাভাগির প্রধান সুবিধা হলো প্রত্যেকটি কম্পিউটারে আলাদাভাবে সফটওয়‍্যার ইনস্টল করার প্রয়োজন হয় না। একটি মূল সার্ভারে সফটওয়‍্যার সংরক্ষণ করা হয়, এবং অন্য কম্পিউটারগুলো সেটি ব্যবহার করতে পারে। এতে সফটওয়্যার ব্যবহারের খরচ কমে এবং সাধারণ ব্যবহারকারীরা অনেক সফটওয়্যার বিনামূল্যে বা স্বল্প মূল্যে ব্যবহার করতে পারেন।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

ড্রপবক্স একটি ক্লাউড স্টোরেজ সেবা যা ব্যবহারকারীদের তাদের ফাইল এবং ফোল্ডার অনলাইনে সংরক্ষণ করতে এবং যেকোনো ডিভাইস থেকে অ্যাক্সেস করতে দেয়। এটি ব্যবহারকারীদের তাদের ফাইলগুলো শেয়ার করতে এবং ব্যাকআপ রাখতে সাহায্য করে। ড্রপবক্সের সাহায্যে ব্যবহারকারীরা তাদের ফাইলগুলো 'হারানোর চিন্তা ছাড়াই কাজ করতে পারে কারণ, ফাইলগুলো অনলাইনে সুরক্ষিত থাকে

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

ড্রপবক্স একটি জনপ্রিয় সেবামূলক ব্যবস্থা। এ ব্যবস্থায় শুধু যে একটি সফটওয়্যার ব্যবহার করতে পারে তা নয়, একজন মানুষ তার ব্যক্তিগত সবকিছুই নিজের কম্পিউটারে না রেখে অন্য কোথাও রেখে দিতে পারে এবং যেকোনো সময় পৃথিবীর যেকোনো জায়গা থেকে সেটি ব্যবহার করতে পারে। এরকম ব্যবস্থাকে বলে ড্রপবক্স। ড্রপবক্সের কারণে সময় ও শ্রম লাঘব হয়। তাই ইন্টারনেটের একটি জনপ্রিয় সেবা হলো ড্রপবক্স।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

নেটওয়ার্ক প্রযুক্তি একটি প্রতিষ্ঠানের ব্যয় অনেকটা কমিয়ে দিতে পারে। ক্লাউড কম্পিউটিং ব্যবহারের ফলে প্রতিষ্ঠানগুলোকে নিজস্ব সার্ভার কিনে রাখার প্রয়োজন পড়ে না, ফলে হার্ডওয়‍্যার এবং সফটওয়‍্যারের খরচ অনেক কমে যায়।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

ক্লাউড কম্পিউটিং একটি প্রযুক্তি যা দিয়ে ব্যবহারকারী ইন্টারনেটের মাধ্যমে অন্য কোথাও অবস্থিত কম্পিউটারের স্টোরেজ স্পেস, কম্পিউটিং পাওয়ার এবং সফটওয়্যার ব্যবহার করতে পারে। এটি ব্যবহারকারীর নিজস্ব কম্পিউটারে সবকিছু রাখার প্রয়োজনীয়তা কমিয়ে দেয়। এটি ব্যবহার করে ব্যবহারকারীরা তাদের ফাইল, ছবি, ডকুমেন্ট ইত্যাদি সংরক্ষণ করে রাখতে পারে এবং যে কোনো সময়, যে কোনো জায়গা থেকে সেগুলো অ্যাক্সেস করতে পারে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

ক্লাউড কম্পিউটিং ব্যবহারের প্রধান সুবিধাগুলো হলো-
১. হার্ডওয়্যার ও সফটওয়‍্যারের ব্যয় কমায়।
২. প্রয়োজন অনুসারে সেবা নেওয়া ও খরচ নিয়ন্ত্রণ করা যায়।
৩. যেকোনো স্থান থেকে তথ্য সংরক্ষণ ও ব্যবহার করা যায়।
৪. তথ্যের নিরাপত্তা নিশ্চিত হয়।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

জিমেইল হলো গুগলের একটি ই-মেইল পরিষেবা। আমরা যখন জিমেইল ব্যবহার করি, তখন আমাদের ই-মেইলগুলো গুগলের সার্ভারে সংরক্ষণ করি। এই সার্ভারগুলোই হলো ক্লাউড। অর্থাৎ, আমাদের ই-মেইলগুলো আমাদের কম্পিউটারে না রেখে, ইন্টারনেটের মাধ্যমে যে কোনো ডিভাইস থেকে অ্যাক্সেস করতে পারি। তাই এটি ক্লাউড কম্পিউটিং এর একটি উদাহরণ।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

সামাজিক নেটওয়ার্ক হল এমন একটি ডিজিটাল মাধ্যম যেখানে মানুষ একে অপরের সাথে যোগাযোগ স্থাপন করতে পারে। এটি নেটওয়ার্কের মাধ্যমে ছবি, ভিডিয়ো, বার্তা ও তথ্য শেয়ার করার সুযোগ দেয়। ফেসবুক ও টুইটার হলো বর্তমানে জনপ্রিয় দুটি সামাজিক নেটওয়ার্ক, যা বিশ্বব্যাপী যোগাযোগ সহজ করে দিয়েছে এবং তথ্য আদান-প্রদানকে আরও গতিশীল করেছে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

নেটওয়ার্কের মাধ্যমে এখন শুধুমাত্র কন্ঠস্বরই নয়, বরং ভিডিয়ো কলের মাধ্যমে মানুষ একে অপরকে দেখতে পারে। স্কাইপ, জুম, গুগল মিটের মতো প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে অফিস মিটিং, ব্যক্তিগত আলোচনা এবং দূরবর্তী শিক্ষাও সম্ভব হচ্ছে, যা যোগাযোগ ব্যবস্থাকে আগের চেয়ে অনেক বেশি উন্নত ও কার্যকর করেছে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

নেটওয়ার্ক আমাদের বিনোদনের ধারণাটিকে সম্পূর্ণ বদলে দিয়েছে। আগে আমরা বিনোদনের জন্য সিনেমা হলে যেতাম, ভিডিয়ো দেখতাম বা রেডিও শুনতাম। কিন্তু এখন ইন্টারনেটের মাধ্যমে আমরা ঘরে বসে সিনেমা, ধারাবাহিক, গান দেখতে এবং শুনতে পারি। বন্ধুদের সাথে আড্ডার বদলে আমরা সোশ্যাল মিডিয়াতে গ্রুপ চ্যাট ব্যবহার করি। মাঠে খেলাধুলার বদলে আমরা এখন অনলাইনে অন্যদের সাথে গেম খেলতে পারি।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

আজকের যুগকে তথ্যের যুগ বলা হয়। তথ্যই হলো আমাদের সবচেয়ে বড় সম্পদ। ইন্টারনেটের মাধ্যমে বিশ্বের যে কোনো জায়গা থেকে যে কোনো তথ্য খুঁজে পাওয়া যায়। তথ্যের মাধ্যমে আমরা শিখতে পারি, নতুন জিনিস আবিষ্কার করতে পারি এবং সমস্যার সমাধান করতে পারি। তথ্যই হলো জ্ঞানের মূল উৎস। তাই বলা যায়, তথ্যই হলো পৃথিবীর নতুন সম্পদ।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

সাধারণত তারযুক্ত নেটওয়ার্কে থাকা অনেকগুলো আইসিটি যন্ত্র একসাথে যুক্ত করতে হাব ব্যবহার করা হয়। হাব এক যন্ত্রকে অন্য যন্ত্রের সাথে যোগাযোগ করার সুযোগ দেয়। হাব বললেই আমরা ইন্টারনেট হাব বা নেটওয়ার্ক হাবকেই বুঝে থাকি। তবে ইদানিং USB হাবও দেখা যায়।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

হাবের মধ্য দিয়ে যখন তথ্য বা উপাত্ত এক যন্ত্র থেকে অন্য যন্ত্রে যায়, হাব তখন সেগুলো পড়তে পারে না। এক কম্পিউটার থেকে অন্য একটি কম্পিউটারে তথ্য বা উপাত্ত পাঠালে হাব তার সাথে সংযুক্ত সকল কম্পিউটারে ঐ তথ্য বা উপাত্ত পাঠিয়ে দেয়। এমনকি যে কম্পিউটার থেকে তথ্য পাঠানো হলো, তাকেও হাব আবার ঐ তথ্য পাঠিয়ে দেয়। অর্থাৎ হাব নির্দিষ্ট ঠিকানা অনুযায়ী তথ্য পাঠাতে পারে না।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

সুইচ হাবের চেয়ে উন্নত একটি নেটওয়ার্কিং ডিভাইস। সুইচ ডেটা প্যাকেটের গন্তব্যের ঠিকানা দেখে শুধু সেই নির্দিষ্ট ডিভাইসে ডেটা পাঠায়। ফলে সুইচ হাবের তুলনায় অনেক বেশি দক্ষ এবং নিরাপদ। সুইচ ব্যবহার করা হয় কারণ:

১. সুইচ ডেটা শুধুমাত্র নির্দিস্ট ডিভাইসে পাঠায়, ফলে নেটওয়ার্কের ট্রাফিক কমে যায়।
২. সুইচ ডেটা ব্রডকাস্ট করে না, ফলে অননুমোদিত ডিভাইস ডেটা অ্যাক্সেস করতে পারে না।
৩. সুইচের মাধ্যমে বড় এবং জটিল নেটওয়ার্ক তৈরি করা যায়।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

সুইচ তার সাথে সংযুক্ত প্রত্যেকটি আইসিটি যন্ত্রের একটি করে ঠিকানা বরাদ্দ করে এবং ঐ ঠিকানা অনুযায়ী তথ্যের আদান প্রদান করে। অর্থাৎ কোনো একটি ঠিকানা থেকে অন্য কোনো ঠিকানায় উপাত্ত বা ডেটা পাঠাতে চাইলে সুইচ এক ঠিকানার তথ্য অন্য ঠিকানায় পৌঁছে দেয়। আলাদা আলাদা ঠিকানা ব্যবহারের কারণে সুইচ অনেক দ্রুত গতিতে কাজ করতে পারে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

হাব ও সুইচের মধ্যে পার্থক্য হলো-

হাবসুইচ
১. হাব তারের সাথে যুক্ত প্রত্যেকটি আইসিটি যন্ত্রকে পৃথকভাবে শনাক্ত করতে পারে না।১. সুইচ তারের সাথে যুক্ত প্রত্যেকটি আইসিটি যন্ত্রকে পৃথকভাবে শনাক্ত করতে পারে।
২. হাবের কাজের গতি কম২. সুইচের কাজের গতি হাবের থেকে বেশি।
৩. হাবের দাম তুলনামূলক কম।৩. সুইচের দাম হাবের তুলনায় বেশি।
৪. হাবের মাধ্যমে ডেটা আদান-প্রদানে বাধার সম্ভাবনা থাকে।৪. সুইচের মাধ্যমে ডেটা আদান-প্রদানে বাধার সম্ভাবনা থাকে না।
Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

MAC (Media Access Control) এড্রেস হলো একটি ইউনিক আইডি যা প্রতিটি নেটওয়ার্ক ইন্টারফেস কার্ডে থাকে। এটি একটি হার্ডওয়্যার এড্রেস এবং ডিভাইস তৈরির সময় এটি নির্ধারিত হয়। MAC এড্রেস ব্যবহার করে নেটওয়ার্ক ডিভাইসগুলো একে অপরকে চিনতে পারে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

রাউটার দুটি ভিন্ন নেটওয়ার্কের মধ্যে অবস্থান করে। দুইয়ের বেশি ভিন্ন নেটওয়ার্কের মাঝেও অবস্থান করতে পারে। এটি একটি নেটওয়ার্ক থেকে পাওয়া ডেটা সবচেয়ে কম দূরত্বের পথ ব্যবহার করে অন্য নেটওয়ার্কে পাঠাতে কাজ করে। এটি উৎস কম্পিউটার থেকে গন্তব্য কম্পিউটারে ডেটা প্যাকেট পৌঁছে দেয়। প্রতিটি ডেটা প্যাকেটে গন্তব্যস্থলের ঠিকানা সংযুক্ত থাকে। একটি ডেটা প্যাকেট কোনো একটি রাউটারে পৌঁছালে পরবর্তী কোনো পথে অগ্রসর হলে ডেটা সহজে এবং দ্রুত গন্তব্যে পৌঁছাবে তার পথনির্দেশ দেয় রাউটার।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

ডেটা প্যাকেট হলো ডেটার ছোট ছোট টুকরা যা নেটওয়ার্কের মাধ্যমে পাঠানো হয়। প্রতিটি প্যাকেটে গন্তব্য ঠিকানা, উৎস ঠিকানা এবং ডেটা থাকে। ডেটা প্যাকেট ব্যবহার করে ডেটা বিভিন্ন নেটওয়ার্কের মধ্যে দিয়ে পাঠানো হয়।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

ইন্টারনেটে যুক্ত থাকতে মডেম অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি ডিভাইস। মডেম আমাদের কম্পিউটার বা অন্য যে কোনো ডিভাইসকে ইন্টারনেটের সাথে সংযুক্ত করে। এটি আমাদের ডিভাইস থেকে প্রদান করা ডিজিটাল সংকেতকে এনালগ সংকেতে রূপান্তর করে, যা ইন্টারনেট ক্যাবলের মাধ্যমে পাঠানো যেতে পারে। অন্যদিকে, ইন্টারনেট থেকে আসা এনালগ সংকেতকে আবার ডিজিটাল সংকেতে রূপান্তর করে আমাদের ডিভাইসে পাঠায়।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

মডেমের দুটি অংশ রয়েছে- মডুলেশন এবং ডিমডুলেশন। ইন্টারনেটের মাধ্যমে ডেটা বা উপাত্ত পাঠানোর জন্য মডেম ব্যবহৃত হয়। কোনো কম্পিউটার হতে প্রাপ্ত ডিজিটাল সিগন্যালকে অ্যানালগ সিগন্যালে রূপান্তরিত করে। এ কাজটিকে মডুলেশন বলে। আবার অ্যানালগ সিগন্যালকে ডিজিটাল সিগন্যালে রূপান্তর করার কাজকে ডিমডুলেশন বলে। সিগন্যালকে মডুলেশন ও ডিমডুলেশন করাই হলো মডেমের কাজ।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

দুটো বা অধিকসংখ্যক কম্পিউটারকে একসাথে যুক্ত করতে যে যন্ত্রটি অবশ্যই প্রয়োজন হয়, তা হলো ল্যানকার্ড। অর্থাৎ আমরা যদি কোনো নেটওয়ার্ক গড়ে তুলতে চাই, তবে অবশ্যই ল্যান কার্ডের প্রয়োজন হবে। নেটওয়ার্কের সাথে যুক্ত এক আইসিটি যন্ত্র থেকে অন্য যন্ত্রে কোনো তথ্য বা উপাত্ত পাঠাতে কিংবা গ্রহণ করতে ল্যান কার্ডের প্রয়োজন হয়।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

মডেম ও ল্যানকার্ডের পার্থক্য হলো-

মডেমল্যানকার্ড
১. ইন্টারনেটের মাধ্যমে নেটওয়ার্কে যুক্ত থাকার জন্য এটি ব্যবহৃত হয়।১. একাধিক কম্পিউটারের মধ্যে সংযোগ স্থাপনের জন্য ব্যবহৃত হয়।
২. ইন্টারনেট সংযোগের জন্য এটি অপরিহার্য।২. লোকাল নেটওয়ার্কের জন্য এটি গুরুত্বপূর্ণ।
Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

মানবসৃষ্ট যেসব বস্তু নির্দিষ্ট কতকগুলো কাজের জন্য পৃথিবীর চারদিকে মহাশূন্যে নির্দিষ্ট কক্ষপথে ঘুরতে পারে তাদেরকে কৃত্রিম উপগ্রহ বা স্যাটেলাইট বলে। এটি পৃথিবী থেকে প্রেরিত সিগন্যাল গ্রহণ করে এবং পুনরায় পৃথিবীর অন্য প্রান্তে পাঠিয়ে দেয়। বিশেষ করে জিও স্টেশনারি স্যাটেলাইট ৩৬ হাজার কিলোমিটার উপরে নির্দিষ্ট কক্ষপথে অবস্থান করে, যা যোগাযোগ ব্যবস্থাকে সহজ ও কার্যকর করে তোলে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

পৃথিবীর একপ্রান্ত থেকে অন্যপ্রান্তে সিগন্যাল পাঠানোর জন্য স্যাটেলাইট ব্যবহার করা হয়। এ পদ্ধতিতে পৃথিবীর একপ্রান্ত থেকে অন্যপ্রান্তে রেডিও, টেলিফোন, মোবাইল ফোন কিংবা ইন্টারনেট সিগন্যাল পাঠানো যায়।  এর ফলে মানুষ যেকোনো সময় অন্য প্রান্তে অবস্থানকারী ব্যক্তির সাথে যোগাযোগ করতে পারে। এতে করে সেই দেশের বিভিন্ন সংবাদ ও সংস্কৃতির তথ্য অন্য দেশের মানুষ জানতে পারে। এমনকি মোবাইল ফোনে ভিডিও কল করে অন্য দেশের মানুষের সাথে যোগাযোগ করা যায়। এভাবেই যোগাযোগের ক্ষেত্রে স্যাটেলাইট গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে থাকে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

জিও স্টেশনরি স্যাটেলাইটকে পৃথিবী থেকে দেখলে এটিকে স্থির মনে হয় কারণ এটি পৃথিবীর ঘূর্ণনের সাথে সমান গতিতে পৃথিবীর চারদিকে প্রদক্ষিণ করে। পৃথিবী যে হারে ঘোরে, স্যাটেলাইটও সেই হারে ঘোরে বলে আমাদের কাছে মনে হয় যে এটি আকাশে একই জায়গায় স্থির হয়ে আছে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

পৃথিবী তার অংশে চব্বিশ ঘণ্টায় ঘুরে আসে। স্যাটেলাইটকেও যদি ঠিক চব্বিশ ঘণ্টায় একবার পৃথিবীকে ঘুরিয়ে আনা যায় তাহলে পৃথিবীকে মনে হবে সেটি বুঝি আকাশের কোনো এক জায়গায় স্থির হয়ে আছে। এ ধরনের স্যাটেলাইটকে বলে জিও স্টেশনারি স্যাটেলাইট।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

বাংলাদেশ প্রেরিত স্যাটেলাইট হলো বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট-১। বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট-১ এর মাধ্যমে বিশ্বের স্যাটেলাইট ক্ষমতাধর ৫৭তম দেশ হিসেবে পরিচিতি বাংলাদেশের। এটি নির্মাণ করেছে ফ্রান্সের প্রতিষ্ঠান থ্যালেস অ্যালেনিয়া। স্যাটেলাইটের কাঠামো তৈরি, উৎক্ষেপণ, ভূমি ও মহাকাশের নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা, ভূস্তরে দুটি স্টেশন পরিচালনার দায়িত্ব এ প্রতিষ্ঠানের। বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট-১ একটি জিও-স্টেশনারি স্যাটেলাইট বা ভূস্থির উপগ্রহ। বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইটে ২৬ কু-ব্যান্ড এবং ১৪ সি-ব্যান্ড মিলিয়ে মোট ৪০টি ট্রান্সপন্ডার রয়েছে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

বাংলাদেশ ২০১৮ সালের ১২ মে বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট-১ মহাকাশে উৎক্ষেপণ করে। এর মাধ্যমে বাংলাদেশ স্যাটেলাইট উৎক্ষেপণকারী বিশ্বের ৫৭তম দেশ বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট-১ টেলিযোগাযোগ, সম্প্রচার এবং দুর্যোগ ব্যবস্থাপনায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে, যা দেশের প্রযুক্তিগত উন্নয়নের এক নতুন যুগের সূচনা করেছে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

স্যাটেলাইট যোগাযোগের দুটি প্রধান সমস্যা হলো-
১. স্যাটেলাইট অনেক উচ্চতায় থাকায় সেখানে সিগন্যাল পাঠাতে বড়ো এন্টেনার প্রয়োজন হয়, যা ব্যয়বহুল ও জটিল।
২. সিগন্যালকে দীর্ঘ দূরত্ব অতিক্রম করতে হয়, যার ফলে কিছুটা বিলম্ব ঘটে। তাই টেলিফোনে কথা বললে প্রতিধ্বনি বা সামান্য দেরি অনুভূত হতে পারে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

স্যাটেলাইটের ব্যবহার অসংখ্য। এটি দিয়ে টেলিভিশন সিগন্যাল পাঠানো, ইন্টারনেট সংযোগ প্রদান, আবহাওয়া পর্যবেক্ষণ, ভূ-চিত্র তৈরি, যোগাযোগ ব্যবস্থা পরিচালনা, জিপিএস সিস্টেম পরিচালনা এবং আরও অনেক কিছু করা হয়। মূলত, দূরবর্তী এলাকায় যোগাযোগ স্থাপন এবং বিশ্বের বিভিন্ন অংশকে পর্যবেক্ষণ করার জন্য স্যাটেলাইট ব্যবহৃত হয়।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

অপটিক্যাল ফাইবার অত্যন্ত সরু এক ধরনের প্লাস্টিক কাঁচের তন্তু। শব্দ বা বিদ্যুৎ শক্তিকে আলোকশক্তিতে রূপান্তর করার পর তা অপটিক্যাল ফাইবারের মধ্য দিয়ে পাঠিয়ে দেওয়া হয়। অপটিক্যাল ফাইবারে যে আলোক সিগন্যাল' হিসেবে পাঠানো হয়, সেটি ইনফ্রারেড আলো এবং এ আলো আমাদের চোখে দৃশ্যমান নয়। একটি অপটিক্যাল ফাইবারের ভেতর দিয়ে একসাথে কয়েক লক্ষ টেলিফোন কল পাঠানো সম্ভব। বর্তমানে অপটিক্যাল ফাইবার যোগাযোগ এত উন্নত হয়েছে যে পৃথিবীর সবদেশেই অপটিক্যাল ফাইবারের নেটওয়ার্ক দিয়ে একে অন্যের সাথে সংযুক্ত।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

অপটিক্যাল ফাইবার ক্যাবলে আলোর মাধ্যমে তথ্য প্রেরণ করা হয়, যার গতি খুব বেশি। অন্যদিকে, স্যাটেলাইটের মাধ্যমে তথ্য প্রেরণের জন্য তথ্যকে রেডিও তরঙ্গে রূপান্তর করতে হয় এবং এই তরঙ্গগুলোকে স্যাটেলাইটে পাঠাতে হয়। তারপর স্যাটেলাইট আবার সেই তরঙ্গগুলোকে গ্রহণ করে এবং পৃথিবীতে পাঠায়। এই প্রক্রিয়ায় কিছু সময় লাগে। ফলে অপটিক্যাল ফাইবার ক্যাবলের তুলনায় স্যাটেলাইটের মাধ্যমে যোগাযোগে কিছুটা বিলম্ব হয়।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

স্যাটেলাইট ও অপটিক্যাল ফাইবারের মাধ্যমে যোগাযোগের পার্থক্য হলো-

স্যাটেলাইট যোগাযোগঅপটিক্যাল ফাইবার যোগাযোগ
১. এর মাধ্যমে রেডিও সিগন্যাল পাঠানো হয়।২. এর মাধ্যমে আলোক সিগন্যাল পাঠানো হয়।
২. এতে যোগাযোগ অপটিক্যাল ফাইবারের তুলনায় ধীরে হয়।২. এতে আলোর বেগে যোগাযোগ সম্ভব হয়।
Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

বৈশিষ্ট্যের উপর ভিত্তি করে অপটিক্যাল ফাইবার ও স্যাটেলাইট এর মধ্যে পার্থক্য নিচে বর্ণনা করা হলো:

অপটিক্যাল ফাইবারস্যাটেলাইট
১। অপটিক্যাল ফাইবার হচ্ছে অত্যন্ত সরু এক ধরনের প্লাস্টিক কাঁচের তন্তু।১। স্যাটেলাইট হচ্ছে একটি কৃত্রিম উপগ্রহ।
২। অপটিক্যাল ফাইবার দিয়ে আলোক সিগন্যাল পাঠানো যায়।২। স্যাটেলাইট ওয়‍্যারলেস সিগন্যাল পাঠায়।
৩। ৩৬ হাজার কিলোমিটার উপরে একটি নির্দিষ্ট কক্ষপথে রাখতে হয় না।৩। স্যাটেলাইটকে ৩৬ হাজার কিলোমিটার উপরে একটি নির্দিষ্ট কক্ষপথে রাখতে হয়।
৪। অপটিক্যাল ফাইবারের মাধ্যমে অনেক দ্রুত সিগন্যাল পাঠানো যায়।৪। স্যাটেলাইটের মাধ্যমে দ্রুত 'সিগন্যাল পাঠানো যায় কিন্তু দূরত্ব অনেক বেশি থাকায় অপটিক্যাল ফাইবার থেকে বেশি সময় লাগে।
Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

স্যাটেলাইট এবং অপটিক্যাল ফাইবারের মাঝে অপটিক্যাল ফাইবার বেশি কার্যকর।
১. স্যাটেলাইট পৃথিবীর অনেক উপরে থাকার কারণে সিগন্যাল পাঠানোর জন্য অনেক বড় এন্টেনার দরকার হয়। অপটিক্যাল-ফাইবারে এন্টেনার প্রয়োজন হয় না। মাটির নিচে এমনকি সমুদ্রের তলদেশ দিয়ে অনেক বেশি সিগন্যাল পাঠানো সম্ভব।
২. স্যাটেলাইটের মাধ্যমে পৃথিবী থেকে অনেক দূরে সিগন্যাল আদান-প্রদানে সময় বেশি লাগে। কিন্তু অপটিক্যাল ফাইবারে পৃথিবীর এক পৃষ্ঠ থেকে অন্য পৃষ্ঠে অপটিক্যাল ফাইবার সিগন্যাল তাড়াতাড়ি পাঠানো যায়।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

আমার বিদ্যালয়ের দশটি কম্পিউটার এবং একটি প্রিন্টার
ব্যবহারের নেটওয়ার্ক তৈরির জন্য একটি টপোলজি তৈরি করতে হবে। যদি একটি নেটওয়ার্কে একটি প্রিন্টার থাকে তবে ঐ নেটওয়ার্কের সব অর্থাৎ দশটি কম্পিউটারই ঐ প্রিন্টার ব্যবহারে স্ব স্ব কম্পিউটার থেকে প্রিন্ট করতে পারবে। অর্থাৎ একটি লোকাল এরিয়া নেটওয়ার্ক তৈরি হবে। এজন্য যে টপোলজি ব্যবহার করা সুবিধাজনক হবে তা হলো-Star টপোলজি। এই টপোলজিতে একটি কেন্দ্রীয় হাব থাকে যার সাথে দশটি কম্পিউটার এবং প্রিন্টারটি যুক্ত থাকবে। যখন কোন কম্পিউটার অন্য একটি কম্পিউটারকে ডেটা পাঠাবে তখন তা এই হাব এর মাধ্যমে পৌছাবে। তাই যেকোনো কম্পিউটার নেটওয়ার্কে যুক্ত ঐ প্রিন্টারে প্রিন্ট কমান্ড দিলে তা কেন্দ্রীয় হাব এর মাধ্যমে পৌঁছাবে এবং যেকোনো কম্পিউটার একটি প্রিন্টার ব্যবহার করে প্রিন্ট দিতে পারবে। এ সংগঠনে  যদি কোন কম্পিউটার নষ্ট হয়ে যায় তবে বাকি নেটওয়ার্কে তার কোন প্রভাব পড়ে না। খুব সহজেই আক্রান্ত কম্পিউটারটি সরিয়ে নেওয়া যাবে। যদি প্রিন্টারটি নষ্ট হয় তাহলেও প্রিন্টারটি সরিয়ে নতুন একটি প্রিন্টার স্টার টপোলজি নেটওয়ার্ক-এ সংযুক্ত করা যাবে। তাই যদি এ রকম একটি নেটওয়ার্ক বিদ্যালয়ে তৈরি করা হয় তবে তা ছাত্রছাত্রী এবং শিক্ষক সকলের জন্যই অনেক উপকার হবে

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

Router (রাউটার) শব্দটি এসেছে Route শব্দ থেকে। রাউটার একটি বুদ্ধিমান যন্ত্র, যা হার্ডওয়্যার এবং সফটওয়‍্যারের সমন্বয়ে তৈরি, যা দুই বা তার বেশি একই প্রটোকলযুক্ত নেটওয়ার্কের মধ্যে ডেটা আদান প্রদান করে। একটি নেটওয়ার্ক হাব এবং সুইচ এর সমন্বয়ে তৈরি হয়। রাউটার দুটি ভিন্ন নেটওয়ার্কের মধ্যে অবস্থান করে। দুইয়ের বেশি ভিন্ন নেটওয়ার্কের মাঝেও অবস্থান করতে পারে। এটি একটি নেটওয়ার্ক থেকে পাওয়া ডেটা সবচেয়ে কম দূরত্বের পথ ব্যবহার করে অন্য নেটওয়ার্কে পাঠাতে কাজ করে। এটি উৎস কম্পিউটার থেকে গন্তব্য কম্পিউটারে ডেটা প্যাকেট পৌঁছে দেয়। যেমন- অস্ট্রেলিয়ায় অবস্থিত কোনো বন্ধুকে ই-মেইলের মাধ্যমে ছবি পাঠাতে হলে ছবিটি কয়েকটি ডেটা প্যাকেটে বিভক্ত হয়ে ইন্টারনেটের মাধ্যমে বন্ধুর কম্পিউটারে পৌঁছাবে। প্রতিটি ডেটা প্যাকেটে গন্তব্যস্থলের ঠিকানা সংযুক্ত থাকে। একটি ডেটা প্যাকেট কোনো একটি রাউটারে পৌঁছালে পরবর্তী কোন পথে অগ্রসর হলে ডেটা সহজে এবং দ্রুত গন্তব্যে পৌঁছাবে তার পথনির্দেশ দেয় রাউটার।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

অপটিক্যাল ফাইবার তথ্য পাঠানোর জন্য অত্যন্ত শক্তিশালী মাধ্যম। এটি অত্যন্ত সরু এক ধরনের কাঁচের তত্ত্ব। অপটিক্যাল ফাইবার দিয়ে আলোক সিগন্যালরূপে ডাটা স্থানান্তর করা হয়। আলোর পূর্ণ অভ্যন্তরীণ প্রতিফলনের নিয়ম অনুযায়ী আলোক সিগন্যালকে অপটিক্যাল ফাইবারের মধ্য দিয়ে পাঠানো হয়। এক্ষেত্রে বৈদ্যুতিক সিগন্যালকে প্রথমে আলোক সিগন্যালে পরিণত করা হয়। এরপর আলোক সিগন্যালকে অপটিক্যাল ফাইবারের মধ্য দিয়ে পাঠানো হয়। অপরপ্রান্তে আলোক সিনগ্যালকে বৈদ্যুতিক সিগন্যালে পরিণত করা হয়। এভাবেই অপটিক্যাল ফাইবারের মধ্য দিয়ে সিগন্যাল বা ডাটা পাঠানো সম্ভব হয়।
অপটিক্যাল ফাইবারের ভেতর দিয়ে অনেক বেশি সিগন্যাল বা ডাটা পাঠানো সম্ভব। একটি অপটিক্যাল ফাইবারের ভেতর দিয়ে একসাথে কয়েক লক্ষ টেলিফোন কল পাঠানো সম্ভব।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
97

 

এই অধ্যায় পাঠ শেষে আমরা -
কম্পিউটার নেটওয়ার্কের ধারণা ব্যাখ্যা করতে পারব;
নেটওয়ার্ক-সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন যন্ত্রপাতির কাজ ব্যাখ্যা করতে পারব।

Related Question

View All
উত্তরঃ

কম্পিউটার নেটওয়ার্ক তৈরি হয় দুই বা ততোধিক কম্পিউটারকে তার, ফাইবার অপটিক ক্যাবল বা ওয়াইফাই এর মতো মাধ্যমে সংযুক্ত করে। এই সংযোগের মাধ্যমে কম্পিউটারগুলো একে অপরের সাথে সংযুক্ত থেকে তথ্য আদান-প্রদান করতে পারে। নেটওয়ার্ক তৈরির জন্য প্রয়োজন হয় নেটওয়ার্ক ইন্টারফেস কার্ড, হাব, সুইচ, রাউটার এবং নেটওয়ার্ক অপারেটিং সিস্টেম।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
175
উত্তরঃ

সার্ভার হলো একটি কম্পিউটার যা নেটওয়ার্কের অন্যান্য কম্পিউটারকে বিভিন্ন ধরনের সেবা প্রদান করে। এটি নেটওয়ার্কের কেন্দ্রীয় কম্পিউটার হিসেবে কাজ করে। সার্ভার ফাইল শেয়ারিং, ই-মেইল, ওয়েব পেইজ হোস্টিং, ডেটাবেজ ম্যানেজমেন্ট এবং অন্যান্য অনেক সেবা প্রদান করতে পারে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
230
উত্তরঃ

নেটওয়ার্কে সার্ভার থেকে সেবা গ্রহণকারী কম্পিউটারকে ক্লায়েন্ট বলা হয়। ক্লায়েন্ট সার্ভার থেকে ফাইল ডাউনলোড করতে পারে, ই-মেইল পাঠাতে পারে, ওয়েব ব্রাউজ করতে পারে এবং আরও অনেক কাজ করতে পারে। ব্যক্তিগত কম্পিউটার, ল্যাপটপ, স্মার্টফোন ইত্যাদি ক্লায়েন্টের উদাহরণ।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
189
উত্তরঃ

ই-মেইল সার্ভার হলো একটি সার্ভার, যা ইমেইল প্রেরণ, গ্রহণ ও সংরক্ষণের কাজ করে। ব্যবহারকারীরা ক্লায়েন্ট কম্পিউটার থেকে ইমেইল পাঠালে, ইমেইল সার্ভার সেটি প্রাপকের সার্ভারে পাঠিয়ে দেয়।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
145
উত্তরঃ

যে বস্তু ব্যবহার করে কম্পিউটারগুলো জুড়ে দেওয়া হয় সেটা হচ্ছে মিডিয়া। যেমন- বৈদ্যুতিক তার, কো-এক্সিয়াল তার, অপটিক্যাল ফাইবার ইত্যাদি। কোনো মিডিয়া ব্যবহার না করেও তার বিহীন (যেমন- Wi-Fi) পদ্ধতিতে কম্পিউটারকে নেটওয়ার্কে জুড়ে দেওয়া যায়।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
90
উত্তরঃ

তারযুক্ত ও তারবিহীন নেটওয়ার্কের মধ্যে পার্থক্য হলো-

তারযুক্ত নেটওয়ার্কতারবিহীন নেটওয়ার্ক
১. এ নেটওয়ার্কে কম্পিউটারগুলো ক্যাবল বা তারের মাধ্যমে সংযুক্ত থাকে।১. এ নেটওয়ার্কে কম্পিউটারগুলা ওয়াইফাই, ব্লুটুথ, রেডিও ওয়েভইত্যাদির মাধ্যমে সংযুক্ত থাকে।
২. এটি বেশি নিরাপদ ও দ্রুতগতির হয়।২. এটি তুলনামূলকভাবে কম নিরাপদ হয় এবং এর গতিও কিছুটা কম হয়।
Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
162
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র
মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews