সংক্ষিপ্ত- প্রশ্নোত্তর সমাধান

Updated: 6 months ago
উত্তরঃ

গ্রীক দার্শনিক ডেমোক্রিটাস খ্রিস্টপূর্ব ৪০০ অব্দে সর্বপ্রথম পদার্থের ক্ষুদ্রতম কণা নিয়ে মতবাদ পোষণ করেন। তাঁর মতে, সকল পদার্থই ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র অবিভাজ্য (যা আর ভাঙা যায় না) কণা দ্বারা গঠিত।
তিনি এই ক্ষুদ্রতম কণার নাম দেন পরমাণু বা এটম (Atom)।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
8 months ago
উত্তরঃ

পরমাণুর গঠন সম্পর্কে দার্শনিক প্লেটো (Plato) এবং অ্যারিস্টটল (Aristotle) ডেমোক্রিটাসের মতবাদের সাথে দ্বিমত পোষণ করেন। অ্যারিস্টটলের মতে, পদার্থসমূহ নিরবিচ্ছিন্ন (Continuous); একে যতই ভাঙা হোক না কেন, পদার্থের কণাগুলো ক্ষুদ্র হতে ক্ষুদ্রতর হতে থাকবে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
8 months ago
উত্তরঃ

১৮০৩ সালে ইংরেজ রিজ্ঞানী জন ডাল্টন (John Dalton) পরীক্ষালব্ধ তথ্যের উপর ভিত্তি করে পদার্থের ক্ষুদ্রতম কণা সম্পর্কে বলেন- পরমাণু হলো মৌলিক পদার্থের ক্ষুদ্রতম কণা এবং একে আর ভাঙা যায় না। ডাল্টনের এ মতবাদ সকলে গ্রহণ করে। ফলে অ্যারিস্টটলের মতবাদটি পরিত্যক্ত হয়।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
8 months ago
উত্তরঃ

পরমাণু অবিভাজ্য নয় বা ক্ষুদ্রতম কণিকাও নয়। পরমাণু বিভাজ্য। এরা ইলেকট্রন, প্রোটন ও নিউট্রন দ্বারা গঠিত। যেহেতু পরমাণুকে ভাঙা হলে ইলেকট্রন, প্রোটন ও নিউট্রনের মত ক্ষুদ্রতর কণিকা পাওয়া যায়, তাই পরমাণুকে অবিভাজ্য বলা যায় না।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
8 months ago
উত্তরঃ

বিজ্ঞানী রাদারফোর্ড ও তাঁর সহকর্মীরা একটি পরীক্ষা করেন, যা পরমাণুর গঠন সম্পর্কে ভালো ধারণা দেয়। পরীক্ষালব্ধ ফল থেকে রাদারফোর্ড বলেন যে, পরমাণুতে ধনাত্মক আধান ও ভর একটি ক্ষুদ্র জায়গায় আবদ্ধ। এই জায়গাটি পরমাণুর কেন্দ্রে অবস্থিত। তাই তিনি এর নাম দেন নিউক্লিয়াস (Nucleus)। এভাবে সর্বপ্রথম তিনি নিউক্লিয়াসের ধারণা প্রদান করেন।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
8 months ago
উত্তরঃ

পরীক্ষালব্ধ ফলাফল থেকে রাদারফোর্ড বলেন যে, পরমাণুতে ধনাত্মক আধান ও ভর একটি ক্ষুদ্র জায়গায় আবদ্ধ। এই জায়গাটি পরমাণুর কেন্দ্রে অবস্থিত। তিনি আরও ব্যাখ্যা দেন যে, পরমাণুর বেশিরভাগ জায়গা ফাঁকা, আর ঋণাত্মক আধানযুক্ত কণার তেমন কোনো ভর নেই এবং তারা নিউক্লিয়াসকে কেন্দ্র করে ঘুরছে। কিন্তু রাদারফোর্ড নির্দিষ্ট কোনো কক্ষপথের কথা বলেননি।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
8 months ago
উত্তরঃ

বিজ্ঞানী রাদারফোর্ড ব্যাখ্যা দেন যে, পরমাণুর বেশিরভাগ জায়গা ফাঁকা, আর ঋণাত্মক আধানযুক্ত কণার তেমন কোনো ভর নেই এবং তারা নিউক্লিয়াসকে কেন্দ্র করে ঘুরছে। বিষয়টি অনেকটা সৌরজগতের সূর্যের চারদিকে গ্রহের প্রদক্ষিণ এর সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ।
তাই রাদারফোর্ড মডেলকে সৌরজগতের সাথে তুলনা করা হয়

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
8 months ago
উত্তরঃ

পরমাণু ইলেকট্রন, প্রোটন ও নিউট্রনের সমন্বয়ে গঠিত। পরমাণুর কেন্দ্রে রয়েছে নিউক্লিয়াস। নিউক্লিয়াসে ধনাত্মক আধানযুক্ত প্রোটন ও আধান নিরপেক্ষ নিউট্রন রয়েছে। পরমাণুর ভরের প্রায় পুরোটাই নিউক্লিয়াসে থাকে। ঋণাত্মক আধানযুক্ত ইলেকট্রন নিউক্লিয়াসকে কেন্দ্র করে নির্দিস্ট কক্ষপথে ঘুরে। ইলেকট্রন ও নিউক্লিয়াসের মধ্যবর্তী জায়গা ফাঁকা।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
8 months ago
উত্তরঃ

পরমাণুর ধর্মের পার্থক্য দেখা যায় কেন?
উত্তর: পরমাণু খুব ক্ষুদ্র কণা। তাই এর গঠন সম্পর্কে ধারণা পাওয়া সহজ নয়। তবে বিজ্ঞানীদের বিভিন্ন পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর পরমাণুর গঠন এবং ধর্ম সম্পর্কে পরিষ্কার ধারণা পাওয়া গেছে। মূলত পরমাণুতে ইলেকট্রন, প্রোটন ও নিউট্রনের সংখ্যার ভিন্নতার কারণে পরমাণুর ধর্মে পার্থক্য দেখা যায়।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
8 months ago
উত্তরঃ

প্রতিটি মৌলের আলাদা আলাদা পরমাণু রয়েছে, যেমন-হাইড্রোজেন গ্যাসের পরমাণু অক্সিজেন গ্যাসের পরমাণু থেকে আলাদা। একটি মৌলের পরমাণু থেকে আরেকটি মৌলের পরমাণুর মধ্যে আকার, ভর ও ধর্মে পার্থক্য হয়ে থাকে। মূলত পরমাণুতে -প্রোটন বা ইলেকট্রনের সংখ্যার পার্থক্যের কারণে হাইড্রোজেন ও অক্সিজেনের পরমাণুসমূহের মধ্যে পার্থক্য হয়।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
8 months ago
উত্তরঃ

কোনো মৌলের একটি পরমাণুতে প্রোটনের সংখ্যাকে পারমাণবিক সংখ্যা (Atomic Number) বলা হয়। হাইড্রোজেনের একটি পরমাণুতে একটি প্রোটন আছে। তাই হাইড্রোজেনের পারমাণবিক সংখ্যা ১। অক্সিজেনের একটি পরমাণুতে ৮টি প্রোটন আছে। তাই অক্সিজেনের পারমাণবিক সংখ্যা ৮। অর্থাৎ প্রোটন সংখ্যার ভিন্নতার কারণে হাইড্রোজেন ও অক্সিজেনের পারমাণবিক সংখ্যা ভিন্ন।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
8 months ago
উত্তরঃ

কার্বনের পারমাণবিক সংখ্যা ৬ এর অর্থ C এর ১টি পরমাণুতে ৬টি প্রোটন রয়েছে। কেননা পারমাণবিক সংখ্যাকে যেহেতু কোনো মৌলের প্রোটনের সংখ্যা বুঝায়। আবার একটি পরমাণুতে যেহেতু প্রোটন আর ইলেকট্রনের সংখ্যা সমান, তাই বোঝা যায় কার্বনের একটি পরমাণুতে ৬টি ইলেকট্রন আছে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
8 months ago
উত্তরঃ

পরমাণুর প্রায় সবটুকু ভর তার নিউক্লিয়াসে থাকে। অর্থাৎ কোনো পরমাণুর ভর তার প্রোটন ও নিউট্রনের ভর। আবার নিউট্রন ও প্রোটনের ভর প্রায় সমান। কোনো মৌলের পরমাণুতে প্রোটন ও নিউট্রনের সমষ্টিকে ভরসংখ্যা হিসাবে প্রকাশ করা হয়। অর্থাৎ কোনো মৌলের ভরসংখ্যা = (প্রোটনের সংখ্যা নিউট্রনের সংখ্যা)। সুতরাং মৌলের পারমাণবিক সংখ্যা ও ভরসংখ্যা জানা থাকলে উক্ত সূত্র ব্যবহার করে পরমাণুর নিউট্রন সংখ্যা হিসাব করা যায়।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
8 months ago
উত্তরঃ

কোনো মৌলের পরমাণুতে প্রোটন ও নিউট্রনের সমষ্টিকে ভরসংখ্যা হিসাবে প্রকাশ করা হয়। অর্থাৎ কোনো মৌলের ভরসংখ্যা = ঐ মৌলের পরমাণুতে (প্রোটনের সংখ্যা নিউট্রনের সংখ্যা)। যেমন অক্সিজেন পরমাণুর নিউক্লিয়াসে ৮টি প্রোটন আর ৮টি নিউট্রন থাকে। তাই অক্সিজেনের ভরসংখ্যা (৮ + ৮) =১৬। আবার সোডিয়ামের একটি পরমাণুতে ১১টি প্রোটন আর ১২টি নিউট্রন আছে। তাই সোডিয়ামের ভরসংখ্যা = (১১+১২) = ২৩।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
8 months ago
উত্তরঃ

মৌলটির পারমাণবিক সংখ্যা ১৯। তাই মৌলটির প্রোটন আছে ১৯টি। আবার কোনো পরমাণুতে প্রোটন আর ইলেকট্রনের সংখ্যা সমান। অর্থাৎ, মৌলটির ইলেকট্রন সংখ্যা ১৯টি। আবার মৌলটির ভরসংখ্যা প্রোটনের সংখ্যা + নিউট্রন সংখ্যা অর্থাৎ এ মৌলের নিউট্রন সংখ্যা=ভরসংখ্যা - প্রোটন সংখ্যা সুতরাং, A মৌলের নিউট্রন সংখ্যা ৪০ – ১৯ = ২১।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
8 months ago
উত্তরঃ

আইসোটোপ হলো একই মৌলের এমন পরমাণু, যাদের নিউক্লিয়াসে প্রোটন সংখ্যা সমান কিন্তু নিউট্রন সংখ্যা ভিন্ন। প্রোটিয়াম হাইড্রোজেনের সবচেয়ে সাধারণ আইসোটোপ, এর নিউক্লিয়াসে একটি প্রোটন থাকে এবং কোনো নিউট্রন থাকে না। অন্যদিকে, ডিউটেরিয়ামের নিউক্লিয়াসে একটি প্রোটন এবং একটি নিউট্রন থাকে। অর্থাৎ, একই সংখ্যক প্রোটন থাকায় প্রোটিয়াম এবং ডিউটেরিয়ামের নিউট্রন বা ভরসংখ্যা ভিন্ন হলেও এরা উভয়েই হাইড্রোজেন মৌলেরই আইসোটোপ।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
8 months ago
উত্তরঃ

কার্বনের বেশিরভাগ পরমাণুতে ৬টি প্রোটন ও ৬টি নিউট্রন রয়েছে। কিন্তু কার্বনের কিছু পরমাণুতে ৭টি বা ৮টি নিউট্রনও থাকতে পারে। অর্থাৎ কার্বনের আরো দুইটি ভিন্ন রকমের পরমাণু বিদ্যমান যাদের প্রত্যেকের প্রোটন সংখ্যা একই কিন্তু নিউট্রন বা ভরসংখ্যা ভিন্ন থাকে। এ কারণে প্রকৃতিতে কার্বনের প্রধানত তিনটি আইসোটোপ রয়েছে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
8 months ago
উত্তরঃ

কোন মৌলের রাসায়নিক ধর্ম তার প্রোটন সংখ্যা দ্বারা প্রভাবিত হয়। একই মৌলের বিভিন্ন আইসোটোপের প্রোটন ও ইলেকট্রন সংখ্যা অভিন্ন থাকে। তাই একই মৌলের আইসোটোপসমূহের মধ্যে রাসায়নিক ধর্মে তেমন কোনো পার্থক্য দেখা যায় না।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
8 months ago
উত্তরঃ

সাধারণত আইসোটোপসমূহ অস্থায়ী। অস্থায়ী আইসোটোপ বিভিন্ন রকমের তেজস্ক্রিয় রশ্মি ও কণা বিকিরণ করে। এরকম তেজস্ক্রিয় রশ্মি বিকিরণ করার ঘটনাকে তেজস্ক্রিয়তা বলা হয়। তেজস্ক্রিয় ধর্মযুক্ত এরকম আইসোটোপকে তেজস্ক্রিয় আইসোটোপ বলা হয়। অর্থাৎ অস্থায়িত্বের কারণে আইসোটোপ তেজস্ক্রিয় হয়।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
8 months ago
উত্তরঃ

বিভিন্ন রোগ নির্ণয়ে ও নিরাময়ে আইসোটোপ ব্যবহার করা হয়। কোনো ক্ষুদ্র রক্তনালি ক্ষতিগ্রস্ত হলে রক্তের মাধ্যমে নির্দিষ্ট কতগুলো মৌলের তেজস্ক্রিয় আইসোটোপ পাঠিয়ে তা শনাক্ত করা যায়। একইভাবে ক্যান্সারে আক্রান্ত রোগীর কোন কোষ ক্যান্সার আক্রান্ত, তা আইসোটোপ দিয়ে নির্ণয় করা যায়। আবার ক্যান্সার আক্রান্ত কোষ ধ্বংস করা যায় আইসোটোপের তেজস্ক্রিয় বিকিরণ ব্যবহার করে। এছাড়াও তেজস্ক্রিয় রশ্মি ব্যবহার করে ডাক্তারি যন্ত্রপাতি জীবাণুমুক্ত করা হয়।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
8 months ago
উত্তরঃ

কৃষিক্ষেত্রে আইসোটোপের দুটি ব্যবহার নিচে লিখা হলো-
১. কৃষিক্ষেত্রে পতঙ্গ নিয়ন্ত্রণে আইসোটোপের তেজস্ক্রিয় রশ্মি ব্যবহার করা হয়।
২. কখন কোন সার কী পরিমাণ ব্যবহার করতে হবে তা জানতে তেজস্ক্রিয় আইসোটোপ ব্যবহার করা হয়।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
8 months ago
উত্তরঃ

ব্যাকটেরিয়াসহ অনেক জীবাণু তেজস্ক্রিয় রশ্মিতে মারা যায়।
তাই তেজস্ক্রিয় রশ্মি ব্যবহার করে খাদ্যদ্রব্য বা ফলমূলকে জীবাণুমুক্ত করা যায়। এ কারণে খাদ্যদ্রব্য সংরক্ষণে তেজস্ক্রিয় আইসোটোপ ব্যবহার করা হয়।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
8 months ago
উত্তরঃ

সময়ের সাথে অস্থায়ী আইসোটোপের ক্ষয় হলেও স্থায়ী আইসোটোপের তেমন ক্ষয় হয় না। তাই কোনো ফসিলে স্থায়ী ও অস্থায়ী আইসোটোপের অনুপাত থেকে ফসিলটির বয়স সম্পর্কে ধারণা পাওয়া যায়। অর্থাৎ তেজস্ক্রিয় আইসোটোপের ভাঙন বা ক্ষয় থেকে ফসিল এর বয়স নির্ধারণ করা হয়।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
8 months ago
উত্তরঃ

লিথিয়াম (Li) ও কার্বন (C) এর ইলেকট্রন বিন্যাস-

Li(৩) ২, ১
C(৬) ২, ৪

লিথিয়াম পরমাণুতে ৩টি ইলেকট্রন আছে। এদের মধ্যে ২টি ইলেকট্রন প্রথম আর তৃতীয়টি দ্বিতীয় কক্ষপথে থাকে। একইভাবে কার্বন পরমাণুতে ৬টি ইলেকট্রন এর ২টি প্রথম কক্ষপথে এবং বাকি ৪টি দ্বিতীয় কক্ষপথে থাকে। অর্থাৎ Li ও C এর ইলেকট্রন বিন্যাস ভিন্ন।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
8 months ago
উত্তরঃ

ম্যাগনেসিয়াম ও অ্যালুমিনিয়াম মৌলের ইলেকট্রন বিন্যাস নিচে উল্লেখ করা হলো-

মৌল

প্রতীক

ইলেকট্রন বিন্যাস

ম্যাগনেসিয়াম

Mg

২. ৮.২

অ্যালুমিনিয়াম

Al

২. ৮.৩

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
8 months ago
উত্তরঃ

মৌলিক পদার্থের ধর্ম পদার্থের ইলেকট্রন সংখ্যার উপর নির্ভর করে। আরো নির্দিষ্ট করে বলা হলে পরমাণুর ধর্ম পরমাণুর ইলেকট্রন বিন্যাস এর সাথে পরিবর্তিত হয়। অর্থাৎ ইলেকট্রন বিন্যাসের ভিন্নতার কারণে সাধারণত মৌলগুলো কখনো নিষ্ক্রিয়, কখনো সক্রিয় বা কখনো আধানযুক্ত হয়।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
8 months ago
উত্তরঃ

পরমাণুগুলো স্থিতিশীলতা অর্জন করে তাদের বহিঃস্থ শক্তিস্তরে ইলেকট্রন সংখ্যা পূর্ণ করে। সাধারণত, একটি পরমাণু স্থিতিশীল হয় যখন তার বহিঃস্থ শক্তিস্তরে ৮টি ইলেকট্রন থাকে (অষ্টক নিয়ম)। এই স্থিতিশীলতা অর্জনের জন্য পরমাণুগুলো ইলেকট্রন দান, গ্রহণ বা শেয়ার করে। উদাহরণস্বরূপ, সোডিয়াম পরমাণুর ইলেকট্রন বিন্যাস ২, ৮. ১। স্থিতিশীলতা অর্জনের আন্দdows সোডিয়াম পরমাণু একটি ইলেকট্রন দান করে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
8 months ago
উত্তরঃ

ইলেকট্রন গ্রহণ বা বর্জনের মাধ্যমে পরমাণু আয়নে পরিণত হয়। ২টি পরমাণুর মধ্যে যেটি ইলেকট্রন বর্জন করে সেটি ক্যাটায়নে এবং যেটি ইলেকট্রন গ্রহণ করে সেটি অ্যানায়নে পরিণত হয়। ফলে তাদের মধ্যে একটি বৈদ্যুতিক আকষণ বল কাজ করে অর্থাৎ, ইলেকট্রন সজ্জা পুনর্বিন্যাসের মাধ্যামে পরস্পরের সাথে আকর্ষণ বল দ্বারা বন্ধনে আবদ্ধ হয়ে যৌগ গঠন করে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
8 months ago
উত্তরঃ

NaF যৌগ গঠন প্রক্রিয়া বিক্রিয়ার মাধ্যমে নিচে উপস্থাপন
করা হলো-

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
8 months ago
94

পরমাণু খুব ক্ষুদ্র কণা। তাই এর গঠন সম্পর্কে ধারণা পাওয়া সহজ নয়। তবে বিভিন্ন বিজ্ঞানীদের পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর পরমাণুর গঠন সম্পর্কে পরিষ্কার ধারণা পাওয়া গেছে। পরমাণুতে ইলেকট্রন, প্রোটন ও নিউট্রনের সংখ্যার ভিন্নতার কারণে পরমাণুর ধর্মে পার্থক্য দেখা যায়৷

এ অধ্যায় পাঠ শেষে আমরা-

   • পরমাণুর গঠন ব্যাখ্যা করতে পারব;
   • পারমাণবিক সংখ্যা ও ভর সংখ্যা ব্যাখ্যা করতে পারব;
   • আইসোটোপ ব্যাখ্যা করতে পারব;
   • ইলেকট্রন বিন্যাস ব্যাখ্যা করতে পারব;
   • আয়ন কীভাবে সৃষ্টি হয় ব্যাখ্যা করতে পারব;
   • ক্যাটায়ন ও অ্যানায়নের পার্থক্য করতে পারব;
   • অ্যানায়ন ও ক্যাটায়ন ব্যবহার করে রাসায়নিক সংকেত প্রণয়ন করতে পারব;
   • আইসোটোপের ব্যবহার বর্ণনা করতে পারব; আমাদের জীবনে আইসোটোপের অবদান উপলব্ধি করতে পারব।

Related Question

View All
উত্তরঃ

Na' বলতে ধনাত্মক আধান যুক্ত আয়ন বা ক্যাটায়ন বুঝায়। কোনো পরমাণু যখন এক বা একাধিক ইলেকট্রন ত্যাগ করে তখন পরমাণুটি ধনাত্মক চার্জে তথা ক্যাটায়নে পরিণত হয়। এক্ষেত্রে Na পরমাণু। টি ইলেকট্রন ত্যাগ করে Na' ক্যাটায়নে পরিণত হয়েছে; তাতে Na এর ইলেকট্রন সংখ্যা (11-1) = 10টি।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
8 months ago
377
উত্তরঃ

উল্লেখিত মডেলটি হলো রাদারফোর্ডের পরমাণু মডেল। নিচে
মডেলটির বৈশিষ্ট্য উল্লেখ করা হলো:
১. পরমাণুতে ধনাত্মক আধান ও ভর নিউক্লিয়াস নামক একটি ক্ষুদ্র জায়গায় অবস্থান করে।
২. পরমাণুর বেশির ভাগ জায়গা ফাঁকা।
৩. ঋণাত্মক আধানযুক্ত কণার তেমন কোনো ভর নেই।
৪. ঋণাত্মক আধানযুক্ত কণা নিউক্লিয়াসকে কেন্দ্র করে ঘুরছে।
৫. এই মডেলটিকে সৌরজগতের সাথে তুলনা করা হয়। তাই এই মডেলকে Solar System বা সৌর মডেল বলে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
8 months ago
151
উত্তরঃ

উদ্দীপকে উল্লেখিত রাদারফোর্ডের মডেলে সৌর মডেল অনুসরণ করা হয় কি-না তা নিচে যাচাই করা হলো:

১. সৌরজগতের কেন্দ্রে রয়েছে সূর্য এবং সূর্যকে কেন্দ্র করে গ্রহগুলো বিভিন্ন কক্ষপথে একইভাবে ঘুরতে থাকে। তেমনি পরমাণুর কেন্দ্রে থাকে নিউক্লিয়াস এবং নিউক্লিয়াসকে কেন্দ্র করে বিভিন্ন কক্ষপথে এক বা একাধিক ইলেকট্রন ঘুরতে থাকে।
২. সৌরজগতে সূর্যের ভর গ্রহগুলোর প্রত্যেকটির ভরের তুলনায় অনেক বেশি। তেমনি পরমাণুর নিউক্লিয়াসের ভর প্রত্যেকটি
ইলেকট্রনের ভরের তুলনায় অনেক বেশি। ৩. সৌরজগতের বেশির ভাগ স্থান ফাঁকা, তেমনি পরমাণুরও বেশির ভাগ জায়গা ফাঁকা।
৪. সৌরজগতের আয়তনের তুলনায় গ্রহগুলো ও সূর্যের মোট আয়তন খুবই কম। তেমনি পরমাণুর আয়তনের তুলনায় নিউক্লিয়াস ও ইলেকট্রনগুলোর মোট আয়তন নগণ্য।
৫. সৌরজগতের গ্রহগুলোর কক্ষপথ সামান্য উপবৃত্তাকার। সূর্য এ উপবৃত্তের কেন্দ্রে থাকে। পরমাণুতেও ইলেকট্রনগুলোর কক্ষপথ বৃত্তাকার ও উপবৃত্তাকার হয় এবং নিউক্লিয়াসটি বৃত্ত বা উপবৃত্তের কেন্দ্রে থাকে।

অতএব, উপরোক্ত বর্ণনার পরিপ্রেক্ষিতে বলা যায় উদ্দীপকে উল্লেখিত মডেলে সৌর মডেল অনুসরণ করা হয়।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
8 months ago
125
উত্তরঃ

যোজনী হলো অণু গঠনকালে কোনো মৌলের একটি পরমাণুর সাথে অপর একটি মৌলের পরমাণু যুক্ত হওয়ার ক্ষমতা।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
8 months ago
164
উত্তরঃ

পারমাণবিক সংখ্যা বলতে কোনো পরমাণুর প্রোটন সংখ্যাকে বুঝানো হয়। ক্লোরিনের পারমাণবিক সংখ্যা ১৭ বলতে বুঝায়, ক্লোরিনের একটি পরমাণুতে ১৭ টি প্রোটন আছে। একটি পরমাণুতে যেহেতু প্রোটন ও ইলেকট্রন সংখ্যা সমান তাই বোঝা যায়, ক্লোরিনের একটি পরমাণুতে ১৭ টি ইলেকট্রনও আছে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
8 months ago
216
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র
মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews