সংক্ষিপ্ত- প্রশ্নোত্তর সমাধান

Updated: 6 months ago
উত্তরঃ

কম্পিউটার রক্ষণাবেক্ষণ বলতে কম্পিউটারকে ভালো অবস্থায় ও কাজের উপযোগী রাখতে গৃহীত পদক্ষেপকে বোঝায়। এর মধ্যে হার্ডওয়্যার এবং সফটওয়্যারের সুরক্ষা ও আপডেট অন্তর্ভুক্ত। এটি বাইরের নিয়ামক যেমন তাপমাত্রা, ধূলিকণা, বিদ্যুৎ ক্ষেত্র, চৌম্বকক্ষেত্র, পানি প্রভৃতি থেকে কম্পিউটারকে রক্ষা করে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

আর্দ্রতা, তাপমাত্রা, ধূলিকণা, ধোঁয়া এবং পানি কম্পিউটারের হার্ডওয়‍্যার ক্ষতিগ্রস্ত করতে পারে। এগুলো সার্কিটের শর্ট সার্কিট বা যন্ত্রাংশ যেমন- কীবোর্ড, মনিটর, সিপিইউ ইত্যাদি নষ্ট হওয়ার কারণ হতে পারে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

প্রতিরোধমূলক রক্ষণাবেক্ষণ হলো কম্পিউটারে কোনো সমস্য। হওয়ার আগে সতর্কতামূলক ব্যবস্থা গ্রহণ। এটি ব্যবহারকারী নিজেই করতে পারেন, যেমন- ভাইরাস স্ক্যান, ডিস্ক ক্লিন, ডিস্ক। ডিফ্রাগমেন্টেশন, সফটওয়‍্যার আপডেট ইত্যাদি। এটি কম্পিউটারের স্থায়িত্ব ও কার্যক্ষমতা বাড়ায়।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

সংশোধনমূলক রক্ষণাবেক্ষণ হলো কোনো ফন্ট বা সমস্যা দেখা দিলে তা মেরামত বা পরিবর্তন করে কম্পিউটারকে পুনরায় কর্মক্ষম করা। সাধারণত কম্পিউটার টেকনিশিয়ানের সাহায্যে এই কাজটি করা হয়।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

কম্পিউটার রক্ষণাবেক্ষণে আর্থিং প্রয়োজন, কারণ এটি কম্পিউটারের মেটাল অংশে স্পর্শ লেগে ইলেকট্রিক শক থেকে রক্ষা করে। বিদ্যুৎ প্রবাহজনিত দুর্ঘটনা এড়াতে আর্থিং গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে l

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

ধাতব বা চৌম্বক পদার্থ কম্পিউটারের চৌম্বকীয় 'ডিস্ক এবং অন্যান্য যন্ত্রাংশের উপর বিরূপ প্রভাব ফেলে। এটি ডেটা ক্ষতি এবং যন্ত্রাংশ বিকল হওয়ার কারণ হতে পারে। তাই কম্পিউটারের, আশেপাশে ধাতব বা চৌম্বক পদার্থ রাখা উচিত নয়।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

ল্যাপটপে অতিরিক্ত সফটওয়্যার ইনস্টল করলে তা প্রসেসরের ওপর চাপ বাড়িয়ে দেয়। ফলে ল্যাপটপের গতি ক্রমশ কমতে থাকে। রক্ষণাবেক্ষণ না করায় সমস্যা আরও বেড়ে যায়। সঠিকভাবে রেজিস্ট্রি ক্লিনআপ বা অপ্রয়োজনীয় ফাইল সরানোর কাজ না করলেও ল্যাপটপ ধীরগতির হয়।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

অতিরিক্ত সফটওয়‍্যার ইনস্টল করা, নিয়মিত রক্ষণাবেক্ষণ না করা এবং অপারেটিং সিস্টেম আপডেট না রাখার কারণে কম্পিউটার ধীরগতির হয়। রেজিস্ট্রি ও স্টোরেজে জমে থাকা অপ্রয়োজনীয় ডেটা প্রসেসিং ক্ষমতাকে প্রভাবিত করে। এর ফলে কাজ করতে সমস্যা দেখা দেয়।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

মাইক্রোসফট উইন্ডোজ অপারেটিং সিস্টেম সবসময় আপডেট রাখতে হবে। নিয়মিত রেজিস্ট্রি ক্লিনআপ সফটওয়‍্যার ব্যবহার করতে হবে। অপ্রয়োজনীয় ফাইল মুছে এবং অ্যান্টি-ভাইরাস সফটওয়‍্যার ইনস্টল করে কম্পিউটারকে সুরক্ষিত রাখতে হবে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

রক্ষণাবেক্ষণের মাধ্যমে কম্পিউটারের গতি ও কার্যক্ষমতা ধরে রাখা যায়। এটি যন্ত্রের স্থায়িত্ব বাড়ায় এবং ধীরগতির সমস্যা থেকে মুক্তি দেয়। সঠিক পরিচর্যা এবং রক্ষণাবেক্ষণ ছাড়া কম্পিউটার দ্রুত নষ্ট হয়ে যেতে পারে তাই কম্পিউটার রক্ষণাবেক্ষণের গুরুত্ব অনেক বেশি।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

অনিরাপদ ওয়েবসাইট ব্রাউজিং বা পেনড্রাইভ থেকে কম্পিউটার ভাইরাস আক্রান্ত হয়। ভাইরাসের কারণে কম্পিউটারের ফাইল শর্টকাট হয়ে যায়, অনাকাঙ্ক্ষিতভাবে রিস্টার্ট হয় এবং ব্যবহারকারীর ইচ্ছা ছাড়াই অনিরাপদ ওয়েবসাইটে প্রবেশ করে। ফলে গুরুত্বপূর্ণ ভেটা নষ্ট বা হারানোর ঝুঁকিও থাকে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

ভাইরাস স্ক্যান কম্পিউটারের প্রতিরোধমূলক রক্ষণাবেক্ষণের একটি অংশ। এটি কম্পিউটারকে ম্যালওয়‍্যার ও ভাইরাস থেকে রক্ষা করে এবং তথ্যের নিরাপত্তা নিশ্চিত করে। সাধারণত এন্টিভাইরাস সফটওয়‍্যার দ্বারা এই কাজ করা হয়।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

সফটওয়‍্যার আপডেট কম্পিউটারের কার্যকারিতা বাড়ায় এবং নতুন ফিচার যুক্ত করে। এটি পুরনো বাগ ঠিক করে এবং নিরাপত্তা ঝুঁকি হ্রাস করে। অপারেটিং সিস্টেম সফটওয়্যার হালনাগাদ বা আপডেট করে কম্পিউটারের স্বাভাবিক গতি বজায় রাখা হয়।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

কম্পিউটারের কাজ করার গতি বজায় রাখার জন্য নিম্নরূপ পদক্ষেপ গ্রহণ করা যেতে পারে:
১. কম্পিউটার যন্ত্রপাতি তথা হার্ডওয়‍্যারসমূহের রক্ষণাবেক্ষণ করতে হবে।
২. কম্পিউটারকে গতিশীল এবং সচল রাখার জন্য মাঝে মাঝে রেজিস্ট্রি ক্লিনআপ সফটওয়‍্যার ব্যবহার করতে হবে।
৩. অপারেটিং সিস্টেম সফটওয়‍্যার নিয়মিত হালনাগাদ করতে হবে।
৪. সফটওয়্যার ব্যবহার করে কম্পিউটারের টেম্পোরারি ফাইলসমূহ মুছে দিতে হবে। এতে হার্ডডিস্কের জায়গা খালি হয়ে কম্পিউটারের কাজ করার গতি বেড়ে যাবে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

অপ্রতুল রক্ষণাবেক্ষণে কম্পিউটারের স্বাভাবিক গতি কমে যায়। কম্পিউটারে ম্যালওয়্যার বা ভাইরাস আক্রান্ত হয়, হার্ডওয়্যার সংক্রান্ত বিভিন্ন সমস্যা দেখা দেয়। যন্ত্রটি ধীরে ধীরে অকেজো হয়ে যেতে পারে। এতে কাজের সমস্যা হয় এবং নতুন যন্ত্র কেনার প্রয়োজনীয়তা দেখা দেয়।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

প্রতিবার কম্পিউটার ব্যবহার করার সময় টেম্পোরারি ফাইল তৈরি হয়। এগুলো দীর্ঘদিন মুছে না ফেললে হার্ডডিস্কের জায়গা দখল করে রাখে। ফলে কম্পিউটারের কাজ করার গতি ধীর হয়ে যায়। এছাড়া অতিরিক্ত টেম্পোরারি ফাইল সিস্টেমে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করে। ফলে প্রয়োজনীয় ফাইল খুঁজে পেতে বেশি সময় লাগে, যা ব্যবহারকারীর কাজের গতিও কমিয়ে দেয়।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

ইন্টারনেট ব্রাউজ করার সময় ব্রাউজারের ক্যাশ মেমোরিতে কুকিজ ও টেম্পোরারি ফাইল জমা হয়। এগুলো মেমোরির জয়গা দখল করে রাখে এবং আইসিটি যন্ত্র ধীর হয়ে যায়। এজন্য কিছুদিন পর পর ক্যাশ মেমোরি পরিষ্কার করা প্রয়োজন, যাতে করে যন্ত্রটি দ্রুতগতিতে কাজ করতে পারে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

এন্টিভাইরাস, এন্টি ম্যালওয়‍্যার ও এন্টি স্পাইওয়্যার সফটওয়্যার ব্যবহার করে ডাইরাস ও ম্যালওয়্যার থেকে আইসিটি যন্ত্রকে সুরক্ষিত রাখা যায়। এগুলো ব্যবহারকারীদের তাদের যন্ত্রগুলো নির্বিঘ্নে ব্যবহারে সাহায্য করে। হালনাগাদ বা আপডেটেড এন্টিভাইরাস ছাড়া আইসিটি ডিভাইস ব্যবহার মারাত্মক ঝুঁকিপূর্ণ।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

ডিস্ক ক্লিআপ হার্ডডিস্ক থেকে অপ্রয়োজনীয় ফাইল মুছে জায়গা খালি করে। ডিস্ক ডিফ্র্যাগমেন্টার ফাইলগুলো এমনভাবে সাজায় যাতে ফাইল অ্যাক্সেস দ্রুত হয়। এ সফটওয়্যারদয়ের সাহায্যে কম্পিউটারের কাজের গতি বজায় রাখা হয়।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

ইন্টারনেট থেকে বিনামূল্যে এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার ডাউনলোড করা যায়। এগুলো ইন্টারনেটের মাধ্যমে নিয়মিত আপডেট করা সম্ভব। এটি কম্পিউটারকে ভাইরাস ও ম্যালওয়য়ার থেকে রক্ষা করতে সহায়তা করে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

আইসিটি যন্ত্র কেনার পর বিক্রেতা প্রয়োজনীয় সফটওয়‍্যার ইনস্টল করে দেয়। এতে অপারেটিং সিস্টেমসহ অন্যান্য প্রয়োজনীয় সফটওয়‍্যার অন্তর্ভুক্ত থাকে। ব্যবহারকারীরা এ সফটওয়‍্যারগুলো তাদের প্রয়োজন অনুযায়ী ব্যবহার করতে পারেন।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

অপারেটিং সিস্টেম সফটওয়‍্যার ইনস্টল করা একটি জটিল। প্রক্রিয়া। এর জন্য বিশেষ দক্ষতার প্রয়োজন হয়। সঠিকভাবে ইনস্টল করলে আইসিটি যন্ত্রটি কার্যক্ষম হয় না। সাধারণত এ ধরনের কাজে পারদর্শী ব্যক্তি অথবা বিক্রয় প্রতিষ্ঠানগুলো অপারেটিং সিস্টেম ইনস্টল করে দেয়।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

সফটওয়‍্যার ইনস্টল করার আগে সফটওয়‍্যারটি যন্ত্রের হার্ডওয়্যার সাপোর্ট করে কিনা তা নিশ্চিত করতে হবে। read me ফাইল পড়ে নির্দেশনাগুলো জানা প্রয়োজন। এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার বন্ধ রয়েছে কিনা এবং অপারেটিং সিস্টেমের এডমিনিস্ট্রেটরের অনুমতি আছে কিনা তা যাচাই করতে হবে। ইনস্টলের সময় অন্য সকল কাজ বন্ধ আছে কিনা তাও দেখে নিতে হবে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

সফটওয়‍্যার ইনস্টল করার জন্য সিডি, ডিভিডি, পেনড্রাইভ বা ইন্টারনেট থেকে সফট কপি পাওয়া যেতে পারে। বেশিরভাগ ক্ষেত্রে Auto run-ফাইল দ্বারা ইনস্টলেশনের প্রক্রিয়া শুরু হয়। ইনস্টল করার পর সাধারণত যন্ত্রটি রিস্টার্ট করলেই সফটওয়্যার ব্যবহারের উপযোগী হয়।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

Auto run প্রোগ্রাম সিডি, ডিভিডি বা পেনড্রাইভ কম্পিউটারে প্রবেশ করানোর পর স্বয়ংক্রিয়ভাবে সচল হয়। এটি নির্দিস্ট সফটওয়‍্যার সেটআপ করার অনুমতি চায়। অনুমতি প্রদান করলে পরবর্তী ধাপগুলো অনুসরণ করলেই সফটওয়্যারটি ইনস্টল হয়ে যায়।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

অটো রান প্রোগ্রামটি মূলত সফটওয়‍্যারের উপস্থিতি প্রকাশ করে এবং সফটওয়‍্যারটি ইনস্টল করার জন্য এডমিনিস্ট্রেটরের অনুমতি গ্রহণ করে। যদি Auto run সফ্টওয়‍্যারে সংযুক্ত অবস্থায় না থাকে তবে 'সফটওয়‍্যার রাখা ড্রাইভটি ওপেন করে সফটওয়‍্যারের setup ফাইলটি রান করাতে হয়। সফটওয়‍্যার ইনস্টলেশনে Auto run সফটওয়‍্যারটি উল্লিখিত ভূমিকা পালন করে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

ইনস্টলেশনের সময় অন্য কাজ চালু থাকলে নতুন সফটওয়‍্যার ইনস্টল করতে সমস্যা হতে পারে। এটি ইন্সটলেশনের গতি কমিয়ে দেয় এবং ত্রুটির সৃষ্টি করতে পারে। তাই ইনস্টলেশনের সময় অন্য সব কাজ বন্ধ রাখা উচিত।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

সফটওয়‍্যার আনইনস্টল না করলে অপ্রয়োজনীয় প্রোগ্রাম বা 1 ফাইল জমা হয়। অপ্রয়োজনীয় সফটওয়‍্যার জমে থাকলে হার্ডডিস্কে জয়গা দখল হয়। এতে কম্পিউটারের গতি কমে যায় এবং কাজ করতে সমস্যা হয়।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

অপ্রয়োজনীয় সফটওয়‍্যার যন্ত্রে রেখে দিলে হার্ডডিস্কের জায়গা নষ্ট হয়। এতে করে কম্পিউটার ধীর গতির হয়ে যায়। এটি যন্ত্র পরিচালনায় ঝামেলা সৃষ্টি করতে পারে। যা ব্যবহারকারীর বিরক্তির কারণ হতে পারে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

অ্যান্ড্রয়েড চালিত যন্ত্র বিশেষ করে হাতের আঙ্গুলের স্পর্শ দ্বারা পরিচালিত অর্থাৎ টাচস্ক্রিন স্মার্টফোনগুলো থেকে সফটওয়্যার আনইনস্টল করা খুবই সহজ। অ্যান্ড্রয়েড সেটিংস থেকে অ্যাপ্লিকেশন সিলেক্ট করে নির্দিষ্ট সফটওয়‍্যারটি নির্বাচন করতে হয়। পর্দার মেনু থেকে আনইনস্টল অপশনে টাচ করলেই সফটওয়্যারটি আনইনস্টল হয়ে যাবে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

সফটওয়্যার আনইনস্টল করার ধাপসমূহ-
১.স্টার্ট বাটন থেকে কন্ট্রোল প্যানেলে যেতে হবে।
২. ডাবল ক্লিক করে 'অ্যাড অর রিমুভ' অথবা 'আনইনস্টল প্রোগ্রাম' এ ঢুকতে হবে।
৩. নির্দিষ্ট প্রোগ্রামটি খুঁজে আনইনস্টলে ক্লিক করতে হবে।
৪. আনইনস্টল করার পর কম্পিউটার রিস্টার্ট করতে হবে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

অপারেটিং সিস্টেম সফটওয়্যার অপ্রয়োজনীয় সফটওয়্যারগুলো আনইনস্টল করার জন্য ব্যবহারকারীকে নির্দেশনা প্রদান করে। এটি প্রাসঙ্গিক মেনুতে অ্যাপ্লিকেশন নির্বাচন করে আনইনস্টল করতে সাহায্য করে। প্রায় সব অপারেটিং সিস্টেমে একই উপায়ে আনইনস্টল প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

সফটওয়্যার আনইনস্টল করার সময় আমাদের সতর্ক থাকা উচিত যেন ভুল করে প্রয়োজনীয় কোনো সফটওয়‍্যার আনইনস্টল বা ডিলিট না হয়ে যায়। ভুল সফটওয়‍্যার আনইনস্টল করলে, পনুরায় ইনস্টল করা ছাড়া কম্পিউটারে তা চালানো সম্ভব হয় না। তাই এক্ষেত্রে আমাদের সতর্ক থাকতে হবে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

সফটওয়‍্যার আনইনস্টল করার পর কম্পিউটার রিস্টার্ট করার প্রয়োজন হয় কারণ অনেক সময় আনইনস্টল প্রক্রিয়ায় কিছু ফাইল অপারেটিং সিস্টেমের রেজিস্ট্রি মেমোরিতে লোড অবস্থায় থাকে। রিস্টার্ট করলে সেগুলো সম্পূর্ণভাবে মুছে গিয়ে সিস্টেমটি নতুনভাবে কাজ করতে পারে। এটি যন্ত্রের স্থিতিশীলতা ও কার্যক্ষমতা নিশ্চিত করে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

সফটওয়‍্যার ডিলিট করার আগে আনইনস্টল করা প্রয়োজন কারণ এটি সফটওয়্যারের প্রধান ফাইলগুলো মুছে ফেলে। আনইনস্টল না করে সরাসরি ডিলিট করলে কিছু অবশিষ্ট ফাইল অপারেটিং সিস্টেমের রেজিস্ট্রি ফাইলে থেকে যায়, যা সিস্টেমে সমস্যা তৈরি করতে পারে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

Run" কমান্ড চালু করার জন্য কীবোর্ডে "Windows + R" একসাথে চাপতে হয়। এটি চালু হলে সেখানে প্রয়োজনীয় কমান্ড টাইপ করে নির্দেশ দেওয়া যায়।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

"regedit" কমান্ড ব্যবহার করে উইন্ডোজ রেজিস্ট্রি এডিটর খোলা যায়। এটি সফটওয়্যার সম্পর্কিত অবশিষ্ট তথ্য খুঁজে বের করে যা সফটওয়‍্যারটি সম্পূর্ণরূপে মুছে ফেলার জন্য প্রয়োজনীয়।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

রেজিস্ট্রি এডিটরে ফাইল এক্সপোর্ট করলে রেজিস্ট্রির ব্যাকআপ তৈরি হয়। কোনো সমস্যা হলে ব্যাকআপটি পুনরায় ইমপোর্ট করে পূর্বের অবস্থা ফিরিয়ে আনা সম্ভব। তাই রেজিস্ট্রি এডিটরে ফাইল এক্সপোর্ট করা প্রয়োজন।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

নিয়ম মেনে সফটওয়‍্যার ডিলিট করলে সফটওয়‍্যারটির অবশিষ্ট ফাইলগুলো সম্পূর্ণরূপে মুছে যায়। এতে অপারেটিং সিস্টেমের গতি ও কার্যক্ষমতা ঠিক থাকে এবং নতুন সফটওয়্যার ইনস্টল করতেও সমস্যা হয় না। তবে কাজটি করতে সতর্কতা অবলম্বন করতে হয়।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

রেজিস্ট্রি ব্যাকআপ সিস্টেমের গুরুত্বপূর্ণ সেটিংস সংরক্ষণ করে রাখে। কোনো রেজিস্ট্রি সম্পাদনার সময় ভুল হলে ব্যাকআপ ব্যবহার করে সিস্টেমকে আগের অবস্থায় ফিরিয়ে আনা যায়। এটি সিস্টেমের স্থায়িত্ব ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

সফটওয়‍্যার ডিলিট করার পরে F3 বাটন চেপে রেজিস্ট্রির মধ্যে একই নাম বা সংশ্লিষ্ট এন্ট্রি খুঁজে বের করা হয়। একটি এন্ট্রি ডিলিট করার পর, রেজিস্ট্রির অন্য জায়গায় থাকা একই এন্ট্রিগুলো এভাবে খুঁজে নিয়ে মুছে দিতে হয়। এটি নিশ্চিত করে সফটওয়্যারটি সম্পূর্ণরূপে ডিলিট করা হয়েছে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

আনইনস্টল ও ডিলিটের মধ্যে দুইটি পার্থক্য নিম্নরূপ:

আনইনস্টলডিলিট
১. সফটওয়‍্যার আনইনস্টল করা মানে কোনো সফটওয়‍্যারকে কম্পিউটার বা যন্ত্র থেকে প্রায় মুছে ফেলা।২. সফটওয়‍্যার ডিলিট করার অর্থ হলো সফটওয়‍্যারকে কম্পিউটার বা ICT যন্ত্র থেকে পুরোপুরি মুছে ফেলা।
২. আনইনস্টল করার পর সফটওয়্যার মেমোরি খালি করে কিন্তু OS এর রেজিস্ট্রি ফাইলে থেকে যেতে পারে।২. ডিলিট করা হলে সফটওয়‍্যার মেমোরি এবং রেজিস্ট্রি ফাইল থেকে সম্পূর্ণরূপে মুছে যায়।
Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

তথ্যের নিরাপত্তা হলো এমন একটি ব্যবস্থা যা তথ্যের অখণ্ডতা, গোপনীয়তা, ও প্রাপ্যতা নিশ্চিত করে। এটি নিশ্চিত করে যে, তথ্য অনুমোদিত ব্যক্তি বা সংস্থা ছাড়া অন্য কেউ অ্যাক্সেস করতে পারবে না।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

তথ্যের প্রবেশাধিকারের বিবেচনায় তথ্য দুই প্রকার। যথা: (১) উন্মুক্ত তথ্য, (২) গোপনীয় তথ্য।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

উন্মুক্ত তথ্য হলো এমন তথ্য যা সকলের জন্য অবাধে প্রবেশযোগ্য এবং সীমাবদ্ধতা ছাড়াই যে কেউ এটি শেয়ার করতে পারে। এটি জনসাধারণের জন্য তৈরি হওয়ায় তেমন কোনো জটিল সুরক্ষার প্রয়োজন নেই। যেমন: সংবাদ, প্রবন্ধ, প্রেস রিলিজ ইত্যাদি।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

গোপনীয় তথ্য হলো এমন তথ্য যা সীমাবদ্ধ, শুধুমাত্র অনুমোদিত ব্যক্তি বা সংস্থার মধ্যে শেয়ার করা হয় এবং আইনি বাধ্যবাধকতা দ্বারা সুরক্ষিত থাকে। অনুমতি ছাড়া গোপনীয় তথ্য প্রকাশে আইনী জটিলতা ও আর্থিক ক্ষতির সম্মুখীন হতে হয়। যেমন: জাতীয় পরিচয়পত্র, পাসওয়ার্ড, বাণিজ্যিক চুক্তি ইত্যাদি।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

উন্মুক্ত তথ্য ও গোপনীয় তথ্যের পার্থক্য হলো-

উন্মুক্ত তথ্য

গোপনীয় তথ্য

১. সকলের অবাধ প্রবেশাধিকার থাকে এবং শেয়ারে কোনো সীমাবদ্ধতা নেই।

১. অনুমোদিত ব্যক্তি বা সংস্থার মধ্যে সীমাবন্ধ।

২. কোনো জটিল সুরক্ষার প্রয়োজন নেই।

২. আইনী বাধ্যবাধকতা দ্বারা সুরক্ষিত।

৩. উদাহরণ- সংবাদ, প্রবন্ধ, প্রেস রিলিজ।

৩. উদাহরণ- বাণিজ্যিক চুক্তি, জাতীয় পরিচয়পত্র, পাসওয়ার্ড।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

ডিজিটাল প্রযুক্তি বলতে যোগাযোগ, হিসাব-নিকাশ, অটোমেশনের মতো কাজগুলো সুচারুরূপে সম্পন্ন করতে প্রয়োজনীয় ইলেকট্রনিক যন্ত্রপাতি বা ডিভাইস এবং সিস্টেমকে বোঝায় যা বাইনারি আকারে তথ্য প্রক্রিয়াকরণ, সংরক্ষণ এবং প্রেরণ করতে পারে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

সাইবার জগৎ বলতে একটি ডিজিটাল স্থান বুঝায়, যেখানে মানুষ একে অপরের সাথে ইন্টারনেটের মাধ্যমে যোগাযোগ করতে পারে এবং তথ্য পেতে পারে। এটি বাহ্যিক জগতের সমান্তরাল একটি জগৎ যা ইন্টারনেট, ডেটা ও কোড দ্বারা গঠিত। সাইবার জগৎ ক্রমাগত ক্রমবর্ধমান ও বিকশিত হচ্ছে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

সাইবার অপরাধ বলতে বুঝায় ইন্টারনেট বা ডিজিটাল মাধ্যম ব্যবহার করে সংঘটিত অপরাধ। সাইবার অপরাধ সংঘটনে কম্পিউটার বা ডিজিটাল ডিভাইস এবং ইন্টারনেট বা নেটওয়ার্ক ব্যবহৃত হয়। এটি তথ্য চুরি, প্রতারণা ও সিস্টেমের ক্ষতি করার উদ্দেশ্যে করা হতে পারে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

ছয়টি সাইবার অপরাধের নাম হলো-
(১) হ্যাকিং,

(২) ফ্রুট ফোর্স অ্যাটাক,
(৩) ডেটা ইন্টারসেপশন,
(৪) ডি ডস অ্যাটাক,
(৫) কম্পিউটার ম্যালওয়‍্যার,
(৬) সাইবার বুলিং।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

সাইবার অপরাধ থেকে নিজেকে রক্ষা করার জন্য-
১. শক্তিশালী ও অনন্য পাসওয়ার্ড ব্যবহার করতে হবে।
২. নিয়মিত সফটওয়্যার ও মোবাইল অ্যাপস্ আপডেট করতে হবে।
৩. নিরাপত্তা সফটওয়‍্যার যেমন- অ্যান্টিভাইরাস ও ফায়ারওয়াল ইনস্টল করা প্রয়োজন।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

হ্যাকিং বলতে বুঝায় অনুমতি ছাড়া কোনো কম্পিউটার বা নেটওয়ার্কে প্রবেশ করে তা ব্যবহার করা অথবা তার পুরো নিয়ন্ত্রণ নিয়ে নেওয়া। হ্যাকিং এক ধরনের মারাত্মক সাইবার অপরাধ যা তথ্য চুরি বা ক্ষতি ঘটায়।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

যে হ্যাকিং করে সে-ই হ্যাকার। হ্যাকারের দুটি বৈশিষ্ট্য হলো-
১. হ্যাকাররা প্রোগ্রামিং ভাষা, নেটওয়ার্কিংসহ অন্যান্য প্রযুক্তিতে দক্ষ হয়ে থাকে।
২. সিস্টেমের সিকিউরিটি চেক করে আবার অনেকে সিস্টেমে অননুমোদিত অ্যাক্সেসও পেতে চায়।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

যে হ্যাকিং করে সে-ই হ্যাকার হ্যাকারের দুটি বৈশিষ্ট্য হলো-
১. হ্যাকাররা প্রোগ্রামিং ভাষা, নেটওয়ার্কিংসহ অন্যান্য প্রযুক্তিতে দক্ষ হয়ে থাকে।
২. সিস্টেমের সিকিউরিটি চেক করে আবার অনেকে সিস্টেমে অননুমোদিত অ্যাক্সেসও পেতে চায়।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

হোয়াইট হ্যাট হ্যাকার হলো সেই হ্যাকার যারা সিস্টেম সিকিউরিটি পরীক্ষা করার জন্য নিয়োগ পায় এবং তারা সিস্টেমের কোন ক্ষতি না করে নিরাপত্তা দুর্বলতা খুঁজে বের করে। যেমন-UNIX সিস্টেম চেককারী বৈধ হ্যাকার।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

ক্রেকার হলো অবৈধ হ্যাকার, যারা সিস্টেম বা সফটওয়‍্যারের নিরাপত্তা ভেঙে তথ্য চুরি বা নষ্ট করে। ক্রেকারের দুটি বৈশিষ্ট্য হলো-
১. সিস্টেমে অবৈধভাবে প্রবেশ করে সিস্টেমের ক্ষতি করে।
২. শক্তিশালী পাসওয়ার্ড বা এনক্রিপশন ভাঙার ক্ষমতা রাখে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

হ্যাকিং-এর মাধ্যমে বিভিন্ন ক্ষতি হয়ে থাকে।
যেমন-
১. ব্যবহারকারীর ই-মেইল বা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ঢুকে তার অপব্যবহার।
২. নেটওয়ার্কে অননুমোদিতভাবে ঢুকে ফাইল বা ডেটা চুরি।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

ব্রট ফোর্স অ্যাটাক হলো একটি আক্রমণ পদ্ধতি, যেখানে আক্রমণকারী বিভিন্ন পাসওয়ার্ড বা এনক্রিপশন কী-গুলির সম্ভাব্য সংমিশ্রণ দিয়ে সিস্টেমে অননুমোদিত, প্রবেশের চেষ্টা করে। এটি ট্রায়াল এবং এরর (Trial and Error) পদ্ধতিতে কাজ করে এবং শেষ না হওয়া পর্যন্ত চেষ্টা চালিয়ে যায়।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

ব্রুট ফোর্স অ্যাটাক প্রতিরোধ করার জন্য বিভিন্ন নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করা যায়। যেমন- শক্তিশালী পাসওয়ার্ড ব্যবহার, Two Factor Authentification ব্যবস্থা নেওয়া, লগ মনিটরিং ও অডিটিং প্রভৃতি। এসক, ব্যবস্থা গ্রহণ করে ব্রুট ফোর্স অ্যাটাকের ঝুঁকি অনেকাংশে কমানো সম্ভব।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

ডেটা ইন্টারসেপশন হল এমন একটি প্রক্রিয়া, যেখানে তথ্য আদান-প্রদানের সময় মধ্যবর্তী কেউ তা আড়ি পেতে চুরি করতে পারে। এটি প্রাপক এবং প্রেরকের মধ্যে নিরাপত্তাহীনতা সৃষ্টি করে। ফলে গোপনীয় তথ্য চুরি হওয়ার সম্ভাবনা বৃদ্ধি পায়।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

এনক্রিপশন হল মেসেজ, ডেটা বা তথ্যকে এমন একটি কোডে রূপান্তর করার প্রক্রিয়া, যা অনুমোদনহীন কেউ পড়তে বা বুঝতে পারে না। এটি তথ্যের গোপনীয়তা রক্ষা করে। এর ফলে অনুমোদনহীনদের কাছে মেসেজ, ডেটা বা তথ্য দুর্বোধ্য হয়ে থাকে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

এন্ড টু এন্ড এনক্রিপশন এমন একটি পদ্ধতি যেখানে মেসেজটি - প্রেরক থেকে প্রাপক পর্যন্ত নিরাপদভাবে পৌঁছায়, এবং মধ্যবর্তী কেউ তা পড়তে বা বুঝতে পারে না। এতে তথ্য এনক্রিপ্ট হয়ে যায় এবং শুধুমাত্র নির্দিস্ট প্রাপকই তা ডিকোড করতে পারে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

এনক্রিপশন পদ্ধতি বিভিন্ন সুবিধা প্রদান করে। যেমন-
১. ডেটার গোপনীয়তা রক্ষা করে।
২. অনুমোদনহীন প্রবেশ থেকে তথ্য নিরাপদ রাখে।
৩. নিরাপদ যোগাযোগ নিশ্চিত করে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

এন্ড টু এন্ড এনক্রিপশন প্রধানত সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম, ম্যাসেজিং অ্যাপস এবং ডিজিটাল সিস্টেমগুলিতে ব্যবহারকারীর ব্যক্তিগত তথ্য বা ডেটার নিরাপত্তা ও গোপনীয়তা নিশ্চিত করতে ব্যবহৃত হয়।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

ডেটার গোপনীয়তা রক্ষা বা সিকিউরিটির জন্য ডেটাকে এনক্রিপ্ট করা হয়। এটি নিশ্চিত করে যে শুধুমাত্র অনুমোদিত ব্যক্তিরাই ডেটা অ্যাক্সেস করতে পারবে। নেটওয়ার্কের পাবলিক পথ দ্বারা যেসকল গোপনীয় ডেটা স্থানান্তরিত হয়, সেগুলোকে সাইবার আক্রমণ, থেকে রক্ষা করতে ডেটাকে এনক্রিপ্ট করে প্রেরণ করা হয়।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

ডি ডস আক্রমণ বলতে বুঝায় একাধিক ডিভাইস বা কম্পিউটার ব্যবহার করে একযোগভাবে একটি নির্দিষ্ট সিস্টেম বা ওয়েবসাইটে অতিরিক্ত ট্র্যাফিক পাঠানো, যার ফলে সিস্টেমটি ধীরগতির হয়ে যায় বা ক্রাশ হয়ে যায়। ফলে প্রকৃত ব্যবহারকারী এটি অ্যাক্সেস বা ব্যবহার করতে পারে না। এক কথায়, একই সময়ে একাধিক ডিভাইস ব্যবহার করে একটি নির্দিষ্ট টার্গেটকে আক্রমণ করাই হলো ডি ডস আক্রমণ।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

ডি ডস আক্রমণের উদ্দেশ্য হল সিস্টেম বা ওয়েবসাইটকে অতিরিক্ত ট্র্যাফিক দিয়ে মোহাবিষ্ট করে দেওয়া, যাতে প্রকৃত ব্যবহারকারীরা সিস্টেমটি ব্যবহার করতে না পারে বা এটি ক্রাশ হয়ে যায়।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

ডি ডস আক্রমণ থেকে রক্ষা পাওয়ার উপায়:
১. সার্ভারের নিরাপত্তা ব্যবস্থা শক্তিশালী করা;
২. ট্রাফিক মনিটরিং করা; এবং
৩. ওয়েব অ্যাপ্লিকেশনে ফায়ারওয়াল ব্যবহার করা।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

ম্যালওয়‍্যার হলো ইংরেজি Malicious Software এর সংক্ষিপ্ত রূপ। ইচ্ছাকৃতভাবে কোনো কম্পিউটার, মোবাইল, সার্ভার, ওয়েবসাইট বা কম্পিউটার নেটওয়ার্কের ক্ষতি করার জন্য ডিজাইন এবং উন্নয়ন করা হয়েছে এমন সফটওয়‍্যারকে ম্যালওয়্যার বলে টি বিভিন্ন ধরনের হতে পারে, যেমন- ভাইরাস, ট্রোজা', র‍্যানসামওয়্যার ইত্যাদি।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

ম্যালওয়্যার এক জাতীয় ক্ষতিকারক সফটওয়্যার যা মোবাইল, কম্পিউটার বা অন্য কোনো ডিজিটাল সিস্টেমের স্বাভাবিক কাজকে ব্যাহত করতে ব্যবহৃত হয়। এটি ব্যবহার করে গোপন তথ্য সংগ্রহ বা চুরি করা হয়। তাছাড়া কোনো সংরক্ষিত কম্পিউটার নেটওয়ার্ক ব্যবস্থায় অবৈধ অনুপ্রবেশ করতে বা অবাঞ্চিত বিজ্ঞাপন দেখাতে ম্যালওয়‍্যার ব্যবহার করা হয়।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

বাগ (Bug) বলতে বুঝায় কম্পিউটার সফটওয়‍্যারের ত্রুটি বা ভুল। যদি কোনো সফট্ওয়্যার তার অক্ষমতার কারণে অনিচ্ছাকৃতভাবে কম্পিউটার সিস্টেমে কোনো অসুবিধা সৃষ্টি করে তাকে সফটওয়্যার বাগ বলে। এটি বিভিন্ন রকম হতে পারে, যেমন- প্রোগ্রামিং ভুল, ভুল লজিক অথবা সিস্টেমের সাথে অসামঞ্জস্যতা ইত্যাদি।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

র‍্যানসামওয়্যার হল এক ধরনের ম্যালওয়্যার যা একটি সংক্রমিত কম্পিউটার সিস্টেমের ফাইলগুলোকে এনক্রিপ্ট করে রাখে এবং সেগুলো আনলক করার বিনিময়ে অর্থ বা মুক্তিপণ দাবি করে। ব্যবহারকারীরা ক্ষতিকারক লিঙ্কে ক্লিক করার মাধ্যমে র‍্যানসামওয়্যারের শিকার হয় এবং আক্রমণকারী সম্পূর্ণ সিস্টেমের অ্যাক্সেস লাভ করে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

স্পাইওয়‍্যার হল এক প্রকার ম্যালওয়্যার যা ব্যবহারকারীর অনুমতি ছাড়াই তার কার্যক্রম ট্র্যাক করে এবং ব্যক্তিগত তথ্য চুরি করে তা তৃতীয় পক্ষের কাছে পাঠায়। এটি ব্যক্তিগত তথ্য সংগ্রহ, পাসওয়ার্ড, ব্রাউজিং হিস্টোরি ও আর্থিক তথ্য চুরি করতে ব্যবহৃত হয়।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

ট্রোজান হর্স হল একটি ক্ষতিকর প্রোগ্রাম যা বৈধ প্রোগ্রাম বা ফাইল হিসেবে ছদ্মবেশ ধারণ করে একটি নির্দিষ্ট প্রোগ্রামের মধ্যে প্রবেশ করে। এটি ব্যবহারকারীর অজ্ঞতার কারণে ডাউনলোড বা ইনস্টল হয়ে সিস্টেমের নিরাপত্তা ব্যাহত করে এবং ক্ষতিকর কার্যক্রম পরিচালনা করে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

ওয়ার্ম হল এক ধরনের ম্যালওয়্যার যা কম্পিউটার সিস্টেমে। প্রবেশ করে নিজের কপি তৈরি করে ও সিস্টেমে ছড়িয়ে পড়ে। এটি! ইন্টারনেট বা কম্পিউটার নেটওয়ার্কের মাধ্যমে দ্রুত ছড়িয়ে ভাইরাসের। মতো ক্ষতিসাধন করে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

কম্পিউটার ভাইরাসের চারটি প্রভাব হলো-
১. সিস্টেমের কার্যক্রম ব্যাহত করতে পারে;
২. ফাইল ও ডেটা নষ্ট করতে পারে;
৩. কম্পিউটারের পারফরম্যান্স কমিয়ে দিতে পারে;
৪. সিস্টেমের নিরাপত্তায় দুর্বলতার সৃষ্টি করে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

অ্যাডওয়্যার হল একটি প্রোগ্রাম যা ব্যবহারকারীর অনুমতি ছাড়াই বিজ্ঞাপন প্রদর্শন করে। এটি ম্যালওয়্যার হলেও ক্ষতিকর নয় তবে পারফরম্যানন্স ধীর গতির করে। এটি পপ আপ আকারে স্ক্রিনে এসে ব্যবহারকারীর জন্য বিরক্তির সৃষ্টি করে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

বুটকিটস্ হল একটি ম্যালওয়‍্যার প্রোগ্রাম যা সিস্টেমের গভীরে প্রবেশ করে এবং ব্যবহারকারীর অগোচরে সিস্টেমের কার্যক্রম নিয়ন্ত্রণ করতে থাকে, যার ফলে সিস্টেমের নিরাপত্তা লঙ্ঘিত হয়। এটি নিজেকে লুকিয়ে রেখে সিস্টেম অ্যাডমিনিস্ট্রেটরের মতো ক্ষমতা নিয়ে কাজ করতে পারে।'

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

স্প্যামিং হল অবাঞ্ছিত ই-মেইল বা অপ্রাসঙ্গিক মেসেজ পাঠানো, যা সাধারণত বিজ্ঞাপন বা অপরাধমূলক উদ্দেশ্যে ব্যবহৃত হয়। এটি সাধারণত সোশ্যাল মিডিয়া প্লাটফর্ম এবং ই-মেইলের মাধ্যমে ঘটে। স্প্যামিং একদিকে যেমন বিরক্তিকর তেমনি ব্যবহারকারীর জন্য ক্ষতিকরও।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

সাইবার বুলিং বলতে বুঝায় তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি ব্যবহার করে কোনো ব্যক্তিকে হেয় প্রতিপন্ন করা, হুমকি দেওয়া, আতঙ্ক সৃষ্টি করা, ব্যক্তিগত তথ্য বা. ছবি অনিচ্ছাকৃতভাবে প্রকাশ করা বা গুজব ছড়ানো। এটি সাধারণত সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম এবং ওয়েবসাইটের মাধ্যমে ঘটে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

সাইবার বুলিং শিকারদের সামাজিক ও পারিবারিক জীবন ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার পাশাপাশি তাদের মানসিক স্বাস্থ্যও ক্ষতিগ্রস্ত হয়, যেমন- হতাশা, আত্মবিশ্বাসের অভাব এবং আরও গুরুতর ক্ষেত্রে আত্মহত্যার প্রবণতা সৃষ্টি হতে পারে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

সাইবার বুলিং থেকে রক্ষা পেতে হলে নিচের ব্যবস্থাগুলো গ্রহণ করতে হবে-
১. সচেতনতা বৃদ্ধি করতে হবে।
২. নিরাপত্তা সেটিংস যেমন- শক্তিশালী পাসওয়ার্ড, 2FA ইত্যাদি ব্যবহার করতে হবে।
৩. আইনগত সহায়তা গ্রহণ করতে হবে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

ফেইক নিউজ বলতে বুঝায় সংবাদ হিসেবে উপস্থাপিত কোনো মিথ্যা বা বিভ্রান্তিকর তথ্য, যা মানুষকে প্রতারিত করা বা মানুষের মতামতকে প্রভাবিত করার জন্য ইচ্ছাকৃতভাবে ছড়িয়ে দেওয়া হয়। এটি সম্পূর্ণ বিকৃত তথ্য বা বানোয়াট গল্পের রূপ নিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম, ওয়েবসাইট বা অন্যান্য চ্যানেলে জনগণকে বিভ্রান্ত বা নির্দিষ্ট অ্যাজেন্ডা প্রচারে ব্যবহৃত হয়।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের অত্যধিক ব্যবহারের এই যুগে, ফেইক নিউজ অত্যন্ত দ্রুততার সাথে ছড়িয়ে পড়ে। সাধারণত ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের ছদ্মনাম ব্যবহার করে মিথ্যা খবর বা গুজব সোশ্যাল মিডিয়া সাইট বা অন্যান্য চ্যানেলে ছড়ানো হয়।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

ফেইক নিউজ দ্রুত ছড়িয়ে রাজনৈতিক ও ধর্মীয় সংঘাতের সৃষ্টি করতে পারে। এটি সমাজ জীবনে কুপ্রভাব ফেলে জনমনে বিভ্রান্তি ও অসন্তোষ তৈরি করে। ফলে সামাজিক সম্পর্ক নষ্ট হয় ও বিশৃঙ্খলা দেখা যায়।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

বাংলাদেশে তথ্য ও প্রযুক্তি আইন ২০০৬ অনুযায়ী সাইবার বুলিং ও ডিজিটাল প্লাটফর্মে ফেইক নিউজ ছড়ানোর জন্য অপরাধীর সর্বোচ্চ ১০ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড অথবা ১ কোটি টাকা জরিমানার বিধান রয়েছে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

সাইবার আক্রমণের শিকার হলে প্রমাণসহ www.rab.gov.bd ওয়েবসাইটে অভিযোগ জানানো যায়। নিকটস্থ থানায় সাধারণ ডায়েরি বা জিডি করেও অভিযোগ দাখিল করা যায়। এছাড়া বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন (BTRC) বরাবর লিখিত অভিযোগ জানানো যায়।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

সাইবার আক্রমণের শিকার হলে যোগাযোগ করতে হবে-
১. ন্যাশনাল হেল্পলাইন ১০৯।
২. ন্যাশনাল ইমারজেন্সি সার্ভিস ৯৯৯।
৩. আইসিটি হেল্প লাইন।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

বাড়িতে থাকাকালীন সাইবার অ্যাটাকের শিকার হলে-
১. ডিজিটাল ডিভাইস বন্ধ করে রাখতে হবে।
২. পিতা-মাতা রা পরিবারের সদস্যদের সাথে শেয়ার করতে হবে।
৩. অপরাধের প্রমাণ সংগ্রহ করে প্রযুক্তিতে দক্ষ কারোর সাহায্য নিতে হবে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

বাংলাদেশ পুলিশে জিডি করার দুইটি উপায়-
১. প্রমাণসহ নিকটস্থ থানায় গিয়ে জিডি করা যায়।।
২. ইন্টারনেট ব্রাউজারের অ্যাড্রেস বারে https://gd.police.gov.bd লিখে ওয়েবসাইটে গিয়ে প্রয়োজনীয় তথ্য দিয়ে জিডি করা যায়।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

বাংলাদেশের চারটি আইন শৃঙ্খলা বাহিনীর নাম-
১. র‍্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‍্যাব)
২. কাউন্টার টেরোরিজম ইউনিট (সিটিইউ)
৩. অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি)
৪. মেট্রোপলিটন পুলিশ।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

কাউন্টার টেরোরিজম ইউনিটের Hello CT App এবং র‍্যাবের Report to RAB অ্যাপ্লিকেশন দুইটি ব্যবহার করে সাইবার অপরাধের তথ্য আইন শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কাছে পাঠানো যায়।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

ইন্টারনেট নিরাপত্তা বলতে বুঝায় ইন্টারনেট ব্যবহারকারীদের সুরক্ষা নিশ্চিত করা। ইন্টারনেট ব্যবহার করার সময় ডেটা, ব্যক্তিগত তথ্য চুরি, সাইবার আক্রমণ, ভাইরাস ও অন্য ধরনের ক্ষতির হাত থেকে সুরক্ষা পাওয়ার জন্য এই ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়। এই ব্যবস্থাগুলো বিভিন্ন প্রকার হতে পারে, যেমন- এনক্রিপশন, পাসওয়ার্ড ব্যবস্থাপনা, ফায়ারওয়াল ব্যবহার ইত্যাদি।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

নিরাপদ ইন্টারনেট ব্যবহারের জন্য অনলাইন হুমকি থেকে ব্যক্তিগত তথ্য, আর্থিক লেনদেনের তথ্য এবং ডিভাইস সমূহকে সুরক্ষিত রাখার জন্য নিরাপত্তা কৌশল ব্যবহার খুবই গুরুত্বপূর্ণ।' সাইবার আক্রমণ, হ্যাকিং, ম্যালওয়্যার ইত্যাদি প্রতিরোধের জন্য 2FA, অ্যান্টিভাইরাস ও ফায়ারওয়‍্যার ব্যবহার এবং সফটওয়‍্যার আপডেট করার মাধ্যমে নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হয়।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

ইন্টারনেট ব্যবহারের চারটি নিরাপত্তা কৌশল-
১. টু ফ্যাক্টর অথেন্টিফিকেশন (2FA) চালু করা।
২. শক্তিশালী পাসওয়ার্ড ব্যবহার করা।
৩. কম্পিউটার সফটওয়‍্যার ও মোবাইল অ্যাপস নিয়মিত আপডেট করা।
৪. ডিভাইসে অ্যান্টিভাইরাস ও ফায়ারওয়াল সুরক্ষা ইনস্টল করা।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

ডিজিটাল প্লাটফর্ম ও সোশ্যাল মিডিয়া অ্যাকাউন্টে শক্তিশালী পাসওয়ার্ড ব্যবহার করা উচিত। এক্ষেত্রে খেয়াল রাখতে হবে যে, সকল ডিজিটাল প্লাটফর্ম ও সোশ্যাল মিডিয়ায় যেন একই পাসওয়ার্ড ব্যবহার না করা হয়। সোশ্যাল মিডিয়ায় একান্ত ব্যক্তিগত ও গোপনীয় তথ্য শেয়ার করা থেকে বিরত থাকতে হবে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

অ্যান্টিভাইরাস সফটওয়্যার ডিভাইসকে ম্যালওয়‍্যার এবং ভাইরাস থেকে রক্ষা করে এবং ফায়ারওয়্যাল ট্রাফিক নিয়ন্ত্রণ করে অবাঞ্চিত অ্যাক্সেস প্রতিরোধ করে। উভয় সুরক্ষা ব্যবস্থাই নিরাপদ ইন্টারনেট ব্যবহারে সহায়তা করে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

পাসওয়ার্ড সুরক্ষা নিশ্চিত করার জন্য শক্তিশালী ও ইউনিক পাসওয়ার্ড ব্যবহার করতে হবে। প্রতিটি অ্যাকাউন্টের জন্য ভিন্ন ভিন্ন পাসওয়ার্ড ব্যবহার এবং নিয়মিত পাসওয়ার্ড পরিবর্তন করা উচিত। তাছাড়া Two Factor Authentification চালু করেও পাসওয়ার্ড সুরক্ষিত রাখা যায়।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

Two Factor Authentification (2FA) হলো একটি দুস্তরীয় নিরাপত্তা ব্যবস্থা, যেখানে ই-মেইল, সোশ্যাল মিডিয়া বা অন্য অনলাইন অ্যাকাউন্টে আইডি ও পাসওয়ার্ড দিয়ে প্রবেশের পর একটি OTP (One Time Password) দিয়ে অ্যাকাউন্টে প্রবেশ নিশ্চিত হয়। এটি পাসওয়ার্ডের পাশাপাশি অ্যাকাউন্ট সুরক্ষায় অতিরিক্ত সুবিধা প্রদান করে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

টু ফ্যাক্টর অথেন্টিফিকেশন নামক নিরাপত্তা ব্যবস্থায় ই-মেইল, সোশ্যাল মিডিয়া বা অন্য অনলাইন অ্যাকাউন্টে আইডি ও পাসওয়ার্ড দিয়ে প্রবেশের সময় একটি ৬ ডিজিট বিশিষ্ট বিশেষ পিনকোড আমাদের ফোন বা মেইলে আসে। আমরা যখন সেই পিনকোডটি সঠিকভাবে দেই, তখনই অ্যাকাউন্টে প্রবেশ করতে পারি। এই পিনকোড-ই হলো ওটিপি (ওয়ান টাইম পাসওয়ার্ড)।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

ওটিপি-এর বৈশিষ্ট্যগুলো হলো-
১. ৬ ডিজিটের একটি বিশেষ কোড।
২. সীমিত সময়ের জন্য ই-মেইল বা ফোনে মেসেজ পাঠানো হয়।
৩. একবার ব্যবহারের পরেই এর মেয়াদ শেষ হয়ে যায়।
৪. একই ওটিপি পুনরায় ব্যবহার করা যায় না।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

সোশ্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং হলো এমন একটি প্রতারণা কৌশল যেখানে হ্যাকাররা সোশ্যাল মিডিয়ায় আপলোডকৃত বিভিন্ন কনটেন্ট এর সূত্র ধরে ব্যক্তির কাছ থেকে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য ও অর্থসম্পদ হাতিয়ে নেয় উদাহরণস্বরূপ- ভূয়া কল বা স্প্যাম ব্যবহার করে ব্যক্তিগত তথ্য চুরি।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

আসক্তি হলো এমন একটি অবস্থা, যখন কেউ জানে তার কাজটি ভুল, তবু সেটি করতে বাধ্য হয়। এটি মাদক, কম্পিউটার গেম বা ইন্টারনেট ব্যবহারের ক্ষেত্রে হতে পারে। এর মাধ্যমে ব্যক্তি তার শারীরিক, মানসিক ও সামাজিক জীবনের ক্ষতি করে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

ইন্টারনেট আসক্তির ফলে যেসব ক্ষতি হতে পারে-
১. ইন্টারনেট আসক্তি পড়াশোনা ও ব্যক্তিগত উন্নয়নকে ব্যাহত করে।
২. মানসিক চাপ, উদ্বেগ এবং সামাজিক বিচ্ছিন্নতার কারণ হতে পারে।
৩. পারিবারিক ও পেশাগত জীবনে এর নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

কম্পিউটার ও ইন্টারনেট ব্যবহারের আসক্তি প্রতিরোধে অভিভাবকদের উচিত সন্তানের কম্পিউটার ব্যবহারের ওপর নজর রাখা। তাদেরকে গঠনমূলক কাজে উৎসাহিত করা এবং বিনোদন বা শিক্ষামূলক কার্যক্রমে যুক্ত করা। প্রয়োজনে অভিভাবকদের কঠোর হওয়া উচিত।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

কম্পিউটার ও ইন্টারনেট ব্যবহারে আসক্তি প্রতিরোধের উপায়-
১. নির্দিষ্ট সময় নির্ধারণ করে কম্পিউটার বা ইন্টারনেট ব্যবহার।
২. বিকল্প বিনোদন যেমন- মাঠে খেলাধুলা, টিভি দেখা, বন্ধু বা পরিবারের সাথে গল্প করা ইত্যাদি ব্যবস্থা।
৩. বাবা-মা, পরিবারের বয়োজ্যেষ্ঠ সদস্য ও শিক্ষকদের মাধ্যমে সচেতনতা তৈরি ও নজর রাখা।
৪. বিশেষজ্ঞের পরামর্শ গ্রহণ করেও আসক্তি প্রতিরোধ সম্ভব।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

কম্পিউটার গেমে আসক্তির প্রধান কারণ হলো গেমের প্রতি মাত্রাতিরিক্ত আকর্ষণ। কম্পিউটার গেমগুলোর চিত্তাকর্ষক নকশা, পুরস্কার বা অর্থ ভিত্তিক সিস্টেম, রিয়েল টাইম প্রতিযোগিতা, নিজের অর্জন অন্যকে প্রদর্শন ইত্যাদি কারণে এই আসক্তির জন্ম নেয়। এটি সাধারণত শৈশব থেকে শুরু হয় এবং অভিভাবকদের অজ্ঞতা একে ত্বরান্বিত করে। বিনোদনের উদ্দেশ্যে শুরু হলেও এটি অনেক সময় নিয়ন্ত্রণহীন হয়ে পড়ে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

গবেষণায় দেখা গেছে, কম্পিউটার গেমে আসক্ত ব্যক্তির মস্তিষ্কে বিশেষ উত্তেজক রাসায়নিক দ্রব্য তৈরি হয়। যারা নিয়মিত টানা দশ ঘণ্টা কম্পিউটার ব্যবহার করে, তাদের মস্তিষ্কের গঠনেও পরিবর্তন দেখা যায়। এমনকি অনেকে উন্মাদ বা মানসিকভাবে অসুস্থ হয়ে যায়।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

কম্পিউটার গেমের ক্ষতির দুটি উদাহরণ হলো-
১. কোরিয়ার এক ব্যক্তি টানা পঞ্চাশ ঘণ্টা গেম খেলে মারা যান।
২. চীনের এক দম্পতি গেম খেলার অর্থ সংগ্রহের জন্য তাদের শিশু সন্তানকে বিক্রি করে দেন।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

কম্পিউটার গেমে আসক্তি বিপজ্জনক, কারণ- এটি শারীরিক ক্ষতি যেমন চোখের সমস্যা এবং মানসিক চাপ সৃষ্টি করে। এটি পড়াশোনা, সামাজিক মেলামেশা ও ব্যক্তিগত উন্নয়ন বাধাগ্রস্ত করে। ফলে ব্যক্তির মানসিক ও শারীরিক বিকাশে এবং বিবেক-বুদ্ধির গঠন ব্যাহত হয়।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

সামাজিক নেটওয়ার্ক বলতে বুঝায় একটি ভার্চুয়াল প্ল্যাটফর্ম যেখানে মানুষ ইন্টারনেটের মাধ্যমে একে অপরের সঙ্গে যোগাযোগ রাখে ও তথ্য আদান-প্রদান করে। ফেসবুক, টুইটার, ইনস্টাগ্রাম ইত্যাদি সামাজিক নেটওয়ার্কের উদাহরণ।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

মূলত পরিচিতদের সাথে যোগাযোগ রাখা এবং মতবিনিময় করা ছিল সামাজিক নেটওয়ার্ক তৈরির প্রাথমিক উদ্দেশ্য। এটি বিশেষভাবে ডিজাইন করা হয়েছিল যাতে ব্যবহারকারীরা তাদের কন্ধু ও পরিবারের সাথে দ্রুত ও সুষ্ঠুভাবে যোগাযোগ করতে পারে, পাশাপাশি নিজেদের মতামত ও ভাবনা তুলে ধরতে পারে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

মানুষের নিজেকে প্রকাশ করার সুপ্ত আকাঙ্ক্ষা এবং জনপ্রিয় হওয়ার বাসনা-ই মূলত সামাজিক নেটওয়ার্ক আসক্তি তৈরি করে। এটি মানুষের Narcissism বা নিজেকে প্রকাশ করার আকাঙ্ক্ষাকে উদ্দীপিত করে এবং ইতিবাচক প্রতিক্রিয়া তাদের আত্মবিশ্বাস বৃদ্ধি করে। তাছাড়া সামাজিক নেটওয়ার্ক সাইটগুলোর আকর্ষণীয় ফিচার মানুষকে আরও বেশি আকৃষ্ট করে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

সামাজিক নেটওয়ার্কের আসক্তির লক্ষণগুলো হলো-
১. সামাজিক নেটওয়ার্কিং সাইটে অতিরিক্ত সময় ব্যয়।
২. দৈনন্দিন কাজ ও লেখাপড়ার বদলে কম্পিউটার বা মোবাইল ব্যবহার বৃদ্ধি।
৩. সোশ্যাল মিডিয়া আপডেট চেক বা নিউজ ফিড স্কুল করার প্রবণতা।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

পাঁচটি জনপ্রিয় সামাজিক নেটওয়ার্কিং সাইট হলো-

(১) ফেসবুক,

(২) টুইটার

(৩) ইনস্টাগ্রাম,

(৪) লিংকডইন,

(৫) টিকটক।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

সামাজিক নেটওয়ার্কের আসক্তি সাধারণত মানুষের নিজেকে জনপ্রিয় করার ইচ্ছা থেকে সৃষ্টি হয়। ফেসবুক, টুইটার, ইনস্টাগ্রাম, টিকটক ইত্যাদি প্ল্যাটফর্মে লাইক, মন্তব্য বা শেয়ার পাওয়ার ইচ্ছা মানুষের মধ্যে এক ধরনের প্রতিযোগিতার সৃষ্টি করে, যার ফলে তারা সারা দিন এসব সাইটে সময় ব্যয় করতে থাকে। এভাবেই অত্যাধিক ব্যবহারের কারণে মানুষ সামাজিক নেটওয়ার্কের প্রতি আসক্ত হয়।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

মনোবিজ্ঞানীরা সামাজিক যোগাযোগ সাইটগুলোর সাফল্য পরিমাপ করেন তাদের ক্ষমতার উপর, অর্থাৎ ব্যবহারকারীদের কতটা সময় এবং কতবার সাইটে প্রবেশ করানো যায় তার উপর। সাইটের সাফল্য মূলত তার ব্যবহারকারীদের আসক্ত করতে পারার ক্ষমতার উপর নির্ভর করে। এই সাইটগুলো যত বেশি ব্যবহার হবে, তত বেশি তারা আয় করতে পারে অর্থাৎ সফল হয়।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

সামাজিক নেটওয়ার্কের আসক্তির ফলে ব্যক্তির লেখাপড়া, কাজ এবং পারিবারিক জীবনে নেতিবাচক প্রভাব পড়তে পারে। এটি সময়ের অপচয় ঘটায় এবং ব্যবহারকারীরা বাস্তব জীবনে যুক্ত হওয়ার চেয়ে ভার্চুয়াল জগতে হারিয়ে যায়। এর ফলে মস্তিষ্কের সুস্থ বিকাশও বাধাগ্রস্ত হয়।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

সব মানুষের ভেতরেই নিজেকে প্রকাশ করার একটা আগ্রহ রয়েছে কিংবা নিজেকে নিয়ে মুগ্ধ থাকার এক ধরনের সুপ্ত আকাঙ্খা থাকে, তাকে মনোবিজ্ঞানের ভাষায় Narcissism বলে। এটি একটি মনস্তাত্ত্বিক অবস্থা যা মানুষকে অতিরিক্ত আত্মবিশ্বাসী করে তোলে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

সামাজিক নেটওয়ার্কের আসক্তি একজন ব্যক্তির সামাজিক সম্পর্ককে ক্ষতিগ্রস্ত করতে পারে, কারণ বেশি সময় অনলাইনে ব্যয় করার ফলে পরিবার বা সমাজের সাথে বাস্তবিক যোগাযোগ কমে যায়। আসক্তির ফলে সে বাইরের জগৎ থেকে বিচ্ছিন্ন থাকে। তাই সামাজিক রীতি-নীতি, অনুষ্ঠান ইত্যাদির প্রতি বিরূপ মনোভাব সৃষ্টি হয় যা তার সমাজ জীবনে প্রভাব ফেলে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

সামাজিক নেটওয়ার্কে আসক্তি থেকে মুক্ত থাকতে হলে প্রথমেই অতিরিক্ত সময় ব্যয় না করার জন্য নিজেকে সচেতন হতে হবে। সঠিক সময়সীমা নির্ধারণ করা, অপ্রয়োজনীয় নোটিফিকেশন বন্ধ করা, পরীক্ষা বা গুরুত্বপূর্ণ ইভেন্টের সময় সামাজিক যোগাযোগ সাইট Deactivate করা এবং অন্য গুরুত্বপূর্ণ কাজগুলোর জন্য সময় বের করা উচিত। প্রয়োজন নেই এমন মানুষের সাথে যোগাযোগ কমিয়ে আনাও কার্যকর।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

কম্পিউটার গেমের আসক্তি থেকে মুক্তির জন্য প্রথমে নিজের আসক্তি স্বীকার করতে হবে এবং তারপর দৈনন্দিন কাজের তালিকা তৈরি করতে হবে। জীবনের গুরুত্বপূর্ণ কাজ লেখাপড়া, হোমওয়ার্ক, মাঠে খেলাধুলা, Extra Curriculam Activities, পরিবারের সাথে সময় কাটানো, স্বেচ্ছাসেবামূলক কাজ ইত্যাদির জন্য সময় ভাগ করে কম্পিউটার গেমের সময় বেছে নিতে হবে। ধীরে ধীরে গেম খেলার সময় কমিয়ে সৃজনশীল কাজের প্রতি মনোযোগ দেওয়া উচিত।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

পাইরেসি হলো কোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের অনুমতি ছাড়া তার সৃষ্টকর্মের অবৈধ কপি তৈরি বা তা ব্যবহার করা। এটি সাধারণত কপিরাইট লঙ্ঘনের মাধ্যমে ঘটে। সফটওয়‍্যার, মিউজিক, সিনেমা, বই বা অন্যান্য ডিজিটাল কনটেন্টের ক্ষেত্রে পাইরেসি দেখা যায়। এটি কপিরাইট আইন অনুযায়ী একটি দন্ডনীয় অপরাধ।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

কপিরাইট আইনের লক্ষ্য হলো লেখক, শিল্পী এবং সৃজনশীল কর্মীদের তাদের সৃষ্টকর্ম সংরক্ষণের অধিকার দেওয়া। সৃষ্টিশীল ব্যক্তিরা যেন তাদের কাজের মেধাস্বত্ব রক্ষা এবং অবৈধভাবে তাদের কাজের ব্যবহার রোধ করতে পারেন সেজন্য এটি প্রণীত হয়। এটি সৃজনশীল শিল্পের উন্নতি ও সৃষ্টিশীলতায় উৎসাহ প্রদানে সহায়ক।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

কম্পিউটারে সৃষ্টকর্মের কপিরাইট সংরক্ষণ কঠিন, কারণ কম্পিউটারে যেকোনো কিছুর কপি বা অবিকল প্রতিলিপি তৈরি খুব সহজ এবং এতে বিশেষজ্ঞ হওয়ার প্রয়োজন পড়ে না। ফলে সহজেই কপিরাইট বিঘ্নিত হয় এবং পাইরেসির ঝুঁকি বাড়ে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

কম্পিউটারের বেলায় কোনো কিছুর কপি বা অবিকল প্রতিলিপি তৈরি খুব সহজ। এমনকি এতে বিশেষজ্ঞ হওয়ার প্রয়োজন পড়ে না। এ কারণে কম্পিউটার সফটওয়‍্যার, কম্পিউটারে করা - সৃজনশীল কর্ম যেমন ছবি, এনিমেশন, গবেষণা পত্র ইত্যাদির বেলায় কপিরাইট সংরক্ষণ করার জন্য বাড়তি ব্যবস্থা নিতে হয়।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

সফটওয়্যার পাইরেসি ঘটে যখন কোনো ব্যক্তির অনুমতি ছাড়া  তার তৈরি সফটওয়্যার কপি করে বা পরিমার্জন করে নতুন কিছু বা নতুন সফটওয়‍্যার তৈরি করা এবং ইন্টারনেটে শেয়ার করা হয়। এটি কপিরাইট লঙ্ঘনের একটি উদাহরণ।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

বিজনেস সফটওয়‍্যার এলায়েন্স (BSA) এমন একটি সংস্থা যেটি বড় বড় সফটওয়্যার কোম্পানিগুলোর মেধাস্বত্ব সংরক্ষণ এবং বিশ্বব্যাপী সফটওয়‍্যার পাইরেসি নজরদারি করার জন্য কাজ করে। এটি বিশ্বব্যাপী সফটওয়‍্যার শিল্পের স্বার্থরক্ষা এবং অবৈধ সফটওয়‍্যার ব্যবহারের বিরুদ্ধে সচেতনতা বাড়ানোর জন্য প্রচারনা চালায় ও আইনগত সহায়তাও প্রদান করে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

সফটওয়‍্যার পাইরেসি নিষিদ্ধ, কারণ এটি কপিরাইট আইনের আওতায় সংশ্লিষ্ট উদ্যোক্তা, নির্মাতা বা প্রোগ্রামরদের মেধাস্বত্ব লঙ্ঘন করে এবং সৃজনশীল উদ্যোক্তাদের আর্থিক ক্ষতি করে, যা আইনের দৃষ্টিতে অবৈধ। এটি কপিরাইট ব্যবস্থা বিঘ্নিত করে যা সৃজনশীলতাকে নিরুৎসাহিত করে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

কপিরাইট আইন সৃজনশীল কর্মীদের তাদের সৃষ্টিকর্মের ওপর নির্দিষ্ট সময়ের জন্য মালিকানা বা স্বত্বাধিকার দেয়। এটি তাদের বিনিয়োগ ও পরিশ্রমের সঠিক মূল্যায়ন নিশ্চিত করে এবং সৃষ্টিকর্মের অননুমোদিত ব্যবহার প্রতিরোধ করে। তাই কপিরাইট আইন খুবই গুরুত্বপূর্ণ।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

কপিরাইট আইন সৃজনশীল কর্মীদের তাদের মেধা ও শ্রমের ফসল বাণিজ্যিকভাবে সুরক্ষিত করতে সাহায্য করে, যা তাদের আর্থিক নিরাপত্তা দেয় এবং কাজের প্রতি উৎসাহ জোগায়। কপিরাইট আইনের আওতায় থাকা এই মেধাবীরা তাদের কাজের সুরক্ষায় আইনগত সুবিধাও পেয়ে থাকেন।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

তথ্যের অবাধ প্রবাহ এবং জনগণের তথ্য প্রাপ্তির অধিকার নিশ্চিতকরণের লক্ষ্যে বিশ্বের বিভিন্ন দেশে যে আইন প্রণীত ও বাস্তবায়িত হচ্ছে তা-ই তথ্য অধিকার (Right to Information)। বাংলাদেশে ২০০৯ সালে প্রণীত এই আইন সরকার, স্বায়ত্তশাসিত সংস্থা এবং সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের তথ্য প্রাপ্তি সহজতর করেছে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

তথ্য অধিকার আইন ২০০৯ অনুযায়ী কর্তৃপক্ষের নিকট হতে প্রত্যেক নাগরিকের তথ্য লাভের অধিকার রয়েছে এবং কোনো নাগরিকের অনুরোধের প্রেক্ষিতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ তাকে তথ্য সরবরাহ করতে বাধ্য থাকেন। এই আইনে জনগণের তথ্য অধিকার নিশ্চিতের পাশাপাশি সংস্থাসমূহকে তথ্য সংরক্ষণ করার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। ফলে জনগণের যে কোনো বিষয়ে তথ্য প্রাপ্তি সহজ হয়েছে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

তথ্য অধিকার আইন প্রতিষ্ঠিত হলে জনগণের তথ্য অধিকার নিশ্চিত হবে। ফলে সরকারি, স্বায়ত্তশাসিত ও সংবিধিবদ্ধ সংস্থা এবং সরকারি ও বিদেশি অর্থায়নে সৃষ্ট বা পরিচালিত বেসরকারি সংস্থার স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা বৃদ্ধি পাবে, দূর্নীতি হ্রাস পাবে ও সুশাসন প্রতিষ্ঠিত হবে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

যে সকল তথ্যে গোপনীয়তার সঙ্গে রাষ্ট্রের নিরাপত্তার বিষয়টি জড়িত সেক্ষেত্রে তথ্য অধিকার আইনের আওতায় তথ্য প্রকাশ বাধ্যতামূলক নয়। যদি কোনো তথ্য প্রকাশ করলে দেশের নিরাপত্তা, অখণ্ডতা ও সার্বভৌমত্বের প্রতি হুমকি সৃষ্টি হয়, সেগুলোও এ আইনের আওতায় প্রকাশযোগ্য নয়। একইভাবে কোনো প্রতিষ্ঠানের কৌশলগত, কারিগরি বা বৈজ্ঞানিক তথ্য প্রকাশিত হলে প্রতিষ্ঠানটি ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে বলে ধারণা করা হয় এসব তথ্য গোপন রাখাও আইন-লঙ্ঘনীয় নয়।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

পরীক্ষার আগেই পরীক্ষার প্রশ্নপত্র প্রকাশ পরীক্ষা পদ্ধতির গোপনীয়তা ও স্বচ্ছতাকে বাধাগ্রস্ত করে। এই তথ্য প্রকাশে প্রতিষ্ঠানকে বাধ্য করা হলে তা সম্পূর্ণ পরীক্ষা পদ্ধতিকে প্রশ্নবিদ্ধ করবে। এ কারণেই পরীক্ষার প্রশ্নপত্র প্রকাশ তথ্য অধিকার আইনের আওতায় নেই।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

ট্রাবলশুটিং হলো সমস্যার উৎস বা উৎপত্তিস্থল নির্ণয়ের প্রক্রিয়া। এতে সাধারণত কিছু প্রশ্ন উপস্থাপন করা হয় এবং এর সমাধান দেওয়া থাকে। ব্যবহারকারী তার সমস্যার প্রকৃতি অনুযায়ী সমাধান অনুসরণ করে সমস্যাটি সমাধান করতে পারে। মূলত ট্রাবলশুটিং হচ্ছে এমন কিছু যা, একটি নির্দিষ্ট সীমার মধ্যে থেকে করতে হয়।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

অন্য যে কোনো ইলেকট্রনিক যন্ত্রের তুলনায় কম্পিউটার বা আইসিটি যন্ত্রের ট্রাবলশুটিং একটু বেশিই প্রয়োজন হয়। কারণ, এগুলো আমরা অন্যান্য ইলেকট্রনিক যন্ত্রের তুলনায় বেশি সময় ধরে ব্যবহার করি। অধিক ব্যবহারের কারণে যন্ত্রগুলোতে সমস্যা সৃষ্টি হওয়ার সম্ভাবনাও বেশি থাকে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

ইলেকট্রনিক যন্ত্র ব্যবহারের ক্ষেত্রে দেখা যায় প্রতিটি যন্ত্রের সাথেই একটি ম্যানুয়াল বা নির্দেশিকা থাকে। সাধারণত এই নির্দেশিকার শেষ দিকে এক বা দুই পৃষ্ঠার একটি ট্রাবলশুটিং অংশ থাকে। ট্রাবলশুটিং অংশে সাধারণ সমস্যার প্রকৃতি ও এর সমাধান দেওয়া থাকে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

সিস্টেম চালু না হওয়ার সম্ভাব্য কারণসমূহ-
১. মেইন পাওয়ার ক্যাবলের সংযোগ Loose বা ঢিলে হওয়া।
২. মেইন বোর্ডে পাওয়ার না আসা।
৩. পাওয়ার সাপ্লাই ইউনিট নষ্ট হয়ে যাওয়া।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

'সিস্টেম চালু হচ্ছে না'- এ সমস্যটির সমাধান কৌশল নিম্নরূপ-
ক. মেইন পাওয়ার ক্যাবলের সংযোগটি loose বা ঢিলে কিনা দেখতে হবে।
খ. মেইন বোর্ডে পাওয়ার আসছে কিনা দেখতে হবে।
গ. মেইন বোর্ডে যদি পাওয়ার না আসে পাওয়ার সাপ্লাই ইউনিট পরিবর্তন করতে হবে।
ঘ. স্থানীয় কোনো সার্ভিস সেন্টারে নিয়ে অভিজ্ঞ কাউকে দেখাতে হবে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

'সিস্টেম চালু থাকলেও মনিটরে কিছু দেখা যাচ্ছে না' সমস্যাটির সমাধানে-
১. মনিটরের বাতি জ্বলছে কিনা পরীক্ষা করতে হবে।
২. মনিটরের ডেটা ক্যাবলটি লুজ বা খোলা কিনা পরীক্ষা করতে হবে।
৩. র‍্যাম পুনরায় ইনস্টল করলে Beep সাউন্ড হচ্ছে কিনা পরীক্ষা করতে হবে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

র‍্যাম সমস্যাযুক্ত হলে-
১. Beep সাউন্ড শুনতে পাওয়া যায়।
২. কম্পিউটার সঠিকভাবে চললেও মনিটরে কিছু দেখা যায় না।
৩. কম্পিউটার ধীরে গতিতে কাজ করে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

Heat Sink-এ প্রচুর ধুলোবালি জমলে বায়ু চলাচল বাধাগ্রস্থ হয়। এতে করে CPU ঠান্ডা হতে পারে না। ফলে সিস্টেম অত্যন্ত গরম হয়ে যায় এবং অস্বাভাবিকভাবে হঠাৎ বন্ধ হয়ে যায়।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

মনিটরে Display না এলে র‍্যাম পরীক্ষার ধাপগুলো হলো-
১. র‍্যাম সরিয়ে Beep সাউন্ড চেক করা।
২. Beep সাউন্ড হলে র‍্যাম পুনরায় ইনস্টল করা।
৩. Beep সাউন্ড না হলে নতুন র‍্যাম ব্যবহার করা।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

উত্তপ্ত না হয়েও কম্পিউটার কয়েক মিনিট পর পর Shut down হওয়ার সম্ভাব্য কারণসমূহ-
১. মাদারবোর্ডে লিকযুক্ত বা ত্রুটিপূর্ণ ক্যাপাসিটরের উপস্থিতি।
২. কম্পিউটার চালু অবস্থায় IC বা অন্য কম্পোনেন্টের অতিরিক্ত তাপ উৎপাদন।
৩. মাদারবোর্ড Shorted হয়ে যাওয়া।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

উইন্ডোজ রান করার সময় কম্পিউটার হ্যাং হয়ে গেলে-
১. আপগ্রেড এন্টিভাইরাস চালিয়ে হার্ডডিস্কে ভাইরাস থাকলে তা চেক করে ক্লিন করতে হবে।
২. হাডডিস্ক থেকে গুরুত্বপূর্ণ ডেটা ব্যাকআপ নিয়ে 'C' ড্রাইভফরম্যাট করে নতুন করে উইন্ডোজ ইনস্টল করতে হবে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

পাওয়ার অন করলে Display আসার পর কম্পিউটার Hang হয়ে যাওয়ার কারণ-
১. মাদারবোর্ডের RAM, Processor অথবা Power Supply Connection-এ সমস্যা।
২. ডেটা ক্যাবল বা পাওয়ার ক্যাবলে লুজ কানেকশন।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

কম্পিউটার ঘন ঘন হ্যাং করে বা রিস্টার্ট হয়ে যায়- এ সমস্যার কারণগুলো হলো-
১. সিপিইউর উপর সংযুক্ত কুলিং ফ্যান ঠিকমতো ঘুরে না বা কম্পিউটার পর্যাপ্ত ঠান্ডা করতে পারে না।
২. কম্পিউটারে ভাইরাস থাকে।
৩. নতুন সফটওয়্যার বা প্রোগ্রাম লোড করা হয়।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

কম্পিউটার ঘন ঘন হ্যাং করে বা রিস্টার্ট হয়ে যায়- এ সমস্যার সম্ভাব্য সমাধান হতে পারে-
১. কম্পিউটারের পাওয়ার অফ করে কেসিং খুলে কুলিং ফ্যান চেক করা, প্রয়োজন হলে নতুন ফ্যান স্থাপন করা।
২. আপগ্রেড এন্টিভাইরাস দ্বারা কম্পিউটার হার্ডডিস্কের প্রতিটি ড্রাইভ ক্লিন করা।
৩. নতুন ইনস্টলকৃত প্রোগ্রামটি আনইনস্টল করা।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

মাদারবোর্ডে সংযুক্ত CMOS ব্যাটারি কার্যক্ষমতা হারালে-
১. কম্পিউটারের তারিখ ও সময় ঠিক থাকে না।
২. বায়োসের কোনো অপশন পরিবর্তন করলে তা সেভ হয় না।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

কম্পিউটার আর্থিং করা না থাকলে কম্পিউটারে কাজ করার সময় অসাবধানবশত মেটাল অংশে স্পর্শ বা হাত লাগলে বৈদ্যুতিক শক করতে পারে। এতে করে ছোট থেকে বড় দূর্ঘটনা ঘটার পাশাপাশি কম্পিউটার বা বিদ্যুৎ ব্যবস্থায়ও ক্ষয়ক্ষতি ঘটতে পারে। তাই একজন পারদর্শী ইলেকট্রিশিয়ান দ্বারা যথাযথ ভাবে কম্পিউটার আর্থিং করা প্রয়োজন।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

Boot Disk Failure মেসেজ দেখায় যখন-
১. হার্ডডিস্ক ড্রাইভ সংযুক্ত ডেটা ক্যাবল ও পাওয়ার ক্যাবল লুজ থাকে।
২. হার্ডডিস্কের পেছনের জাম্পার সেটিং সঠিক থাকে না।
৩. বায়োস অপশন থেকে হার্ডডিস্ক ড্রাইভ অটো বা ম্যানুয়ালি ডিটেক্ট করা যায় না।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

Hard Disk Not Found সমস্যার সমাধান-
১. হার্ডডিস্ক ড্রাইভ সংযুক্ত ডেটা ও পাওয়ার ক্যাবল সঠিকভাবে কানেক্ট করতে হবে।
২. জাম্পার সেটিং সঠিকভাবে করতে হবে।
৩. অভিজ্ঞ কারও সাহায্যে ভালো হার্ডডিস্ক লাগিয়ে প্রয়োজনীয় প্রোগ্রাম ইনস্টল করতে হবে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

Out of Memory or Not Enough Memory মেসেজ
দেখানোর কারণ হলো-
১. অতিরিক্ত প্রোগ্রাম ইনস্টল বা একসাথে ওপেন করা।

২. অতিরিক্ত প্রোগ্রাম ইনস্টল করার মতো পর্যাপ্ত মেমোরি না থাকা।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

কীবোর্ড কাজ না করলে সম্ভাব্য সমাধান-
১. কীবোর্ডটি পোর্টের সাথে যথাযথভাবে সংযোগ স্থাপন করতে হবে।
২. এন্টিভাইরাস দ্বারা ভাইরাস ক্লিন করতে হবে।
৩. নতুন কীবোর্ড ব্যবহার করতেহবে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

মাউস কাজ না করলে-
১. মাউসের ক্যাবল ও পোর্ট সংযোগ ঠিক করতে হবে।
২. অন্য কোনো পোর্ট ব্যবহার করা যেতে পারে।
৩. বায়োসে মাউস ডিজ্যাবল থাকলে তা এনাবল করতে হবে।
৪. নতুবা নতুন মাউস ব্যবহার করতে হবে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

মনিটরে পাওয়ার না থাকার কারণগুলো হলো-
১. পাওয়ার বোতাম বা সুইচ অফ থাকা।
২. AC পাওয়ার কর্ডটি মনিটরের পেছনে ও পাওয়ার আউটলেটে সংযুক্ত না থাকা।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

মনিটরের পাওয়ার অন কিন্তু পর্দায় কোন ছবি নেই- সমস্যার সমাধান হলো-
১. মনিটর সংলগ্ন ভিডিও ক্যাবলটি দৃঢ়ভাবে কম্পিউটারের পেছনে লাগিয়ে দেওয়া।.
২. ব্রাইটনেস এবং কনট্রাস্ট ঠিক করা।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

প্রিন্টারে প্রিন্ট না হওয়ার চারটি কারণ হলো-
১. প্রিন্টার সংযুক্ত পাওয়ার ক্যাবল লুজ থাকা।
২. কম্পিউটারের সাথে প্রিন্টারের ডেটা ক্যাবল লুজ বা খোলা থাকা।
৩. প্রিন্টারের ভেতরে অন্য কোনো কাগজ আটকে থাকা।
৪. প্রিন্টারের কার্টিজে কালি না থাকা।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

প্রিন্টারে প্রিন্ট হচ্ছে না- সমস্যাটির সমাধান উল্লেখ করা হলো-
.১. প্রিন্টার সঠিকভাবে অন করা।
২. প্রিন্টারের সাথে পাওয়ার ক্যাবল সঠিকভাবে কানেক্ট করা।
৩. প্রিন্টার চালুর পর লাল বা হলুদ ব্লিংকিং বাতি জ্বললে রিসেট বাটনে চাপ দেওয়া।
৪. প্রয়োজনীয় ড্রাইভার সফটওয়‍্যার ইনস্টল করা।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

হার্ডওয়্যার ও সফটওয়‍্যার সমন্বিত রূপ কম্পিউটার l

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

কম্পিউটার রক্ষণাবেক্ষণ দুই প্রকারের হতে পারে l

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

ব্যবহারকারী নিজে নিজেই প্রতিরোধমূলক রক্ষণাবেক্ষণ ধরনের রক্ষণাবেক্ষণ করতে পারেন l

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

সংশোধনমূলক রক্ষণাবেক্ষণের জন্য সাধারণত কার প্রয়োজন  কম্পিউটার টেকনিশিয়ান হয় l

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

ইলেকট্রিক শক থেকে রক্ষা পেতে কম্পিউটারের বিদ্যুৎ সংযোগ ব্যবস্থায় আর্থিং থাকা উচিত l

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

বিশ্বের বেশিরভাগ কম্পিউটারে উইড্রোজ অপারেটিং সিস্টেম অপারেটিং সিস্টেম ব্যবহৃত হয়

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

অপারেটিং সিস্টেম সবসময় হালনাগাদ বা আপডেট করতে হয় l

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

কম্পিউটারের সাথে ইন্টারনেট সংযুক্ত করলে অপারেটিং সিস্টেমের আপডেটগুলো স্বয়ংক্রিয়ভাবে হয়ে থাকে l

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

প্রত্যেকবার কম্পিউটার ব্যবহার করার সময় বেশ কিছু টেম্পোরারি ফাইল তৈরি হয়  l

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

ইন্টারনেট ব্যবহার করলে ইন্টারনেট ব্রাউজারের ক্যাশ মেমোরিতে কুকিজ ও টেম্পোরারি ফাইল জমা হয় l

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

কম্পিউটারকে ঝুঁকির হাত থেকে রক্ষা করে এন্টিভাইরাস সফটওয়‍্যার l

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

এন্টিভাইরাস সফটওয়্যারগুলো কোথায় হালনাগাদ করা ইন্টারনেটে যায় l

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

কম্পিউটারের কাজ করার গতি বজায় রাখার জন্য ডিস্ক ক্লিনআপ ও ডিস্ক ডিফ্র্যাগমেন্টার ব্যবহার করা হয় l

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

ডিস্ক ক্লিনআপ ও ডিস্ক ডিফ্র্যাগমেন্টার প্রোগ্রামগুলো কিসের সাথে অপারেটিং সিস্টেম যুক্ত থাকেl

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

আইসিটি যন্ত্রগুলো কিসের মাধ্যমে পরিচালিত সফটওয়‍্যার হয় l

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

অপারেটিং সিস্টেম সফটওয়‍্যার সফটওয়‍্যার ইনস্টল করার প্রক্রিয়া একটু জটিলl

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

অপারেটিং সিস্টেম সফটওয়‍্যারটি ইনস্টল করতে বিশেষ দক্ষতার প্রয়োজন হয় l

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

সফটওয়‍্যার ইনস্টল করার জন্য কার অনুমতি নিতে অপারেটিং সিস্টেম হয় l

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

আমরা কখন কম্পিউটারে অতিরিক্ত RAM যুক্ত করি মেমোরি কম হলে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

কোনো সফটওয়্যার সেটআপ করার জন্য exe ফাইলটি ব্যবহৃত হয় l

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

অ্যাড অর রিমুভ' কন্ট্রোল প্যানেলে দেখতে পাবে l

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

অপারেটিং সিস্টেম সফটওয়‍্যার সিস্টেম সফটওয়‍্যার নামে পরিচিত l

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

একটি কম্পিউটার সিস্টেমের সবচেয়ে ব্যয়বহুল অংশ সফটওয়‍্যার।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

কম্পিউটার প্রোগ্রামের এক্সিকিউশনকে নিয়ন্ত্রণ করে Operating system  সফটওয়‍্যার l

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

সফটওয়‍্যার ইনস্টল সংক্রান্ত জরুরি তথ্যাদি read me ফাইলে সাধারণত লেখা থাকে l

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

সফটওয়‍্যার ইনস্টলের সময় অন্য সকল কাজ বন্ধ না থাকলে অনেক সময় নতুন সফটওয়্যার ইনস্টল করতে ঝামেলা হয়'।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

কোনো সফটওয়্যার install করতে হলে সফটওয়‍্যারটির ডিজিটাল কপি ধরনের কপি আমাদের প্রয়োজন l

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

সফটওয়‍্যারের ডিজিটাল কপি কোথায় পাওয়া যায় ইন্টারনেটে l

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

setup ফাইলে ক্লিক করলে সফটওয়‍্যার ইনস্টলেশন শুরু হয় l

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

ইনস্টলকৃত প্রোগ্রাম ব্যবহার করার জন্য কম্পিউটারটি Restart করা উচিতl

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

কম্পিউটারে থাকা অপ্রয়োজনীয় সফটওয়‍্যারসমূহ Uninstall করা উচিত l

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

টাচস্ক্রিনযুক্ত স্মার্টফোন ফোন থেকে সফটওয়‍্যার আনইনস্টল করা খুবই সহজ l

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

সফটওয়‍্যার আনইনস্টল করার জন্য স্টার্ট বাটন থেকে কোথায় কন্ট্রোল প্যানেলে যেতে হবে l

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

সফটওয়্যার আনইনস্টল করার জন্য সর্বপ্রথম স্টার্ট বাটন ক্লিক করতে হবে l

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

আন ইনস্টল করার পর কম্পিউটার রিস্টার্ট করতে হয় l

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

ডিলিট এর আভিধানিক অর্থ মুছে, ফেলা।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

আনইনস্টল করলে সফটওয়‍্যারটির কিছু অংশ অপারেটিং সিস্টেমের রেজিস্ট্রি ফাইলে থেকে যায় l

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

Find এর শর্টকার্ট Ctrl + F. l

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

Find এর শর্টকার্ট Ctrl + F l

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
5 months ago
উত্তরঃ

সাধারণত গুরুত্বপূর্ণ ফাইলসমূহকে Local (C) ড্রাইভে সংরক্ষণ করা উচিত নয় l

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
5 months ago
উত্তরঃ

সফটওয়‍্যার ডিলিট করার সময় ফাইল মেনুতে প্রবেশ করে কিসে Export করতে হয় l

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
5 months ago
উত্তরঃ

Run Command চালু করার কমান্ড Windows key + r. l

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
5 months ago
উত্তরঃ

সফটওয়‍্যার ডিলিট করতে কী-বোর্ডের কোন F3-তে চাপ দিয়ে রেজিস্ট্রি ফাইলের সব জায়গা থেকে ফাইলগুলো মুছে ফেলতে হয় l

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
5 months ago
উত্তরঃ

১২ ধাপে সফটওয়‍্যার delete করার প্রক্রিয়াটি সম্পূর্ণ l

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
5 months ago
উত্তরঃ

বর্তমান সময়ে মানুষের সবচেয়ে মূল্যবান সম্পদ তথ্য l

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
5 months ago
উত্তরঃ

তথ্যের প্রবেশাধিকার বিবেচনায় তথ্যের প্রকারভেদ দুইটি l

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
5 months ago
উত্তরঃ

বাণিজ্যিক চুক্তি গোপনীয় ধরনের তথ্য l

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
5 months ago
উত্তরঃ

বর্তমান যুগ কততম শিল্প বিপ্লবের যুগ চতুর্থ l

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
5 months ago
উত্তরঃ

বাহ্যিক জগতের সমান্তরাল জগতের নাম সাইবার জগৎ l

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
5 months ago
উত্তরঃ

সমাজ ও আইন বিরোধী কর্মকাণ্ডে অপরাধ বলে l

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
5 months ago
উত্তরঃ

অনলাইন বা ইন্টারনেটে সাইবার অপরাধ ধরনের অপরাধ ঘটে থাকে l

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
5 months ago
উত্তরঃ

সাইবার অপরাধীরা আমাদের ব্যক্তিগত তথ্য চুরি করে l

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
5 months ago
উত্তরঃ

যে হ্যাকিং করে তাকে হ্যাকার বলা হয় l

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
5 months ago
উত্তরঃ

হ্যাকিং দুইটি উপায়ে ঘটতে পারে l

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
5 months ago
উত্তরঃ

অবৈধভাবে যারা হ্যাকিং করে তাদেরকে ক্রেকার বলে l

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
5 months ago
উত্তরঃ

কারা সিস্টেম, সিকিউরিটি চেক করে কিন্তু কোনো ক্ষতি করে হোয়াইট হ্যাট হ্যাকারনা না l

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
5 months ago
উত্তরঃ

হ্যাকিং অপরাধের প্রবণতা দিন দিন বেড়েই চলছে l

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
5 months ago
উত্তরঃ

তালাবদ্ধ রুমে প্রবেশের জন্য চাবি প্রয়োজন l

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
5 months ago
উত্তরঃ

ব্রুট ফোর্স অ্যাটাককারী ট্রায়াল এবং এরর পদ্ধতি ব্যবহার করে সিস্টেমে অ্যাক্সেস করে l

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
5 months ago
উত্তরঃ

ব্রুট ফোর্স অ্যাটাক প্রতিরোধে শক্তিশালী পাসওয়ার্ড ব্যবহার করতে হবে l

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
5 months ago
উত্তরঃ

ডেটা ইন্টারসেপশন প্রক্রিয়ায় ডেটা আদান-প্রদানের সময় প্রেরক ও প্রাপকের মধ্যবর্তী কেউ আড়ি পেতে তা চুরি করে l

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
5 months ago
উত্তরঃ

মেসেজ বা ডেটাকে এনকোড করার বিশেষ পদ্ধতির নাম এনক্রিপশন l

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
5 months ago
উত্তরঃ

ডেটার গোপনীয়তা রক্ষা করার জন্য ডেটাকে এনক্রিপ্ট করা হয় l

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
5 months ago
উত্তরঃ

D DoS-এর পূর্ণরূপ Distributed Denial of Service l

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
5 months ago
উত্তরঃ

ডি ডস অ্যাটাক অ্যাটাকে একই সময়ে একাধিক ডিভাইস ব্যবহার করে একটি নির্দিষ্ট টার্গেটকে আক্রমণ করা হয় l

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
5 months ago
উত্তরঃ

ডি ডস অ্যাটাকে সিস্টেমকে মোহাবিষ্ট করা হয় l

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
5 months ago
উত্তরঃ

ম্যালওয়‍্যার Malicious Software ইংরেজি শব্দের সংক্ষিপ্ত রূপ l

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
5 months ago
উত্তরঃ

কম্পিউটার সিস্টেমের অনিচ্ছাকৃত ভুল বা ত্রুটিকে বাগ বলা হয় l

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
5 months ago
উত্তরঃ

ম্যালওয়‍্যার ক্ষতিকর জাতীয় সফটওয়‍্যার l

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
5 months ago
উত্তরঃ

কম্পিউটার নেটওয়ার্ক ব্যবস্থায় অবাঞ্চিত বিজ্ঞাপন দেখাতে অ্যাডওয়্যার ব্যবহার করা হয় l

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
5 months ago
উত্তরঃ

আইসিটি ব্যবহার করে কাউকে জোরপূর্বক কিছু করতে বাধ্য করাকে সাইবার বুলিংবলে l

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
5 months ago
উত্তরঃ

সমাজে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করা বা সম্প্রদায়গত বিদ্বেষ ঘটানো সাইবার সন্ত্রাস অন্তর্ভুক্ত l

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
5 months ago
উত্তরঃ

কাদের ক্ষেত্রে সাইবার সন্ত্রাস বেশি শিশু, কিশোর-কিশোরী ও তরুন-তরণী ঘটে থাকে l

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
5 months ago
উত্তরঃ

ফেইক আইডির ক্ষেত্রে কার পরিচয় খুঁজে বের করা অত্যন্ত কঠিন প্রকাশকারী বা উৎস l

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
5 months ago
উত্তরঃ

মিথ্যা বা বিভ্রান্তিকর তথ্য সংবাদ হিসেবে উপস্থাপিত হলে তাকে ফেইক নিউজ বলা হয় l

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
5 months ago
উত্তরঃ

ফেইক নিউজ নির্দিষ্ট অ্যাজেন্ডা প্রচার করার জন্য ব্যবহৃত হতে পারে l

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
5 months ago
উত্তরঃ

বাংলাদেশে তথ্য ও প্রযুক্তি আইন২০০৬ সালে প্রণীত হয়  l

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
5 months ago
উত্তরঃ

ডিজিটাল মাধ্যমে ফেইক নিউজ ছড়ানোর জন্য সর্বোচ্চ ১০ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড হতে পারে l

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
5 months ago
উত্তরঃ

ন্যাশনাল ইমার্জেন্সি সার্ভিসের ডায়াল নম্বর ৯৯৯l

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
5 months ago
উত্তরঃ

সাইবার আক্রমণের শিকার হলে কোন অনলাইন ঠিকানায় অভিযোগ পাঠাতে হবে

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
5 months ago
উত্তরঃ

সাইবার আক্রমণের শিকার হলে নিকটস্থ থানায় জিডি করতে হবে l

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
5 months ago
উত্তরঃ

সিআইডি আইন শৃঙ্খলা রক্ষাকারী ধরনের বাহিনী l

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
5 months ago
উত্তরঃ

র‍্যাবের মোবাইল অ্যাপ্লিকেশনের নাম Report to RAB l

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
5 months ago
উত্তরঃ

নিরাপদ ইন্টারনেট ব্যবহারের জন্য 2FA চালু করা উচিত

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
5 months ago
উত্তরঃ

কম্পিউটার সফটওয়‍্যার ও মোবাইল অ্যাপ্লিকেশনগুলো নিয়মিত আপডেট করা উচিত

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
5 months ago
উত্তরঃ

পিনকোড বা পাসওয়ার্ড কারো সাথে শেয়ার করা থেকে বিরত থাকতে হবে l

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
5 months ago
উত্তরঃ

OTP সাধারণত ৬ ডিজিটের হয়ে থাকে l

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
5 months ago
উত্তরঃ

OTP সীমিত সময়ের জন্য পাঠানো হয় l

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
5 months ago
উত্তরঃ

বর্তমান সময়ে সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহার খুবই স্বাভাবিক বিষয় l

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
5 months ago
উত্তরঃ

হ্যাকাররা সোশ্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং মাধ্যমে প্রতারনা করে সকল অর্থ সম্পদ হাতিয়ে নেয় l

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
5 months ago
উত্তরঃ

আসক্তি বলে একটি ভীতিকর শব্দ আছে l

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
5 months ago
উত্তরঃ

সাধারণত আসক্তি শব্দটি মাদক সাথে ব্যবহৃত হয় l

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
5 months ago
উত্তরঃ

কম্পিউটার গেমে সময় কমিয়ে মাঠে খেলাধুলা করা উচিত l

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
5 months ago
উত্তরঃ

কম্পিউটার গেমে সময় কমিয়ে সৃজনশীল কাজে ক্ষেত্রে নিজেকে ব্যস্ত রাখা উচিত l

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
5 months ago
উত্তরঃ

সত্যিকারের কাজে ব্যয় না করে কোনো একটি আসক্তির পিছনে ব্যয় করা অপরাধ হিসেবে হিসেবে বিবেচিত হবে l

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
5 months ago
উত্তরঃ

বে-আইনিভাবে কারোর বই ইন্টারনেট থেকে নামিয়ে ফেলা কপি রাইট আইন আইনের লঙ্ঘন l

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
5 months ago
উত্তরঃ

কপিরাইট আইনের আওতায় একজন কপিরাইট হোল্ডারের কপিরাইট যখন তার অধিকার ক্ষুণ্ণ হয় বিঘ্নিত হয়েছে বলে ধরে নেওয়া হয় l

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
5 months ago
উত্তরঃ

কখন সফটওয়‍্যারের প্রতিলিপি তৈরি করা কপিরাইট হোল্ডারের অনুমতি না থাকলে হয়ে যায় l

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
5 months ago
উত্তরঃ

পার্সোনাল কম্পিউটার ব্যবহারকারীদের প্রতি দশজনের মধ্যে ৭ জন পাইরেসি মুক্ত l

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
5 months ago
উত্তরঃ

কপিরাইট আইন নির্দিষ্ট সময় পর্যন্ত জন্য মালিককে তার সৃষ্টকর্মের স্বত্বাধিকার, প্রদান করে

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
5 months ago
উত্তরঃ

সৃজনশীল কর্মের স্রষ্টাকে তার সৃষ্টকর্মের উপর স্বত্বাধিকার দেয় কপিরাইট আইন।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
5 months ago
উত্তরঃ

কপিরাইট আইনের কার্যকারিতা কাদের নিরুৎসাহিত হওয়া থেকে রক্ষা করে সৃজনশীল কর্মীদের।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
5 months ago
উত্তরঃ

মেধার মূল্যকে স্বীকৃতি প্রদান করে কপিরাইট আইন।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
5 months ago
উত্তরঃ

জনগণের তথ্য অধিকার নিশ্চিতকরণের নিমিত্তে তৈরিকৃত বিধান তথ্য অধিকার আইন।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
5 months ago
উত্তরঃ

তথ্য অধিকার আইন তথ্য অধিকার নিশ্চিতকরণে উদ্দেশ্যে তৈরি করা হয়েছেl

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
5 months ago
উত্তরঃ

কম্পিউটার ধরনের যন্ত্রের তুলনামূলক প্রয়োজন হয়? ট্রাবলশুটিং একটু বেশি l

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
5 months ago
উত্তরঃ

ট্রাবলশুটিংসমস্যার উৎস নির্ণয়ের প্রক্রিয়া l

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
5 months ago
উত্তরঃ

ট্রাবলশুটিং অংশে আইসিটি যন্ত্রের সাধারণ সমস্যার প্রকৃতি ও সমাধান দেওয়া থাকে l

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
5 months ago
উত্তরঃ

সিস্টেম চলছে কিন্তু মনিটরে কিছু দেখা যাচ্ছে না- এটি ঠিক করতে ৯টি  পদক্ষেপ নিতে হবে  l

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
5 months ago
উত্তরঃ

RAM কিসের নাম মেমোরির l

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
5 months ago
উত্তরঃ

র‍্যাম কম্পিউটারের মাদারবোর্ডের নির্ধারিত স্লটে বসানো থাকে l

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
5 months ago
উত্তরঃ

র‍্যাম স্লটকে শক্ত ব্রাশ দিয়ে পরিষ্কার করতে হবে l

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
5 months ago
উত্তরঃ

র‍্যাম সমস্যাযুক্ত হলে মনিটরে কিছু দেখা যায় না সমস্যাটি দেখা দেয় l

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
5 months ago
উত্তরঃ

র‍্যাম এর connector সমূহকে মাদারবোর্ডে পরিষ্কার করতে হবে l

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
5 months ago
উত্তরঃ

কম্পিউটারের প্রসেসর মাদারবোর্ডে থাকে l

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
5 months ago
উত্তরঃ

বায়োসের কোনো অপশন পরিবর্তন করলে তা Save হয় না এর কারণCMOS ব্যাটারি তার কার্যক্ষমতা হরিয়েছেl

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
5 months ago
উত্তরঃ

হার্ডডিস্ক ড্রাইভটিকে অটো ডিটেক্ট করে কি-না তা কম্পিউটারের বায়োসে গিয়ে চেক করতে হবে

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
5 months ago
উত্তরঃ

AC পাওয়ার কর্ডটি মনিটরের পিছনে ও পাওয়ার আউটলেটের মাঝে সংযুক্ত থাকে l

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
5 months ago
উত্তরঃ

মনিটরের সাথে সরবরাহকৃত Video ক্যাবলটি কম্পিউটারের পিছনে লাগানো থাকে l

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
5 months ago
155

Related Question

View All
উত্তরঃ

কম্পিউটার একটি অত্যাধুনিক ইলেকট্রনিক যন্ত্র, যা নিজস্ব স্মৃতিভান্ডারে সুনির্দিষ্ট এক বা একাধিক কাজের নির্দেশাবলি সংরক্ষণ করে রাখে এবং বিভিন্ন প্রক্রিয়ার মাধ্যমে তা বিশ্লেষণ এবং উপস্থাপন করে।

227
উত্তরঃ

নিচে কম্পিউটারের কয়েকটি ব্যবহার উল্লেখ করা হলো-
১. লেখালেখির কাজে টাইপরাইটারের বিকল্প হিসেবে অফিস-আদালতে কম্পিউটার ব্যবহৃত হয়।
২. অফিসের যাবতীয় ব্যবস্থাপনার কাজে কম্পিউটার ব্যবহৃত হয়।
৩. শিক্ষাক্ষেত্রে বিভিন্ন গবেষণামূলক কাজে ব্যবহৃত হয়।
৪. বিনোদনের ক্ষেত্রে এর ব্যবহার হয়।

1.4k
উত্তরঃ

রায়না তার কম্পিউটারে অনেক বেশি সফটওয়্যার ইনস্টল করেছিল। রায়না তার কম্পিউটারটির Capacity এর অতিরিক্ত সফটওয়‍্যার ইনস্টলের এবং তা ব্যবহারে কাজ করায় এ সমস্যায় পড়েছিল। আইসিটি কিংবা অন্য কোনো যন্ত্রপাতি সঠিকভাবে কাজ করাতে হলে এর রক্ষণাবেক্ষণ করাটা জরুরি। কম্পিউটারকে সচল রাখার জন্য এবং এর গতি বাড়ানোর জন্য সফটওয়্যার ভিত্তিক রক্ষণাবেক্ষণ জরুরি। প্রতিটি কম্পিউটারের মেমোরিতে সফটওয়্যার কিংবা নানা কাজ জমা রাখার জন্য নির্ধারিত ও পরিমাণগত জায়গা থাকে, অথবা বিভিন্ন সময় রক্ষণাবেক্ষণের অভাবে মেমোরিতে অনেক temporary ফাইল জমা হয়, অপারেটিং সিস্টেম সফটওয়‍্যার নিয়মিত হালনাগাদ না করাবার কারণে, কম্পিউটারকে গতিশীল রাখবার জন্য রেজিস্ট্রি ক্লিনআপ সফটওয়্যার ব্যবহার না করা হলে কম্পিউটার ধীরগতির হয়ে যাবে, hang করবে, আইসিটি যন্ত্রটি ঠিকভাবে কাজ করবে না এবং তা ব্যবহারকারীর জন্য বিরক্তির কারণ হবে। এখানে রায়নাও একই ধরনের সমস্যায় পড়েছিল।

111
উত্তরঃ

সমস্যা সমাধানে রায়না কর্তৃক গৃহীত পদক্ষেপগুলো হলো:
১. নিয়মিত অপারেটিং সিস্টেমের হালনাগাদ করা বা Update করা।
২. কম্পিউটারকে গতিশীল ও সচল রাখার জন্য রেজিস্ট্রি-ক্লিনআপ সফটওয়‍্যার ব্যবহার করা।
৩. হার্ডডিস্কের জায়গা খালি করে গতি বাড়ানোর জন্য সফটওয়‍্যারের সাহায্যে টেম্পোরারি ফাইলগুলো মুছে দেওয়া।
৪. ইন্টারনেট ব্যবহার করলে এর ক্যাশ মেমোরিতে অনেক কুকিজ ও temporary ফাইল জমা হয়। নিয়মিত সফটওয়‍্যারের ব্যবহারের মাধ্যমে ক্যাশ মেমোরি পরিষ্কার করা ও ICT যন্ত্রটি গতিশীল করা।
৫. হার্ডডিস্কের কর্মক্ষমতার বাইরে সফটওয়্যার install এর চেষ্টা না করা।
৬. কাজের গতি বাড়ানোর জন্য ডিস্ক ক্লিনআপ ও ডিস্ক ডিফ্র্যাগমেন্টার ব্যবহার করা ও Hard disk এর জায়গা খালি করা।
৭. যাতে ভাইরাস কিংবা ম্যালওয়ারের আক্রমণ কম্পিউটারের ক্ষতি করতে না পারে সেজন্য Anti Virus বা Anti Malware সফটওয়্যার ব্যবহার করা এবং সফটওয়্যারগুলো নিয়মিত হালনাগাদ করা।
রায়না কম্পিউটারের গতি বাড়ানোর জন্য এবং একে ক্ষতির হাত থেকে রক্ষা করার জন্য উল্লিখিত পদক্ষেপগুলো গ্রহণ করতে পারে।

77
উত্তরঃ

সমস্যা সমাধান বা কার্য সম্পাদনের উদ্দেশ্যে কম্পিউটারের ভাষায় ধারাবাহিকভাবে সাজানো নির্দেশমালাকে প্রোগ্রাম বলে। এ প্রোগ্রাম বা প্রোগ্রাম সমষ্টি যা কম্পিউটারের Hardware ও ব্যবহারকারীর মাধ্যমে সম্পর্ক সৃষ্টির মাধ্যমে হার্ডওয়‍্যারকে কার্যক্ষম করে তাকেই সফটওয়‍্যার বলে।

232
উত্তরঃ

কম্পিউটার চালু হওয়ার পর কম্পিউটারে থাকা CD, DVD কিংবা Pendrive টি চালু হয়ে যায় এবং তাদের উপস্থিতি প্রদর্শন করে। একেই বলে Auto run। কোনো সফটওয়্যার install করতে হলে প্রথমেই সফটওয়্যারটির ডিজিটাল কপি প্রয়োজন হবে।
এ সফট কপিটি CD, DVD, Pendrive বা ইন্টারনেট থেকে পাওয়া যেতে পারে। বেশির ভাগ ক্ষেত্রেই সফটওয়্যারগুলোর সাথে Auto run নামে একটি প্রোগ্রাম সংযুক্ত অবস্থায় থাকে। CD, DVD কিংবা Pendrive প্রবেশ করালে Auto run প্রোগ্রামটি সচল হয়ে যায় এবং সফটওয়‍্যারটি setup করার অনুমতি চায়।

812
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র
মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews