সংক্ষিপ্ত প্রশ্ন ও সপমাধান 

Updated: 6 months ago
উত্তরঃ

নিচে শ্রাব্য ও অশ্রাব্য শব্দের মধ্যে পার্থক্য দেওয়া হলো-

শ্রাব্য শব্দঅশ্রাব্য শব্দ
১. যে শব্দ আমরা শুনতে পাই তাই শ্রাব্য শব্দ।১. যে শব্দ আমরা শুনতে পাই না তাই অশ্রাব্য শব্দ।
২. শ্রাব্য শব্দের কম্পাঙ্ক ২০ থেকে ২০,০০০ হার্জের মধ্যে২. অশ্রাব্য শব্দের কম্পাঙ্ক ২০ হার্জ এর কম অথবা ২০,০০০ হার্জ এর বেশি।
Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
8 months ago
উত্তরঃ

যে শব্দ প্রতি সেকেন্ডে ২০টির কম কম্পন সৃষ্টি করে তাকে শ্রুতি-পূর্ব শব্দ বলা হয়। এ রকম শব্দ মানুষ শুনতে পায় না। যে শব্দ প্রতি সেকেন্ডে ২০,০০০ টির বেশি কম্পন সৃষ্টি করে তাকে শ্রুতি-উত্তর শব্দ বলে। এরকম শব্দও মানুষ শুনতে পায় না।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
8 months ago
উত্তরঃ

নিচে নয়েজ ও সুশ্রাব্য শব্দের মধ্যে পার্থক্য দেওয়া হলো-

নয়েজসুশ্রাব্য শব্দ
১. যেসব শব্দ শুনতে যন্ত্রণাদায়ক ও বিরক্তিকর তাদেরকে নয়েজ বলে।১. যে শব্দ শুনতে ভালো লাগে, সুখকর, মধুর ও আনন্দদায়ক তাদেরকে সুশ্রাব্য শব্দ বলে।
২. এ ধরনের শব্দকে গোলমাল বলে।২. এ ধরনের শব্দকে সুরেলা শব্দ বলে।
৩. বস্তুর অনিয়মিত বা অসম কম্পনের ফলে নয়েজ উৎপন্ন হয়।৩. বস্তুর নিয়মিত বা সুষম কম্পনের ফলে সুশ্রাব্য শব্দ উৎপন্ন হয়।
৪. এ রকম শব্দ হলো পেরেক ঠোকার শব্দ, নির্মাণ কাজের শব্দ, বোর্ডে লেখার সময় চকের কিচ কিচ্ শব্দ ইত্যাদি।৪. এ রকম শব্দ হলো গানের সুর, বাঁশির সুর, হারমোনিয়ামের শব্দ, সেতারের বাজনা ইত্যাদি।
Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
8 months ago
উত্তরঃ

সকল কম্পাঙ্কের শব্দ আমরা শুনতে পাই না। শব্দের কম্পাঙ্ক ২০ হার্জ থেকে ২০,০০০ হার্জ এর মধ্যে থাকলেই কেবল সেই শব্দ আমরা শুনতে পাই। কম্পাঙ্কের এ সীমাকেই শ্রাব্যতার সীমা বলে।

আমাদের শ্রাব্যতার নিম্ন সীমা ২০ হার্জ এবং উচ্চ সীমা ২০,০০০ হার্জ।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
8 months ago
উত্তরঃ

শব্দ হলো এক ধরনের শক্তি যা আমাদের শ্রবণের অনুভূতি জোগায়। শব্দ কম্পনের মাধ্যমে সৃষ্টি হয়। যেসব শব্দ আমাদের শুনতে ভালো লাগে সেগুলি সুরেলা শব্দ এবং যেগুলো ভালো লাগে না তাদেরকে বেসুরো শব্দ বলে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
8 months ago
উত্তরঃ

সুরেলা বা শ্রুতিমধুর শব্দের বৈশিষ্ট্য হলো-
১. সুরেলা শব্দের সুর আছে।
২. এগুলো শুনতে ভালো লাগে।
৩. বিরক্তিকর নয় বরং আনন্দদায়ক।
৪. নির্দিষ্ট ছন্দে আন্দোলন করে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
8 months ago
উত্তরঃ

অপ্রীতিকর শব্দ বা নয়েজ শব্দের তিনটি উদাহরণ হলো-
১. গাড়ির হর্ণের শব্দ,
'২. লোহা কাটার শব্দ,
৩. কুকুরের ঘেউ ঘেউ।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
8 months ago
উত্তরঃ

যেসব শব্দ গোলমেলে এবং নির্দিষ্ট সুর নেই তাদের সুরহীন শব্দ বলে। এ শব্দগুলো শুনতে ভালো লাগে না। এসব শব্দ বিরক্তি তৈরি করে। গাড়ির হর্ণের শব্দ, লোহা কাটার শব্দ, কুকুরের ঘেউ ঘেউ ইত্যাদি সুরহীন শব্দের উদাহরণ।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
8 months ago
উত্তরঃ

সুরযুক্ত ও সুরহীন শব্দের দুটি করে পার্থক্য হলো-

সুরযুক্ত শব্দসুরহীন শব্দ
১. সুরযুক্ত শব্দগুলো শ্রুতিমধুর এবং সুর আছে।১. সুরহীন শব্দগুলোর সুর নেই।
২. এসব শব্দ শুনতে ভালো লাগে। যেমন- বাঁশির সুর২. এ সব শব্দ শুনতে বিরক্তি লাগে। যেমন কুকুরের ঘেউ ঘেউ।
Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
8 months ago
উত্তরঃ

আমরা জানি, শব্দ এক প্রকার শক্তি যা শ্রবণের অনুভূতি জন্মায়। শব্দ কম্পনের মাধ্যমে সৃষ্টি হয়। স্কুলের ঘণ্টায় আঘাত করলে ধাতব প্লেটে কম্পনের সৃষ্টি হয়। যার ফলে শব্দ তৈরি হয়।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
8 months ago
উত্তরঃ

আমরা জানি, কম্পনের ফলে শব্দ তৈরি হয়। সমুদ্রের পানির কণা প্রবাহিত হওয়ার সময় ঢেউ এর সৃষ্টি হয়। ফলে পানির কণার মধ্যে কম্পনের সৃষ্টি হয়, যা গর্জনের শব্দ তৈরি করে। তাই সমুদ্র হতে গর্জনের শব্দ পাওয়া যায়।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
8 months ago
উত্তরঃ

পুকুরে ঢিল ছুড়লে পানির অণুগুলো কাঁপতে থাকে যা কম্পন শুরু করে। পানির কম্পিত অণুগুলো এদের কম্পনকে পানির পার্শ্ববর্তী অণুগুলোতে স্থানান্তর করে দেয়। এভাবে কম্পিত অণুগুলো পানির মধ্যে একটি আন্দোলন বা ঢেউ সৃষ্টি করে। তাই পুকুরে ঢিল ছুড়লে ঢেউ সৃষ্টি হয়।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
8 months ago
উত্তরঃ

কঠিন মাধ্যমে অণুগুলো খুব কাছা-কাছি থাকে। তাদের আন্তঃআণবিক আকর্ষণ বল সবচেয়ে বেশি। ফলে কঠিন পদার্থে আঘাত করলে তারা কাঁপতে থাকে এবং দ্রুত কম্পন সৃষ্টি করে প্রবাহিত হয়। এজন্য কঠিন মাধ্যমে শব্দের বেগ বায়ু বা তরল মাধ্যমের তুলনায় বেশি। অর্থাৎ কঠিন মাধ্যমে শব্দ দ্রুত চলে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
8 months ago
উত্তরঃ

বায়ু মাধ্যমে পদার্থের অণুগুলোর আন্তঃআণবিক দূরত্ব বেশি। ফলে তাদের আন্তঃআণবিক আকর্ষণ বল কম। এ কারণে বায়ু মাধ্যমে শব্দের বেগ কম।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
8 months ago
উত্তরঃ

একটি পানি ভর্তি বেলুনে আঁচড় কাটলে তীব্র শব্দ তৈরি হয়। আমরা জানি, কম্পনের মাধ্যমে শব্দ তৈরি হয়। পানি ভর্তি বেলুনে পানি থাকায় বেলুনে আঁচড় কাটলে পানির অণুগুলো কম্পন সৃষ্টি করে। এই কম্পনের জন্য বেলুনে তীব্র শব্দ তৈরি হয়।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
8 months ago
উত্তরঃ

বায়ু মাধ্যমে শব্দের বেগ ৩৪৩ মিটার/সেকেন্ড, অ্যালুমিনিয়াম মাধ্যমে শব্দের বেগ ৬৪২০ মিটার/সেকেন্ড এবং পানি মাধ্যমে শব্দের বেগ ১৪৯৬ মিটার/সেকেন্ড।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
8 months ago
উত্তরঃ

পানি মাধ্যমের শব্দের বেগ ১৪৯৬ মিটার/সেকেন্ড এবং অ্যালুমিনিয়ামে শব্দের বেগ ৬৪২০ মিটার/সেকেন্ড। পানির চেয়ে অ্যালুমিনিয়াম পদার্থের কণার আন্তঃআণবিক বল বেশি। তাই অ্যালুমিনিয়ামে কম্পন দ্রুত হবে। যার জন্য শব্দের বেগও বেশি হয়।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
8 months ago
উত্তরঃ

মানুষের কানের ভিতরে একধরনের পর্দা থাকে। শব্দ যখন বায়ু মাধ্যমের মাধ্যমে আমাদের কানের সরু ছিদ্রপথ দিয়ে ঐ পর্দায় আঘাত করে। পর্দা এই কম্পনকে কানের ভিতরের অংশে পৌছে দেয়। সেখান থেকে শব্দ মস্তিষ্কে যায়। এভাবেই আমরা শুনতে পাই।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
8 months ago
উত্তরঃ

আমরা জানি যে, কোনো বস্তুর কম্পনের ফলে শব্দ সৃষ্টি হয়। সকল কম্পনশীল বস্তুর শব্দ আমরা শুনতে পাই না। যে শব্দ প্রতি সেকেন্ডে ২০টি কম কম্পন দিয়ে সৃষ্টি হয় তাদের শ্রুতিপূর্ব শব্দ বলে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
8 months ago
উত্তরঃ

মানুষ শ্রাব্য শব্দ শুনতে পায়। মানুষের কানের শ্রাব্যতার সীমা হচ্ছে ২০ হার্জ হতে ২০,০০০ হার্জ পর্যন্ত। এই সীমার শব্দকে বলা হয় শ্রাব্য শব্দ। এই শব্দ শ্রবণ উপযোগী।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
8 months ago
উত্তরঃ

যে শব্দগুলো শ্রবণ উপযোগী এবং মানুষ শুনতে পায় তাদের শ্রাব্য শব্দ বলে। শ্রাব্য শব্দের সীমা ২০ হার্জ হতে ২০,০০০ হার্জ পর্যন্ত। এই সীমার বাইরের শব্দ মানুষ শুনতে পায় না।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
8 months ago
উত্তরঃ

আল্টাসনোগ্রাম চিকিৎসা বিজ্ঞানের শ্রুতি-উত্তর শব্দ ব্যবহারকারী যন্ত্র। এই যন্ত্র ২০,০০০ হার্জের চেয়ে বেশি কম্পাঙ্কের শব্দ ব্যবহার করে কাজ করে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
8 months ago
উত্তরঃ

শ্রুতি উত্তর এবং শ্রুতিপূর্ব শব্দের পার্থক্য নিম্নরূপ :

শ্রুতি উত্তর শব্দশ্রুতিপূর্ব শব্দ
১. এসব শব্দের কম্পাঙ্ক ২০,০০০ হার্জের বেশি।১. এসব শব্দের কমাঙ্ক ২০ হার্জের কম।
২. এসব শব্দ মানুষ শুনতে পায় না২. এসব শব্দ শ্রবণ উপযোগী নয়
Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
8 months ago
উত্তরঃ

পরিবেশে অবাঞ্ছিত বা অতিরিক্ত শব্দকে শব্দ দূষণ বলে। যেমন বায়ুতে যে উপাদান থাকা উচিত, তা না থেকে যদি অন্য কিছু থাকে, তাহলে তাকে আমরা শব্দ দূষণ বলি। বায়ুতে অতিরিক্ত বা অবাঞ্ছিত শব্দ থাকলে বায়ু দূষণ ঘটে। পরিবেশে বিস্ফোরণের শব্দ, মাইকের শব্দ, গাড়িব হর্ন শব্দ দূষণ ঘটায়।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
8 months ago
উত্তরঃ

শব্দ দূষণের প্রধান কারণগুলো হলো-
১. গাড়ির শব্দ, ২. বিস্ফোরণের শব্দ, ৩. কোনো যন্ত্রের শব্দ,
৪. মাইকের শব্দ ও ৫. রেডিও বা টেলিভিশন জোরে বাজানোর শব্দ ইত্যাদি।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
8 months ago
উত্তরঃ

শব্দ দূষণের ফলে স্বাস্থ্য সমস্যা সৃষ্টি হয়। এসব সমস্য যেমন অনিদ্রা, মাথাব্যথা, উচ্চ রক্তচাপ, বিরক্তি ইত্যাদি সৃষ্টি হয়। কোনো মানুষ অনেক দিন অতিরিক্ত জোরালো শব্দ শুনলে কান ক্ষতিগ্রস্থ হয় এমনকি কম শুনতে পারে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
8 months ago
উত্তরঃ

শব্দ দূষণ রোধের দুটি উপায় হলো-
১. রাস্তার পাশে, ঘর-বাড়ির চারদিকে গাছপালা লাগাতে হবে যাতে ঘর বাড়িতে শব্দ কম পৌঁছায়।
২. যানবাহনের হর্ন যতটা সম্ভব কম বাজাতে হবে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
8 months ago
উত্তরঃ

সাইলেনসার হলো শব্দ দূষণ রোধে বিমানের ইঞ্জিন, যানবাহনের ইঞ্জিন, কলকারখানার মেশিন ইত্যাদিতে লাগানো এমন একটি সিস্টেম যা উৎপন্ন শব্দকে বাইরে যেতে দেয় না। তাই শব্দ দূষণ রোধে বিভিন্ন ক্ষেত্রে এটি ব্যবহার করা হয়।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
8 months ago
উত্তরঃ

চারটি সুরেলা যন্ত্রের নাম হলো-
১. বাঁশি, ২. হারমোনিয়াম, ৩. একতারা ও ৪. দোতারা।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
8 months ago
উত্তরঃ

যেসব যন্ত্র শ্রুতিমধুর সুরযুক্ত শব্দ উৎপন্ন করে তাদের সুরেলা যন্ত্র বলে। যেমন- বাঁশি, হারমোনিয়াম।
যেসব যন্ত্র বিরক্তিকর সুরহীন শব্দ উৎপন্ন করে তাদের বেসুরো যন্ত্র বলে। যেমন- গাড়ির হর্ন, সাইকেলের বেল।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
8 months ago
উত্তরঃ

বাঁশির দৈর্ঘ্য কম হলে তীক্ষ্ণতা বাড়ে এবং দৈর্ঘ্য বেশি হলে তীক্ষ্ণতা কমে। একটি বাঁশির দৈর্ঘ্য বাড়ালে শব্দের তীক্ষ্ণতা কমে যাবে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
8 months ago
উত্তরঃ

আমরা রিকশার রেলের টুংটাং শব্দের সাথে পরিচিত। এই বেলে গোলাকার একটি ধাতব বাটি উপুড় করে রাখা হয়। বাটির নিচে একটি ধাতব হাতুড়ি লাগানো থাকে। একটি লম্বা হাতলের সাহায্যে হাতুড়ি নাড়াচাড়া করলে তা বাটিতে আঘাত করে। বাটির কম্পন্নে ফলে টুংটাং শব্দ তৈরি হয়।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
8 months ago
উত্তরঃ

শব্দের উৎস হলো বস্তুর কম্পন।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
8 months ago
উত্তরঃ

কোনো মাধ্যমের কণাগুলোর কম্পনের ফলে সৃষ্ট যে আন্দোলন মাধ্যমের মধ্যদিয়ে চলে বা সঞ্চালিত হয় তাই তরঙ্গ।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
8 months ago
উত্তরঃ

শব্দ সঞ্চালন হলো শব্দের এক স্থান হতে অন্য স্থানে যাতায়াত।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
8 months ago
উত্তরঃ

প্রতি সেকেন্ডে নির্দিষ্ট দিকে শব্দ যে দূরত্ব অতিক্রম করে তাই শব্দের বেগ।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
8 months ago
উত্তরঃ

বায়ুতে শব্দের বেগ ৩৪৩ মিটার/সেকেন্ড।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
8 months ago
উত্তরঃ

শ্রুতি-পূর্ব শব্দ কাকে বলে?

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
8 months ago
উত্তরঃ

২০০০০ হার্জের উপরের কম্পাঙ্কের শব্দকে শ্রুতি-উত্তর শব্দ বলে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
8 months ago
উত্তরঃ

যে সীমার মধ্যে সৃষ্ট শব্দ আমরা শুনতে পাই তাকে শ্রাব্যতার সীমা বলে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
8 months ago
উত্তরঃ

প্রতি সেকেন্ডে কোনো বস্তু যতটা কম্পন দেয় তাই ঐ বস্তুর কম্পাঙ্ক।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
8 months ago
উত্তরঃ

কম্পাঙ্কের একক হলো Hz!

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
8 months ago
উত্তরঃ

যে শব্দ আমরা শুনতে পাই তাই শ্রাব্য শব্দ।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
8 months ago
উত্তরঃ

যে শব্দ শুনতে ভালো লাগে, সুখকর ও আনন্দদায়ক সে শব্দই সুশ্রাব্য শব্দ।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
8 months ago
উত্তরঃ

প্রতিধ্বনি হচ্ছে প্রতিফলনের দরুন ধ্বনির পুনরাবৃত্তি।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
8 months ago
উত্তরঃ

আমরা জানি, শব্দ সঞ্চালনের জন্য মাধ্যমের প্রয়োজন। মাধ্যম ছাড়া শব্দ চলাচল করতে পারে না। কিন্তু চাঁদে বায়ু নেই। ফলে চাঁদে শব্দ চলাচলের জন্য কোনো মাধ্যম নেই। এজন্য চাঁদে শব্দের বেগ শূন্য। তাই চাঁদে একজনের কথা অন্যজন শুনতে পায় না।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
8 months ago
উত্তরঃ

বায়ুতে শব্দের বেগ ৩৪৩ মিটার/সেকেন্ড বলতে বোঝায় বায়ুতে শব্দ প্রতি সেকেন্ডে ৩৪৩ মিটার দূরত্ব অতিক্রম করে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
8 months ago
উত্তরঃ

সকল কম্পাঙ্কের শব্দ, আমরা শুনতে পাই না। শব্দের কম্পাঙ্ক ২০ হার্জ থেকে ২০০০০ হার্জ এর মধ্যে থাকলেই কেবল সেই শব্দ আমরা শুনতে পাই। কম্পাঙ্কের এ সীমাকেই শ্রাব্যতার সীমা বলে। আমাদের শ্রাব্যতার নিম্ন সীমা ২০ হার্জ এবং উচ্চ সীমা ২০০০০ হার্জ।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
8 months ago
উত্তরঃ

যে সীমার মধ্যে সৃষ্ট শব্দ আমরা শুনতে পাই তাকে শ্রাব্যতার সীমা বলে। মানুষের জন্য শ্রাব্যতার সীমা হলো ২০ হার্জ থেকে ২০০০০ হার্জ। অর্থাৎ ২০ হার্জের নিচে এবং ২০০০০ হার্জের উপরে সৃষ্ট শব্দ মানুষ শুনতে পায় না। এ ২০ হার্জ থেকে ২০০০০ হার্জ কম্পাঙ্ককে শ্রাব্যতার সীমা বলে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
8 months ago
উত্তরঃ

যে শব্দ শুনতে খারাপ লাগে, যন্ত্রণাদায়ক ও বিরক্তিকর তাদের নয়েজ বা গোলমাল বলে। বস্তুর অনিয়মিত বা অসম কম্পনের ফলে নয়েজের সৃষ্টি হয়। পেরেক ঠোকার শব্দ, নির্মাণ কাজের শব্দ, বোর্ডে লেখার সময় চকের কিচকিচ শব্দ ইত্যাদি অপ্রীতিকর শব্দ বা নয়েজের উদাহরণ।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
8 months ago
উত্তরঃ

শব্দের আধিক্য আমাদের দেহ ও মনের যে বিরূপ প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করে তাকে শব্দ দূষণ বলে। গাড়ি চলাচলের শব্দ, রেডিও টিভির শব্দ, জাহাজ ও হাইড্রোলিকের হর্ন কিংবা কলকারখানার তীব্র শব্দে মানুষের মানসিক উত্তেজনার সৃষ্টি করে ফলে মেজাজ খিটখিটে হয়।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
8 months ago
No explanation available yet.
154

তোমার ঘরের দরজায় ঠক্ শব্দ হলে তুমি বুঝতে পার তোমার দরজায় কেউ অপেক্ষা করছে। দরজার কলিংবেল বাজলেও আমরা বুঝতে পারি কেউ এসেছে। কারও পায়ের শব্দ শুনে তুমি বুঝতে পার যে, কেউ আসছে। শব্দ আমাদের জীবনে খুবই গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। এটা অন্যের সাথে যোগাযোগে সহায়তা করে। আমরা আমাদের চারপাশে নানা রকম শব্দ শুনতে পাই। বাঁশির সুর, গাড়ির হর্ন, কুকুরের ঘেউ ঘেউ, ছাগলের ব্যা ব্যা, মুরগির কুকুরুকু, পাখির কলতান ইত্যাদি। শব্দ এক প্রকার শক্তি, যা আমাদের শুনার অনুভূতি জন্মায়। শব্দ কীভাবে উৎপন্ন হয়, কীভাবে সঞ্চালিত হয়, কীভাবে আমরা বিভিন্ন রকম শব্দ চিনতে পারি ইত্যাদি নিয়ে এই অধ্যায়ে আলোচনা করব।

এ অধ্যায় পাঠ শেষে আমরা

  • শব্দের বৈশিষ্ট্য বর্ণনা করতে পারব।
  • শব্দ সঞ্চালন ব্যাখ্যা করতে পারব।
  • কঠিন, তরল ও বায়বীয় মাধ্যমে শব্দের বেগের তুলনা করতে পারব।
  • প্রাণী কীভাবে শব্দ শুনতে পায় ব্যাখ্যা করতে পারব।
  • শ্রাব্যতার সীমা ও অপ্রীতিকর শব্দ (noise) ব্যাখ্যা করতে পারব।
  • শব্দ উৎপাদনকারী যন্ত্রে শব্দ সৃষ্টির কারণ ব্যাখ্যা করতে পারব।
  • দৈনন্দিন জীবনে শব্দের ব্যবহারের ক্ষতিকর দিক (অপ্রীতিকর শব্দ ও দূষণ) সম্পর্কে নিজে সচেতন হব এবং অন্যদের সচেতন করব।
  • দলগত কাজে সহপাঠিদের বক্তব্য শুনব, সক্রিয় অংশগ্রহণ করব এবং সিদ্ধান্ত গ্রহণে সহযোগিতা করব।

Related Question

View All
উত্তরঃ

যে শক্তি আমাদের কানে প্রবেশ করে শ্রবণের অনুভূতি জাগায় তাই শব্দ।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
9 months ago
406
উত্তরঃ

আমরা জানি, শব্দ মাধ্যম ছাড়া চলাচল করতে পারে না। আবার বিভিন্ন মাধ্যমে শব্দের বেগও বিভিন্ন। যেমন- শব্দ সবচেয়ে দ্রুত চলে কঠিন মাধ্যমে, তারপর তরল মাধ্যমে, এরপর বায়ুমাধ্যমে। রেলপাত লোহার তৈরি অর্থাৎ রেলপাত একটি কঠিন মাধ্যম। সুতরাং রেলপাতের মধ্য দিয়ে শব্দ খুব দ্রুত চলাচল করে। তাই রেলপাতে কান রাখলে দূর থেকে রেলগাড়ি চলার শব্দ রেল পাতের মধ্য দিয়ে খুব দ্রুত কানে পৌছায় বলে ঐ শব্দ শোনা যায়।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
9 months ago
589
উত্তরঃ

উদ্দীপকে উল্লিখিত,

বায়ুতে শব্দের বেগ ৩৩০ মি./সে.

শব্দ শোনার সময় = ?

বোমা ফাটার স্থান ও তীরে অবস্থিত লোকটির দূরত্ব ৩৩০০ মিটার

আমরা জানি,

শব্দের বেগ = দূরত্ব / সময়

বা, সময় = দূরত্ব / শব্দের বেগ = ৩৩০০ মিটার / ৩৩০ মি./সে. = ১০ সেকেন্ড

অতএব, বোমা ফাটার স্থান থেকে তীরে অবস্থিত 'লোকটি ১০ সেকেন্ড পর শব্দ শুনবে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
9 months ago
382
উত্তরঃ

উদ্দীপক অনুযায়ী, ডুবুরি বোমা ফাটার স্থান থেকে ৩৩০০ মিটার দূরে অবস্থিত।

সমুদ্রের পানিতে শব্দের বেগ ১৫০০ মি./সে.

শব্দ শোনার সময় = ?

আমরা জানি,

শব্দের বেগ = দূরত্ব / সময়

বা, সময় = দূরত্ব / শব্দের বেগ = ৩৩০০ মিটার / ১৫০০ মি./সে. = ২.২ সেকেন্ড

'গ' হতে পাই, তীরে অবস্থিত লোকটি বোমা ফাটার শব্দ শুনে ১০ সেকেন্ড পর।

অতএব, ডুবুরি ও লোকটি একই সময়ে বোমা ফাটার শব্দ শুনতে পাবে না, ডুবুরি আগে শুনতে পাবে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
9 months ago
400
উত্তরঃ

যে শব্দ শুনতে ভালো লাগে, সুখকর, মধুর ও আনন্দদায়ক সে শব্দই সুশ্রাব্য শব্দ।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
9 months ago
351
উত্তরঃ

শব্দের যে বৈশিষ্ট্য দ্বারা কোন সুর চড়া ও কোন সুর মোটা বুঝা যায় তাকে তীক্ষ্ণতা বলে। শব্দের তীক্ষ্ণতা শব্দ সৃষ্টিকারী বস্তুর কম্পাঙ্ক ও দৈর্ঘ্যের উপর নির্ভর করে। দৈর্ঘ্য বৃদ্ধি পেলে তীক্ষ্ণতা কমে এবং দৈর্ঘ্য কমলে তীক্ষ্ণতা বৃদ্ধি পায়। 'কাজেই বাঁশের বাঁশির দৈর্ঘ্য কম হলে শব্দের তীক্ষ্ণতা বৃদ্ধি পাবে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
9 months ago
375
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র
মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews