সংক্ষিপ্ত প্রশ্নোত্তর

Updated: 6 months ago
উত্তরঃ

লিখন পদ্ধতি আবিষ্কারের আগের সময়কালকে প্রাগৈতিহাসিক বা প্রাক ইতিহাস যুগ বলে। অন্যভাবে বলা যায়, মানব ইতিহাসের যে অংশের কোনো লিখিত বিবরণ নেই বা পাওয়া যায় না সেই সময়কালকে প্রাগৈতিহাসিক যুগ বলা হয়। এ যুগকে প্রস্তর যুগ ব্রোঞ্জ যুগ ও লৌহ যুগে ভাগ করা হয়।

উত্তরঃ

বগুড়ার মহাস্থানগড় এবং নরসিংদীর উয়ারী-বটেশ্বরে পড়ে উঠেছিল সমৃদ্ধ মানব বসতি। মহাস্থানগড়ে অবস্থিত প্রাচীন নগরটির নাম পুন্ড্রনগর, যা খ্রিষ্টপূর্ব চতুর্থ শতকে গড়ে উঠেছিল ওদিকে উয়ারী-বটেশ্বর থেকেও পাওয়া গিয়েছে গুরুত্বপূর্ণ মানব বসতির চিহ্ন।

উত্তরঃ

বাংলাদেশের বিস্তারিত ইতিহাস জানা যায় গুপ্ত যুগ থেকে। তারা ভারত উপমহাদেশের উত্তর অঞ্চলের শাসক ছিলেন। বাংলাদেশের উত্তরাংশে পুণ্ড্রবর্ধন ভুক্তি নামে একটি প্রদেশ গুপ্তদের শাসনভুক্ত ছিল। তাদের শাসনাধীন বিভিন্ন জনপদ থেকেই আমাদের দেশের বিস্তারিত ইতিহাস জানা গেছে।

উত্তরঃ

শশাঙ্কের মৃত্যুর পর প্রায় একশ বছর প্রাচীন বাংলায় কোনো স্থায়ী শাসক ছিল না। বিশৃঙ্খ অবস্থায় বাংলার ছোট ছোট রাজ্যগুলো নিজেদের মধ্যে কলহ ও যুদ্ধে জড়িয়ে পড়েছিল। অরাজকতার এ সময়কালকেই পাল তাম্রশাসনে মাৎস্যন্যায় বলে আখ্যায়িত করা হয়েছে।

উত্তরঃ

পাল রাজবংশের প্রতিষ্ঠাতা ছিলেন গোপাল। তিনি ছিলেন বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বী। তিনি মাৎস্যন্যায় তথা মাছের রাজত্বের মতো অরাজকতা দূর করে গৌড়ের সিংহাসনে বসেছিলেন। তিনি আনুমানিক ৭৫৬ খ্রিস্টাব্দে বাংলায় রাজত্ব কায়েম করেছিলেন।

উত্তরঃ

কুমিল্লা ও বিক্রমপুর অঞ্চল সমতট অঞ্চল নামে পরিচিত। পাল শাসকদের সময়কালে তাদের রাজত্বের বাইরে কুমিল্লা ও বিক্রমপুর অর্থাৎ সমতট অঞ্চলে খড়গ, দেব, চন্দ্র ও ধর্ম রাজবংশ স্বাধীনভাবে রাজত্ব করেছিল। এই অঞ্চলে ভ্রমণ করেন বিখ্যাত পরিব্রাজক হিউয়েন সাঙ। তিনি এই সমতট অঞ্চলে ৩০টির মতো বৌদ্ধবিহার দেখতে পেয়েছিলেন।

উত্তরঃ

১২০৪ সালে তুর্কি সেনাপতি ইখতিয়ার উদ্দীন মুহাম্মদ বখতিয়ার খলজির হাতে লক্ষণ সেনের পরাজয়ের মাধ্যমে সেন বংশের পতন হয়। তবে লক্ষণ সেনের পর তার দুই ছেলে বিশ্বরূপ সেন এবং কেশব সেন বিক্রমপুর থেকে কিছুদিন এই এলাকা শাসন করেছিল।

উত্তরঃ

প্রাচীনযুগে বাংলার অর্থনীতি ছিল কৃষিনির্ভর। ধান ছিল প্রধান ফসল। প্রচুর আখও উৎপাদন হতো। আখ থেকে উৎপাদন করা হতো গুড় ও চিনি। তখন নারিকেল, সুপারি, আম, কাঁঠাল, কলা, ডুমুর প্রভৃতি ফলের কথাও জানা যায়।

উত্তরঃ

প্রাচীনযুগে বাংলায় প্রচুর আখ উৎপাদন হতো। আখ থেকে উৎপাদন করা হতো গুড় ও চিনি। এই গুড় ও চিনি এবং পৃথিবী বিখ্যাত মসলিন কাপড় বিদেশে রপ্তানির কথা জানা যায়।

উত্তরঃ

প্রাচীন বাংলায় উন্নতমানের মৃৎপাত্র, ধাতবপত্র ও অলংকার নির্মাণ করা হতো। প্রাচীন বাংলার পোড়ামাটি, ধাতু ও পাথরের ভাস্কর্য এবং মূর্তি ছিল প্রশংসনীয়। ছাপাঙ্কিত রৌপ্য মুদ্রা, স্বল্প-মূল্যবান পাথর ও কাচের পুঁতিও তৈরি হতো তখন।

উত্তরঃ

প্রাচীনযুগে বাংলায় নদীর তীরগুলোতে গড়ে উঠেছিল হাট-বাজার ও গঞ্জ। ব্যবসায় বাণিজ্য নদীপথেই হতো বেশি। উয়ারী-বটেশ্বর ও পুন্ড্রনগর তথা মহাস্থানগড় ছিল সমৃদ্ধ নদীবন্দর।

উত্তরঃ

প্রাচীনযুগে এ অঞ্চলের মানুষ পৃথিবীর অন্যান্য অঞ্চলের মতো পাহাড়-পর্বত, নদ-নদী, চন্দ্র, সূর্য প্রভৃতির পূজা করত। দীর্ঘ সময় বৌদ্ধ শাসকদের পৃষ্ঠপোষকতায় এদেশে বৌদ্ধধর্ম প্রাধান্য লাভকরে। পাল সম্রাটগণ বৌদ্ধ ধর্মের পৃষ্ঠপোষকতা করেন।

উত্তরঃ

প্রাচীন যুগে বাংলার বিনোদনের অংশ হিসেবে নাচ, গান, নাটক, মল্লযুদ্ধ ও কুস্তি খেলার প্রচলন ছিল। পাহাড়পুর বৌদ্ধবিহারে নাটক মনস্থ হওয়ার প্রমাণ পাওয়া যায়। পোড়ামাটির ফলকে কাঁসর, করতাল, ঢাক, বীণা, বাঁশি, মৃদঙ্গ মৃত্তান্ড প্রভৃতি বাদ্যযন্ত্র দেখা যায়।

উত্তরঃ

প্রাচীনতম নিদর্শন হিসেবে মহাস্থানগড় ও উয়ারী-বটেশ্বর থেকে ইট নির্মিত স্থাপত্য আবিষ্কার করা সম্ভব হয়েছে। বাংলার মানুষ স্থাপত্যশিল্পে উৎকর্ষ অর্জন করে পাল শাসনামলে। সম্রাট ধর্মপাল একাই ৫০টি বৌদ্ধবিহার নির্মাণ করেছিলেন।

উত্তরঃ

উয়ারী-বটেশ্বর, মহাস্থানগড়, পাহাড়পুর ও ময়নামতি প্রভৃতি * অঞ্চল থেকে আবিষ্কৃত পোড়ামাটি, পাথর ও ধাতব ভাস্কর্য ও মূর্তি প্রাচীন বাংলার শিল্প সম্পর্কে পরিচয় দেয়। গুপ্ত ও পাল যুগের ভাস্কর্যগুলোর শিল্পশৈলী ছিল অনন্য। ওদিকে সেনযুগের শ্রেষ্ঠ শিল্পী ছিলেন শূলপানি।

উত্তরঃ

পাথরে খোদাই করা লিপি থেকে প্রাচীন বাংলার ভাষা ও বর্ণমালা সম্পর্কে ধারণা পাওয়া যায়। পালযুগের ঘটনা নিয়ে সন্ধ্যাকর নন্দী রচনা করেছিলেন প্রখ্যাত 'রামচরিত', কাব্যগ্রন্থ। পাশাপাশি পাল আমলেই রচিত হয় বাংলা সাহিত্যের আদি নিদর্শন চর্যাপদ। এছাড়া সেন রাজা বল্লাল সেন 'দানসাগর' ও 'অদ্ভুতসাগর' নামক গ্রন্থ রচনা করেন।

উত্তরঃ

চর্যাপদ বাংলার প্রাচীন নিদর্শন হিসেবে স্বীকৃত। চর্যাপদ মূলত কতকগুলো পদ বা কবিতা বা গানের সংকলন। ১৯০৭ সালে মহামহোপাধ্যায় হরপ্রসাদ শাস্ত্রী নেপালের রাজদরবারের "রয়েল। লাইব্রেরি থেকে চর্যাপদ আবিষ্কার করেন।

উত্তরঃ

বল্লাল সেন ছিলেন বঙ্গের সেন রাজবংশের দ্বিতীয় রাজা। ১১৬০ থেকে ১১৭৯ সাল পর্যন্ত তিনি সেন বংশের রাজত্ব করেন। সেন রাজাদের মধ্যে রাজা বল্লাল সেন "দানসাগর ও অদ্ভুতসাগর" গ্রন্থ রচনা করেন।

উত্তরঃ

বৌদ্ধ বিহারের শিক্ষকদের বলা হতো আচার্য বা ভিক্ষু এবং শিক্ষার্থীদের বলা হতো শ্রমণ। বিহারগুলো ছিল বড়ো পরিসরের শিক্ষা প্রতিষ্ঠান। বিহারে শুধু ধর্মীয় বইয়ের পাশাপাশি চিকিৎসাবিদ্যা,। ব্যাকরণ, জ্যোতিষশাস্ত্রসহ নানা বিষয়ে শিক্ষা দেওয়া হতো।

উত্তরঃ

প্রাচীন বৌদ্ধ বিহারগুলো ছিল ধর্মীয় শিক্ষার মূল কেন্দ্রস্থল। বিহারে শুধু ধর্মীয় বই পড়ানো হতো না, এর পাশাপাশি এখানে চিকিৎসাবিদ্যা, ব্যাকরণ, জ্যোতিষশাস্ত্রসহ নানা বিষয়ে শিক্ষা দেওয়া হতো। শিক্ষার ক্ষেত্রে প্রাচীন বাংলার মানুষ বিশ্বের অনেক দেশের চেয়ে এগিয়ে ছিল।

উত্তরঃ

দিল্লি থেকে বাংলার দূরত্ব ছিল অনেক। যোগাযোগ ব্যবস্থাও ভালো ছিল না। সম্পদে পরিপূর্ণ হওয়ায় বাংলায় দায়িত্বপ্রাপ্ত শাসকগণ স্বাধীনভাবে দেশ পরিচালনার ইচ্ছা করতেন। তারা অনেকেই দিল্লির সুলতানের বিরুদ্ধে স্বাধীনতা ঘোষণা করেছেন। সুলতান শামসুদ্দিন; ইলিয়াস শাহের সময় পুরো বাংলা স্বাধীন হয়ে যায়।

উত্তরঃ

বাংলার স্বাধীনতা টিকেছিল ১৩৩৮ খ্রিস্টাব্দ থেকে ১৫৩৮ খ্রিস্টাব্দ পর্যন্ত দীর্ঘ দুইশত বছর। বাংলার স্বাধীন এই দুইশত বছরের ইতিহাসে গুরুত্বপূর্ণ দুটি সুলতানি বংশ শাসন করেছিল। যার একটি ইলিয়াস শাহী এবং অন্যটি হোসেন শাহী বংশ নামে সুপরিচিত।

উত্তরঃ

হোসেন শাহী বংশের শ্রেষ্ঠ শাসক ছিলেন আলাউদ্দীন হোসেন শাহ। তিনি ছিলেন মধ্যযুগের বাংলার স্বাধীন সুলতান। তিনি হোসেন শাহী রাজবংশের পত্তন করেন।

উত্তরঃ

বাংলায় মধ্যযুগের সূচনা হয় ১২০৪ খ্রিষ্টাব্দে। তখন রাজা লক্ষণ সেনকে পরাজিত করেন তুর্কি সেনাপতি ইখতিয়ার উদ্দীন মুহাম্মদ বখতিয়ার খলজি। পর্যায়ক্রমে তুর্কি সেনাপতিরা পুরো বাংলায় শাসন বিস্তার করতে থাকেন।

উত্তরঃ

বাংলার বড়ো বড়ো জমিদারদের বলা হতো বারো ভূঁইয়া। মোগল সম্রাট আকবর বারো ভূঁইয়াদের কারণে আমাদের দেশ দখল করতে পারেননি। কারণ তারা একজোট হয়ে মোগলদের হাত থেকে বাংলাকে রক্ষা করেছিলেন।

উত্তরঃ

আফগানদের বিখ্যাত নেতা ছিলেন শেরখান শূর। তিনি শেরশাহ নামে দিল্লির সিংহাসনে বসেছিলেন। তার মাধ্যমেই বাংলায় শুরু হয়েছিল আফগান শাসন।

উত্তরঃ

পলাশির যুদ্ধে নবাব সিরাজদ্দৌলার পরাজিত হওয়ার পর থেকে শুরু করে ভারত স্বাধীন হওয়া পর্যন্ত দীর্ঘ সময়কালকে ঔপনিবেশিক শাসন বলা হয়।

উত্তরঃ

বাংলার শেষ স্বাধীন নবাব সিরাজউদ্দৌলার সাথে ব্রিটিশ ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির পলাশি নামক স্থানে যে যুদ্ধ সংঘটিত হয়েছিল, তাই পলাশির যুদ্ধ নামে পরিচিত। ১৭৫৭ সালের ২৩শে জুন এ যুদ্ধ সংঘটিত হয়।

উত্তরঃ

পলাশির যুদ্ধে নবাব সিরাজ পরাজিত হলে বাংলার নামমাত্র নবাব হন বিশ্বাসঘাতক মীর জাফর। তারপর তারা ক্ষমতায় বসায় মীর জাফরের জামাতা মীর কাসিমকে। শুরুতে ব্রিটিশদের আজ্ঞাবহ থাকলেও পরে বিদ্রোহ করে বসেন মীর কাশেম। তিনি বক্সারের যুদ্ধে পরাজিত হওয়ার পর বাংলা পুরোপুরি ব্রিটিশদের নিয়ন্ত্রণে চলে যায়।

উত্তরঃ

বাংলার মানুষ বিভিন্ন পর্যায়ে ইংরেজ শাসনের বিরুদ্ধে আন্দোলন করে। ফকির সন্ন্যাসী বিদ্রোহ, সিপাহী বিপ্লব, তিতুমীরের বিদ্রোহ, ফরায়েজি আন্দোলন, নীল বিদ্রোহসহ অনেকগুলো আন্দোলন ও সংগ্রাম গড়ে ওঠে তাদের বিরুদ্ধে

উত্তরঃ

দীর্ঘ নয় মাস রক্তক্ষয়ী যুদ্ধের মাধ্যমে ১৯৭১ সালের ১৬ই ডিসেম্বর স্বাধীন বাংলাদেশ রাষ্ট্রের জন্ম হয়। ১৯৭১ সালের ২৫শে মার্চ পাকিস্তানি সেনাবাহিনী গণহত্যা শুরু করলে, ২৬শে মার্চ জিয়াউর রহমান চট্টগ্রাম কালুরঘাট বেতার কেন্দ্র থেকে বাংলাদেশের স্বাধীনতা ঘোষণা করেন। দীর্ঘ নয় মাস রক্তক্ষয়ী যুদ্ধের পর ১৬ই ডিসেম্বর জন্ম নেয় নতুন দেশ, বাংলাদেশ।

62

বাংলাদেশের ইতিহাস

১৯৭১ সালে একটি স্বাধীন রাষ্ট্র হিসেবে বাংলাদেশের জন্ম হলেও বাংলার ইতিহাস অনেক প্রাচীন। প্রাচীন যুগ থেকে হিসেব করলে মৌর্য, শুঙ্গ, কুষাণ, গুপ্ত, পাল ও সেন শাসনের ধারাবাহিকতায় এসেছিল মধ্যযুগ। বখতিয়ার খলজির নদীয়া জয়ের পর বাংলায় প্রতিষ্ঠিত হয় মুসলিম শাসন। ইলিয়াসশাহী ও হোসেনশাহী বংশ বাংলায় গড়ে তোলে শক্তিশালী শাসন কাঠামো। এরপর পলাশী যুদ্ধে নবাব সিরাজউদ্দৌলার পরাজয়ের পর বাংলা ও ভারতবর্ষ চলে গিয়েছিল ইংরেজদের অধীনে। তাদের হাত থেকে মুক্তির পর বর্তমান বাংলাদেশের নাম হয়েছিল পূর্ব পাকিস্তান। দীর্ঘ আন্দোলন ও সংগ্রামের পর ১৯৭১ সালে মহান মুক্তিযুদ্ধে জয়লাভের মধ্য দিয়ে আমরা পেয়েছি আমাদের এই বাংলাদেশ।

এ অধ্যায় পাঠ শেষে আমরা-

  • বাংলায় মানব বসতির ধারা বর্ণনা করতে পারব
  • রাজনৈতিক ইতিহাসের যুগ বিভাজন করতে পারব;
  • প্রাচীন বাংলার আর্থ-সামাজিক, সাংস্কৃতিক ও ধর্মীয় জীবন বর্ণনা করতে পারব;
  • মধ্যযুগে বাংলার রাজনৈতিক অবস্থা সম্পর্কে বর্ণনা করতে পারব:
  • ঔপনিবেশিক যুগে বাংলার রাজনৈতিক জীবন বর্ণনা করতে পারব।
  • দেশটির জন্মকথা, সংস্কৃতি, সভ্যতা, ঐতিহ্য ও মুক্তিযুদ্ধ সম্পর্কে জানতে পারব;

Related Question

View All
উত্তরঃ

সাধারণ অর্থে টোল বলতে বোঝায় চতুষ্পাঠী, সংস্কৃত ব্যাকরণ ও শাস্ত্রাদি অধ্যয়নের পাঠশালা। প্রাচীন বাংলাদেশে হিন্দুদের উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠানকে বলা হতো টোল। টোলের প্রধান পাঠ্য বিষয় ছিল হিন্দু ধর্মগ্রন্থ পাঠদান করা।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
9 months ago
1k
উত্তরঃ

তথ্য-১ এর মতো প্রাচীন বাংলাদেশের গৌরবময় ক্ষেত্রটি কৃষি।
প্রাচীন যুগে বাংলাদেশের অর্থনীতি ছিল কৃষিনির্ভর। এ সময় কৃষিতে উদ্বৃত্ত ছিল। ধান ছিল প্রধান ফসল। প্রচুর আখও উৎপাদন হতো। আখ থেকে উৎপাদিত গুড় ও চিনির খ্যাতি ছিল। এই গুড় ও চিনি বিদেশে রপ্তানি হতো। তুলা, সরিষা ও পান চাষের জন্যও বাংলাদেশের খ্যাতি ছিল। নারিকেল, সুপারি, আম, কাঁঠাল, কলা, ডুমুর প্রভৃতি ফলের কথাও জানা যায়।

উদ্দীপকের তথ্য-১ এ প্রধান ফসল হিসেবে প্রচুর পরিমাণে ধান উৎপাদনের কথা বলা হয়েছে এবং রপ্তানিকৃত দ্রব্য হিসেবে চিংড়ি ও ব্যাঙের কথা বলা হয়েছে। উদ্দীপকের এসব তথ্যে বাংলাদেশের আধুনিক যুগের কৃষি খাতের তথ্য ফুটে উঠেছে; যা প্রাচীন বাংলাদেশের গৌরবময় কৃষি ক্ষেত্রের সাথে সংগতিপূর্ণ।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
9 months ago
385
উত্তরঃ

তথ্য-২ এ উল্লিখিত বিষয়গুলো প্রাচীন বাংলাদেশের গৌরবের সাথে সাদৃশ্যপূণ- উক্তিটির সাথে আমি একমত।
প্রাচীন বাংলাদেশের অর্থনীতি ছিল সমৃদ্ধ ও গৌরবময়। সে সময় বাংলাদেশের অর্থনীতি ছিল কৃষিনির্ভর। তখন কৃষিতে উদ্বৃত্ত ছিল। আখ থেকে উৎপাদিত চিনি ও গুড়ের বেশ খ্যাতি ছিল এবং এসব দ্রব্য বিদেশে রপ্তানি হতো। প্রাচীন যুগ থেকেই তাঁতিরা মিহি সুতি ও রেশমি কাপড় বুননে পারদর্শী ছিল। তাঁতিদের উৎপাদিত মসলিন কাপড় পৃথিবী বিখ্যাত ছিল এবং এসব কাপড় বিদেশে রপ্তানি হতো। কৃষিতে উদ্বৃত্ত হওয়ায় এবং শিল্পক্ষেত্রে উৎপাদন বাড়ায় ব্যবসা-বাণিজ্যে বিকাশ লাড় করে। ভারতবর্ষের বিভিন্ন বন্দর ছাড়াও দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া ও ভূমধ্যসাগর অঞ্চলে যেত তৎকালীন বাংলাদেশের পণ্য।
উদ্দীপকের তথ্য-২ এ আকাশপথে আমেরিকায় তৈরি পোশাক রপ্তানির কথা বলা হয়েছে এবং পাটজাত দ্রব্যের বিশ্বব্যাপী প্রশংসিত হওয়ার কথা বলা হয়েছে। উদ্দীপকে উল্লিখিত এসব বিষয় প্রাচীন বাংলাদেশের বিভিন্ন দ্রব্য বিদেশে রপ্তানি ও তখনকার ব্যবসা-বাণিজ্য বিকাশের সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ। সুতরাং বলা যায়, প্রশ্নে উল্লিখিত উক্তিটি যথার্থ।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
9 months ago
319
উত্তরঃ

মাৎস্যন্যায় হলো এমন এক রাজনৈতিক পরিস্থিতি, যেখানে শক্তিশালী দুর্বলকে শোষণ করে এবং আইনশৃঙ্খলা ভেঙে পড়ে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
9 months ago
167
উত্তরঃ

সমতট অঞ্চল হলো বাংলাদেশে দক্ষিণ-পূর্ব অঞ্চলের একটি প্রাচীন জনপদ। এই অঞ্চলটি বর্তমানে কুমিল্লা এবং বিক্রমপুরের অন্তর্ভুক্ত ছিল। খড়গ, দেব, চন্দ্র এবং বর্ম রাজবংশ এই অঞ্চলে শাসন করতেন। এটি বৌদ্ধ ধর্ম ও সংস্কৃতির গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র ছিল। চীনা পরিব্রাজক হিউয়েন সাঙ এখানে ৩০টির মতো বৌদ্ধবিহারের কথা উল্লেখ করেছেন।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
9 months ago
770
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র
মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews