সংক্ষিপ্ত প্রশ্নোত্তর

Updated: 8 months ago
উত্তরঃ

যে সকল মিশ্রণে উপাদানগুলো সুষমভাবে বণ্টিত থাকে এবং একটি উপাদান থেকে আরেকটি সহজে আলাদা করা যায় না, তাদেরকে দ্রবণ বলে। দ্রবণ ও মিশ্রণের মধ্যে মূল পার্থক্য হলো- দ্রবণের উপাদানগুলোকে পরস্পরের কাছ থেকে সহজেই আলাদা করা যায় না, অপরদিকে মিশ্রণের উপাদানগুলোকে পরস্পর থেকে সহজেই আলাদা করা যায়।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
উত্তরঃ

কোনো নির্দিষ্ট তাপমাত্রায় ১০০ গ্রাম দ্রাবক নিয়ে কোনো দ্রবের সম্পৃক্ত দ্রবণ তৈরি করতে যতটুকু দ্রবের প্রয়োজন হয় তাকেই ঐ দ্রাবকে ঐ দ্রবের দ্রবণীয়তা বলে। পরীক্ষা করে দেখা গেছে যে, ২৫° সেলসিয়াস তাপমাত্রায় ১০০ গ্রাম পানি সর্বোচ্চ ৩৬ গ্রাম লবণকে দ্রবীভূত করতে পারে। অর্থাৎ এ তাপমাত্রায় পানিতে লবণের দ্রবণীয়তা হলো ৩৬। আবার ২৫° সেলসিয়াস তাপমাত্রায় পানিতে চিনির দ্রবণীয়তা হলো ২১১.৪। অর্থাৎ এ তাপমাত্রায় ১০০ গ্রাম পানি সর্বোচ্চ ২১১.৪ গ্রাম চিনি দ্রবীভূত করতে পারে।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
উত্তরঃ

যে দ্রবণে দ্রাবক হলো তরল পদার্থ আর দ্রব হলো গ্যাসীয় পদার্থ তাকে তরল-গ্যাস দ্রবণ বলে। যেমন- কোমল পানীয়গুলো তরল-গ্যাস দ্রবণের উদাহরণ। কারণ পানীয়ের সাথে কার্বন ডাইঅক্সাইড গ্যাস দ্রবীভূত অবস্থায় থাকে, যা আমরা পানীয় বোতলের মুখ খুললে দেখতে পাই। এখানে পানীয় হলো দ্রাবক এবং কার্বন ডাইঅক্সাইড দ্রব। তাই কোমল পানীয় তরল-গ্যাস দ্রবণের উৎকৃষ্ট উদাহরণ।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
উত্তরঃ

যে মিশ্রণ রেখে দিলে এর উপাদানসমূহ আংশিক আলাদা হয়ে যায় তাকে সাসপেনসন বলে। যেমন, চকের মিহি গুঁড়া পানিতে যোগ করে ভালোভাবে নেড়ে কিছুক্ষণ রেখে দিলে চকের ভারী কণাগুলো পানির পাত্রের তলায় জমা হয়, তবে হালকা কণাগুলো পানিতে ভাসমান অবস্থায় থাকে। এটি সাসপেনসনের উত্তম উদাহরণ।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
উত্তরঃ

কলয়েড ও সাসপেনসন একই নয়।

উত্তরের পক্ষে যুক্তি: কলয়েডের ক্ষেত্রে উপকরণের কণাগুলো খুবই ক্ষুদ্র ও হালকা থাকে। ফলে কণাগুলো কখনোই পাত্রের তলায় জমা হতে পারে না, সবসময়ই ভাসমান অবস্থায় থাকে। কিন্তু সাসপেনসনের ক্ষেত্রে উপকরণের কণাগুলোর মধ্যে যেগুলো আকারে ছোট ও হালকা সেগুলো ভাসমান অবস্থায় থাকে এবং বাকি ভারী কণাগুলো পাত্রের তলায় তলানি হিসেবে জমা হয়। তাই কলয়েড ও সাসপেনসন, একই নয়।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
উত্তরঃ

ঝালমুড়ি একটি অসমসত্ব মিশ্রণের উদাহরণ। এটি তৈরি করা হয় মুড়ি, পেঁয়াজ, মরিচ, চানাচুর ইত্যাদি উপকরণ দিয়ে। এমন কোনো ভাগে মুড়ি হয়তো একটু বেশি, 'কোনোটাতে বা পেঁয়াজ একটু বেশি আবার কোনোটাতে হয়তো চানাচুর একটু কম বা বেশি। অর্থাৎ উপাদানগুলো সুষমভাবে বন্টিত নেই। এ মিশ্রণ থেকে উপাদানসমূহ সহজেই আলাদা করা যায়। তাই একে অসমসত্ব মিশ্রণ বলা হয়।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
উত্তরঃ

চাল ও ডাল মিশালে তা একটি অসমসত্ব মিশ্রণ সৃষ্টি করে। অসমসত্ব মিশ্রণে বিভিন্ন উপাদানের কণাগুলো অসমানভাবে রিন্যস্ত থাকে এবং খালি চোখে দেখা যায়। চাল ও ডালের ক্ষেত্রে, চাল ও ডালের কণা একে অপর থেকে আলাদা থাকে এবং মিশ্রণে বিভিন্ন জায়গায় তাদের ঘনত্ব ভিন্ন হতে পারে।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
উত্তরঃ

পানিতে লবণ মেশালে একটি সমসত্ব মিশ্রণ সৃষ্টি হয়। সমসত্ব মিশ্রণে, দ্রাবক (পানি) এবং দ্রব (লবণ) এত ঘনিষ্ঠভাবে মিশে যায় যে খালি চোখে দেখা যায় না। লবণের কণাগুলো পানির অণুগুলোর মধ্যে সম্পূর্ণভাবে ছড়িয়ে পড়ে এবং একটি একক, স্বচ্ছ দ্রবণ তৈরি করে।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
উত্তরঃ

সাধারণত দ্রাবক ও দ্রবের মিশ্রণকে দ্রবণ বলা হয়। তবে দুটি ভিন্ন দ্রাবক দিয়ে দ্রবণ প্রস্তুত করা সম্ভব। একে বহু দ্রাবকীয় দ্রবণ বলে। উদাহরণস্বরূপ, পানি ও অ্যালকোহল উভয়েই দ্রারক। এদেরকে পরস্পরের সাথে মিশিয়ে একটি দ্রবণ তৈরি করা যায়।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
উত্তরঃ

কোন দ্রবণ তৈরির ক্ষেত্রে দ্রাবক হিসেবে পানি ব্যবহার করা হলে তাকে বলা হয় জলীয় দ্রবণ। পানিতে গুড় বা চিনি এবং লবণ মিশ্রিত করে স্যালাইন প্রস্তুত করা হয়। যেহেতু এক্ষেত্রে দ্রাবক হিসেবে পানিকে ব্যবহার করা হচ্ছে তাই স্যালাইনের দ্রবণ একটি জলীয় দ্রবণ।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
উত্তরঃ

দ্রাবক ও দ্রবের ভর এবং আয়তন দ্রবণের মোট ভের ও আয়তনকে প্রভাবিত করে। দ্রাবকের পরিমাণ পরিবর্তন করলে দ্রবণের ঘনত্ত্ব পরিবর্তিত হবে। একইভাবে দ্রবের পরিমাণ পরিবর্তন করলেও দ্রবণের ঘনত্ব পরিবর্তিত হবে। উদাহরণস্বরূপ, একই পরিমাণ পানিতে ভিন্ন ভিন্ন পরিমাণ লবণ মিশালে প্রতিক্ষেত্রে দ্রবণের ঘনত্ব ভিন্ন হবে।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
উত্তরঃ

সম্পৃক্ত দ্রবণে অতিরিক্ত দ্রব দ্রবীভূত করা যায় না, কারণ একটি নির্দিষ্ট তাপমাত্রায় কোনো দ্রাবক নির্দিষ্ট পরিমাণ দ্রবকেই দ্রবীভূত করতে পারে। যখন একটি দ্রবণ সম্পৃক্ত হয়ে যায়, তখন দ্রাবকের দ্রব দ্রবীভূত করার ক্ষমতা নিঃশেষ হয়ে যায়। অতিরিক্ত দ্রব যোগ করলে তা দ্রবণে দ্রবীভূত না হয়ে তলানিতে জমা হতে থাকে।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
উত্তরঃ

কোনো নির্দিষ্ট তাপমাত্রায় কোন দ্রবণে দ্রবের পরিমাণ সর্বোচ্চ যে পরিমাণ দ্রব দ্রবীভূত থাকতে পারে তার তুলনায় কম হলে তাকে অসম্পৃক্ত দ্রবণ বলে। অর্থাৎ অসম্পৃক্ত দ্রবণে দ্রব ধারণ ক্ষমতা অবশিষ্ট থাকে। তাই অসম্পৃক্ত দ্রবণে অতিরিক্ত দ্রব্য দ্রবীভূত করা যায়।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
উত্তরঃ

অসম্পৃক্ত দ্রবণে ধীরে ধীরে দ্রব যোগ করে তাকে সম্পৃক্ত দ্রবণে পরিণত করা যায়। কোনো নির্দিষ্ট তাপমাত্রায় একটি দ্রাবক নির্দিস্ট পরিমাণ দ্রবকেই দ্রবীভূত করতে পারে। যখন কোনো দ্রবণে আর কোনো দ্রব দ্রবীভূত হতে পারে না, তা হচ্ছে তখন সম্পৃক্ত দ্রবণ। অসম্পৃক্ত দ্রবণে ধীরে ধীরে দ্রব যোগ করলে একপর্যায়ে দ্রবণে সর্বোচ্চ পরিমাণ দ্রব দ্রবীভূত হয়ে যায় এবং তা সম্পৃক্ত দ্রবণে পরিণত হয়।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
উত্তরঃ

পানিতে চিনির দ্রবণীয়তা ২১১.৪ গ্রাম/ ১০০ গ্রাম বলতে বোঝায় যে, ২৫° সেলসিয়াস তাপমাত্রায় ১০০ গ্রাম পানিতে সর্বোচ্চ ২১১.৪ গ্রাম চিনি দ্রবীভূত হতে পারে। এর অর্থ, এই পরিমাণ চিনি দ্রবীভূত হওয়ার পর আর কোনো চিনি পানিতে দ্রবীভূত হবে না। অর্থাৎ, এই পরিস্থিতিতে দ্রবণটি সম্পৃক্ত হয়ে যাবে এবং অতিরিক্ত চিনি দ্রবণে তলানি পড়বে।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
উত্তরঃ

তরল-তরল দ্রবণ হলো এমন একটি দ্রবণ, যেখানে একটি তরলকে আরেকটি তরলে দ্রবীভূত করা হয়। উদাহরণস্বরূপ, পানিতে অ্যালকোহল মিশ্রিত করে তরল-তরল দ্রবণ তৈরি করা যায়। এক্ষেত্রে, পানি হলো দ্রাবক এবং অ্যালকোহল হলো দ্রব। তরল দ্রব এবং তরল দ্রাবকের সমন্বয়ে গঠিত এই দ্রবণটিই তরল-তরল দ্রবণ।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
উত্তরঃ

কোমল পানীয় যেমন- কোকা কোলা, সেভেন আপ এর বোতল খোলার সাথে সাথে হিস্ শব্দ করে বুদবুদ আকারে গ্যাসীয় পদার্থ বের হয়। এ গ্যাসীয় পদার্থটি হলো কার্বন ডাইঅক্সাইড যা পানীয়ের মধ্যে দ্রবীভূত অবস্থায় ছিল। অর্থাৎ কোমল পানীয় হলো তরল দ্রাবক এবং গ্যাসীয় দ্রবের মিশ্রণ। তাই কোমল পানীয়গুলোকে তরল-গ্যাস দ্রবণ বলা হয়।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
উত্তরঃ

চিনির শরবতে দ্রাবক হচ্ছে পানি এবং দ্রব হচ্ছে চিনির দানা। অর্থাৎ চিনির শরবত তরল দ্রাবক এবং কঠিন দ্রব এর সমন্বয়ে গঠিত। তাই চিনির শরবতকে একটি তরল-কঠিন দ্রবণ বলা হয়।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
উত্তরঃ

তেল সব ধরনের পদার্থকে দ্রবীভূত করতে পারে না। পানি অনেক ধরনের পদার্থকে দ্রবীভূত করতে পারার কারণে পানিকে সার্বজনীন দ্রাবক বলা হয়। তবে তেল কেবলমাত্র সীমিত সংখ্যক অজৈব দ্রবকে দ্রবীভূত করতে পারে। তাই তেলকে সার্বজনীন দ্রাবক বলা যায় না।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
উত্তরঃ

সমসত্ব মিশ্রণে উপাদান বাষ্পীভবন পদ্ধতিতে পৃথক করা হয়। এই পদ্ধতিতে মিশ্রণকে উত্তপ্ত করা হয়, যার ফলে দ্রাবকটি বাষ্পে পরিণত হয়ে যায়। বাম্পকে আলাদা পাত্রে সংগ্রহ করা হয় এবং দ্রবকে আবার তরলে পরিণত করা হয়। উদাহরণস্বরূপ, বাষ্পীভবন পদ্ধতিতে একটি লবণের জলীয় দ্রবণ থেকে লবণকে পৃথক করা হয়।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
উত্তরঃ

দ্রবণ বিশুদ্ধকরণে পরিস্রাবণ একটি গুরুত্বপূর্ণ পদ্ধতি। এই পদ্ধতিতে, দ্রবণে থাকা অদ্রবণীয় কঠিন পদার্থকে একটি ফিল্টারের সাহায্যে আলাদা করা হয়। ফিল্টারে ছোট ছোট ছিদ্র থাকে যার মধ্য দিয়ে দ্রাবক (যেমন পানি) প্রবাহিত হতে পারে কিন্তু কঠিন কণাগুলো আটকে যায়। ফলে, ফিল্টারের নিচে শুধুমাত্র বিশুদ্ধ দ্রাবক সংগ্রহ করা হয়।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
উত্তরঃ

লবণের দ্রবণ থেকে লবণের স্ফটিক তৈরি করতে, প্রথমে অসম্পৃক্ত দ্রবণকে তাপ দিয়ে বাষ্পীভবনের মাধ্যমে একটি সম্পৃক্ত দ্রবণ তৈরি করতে হয়। এরপর এই দ্রবণকে ধীরে ধীরে ঠান্ডা করতে হয়। ঠান্ডা হওয়ার সাথে সাথে দ্রাবকের ধারণ ক্ষমতা কমে যায় এবং অতিরিক্ত লবণ দ্রবণ থেকে পৃথক হয়ে স্ফটিকের আকার ধারণ করে।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
উত্তরঃ

বাষ্পীভবনের মাধ্যমে পানিতে থাকা দ্রবীভূত কঠিন পদার্থগুলো পৃথক করা হয়। পানিকে উত্তপ্ত করলে তা বাষ্পে পরিণত হয় এবং কঠিন পদার্থগুলো থেকে যায়। এরপর এই বাষ্পকে ঠান্ডা করে ঘনীভূত করা হয়, ফলে বিশুদ্ধ পানি পাওয়া যায়। সুতরাং, বাষ্পীভবন এবং ঘনীভবন প্রক্রিয়ায় দূষণকারী পদার্থ থেকে পানি বিশুদ্ধ করা সম্ভব হয়।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
উত্তরঃ

চকের কণাগুলো পানির মধ্যে সম্পূর্ণরূপে দ্রবীভূত হয় না বলে চকের গুঁড়া পানিতে সাসপেনশন তৈরি করে। এই কণাগুলো পানির মধ্যে ভাসমান অবস্থায় থাকে এবং অবিচ্ছিন্ন নাড়াচাড়ায় পানির সাথে মিশ্রণ তৈরি করে। ফলে পানি ঘোলাটে হয়ে ওঠে এবং কিছুক্ষণ স্থির রাখলে চকের কণাগুলো নিচে তলানিতে জমতে থাকে। এই ধরনের মিশ্রণকেই সাসপেনশন বলে।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
উত্তরঃ

অনেক ঔষধই তরল বা সাসপেনশন আকারে থাকে, যেখানে ঔষধের কণাগুলো তরলে ভাসমান অবস্থায় থাকে। এই ধরনের ঔষধ সেবনের পূর্বে বোতল ঝাঁকানোর হয় ঔষধের কণাগুলোকে ভালোভাবে মিশিয়ে নেওয়ার জন্য। ঝাঁকানোর ফলে এই কণাগুলো সমানভাবে তরলে ছড়িয়ে পড়ে এবং প্রতিবার একই পরিমাণে ঔষধ গ্রহণ করা যায়।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
উত্তরঃ

দ্রবণ এবং সাসপেনশন দুই ধরনের মিশ্রণ। দ্রবণে একটি পদার্থ (দ্রব) অন্য একটি পদার্থে (দ্রাবক) সম্পূর্ণভাবে দ্রবীভূত হয়ে যায় এবং একটি সাসত্ব মিশ্রণ তৈরি করে। অন্যদিকে, সাসপেনশনে, একটি পদার্থের কণাগুলো অন্য একটি পদার্থে ভাসমান থাকে এবং সময়ের সাথে সাথে তলানিতে জমতে পারে। দ্রবণে কণাগুলো অনেক ছোট এবং সমানভারে ছড়িয়ে থাকে, যেখানে সাসপেনশনে কণাগুলো বড় এবং অসমানভাবে ছড়িয়ে থাকে।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
উত্তরঃ

দুধ হলো পানি ও চর্বির মিশ্রণ। যদি কোন দ্রাবকে ভাসমান কণাগুলোর আকার ১-১০০০ ন্যানোমিটার হয়ে থাকে তবে উক্ত মিশ্রণের সাসপেনশন না হয়ে কলয়েড সৃষ্টি হয়। দুধের ক্ষেত্রে পানিতে বিদ্যমান চর্বির কণাগুলো আকার ১-১০০০ ন্যানোমিটার হয়ে থাঁকে। তাই দুধে সাসপেনশন হয় না।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
উত্তরঃ

কলয়েডে, একটি পদার্থের অতি ক্ষুদ্র কণা আরেকটি পদার্থে সমানভাবে ছড়িয়ে থাকে, যেমন দুধে চর্বি। সাসপেনশনে, কণাগুলো। বড় হয় এবং সময়ের সাথে সাথে তলানিতে জমতে পারে, যেমন পানিতে মাটি। কলয়েডের কণাগুলো ফিল্টার পেপার দিয়ে ছাঁকা যায় না, কিন্তু সাসপেনশনের কণাগুলো ছাঁকা যায়।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
উত্তরঃ

মাটিকে পানিতে মেশানো হলে মাটির কণাগুলো পানির মধ্যে ভাসমান থাকে। এই কণাগুলো খুব ছোট হলেও ফিল্টার পেপার দ্বারা আলাদা করা যায়। কিছুক্ষণ স্থির রাখলে এই কণাগুলো তলানিতে জমে যায়। তাই মাটি পানির মিশ্রণকে সাসপেনশন বলে।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
উত্তরঃ

কলয়েডের কণাগুলো খুবই ছোট হওয়ায় ফিল্টার পেপারের ছিদ্র দিয়েও অতিক্রম করে যেতে পারে। ফলে কলয়েডকে ফিল্টার পেপার দিয়ে ছাঁকন সম্ভব-হয় না। অর্থাৎ কলয়েডের কণাগুলো ফিল্টার পেপারের ছিদ্রের চেয়ে অনেক ছোট হওয়ায় ছিদ্র দিয়ে স্বাভাবিকভাবেই চলে যায় এবং ফিল্টারে আটকে থাকে না।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
উত্তরঃ

একের অধিক বিভিন্ন উপাদানের সংমিশ্রণে যা পাওয়া যায়, তাকেই মিশ্রণ বলে; যেখানে উপাদানগুলো মিশ্রিত থাকলেও, ক্ষুদ্র স্কেইলে তাদের কাজগুলো পৃথকভাবেই অবস্থান করে।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
উত্তরঃ

যে সমস্ত মিশ্রণে উপাদানগুলো সুষমভাবে বণ্টিত থাকে এবং একটি উপাদান থেকে আরেকটিকে সহজে আলাদা করা যায় না তাদেরকে সমসত্ব মিশ্রণ বলে।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
উত্তরঃ

দ্রবণে সাধারণত সেটি বেশি পরিমাণে থাকে অর্থাৎ দ্রবীভূত করে, তাকে বলা হয় দ্রাবক।'

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
উত্তরঃ

দ্রবণের উপাদানগুলোর মধ্যে যেটি কম পরিমাণে থাকে অর্থাৎ দ্রবীভূত হয় তাকে দ্রব বলে।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
উত্তরঃ

যে সকল মিশ্রণে উপাদানসমূহ সুষমভাবে বণ্টিত থাকে এবং একটি উপাদান থেকে অন্যটিকে সহজে আলাদা করা যায় না, তাদেরকে দ্রবণ বলে।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
উত্তরঃ

চিনি মেশানো শরবতে দ্রাবক হলো পানি আর দ্রব হলো চিনি।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
উত্তরঃ

দ্রবণে দ্রব ও দ্রাবকের পরিমাণ কম-বেশি করে ভিন্ন ভিন্ন ঘনমাত্রার দ্রবণ তৈরি করা যায়।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
উত্তরঃ

সমান আয়তনের দ্রবণের ক্ষেত্রে যেটিতে দ্রবের পরিমাণ তুলনামূলক বেশি থাকে, সেটি ঘন দ্রবণ।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
উত্তরঃ

সমান আয়তনের দ্রবণের ক্ষেত্রে যেটিতে তুলনামূলক দ্রবের পরিমাণ কম থাকে, সেটি হলো পাতলা দ্রবণ।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
উত্তরঃ

কোনো নির্দিষ্ট তাপমাত্রায় ১০০ গ্রাম দ্রাবক নিয়ে কোনো দ্রবের সম্পৃক্ত দ্রবণ তৈরি করতে যত গ্রাম দ্রব্যের প্রয়োজন হয় তাকে ঐ দ্রাবকে ঐ দ্রব্যের দ্রবণীয়তা বলে।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
উত্তরঃ

যদি দ্রবণে দ্রব ও দ্রাবক উভয়ই হয় তরল পদার্থ তাহলে ঐ' দ্রবণকে বলা হয় তরল-তরল দ্রবণ।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
উত্তরঃ

যেসব দ্রবণে দ্রাবক হিসেবে তরল পদার্থ আর দ্রব হিসেবে কঠিন পদার্থ ব্যবহৃত হয় সেগুলো হলো তরল-কঠিন দ্রবণ।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
উত্তরঃ

সার্বজনীন দ্রাবক হলো এমন দ্রাবক যা সব রকমের পদার্থকে দ্রবীভূত করতে পারে।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
উত্তরঃ

তাপ প্রয়োগ করে তরল পদার্থকে বাষ্পে পরিণত করার প্রক্রিয়াকে বাষ্পীভবন বলে।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
উত্তরঃ

পরিস্রাবণ প্রক্রিয়ায় ছাঁকনের পর যে পরিষ্কার তরল পদার্থ বীকারে জমা হয় তাকে পরিস্রত বলে।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
উত্তরঃ

যে প্রক্রিয়ার মাধ্যমে তরল ও কঠিন পদার্থের মিশ্রণ থেকে কঠিন পদার্থকে আলাদা করা যায় তাকে পরিস্রাবণ বলে।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
উত্তরঃ

পরিস্রাবণের মাধ্যমে প্রস্তুতকৃত লবণ-পানিকে তাপ দেওয়ার ফলে পাত্রের তলায় জমাকৃত দানাদার লবণকে স্ফটিক বলে।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
উত্তরঃ

লবণ পানিকে, তাপ প্রয়োগ করে লবণের স্ফটিক তৈরির প্রক্রিয়াকে স্ফটিকীকরণ বলে।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
উত্তরঃ

লবণাক্ত পানি বা যে কোনো মিশ্রণ থেকে বিশুদ্ধ পানি প্রস্তুত করার একটি উপায় হচ্ছে পাতন পদ্ধতি।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
উত্তরঃ

উত্তপ্ত বাষ্পকে তাপমাত্রা কমিয়ে তরলে পরিণত করার প্রক্রিয়াকে ঘনীভবন বলে।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
উত্তরঃ

যে ধরনের মিশ্রণে অতিক্ষুদ্র কোনো বস্তুকণা অপর বস্তুকণার মাঝে ভাসমান অবস্থায় থাকে এবং একে রেখে দিলে কখনই কোনো তলানি পড়ে না সে ধরনের মিশ্রণই কলয়েড।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
উত্তরঃ

কলয়েডে যেটি প্রধান উপাদান বা পরিমাণে বেশি থাকে তাকে অবিচ্ছিন্ন ফেজ বা দশা বলে।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
উত্তরঃ

মাটি ও পানির এ জাতীয় মিশ্রণ যা রেখে দিলে উপাদানসমূহ আংশিক আলাদা হয়ে যায়, তাকেই সাসপেনশন বলে।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
উত্তরঃ

চিনির শরবত সমসত্ব মিশ্রণ। কারণ জানা আছে, যে সমস্ত মিশ্রণে উপাদানগুলো সুষমভাবে বণ্টিত থাকে এবং একটি উপাদান থেকে আরেকটি কে সহজে আলাদা করা যায় না, তাদেরকে সমসত্ব মিশ্রণ বলে। চিনির শরবতে চিনি পানিতে সম্পূৰ্ণৰূপে দ্রবীভূত থাকে। এক্ষেত্রে চিনির কণাগুলো শরবতের সর্বত্র সুষমভাবে বা সমানভাবে বিন্যস্থ থাকে । শরবতের সব অংশেরই মিষ্টির তথা চিনির স্বাদ একই রকম। আবার শরবত থেকে চিনিকে সহজেই আলাদা করা যায় না। এজন্যই বলা যায়, চিনির শরবত সমসত্ব মিশ্রণ।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
উত্তরঃ

দ্রাবক ও দ্রবের পার্থক্য নিচে দেওয়া হলো-

দ্রাবক

দ্রব

১. দ্রবণের উপাদানগুলোর মধ্যে যেটি অন্য উপাদানকে দ্রবীভূত করে তাকে দ্রাবক বলে।১. দ্রবণের উপাদানগুলোর মধ্যে যেটি অন্য উপাদান দ্বারা দ্রবীভূত হয় তাকে দ্রব বলে।
২. দ্রবণে দ্রাবকের পরিমাণ বেশি থাকে।২. দ্রবণে দ্রবের পরিমাণ কম থাকে।
Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
উত্তরঃ

সম্পৃক্ত ও অসম্পৃক্ত দ্রবণের মধ্যে দুইটি পার্থক্য নিম্নরূপ:

সম্পৃক্ত দ্রবণ

অসম্পৃক্ত দ্রবণ

১. সম্পৃক্ত দ্রবণে অতিরিক্ত দ্রব দ্রবীভূত করা যায় না।
২. সম্পৃক্ত দ্রবণে দ্রব যোগ করার পরও দ্রবীভূত না হয়ে পাত্রের তলায় অদ্রাব্য অবস্থা থিতিয়ে পড়ে এবং ঘনত্ব একই থাকে।২. অসম্পৃক্ত দ্রবণে আরো কিছুটা দ্রব যোগ করলে আংশিক বা সম্পূৰ্ণৰূপে দ্রবীভূত হয়ে দ্রবণটির ঘনত্ব বাড়ায়।
Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
উত্তরঃ

দ্রবণ ও মিশ্রণের মধ্যে দুইটি পার্থক্য নিম্নরূপ:

দ্রবণ

মিশ্রণ

১. দ্রবণ শুধু সমসত্ব ধরনের হয়।১. মিশ্রণ সমসত্ব ও সমসত্ব উভয় ধরনের হতে পারে।
২. একটি দ্রবণে, পদার্থগুলো সম্পূর্ণরূপে দ্রবীভূত হয় এবং সেগুলোকে ফিল্টার করা যায় না।২. একটি মিশ্রণে, পদার্থগুলো সাধারণত মিশ্রিত হয় কিন্তু সম্পূর্ণরূপে দ্রবীভূত হয় না।
Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
উত্তরঃ

সাসপেনসন কণার আকার ১ মাইক্রোমিটার বা তার বেশি।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
উত্তরঃ

কোনো নির্দিষ্ট তাপমাত্রায় ১০০ গ্রাম দ্রাবক নিয়ে কোনো দ্রবের সম্পৃক্ত দ্রবণ তৈরি করতে যত গ্রাম দ্রবের প্রয়োজন হয় তাকেই ঐ দ্রাবকে ঐ দ্রবের দ্রবণীয়তা বলে। পরীক্ষা করে দেখা গেছে যে, ২৫° সেলসিয়াস তাপমাত্রায় ১০০ গ্রাম পানি সর্বোচ্চ ৩৬ গ্রাম লবণকে দ্রবীভূত করতে পারে। অর্থাৎ এ তাপমাত্রায় পানিতে লবণের দ্রবণীয়তা হলো ৩৬। আবার ২৫° সেলসিয়াস তাপমাত্রায় পানিতে চিনির দ্রবণীয়তা হলো ২১১.৪। অর্থাৎ এ তাপমাত্রায় ১০০ গ্রাম পানি সর্বোচ্চ ২১১.৪ গ্রাম চিনি দ্রবীভূত করতে পারে।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
উত্তরঃ

যে দ্ররণে দ্রাবক হলো তরল পদার্থ আর দ্রব হলো গ্যাসীয় পদার্থ, তাকে তরল-গ্যাস দ্রবণ বলে। যেমন, কোমল পানীয়গুলো তরল-গ্যাস দ্রবণের উদাহরণ। কারণ পানীয়ের সাথে কার্বন ডাইঅক্সাইড গ্যাস দ্রবীভূত অবস্থায় থাকে, যা আমরা পানীয় বোতলের মুখ খুললে দেখতে পাই। এখানে পানীয় হলো দ্রাবক এবং কার্বন ডাইঅক্সাইড দ্রব। তাই কোমল পানীয় তরল-গ্যাস দ্রবণের উৎকৃষ্ট উদাহরণ।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
উত্তরঃ

যেসব দ্রবণে দ্রাবক তরল এবং দ্রব গ্যাস হিসেবে ব্যবহৃত হয় সেগুলোকে তরল-গ্যাস দ্রবণ বলে। ফরমালিন প্রকৃতপক্ষে মিথানলের 40% জলীয় দ্রবণ। গ্যাসীয় দ্রব মিথানলকে দ্রাবক পানিতে দ্রবীভূত করে মিথানলের 40% দ্রবণ, অর্থাৎ ফরমালিন প্রস্তুত করা হয়। তাই ফরমালিন একটি তরল-গ্যাস দ্রবণ।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
উত্তরঃ

সার্বজনীন দ্রাবক বলতে এমন এক দ্রাবককে বুঝায় যা সব রকমের পদার্থকে দ্রবীভূত করতে পারে। তবে বাস্তবে সকল পদার্থকে দ্রবীভূত করার মতো কোনো দ্রাবক নেই। তবে পানি এমন একটি দ্রাবক, যা অনেক পদার্থকে সহজেই দ্রবীভূত করতে পারে। অন্যকোনো দ্রাবকের পক্ষে এটি সম্ভব নয়। যেমন- পানি জৈব (স্পিরিট, অ্যাসিটিক এসিড), অজৈব (ব্যতিক্রম: ক্যালসিয়াম কার্বনেট, সিলিকা) পদার্থ ও গ্যাসীয় পদার্থকেও দ্রবীভূত করতে পারে।

অর্থাৎ পানিই এখন পর্যন্ত পাওয়া একমাত্র সার্বজনীন দ্রাবক।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
উত্তরঃ

তরল পদার্থ থেকে অদ্রবণীয় ভারী পদার্থ বা ভাসমান কঠিন পদার্থকে ছেঁকে পৃথক করার পদ্ধতিকে বলা হয় পরিস্রাবণ পদ্ধতি। এ পদ্ধতিতে লবণ পানির দ্রবণ থেকে উপাদানগুলোকে পৃথক করা যায় না। কারণ, পানিতে লবণ দ্রবীভূত করলে লবণের অণুগুলো পানির অণুর ভেতর এমনভাবে মিশে যায় যে, পরিস্রাবণ পদ্ধতিতে ছাঁকন কাগজের সূক্ষ্ম ছিদ্র এগুলোকে আটকাতে পারে না।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
উত্তরঃ

জানা আছে, অসমসত্ব মিশ্রণে উপকরণগুলো চিহ্নিত ও আলাদা করা যায়। অন্যদিকে সাসপেনসনে উপকরণগুলো চিহ্নিত করা গেলেও সহজে আলাদা করা যায় না। আবার দ্রবণে উপকরণগুলো সহজে চিহ্নিত করা যায় না এবং আলাদাও করা যায় না। তাই সাসপেনসন কোনো দ্রবণও নয় এবং অসমসত্ব মিশ্রণও নয়।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
উত্তরঃ

কলয়েড হচ্ছে এমন একটি মিশ্রণ, যাতে সবগুলো ক্ষুদ্র কণা ভাসমান অবস্থায় থাকে। কলয়েডে বিদ্যমান উপাদানগুলো একটি আরেকটিতে দ্রবীভূত হয় না, কিন্তু ছড়িয়ে থাকে। কলয়েডে যেটি প্রধান উপাদান বা পরিমাণে বেশি থাকে তাকে বলে তাবিচ্ছিন্ন ফেজ বা দশা, আর যেটি কম পরিমাণে থাকে তাকে বলে ডিসপয়েসড ফেজ বা দশা। পানি, কুয়াশা, অ্যারোসল প্রভৃতি কলয়েডের উদাহরণ।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
উত্তরঃ

যে মিশ্রণ রেখে দিলে এর উপাদানসমূহ আংশিক আলাদা হয়ে তলানি পড়ে সে মিশ্রণকে সাসপেনসন বলে। আবার যে মিশ্রণের কণাগুলো এতই ক্ষুদ্র ও হালকা যে তলানি হিসেবে কখনই পাত্রের তলায় জমা হয় না, সে মিশ্রণই হলো কলয়েড। সাধারণত কলয়েডে বিদ্যমান ভাসমান কণাগুলোর আকার ১-১০০০ ন্যানোমিটার হয়। 'যদি কণাগুলোর আকার ১ মাইক্রোমিটার বা তার বেশি হয় তখন এটি আর কলয়েড না হয়ে সাসপেনসনে পরিণত হয়।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
উত্তরঃ

যে মিশ্রণে সকল অতিক্ষুদ্র বস্তুকণা অপর বস্তুকণার মাঝে ভাসমান অবস্থায় থাকে এবং দীর্ঘ সময়েও কখনই কোনো তলানি পড়ে না তাকে কলয়েড বলে।

কুয়াশায় পানির ছোট ছোট কণাগুলো বাতাসে ছড়িয়ে থাকে, কখনই এগুলোর তলানি পড়ে না। কুয়াশার কণার আকার ১-১০০০ ন্যানোমিটার। এ কারণেই কুয়াশাকে কলয়েড বলা যায়।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
265

দৈনন্দিন জীবনে আমরা নানা রকমের জিনিস ব্যবহার করে থাকি। এদের কোনোটি বিশুদ্ধ আর কোনোটি মিশ্রণ। মিশ্রণের মধ্যে আবার কোনোটি দ্রবণ, কোনোটি সাসপেনসন আর কোনোটি কলয়েড।

এই অধ্যায় শেষে আমরা
• মিশ্রণ এবং দ্রবণের সম্পর্ক ব্যাখ্যা করতে পারব।
• বিভিন্ন প্রকার দ্রবণের মধ্যে পার্থক্য করতে পারব।
পানি এবং কঠিন পদার্থ দিয়ে বিভিন্ন প্রকার দ্রবণ প্রস্তুত করতে পারব।
• দ্রবণে তাপমাত্রার প্রভাব ব্যাখ্যা করতে পারব।
• সর্বজনীন দ্রাবক হিসেবে পানির ব্যবহার প্রদর্শন করতে পারব।
• সমসত্ব এবং অসমসত্ব মিশ্রণ প্রস্তুত এবং উপাদানসমূহ পৃথক করতে পারব।
• লবণাক্ত পানি হতে লবণের স্ফটিক এবং বিশুদ্ধ পানি প্রস্তুত করতে পারব।
• দ্রবণ, কলয়েড এবং সাসপেনসনের মধ্যে পার্থক্য করতে পারব।
• দৈনন্দিন জীবনে দ্রবণ, কলয়েড এবং সাসপেনসনের ভূমিকা ব্যাখ্যা করতে পারব।
• আমাদের জীবনে দ্রবণ ও সাসপেনসনের প্রয়োগ উপলব্ধি করব।
• পরীক্ষণ কাজের যন্ত্রপাতি এবং উপকরণ সঠিকভাবে ব্যবহার করতে পারব।

Related Question

View All
উত্তরঃ

দুই বা ততোধিক পদার্থকে এক সাথে মিশালে যদি তারা নিজ নিজ ধর্ম বজায় রেখে পাশাপাশি অবস্থান করে তবে উক্ত সমাবেশকে মিশ্রণ বলে।

451
উত্তরঃ

সার্বজনীন দ্রাবক বলতে সেই সমস্ত দ্রাবককে বুঝায় যারা সব রকমের পদার্থকে দ্রবীভূত করে। তবে বাস্তবে সকল পদার্থকে দ্রবীভূত করার মতো কোনো দ্রাবক নেই। তবে পানি এমন একটি দ্রাবক যা অনেক পদার্থকে সহজেই দ্রবীভূত করতে পারে। অন্যকোনো দ্রাবকের পক্ষে এটি সম্ভব নয়। যেমন- ক্যালসিয়াম কার্বনেট, সিলিকা ইত্যাদি জৈব যৌগ, স্পিরিট, এসিটোন, এসিটিক এসিড ইত্যাদি গ্যাসীয় পদার্থ সবগুলোকেই পানি দ্রবীভূত করতে পারে। অর্থাৎ পানিই এখন পর্যন্ত পাওয়া একমাত্র সার্বজনীন দ্রাবক।

295
উত্তরঃ

রূপত্তিকে দেখানো প্রিয়ন্তির উপাদানটি হলো লবণ, 'যা সমুদ্রের পানি থেকে প্রস্তুত করা হয়। নিচে রেখা চিত্রের মাধ্যমে সমুদ্রের পানি থেকে লবণ প্রস্তুত প্রণালি দেখানো হলো-

305
উত্তরঃ

উদ্দীপকের দ্রবণটি হলো লবণ ও পানির দ্রবণ। এ দ্রবণ হতে লবণ ও পানি দুটো উপাদানই আবার ফিরে পাওয়া সম্ভব। লবণকে সহজেই পরিস্রাবণ পদ্ধতির সাহায্যে আলাদা করা যায়। পানি পাতন প্রক্রিয়ার মাধ্যমে আলাদা করা যায়। প্রথমে দ্রবণকে ছাঁকন কাগজের সাহায্যে ছেঁকে পানিতে থাকা বালি ময়লা এবং লবণাক্ত পানি আলাদা করা হয় যা ক চিত্রে দেখানো হয়েছে।

এরপর পানিকে পাতন প্রক্রিয়ার মাধ্যমে নিম্নোক্তভাবে আলাদা করা যায়।

প্রয়োজনীয় উপকরণ:  ১টি ১টি পাতন যন্ত্র, ৫০০ মি. লি. লবণাক্ত পানি।

পদ্ধতি: খ চিত্রের মতো পাতন যন্ত্রটিকে সাজিয়ে 'গোলতলী ফ্লাক্সে লবণাক্ত পানি নিই। পাতন যন্ত্রটির পানি প্রবেশের নলটি একটি পানির ট্যাপের সাথে যুক্ত করে পানি প্রবাহ চালু করি। পানি নির্গমন নলের সাথে একটি প্লাস্টিকের পাইপ যুক্ত করে বেসিনে রাখি এবং বৈদ্যুতিক হিটারে তাপ দিই। বাষ্পীভূত পানি শীতকের সরু নলের মধ্য দিয়ে গোলতলী ফ্লাক্সে জমা হবে। কিছুক্ষণ অপেক্ষা করার পর পর্যবেক্ষণ করি, দেখতে পাই যে, বিশুদ্ধ পানি জমা হয়েছে। এ প্রক্রিয়ায় দ্রবণের লবণ পাত্রের তলায় জমা হয়।

293
উত্তরঃ

যে মিশ্রণের বিভিন্ন অংশে তার উপাদানসমূহ বিভিন্ন অনুপাতে থাকে এবং একাধিক বস্তুর অস্তিত্ব সহজে বুঝা যায় তাকে অসমসত্ত্ব মিশ্রণ বলে।

951
উত্তরঃ

কোনো নির্দিষ্ট তাপমাত্রায় ১০০ গ্রাম দ্রাবক নিয়ে কোনো দ্রবের সম্পৃক্ত দ্রবণ তৈরি করতে যতটুকু দ্রবের প্রয়োজন হয় তাকেই ঐ দ্রাবকে ঐ দ্রবের দ্রবণীয়তা বলে। পরীক্ষা করে দেখা গেছে যে, ২৫° সেলসিয়াস তাপমাত্রায় ১০০ গ্রাম পানি সর্বোচ্চ ৩৬ গ্রাম লবণকে দ্রবীভূত করতে পারে। অর্থাৎ এ তাপমাত্রায় পানিতে লবণের দ্রবণীয়তা হলো ৩৬। আবার ২৫° সেলসিয়াস তাপমাত্রায় পানিতে চিনির দ্রবণীয়তা হলো ২১১.৪। অর্থাৎ এ তাপমাত্রায় ১০০ গ্রাম পানি সর্বোচ্চ ২১১.৪ গ্রাম চিনি দ্রবীভূত করতে পারে।

767
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র
মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews