সংক্ষিপ্ত- প্রশ্নোত্তর সমাধান

Updated: 7 months ago
উত্তরঃ

যে গ্যাসীয় আবরণ পৃথিবীকে বেষ্টন করে আছে তাকে বলে বায়ুমণ্ডল। পৃথিবীর মাধ্যাকর্ষণ শক্তির ফলে বায়ুমণ্ডলও ভূপৃষ্ঠের চারদিকে জড়িয়ে থেকে অনবরত আবর্তন করছে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

ভূপৃষ্ঠ থেকে উপরের দিকে প্রায় ১০,০০০ কিলোমিটার পর্যন্ত বায়ুমণ্ডল বিস্তৃত। বায়ুমণ্ডলের ব্যাপ্তি যত বিশাল হোক না কেন, এর প্রায় ৯৭ ভাগ উপাদানই ভূপৃষ্ঠ থেকে প্রায় ৩০ কিলোমিটারের মধ্যে সীমাবদ্ধ। তাই মানুষ, উদ্ভিদ ও জীবজন্তুর ওপর এর প্রভাব অত্যন্ত বেশি।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

বায়ুমণ্ডল প্রধানত তিন প্রকার উপাদান দ্বারা গঠিত। যেমন-
বিভিন্ন প্রকার গ্যাস
জলীয়বাষ্প এবং
ধূলিকণা ও কণিকা।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

নিচে বায়ুমন্ডলের বিভিন্ন উপাদানের একটি তালিকা তৈরি করে দেখানো হলো-

উপাদানের নামশতকরা হার
নাইট্রোজেন (N2).
অক্সিজেন (O2).
আরগন (Ar)০.৮০
কার্বন ডাইঅক্স'ইড (CO2)০.০৩

অন্য গ্যাসসমূহ, (নিয়ন, হিলিয়াম, ক্রিপটন, জেনন, ওজোন, মিথেন ও নাইট্রাস অক্সাইড)

০.০২

জলীয়বাষ্প

০.৪১

ধূলিকণা ও কণিকা

০.০১

মোট

১০০,০০

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

বায়ুমন্ডল যে সমস্ত উপাদানে গঠিত তাদের প্রকৃতি, বৈশিষ্ট্য ও উষ্ণতার পার্থক্য অনুসারে ভূপৃষ্ঠ থেকে উপরের দিকে পর্যায়ক্রমে পাঁচটি স্তরে ভাগ করা হয়। যথা- ট্রপোমণ্ডল, স্ট্রাটোমন্ডল, মেসোমণ্ডল, তাপমণ্ডল ও এক্সোমন্ডল। উল্লিখিত স্তরগুলোর প্রথম তিনটি সমমন্ডল এবং পরবর্তী দুটি বিষমমণ্ডলের অন্তর্ভুক্ত।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

যে স্তরটি বায়ুমণ্ডলের সবচেয়ে নিচের স্তর এবং ভূপৃষ্ঠের সঙ্গে লেগে আছে তাকে ট্রপোমণ্ডল বলে। এ মণ্ডলে মেঘ, বৃষ্টিপাত, বজ্রপাত, বায়ুপ্রবাহ, ঝড়, তুষারপাত, শিশির ও কুয়াশা সবকিছুই সৃষ্টি হয়।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

নিচে ট্রপোমণ্ডলের দুটি বৈশিষ্ট্য উল্লেখ করা হলো-

ভূপৃষ্ঠ থেকে উচ্চতা বৃদ্ধির সঙ্গে সঙ্গে বায়ুর ঘনত্ব ও উষ্ণতা কমতে থাকে। সাধারণভাবে প্রতি ১,০০০ মিটার উচ্চতায় ৬.৫০ সেলসিয়াস তাপমাত্রা হ্রাস পায়।
উচ্চতা বৃদ্ধির ফলে বাতাসের গতিবেগ বেড়ে যায়।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

নিচে স্ট্রাটোমণ্ডল এবং মেসোমণ্ডলের মধ্যে দুটি বৈশিষ্ট্যগত পার্থক্য দেখানো হলো-

স্ট্রাটোমন্ডল

মেসোমণ্ডল

১. 'এ স্তরে ওজোন (O3) গ্যাসের স্তর বেশি পরিমাণে থাকে।

১. এ স্তরে উচ্চতা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে বায়ুমণ্ডলের তাপমাত্রা কমতে থাকে।

২. এ স্তরের বায়ুতে অতি সূক্ষ্ম ধূলিকণা ছাড়া কোনোরকম জলীয়বাষ্প থাকে না।

২. মহাকাশ থেকে যেসব উল্কা পৃথিবীর দিকে ছুটে আসে সেগুলোর অধিকাংশই এ স্তরের মধ্যে এসে পুড়ে যায়।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

স্ট্রাটোমণ্ডলের স্তরের বায়ুতে অতি সূক্ষ্ম ধূলিকণা ছাড়া কোনোরকম জলীয়বাষ্প থাকে না। ফলে আবহাওয়া থাকে শান্ত ও `শুষ্ক। ঝড়বৃষ্টি থাকে না বলেই এই স্তরের মধ্যদিয়ে সাধারণ জেট। বিমানগুলো চলাচল করে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

এক্সোমন্ডল স্তরে খুব সামান্য পরিমাণ গ্যাস যেমন- অক্সিজেন, নাইট্রোজেন, আর্গন এবং হিলিয়াম ধারণ করে; কেননা মাধ্যাকর্ষণের ঘাটতির কারণে গ্যাস অণু বা কণাগুলো সহজে মহাকাশে ছড়িয়ে পড়ে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

বায়ুমণ্ডলের বিভিন্ন স্তরের গুরুত্ব রয়েছে। তন্মধ্য থেকে প্রধান দুটি গুরুত্ব নিচে লেখা হলো-
১. পৃথিবীতে বায়ুমণ্ডলীয় স্তর থাকায় এর দিকে আগত উল্কাপিণ্ড অধিক পরিমাণে বিধ্বস্ত হয়। ওজোন স্তর না থাকলে সূর্য থেকে মারাত্মক অতিবেগুনি রশ্মি বায়ুমণ্ডলে প্রবেশ করে প্রাণিকুল বিনষ্ট করত।
২. বায়ুমন্ডলের স্তরসমূহ না থাকলে পৃথিবীতে জীবের অস্তিত্ব থাকত না; বরং পৃথিবীর উপরিভাগ চাঁদের মতো মরুময় হতো।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

বায়ুমণ্ডল থেকে উদ্ভিদ নাইট্রোজেন সংগ্রহ করে, যা প্রাণিকূলের জন্য- খুবই প্রয়োজন। অন্যদিকে ওজোন স্তর সূর্য থেকে আসা অতিবেগুনি রশ্মিকে শোষণ করে জীবজগৎকে রক্ষা করছে। তাই জীবজন্তুর ওপর বায়ুমণ্ডলের প্রভাব বেশি।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

কোনো একটি নির্দিষ্ট স্থানের বায়ুর তাপ, চাপ, আর্দ্রতা, মেঘাচ্ছন্নতা, বৃষ্টিপাত ও বায়ুপ্রবাহের দৈনন্দিন সামগ্রিক অবস্থাকে সেই দিনের আবহাওয়া বলে। কোনো একটি অঞ্চলের সাধারণত ৩০-৪০ বছরের গড় আবহাওয়ার অবস্থাকে জলবায়ু বলে। কাজেই জলবায়ু হলো কোনো একটি অঞ্চলের অনেক দিনের বায়ুমণ্ডলের নিম্নস্তরের সামগ্রিক অবস্থা।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

পৃথিবীর সব অঞ্চলের জলবায়ু একই রকম নয়। এর কোনো অঞ্চল উষ্ণ এবং কোনো অঞ্চল শীতল। আবার কোনো স্থান বৃষ্টিবহুল এবং কোনো স্থান বৃষ্টিহীন। কিছু ভৌগোলিক বিষয়ের পার্থক্যের কারণে স্থানভেদে জলবায়ুর এরকম পার্থক্য পরিলক্ষিত হয়। এই বিষয়গুলোকে জলবায়ুর নিয়ামক বলে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

জলভাগের অবস্থান কোনো এলাকার জলবায়ুকে মৃদুভাবাপন্ন করে। যেমন- কক্সবাজার, চট্টগ্রাম ও পটুয়াখালী সমুদ্র উপকূলে অবস্থিত হওয়ার কারণে এখানকার জলবায়ু রাজশাহীর তুলনায় বেশ মৃদুভাবাপন্ন। সমুদ্র নিকটবর্তী এলাকার তাপমাত্রায় শীত-গ্রীষ্ম তেমন পার্থক্য হয় না। এ ধরনের জলবায়ুকে সমভাবাপন্ন জলবায়ু বলে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

সমুদ্র উপকূল থেকে দূরের এলাকায় শীত-গ্রীষ্ম উভয়ই চরম হয়। কারণ স্থলভাগ জলভাগ অপেক্ষা যেমন দ্রুত উষ্ণ হয়, আবার দ্রুত ঠান্ডাও হয়। এজন্য গ্রীষ্মকালে মহাদেশের অভ্যন্তরভাগের এলাকা অত্যন্ত উত্তপ্ত থাকে, আবার শীতকালে প্রচণ্ড শীত অনুভূত হয়। এ ধরনের জলবায়ুকে মহাদেশীয় বা চরমভাবাপন্ন জলবায়ু বলে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

জলীয়বাষ্পপূর্ণ বায়ু শীতল ও ঘনীভূত হয়ে মেঘ, বৃষ্টি, শিশির, কুয়াশা, তুষার, বরফ প্রভৃতিতে পরিণত হয়ে মাধ্যাকর্ষণ শক্তির টানে ভূপৃষ্ঠে পতিত হয়। বিভিন্ন উপায়ে ভূপৃষ্ঠে পতিত পানির কিছু অংশ বাষ্পীভবনের মাধ্যমে পুনরায় বায়ুমণ্ডলে মিশে যায়, কিছু অংশ নদী দ্বারা বাহিত হয়ে সমুদ্রে পতিত হয়, কিছু অংশ উদ্ভিদ অভিস্রবণ প্রক্রিয়ায় গ্রহণ করে এবং অবশিষ্টাংশ ভূপৃষ্ঠের শিলাস্তরের মধ্যে ছুঁয়ে প্রবেশ করে। এভাবেই পানিচক্র চলতে থাকে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

নিচে বাষ্পীভবন ও ঘনীভবনের মধ্যে দুটি পার্থক্য দেখানো হলো-

বাষ্পীভবন

ঘনীভবন

১. সূর্যের তাপে সমুদ্র, নদী, হ্রদ প্রভৃতি থেকে পানি ক্রমাগত বাষ্পে পরিণত হচ্ছে এবং তা অপেক্ষাকৃত হালকা বলে উপরে উঠে বায়ুমণ্ডলে মিশে অদৃশ্য হয়ে যাচ্ছে, একে বাষ্পীভবন বলে।

১. পরিপৃক্ত বায়ু উষ্ণতর হলে তখন এটি আরও বেশি জলীয়বাষ্প ধারণ করতে পারে। আবার বায়ু শীতল হতে থাকলে পূর্বের মতো বেশি জলীয়বাষ্প ধারণ করে রাখতে পারে না, তখন জলীয়বাষ্পের কিছু অংশ পানিতে পরিণত হয়, তাকে ঘনীভবন বলে।

২. বায়ুর বাষ্প ধারণ করার সীমা বায়ুর উষ্ণতার ওপর নির্ভর করে।

২. বায়ু উষ্ণতায় বা জলীয়বাষ্পরূপে ঘনীভূত হয়ে শিশিরাঙ্কে পরিণত হয়।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

