সংক্ষিপ্ত প্রশ্নোত্তর

Updated: 6 months ago
উত্তরঃ

আমরা প্রকৃতি থেকে সূর্যের যে আলো অনায়াসে লাভ কুরি তাকে সৌরষম্পদ বলে। এ সম্পদ মানবজাতির জন্য অনেক মূল্যবান সম্পদ হিসেবেই পরিগণিত। আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহারের মাধ্যমে আমরা-সৌরসম্পদকে কাজে লাগিয়ে আমাদের বিদ্যুতের চাহিদা পূরণ করতে পারি। তাছাড়া আমাদের দৈনন্দিন জীবনের নানা ক্ষেত্রে আমরা এ শক্তিকে ব্যবহার করতে পারি।

উত্তরঃ

নদী ও জলপ্রপাতের পানির 'বেগ ব্যবহার করে টার্বাইন যন্ত্রের। সাহায্য যে বিদ্যুৎ উৎপাদন করা হয় তাকে জলবিদ্যুৎ বলা হয়।

জলবিদ্যুৎ উৎপাদনের সুবিধা হচ্ছে-

ক. কম খরচে বিদ্যুৎ উৎপাদন করা
গ. পানি সম্পদকে কাজে লাগিয়ে বিদ্যুৎ উৎপাদন বৃদ্ধি করা
গ: জাতীয় অর্থনীতির জন্য লাভজনক অবস্থান সৃষ্টি করা ইত্যাদি।

উত্তরঃ

নদী সংরক্ষণ, ধারণাকে আমি যেভাবে ব্যাখ্যা করতে চাই তা হলো এমন যে, নদী প্রবাহ বাঁধা, শিল্পের বর্জ্য ফেলা, পয়ঃনিষ্কাশন প্রবাহ, নদী দখল করা, জলযানের বর্জ্য প্রভৃতি কারণে অনেক নদীর প্রবাহ। দুর্বল কিংবা নাব্যতা নষ্ট হওয়ার সাথে সাথে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করে তা সংরক্ষণ করা। বস্তুত নদী সংরক্ষণ একটি চলমান প্রক্রিয়া।

উত্তরঃ

বাংলাদেশের প্রধান নদীগুলো হচ্ছে- পদ্মা, মেঘনা, যমুনা,' কর্ণফুলি, ব্রহ্মপুত্র, তিস্তা, পশুর, সাঙ্গু প্রভৃতি। বেশিরভাগ এসব নদীর উৎপত্তিস্থল হিমালয়, তিব্বত, আসামের বরাক, এবং আসামের লুসাই পাহাড়ে।

উত্তরঃ

পদ্মা নদী ভারতে গঙ্গা এবং বাংলাদেশে পদ্মা নামে পরিচিত। এর উৎপত্তিস্থল। মধ্য হিমালয়ের গাঙ্গোত্রী হিমবাহে। উত্তর ভারতের কয়েকটি রাজ্য অতিক্রম করে গঙ্গা রাজশাহী জেলা দিয়ে পদ্মা নামে বাংলাদেশে প্রবেশ করেছে।

উত্তরঃ

রাজশাহী জেলা দিয়ে পদ্মা নদী বাংলাদেশে প্রবেশ করেছে। এটি গোয়ালন্দের নিকট যমুনার সঙ্গে মিলিত হয়েছে। মিলিত ধারা চাঁদপুরে এসে এ নদী মেঘনার সঙ্গে মিলিত হয়ে বরিশাল ও নোয়াখালী অতিক্রম করে বঙ্গোপসাগরে পতিত হয়েছে।

উত্তরঃ

বাংলাদেশের অন্যতম বৃহত্তম পদ্মা নদীর উল্লেখযোগ্য কয়েকটি শাখা নদী হলো ভাগীরথী, হুগলি, মাথাভাঙ্গা, ইছামতি, ভৈরব, কুমার কপোতাক্ষ নবগঙ্গা, চিত্রা, মধুমতি, আড়িয়াল খাঁ ইত্যাদি।

উত্তরঃ

তিব্বতের মানস সরোবরে ব্রহ্মপুত্র নদের উৎপত্তি হয়েছে। আসাম হয়ে বাংলাদেশের কুড়িগ্রাম জেলায় এটি প্রবেশ করেছে। পূর্বে ব্রহ্মপুত্রের প্রধান ধারাটি ময়মনসিংহের মধ্য দিয়ে প্রবাহিত হলেও ১৭৮৭ সালে ভূমিকম্পের কারণে এটির গতিপথ পরিবর্তন হয়।

উত্তরঃ

১৭৮৭ সালে সংঘটিত ভূমিকম্পে ব্রহ্মপুত্রের তলদেশ উত্থিত হওয়ায় পানি ধারণ ক্ষমতার বাইরে চলে যায় এবং নতুন স্রোতধারার একটি শাখা সৃষ্টি হয়। এই নতুন স্রোতধারাটি যমুনা নামে পরিচিত হয়।

উত্তরঃ

আসামের বরাক নদী নাগা-মনিপুর অঞ্চলে উৎপত্তি হয়ে সিলেটের সুরমা ও কুশিয়ারা নদীর সাথে মিলিত হয়েছে। এই মিলিত ধারা সুনামগঞ্জ জেলার আজমিরিগঞ্জের কাছে কালনী নামে দক্ষিণ-পশ্চিমদিকে অগ্রসর হয়ে মেঘনা নামধারণ করেছে।

উত্তরঃ

বাংলাদেশের দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের প্রধান নদী কর্ণফুলী। ৩২০ কি.মি. নদীটি চট্টগ্রাম শহরের খুব কাছ দিয়ে বঙ্গোপসাগরে পতিত হয়েছে। কাপ্তাই পানি বিদ্যুৎ কেন্দ্র এবং চট্টগ্রাম সমুদ্রবন্দর কর্ণফুলী নদীকে কেন্দ্র করে গড়ে উঠেছে। মূলত পানি বিদ্যুৎকেন্দ্র এবং চট্টগ্রাম বন্দরের জন্য এ নদীর গুরুত্ব অধিক।

উত্তরঃ

উপনদী ও শাখা নদীর মধ্যে মৌলিক পার্থক্য রয়েছে। যেমন-যেসব নদী মূল বা প্রধান নদী থেকে সৃষ্টি হয়ে একটি স্বতন্ত্র ধারায় প্রবাহিত হয় তাকে মূল নদীর শাখা নদী বলে। যেমন- পদ্মা নদীর শাখা নদী হলো মধুমতী, আড়িয়াল খাঁ। অন্যদিকে যেসব নদী কোনো একটি উৎস হতে উৎপত্তি হয়ে কিছু দূদ্রত্ব অতিক্রম করে অপর একটি নদীতে পতিত হয় তাকে সেই নদীর উপনদী বলে। যেমন- মহানন্দা নদীটি পদ্মা নদীর একটি উপনদী.।

উত্তরঃ

সিকিমের পার্বত্য অঞ্চল থেকে উৎপত্তি হয়ে তিস্তা নদী ভারতের জলপাইগুড়ি ও দার্জিলিং-এর মধ্য দিয়ে নীলফামারী জেলার ডিমলা উপজেলার পূর্ব ছাতনাই হয়ে বাংলাদেশে প্রবেশ করেছে। এই নদী ১৭৮৭ সালের প্রবল বন্যায় গতিপথ পরিবর্তন করে ব্রহ্মপুত্রের একটি পরিত্যক্ত গতিপথে প্রবাহিত হতে থাকে।

উত্তরঃ

বাংলাদেশের উত্তরাঞ্চলের পানি নিষ্কাশন ব্যবস্থায় তিস্তা নদীর ভূমিকা সর্বাধিক। তিস্তা ব্যারেজ প্রকল্পটি ১৯৯৭-১৯৯৮ সালে নির্মিত হয়। ব‍্যারেজটি ঐ অঞ্চলে পানি সংরক্ষণ, পানি নিষ্কাশন, পানি সেচ ও বন্যা প্রতিরোধে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।

উত্তরঃ

খুলনার দক্ষিণে ভৈরব বা রূপসা নদী। এটি আরও দক্ষিণে প্রবাহিত হয়ে ত্রিকোনা ও দুবলা দ্বীপদ্বয়ের ডানদিক দিয়ে মংলা বন্দরের দুক্ষিণে সুন্দরবনের ভেতর দিয়ে বঙ্গোপসাগরে পতিত হয়েছে।

উত্তরঃ

পশুর নদী প্রায় ১৪২ কি. মি. দীর্ঘ ও ৪৬০ মিটার থেকে ২.৫ কি.মি. চওড়া এই নদীর গভীরতা এত বেশি যে, সারা বছর সমুদ্রগামী জাহাজ এর মোহনা দিয়ে অনায়াসে মংলা সমুদ্রবন্দরে প্রবেশ করতে পারে। এছাড়া খুলনা-বরিশাল নৌপথ হিসেবে নদী গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

উত্তরঃ

সাঙ্গু নদী উত্তর আরাকান পাহাড় থেকে নির্গত হয়ে বান্দরবান জেলার থানছি উপজেলা দিয়ে বাংলাদেশে প্রবেশ করে বঙ্গোপসাগরে পতিত হয়েছে। এটি ২৯৪ কি.মি. দীর্ঘ।

উত্তরঃ

লামার মাইভার পর্বতে মাতামুহুরী নদীর উৎপত্তি হয়েছে। নদীটি কক্সবাজার জেলার চকরিয়ার পশ্চিম পাশ ঘেঁষে বঙ্গোপসাগরে পতিত হয়েছে। এর দৈর্ঘ্য প্রায় ১২০ কি.মি.।

উত্তরঃ

নদীমাতৃক বাংলাদেশের কৃষি, শিল্প, ব্যবসায়-বাণিজ্য, পরিবহন ইত্যাদি বহুলাংশে নদীর ওপর নির্ভরশীল বলে অর্থনৈতিক উন্নয়নে নদীর গুরুত্ব অপরিসীম। এছাড়া নদী থেকে জলবিদ্যুৎ উৎপাদন করা যায়। যা দেশের জন্য অর্থনীতিতে বিশেষ ভূমিকা রাখে।

উত্তরঃ

পৃথিবীর সকল সভ্যতা ও জনবসতি গড়ে ওঠার পিছনে নদ-নদীর ভূমিকা অতীব গুরুত্বপূর্ণ ছিল। পরবর্তীকালে জীবন-জীবিকার উন্নতিতেও নদ-নদীকে মানুষ ব্যবহার করছে। পানির কারণেই মানুষ নদীর কাছাকাছি বসতি স্থাপন ও জীবিকা নির্বাহের উৎসের সন্ধান করেছে।

উত্তরঃ

নদ-নদীকে কেন্দ্র করে মানুষ খাদ্যোৎপাদন, মাছ শিকার, পণ্য পরিবহন, ব্যবসায়-বাণিজ্য ইত্যাদি গড়ে তোলার মাধ্যমে স্থায়ী বসতি হিসেবে গ্রাম এবং শচুর গড়ে উঠেছে। নদীসমূহ পানিসম্পদে পরিণত হয়েছে। বাংলাদেশে জনসংখ্যার বিস্তার সর্বাধিক ঘটেছে নদীগুলোর তীরে। ফলে অধিকাংশ শহর, গঞ্জ (বাণিজ্য) গড়ে উঠেছে বিভিন্ন নদীর তীরে।

উত্তরঃ

বাংলাদেশের নগর ও গ্রামের জনজীবন, অর্থনৈতিক ব্যবস্থা টিকিয়ে রাখতে হলে দেশের সকল নদনদীকে বাঁচিয়ে রাখতে হবে। এ কারণেই দেশের পরিবেশবাদীরা নদী বাঁচাও জনসচেতনতামূলক কর্মসূচি পালন করছেন।

উত্তরঃ

বাংলাদেশের নদীসমূহে উজান থেকে প্রচুর পানি আসে। এ পানিতে প্রচুর পলি থাকে। এসব পলি নদীর তলদেশে জমা পড়ে। দীর্ঘদিন এভাবে পলি জমা হয়ে বেশকিছু নদীর তলদেশ ভরাট হয়ে গেছে। ফলে নদীগুলোতে চর পড়ে যাওয়ায় পানির প্রবাহ কমে গেছে।

উত্তরঃ

বাংলাদেশের অনেক নদীর উৎপত্তিস্থল ভারতে। ভারতে বেশকিছু নদীতে বাঁধ দেওয়ায় বাংলাদেশের নদীগুলোতে শুষ্ক মৌসুমে পানির প্রবাহ কমে গেছে। এর ফলে এদেশের কোনো কোনো নদী, যেমন- তিস্তা, গঙ্গা, কপোতাক্ষ ইত্যাদি শুকিয়ে নাব্যতা হারাচ্ছে।

উত্তরঃ

ভারতের ফারাক্কা বাঁধ নির্মাণের ফলে দেশের উত্তর-পশ্চিমাঞ্চল ভয়াবহ সমস্যার সম্মুখীন হয়েছে। পদ্মাসহ উত্তরাঞ্চলের সব নদীতেই নেতিবাচক প্রভাব পড়েছে। বিশেষ করে শুষ্ক মৌসুমে পানির চরম সংকট দেখা দেয়। এর ফলে পরিবেশের ভারসাম্যের ওপর পানির অপ্রতুলতার নানা ধরনের নেতিবাচক প্রভাব পড়েছে।

উত্তরঃ

নদীভাঙন, বন্যা, নদী শুকিয়ে যাওয়া প্রভৃতি কারণ কৃষি, বাণিজ্য, মৎস্য চাষ, যাতায়াত বন্ধ হয়ে যাচ্ছে। ফলে নদীর তীরে গড়ে ওঠা বসতির 'জীবন ও জীবিকার সন্ধানে তল্পিতল্পা গুটিয়ে অন্যত্র চলে যেতে হচ্ছে।

উত্তরঃ

নদীপ্রবাহ হারালে দীর্ঘদিন ধরে নদীকে কেন্দ্র করে যেসব পেশার মানুষ জীবন-জীবিকা নির্বাহ করে থাকে তাদের জীবনে অভাব-অনটন নতুনভাবে সৃষ্টি হতে পারে। নদীর তীরে যেসব গাছপালা, বাগানবাড়ি, সবুজ বৃক্ষের সমারোহ গড়ে উঠেছে সেগুলো পানির অভাবে নষ্ট হয়ে যেতে পারে। তাতে মানুষ, পশু-পাখি ও গাছ-তরুলতার অস্তিত্ব বিপন্ন হতে পারে।

উত্তরঃ

বাংলাদেশে অসংখ্য নদনদী, খাল, বিল ও হাওর থাকার পরও বেশকিছু অঞ্চলে পানির অভাব তীব্র হচ্ছে। এ পানি সংকটের, কতিপয় কারণ রয়েছে। বাংলাদেশের অনেক নদীতে পলি জমে ভরাট হয়ে যাচ্ছে। কিন্তু এ পলি খননের অভাবে নদীর নাব্যতা হ্রাস পাচ্ছে। যে কারণে পানি সংকট দেখা দেয়। বাংলাদেশের অধিকাংশ নদীর উৎপত্তিস্থল ভারতে। ভারত বেশ কিছু নদীতে বাঁধ দেওয়ার কারণেও বাংলাদেশে পানির সংকট হয়। এছাড়াও বাংলাদেশে পানি সংকটের আরেকটি উল্লেখযোগ্য কারণ হলো নিয়মনীতি না মেনে নদীর ওপর যত্রতত্র ব্রিজ, কালভার্ট, বাঁধ ইত্যাদি নির্মাণ করা।

উত্তরঃ

নদীকে বাঁচাতে বিভিন্ন ধরনের উদ্যোগ নিতে হবে। যেমন- নদী নিয়মিত খনন করা, নদীর উপর অপ্রয়োজনীয় বাঁধ, পুল, কালভার্ট নির্মাণ না করা, পানির প্রবাহ ঠিক রাখা ও জলাধার নির্মাণের উদ্যোগ নিতে হবে।

উত্তরঃ

নদীমাতৃক বাংলাদেশে নদীকে বাঁচাতেই আমরা 'নদী বাঁচাও' কর্মসূচি পালন করে থাকি। অসংখ্য নদনদী উত্তরের হিমালয় এবং ভারতের পাহাড়ি অঞ্চল থেকে নেমে এসেছে বাংলাদেশ ভূখন্ডে। আর এসব নদনদী মিশে আছে আমাদের প্রাণের সাথে। অথচ অনেক নদী আজ তার স্বাভাবিক নাব্যতা হারিয়ে বিলুপ্তপ্রায়। এসব নদনদী বাঁচাতে পালিত হয় 'নদী বাঁচাও' কর্মসূচি।

উত্তরঃ

নদীমাতৃক দেশে যাতায়াত ও পরিবহন ব্যবস্থার একটি উল্লেখযোগ্য অংশ নদীগুলোই বহন করছে। পদ্মা, মেঘনা, যমুনা, কর্ণফুলী, সুরমা, কীর্তনখোলা, করতোয়া, তিতাস, কুশিয়ারা, মাতামুহুরী, আত্রাই, মধুমন্ডী, গড়াই ইত্যাদি নদী যাত্রী পরিবহন সেবায় বড় ধরনের ভূমিকা পালন করে থাকে। নদীপথকে সকলে আরামদায়ক পথ বলে বিবেচনা করে থাকে।

উত্তরঃ

নদী বা সাগরের পানির স্রোতকে কাজে লাগিয়ে যে বিদ্যুৎ উৎপাদন করা হয় তাকে জলবিদ্যুৎ বলা হয়। অর্থাৎ নদী ও জলপ্রপাতের পানির বেগ ব্যবহার করে টার্বাইন যন্ত্রের সাহায্যে জলবিদ্যুৎ উৎপাদন করা হয়। এটি নবায়নযোগ্য শক্তিসম্পদ। বাংলাদেশের পার্বত্য চট্টগ্রামের কাপ্তাই নামক স্থানে কর্ণফুলী নদীতে নদীর গতিপথে বাঁধ দিয়ে এ জলবিদ্যুৎ উৎপাদন করা হয়। সবচাইতে কম খরচে এ বিদ্যুৎ উৎপাদন করা যায়।

উত্তরঃ

নদী ও জলপ্রপাতের পানির বেগ ব্যবহার করে টার্বাইন যন্ত্রের সাহায্যে জলবিদ্যুৎ উৎপাদন করা হয়। এটি নবায়নযোগ্য শক্তি সম্পদ। সবচেয়ে কম খরচে এ বিদ্যুৎ উৎপাদন করা যায়। সে কারণে দেশের নদীর পানিসম্পদ ব্যবহার করে জলবিদ্যুৎ উৎপাদন বৃদ্ধি করা বাংলাদেশের অর্থনীতির জন্য লাভজনক।

উত্তরঃ

যে ধরনের পাহাড়ি নদী থেকে জলবিদ্যুৎ উৎপাদন করা যায়, সে রকম পাহাড় ও নদী বাংলাদেশে বেশি নেই। ফলে বাংলাদেশে জলবিদ্যুৎ উৎপাদনের সুযোগ কম।

উত্তরঃ

বাংলাদেশে অভ্যন্তরীণ নৌপথে দেশের মোট বাণিজ্যিক মালামালের ৭৫ শতাংশ আনা-নেওয়া করা হয়। দেশে প্রায় সব নদীপথেই সরকারি-বেসরকারি উদ্যোগে লক্ষ লক্ষ টন মালামাল পরিবহন করা হয়ে থাকে। ফলে সকল প্রকার অস্থিতিশীলতার মধ্যেও নির্বিঘ্নে জাহাজ ও নৌযানযোগে পণ্য পরিবহন করা যায়।

উত্তরঃ

প্রকৃতি থেকে প্রাপ্ত সম্পদকে প্রাকৃতিক সম্পদ (Natural Resource) বলা হয়। ঘ্রাটি, পানি, বনভূমি, সৌরতাপ, মৎস্য, খনিজ সম্পদ ইত্যাদি প্রাকৃতিক সম্পদ।

উত্তরঃ

কৃষিপণ্য উৎপাদনের পিছনে মাটির গুণাগুণ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে থাকে। দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোর মাটি উর্বর হওয়ায় ধান, আলু, পাট, তুলা, চা প্রভৃতি বেশি ভালো উৎপাদিত হয়।

উত্তরঃ

যেকোনো দেশের মৎস্য সম্পদের সঙ্গে সরাসরি ভূপ্রকৃতি ও জলবায়ুর সম্পর্ক রয়েছে। বাংলাদেশে বৃষ্টিপাত, নদ-নদীতে পানিপ্রবাহ, খাল, বিল, হাওড়, পুকুর ইত্যাদিতে পানি থাকায় দেশটি মৎস্য সম্পদে সমৃদ্ধ দেশ বলে পরিচিত। এখানে ছোট বড় নানা প্রকারের মাছ পাওয়া যায়। বঙ্গোপসাগরে মাছের ভান্ডার রয়েছে। প্রতিবেশী-মিয়ানমার ও ভারতে প্রচুর মৎস্য সম্পদ রয়েছে।

উত্তরঃ

বাংলাদেশের পূর্বাঞ্চলীয় পাহাড়ি জেলাসমূহের মাটির নিচে গ্যাস, কয়লা, তেল, চুনাপাথরসহ নানা ধরনের মূল্যবান খনিজ পদার্থের সন্ধান পাওয়া গেছে। এসব সম্পদ আহরণ করে দেশের গ্যাসের চাহিদা মেটানো হচ্ছে। বঙ্গোপসাগরের তলদেশেও গ্যাস আবিষ্কৃত হয়েছে। সেখানে আরও অনেক ধরনের প্রাণিজ এবং খনিজ পদার্থ পাওয়ার সম্ভারনা রয়েছে।

উত্তরঃ

বাংলাদেশসহ দক্ষিণ এশিয়ার অপরাপর দেশগুলো নিরক্ষীয় বা ক্রান্তীয়-অঞ্চলে অবস্থিত হওয়ার কারণে এসব দেশ সহজে প্রচুর সৌরশক্তি পেয়ে থাকে। তাই এ অঞ্চলের দেশগুলোতে-তাপমাত্রা কখনো নিম্ন পর্যায়ে নামে না।

উত্তরঃ

পানির পরিকল্পিত প্রাপ্যতা ও ব্যবহারকে পানি ব্যবস্থাপনা বলা হয়। শীত ও শুষ্ক মৌসুমে পানির প্রাপ্তি নিশ্চিত করতে নদ-নদী, খাল, পুকুর, হাওড় ও বিলে পরিকল্পিতভাবে পানি ধরে রাখার ব্যবস্থা করার মাধ্যমে পানিসম্পদ ব্যবস্থাপনা করা যায়।

উত্তরঃ

পানি ব্যবস্থাপনার ২টি উদ্যোগ হলো--

১. পরিবেশ সংরক্ষণ: নন্দ-নদী, পুকুর, খাল, বিল, হাওড়, বাঁওড়, বন ও ভূমির পরিবেশ রক্ষা করতে হবে।

২.পানির সদ্ব্যবহার নিশ্চিত করা: শুভ ও শীত মৌসুমে দেশের সর্বত্র পানির অপব্যবহার দূর করার নীতি ও কৌশল বাস্তবায়ন করতে হবে।

উত্তরঃ

পানি সম্পদ ব্যবস্থাপনা প্রয়োজন কারণ, মানুষসহ জীবজগতের অস্তিত্বের জন্য পানির ভূমিকা অভ্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এছাড়া কৃষি ও শিল্পের বিকাশে পানির ব্যবহার অপরিহার্য। পানি সাধারণত তিন অবস্থায় থাকে কঠিন, তরল ও বায়বীয়। বর্ষাকালে পানির প্রাচুর্য থাকলেও শীত ও গ্রীষ্মকালে পানির অভাবে কৃষি, শিল্প, জনজীবন বিপন্ন হয়ে ওঠে। সে কারণে সারা বছর পানির প্রাপ্তি, প্রবাহ ও বণ্টন নিশ্চিত রাখতে পানি সম্পদ ব্যবস্থাপনার জরুরি প্রয়োজন রয়েছে।

উত্তরঃ

বাংলাদেশের উত্তরাঞ্চলে পরিকল্পিতভাবে কয়েকটি রিজার্ভার খনন করা গেলে শুষ্ক মৌসুমে খাদ্য উৎপাদনে প্রয়োজনীয় পানির চাহিদা পূরণ করা সম্ভব হবে। মাছ চাষ ও প্রজনন স্বাভাবিক থাকবে।

উত্তরঃ

মাছ ও কৃষি উৎপাদনে ব্যাঘাত সৃষ্টির অন্যতম একটি কারণ হলো অপরিকল্পিত সার ও কীটনাশকের ব্যবহার বাংলাদেশের অনেক নদীর উৎপত্তিস্থল ভারতে। ভারতে বেশকিছু নদীতে বাঁধ দেওয়ায় বাংলাদেশের নদীগুলোতে শুল্ক মৌসুমে পানির প্রবাহ কমে গেছে। এর ফলে এদেশের কোনো কোনো নদী, যেমন- তিস্তা, গঙ্গা, কপোতাক্ষ ইত্যাদি শুকিয়ে যাচ্ছে।

উত্তরঃ

বিশ্বব্যাপী প্রয়োজনীয় পানি সম্পদের সরবরাহ ও সুরক্ষার উপায় নির্ধারণের জন্য পানিসম্পদ নীতির প্রয়োজন। মানুষসহ জীবজগতের অস্তিত্বের জন্য পানির ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। পানি সম্পদ নীতি অঞ্চলভেদে পরিবর্তিত-হয় এবং পানির প্রাপ্যতা বা অভাব অনুযায়ী ভা নির্ধারিত হয়। বর্ষাকালে পানির প্রাচুর্য থাকলেও গ্রীষ্মকাল পানির অভাব দেখা যায়। সে কারণে সারা বছর পানির প্রাপ্তি, প্রবাহ ও বণ্টন নিশ্চিত রাখতে আমাদের জাতীয় পানির নীতি প্রয়োজন।

উত্তরঃ

বৃক্ষরাজির যে ভূমিতে সমারোহ ঘটায় তাকে বনভূমি বলা হয়। এসব বনে কাঠ, মধু, মোম ইত‍্যাদি বনজসম্পদ পাওয়া যায়। বাংলাদেশে পর্যাপ্ত বনভূমি নেই। একটি দেশের মোট আয়তনের ২০-২৫ শতাংশ বনভূমি থাকা প্রয়োজন। কিন্তু বাংলাদেশে এ সম্পদের পরিমাণ রয়েছে মাত্র ১৭%।

উত্তরঃ

জনসংখ্যা দ্রুত বৃদ্ধি পাওয়ার সঙ্গে মানুষের ঘরবাড়ি এবং আসবাবপত্র নির্মাণে মূল্যবান কাঠের প্রয়োজন। এসব কাঠ বনভূমি থেকেই সরবরাহ করা হয়। যার কারণে বনভূমি ক্রমেই কমে যাচ্ছে।

উত্তরঃ

জলবায়ু ও মাটির ভিন্নতা অনুসারে বাংলাদেশের বন এলাকাকে মোটামুটি চার ভাগে ভাগ করা যায়। যথা-১. চট্টগ্রামের বনাঞ্চল; ২. সিলেটের বন; ৩. সুন্দরবন ও ৪. টাঙ্গাইল-ময়মনসিংহ অঞ্চলের বনভূমি।

উত্তরঃ

বাংলাদেশের দক্ষিণ-পূর্ব ও উত্তর-পূর্ব অংশের পাহাড়ি অঞ্চলকে ক্লান্তীয় চিরহরিৎ এবং পত্রপতনীল বনভূমি এলাকা নামে অভিহিত করা হয়। য়। মূলত উষ্ণ ও আর্দ্রভূমির কিছু এলাকা জুড়ে বিভিন্ন প্রজাতির গাছপালা, তরুলতা, ঝোপঝাড় ও গুল্ম জন্ম নেয়।

উত্তরঃ

ক্রান্তীয় চিরহরিৎ এবং পত্রপতনশীল বনভূমির গাছের পাতা একত্রে ফোটেও না, ঝরেও না। ফলে সারা বছর, বনগুলো সবুজ থাকে। সে কারণেই এসব বনকে চিরহরিৎ বা চিরসবুজ বনভূমি বলে।

উত্তরঃ

রাংলাদেশের ময়মনসিংহ, টাঙ্গাইল, গাজীপুর, দিনাজপুর ও রংপুর জেলা পাতাঝরা অরণ্যের অঞ্চল। এ বনভূমিতে বছরের শীতকালে একবার গাছের পাতা সম্পূর্ণরূপে ঝরে যায়। এ বনভূমিতে প্রধানত শালগাছ প্রধান বৃক্ষ তাই এ বনকে শালবন হিসেবেও অভিহিত করা হয়।

উত্তরঃ

বাংলাদেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাংশে খুলনা এবং দক্ষিণ-পূর্বাংশ নোয়াখালী ও চট্টগ্রাম জেলার উপকূলে জোয়ার ভাটার লোনা ও ভেজা মাটিতে যেসব উদ্ভিজ্জ জন্মায় তাদের স্রোতজ বা গরান বনভূমি বলা হয়। প্রধানত সুন্দরবনে এসব উদ্ভিদ বেশি জন্ম নেয়। স্যাঁতস্যাঁতে। লোনা পানিতে সুন্দরি, গেওয়া, ধুন্দল, কেওড়া, বাইন, গরান ইত্যাদি বৃক্ষ জন্মায়। বাংলাদেশে মোট ৪,১৯২ বর্গ কিলোমিটার স্রোতজ বা গরান বনভূমি রয়েছে।

উত্তরঃ

বাংলাদেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাংশ খুলনা এবং দক্ষিণ-পূর্বাংশে নোয়াখালী ও চট্টগ্রাম জেলার উপকূলে জোয়ার ভাটার লোনা ও ভেজা 'মাটিতে যেসব উদ্ভিজ্জ জন্মায় তাদের স্রোতজ বা গরান বনভূমি বলা হয়। প্রধানত সুন্দরবনে এসব উদ্ভিদ বেশি জন্ম নেয়।

উত্তরঃ

মাটির সর্বোচ্চ ব‍্যবহার করে রাংলাদেশ কৃষিতে ফসল উৎপাদন বাড়াতে পারে। বাংলাদেশ স্বাধীনতার চল্লিশ বছরে তিনগুণ খাদ্য উৎপাদন বৃদ্ধি করতে পেরেছে। উন্নত প্রযুক্তি, বীজ, চাষাবাদের নিয়মকানুন মেনে রাংলাদেশ এই-মাটিতে আরও বেশি ফসল উৎপাদন করতে পারবে।

উত্তরঃ

বাংলাদেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নে প্রাকৃতিক সম্পদের গুরুত্ব অপরিসীম। ভূমি, বনভূমি, মৎস্য, খনিজ পদার্থ, সৌরতাপ, প্রাকৃতিক জলাশয় ইত্যাদি এ দেশের গুরুত্বপূর্ণ প্রাকৃতিক সম্পদ। প্রাকৃতিক সম্পদকে যথাযথভাবে ব্যবহার করে দারিদ্র্য দূরীকরণ, খাদ্য নিরাপত্তা বিধান এবং উন্নত জীবনমান নিশ্চিত করা সম্ভব। পরিকল্পিতভাবে এসব সম্পদের ব্যবহার নিশ্চিত করার মাধ্যমে আমাদের সার্বিক উন্নয়ন ও কল্যাণ নিশ্চত করা যাবে। এসব সম্পদ সংরক্ষণ করা না গেলে আমাদের সমাজ, অর্থনীতি ও জনজীবন দারুণভাবে ক্ষতিগ্রস্ত, হবে। পরিবেশের ভারসাম্য হারিয়ে ফেলবে। ফলে প্রাকৃতিক দুর্যোগসহ পরিবেশ ও প্রকৃতির মারাত্মক হুমকির মুখে পড়বে।

উত্তরঃ

যেকোনো দেশের পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় বনভূমির গুরুত্ব অপরিসীম। দেশে পর্যাপ্ত পরিমাণে বনভূমি থাকলে জলবায়ু, আর্দ্রতা ও বৃষ্টিপাতের পরিমাণ ঠিক থাকে। ফলে মানুষের মধ্যে কর্মদক্ষতা বৃদ্ধি পায়। এছাড়া বন্যা, বৃষ্টি, খরা প্রভৃতির কারণে ভূমির ক্ষয় দেখা দেয়। বনভূমি ভূমির ক্ষয়রোধে সহায়ক ভূমিকা পালন করে। এজন্য প্রাকৃতিক পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় ২০-২৫ ভাগ বনভূমি থাকা বাধ্যতামূলক ।

উত্তরঃ

তিস্তা নদীর দৈর্ঘ্য ১৭৭ কিলোমিটার।

উত্তরঃ

নাফ নদীর দৈর্ঘ্য ৫৬ কি. মি.।

উত্তরঃ

তিব্বতের মানস সরোবর থেকে।

উত্তরঃ

কর্ণফুলী নদীর দৈর্ঘ্য ৩২০ কি.মি.।

উত্তরঃ

'ধলেশ্বরী' যমুনা নদীর শাখা নদী।

উত্তরঃ

বাংলাদেশের পদ্মা নদী ভারতে গঙ্গা নামে পরিচিত।

উত্তরঃ

তিস্তা নদীর উৎপত্তিস্থল হলো সিকিমের পার্বত্য অঞ্চলে।

উত্তরঃ

বাংলাদেশ ও মিয়ানমারের সীমান্তে নাফ নদী অবস্থিত।

উত্তরঃ

বাংলাদেশের প্রধান নদীগুলো হচ্ছে- পদ্মা, মেঘনা, যমুনা, কর্ণফুলী ইত্যাদি।

উত্তরঃ

তিস্তা ব্যারেজ প্রকল্পটি ১৯৯৭-৯৮ সালে নির্মিত হয়।

উত্তরঃ

বাংলাদেশে নদনদীর সংখ্যা ৭০০টির মতো ।

উত্তরঃ

বাংলাদেশের বেশিরভাগ নদীর উৎপত্তিস্থল ভারতে।

উত্তরঃ

বাংলাদেশের নদনদীগুলো শেষ পর্যন্ত বঙ্গোপসাগরে মিলিত হয়েছে।

উত্তরঃ

পদ্মানদীর উৎপত্তিস্থল মধ্য হিমালয়ের গাঙ্গোত্রী হিমবাহে।

উত্তরঃ

আসাম হয়ে বাংলাদেশের কুড়িগ্রাম জেলায় ব্রহ্মপুত্র প্রবেশ করেছে।

উত্তরঃ

সুরমা ও কুশিয়ারার উৎপত্তি আসামের বরাক নদী নাগা-মণিপুর অঞ্চলে।

উত্তরঃ

বাংলাদেশের দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের প্রধান নদী কর্ণফুলী।

উত্তরঃ

কর্ণফুলী নদীর উৎপত্তিস্থল লুসাই পাহাড়ে।

উত্তরঃ

বাংলাদেশের প্রধান সমুদ্রবন্দর চট্টগ্রাম কর্ণফুলী নদীর তীরে অবস্থিত।

উত্তরঃ

সাঙ্গু নদী বঙ্গোপসাগরে পতিত হয়েছে।

উত্তরঃ

বাংলাদেশ ও মিয়ানমার সীমান্তে নাফ নদী অবস্থিত।

উত্তরঃ

প্রাচীন যুগে মানুষ নদনদী তীরবর্তী সমতল ভূমিতে বসবাস শুরু করে।

উত্তরঃ

বাংলাদেশের নদীসমূহের পানি উজান থেকে আসে।

উত্তরঃ

বাংলাদেশে ৩,৮৬৫ কিলোমিটারে বছরের সবসময় নৌ চলাচল করে।

উত্তরঃ

নদী রক্ষার্থে পরিবেশবাদীরা 'নদী বাঁচাও' জনসচেতনতামূলক কর্মসূচি পালন করছে।

উত্তরঃ

বর্তমান বাংলাদেশে ১০ লক্ষ একর জমিতে কৃষিজ ফলন হচ্ছে।

উত্তরঃ

তিস্তা বাঁধ থেকে রংপুর, দিনাজপুর ও বগুড়া অঞ্চলের মানুষ সুবিধা ভোগ করছে।

উত্তরঃ

বাংলাদেশের নদীসমূহে উজান থেকে প্রচুর পরিমাণ পানি আসে।

উত্তরঃ

বাংলাদেশের নদীগুলোতে চর পড়ে যাওয়ার কারণ হলো নদীগুলোর তলদেশ পলি দ্বারা ভরাট হয়ে যাওয়া।

উত্তরঃ

বাংলাদেশের নদী পথের দৈর্ঘ্য প্রায় ৯৮৩৩ কিলোমিটার।

উত্তরঃ

নদী ও জলপ্রপাতের বেগ ব্যবহার করে টার্বাইন যন্ত্রের সাহায্যে যে বিদ্যুৎ উৎপাদন করা হয় তাকে. জলবিদ্যুৎ বলে।

উত্তরঃ

বাংলাদেশের রাঙামাটিতে অবস্থিত কর্ণফুলী নদীতে বাঁধ দিয়ে জলবিদ্যুৎ উৎপাদন করা হচ্ছে।

উত্তরঃ

প্রকৃতি থেকে প্রাপ্ত সম্পদই হলো প্রাকৃতিক সম্পদ।

উত্তরঃ

সিলেট, দিনাজপুর, পার্বত্য চট্টগ্রাম ও পঞ্চগড়ে চা উৎপাদন হচ্ছে।

উত্তরঃ

দক্ষিণ এশিয়ার দেশ ভারত, বাংলাদেশ, মিয়ানমার এবং নেপাল বৈশিষ্ট্যের দিক থেকে কৃষিপ্রধান।

উত্তরঃ

বাংলাদেশে ধান, আলু ও পাটের উৎপাদন ব্যাপক হয়।

উত্তরঃ

ভারত ও মিয়ানমারে তুলা, চা, ডাল, মরিচ ইত্যাদির উৎপাদন বেশ ভালো হয়।

উত্তরঃ

বঙ্গোপসাগরে মাছের ভাণ্ডার রয়েছে।

উত্তরঃ

প্রতিবেশী মিয়ানমার, ভারত ও নেপালে প্রচুর মৎস্য সম্পদ পাওয়া যায়।

উত্তরঃ

বঙ্গোপসাগরের তলদেশে গ্যাস আবিষ্কৃত হয়েছে।

উত্তরঃ

খনিজ সম্পদে দক্ষিণ এশিয়ার মধ্যে ভারত বেশি সমৃদ্ধ।

উত্তরঃ

খনিজ সম্পদে নেপাল দক্ষিণ এশিয়ার পিছিয়ে আছে।

উত্তরঃ

পানির পরিকল্পিত প্রাপ্যতা ও ব্যবহারকে পানি সম্পদ ব্যবস্থাপনা বলা হয়।

উত্তরঃ

জীবজগতের অস্তিত্বের জন্য পানির ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

উত্তরঃ

জনসংখ্যার দিক থেকে বাংলাদেশ পৃথিবীর সবচাইতে ঘনবসতিপূর্ণ দেশ।

উত্তরঃ

বাংলাদেশের দক্ষিণ পশ্চিমাংশে এবং নোয়াখালি ও চট্টগ্রাম জেলার উপকূলে জোয়ারভাটার লোনা ও ভেজা মাটিতে যেসব উদ্ভিজ্জ জন্মায় তাদের স্রোতজ বা গরান বনভূমি বলে।

উত্তরঃ

বৃক্ষরাজি য়ে ভূমিতে সমারোহ ঘটায় তাকে বনভূমি বলা হয়।

উত্তরঃ

সিলেট অঞ্চলের বনভূমি ক্রান্তীয় চিরহরিৎ ও পঞ্চশীল বনভূমি শ্রেণির অন্তর্ভুক্ত।

উত্তরঃ

বাংলাদেশে বনভূমির পরিমাণ রয়েছে ১৭ শতাংশ।

উত্তরঃ

গরান বনভূমির আয়তন হলো ৪,১৯২ বর্গকিলোমিটার।

উত্তরঃ

বাংলাদেশের বনভূমি এলাকাকে মোটামুটি চারটি ভাগে ভাগ করা যায়।

উত্তরঃ

বাংলাদেশের বনভূমিকে তিনটি শ্রেণিতে ভাগ করা যায়।

উত্তরঃ

বাংলাদেশের গুরুত্বপূর্ণ প্রাকৃতিক সম্পদ হলো- ভূমি, বনভূমি মৎস, গ্রনিজ পদার্থ, সৌরতাপ, প্রাকৃতিক জলাশয় ইত্যাদি।

উত্তরঃ

স্বাধীনতা পরবর্তী চল্লিশ বছরে বাংলাদেশে তিনগুণ খাদ্যে উৎপাদন বৃদ্ধি হয়েছে।

উত্তরঃ

তিব্বতের মানস সরোবরে ব্রহ্মপুত্র নদের উৎপত্তি হয়েছে। আসাম হয়ে বাংলাদেশের কুড়িগ্রাম জেলায় এটি প্রবেশ করেছে। কিন্তু ১৭৮৭ সালে সংঘটিত ভূমিকম্পে ব্রহ্মপুত্রের তলদেশ উত্থিত হওয়ায় পানি ধারণ ক্ষমতার বাইরে চলে যায় এবং নতুন স্রোতধারার শাখা নদীর সৃষ্টি হয়। নতুন স্রোত ধারাটি যমুনা নামে পরিচিত হয়। এটি দক্ষিণে গোয়ালন্দ পর্যন্ত যমুনা নদী বলে পরিচিত।

উত্তরঃ

হিমালয়ের গাঙ্গোত্রী হিমবাহ থেকে উৎপন্ন হয়ে ভারতের কয়েকটি রাজ্য অতিক্রম' করে গঙ্গা নদী বাংলাদেশের রাজশাহীর চাঁপাইনবাবগঞ্জ..দিয়ে পদ্মা নামে প্রবেশ করেছে। এরপর এটি দক্ষিণ-পূর্ব দিকে প্রবাহিত হয়ে গোয়ালন্দের নিকট যমুনার সাথে মিলিত হয়েছে। মিলিত ধারা পদ্মা নামে আরও দক্ষিণে প্রবাহিত হয়ে চাঁদপুরে মেঘনার সাথে মিলিত হয়ে মেঘনা নাম ধারণ করেছে। বরিশাল ও নোয়াখালী অঞ্চল অতিক্রম করে একটি বঙ্গোপসাগরে পতিত হয়েছে।

উত্তরঃ

মেঘনা নদী সৃষ্টি হয়েছে সিলেট জেলার সুরমা ও কুশিয়ারার মিলিতস্থলে। সুরমা ও কুশিয়ারার উৎপত্তি আসামের বরাক নদী নাগা-মনিপুর অঞ্চলে। কুশিয়ারা ও সুরমা নদী বাংলাদেশের সিলেট জেলায় প্রবেশ করেছে। সুনামগঞ্জ জেলার আজমিরিগঞ্জের কাছে কালনী নামে দক্ষিণ-পশ্চিম দিকে অগ্রসর হয়ে মেঘনা নাম ধারণ করেছে। এটি ভৈরব বাজার অতিক্রম করে পুরাতন ব্রহ্মপুত্রের সঙ্গে মিলিত হয়েছে। মুন্সীগঞ্জের কাছে বুড়িগঙ্গা, ধলেশ্বরী ও শীতলক্ষ্যার মিলিত জলধারাই মেঘনায় এসে যুক্ত হয়েছে। সেখান থেকে চাঁদপুরের কাছে পদ্মার সঙ্গে মিলিত হয়ে বিস্তৃত মোহনার সৃষ্টি করেছে। এটি পতিত হয়েছে বঙ্গোপসাগরে। মুন, তিতাস, গোমতী, বাউলাই মেঘনার শাখা নদী। বর্ষার সময় প্লাবন ও পলিমাটিতে মেঘনা বাংলাদেশের উর্বরতা বৃদ্ধি করে।

উত্তরঃ

মানুষের বসবাসের জন্য নদনদীর ওপর নির্ভরশীলতা 'অনস্বীকার্য। কেননা, নদনদী থেকে মানুষের প্রাত্যহিক ব্যবহার্য পানি পাওয়া নিশ্চিত থাকে। এছাড়াও কৃষিকাজের পাশাপাশি মাছ শিকারের জন্য নদনদীর বিকল্প হয় না। নদ-নদীই মানুষের খাদ্য ও রোজগারের প্রধান উৎস হিসেবে ভূমিকা রাখে। ফলে পৃথিবীর সকল সভ্যতা ও জনবসতি গড়ে উঠেছে নদনদীর কূলে। তাই নদনদীর ওপর জনবসতির নির্ভরশীলতার প্রয়োজনীয়তা ব্যাপক।

উত্তরঃ

বাংলাদেশ একটি নদীমাতৃক দেশ। নদীগুলোই বাংলাদেশের জীবনকে বাঁচিয়ে রেখেছে। বাংলাদেশে নদনদীর সংখ্যা ১০০৮টির মতো। এ নদীগুলোর মধ্যে প্রধান নদীগুলো হচ্ছে পদ্মা, ব্রহ্মপুত্র, যমুনা, মেঘনা, কর্ণফুলী, সাঙ্গু প্রভৃতি। বাংলাদেশের অর্থনৈতিক কর্মকান্ডের ওপর এসব নদীর প্রভাব অপরিসীম। তাই বাংলাদেশকে নদীমাতৃক দেশ বলা হয়।

উত্তরঃ

প্রাচীন যুগ থেকে মানুষ নদনদীর তীরবর্তী সমতল ভূমিতে বসবাস করে। কেননা নদনদী থেকে মানুষের প্রাত্যহিক জীবনের প্রয়োজনীয় পানি পাওয়া হয়। এছাড়া কৃষিকাজের জন্য পানির যোগানও নদী থেকে দেওয়া সম্ভব। জীবনধারণের জন্য কৃষির পাশাপাশি মাছ শিকার ঘনিষ্ঠভাবে জড়িত। নদনদীই মানুষের খাদ্য ও রোজগারের প্রধান উৎস হিসেবে কাজ করে। তাই পৃথিবীর সকল সভ্যতা ও জনবসতি নদনদীর তীরে গড়ে ওঠে।

উত্তরঃ

প্রাচীনকাল থেকেই নদী একটি দেশের জন্য 'বিভিন্ন দৃষ্টিকোণ থেকে গুরুত্বপূর্ণ। সুদূর অতীত থেকে নদী অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডের মূল কেন্দ্রবিন্দু হিসেবে পরিগণিত হয়ে আসছে। অর্থনীতির প্রাণ পরিবহন ব্যবস্থা, যা একসময় প্রধানত নদীভিত্তিক ছিল। এছাড়া বর্তমান সময়ে একটি দেশের কৃষি সেচ, জলজ প্রাণী, পানি, নদীবাহিত পলি, বাণিজ্য, শিল্পোৎপাদন, মাছ, জীবিকা ও রোজগার, এমনকি পরিবেশের ভারসাম্যও নদীর ওপর প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে নির্ভরশীল। তাই, নদী একটি দেশের জন্য অতি গুরুত্বপূর্ণ।

উত্তরঃ

পরিবেশবাদীরা নদী বাঁচাও জনসচেতনতামূলক কর্মসূচি পালন করে কেননা মানুষসহ জীবজগতের অস্তিত্বের জন্য পানির ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। পানি মূল্যবান সম্পদ। শিল্পের বিকাশ ও কৃষিকাজে পানির ব্যবহার অপরিহার্য। পানি দূষণ ও দুষ্প্রাপ্যতা যেভাবে বেড়ে চলেছে তাতে খাদ্যোৎপাদন ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। তাই পরিবেশবাদীরা জনসচেতনতা বাড়াতে বিভিন্ন কর্মসূচির মাধ্যমে নদীকে বাঁচানোর জন্য বিভিন্ন পদক্ষেপ গ্রহণ করে। দেশে পানি সম্পদের সুষ্ঠু ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে জনগণের খাদ্য নিরাপত্তা ও স্বাস্থ্য সুরক্ষার স্থায়ী সমাধানে সকলকে কাজ করার জন্য উৎসাহ দেয়।

উত্তরঃ

প্রাচীনকাল থেকেই নদী অর্থনৈতিক কর্মকান্ডের মূল কেন্দ্রবিন্দু হিসেবে পরিগণিত হয়ে আসছে। অর্থনীতির প্রাণ পরিবহন ব্যবস্থা ছিল, এক সময় প্রধানত নদীভিত্তিক। এছাড়াও নদীতে প্রাপ্ত বিভিন্ন ধরনের মাছ, জলজ প্রাণী, পানি, নদীবাহিত পলি, বাণিজ্য ও শিল্পে নদীর ব্যবহার ইত্যাদি অর্থনৈতিক ক্ষেত্রে নদীর ভূমিকাকে শক্তিশালী করেছে। এ নদীকে কেন্দ্র করেই প্রাচীন কালের বিভিন্ন সভ্যতার অর্থনৈতিক ব্যবস্থা সচ্ছল হয়ে ওঠে।

উত্তরঃ

বাংলাদেশ একটি নদীমাতৃক দেশ। নদীগুলোই বাংলাদেশের জীবনকে যেন বাঁচিয়ে রেখেছে। তাছাড়া নদীই আমাদের পানির অন্যতম উৎস। সেচের পানি, শিল্পে ব্যবহৃত পানি ও পানিবিদ্যুৎ শক্তির উৎস হচ্ছে এ নদী। অথচ আজ বহুবিধ কারণে এসব নদী তার নাব্যতা হারাচ্ছে। আমাদের পানি সংকট দূর করার জন্য নদীর নাব্যতা ফিরিয়ে আনার কোনো বিকল্প নেই। তাই প্রশ্নোক্ত কথাটি যথার্থ।

উত্তরঃ

নদীপ্রবাহ হারালে বিভিন্ন নেতিবাচক অবস্থার মুখোমুখি হতে হয়। নদী নাব্যতা হারালে সমাজ, অর্থনীতি ও জনজীবন দারুণভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়। নদীর তলদেশ ভরাট হয়ে নদীতে চর পড়তে থাকে। ফলে নদী মরেও যায়।

উত্তরঃ

বাংলাদেশের অর্থনৈতিক কর্মকান্ডের ওপর নদীসমূহের দুটি প্রভাব হলো-
১. যাতায়াত: নদীমাতৃক দেশে যাতায়াত ও পরিবহন ব্যবস্থার একটি উল্লেখযোগ্য অংশ নদীগুলোই বহন করে। নদীপথে যাতায়াত খরচ অপেক্ষাকৃত কম হওয়ায় এর গুরুত্ব অনেক।
২. জলবিদ্যুৎ নদী ও জলপ্রপাতের পানির বেগ ব্যবহার করে টার্বাইন যন্ত্রের সাহায্যে যে বিদ্যুৎ উৎপাদন করা হয় তাকে জলবিদ্যুৎ বলা হয়, যা অর্থনীতিতে গুরুত্ব বহন করে।

উত্তরঃ

পানি ব্যবস্থাপনা, বলতে পানির পরিকল্পিত প্রাপ্যতা ও ব্যবহারকে বোঝায়। পানি ব্যবস্থাপনার একটি উদ্যোগ হলো শীত ও শুষ্ক মৌসুমে পানি প্রাপ্তি নিশ্চিত করতে নদ-নদী, খাল, পুকুর, হাওড় ও বিলে পরিকল্পিতভাবে পানি ধরে রাখার ব্যবস্থা করা। আধুনিককালে পানি সম্পদকে মানুষের কল্যাণে ব্যয় করার জন্য এর ব্যবস্থাপনার ওপর সর্বাধিক গুরুত্ব দেওয়া হয়।

উত্তরঃ

বাংলাদেশে জলবিদ্যুৎ কম উৎপন্ন হওয়ার কারণ হলো- যে ধরনের পাহাড়ি নদী থেকে জলবিদ্যুৎ উৎপাদন করা যায়, সেই রকম। পাহাড় ও নদী 'এই দেশে নেই। ফলে বাংলাদেশে জলবিদ্যুৎ উৎপাদনের সুযোগ কম। বাংলাদেশের একমাত্র চট্টগ্রামের কাপ্তাই নামক স্থানে কর্ণফুলি নদীর গতিপথে বাঁধ দিয়ে পাকিস্তান আমলে প্রথম জলবিদ্যুৎ উৎপাদন শুরু করা হয়।

উত্তরঃ

নদী ও জলপ্রপাতের পানির বেগ ব্যবহার করে টার্বাইন যন্ত্রের সাহায্যে যে বিদ্যুৎ উৎপাদন করা হয় তাকে জলবিদ্যুৎ বলা হয়। এটি নবায়নযোগ্য শক্তি সম্পদ। বাংলাদেশের পার্বত্য চট্টগ্রামের কাপ্তাই নামক স্থানে কর্ণফুলী নদীতে নদীর গতিপথে বাঁধ দিয়ে পাকিস্তান আমলে প্রথম জলবিদ্যুৎ উৎপাদন শুরু করা হয়। সবচাইতে কম খরচে এ বিদ্যুৎ উৎপাদন করা যায়। বর্তমান বিশ্বে তেল, গ্যাস 'বা পারমাণবিক চুল্লি ব্যবহারের মাধ্যমে যে বিদ্যুৎ উৎপাদন করা হয় তার উৎপাদন খরচ অনেক বেশি। সেই তুলনায় জলবিদ্যুতের খরচ অনেক রুম। সে কারণে দেশের নদীর পানি সম্পদ ব্যবহার করে বিদ্যুৎ উৎপাদন বৃদ্ধি করা বাংলাদেশের অর্থনীতির জন্য লাভজনক, তবে যে ধরনের পাহাড়ি নদী থেকে জলবিদ্যুৎ উৎপাদন করা যায় সে রকম পাহাড় ও নদী দেশে বেশি নেই। ফলে বাংলাদেশ জলবিদ্যুৎ উৎপাদনে খুব বেশি সুযোগ কাজে লাগাতে পারেনি।

উত্তরঃ

বাংলাদেশে অভ্যন্তরীণ নৌপথে দেশের মোট বাণিজ্যিক মালামালের ৭৫ শতাংশ আনা-নেওয়া করা হয়। এক সময় আমাদের তেমন কোনো জাহাজ ছিল না। এখন বহুমুখী পণ্যবাহী জাহাজের সংখ্যাও দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে। দেশে প্রায় সব কটি নদীপথেই সরকারি বেসরকারি উদ্যোগে, লক্ষ লক্ষ টন মালামাল পরিবহন করা হয়ে থাকে। ফলে সকল প্রকার অস্থিতিশীলতার মধ্যেও নির্বিঘ্নে জাহাজ ও নৌযানযোগে পণ্য চলাচল করা যায়। বর্ষাকালে বেশিরভাগ পণ্যই নৌপথে করা হয়।

উত্তরঃ

বাংলাদেশের পূর্বাঞ্চলীয় পাহাড়ি জেলাসমূহের মাটির নিচে গ্যাস, কয়লা, তেল, চুনাপাথরসহ নানা ধরনের মূল্যবান খনিজ পদার্থের সন্ধান পাওয়া যায়। এসব সম্পদ আহরণ করে দেশের গ্যাসের চাহিদা মেটানো হচ্ছে। বঙ্গেপসাগরের তলদেশেও গ্যাস আবিষ্কৃত হয়েছে। দক্ষিণ এশিয়ার দেশ ভারত একটি বড় দেশ। সেখানে ভূতাত্ত্বিক অবস্থা বৈচিত্র্যময়। ফলে নানা খনিজ সম্পদে ভারত অনেক বেশি সমৃদ্ধ। মিয়ানমার খনিজ সম্পদে বেশ অগ্রসর অবস্থানে আছে।

উত্তরঃ

দক্ষিণ এশিয়ার দেশ ভারত, বাংলাদেশ, মিয়ানমার' এবং নেপাল বৈশিষ্ট্যের দিক দিয়ে কৃষিপ্রধান। এ অঞ্চলের ভূপ্রকৃতি, জলবায়ু, মাটি, নদনদী ইত্যাদির ওপর নির্ভর করে কৃষকগণ এখানকার কৃষিজ সম্পদ উৎপাদন করে। এ 'কৃষি উৎপাদনে একটি সুনির্দিষ্ট মাত্রার তাপমাত্রা ও বৃষ্টিপাতের দরকার হয়। যার কারণে অঞ্চলভেদে কৃষি উৎপাদনে তারতম্য ঘটে। অত্যন্ত শীতল জলবায়ুর কারণে কিংবা বৃষ্টিপাতের অভারের কারণে ভারতের কয়েকটি অঞ্চলে শস্য উৎপাদনে ব্যাঘাত ঘটেগার দোপালে হিমালয়ের পাদদেশে শস্য উৎপাদন সীমিত আকারে হয়, অথচ ভারতের পশ্চিমবঙ্গ, বাংলাদেশ ও মিয়ানমারে নদীবিধৌত উর্বর অঞ্চলে ধান, গমসহ কৃষিজ পণ্য বছরে কয়েকবার উৎপাদন করা সম্ভব হয়। বাংলাদেশে ধান, আলু ও পাটের উৎপাদন ব্যাপক হয়। ভারতের পূর্বাঞ্চলে এবং বাংলাদেশের উত্তর ও পূর্বাঞ্চলের পাহাড়ে চা উৎপাদন হচ্ছে। গম, ভুট্টা, সরিষা ইত্যাদির ফলনও বেশ ভালো হয়। এ অঞ্চলে কৃষিপণ্য উৎপাদনের পেছনে মাটির গুণাগুণ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে থাকে। ভারত ও মায়ানমারের তুলা, চা, ডাল, মরিচ ইত্যাদির উৎপাদন বেশ ভালো।

উত্তরঃ

জলবায়ুগত অবস্থার সঙ্গে বনজ সম্পদের সম্পর্ক খুবই ঘনিষ্ঠ। বাংলাদেশ ও দক্ষিণ এশিয়ার দেশ ভারত, মিয়ানমার ও নেপালের মধ্যে জলবায়ুগত তারতম্য রয়েছে। উষ্ণ ও আর্দ্র জলবায়ু অন্যলে সারা বছর প্রচুর বৃষ্টিপাত হয় বলে সেখানে নিবিড় ও বড় বড় অরণ্য বেড়ে উঠেছে। যেমন- বাংলাদেশের পার্বত্য চট্টগ্রাম, ভারতের পূর্বাঞ্চল ও মিয়ানমারের উত্তরাঞ্চলে চির হরিৎ অরণ্য সৃষ্টি হয়েছে।

উত্তরঃ

যেকোনো দেশের মৎস্য সম্পদের সঙ্গে সরাসরি ভূপ্রকৃতি ও জলবায়ুর সম্পর্ক, রয়েছে। বাংলাদেশে বৃষ্টিপাত, নদনদীতে পানি প্রবাহ, খাল, বিল, হাওর, পুকুর ইত্যাদিতে পানি থাকায় মৎস্য সম্পদে সমৃদ্ধ দেশ বলে পরিচিত। এখানে ছোটবড় নানা প্রকারের মাছ পাওয়া যায়। বঙ্গোপসাগরে মাছের ভাণ্ডার রয়েছে। প্রতিবেশী মিয়ানমার, ভারত ও নেপালেও প্রচুর মৎস্য সম্পদ রয়েছে।

উত্তরঃ

প্রবাদ আছে- পানির অপর নাম 'জীবন। মানুষসহ জীবজগতের অস্তিত্বের জন্য পানির ব্যাপক চাহিদা রয়েছে। এছাড়া কৃষি ও শিল্পের জন্য পানি অপরিহার্য। বৃষ্টি থেকে পর্যাপ্ত পানি পাওয়া গেলেও শীত ও গ্রীষ্মকালে পানির অভাব হলে কৃষি, শিল্প ও জনজীবন বিপন্ন হয়ে ওঠে। অর্থনীতিতে পানি ভাই অত্যন্ত মূল্যবান একটি প্রাকৃতিক সম্পদ।

উত্তরঃ

জীবজগতের প্রতিটি প্রাণীর জন্য পানি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এবং অপরিহার্য। বৃষ্টি থেকে পর্যাপ্ত পানি পাওয়া গেলেও শীত ও গ্রীষ্মকালে পানির অভাব হলে জীবন সংকটাপন্ন হয়ে পড়ে। তাই সারা বছর পানির প্রাপ্তি, প্রবাহ ও বণ্টন নিশ্চিত করার জন্য সুষ্ঠু ব্যবস্থাপনা জরুরি। পানির এ চাহিদায় পরিকল্পিত প্রাপ্যতা ও তার পরিকল্পিত ব্যবহারকে পানি সম্পদ ব্যবস্থাপনা বলে। জীবজগতের বিপর্যয় ও অস্তিত্ব বিপন্ন ঠেকাতে পানি সম্পদ ব্যবস্থাপনা অত্যাবশ্যক। খাল-বিলে বাঁধ দিয়ে, পরিকল্পিতভাবে পানি ধরে রেখে এর সুষ্ঠু ব্যবহার করা যায়।

উত্তরঃ

বাংলাদেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাংশে খুলনা এবং দক্ষিণ-পূর্বাংশে নোয়াখালি ও চট্টগ্রাম জেলার উপকূলে জোয়ার-ভাটার লোনা ও ভেজা মাটিতে যেসব উদ্ভিজ্জ জন্মায় তাদের স্রোতজ বা গরান বনভূমি বলা হয়। প্রধানত সুন্দরবনে এটি বেশি জন্ম নেয়। স্যাঁতসেঁতে লোনা পানিতে সুন্দরি, গেওয়া, পশুর, ধুন্দল, কেওড়া, বায়েন, গরান, গোলপাতা ইত্যাদি বৃক্ষ হয়। বাংলাদেশে মোট ৪,১৯২ বর্গ কিলোমিটার স্রোতজ বনভূমি রয়েছে।

উত্তরঃ

যে অরণ্যে শীতকালে গাছের পাতা সম্পূর্ণরূপে ঝরে যায় তাকে ক্রান্তীয় পাতাঝরা অরণ্য বলে। বাংলাদেশের ময়মনসিংহ, টাঙ্গাইল, গাজীপুর, দিনাজপুর ও রংপুর জেলা পাতাঝরা অরণ্যের অঞ্চল। এই বনভূমিতে বছরের শীতকালে একবার গাছের পাতা সম্পূর্ণরূপে ঝরে যায়। শাল বা গজারি ছাড়াও কড়ই, বহেরা, হিজল, শিরিষ, হরিতকি, কাঁঠাল, নিম ইত্যাদি গাছ জন্মে। এ বনভূমিতে প্রধানত শালগাছ প্রধান বৃক্ষ। তাই এ বনকে শালবন হিসেবেও অভিহিত করা হয়।

উত্তরঃ

ক্রান্তীয় চিরহরিৎ বনভূমি নামে অভিহিত করা হয়। মূলত উষ্ণ ও আর্দ্রভূমির কিছু এলাকা জুড়ে বিভিন্ন প্রজাতির গাছপালা, তরু-লতা, ঝোপঝাড়, গুল্ম জন্ম নেয়। এসব গাছের পাতা একত্রে ফোটেও না, ঝরেও না। ফলে সারা বছর বনগুলো সবুজ থাকে। সে কারণেই এসব বনকে চিরহরিৎ বা চিরসবুজ বনভূমি বলে। চট্টগ্রাম, খাগড়াছড়ি, রাঙামাটি, বান্দরবান ও সিলেট এ অঞ্চলের অন্তর্ভুক্ত।

উত্তরঃ

জলবায়ুগত অবস্থার সঙ্গে বনজ সম্পদের সম্পর্ক খুবই ঘনিষ্ঠ। উষ্ণ ও আর্দ্র জলবায়ু অঞ্চলে সারা বছর প্রচুর বৃষ্টিপাত হয় বলে সেখানে নিবিড় ও বড় বড় অরণ্য বেড়ে উঠেছে। বাংলাদেশ ও দক্ষিণ এশিয়ার দেশ ভারত, মিয়ানমার ও নেপালের মধ্যে জলবায়ুগত তারতম্য রয়েছে। যে এলাকায় বৃষ্টিপাত কম হয় সেখানে বনভূমির পরিমাণ খুবই কম হয়। প্রচুর বৃষ্টিপাত হয় বলে বাংলাদেশের পার্বত্য চট্টগ্রাম, ভারতের পূর্বাঞ্চলে ও মিয়ানমারের উত্তরাঞ্চলে চিরহরিৎ অরণ্য সৃষ্টি হয়েছে।

উত্তরঃ

গরান বনভূমি বা স্রোতজ বন মূলত বাংলাদেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাংশে এবং দক্ষিণ-পূর্বাংশে উপকূলে জোয়ার-ভাটার লোনা ও ভেজা মাটিতে সৃষ্টি হয়েছে। অন্যান্য বনভূমি থেকে এর মৌলিক পার্থক্য হলো অন্যান্য বন মূলত শুষ্ক মাটিতে গড়ে ওঠে, কিন্তু গরান বনভূমি এর ব্যতিক্রম।

উত্তরঃ

বৃক্ষরাজি যে ভূমিতে সমারোহ ঘটায় তাকে বনভূমি বলা হয়। এসব বনে কাঠ, মধু, মোম ইত্যাদি বনজ সম্পদ পাওয়া যায়। বাংলাদেশে পর্যাপ্ত বনভূমি নেই। একটি দেশের মোট আয়তনের ২০-২৫ শতাংশ বনভূমি থাকা প্রয়োজন। কিন্তু বাংলাদেশের এ সম্পদের পরিমাণ রয়েছে মাত্র ১০ শতাংশ। জনসংখ্যা দ্রুত বৃদ্ধি পাওয়ার সঙ্গে মানুষের ঘরবাড়ি এবং আসবাবপত্র নির্মাণে মূল্যবান কাঠের প্রয়োজন।; এসব কাঠ বনভূমি থেকেই সরবরাহ করা হয়। যার কারণে এদেশের বনভূমি ক্রমেই কমে যাচ্ছে।

উত্তরঃ

অধিক জনসংখ্যা প্রাকৃতিক সম্পদ বনের জন্য মারাত্মকভাবে হুমকিস্বরূপ। বাড়তি জনসংখ্যার জন্য আবাসস্থল তৈরি, নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টিসহ বহুবিধ উপায়ে বনভূমির ওপর নেতিবাচক প্রভাব সৃষ্টি হয়। গাছপালা কেটে বন উজাড় করার মাধ্যমে বনভূমি হ্রাস হলো জনসংখ্যা বৃদ্ধির সাথে পরিবেশের ক্ষতির সবচেয়ে ঝুঁকিপূর্ণ ও প্রত্যক্ষ প্রভাব। আর তাই বলা যায়, অধিক জনসংখ্যা আমাদের বনের জন্য হুমকিস্বরূপ।

উত্তরঃ

প্রাকৃতিক সম্পদের যথাযথ ব্যবহারে দারিদ্রদ্র্য দূরীকরণ, খাদ্য নিরাপত্তা বিধান এবং উন্নত জীবনযাত্রার মান নিশ্চিত করা যায়। তাই বাংলাদেশের মানুষের আর্থসামাজিক অবস্থা প্রাকৃতিক সম্পদের ওপর নির্ভরশীল। কাঁচামাল হিসেবে প্রাকৃতিক সম্পদের চাহিদা ও যোগান বাড়ছে, পণ্য উৎপাদনে গুরুত্ব বৃদ্ধি পাচ্ছে। তৈরিকৃত পণ্য দেশীয় চাহিদা পূরণ করে বিদেশে রপ্তানি করা হচ্ছে। ফলে আর্থসামাজিক অবস্থা উন্নত হচ্ছে।

উত্তরঃ

বাংলাদেশ ভূখণ্ডে ছোটবড় মিলিয়ে মোট ১০০৮টি নদী রয়েছে ।

উত্তরঃ

বাংলাদেশের নদীগুলোর মোট আয়তন দৈর্ঘ্যে ২২,১৫৫ কি. মি ।

উত্তরঃ

বাংলাদেশে অবস্থিত নদীগুলোর শেষ গন্তব্যস্থল বঙ্গোপসাগরে ।

উত্তরঃ

পদ্মা নদীটির দুটি নাম আছে।

উত্তরঃ

পদ্মা নদীর উৎপত্তিস্থল গাঙ্গোত্রী হিমবাহ ।

উত্তরঃ

গঙ্গা নদী রাজশাহী জেলা দিয়ে বাংলাদেশে প্রবেশ করছে ।

উত্তরঃ

গঙ্গা-পদ্মা নদীবিধৌত অঞ্চলের আয়তন ৩৪,১৮৮ বর্গ কি. মি.

উত্তরঃ

পদ্মা নদীর শাখা নদী বেশি ।

উত্তরঃ

১৭৮৭ সালের ভূমিকম্পে ব্রহ্মপুত্রের একটি শাখানদী সৃষ্টি হয়। নদীটির নাম যমুনা

উত্তরঃ

বুড়িগঙ্গা ধলেশ্বরী নদীর শাখা নদী ।

উত্তরঃ

ব্রহ্মপুত্র নদীর দৈর্ঘ্য ২৮৯৭ কি.মি

উত্তরঃ

বাংলাদেশ অংশে ব্রহ্মপুত্র নদের অববাহিকার আয়তন ৪৪,০৩০ বর্গ কি.মি ।

উত্তরঃ

মেঘনা নদীর উৎপত্তিস্থল নাগা মনিপুর

উত্তরঃ

সুরমা নদী সিলেট শহরের উপর দিয়ে প্রবাহিত হয় ।

উত্তরঃ

সুরমা ও কুশিয়ারা সুনামগঞ্জ জেলায় এসে মেঘনা নাম ধারণ করেছে ।

উত্তরঃ

'সুরমা' ও 'কুশিয়ারা' নদীর মিলিত ধারা আজমিরিগঞ্জের কাছে এসে কালনী নামে প্রবাহিত হয়েছে ।

উত্তরঃ

বাংলাদেশের দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের প্রধান নদী কর্ণফুলী

উত্তরঃ

কর্ণফুলী নদীর দৈর্ঘ্য ৩২০ কি. মি.

উত্তরঃ

তিস্তা নদী সিকিমের পাহাড়ি এলাকা থেকে উৎপত্তি

উত্তরঃ

প্রবল বন্যায় গতিপথ পরিবর্তিত হওয়ার পর তিস্তা ব্রহ্মপুত্রর সাথে মিলিত হয়

উত্তরঃ

তিস্তা নদীর বর্তমান দৈর্ঘ্য ১৭৭ কিলোমিটার

উত্তরঃ

তিস্তা-ব্যারেজ প্রকল্পটি ১৯৯৭-৯৮ সালে নির্মিত হয়

উত্তরঃ

সাঙ্গু নদী ২৯৪ কি. মি. দীর্ঘ

উত্তরঃ

ফেনী নদীর উৎপত্তি হয়েছে পার্বত্য ত্রিপুরায়

উত্তরঃ

বাংলাদেশ ও মিয়ানমারের সীমান্তে নাফ নদীটি অবস্থিত ।

উত্তরঃ

নাফ নদীর দৈর্ঘ্য ৫৬ কি. মি.

উত্তরঃ

ঢাকা শহর গড়ে উঠেছে বুড়িগঙ্গা নদীর তীরে

উত্তরঃ

চট্টগ্রাম কর্ণফুলী নদীর তীরে অবস্থিত

উত্তরঃ

নারায়ণগঞ্জ শহর শীতলক্ষা নদীর তীরে গড়ে উঠেছে

উত্তরঃ

শীতলক্ষ্যা নদীর তীরে নারায়ণগঞ্জ শহর অবস্থিত

উত্তরঃ

কর্ণফুলী বহুমুখী পরিকল্পনা থেকে কত লক্ষ একর জমিতে কৃষিজ ফলন হচ্ছে ১০ লক্ষ একর ।  

উত্তরঃ

ভারত বাংলাদেশের নদীর নাব্যতা হ্রাস করছে নদীতে বাঁধ দিয়ে

উত্তরঃ

বাংলাদেশের অধিকাংশ নদীর উৎপত্তিস্থল ভারতে

উত্তরঃ

চট্টগ্রাম অঞ্চলকে কাপ্তাই বাঁধ বন্যা মুক্ত রাখতে সহায়তা করছে

উত্তরঃ

ফারাক্কা বাঁধের জন্য বাংলাদেশের উত্তর-পশ্চিমাঞ্চল অংশে প্রবল পানি সমস্যা বিদ্যমান

উত্তরঃ

বাংলাদেশের নদীপথের দৈর্ঘ্য ৯৮৩৩ কি.মি

উত্তরঃ

৩৮৬৫ কিলোমিটার নদীপথ সবসময় নৌযান চলাচলের উপযোগী থাকে

উত্তরঃ

জলবিদ্যুৎ উৎপন্ন করা হয় পানির বেগ ব্যবহার করে

উত্তরঃ

জলবিদ্যুৎ উৎপাদনের কাজে টার্বাইন যন্ত্রটি ব্যবহার করা হয়

উত্তরঃ

জলবিদ্যুৎ নবায়নযোগ্য শক্তি সম্পদ

উত্তরঃ

কাপ্তাই জলবিদ্যুৎ কেন্দ্র চট্টগ্রামে অবস্থিত ।

উত্তরঃ

কর্ণফুলী নদীতে বাঁধ দিয়ে বিদ্যুৎ উৎপন্ন করা হয় ।

উত্তরঃ

পৃথিবীর সবচাইতে ঘনবসতিপূর্ণ দেশ বাংলাদেশ ।

উত্তরঃ

একটি দেশের মোট আয়তনের ২০-২৫ শতাংশ বনভূমি থাকা প্রয়োজন

উত্তরঃ

বাংলাদেশে মোট আয়তনের ১৭ শতাংশ বনভূমি আছে

উত্তরঃ

বাংলাদেশের বন এলাকাকে মোটামুটি ৪টি ভাগে ভাগ করা যায়

উত্তরঃ

উদ্ভিদের বৈশিষ্ট্য অনুসারে বাংলাদেশে ৩ ধরনের বন রয়েছে ।

উত্তরঃ

ক্রান্তীয় চিরহরিৎ এবং পত্রপতনশীল বনভূমির গাছগুলো সবুজ থাকে

উত্তরঃ

বাংলাদেশের পার্বত্য চট্টগ্রাম অঞ্চলে চিরহরিৎ অরণ্যের সৃষ্টি হয়েছে

উত্তরঃ

খাগড়াছড়ি জেলায় ক্রান্তীয় চিরহরিৎ এবং পত্রপতনশীল বনভূমি গড়ে উঠেছে

উত্তরঃ

পত্রপতনশীল অরণ্যের বৃক্ষের পাতা শীতকালে ঝরে যায়

উত্তরঃ

স্রোতজ বনভূমি বাংলাদেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলে অবস্থিত

উত্তরঃ

বাংলাদেশের স্রোতজ বনভূমির মোট আয়তন ৪,১৯২ বর্গ কি. মি.

99
**'Provide valuable content and get rewarded! 🏆✨**
Contribute high-quality content, help learners grow, and earn for your efforts! 💡💰'
Content

Related Question

View All
উত্তরঃ

তিব্বতের মানস সরোবরে ব্রহ্মপুত্র নদের উৎপত্তি হয়ে আসাম হয়ে বাংলাদেশের কুড়িগ্রাম জেলায় এটি প্রবেশ করেছে। ১৭৮৭ সালের পূর্বে ব্রহ্মপুত্রের প্রধান ধারাটি ময়মনসিংহের মধ্য দিয়ে উত্তর- পশ্চিম দিক থেকে দক্ষিণ-পূর্বদিকে আড়াআড়িভাবে প্রবাহিত হতো। কিন্তু ১৭৮৭ সালে সংঘটিত ভূমিকম্পে ব্রহ্মপুত্রের তলদেশ উত্থিত হওয়ায় পানি ধারণ ক্ষমতার বাইরে চলে যায় এবং নতুন স্রোতধারার শাখা নদীর সৃষ্টি হয়। আর এ শাখা নদীটি যমুনা নামে পরিচিতি।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
1k
উত্তরঃ

অনুচ্ছেদে বর্ণিত বনভূমিটি হলো বাংলাদেশের দক্ষিণ-পূর্বাংশের ক্রান্তীয় চিরহরিৎ এবং পত্রপতনশীল বনভূমি এলাকা।

সাধারণ উষ্ণ ও আর্দ্র ভূমির কিছু এলাকা জুড়ে বিভিন্ন প্রজাতির গাছপালা, তরুলতা, ঝোপঝাড় ও গুল্ম জন্ম নেয়। এসব গাছের পাতা একত্রে ফোটেও না, ঝরেও না। ফলে সারা বছর বনগুলো সবুজ থাকে। অবশ্য সে কারণেই এসব বনকে চিরহরিৎ বা চিরসবুজ বনভূমি বলা হয়। চাপালিশ, ময়না, তেলসুর, মেহগনি, জারুল, সেগুন, গর্জন এ বনভূমির উল্লেখযোগ্য গাছ। তবে বর্তমানে এসব বনভূমি রাবার চাষও হচ্ছে। তাছাড়া এ বনগুলো অনেক সৌন্দর্যের রূপ পরিগ্রহ করে।

উদ্দীপকের জাহিদ তার বিদেশি বন্ধুদের সাথে নিয়ে এই চিরহরিৎ বনভূমিতে বেড়াতে গিয়ে বনের সৌন্দর্য দেখে মুগ্ধ হয়। প্রায় প্রতিনিয়তই সেখানে দেশি-বিদেশি পর্যটকেরা যাওয়া-আসা করে থাকেন।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
491
উত্তরঃ

উদ্দীপকে জাহিদের করা মন্তব্যটি যথার্থ।

উদ্দীপকে বর্ণিত নদীটির নাম কর্ণফুলী। কর্ণফুলি নদী বাংলাদেশের দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের প্রধান নদী। এ নদীর উৎপত্তিস্থল লুসাই নামক পাহাড়ে। ৩২০ কি.মি. দৈর্ঘ্যের এ নদীটি চট্টগ্রাম শহরের খুব নিকট দিয়ে বঙ্গোপসাগরে পতিত হয়েছে। বাংলাদেশের প্রধান সমুদ্রবন্দর কর্ণফুলী নদীর তীরে অবস্থিত। পানি বিদ্যুৎকেন্দ্র এবং চট্টগ্রাম বন্দরের জন্য এ নদীর গুরুত্ব অপরিসীম। তাছাড়া এ নদীটি আমাদের জাতীয় অর্থনীতিতে উল্লেখযোগ্য অবদান রাখছে। উদ্দীপকে জাহিদ ছুটিতে তার বিদেশি সহপাঠীদের নিয়ে বাংলাদেশের দক্ষিণ-পূর্ব অংশের পাহাড়ি অঞ্চলে ফেরার পথে বেড়াতে গিয়ে সে অঞ্চলের প্রধান নদীটি সম্পর্কে যে মন্তব্যটি করে তা কর্ণফুলি নদীকেই বুঝিয়েছে যা আলোচনায় স্পষ্ট।

তাই আমরা নিঃসন্দেহে বলতে পারি, উদ্দীপকে জাহিদের মন্তব্যটি যথার্থ।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
396
উত্তরঃ

নিরক্ষীয় নিম্ন অক্ষাংশ অঞ্চলে সূর্য বছরের প্রায় সব সময়ই লম্বভাবে কিরণ দেয়। বাংলাদেশসহ দক্ষিণ এশিয়ার অপরাপর দেশগুলো নিরক্ষীয় বা ক্রান্তীয় অঞ্চলে অবস্থিত। আর তাই দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোতে প্রচুর সৌরশক্তি পাওয়া যায়।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
728
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র
মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews