মাল্টিমিডিয়া হলো মানুষের বিভিন্ন প্রকাশ মাধ্যমের সমন্বয়। এক সময় আমরা বিভিন্ন মিডিয়াকে ভিন্ন ভিন্ন কাজে ব্যবহার করতাম। 'কিন্তু এই আধুনিক যুগে এসে আমরা সেসব ভিন্ন ভিন্ন মিডিয়াকে একসাথে ব্যবহার করছি। একাধিক মিডিয়াকে একসাথে ব্যবহার করাকেই মাল্টিমিডিয়া বলে।
আমরা যখন ডিজিটাল যুগে বাস করছি তখন আমাদের প্রকাশ মাধ্যমের ধরন বদলে গেছে। সভ্যতার বিবর্তন ও প্রযুক্তির কারণে এই শব্দ, বর্ণ, চিত্র ইত্যাদি মাধ্যমগুলোর বহুবিধ ব্যবহার হয়ে আসছে। তাই বর্তমান সময়ে বিভিন্ন ধরনের উপস্থাপনার কাজে মাল্টিমিডিয়া বেশি ব্যবহৃত হচ্ছে।
মাল্টিমিডিয়ার মাধ্যম তিনটি হলো বর্ণ, চিত্র বা গ্রাফিক্স এবং শব্দ। নিম্নে তাদের বর্ণনা প্রদান করা হলো:
বর্ণ বা টেক্সট বর্ণের ব্যবহার করে তৈরি সকল কাজই এ ধরনের মাল্টিমিডিয়া। সারা দুনিয়াতেই টেক্সটের যাবতীয় কাজ কম্পিউটারে হয়ে থাকে। অফিস-আদালত থেকে ব্যক্তিগত কাজে কিংবা মুদ্রণ প্রকাশনায় এর ব্যবহার রয়েছে। চিত্র বা গ্রাফিক্স: পৃথিবীর সব জায়গায় গ্রাফিক্স তৈরি কিংবা সম্পাদনার সকল কাজ কম্পিউটারে হয়ে থাকে। গ্রাফিক্স ডিজাইন, মুদ্রণ প্রকাশনা, বিজ্ঞাপন, সাইনবোর্ড, স্থাপত্য, এনিমেশন ইত্যাদি ক্ষেত্রে - কম্পিউটারের ব্যবহার হচ্ছে। আর এসব কাজের মূল উপাদান হলো চিত্র বা গ্রাফিক্স। এসব ক্ষেত্র ছাড়াও অডিয়ো, ভিডিয়ো, সম্প্রচারের সাথেও গ্রাফিক্সের ব্যবহার করা হয়।শব্দ বা অডিয়ো : শব্দ বা অডিয়ো রেকর্ড, সম্পাদনা, সাউন্ড রেকর্ডিং সবই এর অন্তর্ভুক্ত। মূলত আমাদের চারপাশে যত ধরনের শব্দ রয়েছে তার সবই মাল্টিমিডিয়ায় ব্যবহার করা হয়।
মাল্টিমিডিয়াতে প্রধানত তিনটি মাধ্যম ব্যবহৃত হয়। মাধ্যমগুলো হলো- বর্ণ, চিত্র এবং শব্দ (সাউন্ড)। এই মাধ্যমগুলোর বিভিন্ন রূপ রয়েছে। এই তিনটি মাধ্যম তাদের বিভিন্ন রূপ নিয়ে কখনো আলাদাভাবে, কখনো একসাথে আমাদের সামনে আবির্ভূত হয়।
এক সময়ে যেসব মিডিয়া ভিন্ন ভিন্নভাবে ব্যবহৃত হতো তা এখন একসাথে ব্যবহৃত হচ্ছে। আবার সেই সব মিডিয়ায় যুক্ত হয়েছে ডিজিটাল যন্ত্রের প্রোগ্রামিং করার ক্ষমতা। আমরা এখন বহু মিডিয়াকে তার বহুমাত্রিকতা ও প্রোগ্রামিং ক্ষমতার জন্য বলছি ইন্টারঅ্যাকটিভমাল্টিমিডিয়া। ভিডিয়ো গেম, শিক্ষামূলক সফটওয়্যার, ওয়েবসাইট ইত্যাদি ইন্টারেক্টিভ মাল্টিমিডিয়ার উদাহরণ।
আমরা অন্তত তিনটি মাধ্যম বা মিডিয়া ব্যবহার করে নিজেদেরকে প্রকাশ করি সেগুলো হলো বর্ণ, চিত্র এবং শব্দ (সাউন্ড)। এই মাধ্যমগুলোর বিভিন্ন রূপও রয়েছে। এই তিনটি মাধ্যম তাদের বিভিন্ন রূপ নিয়ে কখনো একসাথে আমাদের সামনে আবির্ভূত হয়। তখনই একে মাল্টিমিডিয়া বলা হয়। অর্থাৎ মাল্টিমিডিয়া হলো মানুষের বিভিন্ন প্রকাশ মাধ্যমের সমন্বয়।
রেডিওকে মাল্টিমিডিয়া বলা হয় না কারণ মাল্টিমিডিয়া বলতে বোঝায় এমন একটি মাধ্যম যেখানে একাধিক ধরনের তথ্য, যেমন পাঠ্য, ছবি, ভিডিয়ো, অডিয়ো ইত্যাদি একত্রে উপস্থাপন করা হয়। রেডিওতে শুধুমাত্র অডিয়ো বা শব্দই ব্যবহৃত হয়। এতে কোনো ভিজুয়াল উপাদান যেমন ছবি বা ভিডিয়ো থাকে না। তাই রেডিও একক মাধ্যম হিসেবে বিবেচিত হয়, এবং একে মাল্টিমিডিয়া বলা যায় না।
ভিডিয়ো গেমসে একাধিক ধরনের মিডিয়া যেমন ভিজুয়াল, অডিয়ো এবং শব্দ একত্রিত হয়। খেলোয়াড়রা ভিডিয়ো গেমের মধ্যে সরাসরি অংশগ্রহণ করে এবং গেমের পরিবেশের সাথে যোগাযোগ করে। গেমের চরিত্রকে নিয়ন্ত্রণ করে এবং ঘটনাপ্রবাহকে প্রভাবিত করে। এই মিথস্ক্রিয়া এবং বিভিন্ন ধরনের মিডিয়ার সমন্বয়ের কারণেই ভিডিয়ো গেমসকে ইন্টারেক্টিভ মাল্টিমিডিয়া বলা হয়।
কোনো একটি কর্মকান্ডে তিনটি মাধ্যমকেই একসাথে ব্যবহার করাকে মাল্টিমিডিয়া বলে। উনিশ শতকের শেষ প্রান্তে ১৮৯৫ সালে সিনেমা বা চলচ্চিত্র উচ্ছ্ব হবার পর তাতে বর্ণ (text), চিত্র (graphics), শব্দ (sound) এবং চলমানতা (animation) যুক্ত হওয়ায় বিভিন্ন মাধ্যমের পরস্পর সংলগ্ন হবার ব্যাপারটি ঘটতে থাকে যা মাল্টিমিডিয়ার একটি রূপ। আজকের দিনের মাল্টিমিডিয়ার পূর্বপুরুষ বলতে তাই সিনেমাকে স্মরণ করতে হবে।
মাল্টিমিডিয়ার প্রধান মাধ্যমগুলো হলো- বর্ণ বা টেক্সট, চিত্র বা গ্রাফিক্স, ভিডিয়ো, এনিমেশন, শব্দ বা অডিয়ো এবং ইন্টারঅ্যাকটিভ কম্পিউটিং।
মাল্টিমিডিয়ার কয়েকটি প্রয়োগক্ষেত্র সম্পর্কে নিচে আলোচনা করা হলো:
ভিডিয়ো-টিভি: ভিডিয়ো কার্যত এক ধরনের গ্রাফিক্স বা চলমান
গ্রাফিক্স। টিভি, হোম ভিডিয়ো, মাল্টিমিডিয়া সফটওয়্যার, ওয়েব ইত্যাদি সকল ক্ষেত্রেই ভিডিয়োর ব্যাপক ব্যবহার রয়েছে। বিশ্বজুড়ে এখন ডিজিটাল পর্যায়ে ভিডিয়ো ধারণ, সম্পাদনা এবং সংরক্ষণ করা হয়।
সিনেমা: সিনেমা গ্রাফিক্সের আরও একটি রূপ। সিনেমা তৈরির ক্ষেত্রে গ্রাফিক্সের ব্যবহার ব্যাপক হারে বৃদ্ধি পেয়েছে।
ডিজিটাল প্রকাশনা আমাদের দেশের প্রকাশনা বর্তমানে অনেকটাই
কাগজ নির্ভর হলেও বিশ্বের মতো বাংলাদেশেও ডিজিটাল প্রকাশনা ধীরে ধীরে শুরু হচ্ছে।
ইন্টারঅ্যাকটিভিটি বলতে শুধুমাত্র ডকুমেন্ট বা ভিডিয়ো ফাইলে ইফেক্ট বা এনিমেশন যোগ করাকে বুঝায় না। ফ্লাশ, ডিরেক্টর বা অথরওয়্যারের মতো শক্তিশালী অথরিং সফটওয়্যার দিয়ে তৈরি ব্যবহারকারীর সাথে কম্পিউটারের মিথস্ক্রিয়া সম্ভব এমন কিছুকেই আমরা ইন্টারঅ্যাকটিভিটি বলি।
বাংলাদেশে মাল্টিমিডিয়া সফটওয়্যার প্রস্তুত হওয়া কেবল শুরু হয়েছে। ইতোমধ্যেই দেশে তৈরি কিছু মাল্টিমিডিয়া সফটওয়্যার হলো বাংলাদেশ-৭১, অবসর, বিশ্বকোষ, নামাজ শিক্ষা, বিজয় শিশু শিক্ষা ইত্যাদি।
বিনোদনের অধিকাংশ এলাকা জুড়ে রয়েছে মাল্টিমিডিয়া। সিনেমা বা নাটকের ক্ষেত্রে মাল্টিমিডিয়ার সাহায্যে স্পেশাল ইফেক্ট ব্যবহার করে তা আরও প্রাণবন্ত করা হচ্ছে। ফলে আমরা এমন অনেক কিছুই টেলিভিশনের পর্দায় দেখতে পাচ্ছি যা বাস্তবে অসম্ভব।
এনিমেশন হলো চলমান বা স্থির গ্রাফিক্স বা চিত্র। এনিমেশন দ্বি-মাত্রিক (2D) এবং ত্রিমাত্রিক (3D) স্থির চিত্রগুলোকে ছবিতে পরিণত করার প্রক্রিয়া। এনিমেশন কখনোই কেবল একক মিডিয়া হিসেবে ব্যবহৃত হয় না। এর সাথে অডিয়ো, ভিডিয়ো, টেক্সট, গ্রাফিক্স ইত্যাদির সম্পর্ক রয়েছে।
বিজ্ঞাপনের ক্ষেত্রে অ্যানিমেশন একটি অত্যন্ত জনপ্রিয় এবং কার্যকর মাধ্যম। এনিমেশনও এক ধরনের গ্রাফিক্স বা চিত্র, তবে সেটি চলমান বা স্থির হতে পারে, এটি দ্বিমাত্রিক বা ত্রিমাত্রিক হতে। পারে। অডিয়ো, ভিডিয়ো, টেক্সট, গ্রাফিক্স ইত্যাদির সমন্বয়ে সাধারণত এনিমেশন তৈরি হয়। অ্যানিমেশন দিয়ে পণ্য বা সেবার বৈশিষ্ট্যগুলোকে আরো আকর্ষণীয় এবং সহজে বোধগম্য উপায়ে উপস্থাপন করা যায়। এ কারণে বিজ্ঞাপনের ক্ষেত্রে অ্যানিমেশন একটি জনপ্রিয় বিষয়।
ভিডিয়ো এবং এনিমেশনের মধ্যে মূল পার্থক্য হল তাদের তৈরির প্রক্রিয়া। ভিডিয়ো হল বাস্তব জগতের চলমান দৃশ্যের রেকর্ডিং, যেখানে একটি ক্যামেরা ব্যবহার করে বাস্তব বস্তু বা ব্যক্তিকে ধারণ করা হয়। অন্যদিকে, এনিমেশন হল একটি কলাত্মক প্রক্রিয়া যেখানে ধারাবাহিক ছবি বা ফ্রেমকে একত্রিত করে গতিশীল ছবি তৈরি করা হয়।
যারা টেক্সট, গ্রাফিক্স, অডিয়ো, ভিডিয়ো, এনিমেশন ইত্যাদি নিয়ে কাজ করেন তারাই মাল্টিমিডিয়া কনটেন্টস ডেভেলপার। এই কাজটি করার জন্য এডোবি ফটোশপ থেকে থ্রিডি স্টুডিও ম্যাক্স বা মায়া ইত্যাদি অনেক সফটওয়্যার ব্যবহার করা হয়।
দুনিয়ার সর্বত্রই গ্রাফিক্স তৈরি, সম্পাদনা ইত্যাদি যাবতীয় কাজ কম্পিউটার ব্যবহার করেই করা হয়। মুদ্রণ ও প্রকাশনায় গ্রাফিক্স ডিজাইনের ক্ষেত্রে কম্পিউটারের ব্যবহার শুরু হয় নব্বই দশকে। প্রথমে - ফটোশপ দিয়ে স্ক্যান করা ছবি সম্পাদনা দিয়ে এর সূচনা হয়। ক্রমশ ডিজাইন এবং গ্রাফিক্সে কম্পিউটার জায়গা করে নিতে থাকে। ইতোমধ্যেই বিজ্ঞাপন, সাইনবোর্ড, এনিমেশন, স্থাপত্য ইত্যাদি সকল ক্ষেত্রেই কম্পিউটার ব্যবহৃত হচ্ছে। তাই গ্রাফিক্সের ক্ষেত্রে কম্পিউটার ব্যবহারের গুরুত্ব অনেক।
ইন্টারঅ্যাকটিভ অ্যাপ্লিকেশনের মাধ্যমে বিভিন্ন মাল্টিমিডিয়া কনটেন্টস তৈরি করা হয়। বর্তমানের পরিপ্রেক্ষিতে বিবেচনা করে তাদেরকেই মাল্টিমিডিয়া প্রোগ্রামার বলা হয় যারা বিভিন্ন মিডিয়া ব্যবহার করে একটি মাল্টিমিডিয়া অ্যাপ্লিকেশন তৈরি করেন।
যিনি টেক্সট, গ্রাফিক্স, অডিয়ো, ভিডিয়ো, এনিমেশন ইত্যাদি নিয়ে কাজ করেন তিনিই মাল্টিমিডিয়া কনটেন্টস ডেভেলপার। আগামী দিনগুলোতে মাল্টিমিডিয়া কনটেন্ট ডেভেলপমেন্টের চাহিদা এবং সংখ্যা কোনোটাই কম হবে না। বিজনেস সফটওয়্যার ও সার্ভিসেস-এর পাশাপাশি মাল্টিমিডিয়া কনটেন্টস ডেভেলপ করা ও প্রোগ্রামিং করতে পারা দক্ষ লোকের চাহিদা বর্তমানে ব্যাপকভাবে বাড়ছে।
প্রেজেন্টেশন সফটওয়ার হচ্ছে মূলত তথ্য উপস্থাপন করার সফটওয়্যার। এ সফটওয়্যারটি ব্যবহারকারীদের স্লাইডের মাধ্যমে তথ্য, ধারণা বা উপস্থাপনা প্রদর্শন করতে সহায়তা করে। এটি টেক্সট, ছবি, গ্রাফিক্স, অ্যানিমেশন এবং অডিয়ো-ভিডিয়ো উপাদান ব্যবহার করে উপস্থাপনা তৈরি এবং প্রদর্শন করতে ব্যবহার করা হয়।
মাইক্রোসফট পাওয়ারপয়েন্ট হল একটি জনপ্রিয় প্রেজেন্টেশন সফটওয়্যার। এর প্রধান বৈশিষ্ট্য হল স্নাইড তৈরি করা, যেখানে পাঠ্য, ছবি, চার্ট, গ্রাফ, ভিডিয়ো এবং এনিমেশন যোগ করা যায়। এতে বিভিন্ন ধরনের টেমপ্লেট এবং থিম রয়েছে যা প্রেজেন্টেশনকে আরও আকর্ষণীয় করে তোলে। পাওয়ারপয়েন্টে স্লাইড শো তৈরি করা যায় এবং সেগুলোকে অনলাইনে শেয়ার করা যায়।
পাওয়ার পয়েন্টের সাহায্যে লেখা, ছবি, অডিয়ো, ভিডিয়ো, গ্রাফ ইত্যাদির সমন্বয়ে আকর্ষণীয়ভাবে তথ্যাদি উপস্থাপন করা যায়। সভা, সেমিনার-সিম্পোজিয়াম, কর্মশালা ইত্যাদিতে কার্যকরভাবে তথ্যাদি উপস্থাপন করার জন্য পাওয়ার পয়েন্ট সফটওয়্যারটি খুব সহজে এবং চমৎকারভাবে ব্যবহার করা যায়।
পাওয়ারপয়েন্ট মাইক্রোসফট অফিসের অন্তর্ভুক্ত একটি প্রেজেন্টেশন সফটওয়্যার। মাইক্রোসফট সফটওয়্যারটির বিভিন্ন অংশের বর্ণনা নিচে প্রদান করা হলো:
স্লাইড: প্রেজেন্টেশনের এক একটি অংশকে স্লাইড বলা হয় হ্যান্ড আউটস: প্রেজেন্টেশনে একাধিক স্লাইড বিশিষ্ট একটি পৃষ্ঠাকে। হ্যান্ড আউটস বলা হয়। স্লাইড লেআউট পরিকল্পিতভাবে একটি পাওয়ারপয়েন্ট প্রেজেন্টেশন তৈরি করার জন্য খসড়া করে নিতে হয়। এ খসড়াকে বলা হয় স্লাইড লেআউট। প্রেজেন্টেশন: পাওয়ার পয়েন্টের ফাইলকে বলা হয় প্রেজেন্টেশন।
পাওয়ার পয়েন্ট প্রোগ্রাম খোলার জন্য পর্দার নিচের বাম কোনে start বোতামের উপর মাউস পয়েন্টার দিয়ে ক্লিক করলে একটি মেনু আসবে। এ মেনুর All Programs কমান্ডের উপর মাউস পয়েন্টার স্থাপন করলে একটি ফ্লাই আউট মেনু পাওয়া যাবে। এই মেনুর তালিকা থেকে Microsoft Office মেনুতে ক্লিক করলে পাশেই আর একটি ফ্লাই আউট মেনুতে মাইক্রোসফট অফিস এর প্রোগ্রামগুলোর তালিকা দেখা যাবে। এ তালিকা থেকে Microsoft Office Power Point কমান্ড সিলেকক্ট করলে মাইক্রোসফট অফিস পাওয়ার পয়েন্ট-এর প্রথম স্লাইডের পর্দা উপস্থাপিত হবে
প্রেজেন্টেশন সেভ বা সংরক্ষণ করার কৌশল নিচে দেওয়া হলো-
১. ফাইল মেনু থেকে Save কমান্ড দিলে Save As ডায়ালগ বক্স আসবে।
২. Save As ডায়ালগ বক্সের ফাইল নেম ঘরে ফাইলের নাম টাইপ করতে হবে।
৩. ডায়ালগ বক্সের OK বোতামে ক্লিক করলে প্রেজেন্টেশনটি সেই নামে সংরক্ষিত হয়ে যাবে।
নতুন স্লাইড যুক্ত করার জন্য পাওয়ার পয়েন্টের Home মেনুর রিবন থেকে New Slide কমান্ড সিলেক্ট করতে হয়। আরও একটি পদ্ধতি হলো, কীবোর্ডের Ctrl লেখা বোতাম চেপে রেখে M বোতামে চাপ দিলে একটি নতুন স্লাইড যুক্ত হবে
কীবোর্ডের F5 বোতামে চাপ দিলে প্রেজেন্টেশনের প্রথম স্লাইডটি উপস্থাপিত হবে। প্রেজেন্টেশনের মাঝামাঝি কোনো অবস্থানে থাকা অবস্থায় ঐ স্লাইড থেকে পরবর্তী প্রদর্শন শুরু করার জন্য কীবোর্ডের শিফট বোতাম চেপে রেখে F5 বোতামে চাপ দিতে হবে।
পাওয়ার পয়েন্টের Design মেনুর রিবনে একেবারে ডানে Background Style ড্রপ-ডাউন বার এ ক্লিক করলে গ্রেডিয়েন্ট এবং সলিড রঙের একটি প্যালেট আসবে। এই প্যালেটের যেকোনো রঙের উপর মাউস পয়েন্টার স্থাপন করা হলে মূল স্লাইডে সেই রঙের ব্যাকগ্রাউন্ড দেখা যায়।
পাওয়ার পয়েন্টে Insert মেনুর রিবনে Picture আইকনের উপর ক্লিক করলে Insert Picture ডায়ালগ বক্স আসবে। Insert Picture ডায়ালগ বক্সের যে ফোল্ডারে প্রয়োজনীয় ছবিটি রয়েছে, সেই ফোল্ডার খুলে ছবিটি সিলেক্ট করে ডায়ালগ বক্সের Insert বোতামে ক্লিক করলে সিলেক্ট করা ছবিটি স্লাইডে চলে আসবে।
প্রেজেন্টেশনে অনেক সময় এক স্লাইড থেকে পরবর্তী স্লাইডে যাওয়ার সময় ইফেক্ট ব্যবহার করা হয়। এই ইফেক্টকে বলা হয় ট্রানজিশন। প্রেজেন্টেশনের যে স্লাইডটি খোলা রেখে ট্রানজিশন প্রয়োগ করা হয় সেই স্লাইডটিতেই ট্রানজিশন কার্যকর।
পাওয়ারপয়েন্ট স্লাইডে ট্রানজিশন যুক্ত করার প্রক্রিয়াটি নিচে বর্ণনা করা হলো:
১. প্রেজেন্টেশনের যে স্লাইডটিতে ট্রানজিশন যুক্ত করতে হবে তা খোলা রাখতে হবে।
২. এরপর Animations মেনুতে ক্লিক করে সক্রিয় করতে হবে। এ Animations মেনুর রিবনে এক সারি স্লাইড ট্রানজিশনের নমুনা পাওয়া যাবে। যে নমুনার উপরে মাউস পয়েন্টার স্থাপন করলে স্লাইডে সেই নমুনার ট্রানজিশন দেখা যাবে। এখানের বিভিন্ন নমুনা থেকে পছন্দসই নমুনাটির উপর ক্লিক করা হলে ঐ ট্রানজিশনটি স্লাইডে আরোপিত হবে।
৩. সবগুলো স্লাইডে একই ট্রানজিশন আরোপ করতে হলে, প্রথম স্লাইডে ট্রানজিশন আরোপ করার পর নমুনার সারির ডানদিকে Apply to All বোতামে ক্লিক করতে হবে।
৪. প্রতিটি স্লাইডে ভিন্ন ভিন্ন ট্রানজিশন প্রয়োগ করতে হলে একটি একটি করে প্রতিটি স্লাইডে ট্রানজিশন আরোপ করতে হবে।
স্লাইড ট্রানজিশনের সাথে শব্দ যুক্ত করার জন্য স্লাইডটি খোলা রেখে Transition Sound ড্রপ-ডাউন তালিকা থেকে যেকোনো একটি শব্দের নাম্ সিলেক্ট করতে হবে। সবগুলো স্লাইডে একই শব্দ প্রয়োগ করার জন্য Apply To All বোতামে ক্লিক করতে হবে।
পাওয়ারপয়েন্টে স্লাইডে ভিডিয়ো যুক্ত করা খুবই সহজ। প্রথমে যে স্লাইডে ভিডিয়ো যোগ করতে হবে সেটি নির্বাচন করতে হবে। তারপর "Insert" ট্যাবে ক্লিক করে "Movie" ক্রপ ডাউন মেনুতে "movie from file" অপশনটি নির্বাচন করতে হবে। এবার কম্পিউটার থেকে ভিডিয়ো ফাইলটি সিলেক্ট করে "Insert" বাটনে ক্লিক করলে ভিডিয়োটি স্লাইডে যুক্ত হয়ে যাবে। এরপর চাইলে ভিডিয়ো এর আকার, অবস্থান এবং অন্যান্য সেটিংস পরিবর্তন করা যাবে।
এডোবি ফটোশপ হলো একটি ছবি সম্পাদনার প্রোগ্রাম বা সফটওয়্যার। এটি হলো জনপ্রিয় গ্রাফিক্স সফটওয়্যার নির্মাতা জন ওয়ারনকের এডোবি সিস্টেম ইনকর্পোরেট এর শক্তিশালী ইমেজ এডিটিং গ্রাফিক্স প্রোগ্রাম।
এডোবি ফটোশপ ছবি সম্পাদনার প্রোগ্রাম হিসেবেই সর্বাধিক পরিচিত। এডোবি ফটোশপের বিভিন্ন শক্তিশালী ফিচার ব্যবহার করে ইমেজকে এডিটিং করে বিভিন্ন রঙের ব্যবহার করে আকর্ষণীয় সব Effect ব্যবহারে আকর্ষণীয় এবং সুন্দরভাবে উপস্থাপন করা যায়। ছবি বা ছবির কোন অংশের ঔজ্জ্বল্য বাড়ানো-কমানো, একাধিক ছবির সমন্বয়ে বইয়ের প্রচ্ছদ, পোস্টার ইত্যাদি তৈরি করা, ছবির অপ্রয়োজনীয় অংশ কেটে ফেলা, ছবি দাগ বা ত্রুটি মুছে ফেলা ইত্যাদি নানা রকম কাজ ফটোশপ দিয়ে করা যায়। এ কারণে এ সকল কাজ সহজে করার জন্য ছবি সম্পাদনার অন্যান্য প্রোগ্রামের মধ্যে এডোবি ফটোশপ প্রোগ্রামের গুরুত্ব সবচেয়ে বেশি।
এডোবি ফটোশপ দিয়ে করা যায় এমন দুটি কাজ হলো-
১. একাধিক ছবির সমন্বয়ে বইয়ের প্রচ্ছদ তৈরি করা।
২. ছবির অপ্রয়োজনীয় অংশ কেটে ফেলা।
কম্পিউটারের Start বাটনে ক্লিক করে All Programs কমান্ডের উপর মাউস পয়েন্টার স্থাপন করলে একটি ফ্লাইআউট মেনু পাওয়া যায়। এই মেনু থেকে এডোবি ফটোশপ প্রোগ্রামের নামের উপর ক্লিক করলে এডোবি ফটোশপ খুলে যাবে।
পিক্সেল হচ্ছে একটি ইমেজ বা ছবির বর্গাকার ক্ষুদ্রতম একক। ফটোশপে ইমেজ বা ছবি তৈরি হয় পিক্সেলের সাহায্যে। অনেকগুলো পিক্সেল মিলে একটি ছবি তৈরি হয়। একটি বর্গাকৃতির পিক্সেলকে খালি চোখে দেখা যায় না।
ইঞ্চি প্রতি ৭২ পিক্সেল কথাটির অর্থ হচ্ছে এক ইঞ্চিতে আড়াআড়ি ও উল্লম্বভাবে ৭২টি পিক্সেলের ৭২টি লাইন। এতে এক বর্গ ইঞ্চিতে মোট পিক্সেলের পরিমাণ দাঁড়াবে পিক্সেল।
একটি ছবি বড় করলে পিক্সেলগুলো দেখা যাবে। এ অবস্থাকে বলা হয় পিক্সেলেটেড হয়ে যাওয়া। সাধারণ ভাষায় একে বলা হয় ছবি ফেটে যাওয়া।
RGB হচ্ছে ফটোশপের একটি কালার মোড। এই মোডে Red, Green, Blue এই তিনটি রং নিয়ে কাজ করা হয়। কম্পিউটার, টেলিভিশন এবং অন্যান্য ইলেকট্রনিক মিডিয়ার মনিটরে উপস্থাপিত বিষয় প্রদর্শিত হয় RGB মোডে।
ফটোশপে Background contents অংশে ব্যাকগ্রাউন্ডের অপশন তিনটি। এসব অপশন ব্যবহার করে ব্যাকগ্রাউন্ডকে বিভিন্ন রং প্রদান করা হয় পছন্দ বা প্রয়োজন অনুযায়ী ব্যাকগ্রাউন্ডের অপশন সিলেক্ট করতে হবে। সিলেক্ট করা অপশন অনুযায়ী ব্যাকগ্রাউন্ডের রং পরিবর্তিত হবে। এক্ষেত্রে সাদা বা White সিলেক্ট করন্সে ক্যানভাস বা Background এর রং হবে সাদা, Background color নিলেই করলে ক্যানভাস বা Background এর রং হবে টুল বক্সে ব্যাকগ্রাউন্ডের রং হিসেবে বিদ্যমান রং বিশিষ্ট এবং স্বচ্ছ বা transparent সিলেক্ট করলে Background এর রং পরিবর্তন করা যাবে।ক্যানভাসটি স্বচ্ছ থাকবে। এভাবেই অপশন তিনটি ব্যবহারে
ফটোশপ উইন্ডোর পরিচিতিমূলক বিভিন্ন অংশের বর্ণনা নিচে প্রদান করা হলো:
টাইটেল বার: ফটোশপ উইন্ডোর শীর্ষে ফটোশপ ফাইলের নাম লেখা বারটিকে টাইটেল বার বলে।
মেনু বার: টাইটেল বার এর নিচে থাকে মেনুবার। বিভিন্ন কাজের উপযোগী বিভিন্ন মেনু সজ্জিত থাকে এ বারে।
অপশন বার: মেনু বার এর নিচে রয়েছে অপশন বার।
বুলার: অপশন বারের নিচে রয়েছে বুলার। উইন্ডোর উপরে অপশন বারের নিচে এবং বামদিকে বুলার প্রদর্শন করে সঠিক মাপ নির্ধারণ করে কাজ করা যায়।
র্যাকগ্রাউন্ড: বুলারের নিচের পর্দায় ফটোশপের কাজ করতে হয়। এ কাজের জায়গাটিকে ব্যাকগ্রাউন্ড বা ক্যানভাস বলা হয়।
ফটোশপে কাজ করার জন্য ৬৯ প্রকার টুল রয়েছে। এছাড়াও রয়েছে অসংখ্য অপশন প্যালেট, ডায়ালগ বক্স ইত্যাদি। বিভিন্ন রকম টুলের সাথে বিভিন্ন রকম অপশন প্যালেট ও ডায়ালগ বক্সের সম্পর্ক রয়েছে।
মার্কি টুল হলো একটি সিলেকশন টুল। এই টুল দিয়ে বৃত্তাকার 1 ও চতুষ্কোণ সিলেকশন এবং অবজেক্ট তৈরির কাজ করা যায়।
ফটোশপ ফেদার এর ব্যবহার নিম্নরূপ: অপশন বার-এর Feather ফেদার ঘরে ০ থেকে ২৫০ পর্যন্ত বিভিন্ন পরিমাণসূচক সংখ্যা টাইপ করে অবজেক্টের প্রান্ত নমনীয় করা যায়। ফেদারের পরিমাণ অবজেক্টের প্রান্ত থেকে ভেতর ও বাইরের দিকে
সমানভাবে বিস্তৃত হয়। ফেদার ঘরে ১০ টাইপ করলে প্রান্তের নমনীয়তা হবে ২০।.
ফেদার ঘরে বিভিন্ন পরিমাণসূচক সংখ্যা টাইপ করার পর কীবোর্ডের এন্টার বোতামে চাপ দিয়ে ফেদার বৈশিষ্ট্যকে কার্যকর করে নিতে হবে। এরপর মার্কি টুল বা অন্য টুল দিয়ে তৈরি করা রং দিয়ে পূরণ করলে ফেদার বৈশিষ্ট্য দৃশ্যমান হবে। কপি বা কাট করা অবজেক্ট পেস্ট করার পরও ফেদার বৈশিষ্ট্য দৃশ্যমান হবে।
ফটোশপে স্ট্রোক ব্যবহারের নিয়ম বর্ণনা করা হলো:
১. যে সিলেকশনের বর্ডার তৈরি করতে হবে তা ভাসমান থাকা অবস্থায় Edit মেনুর stroke কমান্ড সিলেক্ট করলে stroke ডায়ালগ বক্স পাওয়া যায়।
২. ডায়ালগ বক্সের Stroke width ঘরে ১-১৬ পর্যন্ত যেকোনো সংখ্যা টাইপ করা যায়। এ সংখ্যা অনুযায়ী বর্ডারের প্রশস্ততা বির্ধারিত হয়। বর্ডারটি সিলেকশনের বাইরে দিকে, ভিতরের দিকে বা মাঝামাঝি স্থানে তৈরির জন্য ডায়ালগ বক্সের Outside, Inside বা center সংযুক্ত গোলক বা Radio button এর মাঝখানে ক্লিক করে সক্রিয় করে দিতে হবে।
৩. ডায়ালগ বক্সের OK বোতামে ক্লিক করতে হবে।
৪. স্ট্রোক পদ্ধতিতে শুধু তুলির রং বা ফোরগ্রাউন্ডের রং দিয়েই বর্ডার তৈরি করা যায়।
লেয়ার এর আভিধানিক অর্থ স্তর। ফটোশপে ছবি সম্পাদনার পর্দা বা ক্যানভাসের এক একটি স্তরকে লেয়ার (Layer) বলে। লেয়ার পদ্ধতিতে একাধিক স্বচ্ছ ক্যানভাস একটির উপর একটি রেখে কাজ করা যায়। ক্যানভাস স্বচ্ছ হলে প্রতি স্তরে বিদ্যমান ছবি দেখে কাজ করা যায়।
চোখের আইকনের ডান পাশের সারিতে রয়েছে থাম্বনেইল আইকন। থাম্বনেইলের অর্থ হচ্ছে বড় ছবির ক্ষুদ্র সংস্করণ। পর্দার ছবির সঙ্গে সংশ্লিষ্ট লেয়ারে ওই ছবির ক্ষুদ্র সংস্করণ প্রদর্শিত হয়, এই থাম্বনেইল আইকনে। এতে কোন লেয়ারে কোন ছবি রয়েছে দেখে দেখে কাজ করতে সুবিধা হয়।
যে লেয়ারে ছবি সম্পাদনার কাজ করা হয় সেই লেয়ারকে বলে টার্গেট লেয়ার। একটি নির্দিষ্ট সময়ে শুধুমাত্র একটি লেয়ারেই ছবি সম্পাদনার কাজ করা যায়।
কোনো লেয়ারকে টার্গেট লেয়ারে পরিণত করার জন্য ঐ লেয়ারটির উপর মাউস পয়েন্টার ক্লিক করতে হয় তখন লেয়ারটিকে সিলেক্টেড দেখায়।
লেয়ার প্যালেটের উপরের ডানদিকে ওপাসিটি অপশন থাকে।' সেখানে Opacity লেখার উপরে মাউস পয়েন্টার স্থাপন করলে মাউস পয়েন্টার দ্বিমুখী তীরে পরিণত হবে। দ্বিমুখী তীরটি বামদিকে ড্র্যাগ করলে রঙের গাঢ়ত্ব কমবে আর ডানে ড্র্যাগ করলে রঙের গাঢ়ত্ব বাড়বে।
লেয়ার বাতিল করার নিয়ম হলো- যে লেয়ারটি বাতিল করতে হবে বা ফেলে দিতে হবে সেই লেয়ারটি অবশ্যই সিলেক্ট করতে হবে। এরপর লেয়ার প্যালেটের পপ-আপ মেনু থেকে Delete Layer কমান্ড দিতে হবে।
অথবা, লেয়ারটি সিলেক্ট করে প্যালেটের নিচের সারিতে Delete Layer আইকনে ক্লিক করলে একটি জিজ্ঞাসাসূচক ডায়ালগবক্স আসবে। সেখানে Yes বোতামে ক্লিক করলে লেয়ারটি বাতিল হয়ে যাবে।
ফটোশপে কাজ করার সময় কোনো কোনো ক্ষেত্রে অনেকগুলো লেয়ার নিয়ে কাজ করতে হয়। কাজ শেষ করার পর অন্য কোনো কম্পিউটারে বা প্রিন্টিং মেশিনে প্রিন্ট নেওয়ার প্রয়োজন হলে সম্পাদিত কাজটি সিডি কিংবা পেনড্রাইভে কপি করে নিতে হয়। এ কাজে সুবিধার জন্য ফাইলের আকার ছোটো রাখার চেষ্টা করা হয়।
ফটোশপে একাধীক লেয়ার একীভূত করার জন্য লেয়ারস প্যালেটের পপ-আপ মেনুতে তিনটি কমান্ড রয়েছে। কমান্ডগুলো
হলো- Merge Visible, Flatten Image এবং Merge Down.
Merge Visible হলো ফটোশপে একাধিক লেয়ার একীভূত করার একটি কমান্ড। এই কমান্ড দিলে শুধু দৃশ্যমান লেয়ারগুলো একীভূত হবে। অদৃশ্য কোনো লেয়ার একীভূত হবে না।
Merge Down কমান্ড দিলে সিলেক্ট করা লেয়ার এবং ঠিক তার নিচের লেয়ার একীভূত হবে।
Flatten Image কমান্ড দিলে সবগুলো লেয়ার একীভূত হয়ে যাবে।
কোনো অবজেক্ট বা ইমেজ সম্পূর্ণভাবে সিলেক্ট করে বা নির্দিষ্ট কোনো অংশ সিলেক্ট করে কাট, কপি, পেস্ট কমান্ড কার্যকর করতে হয়। কাট, কপি করা কোনো বিষয় পেস্ট করলে আপনা আপনি নতুন লেয়ার তৈরি হয় এবং পেস্ট করা অবজেক্ট নতুন লেয়ারে কার্যকর হয়।
সলিড রঙের ব্যাকগ্রাউডের ক্ষেত্রে হেলানো ছবি ক্রপ করার কৌশল হলো- যে ছবিটি crop করতে হবে তা খোলা থাকা অবস্থায় -ফাইল মেনু থেকে. Automate কমান্ডের সাব মেনু থেকে Crop এবং Straighten Photos কমান্ড সিলেক্ট করলে কয়েক সেকেন্ডের মধ্যে ছবিটি crop হয়ে সোজাভাবে স্থাপিত হবে।
একাধিক রং বিশিষ্ট ব্যাকগ্রাউন্ডের ক্ষেত্রে হেলানো ছবি রূপ করার কৌশল হলো- প্রথমে ছবিটি ক্রপ টুল দিয়ে সিলেক্ট করতে হবে। এরপর সিলেকশনের হ্যান্ডেলগুলোর যেকোনো কোণে মাউস পয়েন্টার বাঁকানো পয়েন্টারে বা রোটেট টুলে পরিণত হবে। এ টুলের সাহায্যে সিলেকশনকে ঘুরিয়ে ছবির হেলানো অবস্থার সঙ্গে স্থাপন করতে হবে এবং অন্যান্য হ্যান্ডেলের সাহায্যে ক্রপিংয়ের arca চূড়ান্ত করতে হবে। এরপর কীবোর্ডের Enter বোতামে চাপ দিলে ছবিটির ছাঁটাই করার কাজ সম্পন্ন হবে এবং ছবিটি সোজাভাবে স্থাপিত হবে। এভাবেই ফটোশপে যেকোনো রঙের ব্যাকগ্রাউন্ডের ক্ষেত্রে হেলানো ছবি ক্রপ করা যায়।
ইরেজার টুল ব্যবহার করে রং মুছে ফেলা যায়। ইরেজার টুল দিয়ে যখন কোন রং মুছে ফেলা হয় তখন ঐ রংটি আসলে ক্যানভাসের রং দিয়ে ঢেকে দেওয়া হয়। ক্যানভাসের রং সাদা হলে মনে হবে রংটা মুছে যাচ্ছে। ক্যানভাসের রং সাদা ছাড়া অন্য কোনো রং হলে বিষয়টি বোঝা যাবে। তবে স্বচ্ছ লেয়ারের ছবি ইরেজার টুল দিয়ে স্বাভাবিক নিয়মে মুছে ফেলা যাবে।
ইরেজার টুল যেভাবে কাজ করে তা নিচে দেওয়া হলো-
১. ইরেজার টুল দিয়ে সূক্ষ্ম অংশ মোছা যায়। সূক্ষ্ম অংশ মোছার জন্য কী-বোর্ডের CAPSLOCK চেপে দিলে ইরেজার টুল যোগ চিহ্নের (+) আকার ধারণ করে। তখন সূক্ষ্ম অংশ মোছার কাজ করা যায়।
২. ইরেজার টুলের অপশন বার-এর মোড ড্রপ-ডাউন তালিকা থেকে ব্রাশ, পেন্সিল বা ব্লক সিলেক্ট করে মোছার কাজ করা যায়। ব্লক সিলেক্ট করলে রাবার ইরেজার ইলেকট্রনিক সংস্করণের মতো কাজ করে।
ফটোশপে গ্রেডিয়েন্ট টুল সিলেক্ট করলে অপশন বার-এ ৫ প্রকার গ্রেডিয়েন্ট তৈরির আইকন পাওয়া যাবে। যেমন- Linear Gradient, Radial Gradient, Angle Gradient, Reflected Gradient, Diamond Gradient
স্ক্যান করা ছবি অথবা ক্যামেরায় তোলা ছবি অনুজ্জ্বল হতে পারে, সাদা-কালো বা রঙের দৃশ্যমানতা আশানুরূপ নাও হতে পারে। এরূপ ক্ষেত্রে ছবির কন্ট্রাস্ট সমন্বয় করার প্রয়োজন হতে পারে।
এডোবি ইলাস্ট্রেটর হচ্ছে মূলত ছবি আঁকা, নকশা প্রণয়ন করা, লোগো তৈরি করা এবং অন্যান্য ডিজাইন তৈরি করার প্রোগ্রাম। ইলাস্ট্রেটরের প্রধান কাজই হচ্ছে অঙ্কন শিল্পের কাজ।
ইলাস্ট্রেটর প্রোগ্রাম খোলার নিয়ম নিচে দেওয়া হলো-
১. পর্দার নিচের দিকে বাম কোনে Start বোতামে ক্লিক করলে একটি মেনু বা তালিকা আসবে।
২. এ মেনুর অল প্রোগ্রামস কমান্ডের উপর মাউস পয়েন্টার স্থাপন করলে একটি ফ্লাই আউট মেনু আসবে।
৩. ফ্লাই আউট মেনু তালিকা থেকে এডোবি মাস্টার কালেকশন মেনুতে ক্লিক করলে আরেকটি ফ্লাই আউট মেনু আসবে। এ মেনুতে এডাবির প্রোগ্রামগুলোর তালিকা পাওয়া যায়।
৪. এ তালিকা থেকে এডোবি ইলাস্ট্রেটর প্রোগ্রামের নামের উপর 'ক্লিক করলে এডোবি ইলাস্ট্রেটর প্রোগ্রাম খুলে যাবে।
RGB এবং CMYK কালার মোড দুটির মধ্যে মুদ্রণের উদ্দেশ্যে কাজ করার জন্য CMYK মোড উপযোগী। অপর দিকে RGB মোডটি ইলেকট্রনিক মাধ্যমের জন্য বেশি ব্যবহৃত হয়।
একই স্থানে একাধিক টুলের অবস্থানকে বলা হয় গ্রুপ টুল। যেমন টুলবক্সে এলিপস, পলিগোন, স্টার এবং স্পাইরাল টুলগুলো একই অবস্থানে থাকায় এরা একই গ্রুপ টুলের অন্তর্গত।
ফিল সোয়াচে ক্লিক করলে ফিল সোয়াচটি সক্রিয় হবে এবং উপরে অবস্থান করবে। এ অবস্থায় শুধু ফিল-এর কাজ করা যাবে। কোনো অবজেক্টকে রং দিয়ে পূরণ করা যাবে। স্ট্রোকে রং প্রয়োগ করা যাবে না। স্ট্রোক সোয়াচে ক্লিক করলে স্ট্রোক সোয়াচটি সক্রিয় হবে এবং ফিল সোয়াচের উপরে অবস্থান করবে। এ অবস্থায় অবজেক্টের স্ট্রোকে রং প্রয়োগ করা যাবে। অবজেক্টকে রং দিয়ে পূরণ করা বা ফিল এর কাজ করা যাবে না।
স্ট্রোকের রং স্পষ্টভাবে দেখা বা বুঝার জন্য স্ট্রোককে মোটা করে নেওয়া যেতে পারে। এজন্য উইন্ডো মেনু থেকে স্ট্রোক কমান্ড সিলেক্ট করলে পর্দায় স্ট্রোক প্যালেট উপস্থাপিত হবে। স্ট্রোক প্যালেটের ড্রপ-ডাউন মেনু থেকে ১০ সিলেক্ট করলে অবজেক্টের বর্ডার বা স্ট্রোক আগের চেয়ে মোটা হবে। এ পর্যায়ে রং প্রয়োগ ও পরিবর্তন করলে স্পষ্ট দেখা যাবে বা বুঝা যাবে।
ফিল ও স্ট্রোক সোয়াচের নিচের সারির আইকনগুলো যথাক্রমে কালার, গ্রেডিয়েন্ট, নান। কালার আইকনে ক্লিক করলে রঙের প্যালেট এবং গ্রেডিয়ান্ট আইকন ক্লিক করলে গ্রেডিয়েন্ট প্যালেট সক্রিয় হয়। নান আইকনে ক্লিক করলে সিলেক্টেড অবজেক্টের ফিল বা স্ট্রোকের রং নিষ্ক্রিয় বা বাতিল হয়ে যায়।
ইলাস্ট্রেটরে জুম টুল সক্রিয় থাকা অবস্থায় কীবোর্ডের চেন বোতাম চেপে রেখে হাইফেন বোতামে চাপ দিলে জুম আউট হবে। কিন্তু Ctrl বোতাম চেপে রেখে সমান চিহ্নের বোতামে চাপ দিলে তখন জুম ইন-এর কাজ সম্পন্ন হবে।
পৃষ্ঠার দৃশ্যমান রূপ ছোট-বড় করা হলে অবজেক্টের প্রয়োজনীয় কোনো অংশ দৃশ্যযোগ্য এলাকার বাইরে চলে যেতে পারে। এমতাবস্থায় অবজেক্টটি পর্দার যেকোনো সুবিধাজনক স্থানে সরিয়ে স্থাপন করার জন্য-
১. টুল বক্সের হ্যান্ড টুলে ক্লিক করে হ্যান্ড টুল সিলেক্ট করতে হবে।
২. হ্যান্ড টুলের সাহায্যে প্রয়োজনীয় অবজেক্টের উপর ক্লিক বা ড্র্যাগ করে সুবিধাজনক স্থানে নেওয়ার পর মাউসের চাপ ছেড়ে দিতে হবে। এতে আসলে সম্পূর্ণ পৃষ্ঠার অবস্থানই পরিবর্তন হবে। ক্লিক করা অবজেক্টটি ভিন্নভাবে স্থানান্তরিত হবে না।
ইলাস্ট্রেটরে অবজেক্ট অবলো নের কয়েকটি মোড রয়েছে। এর মধ্যে দুটি মোড হলো-
১. Outline মোড,
২. Pixel Preview
ইলাস্ট্রেটরে অবজেক্ট তৈরির জন্য-
১. 'মাউস পয়েন্টার দিয়ে রেক্টেঙ্গেল টুলের উপর ক্লিক করলে টুলটি সিলেক্টেড হবে।
২. মাউস পয়েন্টার পর্দার ভেতর এনে যেকোনো জায়গায় ক্লিক করে নিচের দিকে ডান কোনাকুনি এক ইঞ্চির মতো ড্র্যাগ করার পর মাউসের অপ ছেড়ে দিলে একটি আয়তাকার বা চতুর্ভুজ অবজেক্ট তৈরি হবে।
ডাইরেক্ট সিলেকশন টুল ব্যবহার করা হয় অবজেক্টের পাথের অংশ বিশেষ এবং সম্পূর্ণ অবজেক্ট সিলেক্ট করার জন্য। ডাইরেক্ট সিলেকশন টুল দিয়ে অবজেক্টের যেকোনো অ্যাংকর পয়েন্ট সিলেক্ট করে অবজেক্টের অংশ বিশেষ স্বতন্ত্রভাবে ছোট-বড় করা যায়।
নিচে সিলেকশন টুল এবং ডাইরেক্ট সিলেকশন টুলের মধ্যে পার্থক্য উল্লেখ করা হলো:
| সিলেকশন টুল | ডাইরেক্ট সিলেকশন টুল |
| ১. সিলেকশন টুল ব্যবহার করা হয় সম্পূর্ণ অবজেক্ট সিলেক্ট করার জন্য। | ১. ডাইরেক্ট সিলেকশন টুল ব্যবহার করা হয় অবজেক্টের পাথের অংশবিশেষ এবং সম্পূর্ণ অবজেক্ট সিলেক্ট করার জন্য। |
| ২. সিলেকশন টুলকে কালো তীর বলে উল্লেখ করা হয়। | ২. এ টুলকে সাদা তীর হিসেবে. উল্লেখ করা হয়। |
ইলাস্ট্রেটরে একাধিক অবজেক্টকে গ্রুপ করার জন্য সবগুলো অবজেক্টকে সিলেক্ট করতে হয়। এরপর Object মেনু থেকে Group কমান্ড দিলে সিলেক্টেড অবজেক্টগুলো গ্রুপবন্ধ হয়ে যায়।
কোনো অবজেক্টকে লক করার জন্য অবজেক্টটি সিলেক্ট করতে। হয়। এরপর ইলাস্ট্রেটরের Object মেনু থেকে Lock কমান্ড দিলে অবজেক্টটি লক হয়ে যাবে।
সিলেকশন টুলের সাহায্যে কোনো অবজেক্ট সিলেক্ট করার পর এডিট মেনুর কাট কমান্ড দিলে অবজেক্টটি কাট হয়ে অদৃশ্য হয়ে যায় এবং কপি কমান্ড দিলে অবজেক্টটি কপি হয়। কাট ও কপি করা কোনো অবজেক্ট কম্পিউটারের ক্লিপবোর্ডে জমা থাকে। অতঃপর এডিট মেনু থেকে পেস্ট কমান্ড প্রদান করলে এ অবজেক্ট পর্দায় গেস্ট হয় বা স্থাপিত হয়।
লেয়ার পদ্ধতিতে কাজ করার সুবিধাগুলো হলো-
১. লেয়ারসমূহের মধ্যে স্তর বিন্যাস পরিবর্তন করা।
২. কাজের সুবিধার্থে প্রয়োজন অনুযায়ী এক বা একাধিক অবজেক্ট অদৃশ্য করে রাখা।
৩. কাজের সুবিধার্থে লেয়ার লক করে রাখা।
৪. লেয়ার যোগ করা।
৫. অপ্রয়োজনীয় লেয়ার বাতিল করা।
ইলাস্ট্রেটরে নতুন লেয়ার যোগ করার জন্য-
১. লেয়ার প্যালেটের নিচের সারিতে Create New layer আইকন ক্লিক করলে লেয়ার প্যালেটে একটি নতুন লেয়ার অন্তর্ভুক্ত হবে।
২. ক্রমিক সংখ্যাযুক্ত লেয়ারকে নির্দিষ্ট কোনো নামে চিহ্নিত করার জন্য লেয়ারটির উপর ডবল ক্লিক করলে লেয়ার অপশনস (Layer Options) নামে একটি ডায়ালগ বক্স পাওয়া যাবে। ডায়ালগ বক্সের নেম (Name) ঘরে প্রয়োজনীয় নাম টাইপ করে OK বোতামে ক্লিক করতে হবে।
ইলাস্ট্রেটরে লেয়ার বাতিল করার পদ্ধতিটি হলো-
লেয়ারটি সিলেক্ট করে লেয়ার প্যালেটের পপ-আপ মেনু থেকে ডিলিট (Delete) কমান্ড সিলেক্ট করলে সিলেক্ট করা লেয়ারটি বাতিল হয়ে যাবে। আর্টওয়ার্ক বা অবজেক্ট বিশিষ্ট লেয়ার বাতিল করার প্রক্রিয়ায় একটি সতর্কতাসূচক বার্তা প্রদর্শিত হবে "লেয়ারটি বাতিল করতে চান কি-না"। OK বোতামে ক্লিক করলে লেয়ারটি বাতিল হয়ে যাবে এবং NO বোতামে ক্লিক করলে বাতিল প্রক্রিয়া বন্ধ হয়ে যাবে। তবে, লেয়ারটিতে ক্লিক ও ড্র্যাগ করে ডিলিট (Delete) আইকনের উপর ছেড়ে দিলে এরূপ বার্তা আসবে না।
ইলাস্ট্রেটরে লেয়ার একীভূত করার জন্য-
১. সংশ্লিষ্ট লেয়ারগুলো সিলেক্ট করে নিতে হবে।
২. লেয়ার প্যালেটের পপ-আপ মেনু থেকে Merge Selected কমান্ড সিলেক্ট করলে লেয়ারগুলো একীভূত হয়ে যাবে।
অবজেক্ট তৈরির পর প্রয়োজন অনুযায়ী রং প্রয়োগ করতে হয়।
অবজেক্টে রং প্রয়োগ করার জন্য কালার প্যালেট, কালার বার বা কালার স্পেকট্রাম, গ্রেডিয়েন্ট ইত্যাদি ব্যবহার করা হয়
CMYK কালার মোডে চারটি কালার স্লাইডার থাকে। কালার স্লাইডারগুলো হলো- Cyan, Magenta, Yellow, Black |
ইলাস্ট্রেটর জনপ্রিয় হওয়ার অন্যতম কারণ হচ্ছে পেন টুলের ব্যবহার। পেন টুলের সাহায্যে সূক্ষ্ম ও জটিল ডিজাইন তৈরি করা যায় এবং সম্পাদনার কাজ করা যায়।
পেনসিল টুল আসলে পেন টুলেরই আরেক রূপ। পেনসিল টুলের সাহায্যে একবারে টেনে আঁকাবাঁকা লাইন বা পাথ তৈরি করা যায়।
ভেক্টর অবজেক্ট প্রধানত পেন টুল দিয়ে তৈরি করা হয়। পেন টুল দিয়ে যেকোনো আকৃতির সূক্ষ্মাতিসূক্ষ্ম পাথের সাহায্যে নিখুঁত অবজেক্ট তৈরি করা যায়।
পাথের কোনো অবস্থানে অ্যাংকর পয়েন্ট যোগ করার জন্য-
১. পয়েন্ট টুল সিলেক্ট করতে হবে। অ্যাড অ্যাংকর পয়েন্ট টুল সিলেক্ট করার পর মাউস পয়েন্টার পর্দার ভেতরে নিয়ে এলে পেন টুলের নিচের ডান দিকে একটি যোগচিহ্ন (+) দেখা যাবে।
২. অ্যাড অ্যাংকর পয়েন্ট টুল দিয়ে পাথের কোনো স্থানে ক্লিক করলে ঐ স্থানে নতুন অ্যাংকর দেখা যাবে।
পাথে বিদ্যমান কোনো অ্যাংকর পয়েন্ট বাদ দেওয়ার জন্য-
১. ডিলিট অ্যাংকর (Anchor) পয়েন্ট টুল সিলেক্ট করতে হবে। ডিলিট অ্যাংকর পয়েন্ট টুল সিলেক্ট করার পর মাউস পয়েন্টার পর্দার ভেতরে নিয়ে এলে পেন টুলের নিচের ডান দিকে একটি বিয়োগচিহ্ন (-) দেখা যাবে।
২. ডিলিট অ্যাংকর পয়েন্ট টুল দিয়ে কোনো অ্যাংকর পয়েন্টের উপর ক্লিক করলে ঐ অ্যাংকর পয়েন্টটি বাতিল হয়ে যাবে।
টাইপ টুলের সাহায্যে লেখা বিন্যাস করার পদ্ধতি তিনটি।
যথা-
১. পয়েন্ট টেক্সট,
২. এরিয়া টেক্সট ও
৩. পাথ টেক্সট।
পয়েন্ট টেক্সট পদ্ধতিতে টাইপ করার জন্য-
১. টুলবক্স থেকে টাইপ টুল সিলেক্ট করতে হবে।
২. পর্দার যেকোনো ফাঁকা জায়গায় ক্লিক করতে হবে।
৩. বাংলায় টাইপ করার জন্য কীবোর্ডকে বাংলা কীবোর্ডে রূপান্তরিত করে নিতে হবে।
৪. পর্দার উপরে রিবনে ক্যারেক্টার লেখার উপর ক্লিক করলে ক্যারেক্টার প্যলেট পাওয়া যাবে। ক্যারেক্টার প্যালেটের ফন্ট পপ-আপ মেনু থেকে সিলেক্ট করতে হবে।
৫. ওয়ার্ড প্রসেসিংয়ের নিয়মে টাইপ করার কাজ শুরু করতে হবে।
ইলাস্ট্রেটরে অক্ষরের রং পরিবর্তন করার জন্য-
১. প্রয়োজনীয় অক্ষর বা যেকোনো পরিমাণ লেখা সিলেক্ট করতে হবে।
২. কালার প্যালেটের বার-এ বা সোয়াচ প্যালেটের যে রঙের উপর ক্লিক করা হবে, সিলেক্টেড অক্ষর/শব্দ/লেখায় সেই রং আরোপিত হবে।
ইলাস্ট্রেটরে লেখার অক্ষরগুলোকে খাড়াখাড়ি ছোট-বড় করার জন্য- ভার্টিক্যাল স্কেল ঘরের ডান দিকের ড্রপ-ডাউন তীরে ক্লিক করে মাউসে চাপ রাখলে সংখ্যাসূচক তালিকা পওয়া যাবে। মাউসে চাপ রাখা অবস্থায় ড্যাগ করে ১০০%-এর চেয়ে বৃহত্তর সংখ্যা সিলেক্ট করলে লেখা খাড়াখাড়িভাবে বড় হবে এবং ১০০%-এর চেয়ে ক্ষুদ্রতর সংখ্যা টাইপ করলে লেখা খাড়াখাড়িভাবে ছোট হবে। ১০০% হচ্ছে অক্ষরের স্বাভাবিক মাপ।
ইলাস্ট্রেটরে লেখার অন্দরগুলোকে পাশাপাশি ছোট-বড় করার জন্য- হরাইজন্টাল স্কেল (Horizontal Scale) ঘরের ডান দিকের ড্রপ-ডাউন তীরে ক্লিক করে মাউসে চাপ রাখলে সংখ্যাসূচক তালিকা পাওয়া যাবে। মাউসে চাপ রাখা অবস্থায় ড্র্যাগ করে ১০০%-এর চেয়ে বৃহত্তর সংখ্যা সিলেক্ট করলে লেখা পাশাপাশি বড় হবে এবং ১০০%-এর চেয়ে ক্ষুদ্রতর সংখ্যা টাইপ করলে লেখা পাশাপাশি ছোট হবে। ১০০% হচ্ছে অক্ষরের স্বাভাবিক মাপ।
ইলাস্ট্রেটরে ক্যারেক্টার প্যালেটের সেট দি লিডিং (set the Leading) ঘরের ড্রপ ডাউন মেনু তালিকা থেকে মাপসূচক সংখ্য। সিলেক্ট করে অথবা সেট দি লিভিং ঘরে সরাসরি মাপসূচক সংখ্যা টাইপ করার পর কী-বোর্ডের এন্টার বোতামে চাপ দিলে লিডিং কার্যকর হবে।
বর্গাকার বা আয়তাকার, বৃত্তাকার বা ডিম্বাকার বা অন্য যেকোনো প্রকার বন্ধ পাথের ভেতরে টাইপ করা বা স্থাপিত লেখাই হলো এরিয়া টেক্সট।
বজ্রপাথের মধ্যে লেখা বিন্যস্ত করার জন্য বা টাইপ করার জন্য-
১. বর্গাকার বা আয়তাকার, বৃত্তাকার 'বা ডিম্বাকার বন্ধপাথ তৈরি করে নিতে হবে।
২. টাইপ টুল সিলেক্ট করে মাউস পয়েন্টার বন্ধপাথের উপর স্থাপন করলে টাইপ টুলটি এরিয়া টাইপ টুলের রূপ ধারণ করবে।
৩. পাথের অ্যাংকর (Anchor) পয়েন্টের উপর ক্লিক করলে বন্ধপাথের ভেতরে ইনসার্সন পয়েন্টার বসে যাবে এবং বন্ধপাথটি টেক্সট বক্স (Text Bok) বা লেখার আধার (Text Container) হিসেবে ব্যবহৃত হবে।
৪. টাইপের কাজ শুরু করতে হবে।
৫. টইপ করে ডান পাশের প্রান্তে পৌছে গেলে ইনসার্সন পয়েন্টার আপনাআপনিই নিচের লাইনে চলে আসবে।
মুক্তপাথে লেখা বিন্যস্ত করার পদ্ধতিটি হলো-
১. পেনসিল টুল অথবা পেন টুলের সাহায্যে মুক্ত পাথ বা রেখা তৈরি করতে হবে।
২. সিলেক্টেড পাথের উপর পাথ টুল দিয়ে ক্লিক করলে পাখের উপর ইনসার্সন পয়েন্টার বসে যাবে।
৩. স্বাভাবিক নিয়মে টাইপ করতে হবে।
অক্ষরের আউটলাইন তৈরি করার জন্য এক বা একাধিক অক্ষর বা শব্দ সিলেক্ট করতে হবে। এরপর Type মেনু থেকে Create Outline কমান্ড দিলে অথবা Shift ও Cul বোতাম একসাথে চেপে রেখে বোতামে চাপ দিলে সিলেক্ট করা লেখা আউটলাইনে পরিণত হবে।
ইলাস্ট্রেটরে ছবি বা ইমেজ স্থাপন করার জন্য-
১. ফাইল মেনু থেকে প্লেস কমান্ড দিলে প্লেস ডায়ালগ বক্স পাওয়া যাবে।
২. প্লেস ডায়ালগ বক্সে প্রয়োজনীয় ফাইলটি খুঁজে বের করে সিলেক্ট করতে হবে।
৩. ডায়ালগ বক্সের প্লেস বোতামে ক্লিক করলে সিলেক্ট করা ফাইলটির ছবি বা ইমেজ ইলাস্ট্রেটরের পর্দায় স্থাপিত হবে।
আদিকাল থেকে মানুষ নিজেকে প্রকাশ করার জন্য বিভিন্ন মাধ্যম বা মিডিয়া ব্যবহার করছে l
লেখা, শব্দ, চিত্র এগুলোকে প্রকাশ মাধ্যম বলে l
অনেকগুলো প্রকাশ মাধ্যমকে একত্রে মাল্টিমিডিয়া বলে l
আমরা ৩টি মাধ্যম ব্যবহার করে নিজেদেরকে প্রকাশ করি l
১৮৯৫ সালে সর্বপ্রথম মাল্টিমিডিয়া উদ্ভব ঘটে l
বর্তমানে চলচ্চিত্র তৈরিতে যে আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার করা হচ্ছে তার নাম গ্রাফিক্স l
ভিডিও গেমস ইন্টারঅ্যাকটিভ মাল্টিমিডিয়া ধরনের মাল্টিমিডিয়া l
চলচ্চিত্রের উদ্ভব হয়েছে উনিশ শতকে l
আজকের দিনের মাল্টিমিডিয়ার পূর্বপুরুষ বলতে সিনেমা স্মরণ করা হয় l
শুরুর দিকে কম্পিউটার বর্ণ মিডিয়া ব্যবহারে কাজ করতোl
বর্তমানে সবচেয়ে জনপ্রিয় ডিজিটাল যন্ত্র কম্পিউটার l
বিভিন্ন কাজ করার জন্য শুরুতে কম্পিউটারের একটি মিডিয়া ব্যবহার করতে হতোl
কালক্রমে কম্পিউটারে চিত্র ও শব্দ দুটি মিডিয়া যুক্ত হয় l
মুদ্রণ প্রকাশনায় গ্রাফিক্স ডিজাইনের ক্ষেত্রে কম্পিউটারের ব্যবহার শুরু হয় নব্বই দশকে l
বিশ্বজুড়ে ভিডিও একটি সুপ্রতিষ্ঠিত মিডিয়া l
সাউন্ড ইঞ্জিনিয়ারিং-এ এনালগ পদ্ধতি পদ্ধতি কার্যত সম্পূর্ণ অচল হয়ে পড়েছে l
মাল্টিমিডিয়া সফটওয়্যার তৈরির প্রোগ্রাম ডিরেক্টর l
ডিরেক্টর অথরিং ধরনের সফটওয়্যার l
বর্ণের অপর নাম টেক্সট l
বাংলাদেশ ৭১ মাল্টিমিডিয়া সফটওয়্যার।
আমাদের প্রকাশনা এখনো কাগজ নির্ভর।
গ্রাফিক্স সফটওয়্যারসমূহ কিসের ভিত্তিতে ভিন্ন কাজের ভিত্তিতে হয় l
মাল্টিমিডিয়া কনটেন্টস ডেভেলপার টেক্সট, গ্রাফিক্স, অডিও, ভিডিও, এনিমেশন ইত্যাদি নিয়ে কাজ করে l
মাইক্রোসফ্ট অফিসের পাওয়াপয়েন্ট সফটওয়্যারটিকে প্রেজেন্টেশন সফটওয়্যার বলা হয় l
সভা-সেমিনারে তথ্যকে কার্যকরভাবে উপস্থাপনে পাওয়ারপয়েন্ট সফটওয়্যারটির বিকল্প নেই l
প্রেজেন্টেশনের এক একটি অংশকে স্লাইভ বলা হয় l
Hands outs এর একটি পৃষ্ঠায় কতটি স্লাইডের খসড়া থাকেএকাধিক l
একাধিক স্লাইড বিশিষ্ট একটি পৃষ্ঠাকে হ্যান্ড আউটস বলা হয় l
পাওয়ার পয়েন্ট প্রেজেন্টেশন তৈরির খসড়াকে Slide Layout বলা হয় l
কম্পিউটার ডেস্কটপ এর পর্দার নিচের বাম কোণের বোতামকে স্টার্ট বোতাম বলেl
Start মেনুর All Programs কমান্ডের উপর মাউস পয়েন্টার স্থাপন করলে যে মেনু পাওয়া যায় তাকে ফ্লাইআউট মেনু। বলে
পাওয়ার পয়েন্টে টাইপ করার পর টেক্সট বক্সটি সিলেক্টেড থাকা অবস্থায় মোট ৮টি সিলেকশন পয়েন্ট থাকে l
পাওয়ারপয়েন্টের Slide এর ছোট সংস্করণ থাম্বনেইল ভিউয়ে দেখা যায় l
ফাইল মেনু থেকে save কমান্ড দিলে আসা ডায়ালগ বক্সের নাম save as।
পাওয়ারপয়েন্টে নতুন স্লাইড যুক্ত করার জন্য Home মেনুতে যেতে হয় l
Home মেনুর রিবন থেকে New Slide কমান্ড সিলেক্ট করলে নতুন স্লাইড যুক্ত হয়l
পাওয়ার পয়েন্ট সফটওয়্যারে Ctrl + M কীবোর্ড কমান্ড দিলেনতুন একটি স্লাইড যুক্ত হবে ঘটবে l
প্রেজেন্টেশন উপস্থাপনের জন্য কীবোর্ডের F5 বোতামে চাপ দিতে হয় l
Slide show আইকনটি View মেনু মেনুর অন্তর্গত l
প্রেজেন্টেশনের একটি স্লাইড থেকে পরবর্তী স্লাইডে যাওয়ার জন্য কীবোর্ডের ডানমুখী তীর বোতামে চাপ দিতে হবে l
স্লাইড শো উইন্ডো থেকে সম্পাদনার উইন্ডোতে ফিরে যাওয়ার -জন্য কীবোর্ডের Esc বোতাম বোতামে চাপ দিতে হবেl
যে slide টি selected অবস্থায় থাকে স্লাইডকে সক্রিয় বলা হয়l
স্লাইডে আরোপিত ব্যাকগ্রাউন্ড তুলে ফেলতে Solid Fill রেডিও বোতাম বোতামটি সক্রিয় করতে হবে l
Slide এর background তুলে ফেলতে রঙের প্যালেট থেকে সাদা রং নির্বাচন করতে হবে l
পাওয়ারপয়েন্টে picture আইকনটি Insert মেনুর অন্তর্ভুক্ত l
কিভাবে স্লাইডে ছবিকে এক অবস্থান থেকে অন্য অবস্থানে সরানো যাবে ছবিটি drag করে।
পাওয়ারপয়েন্ট প্রোগ্রামে ছবি Slide এ যুক্ত করার পর তার আকার নির্ধারণে ছবিটির resize বক্সে যেতে হবে l
পাওয়ার পয়েন্ট প্রোগ্রামে ইফেক্টকেট্রানজিশন বলা হয় l
ভিন্ন ভিন্ন text box এ ভিন্ন ভিন্ন ট্রানজিশন প্রয়োগে custom Animations কমান্ড ব্যবহার করা হয় l
Custom Animation প্যালেটের Add Effect ড্রপ-ডাউন তালিকা থেকে Entrance সিলেক্ট করলে কাস্টম ট্রানজিশনের একটি তালিকা আসবে l
আরোপিত ট্রানজিশন বাদ দেওয়ার জন্য text box টি select করে Remove বোতামে click করতে হবে l
সাধারণত শুরুর Slide এ Slide এ ভিডিও যুক্ত করা হয়
Movie অপশনটি Insert মেনুতে পাওয়া যায় মেনুতে।
স্লাইডে মুভি ফাইল select করার পর প্রাপ্ত জিজ্ঞাসাসূচক বার্তা বক্সে ২টি বোতাম থাকে l
Automatically বোতাম select করা থাকলে স্লাইড প্রদর্শন শুরু হওয়ার সাথে সাথে মুভিটি চালু হয়ে যাবে l
কম্পিউটারে ছবি সম্পাদনার জন্য সবচেয়ে জনপ্রিয় প্রোগ্রাম এডোবি ফটোশপ।
ফটোশপে নিউ ডায়ালগ বক্সে প্রশস্ততা নির্ধারণের ঘর Width।
ফটোশপে ইমেজ বা ছবি তৈরি হয় কিসের সাহায্যে পিক্সেল l
ছবির বর্গাকার ক্ষুদ্রতম একককে পিক্সেল বলা হয়
নির্দিস্ট এককে পিক্সেলের পরিমাণকে রেজুলিউশন বলা হয় l
কম্পিউটার মনিটরে RGB কালার মোড ব্যবহৃত হয় l
Background contents অংশে ব্যাকগ্রাউন্ডের ৩টি অপশন রয়েছে l
ফটোশপে টাইটেল বার কোথায় থাকে পর্দার উপরের বাম দিকে l
টাইটেল বারের নিচে মেনু বার থাকে l
মেনুবারের নিচে অপশন বার অপশনটি থাকে l
অপশন বারের নিচে বুলার থাকে l
অপশন বারের নিচে বুলার থাকে l
ফটোশপে কাজ করার জন্য কমবেশি ৬৯ প্রকার টুল রয়েছেl
ফটোশপে বিভিন্ন প্রকার প্যালেটের অবস্থান পর্দার ডান পাশে।
ফটোশপে minimize আইকনটি প্যালেটের উপরে ডান দিকে থাকে l
ফটোশপে প্যালেটকে গুটিয়ে ফেলতে minimize আইকনে ক্লিক পদক্ষেপটি গ্রহণ করতে হয়l
টুলবক্সের একেবারে উপরের দিকে ৩টি সিলেকশন টুল রয়েছে l
ফটোশপে টুলবক্সের একেবারে উপরের দিকে ১টি মুভটুল রয়েছে l
বৃত্তাকার সিলেকশন তৈরিতে ব্যবহৃত too Elliptical Marquee toolth l
Alt বোতাম বোতাম চেপে drag করলে কেন্দ্রবিন্দু থেকে শুরু হয়ে চতুর্দিকে বিস্তৃত হয়ে বর্গ বা বৃত্ত সিলেকশন তৈরি হবেl
Shift বোতাম চেপে মার্কি টুল ড্র্যাগ করলে নিখুঁত সিলেকশন পাওয়া যাবে l
সিলেকশন টুলের মধ্যে মার্কি টুল টুল দিয়ে চতুষ্কোণ ও বৃত্তাকার সিলেশন এবং অবজেক্ট তৈরি করা যায় l
ব্যাকগ্রাউন্ড কালার পূর্ণ করার জন্য Ctrl+Backspace চাপতে হবে l
টুল বক্সের নিচের অংশে ২টি কালার আইকন রয়েছে l
Ctrl বোতাম বোতাম চেপে রেখে স্থানান্তরিত করলে অবজেক্টটি কাট হয়ে স্থানান্তরিত হবেl
Cul + Alt বোতাম চেপে রেখে স্থানান্তরিত করলে অবজেক্টটি কপি হয়ে স্থানান্তরিত হবেl
ভাসমান সিলেকশনের বাইরে মাউস পয়েন্টার ক্লিক করলে সিলেকশনটি চলে যাবে হয় l
ফটোশপে কোনো অবজেক্টের প্রান্ত নমনীয় করা যায় ফিদার ব্যবহার করে l
ফিদারের ঘরে ১০ টাইপ করলে প্রান্তের নমনীয়তা ২০ হবেl
Feather এর ঘরে সর্বোচ্চ ২৫০পর্যন্ত পরিমাণসূচক সংখ্যা লিখা যায়l
মুক্ত সিলেকশন তৈরি করার জন্য Lasso tool টুল ব্যবহার করা হয় l
ওপাসিটি ঘরে রঙের পূর্ণ গাঢ়ত্ব হচ্ছে ১০০%।
স্ট্রোক কমান্ডের সাহায্যে সিলেকশন বর্ডার তৈরি করা যায়l
Stroke কমান্ড Edit মেনুতে পাওয়া যায় l
Stroke ডায়ালগ বক্সের Width ঘরে ১ – ১৬ পর্যন্ত সংখ্যা টাইপ করা যায় l
ছবি সম্পাদনার প্রতিটি পর্যায়ে কিসের মাধ্যমে কাজ করতে Layer। হয়l
ছবি সম্পাদনার পর্দা বা ক্যানভাসের এক একটি স্তরকে Layer বলা হয় l
রঙিন ব্যাকগ্রাউন্ড বিশিষ্ট কোনো ছবি খোলা হলে ঐ ছবির লেয়ার প্যালেটে Background লেখা থাকবে l
লেয়ার count করা শুরু হয় 0 নাম্বার থেকে l
চোখের আইকনটি লেয়ারের বাম দিকে দিকে থাকেl
লেয়ারের বামদিকে অবস্থিত চোখের আইকনটিকে লেয়ার ভিজিবিলিটি আইকন বলা
হয়l
চোখের আইকনের ডান পাশের সারিতে থাম্বনেইল আইকন
থাকে l
Layer, Path ও Channel এগুলো কিসের নাম প্যালেট l
এক সাথে একাধিক প্যালেটের যুক্ত অবস্থাকে গুচ্ছ প্যালেট বলা হয় l
Layer প্যালেট Window মেনুতে মেনুতে থাকে l
মুভ টুল অবজেক্টকে এক স্থান থেকে অন্য স্থানে সরিয়ে নিতে কোন টুল ব্যবহার করা হয় l
লেখালেখির কাজে ফটোশপে টাইপ টুল টুল ব্যবহার করা হয় l
লেয়ার প্যালেটে Text লেয়ারটির থাম্বনেইল হিসেবে T বর্ণ থাকে l
যে লেয়ারে ছবি সম্পাদনার কাজ করা হয় সেই লেয়ারটিকে Target Layer বলা হয় l
Opacity রঙের গাঢ়ত্ব l
Opacity টেক্সট বক্সে default opacity মান ১০০%।
Opacity লেখার উপরে মাউস পয়েন্টার স্থাপন করা হলে তা কিসে পরিণত হবে দ্বিমুখী তীরে।
Opacity তীরটি বাম দিকে drag করলে রঙের গাঢ়ত্ব কমবে হবে l
Opacity তীরটি ডান দিকে drag করলে রঙের গাঢ়ত্ব বৃদ্ধি পাবে হবে l
সবগুলো লেয়ার একীভূত হয়ে যাবে Flatten Image কমান্ড ব্যবহার করলে l
Merge Down কমান্ড দিলে সিলেক্ট করা লেয়ার এবং ঠিক তার নিচের লেয়ার একীভূত হবে l
শুধু দৃশ্যমান লেয়ারসমূহ একীভূত করতে Merge visibleকমান্ড ব্যবহার করা হয় l
কোন ছবির অপ্রয়োজনীয় Crop tool অংশ বাদ দেবার জন্য কোন টুল ব্যবহার করা হয় l
ক্রপ শব্দের অর্থ ছেঁটে ফেলা l
সূক্ষ্ম অংশ মোছার জন্য কীবোর্ডের CAPSLOCK বোতাম চাপতে l
ইরেজার টুলের মোড ৩টি।
ইরেজার টুলের অপশন বার এর মোড ড্রপডাউন তালিকা থেকে ইরেজার টুলের অপশন বার এর মোড ড্রপডাউন তালিকা থেকে কী সিলেক্ট করে মোছার কাজ করা যায় সিলেক্ট করে মোছার কাজ করা যায় l
ব্লক সিলেক্ট করলে রাবার ইরেজার ইলেকট্রনিক সংস্করণের মতো কাজ করে l
Gradient Tool এর একই অবস্থানে বাকেট টুল টুল রয়েছেl
গ্রেডিয়েন্ট টুল সিলেক্ট করলে অপশন বার-এ ৫ প্রকার প্রকার গ্রেডিয়েন্ট তৈরির আইকন পাওয়া যাবে l
রং একপ্রান্ত থেকে অন্য প্রান্তে পৌছাতে পৌছাতে ক্রমান্বয়ে মিলিয়ে যায় কোন gradient এর, ব্যবহারে?
রং একপ্রান্ত থেকে অন্য প্রান্তে পৌছাতে পৌছাতে ক্রমান্বয়ে মিলিয়ে যায় Linear gradient gradient এর ব্যবহারে l
রং শুরুর স্থান থেকে চতুর্দিকের বিস্তৃত হয়ে ক্রমান্বয়ে মিলিয়ে যায় Radial gradient gradient এর ব্যবহারে l
Gradient tool সিলেক্ট করে মাউস ক্যানভাসে নিয়ে এলে যোগ চিহ্নে পরিণত হবে l
ইলাস্ট্রেটরের প্রধান কাজ অঙ্কন শিল্পের কাজ l
ইলাস্ট্রেটর প্রোগ্রামটিতে ছবি সম্পাদনার সুযোগ নেই বললেই চলে l
ইলাস্ট্রেটর তৈরি করে এডোবি সিস্টেমস কোম্পানিl
Units ঘরে বিভিন্ন মাপের একক রয়েছে l
আমাদের দেশের ব্যবহারকারীরা ইলাস্ট্রেটরে inch মাপে কাজ করে অভ্যস্ত l
পাইকা কি মাপের একক
Orientation এর ডানদিকে ২টি মানুষের চিত্র থাকে l
ইলাস্ট্রেটরে Orientation -এর ডানদিকে দুটি মানুষের চিত্রের প্রথমটিতে ক্লিক করে সক্রিয় করে দিলে কাগজ Portrait অবস্থায় থাকবে l
ইলাস্ট্রেটরে Orientation-এর ডানদিকে দুটি মানুষের চিত্র রয়েছে দ্বিতীয়টিতে ক্লিক করে সক্রিয় করে দিলে কাগজ Landscape অবস্থায় থাকবে l
ইলাস্ট্রেটরে color Mode অংশে ২ অপশন পাওয়া যায় l
মুদ্রণের উদ্দেশ্যে কাজ করার ক্ষেত্রে CMYK। কালার মোড ব্যবহার করা ভালোl
ইলেকট্রনিক মাধ্যমে ব্যবহারের জন্য RGB মোড কালার মোড ব্যবহার উপযোগী l
ইলাস্ট্রেটরে টুলের সঙ্গে ত্রিকোণ চিহ্ন দ্বারা একই অবস্থানে আরও টুল রয়েছে বুঝায় l
একটি অবজেক্টের প্রান্ত বা বর্ডারকে স্ট্রোক বলা হয়l
একটি অবজেক্টের বর্ডারের এর ভিতরের অংশকে ফিল বলে l
F6-বোর্ডের কোন বোতাম চাপ দিলে কালার প্যালেটটি পর্দায় উপস্থাপিত হবে l
কোনো অবজেক্টকে রং দিয়ে পূরণ করতে Fill সোয়াচটি সক্রিয় করতে হবে l
কোনো অবজেক্টের বর্ডারে রং প্রয়োগ করতে Stroke সোয়াচটি সক্রিয় করতে হবে l
কালার কমান্ডটি Window মেনুতে থাকে l
ফিল ও স্ট্রোক সোয়াচের নিচের সারিতে ৩টি আইকন রয়েছেl
ইলাস্ট্রেটরে কাজ করার সময় পৃষ্ঠা বড় করে দেখাকে Zoom in বলে l
ইলাস্ট্রেটরে পৃষ্ঠা ছোট করে দেখাকে Zoom out বলে l
হ্যান্ড টুল টুলসটি ড্র্যাগিং এর জন্য উপযুক্ত l
Illustrator এ অবজেক্ট অবলোকনের তিনটি মোড রয়েছে l
অবজেক্টের প্রান্তরেখা বা বর্ডার রেখাকে পাথ বলা হয় l
পাথ অবজেক্টের প্রান্তরেখা l
Direct selection tool সাদা তীর l
Layer শব্দের অর্থ স্তর l
Layer কমান্ড Window মেনুতে থাকে l
Grayscale রঙের মডেল কাজ করলে ১টি কালার স্লাইডার থাকেl
ইলাস্ট্রেটরে স্ট্রোক ০-১০০০ পয়েন্ট পর্যন্ত হতে পারে l
পেন টুল টুলের সাহায্যে সূক্ষ্ম এবং জটিল ডিজাইন তৈরি করা যায় l
Vector অবজেক্ট তৈরির প্রধানতম টুল পেন টুল l
Pencil tool টুলের সাহায্যে সবচেয়ে সহজ উপায়ে পাথ তৈরি করা যায় l
ক্যারেক্টার প্যালেট ওপেন করার কীবোর্ড কমান্ড Ctrl+t l
ইলাস্ট্রেটার লেখালেখি করার জন্য Type tool টুল ব্যবহার করা হয় l
Related Question
View Allমাল্টিমিডিয়া হলো মানুষের বিভিন্ন প্রকাশ মাধ্যমের সমন্বয়। এক সময় আমরা বিভিন্ন মিডিয়াকে ভিন্ন ভিন্ন কাজে ব্যবহার করতাম। 'কিন্তু এই আধুনিক যুগে এসে আমরা সেসব ভিন্ন ভিন্ন মিডিয়াকে একসাথে ব্যবহার করছি। একাধিক মিডিয়াকে একসাথে ব্যবহার করাকেই মাল্টিমিডিয়া বলে।
আমরা যখন ডিজিটাল যুগে বাস করছি তখন আমাদের প্রকাশ মাধ্যমের ধরন বদলে গেছে। সভ্যতার বিবর্তন ও প্রযুক্তির কারণে এই শব্দ, বর্ণ, চিত্র ইত্যাদি মাধ্যমগুলোর বহুবিধ ব্যবহার হয়ে আসছে। তাই বর্তমান সময়ে বিভিন্ন ধরনের উপস্থাপনার কাজে মাল্টিমিডিয়া বেশি ব্যবহৃত হচ্ছে।
মাল্টিমিডিয়ার মাধ্যম তিনটি হলো বর্ণ, চিত্র বা গ্রাফিক্স এবং শব্দ। নিম্নে তাদের বর্ণনা প্রদান করা হলো:
বর্ণ বা টেক্সট বর্ণের ব্যবহার করে তৈরি সকল কাজই এ ধরনের মাল্টিমিডিয়া। সারা দুনিয়াতেই টেক্সটের যাবতীয় কাজ কম্পিউটারে হয়ে থাকে। অফিস-আদালত থেকে ব্যক্তিগত কাজে কিংবা মুদ্রণ প্রকাশনায় এর ব্যবহার রয়েছে। চিত্র বা গ্রাফিক্স: পৃথিবীর সব জায়গায় গ্রাফিক্স তৈরি কিংবা সম্পাদনার সকল কাজ কম্পিউটারে হয়ে থাকে। গ্রাফিক্স ডিজাইন, মুদ্রণ প্রকাশনা, বিজ্ঞাপন, সাইনবোর্ড, স্থাপত্য, এনিমেশন ইত্যাদি ক্ষেত্রে - কম্পিউটারের ব্যবহার হচ্ছে। আর এসব কাজের মূল উপাদান হলো চিত্র বা গ্রাফিক্স। এসব ক্ষেত্র ছাড়াও অডিয়ো, ভিডিয়ো, সম্প্রচারের সাথেও গ্রাফিক্সের ব্যবহার করা হয়।শব্দ বা অডিয়ো : শব্দ বা অডিয়ো রেকর্ড, সম্পাদনা, সাউন্ড রেকর্ডিং সবই এর অন্তর্ভুক্ত। মূলত আমাদের চারপাশে যত ধরনের শব্দ রয়েছে তার সবই মাল্টিমিডিয়ায় ব্যবহার করা হয়।
মাল্টিমিডিয়াতে প্রধানত তিনটি মাধ্যম ব্যবহৃত হয়। মাধ্যমগুলো হলো- বর্ণ, চিত্র এবং শব্দ (সাউন্ড)। এই মাধ্যমগুলোর বিভিন্ন রূপ রয়েছে। এই তিনটি মাধ্যম তাদের বিভিন্ন রূপ নিয়ে কখনো আলাদাভাবে, কখনো একসাথে আমাদের সামনে আবির্ভূত হয়।
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!