বায়ুর আর্দ্রতাকে দুইভাবে প্রকাশ করা যায়। যথা-
১. পরম আর্দ্রতা: কোনো নির্দিষ্ট আয়তনের বায়ুতে জলীয়বাষ্পের প্রকৃত পরিমাণকে পরম আর্দ্রতা বলে।
২. আপেক্ষিক আর্দ্রতা কোনো নির্দিষ্ট আয়তনের বায়ুতে
জলীয়বাষ্পের প্রকৃত পরিমাণ আর একই আয়তনের বায়ুকে একই উষ্ণতায় পরিপূক্ত করতে যে পরিমাণ জলীয়বাষ্পের প্রয়োজন এ দুটির অনুপাতকে আপেক্ষিক আর্দ্রতা বলে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

পানিপ্রবাহকে চারভাগে ভাগ করা যায়। যথা-

  • পৃষ্ঠপ্রবাহ
  • চুয়ানো
  • অন্তঃপ্রবাহ
  • পরিস্রবণ
Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

স্বাভাবিকভাবে ভাসমান মেঘ ঘনীভূত হয়ে পানির ফোঁটা ফোঁটা আকারে মাধ্যাকর্ষণ শক্তির টানে ভূপৃষ্ঠে পতিত হলে তাকে বৃষ্টিপাত বলে। এই বৃষ্টিপাত কখনো প্রবল এবং কখনো গুঁড়ি গুঁড়ি আকারে ভূপৃষ্ঠে পতিত হয়।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

বৃষ্টিপাতের তিনটি কারণ রয়েছে। কারণগুলো হলো-

  • বাতাসে জলীয়বাষ্পের উপস্থিতি
  • ঊর্ধ্ব গমন এবং
  • বায়ুমণ্ডলের উষ্ণতা হ্রাস পাওয়া।
Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

জলীয়বাষ্পপূর্ণ বায়ু যে কারণে উপরে উঠে ঘনীভূত হয়ে বৃষ্টিপাতে পরিণত হয় সেই অনুসারে বৃষ্টিপাতের শ্রেণিবিভাজন করা হয়ে থাকে। বৈশিষ্ট্য ও প্রকৃতি অনুসারে স্বাভাবিক বৃষ্টিপাতকে প্রধানত চারটি শ্রেণিতে ভাগ করা হয়ে থাকে। যথা- (১) পরিচলন বৃষ্টি, (২) শৈলোৎক্ষেপ বৃষ্টি, (৩) বায়ুপ্রাচীরজনিত বৃষ্টি ও (৪) ঘূর্ণি বৃষ্টি।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

দিনের বেলায় সূর্যের কিরণে পানি বাষ্পে পরিণত হয়ে সোজা উপরে উঠে যায় এবং শীতল বায়ুর সংস্পর্শে এসে ঐ জলীয়বাষ্প প্রথমে মেঘ ও পরে বৃষ্টিতে পরিণত হয়ে সোজাসুজি নিচে নেমে আসে। এরূপ বৃষ্টিপাতকে পরিচলন বৃষ্টি বলে। নিরক্ষীয় অঞ্চলে সারাবছর প্রতিদিনই বিকেল অথবা সন্ধ্যার সময় এরূপ বৃষ্টিপাত হয়।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

পরিচলন বৃষ্টিপাত যেসব পর্যায় অনুসরণ করে ঘটে থাকে তার দুটি পর্যায় উল্লেখ করা হলো-
১. প্রচণ্ড সূর্যকিরণে ভূপৃষ্ঠ দ্রুত উত্তপ্ত হয়ে ওঠে।
২. ভূপৃষ্ঠের উপরস্থ বায়ু উষ্ণ এবং হালকা হয়ে উপরের দিকে উঠে পরিচলনের সৃষ্টি করে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

জলীয়বাষ্পপূর্ণ বায়ু স্থলভাগের উপর দিয়ে প্রবাহিত হওয়ার সময় যদি গমনপথে কোনো উঁচু পর্বতশ্রেণিতে বাধা পায় তাহলে ঐ বায়ু উপরের দিকে উঠে যায়। তখন জলীয়বাষ্পপূর্ণ বায়ু ক্রমশ প্রসারিত হয় এবং পর্বতের উঁচু অংশে শীতল ও ঘনীভূত হয়ে পর্বতের প্রতিবাত ঢালে বৃষ্টিপাত ঘটায়। এরূপ বৃষ্টিপাতকে শৈলোৎক্ষেপ বৃষ্টি বলে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

কোনো অঞ্চলে বায়ুমণ্ডলে নিম্নচাপ কেন্দ্রের সৃষ্টি হলে জলভাগের উপর থেকে জলীয়বাষ্পপূর্ণ উষ্ণ এবং স্থলভাগের উপর থেকে শুষ্ক শীতল বায়ু ঐ একই নিম্নচাপ কেন্দ্রের দিকে অনুভূমিকভাবে ছুটে আসে। শীতল বায়ু ভারী বলে উষ্ণ বায়ু শীতল বায়ুর উপর ধীরে ধীরে উঠতে থাকে। জলভাগের উপর থেকে আসা উষ্ণ বায়ুতে প্রচুর জলীয়বাষ্প থাকে। ঐ বায়ু শীতল বায়ুর উপরে উঠলে তার ভেতর জলীয়বাষ্প ঘনীভূত হয়ে বৃষ্টিপাত ঘটায়। এরূপ বৃষ্টিপাতকে ঘূর্ণি বৃষ্টি বলে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

ভূপৃষ্ঠের বিভিন্ন অক্ষাংশের তাপের পার্থক্য এবং গোলাকার পৃথিবীর ঘূর্ণনের কারণে বায়ুমন্ডলে চারটি চাপমন্ডলের সৃষ্টি হয়। যথা-
(ক) নিরক্ষীয় নিম্নচাপ বলয়,
(গ) উপ-মেরুবৃত্তের নিম্নচাপ বলয়
(খ) ক্রান্তীয় উচ্চচাপ বলয়,
(ঘ) মেরু অঞ্চলের উচ্চচাপ বলয়।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

পৃথিবী পশ্চিম থেকে পূর্ব দিকে আবর্তনশীল এবং নিরক্ষরেখা থেকে মেরু অঞ্চলের দিকে আবর্তনের কারণে গতিবেগ ক্রমান্বয়ে হ্রাস পায়। এ উভয় কারণে ঘূর্ণায়মান পৃথিবীপৃষ্ঠে গতিশীল পদার্থ বায়ুপ্রবাহ ও জলস্রোত সরাসরি উত্তর-দক্ষিণে প্রবাহিত না হয়ে উত্তর গোলার্ধে ডান দিকে এবং দক্ষিণ গোলার্ধে বাম দিকে বেঁকে যায়।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

কর্কটীয় ও মকরীয় উচ্চচাপ বলয় থেকে অয়ন বায়ু ব্যতীত আরও দুটি বায়ুপ্রবাহ মেরুবৃত্ত নিম্নচাপ বলয়ের দিকে প্রবাহিত হয়। উত্তর গোলার্ধে এটি দক্ষিণ-পশ্চিম দিক থেকে এবং দক্ষিণ গোলার্ধে উত্তর-পশ্চিম দিক থেকে প্রবাহিত হয়। এ বায়ুপ্রবাহকে পশ্চিমা বায়ু বলে। উত্তর গোলার্ধে স্থলভাগের পরিমাণ অধিক বলে স্থানীয় কারণে পশ্চিমা বায়ুর সাময়িক বিরতি ঘটে। কিন্তু দক্ষিণ গোলার্ধে জলভাগের পরিমাণ বেশি বলে পশ্চিমা বায়ু প্রবলবেগে এ অঞ্চলে প্রবাহিত হয়। এজন্য এই বায়ুপ্রবাহকে প্রবল পশ্চিমা বায়ু বলে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

নিরক্ষীয় নিম্নচাপ বলয় থেকে উষ্ণ ও হালকা বায়ু উপরে উঠে গেলে কর্কটীয় ও মকরীয় উচ্চচাপ বলয় থেকে শীতল ও ভারী বায়ু নিরক্ষীয় অঞ্চলের দিকে প্রবাহিত হয়। ফেরেলের সূত্র অনুসারে এ বায়ু | উত্তর গোলার্ধে উত্তর-পূর্ব দিক থেকে এবং দক্ষিণ গোলার্ধে দক্ষিণ-পূর্ব দিক থেকে প্রবাহিত হয়ে থাকে। প্রাচীনকালে পরিচালিত বাণিজ্য জাহাজগুলো এ বায়ুপ্রবাহের দিক অনুসরণে যাতায়াত করত বলে এগুলোকে অয়ন বায়ু বা বাণিজ্য বায়ু বলে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

ছকের মাধ্যমে স্থানীয় বায়ুর চারটি উদাহরণ দেখানো হলো-

বায়ুর নাম

উদাহরণ

স্থানীয় বায়ু

  • রকি পর্বতে চিনুক

  • ফ্রান্সের কেন্দ্রীয় মালভূমি থেকে প্রবাহিত মিস্ট্রাল।

  • আর্জেন্টিনা ও উরুগুয়ের পম্পাস অঞ্চলের উত্তরে পাম্পের।

  • আড্রিয়াটিক সাগরের পূর্ব উপকূলে বোরা।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

বিশ্ব উষ্ণায়নের জন্য দায়ী গ্যাসগুলো হলো-

  • কার্বন ডাইঅক্সাইড
  • মিথেন ও
  • নাইট্রাস অক্সাইড
  • ক্লোরোফ্লোরো কার্বন।
Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

বিশ্ব উষ্ণায়নের ফলে অন্যান্য অনেক দেশের মতো বাংলাদেশে অধিক বৃষ্টিপাত, ব্যাপক বন্যা, ভয়ংকর ঘূর্ণিঝড়, খরা ইত্যাদি জলবায়ুগত পরিবর্তন হতে পারে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

গ্রিনহাউসের প্রভাবে যেসব দেশ সাফল্য বয়ে আনতে পারে তাদের নাম নিচে উল্লেখ করা হলো-

  • কানাডা
  • নরওয়ে
  • রাশিয়া
  • ফিনল্যান্ড
  • সুইডেন
  • দক্ষিণ আমেরিকা
Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
68

আমরা জানতে পেরেছি এখন পর্যন্ত মহাকাশে আবিষ্কৃত সৌরজগতের বাসযোগ্য আদর্শ গ্রহটি হচ্ছে পৃথিবী। ভূপৃষ্ঠের চারদিকে জীবজগতের প্রাপ ধারণের প্রয়োজনীয় বায়ুর উপাদান বেষ্টিত রয়েছে। এটাকে আমরা বায়ুমণ্ডল বলি। এই বায়ুর উপাদানসমূহ কয়েকটি স্তরে বিভক্ত হয়ে অবস্থান করছে। এগুলো পৃথিবীর মানুষ ও অন্যান্য জীবজগতের জন্য কত দরকার, তা আমরা জানার ও বোঝার চেষ্টা করব।

Related Question

View All
উত্তরঃ

যে গ্যাসীয় আবরণ পৃথিবীকে বেষ্টন করে আছে তাই বায়ুমণ্ডল।

287
উত্তরঃ

বায়ুমণ্ডলে নাইট্রোজেনের পরিমাণ শতকরা ৭৮.০২ ভাগ।

বাতাসের নাইট্রোজেন মাটিতে বিভিন্ন প্রক্রিয়ায় (যেমন- বজ্রপাত) আবদ্ধ হয় এবং উদ্ভিদ মাটি থেকে প্রয়োজনীয় নাইট্রোজেন গ্রহণ করে। বাতাসে নাইট্রোজেন বেশি থাকায় তা বাতাসের অন্যান্য উপাদানগুলোর মধ্যে ভারসাম্য রক্ষা করে। তাই বাতাসে নাইট্রোজেন গ্যাস বেশি থাকার সুবিধা রয়েছে।

1.3k
উত্তরঃ

চিত্রের 'Q' স্তরটি স্ট্রাটোমণ্ডল।

ট্রপোবিরতির উপরের দিকে প্রায় ৫০ কিলোমিটার পর্যন্ত স্ট্রাটোমণ্ডল (Stratosphere) নামে পরিচিত। নিচে স্ট্রাটোমণ্ডলের বৈশিষ্ট্য ব্যাখ্যা
করা হলো-
i. এই স্তরের বায়ুতে অতি সূক্ষ্ম ধূলিকণা ছাড়া কোনো জলীয়বাষ্প থাকে না। ফলে আবহাওয়া শান্ত ও শুষ্ক থাকে। ঝড়-বৃষ্টি থাকে না বলে এ স্তরের মধ্য দিয়ে বিনা বাঁধায় জেট বিমান চলাচল করে।

ii. এই স্তরে ওজোন (O;) গ্যাসের পরিমাণ বেশি থাকে। এ ওজোন স্তর সূর্যের আলোর বেশিরভাগ অতিবেগুনি রশ্মি (Ultraviolate rays) শুষে নেয়।

iii. এ স্তরের প্রায় ৫০ কিলোমিটার উচ্চতায় তাপমাত্রা হ্রাস পেতে শুরু করে। এটি স্ট্রাটোমণ্ডলের শেষ প্রান্ত নির্ধারণ করে।

539
উত্তরঃ

চিত্রে প্রদর্শিত 'R' স্তরটি মেসোমণ্ডল বা Mesosphere এবং 'S'

স্তরটি তাপমণ্ডল বা Thermosphere। স্ট্রাটোবিরতির উপরে প্রায় ৮০ কিলোমিটার পর্যন্ত বিস্তৃত বায়ুস্তরকে মেসোমণ্ডল বলে। মেসোবিরতির (Mesopause) উপরে প্রায় ৫০০ কিলোমিটার পর্যন্ত বিস্তৃত স্তরকে তাপমণ্ডল বলে। চিত্রের 'R' স্তরটি বা মেসোমণ্ডল আমাদের জন্য অধিক গুরুত্বপূর্ণ।

মেসোস্ফিয়ারে উচ্চতা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে বায়ুমন্ডলের তাপমাত্রা কমতে থাকে। মহাকাশ থেকে যেসব উল্কা পৃথিবীর দিকে ছুটে আসে সেগুলোর অধিকাংশই এই স্তরের মধ্যে এসে পুড়ে যায়। এই উল্কাগুলো পৃথিবীর বায়ুমণ্ডলে প্রবেশ করলে প্রাণী ও পরিবেশের মারাত্মক ক্ষতি সাধিত হতো। মেসোমণ্ডলের কারণেই এগুলো পৃথিবীতে আসতে পারে না।
তাই মেসোমণ্ডল আমাদের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

504
518
উত্তরঃ

বায়ুপ্রবাহ ও সমুদ্রস্রোতের উপর ভিত্তি করে আমেরিকান আবহাওয়াবিদ উইলিয়াম ফেরেল একটি সূত্র প্রদান করেন যা ফেরেলের সূত্র নামে পরিচিত।

বায়ুপ্রবাহ ও সমুদ্রস্রোত সরাসরি উত্তর-দক্ষিণে প্রবাহিত না হয়ে উত্তর- গোলার্ধে ডান এবং দক্ষিণ গোলার্ধে বাম দিকে বেঁকে যায়। বিজ্ঞানী ফেরেল প্রথম এ সূত্র প্রদান করেন বলে একে ফেরেলের সূত্র বলে।

3k
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র
মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews