সংক্ষিপ্ত প্রশ্নোত্তর

Updated: 10 months ago
উত্তরঃ

ঈশ্বরকে কেউ দেখতে পায় না, তাঁর কোনো আকার নেই। তিনি নিরাকার। কিন্তু তাঁর সৃষ্টির আকার আছে। তাই সৃষ্টির মধ্যেই নিরাকার ঈশ্বরকে উপলব্ধি করা যায়।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
উত্তরঃ

সর্বশক্তিমান ঈশ্বর অসীম ক্ষমতার অধিকারী। তিনি এ বিশ্বের সবকিছু যেমন সৃষ্টি করেছেন, তেমনি আবার ধ্বংসও করতে পারেন। ঈশ্বরের এ অসীম ক্ষমতার জন্য তাঁকে আমরা গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করব।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
উত্তরঃ

সবকিছু সৃষ্টির জন্য একজন স্রষ্টার প্রয়োজন হয়। স্রষ্টা ছাড়া কোনো কিছুই সৃষ্টি হয় না। এ স্রষ্টা ও সৃষ্টির মধ্যে রয়েছে গভীর সম্পর্ক। সকল সৃষ্টিরই স্রষ্টা আছে। স্রষ্টার সৌন্দর্য সৃষ্টির মধ্য দিয়ে প্রকাশিত হয়। যেমন- টেবিল; টেবিলের স্রষ্টা কাঠমিস্ত্রি।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
উত্তরঃ

এ মহাবিশ্বের সকল সৃষ্টির মূলে রয়েছেন একজন মহান স্রষ্টা। এই স্রষ্টা বা সৃষ্টিকর্তাকে ঈশ্বর বলা হয়। মানুষের তৈরি যেসব কিছু তা-ও স্রষ্টার সৃষ্টির উপর নির্ভরশীল। কিন্তু স্রষ্টার সৃষ্টি তাঁর নিজের ইচ্ছাধীন।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
উত্তরঃ

হিন্দুধর্ম অনুসারে স্রষ্টা বা সৃষ্টিকর্তাকে ঈশ্বর নামে অভিহিত করা হয়। আবার ঈশ্বরের অনেক নাম, অনেক পরিচয়। যেমন-জ্ঞানীর কাছে তিনি ব্রহ্ম, যোগীর কাছে তিনি পরমাত্মা, ভক্তের কাছে তিনি ভগবান। তিনি সর্বশক্তিমান।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
উত্তরঃ

এই পৃথিবী বড় সুন্দর ও বিচিত্র। এখানে রয়েছে মানুষ, পশুপাখি, কীট-পতঙ্গ, গাছ-পালা, নদী-নালা, পাহাড়-পর্বত মরু-প্রান্তরসহ আরও কত রকমের বিচিত্রতা। পৃথিবীর উপরে রয়েছে সুনীল আকাশ।
আকাশে বিরাজ করছে চন্দ্র-সূর্য, গ্রহ, নক্ষত্র, ছায়াপথ ইত্যাদি।.

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
উত্তরঃ

এই পৃথিবীর সকল জীবের মধ্যে 'মানুষ শ্রেষ্ঠ। সে নিজের প্রয়োজনে অনেক কিছু তৈরি করতে পারে, যা অন্যান্য অনেক জীবই পারে না। যেমন- একজন কাঠমিস্ত্রী কাঠ দিয়ে টেবিল, চেয়ার তৈরি করে কিন্তু অন্য প্রাণী তা পারে না। সকল জীবের মধ্যে এজন্যই মানুষকে সকল জীবের মধ্যে শ্রেষ্ঠ বলা হয়েছে।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
উত্তরঃ

এ মহাবিশ্বের ও জীবকুলের একজন স্রষ্টা রয়েছেন। তিনি সবকিছু, সৃষ্টি করেছেন। আর মানুষ স্রষ্টার কোনো সৃষ্টির সাহায্য নিয়ে অন্য কিছু তৈরি করে। যেমন- স্রষ্টার তৈরি গাছ থেকে মানুষ চেয়ার, টেবিল তৈরি করছে। কিন্তু স্রষ্টা তিনি নিজ ইচ্ছানুযায়ী সব তৈরি করেছেন।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
উত্তরঃ

ঈশ্বর এই পৃথিবীর সকল কিছু সৃষ্টি করেছেন এবং সকল কিছুর মধ্যে আত্মারূপে অবস্থান করেন। ঈশ্বর বা পরমাত্মা যখন জীবের মধ্যে আত্মারূপে অবস্থান করেন তখন তাঁকে জীবাত্মা বলা হয়। তাই এই জীবাত্মা বা আত্মা পরমাত্মারই অংশ।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
উত্তরঃ

ঈশ্বর বা ব্রহ্ম এই বিশ্বব্রহ্মাণ্ডের সকল কিছুর স্রস্টা এবং তিনি নিজেই নিজেকেও সৃষ্টি করেছেন। অর্থাৎ তিনি সয়ম্ভু। এই ব্রহ্ম বা ঈশ্বর যখন স্বয়ং নিজেই নিজের মধ্যে অবস্থান করেন তখন তাকে পরমাত্মা বলা হয়।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
উত্তরঃ

আমরা ঈশ্বরকে দেখতে পাই না কারণ তিনি নিরাকার। অর্থাৎ তাঁর কোনো আকার নেই। কিন্তু তাঁর যে সৃষ্টি, সেসবের আকার রয়েছে, তাঁর সৃষ্টির মধ্য দিয়ে তাঁকে অনুভব করা যায়, সেবা করা যায়।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
উত্তরঃ

ভক্তরা তাঁদের ভক্তির মাধ্যমে ঈশ্বরের সান্নিধ্য লাভ করেন। ঈশ্বরকে তাঁর সৃষ্টির যেকোনো আকৃতিতে সাকাররূপে উপলব্ধি করে থাকেন এবং সকলকে ভালোবাসার মাধ্যমে ঈশ্বরকেই ভালোবেসে থাকেন। ঈশ্বরের নৈকট্য লাভ করে।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
উত্তরঃ

ঈশ্বর সর্বশক্তিমান। তিনি এক ও অদ্বিতীয়। তিনি নিরাকার। তবে প্রয়োজনে তিনি সাকার রূপ ধারণ করতে পারেন। এ মহাবিশ্ব এবং মহাবিশ্বের সকল কিছু তিনিই সৃষ্টি করেছেন এবং সকল কিছুর মধ্যে আত্মারূপে অবস্থান করেছেন। তিনিই ব্রহ্ম, পরমাত্মা।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
উত্তরঃ

স্রষ্টা ও সৃষ্টির মধ্যে গভীর সম্পর্ক বিদ্যামান। স্রষ্টা জীবকুলের কল্যাণে এ সুন্দর প্রকৃতি সৃষ্টি করেছেন এবং তিনি সকল কিছুর মধ্যে আত্মারূপে অবস্থান করে সকলকে নিয়ন্ত্রণ করছেন এছাড়াও সব উপাদানের মধ্যে ঐক্য, শৃঙ্খলা ও পারস্পরিক সম্পর্কের মূলে তিনি।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
উত্তরঃ

ঈশ্বর এই বিশ্ব-ব্রহ্মান্ডের সকল কিছুর স্রস্টা, পালনকর্তা ও ধ্বংসকর্তা। ঈশ্বর যা কিছু সৃষ্টি করেন তা তাঁর নিজের প্রয়োজনে নয়। তিনি নিজের আনন্দের জন্য সৃষ্টি করেন ও উপভোগ করেন। একেই বলা হয় ঈশ্বরের লীলা।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
উত্তরঃ

স্রষ্টার যে সকল সৃষ্টি এসবের মধ্যেও রয়েছে গভীর সম্পর্ক। যেমন- সূর্যের আলোয় পৃথিবী আলোকিত হয়। আলোর উপস্থিতিতে গাছপালা খাবার তৈরি করে। প্রকৃতির প্রাণচাঞ্চল্য ও জীবকুলের জীবনধারণের মূলেও সূর্যের আলো। এভাবেই প্রতিটি উপাদান সম্পর্কিত।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
উত্তরঃ

ঈশ্বর সকল কিছু সৃষ্টি করেছেন এবং তাঁর সৃষ্ট সকল কিছুর মধ্যে আত্মারূপে অবস্থান করে সকলকে নিয়ন্ত্রণ করছেন। আর স্রষ্টার সৃষ্টির প্রতি শ্রদ্ধা ও ভালোবাসার মাধ্যমে তাঁকে শ্রদ্ধা ও ভালোবাসা সম্ভব হবে। তাই সকল সৃষ্টিকে সম্মান করা উচিত।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
উত্তরঃ

সকল জীবের মধ্যেই স্রষ্টার অস্তিত্ব রয়েছে। তিনি সকল জীব সৃষ্টি করেছন এবং জীবদেহেই অবস্থান করেন। তাই আমরা প্রতিটি জীবকেই ঈশ্বরজ্ঞানে পূজা করি। যেমন- তুলসীগাছকে পূজা করি, আবার গাভীকে মাতৃরূপে পূজা করে থাকি।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
উত্তরঃ

জীবদেহে ঈশ্বরের অস্তিত্ব সম্বন্ধে স্বামী বিবেকানন্দ বলেছেন-'বহুরূপে সম্মুখে তোমার ছাড়ি কোথা খুঁজিছ ঈশ্বর জীবে প্রেম করে যেই জন, সেইজন সেবিছে ঈশ্বর।'

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
উত্তরঃ

জীবদেহের সচলতা নির্ভর করে ঈশ্বরের অস্তিত্বের উপর। ঈশ্বর ছাড়া জীবদেহের অস্তিত্ব চিন্তা করা যায় না। আত্মাই জীবদেহের প্রাণ। যতক্ষণ দেহে আত্মা থাকে দেহ সচল, আত্মা নির্গত হলে দেহ হয় জড়, মৃত।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
উত্তরঃ

ঈশ্বরই হচ্ছে আত্মা। আত্মা নিরাকার। তাই আমরা আত্মাকে দেখতে পাই 'না। কিন্তু তার উপস্থিতি উপলব্ধি করতে পারি। আত্মার জন্ম নেই, মৃত্যুও নেই। অবস্থান ত্যাগ করে অন্য অবস্থানে আশ্রয় গ্রহণ করে মাত্র।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
উত্তরঃ

জীবকে সেবা করলে ঈশ্বরকেই সেবা করা হয়। কেননা-প্রতিটি জীবের মধ্যেই এক ঈশ্বর বহুরূপে বিরাজ করেন। ঈশ্বরের আস্তিত্ব ছাড়া জীবদেহের অস্তিত্ব কল্পনা করা যায় না। তাই জীবকে সেবা করা ভালোবাসা, ঈশ্বরকেই ভালোবাসা।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
উত্তরঃ

আত্মা সম্বন্দ্বে শ্রীমদ্ভগবদ্গীতায় বলা হয়েছে, মানুষ যেমন পুরাতন কাপড় পরিত্যাগ করে নতুন কাপড় পরিধান করে, আত্মাও তেমনি পুরাতন দেই পরিত্যাগ করে নতুন দেহ ধারণ করে। আত্মা নিত্য ও শাশ্বত।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
উত্তরঃ

আত্মাই ঈশ্বর। আত্মার জীবদেহে অবস্থান ও পরিত্যাগের মধ্যেই লুকিয়ে আছে জীবের জন্ম ও মৃত্যু। প্রতিটি জীবদেহে তাঁর উপস্থিতি আমাদের স্মরণ করিয়ে দেয় সৃষ্টির উপর তার কর্তৃত্বের কথা, সৃষ্টির মধ্যে তার অস্তিত্বের কথা। কেননা সকল কিছু তার মধ্যে লীন। তাই বলা যায়, জীবের অস্তিত্ব স্রষ্টা বা ঈশ্বরের ওপর নির্ভরশীল।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
উত্তরঃ

ঈশ্বর পরম ব্রহ্ম। তাঁর অসীম ক্ষমতা। তিনি আমাদের সৃষ্টি করেছেন, পালন করেছেন। আমরা তার প্রতি কৃতজ্ঞ। তাই কৃতজ্ঞতা বশত এবং আমাদের মঙ্গলের জন্য আমরা ঈশ্বরের প্রশংসা করি। একেই স্তব বা স্কৃতি বলা হয়।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
উত্তরঃ

ঈশ্বরের মাহাত্ম্য প্রকাশে যজুর্বেদে বলা হয়েছে-

নমস্তে পরমং ব্রহ্ম

সর্বশক্তিমতে নমঃ ॥

নিরাকারোহপি সাকারঃ

স্বেছারূপং নমো নমঃ ॥

(যজুর্বেদ, শান্তি পাঠ)

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
উত্তরঃ

নিরাকারোহপি = নিরাকারঃ + অপি। অর্থাৎ যার কোনো আকার নেই। যাকে দেখা যায় না। তবে অনুভব করা যায়। তাঁর অস্তিত্ব উপলব্ধি করা যায়। এখানে নিরাকার ব্রহ্ম বা ঈশ্বরকে বোঝাতে এ শব্দ ব্যবহৃত হয়েছে।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
উত্তরঃ

ঈশ্বর যুগে যুগে বিভিন্ন অবতার রূপ ধারণ করে পৃথিবীতে আসেন। এই অবতারগণ হলেন ঈশ্বরের সাকার রূপ। পৃথিবীতে যখন ধর্মের গ্লানি হয় এবং অধর্ম বেড়ে যায় তখন দুষ্টের দমন ও শিষ্টের পালনের জন্য ঈশ্বর অবতার রূপে পৃথিবীতে নেমে আসেন। যেমন-নৃসিংহ, বামন, রাম অবতার।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
উত্তরঃ

হিন্দুধর্মের অপর নাম হচ্ছে সনাতন ধর্ম।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
উত্তরঃ

এ পৃথিবীর মধ্যে শ্রেষ্ঠ জীব মানুষ।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
উত্তরঃ

পৃথিবী বড় সুন্দর ও বিচিত্র।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
উত্তরঃ

পৃথিবীর উপরে সুনীল আকাশ রয়েছে।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
উত্তরঃ

স্রষ্টা সবকিছু সৃষ্টি করেন।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
উত্তরঃ

আকাশে বিরাজ করছে চন্দ্র, সূর্য, গ্রহ, নক্ষত্র, ধূমকেতু, ছায়াপথ ইত্যাদি।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
উত্তরঃ

ঈশ্বরের অনেক নাম।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
উত্তরঃ

পরমাত্মা যখন জীবের মধ্যে অবস্থান করেন তখন তাঁকে বলে আত্মা বা জীবাত্মা।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
উত্তরঃ

জীবাত্মা পরমাত্মার অংশ।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
উত্তরঃ

স্রষ্টা অনাদি ও অনন্ত।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
উত্তরঃ

সৃষ্টির আদি ও অন্ত আছে।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
উত্তরঃ

জীবের সেবা করলে ঈশ্বরের সেবা করা হয়।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
উত্তরঃ

জীবদেহের সচলতা নির্ভর করে ঈশ্বরের অস্তিত্বের ওপর।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
উত্তরঃ

মৃত্যু হলো জীবদেহ থেকে আত্মার সরে যাওয়া।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
উত্তরঃ

ঈশ্বর পরম ব্রহ্ম।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
উত্তরঃ

ব্রহ্মের ক্ষমতা অসীম।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
উত্তরঃ

নিজের আনন্দ ও তাঁর সৃষ্টির বৈচিত্র্যময় কল্যাণ বা ধ্বংসের জন্য ঈশ্বর সবকিছু করতে পারেন। ঈশ্বরের এই বৈচিত্র্যময় কর্মকেই তাঁর লীলা বলা হয়। মহাবিশ্বের আকাশ, বাতাস বিচিত্র সব জীবজন্তু সৃষ্টি করে ঈশ্বর তাঁর লীলার প্রকাশ ঘটিয়েছেন।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
উত্তরঃ

ঈশ্বরকে বলা হয় পরমাত্মা। কারণ তিনি সকল সৃষ্টিতে অস্তিত্বময়। ঈশ্বর যখন তার সৃষ্ট জীবের মধ্যে আত্মারূপে অবস্থান করেন তখন তাকে জীবাত্মা বলে। এই জীবাত্মা পরমাত্মারই অংশ। এ সৃষ্টির যিনি স্রষ্টা তিনিই ঈশ্বর।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
উত্তরঃ

পৃথিবীতে রয়েছে মানুষ, পশু-পাখি, কীট-পতঙ্গ, গাছ-পালা, নদ-নদী, পাহাড়-পর্বত, মরুপ্রান্তরসহ কত রকমের বৈচিত্র্যতা। আকাশে বিরাজ করছে চন্দ্র-সূর্য, গ্রহ-নক্ষত্র, ধূমকেতু, ছায়াপথ ইত্যাদি। আর সেজন্যই পৃথিবী বড় সুন্দর ও বিচিত্র।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
উত্তরঃ

ঈশ্বরের অনেক নামের অন্যতম একটি নাম পরমাত্মা। আর পরমাত্মা যখন জীবের মধ্যে আত্মারূপে অবস্থান করে তখন তাকে জীবাত্মা বলা হয়। জীবাত্মা পরমাত্মারই অংশ বিশেষ।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
উত্তরঃ

মানুষ যেমন পুরাতন বস্ত্র ত্যাগ করে নতুন বস্ত্র পরিধান করে আত্মাও তেমনি পুরাতন দেহ ত্যাগ করে নতুন দেহ ধারণ করে। তাই হিন্দুধর্ম মতে, আত্মার মৃত্যু নেই। হিন্দুধর্মে বিশ্বাস করা হয়, আত্মা-অবিনশ্বর। কারণ জীবদেহে আত্মারূপে ঈশ্বর অবস্থান করেন। তাই মৃত্যুর মাধ্যমে মানুষের দেহের মৃত্যু ঘটে। কিন্তু আত্মা বেঁচে থাকে। এটি এক দেহ থেকে অন্য দেহে অবস্থান করে। এজন্য আত্মার কোনো মৃত্যু হয় না।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
উত্তরঃ

ঈশ্বর মহাবিশ্বের সবকিছু সৃষ্টি করেছেন। এ সবকিছুর মধ্যে সকল জীবও তিনি সৃষ্টি করেছেন। আবার ঈশ্বর নিজের সৃষ্ট জীবের মধ্যে নিজেই আত্মারূপে বিরাজ করছেন। আর তাই জীবদেহ সচল।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
উত্তরঃ

স্রষ্টা ও সৃষ্টির মধ্যে রয়েছে সুগভীর সম্পর্ক। স্রষ্টার ইচ্ছাতেই সৃষ্টি হয়। আর ঈশ্বর তাঁর সৃষ্টির মধ্যে অবস্থান করেন। তাই তিনি তাঁর নিজের সৃষ্টির মধ্যে আনন্দ খুঁজে পান।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
উত্তরঃ

জীবের মধ্যে ঈশ্বর সর্বক্ষণ অবস্থান করেন রলে হিন্দুধর্মে জীবসেবা করার কথা অত্যন্ত গুরুত্বের সাথে বলা হয়েছে। সকল জীবের মধ্যেই ঈশ্বরের উপস্থিতি রয়েছে। কারণ ঈশ্বর তাঁর সৃষ্ট জীবের মধ্যে আত্মারূপে সর্বদা বিরাজমান। তাই জীবের সেবা করলে প্রকৃতপক্ষে ঈশ্বরের সেবা করা হবে। এজন্য হিন্দুধর্মে জীব সেবার কথা বলা হয়েছে।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
উত্তরঃ

ঈশ্বর নিরাকার হলেও প্রয়োজনে তিনি সাকার রূপ ধারণ করতে পারেন। দুষ্টদের দমন করে শিষ্টের পালন করার জন্য যুগে যুগে বিভিন্ন রূপ ধারণ করে ঈশ্বর পৃথিবীতে এসেছেন। তাঁর বিভিন্ন রূপে পৃথিবীতে নেমে আসাকেই অবতার বলে। যেমন- বামন অবতার, নৃসিংহ অবতার, রাম অবতার ইত্যাদি। এসব অবতার দুষ্টদের ধ্বংস করে সাধু ব্যক্তিদের রক্ষা ও ধর্ম পুনঃস্থাপন করেন।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
113

কোনো কিছু সৃষ্টির জন্য একজন স্রষ্টার প্রয়োজন হয়। স্রষ্টা ছাড়া কোনো কিছুর সৃষ্টি হয় না। এ মহাবিশ্ব ও মহাবিশ্বের সবকিছু অর্থাৎ মানুষ, গাছপালা, জীবজন্তু, চন্দ্র, সূর্য, গ্রহ, তারা, আকাশ-বাতাস প্রভৃতি এক-একটি সৃষ্টি। এ সকল সৃষ্টির একজন স্রষ্টা রয়েছেন। আমরা তাঁকে দেখতে পাই না কিন্তু তাঁর অস্তিত্ব অনুভব করি। আমরা তাঁকে ঈশ্বর নামে ডাকি। তাঁর অনেক নাম- ব্রহ্ম, পরমেশ্বর, পরমাত্মা, ভগবান, আত্মা ইত্যাদি। তিনি প্রতিটি জীবের মধ্যে আত্মারূপে বিরাজ করেন। তাই আমরা জীবের সেবা করব। জীবসেবাই আমাদের পরম ধর্ম। জীবসেবার মাধ্যমেই আমরা ঈশ্বরের অস্তিত্ব উপলব্ধি করতে পারি। এ অধ্যায়ে স্রষ্টা ও সৃষ্টির ধারণা, স্রষ্টা ও সৃষ্টির সম্পর্ক, সকল জীবের মধ্যে স্রষ্টা বা ঈশ্বরের অস্তিত্ব এবং ঈশ্বর সম্পর্কিত একটি সংস্কৃত মন্ত্র বা শ্লোক বাংলা অর্থসহ ব্যাখ্যা করা হয়েছে।

এ অধ্যায় শেষে আমরা-

  • স্রষ্টা ও সৃষ্টির ধারণা এবং তাদের মধ্যকার সম্পর্ক ব্যাখ্যা করতে পারব
  • সকল জীবের মধ্যে স্রষ্টা বা ঈশ্বরের অস্তিত্ব ব্যাখ্যা করতে পারব
  • ঈশ্বর সম্পর্কিত একটি সহজ সংস্কৃত মন্ত্র বা শ্লোক সহজ অর্থসহ বলতে পারব এবং ব্যাখ্যা করতে পারব
  • সৃষ্টির মধ্যে স্রষ্টার অস্তিত্ব উপলব্ধি করে জীবসেবায় উদ্বুদ্ধ হতে পারবো।

Related Question

View All
উত্তরঃ

জীবাত্মা হচ্ছে পরমাত্মার অংশ। সৃষ্টিকর্তা ঈশ্বর হচ্ছেন পরমাত্মা। এ ঈশ্বর যখন জীবের হৃদয়ে আত্মারূপে অবস্থান করেন তখন তাকে বলে জীবাত্মা। অতিক্ষুদ্র কীটপতঙ্গ থেকে শুরু করে 'সকল জীবের মধ্যে তিনি জীবাত্মারূপে অবস্থান করেন। দেহকে কেন্দ্র করে আত্মার আগমন ঘটে। দেহ ছাড়া আত্মা কখনও প্রকাশিত হয় না। তেমনি আত্মা ছাড়াও জীব হিসেবে পূর্ণতা পায় না। জীবের সকল বৈশিষ্ট্য ও বৈচিত্র্যতার মাঝে ঈশ্বরেরই রূপবৈচিত্র্য প্রতিফলিত হয়। জীবের মাঝে ঈশ্বর তথা পরমাত্মা অবস্থান করে। তাই জীবাত্মাকে পরমাত্মার অংশ বলা হয়।

478
উত্তরঃ

উদ্দীপকের বর্ণনার আলোকে বলা যায়, সজীব তার জীবন পরিচালনার ক্ষেত্রে এক গভীর অন্ধবিশ্বাসের পথকে বেছে নিয়েছে। সে বিশ্বাস হচ্ছে সৃষ্টিকর্তা ঈশ্বরের বিশ্বাস। সজীব সবকিছুই ঈশ্বরের সৃষ্টি এবং ঈশ্বর সবকিছু পরিচালনা করছেন মনে করে। অন্যদিকে তুষারের দৃষ্টিভঙ্গি হচ্ছে বিজ্ঞানভিত্তিক। সে যা সৃষ্টি করতে পারে তাই বিশ্বাস করে। তার ভিতর অন্যবিশ্বাস নেই। সে ঈশ্বরকে বিশ্বাস করতে পারে না। তাই সজীব ও তুষারের মধ্যে মূল পার্থক্য হচ্ছে গভীর বিশ্বাসের ক্ষেত্রে।

419
উত্তরঃ

সজীব বইপুস্তক ও বিভিন্ন ধর্মগ্রন্থ পড়ে জানতে পেরেছে যে, এ বিশাল পৃথিবী ও পৃথিবীর সবকিছু ঈশ্বরের সৃষ্টি। তাছাড়া সজীব যখন এ পৃথিবীর মানুষ, গাছপালা, জীবজন্তু, চন্দ্র, সূর্য, গ্রহ, তারা, আকাশ, বাতাস সবকিছু একটি নির্দিষ্ট নিয়মে চলতে দেখে এবং ঋতু পরিবর্তনের ক্ষেত্রেও দেখে শীতের পর বসন্ত আসে, মানুষের ক্ষেত্রেও দেখে কেউ কালো, কেউ ফর্সা, কেউ বেঁটে এবং কেউ লম্বা। তখন তার মনে এক গভীর বিশ্বাসবোধের জন্ম হয়। এ গভীর বিশ্বাসবোধ থেকেই সে সবসময় মনে করে এ সবকিছুর একজন সৃষ্টিকর্তা আছেন যিনি অত্যন্ত সুন্দরভাবে এগুলো সৃষ্টি করেছেন। তিনিই হচ্ছেন ঈশ্বর।

182
উত্তরঃ

আমাদের এ বিশাল পৃথিবী ও সকল জীবের সৃষ্টিকর্তা হচ্ছেন ঈশ্বর।

225
উত্তরঃ

সংস্কৃত মন্ত্র:

নমস্তে পরমং ব্রহ্ম

সর্বশক্তিমতে নমঃ।

নিরাকারোহপি সাকার:

স্বেচ্ছারূপং নমো নমঃ। (যজুর্বেদ, শান্তি পাঠ)

সরল অর্থ: যিনি পরম ব্রহ্ম, যিনি সর্বশক্তিমান, নিরাকার সাকার, ইচ্ছামতো রূপধারী, তাঁকে নমষ্কার করি।

196
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র
মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews