নকশা তৈরির উপকরণ হলো- পেন্সিল, রাবার, স্কেল, কম্পাস, রং, কাগজ, তুলি ইত্যাদি।
কার্যপদ্ধতি: নকশাটি তৈরির ধাপগুলো হলো-
১। পেন্সিল দিয়ে কম্পাসের সাহায্যে কাগজের উপর ৫" ৫" আকারের বর্গ আঁকি।
২। বড় বর্গটির ভেতরে চারকোণে ছোট আকারের ৪টি বর্গ আঁকি।
৩। মাঝের ফাঁকা অংশে ছোট আকারের একটি বৃত্ত আঁকি এবং বৃত্তটি ঠিক উপর-নিচ ও ডানে-বামে চারটি ছোট বর্গ আঁকি।
৪। ছোট বর্গগুলোর বাকি তিনটি কোণের বাইরে ছোট ছোট বৃত্ত আঁকি।
৫। এবার বৃহৎ বর্গটির চারটি রেখার বাইরের মাঝামাঝি জায়গায় একটি করে ত্রিভুজ আঁকি।
৬। ফাঁকা জায়গা খালি রেখে ত্রিভুজ, চতুর্ভুজ ও. বর্গের মাঝের জায়গাগুলো যে কোনো একটি রং দ্বারা রং করে দিই।
উপস্থাপন: বৃত্ত, ত্রিভুজ ও চতুর্ভুজ ব্যবহার করে ৫" ৫" মাপে এক রঙে আঁকা নকশাটি সুন্দরভাবে শিক্ষকের নিকট উপস্থাপন করি।
নকশা তৈরির উপকরণ হলো- পেন্সিল, রাবার, স্কেল, কম্পাস, কাগজ, রং ও তুলি।
কার্যপদ্ধতি : নকশা তৈরির ধাপগুলো হলো-
১। কম্পাস, পেন্সিল ও স্কেল ব্যবহার করে দৈর্ঘ্য বা ভূমি ৬" এবং প্রস্থ বা উচ্চতা ৬" নিয়ে একটি চতুর্ভুজ আঁকি।
২। এবার পেন্সিল দ্বারা চতুর্ভুজটির মাঝে পছন্দ মতো ফুল ও লতা-পাতা আঁকি, ফাঁকা জায়গাগুলোতে আড়াআড়ি বক্ররেখা টেনে দিই।
৩। পছন্দনীয় যে কোনো একটি রং দ্বারা ফুল, লতা-পাতা ও বক্ররেখাগুলো রং করি।

উপস্থাপন: ফুল, লতা-পাতা সমন্বয়ে একরঙে ৬" ৬" মাপে আঁকা নকশাটি সুন্দরভাবে শিক্ষকের নিকট উপস্থাপন করি'।
পোষা প্রাণীর ছবি অঙ্কন করার উপকরণ হলো- পেন্সিল, রাবার, কাগজ, রং ও তুলি।
কার্যপদ্ধতি: পোষা বিড়াল ও হাঁসের ছবি অঙ্কন করার ধাপগুলো হলো-
১। প্রথমে পেন্সিল দিয়ে কাগজের উপর বিড়াল ও হাঁসের প্রাথমিক নকশা আঁকি।
২। এরপর বিড়াল ও হাঁসের প্রয়োজনীয় অঙ্গ-প্রত্যঙ্গের রূপ প্রদান করি।

৩। ছবি দুটির বিভিন্ন অংশে প্রয়োজন অনুপাতে রং করি।
উপস্থাপন: চেনাজানা দুটি পোষা প্রাণীর আঁকা ছবিটি সুন্দরভাবে শিক্ষকের নিকট উপস্থাপন করি।
ছবিগুলো আকার উপকরণ হলো- পেন্সিল, তুলি, রাবার, রং, কাগজ।
কার্যপদ্ধতি: নিম্নোক্ত ধাপে ছবি তিনটি আঁকি-
১। প্রথমে তিনজন মানুষের তিনটি কাঠামো পেন্সিল দ্বারা এঁকে নিই।
২। কাঠামো তিনটির যে যে কাজের ভঙ্গি প্রকাশ করবে তা নির্দিষ্ট কাঠামোগুলোকে সেভাবে রূপ দিই।
৩। ছবিগুলোর কাজের প্রকাশভঙ্গি অনুযায়ী তাতে কাজের উপকরণগুলো এঁকে দিই।
৪। ছবিগুলোকে বিভিন্ন রং দ্বারা লেপন করি।

উপস্থাপন: কর্মরত মানুষের তিনটি প্রকাশ ভঙ্গির আকারে আঁকা ছবিটি শিক্ষকের নিকট সুন্দরভাবে উপস্থাপন করি।
উত্তর: প্রাকৃতিক ফর্ম (ফুল, লতা-পাতা, পাখি) ব্যবহার করে ৬" ৪" মাপে একটি নকশা নিচে অঙ্কন করা হলো

শরৎকালে নদীর তীর আঁকার উপকরণগুলো হলো- পেন্সিল, স্কেল, রাবার, কাগজ, প্যাস্টেল রং ও তুলি।
কার্যপদ্ধতি: নিচের ধাপগুলো অনুসরণের
মাধ্যমে শরৎকালে নদীর তীর আঁকি-
১। পেন্সিল ও স্কেল দ্বারা সাদা কাগজের উপর শরৎকালে নদীর তীরের একটি নকশা আঁকি।
২। নকশার দাগগুলো এলোমেলো হলে রাবার দ্বারা মুছে ঠিক করি।
৩। তুলি দ্বারা নকশার উপর প্যাস্টেল রং লেপন করি।

উপস্থাপন: শরৎকালে নদীর তীরের ছবিটি সুন্দরভাবে শিক্ষকের নিকট উপস্থাপন করি।
মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক একটি ছবি এঁকে প্যাস্টেল রং করা হলো-
উপকরণ: মুক্তিযুদ্ধকে বিষয় করে একটি ছবি আঁকার উপকরণ হলো- পেন্সিল, রাবার, কাগজ, রং ও তুলি।.
কার্যপদ্ধতি: নিচের ধাপগুলো অনুসরণে
মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক ছবি আঁকি-
১। সাদা কাগজের উপর পেন্সিল দ্বারা মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক একটি নকশা আঁকি।
২। নকশাটি ছোট-বড় হলে রাবার দ্বারা মুছে ঠিক করি।
৩। তুলির সাহায্যে নকশাটির উপর প্যাস্টেল রং লেপন করি।

উপস্থাপন: ছবিটি সুন্দরভাবে শিক্ষকের নিকট উপস্থাপন করি।
বাংলাদেশের নববর্ষের উৎসবের একটি ছবি অঙ্কন করা হলো-

আমার দেখা একটি গ্রাম বাংলার দৃশ্য এঁকে তাতে রং করে দেখানো হলো-

নদী ও নৌকাকে বিষয় করে একটি দৃশ্য অঙ্কন করে তাতে রং করা হলো-

কর্মরত শব্দটির অর্থ হলো কর্মশীল এবং সক্রিয়। দৈনন্দিন জীবনে আমরা নানা ধরনের কর্মরত মানুষ দেখি। যেমন- কুলি, মজুর, রিকশাওয়ালা, ঠ্যালাওয়ালা, ফেরিওয়ালা আরও অনেকে। এসব মানুষকে রোদেপুড়ে, বৃষ্টিতে ভিজে আরও নানা রকমের প্রাকৃতিক প্রতিকূলতার মধ্য দিয়ে জীবনযাপন করতে হয়।
নকশা আঁকার কোনো ধবাবাঁধা নিয়ম নেই। তবে নকশা অঙ্কনের যেমন স্বাধীনতা আছে, তেমনি কোন নকশা কোন জায়গায় আঁকলে বা সাজালে সেই জিনিসের সৌন্দর্য আরও বাড়বে, সে বিষয়ে আমাদের একটু গভীরভাবে পর্যবেক্ষণ করতে হবে।
সুন্দর নকশা ও উজ্জ্বল রঙের কারণে বিভিন্ন বস্তু বা সামগ্রী মনকে আকৃষ্ট করে। এসব বাহারি নকশায় যেমন আমাদের মনের প্রফুল্লতার প্রকাশ ঘটে, তেমনি সৃজনশীল চিন্তার বিকাশ ঘটে।
Related Question
View Allনকশা তৈরির উপকরণ হলো- পেন্সিল, রাবার, স্কেল, কম্পাস, রং, কাগজ, তুলি ইত্যাদি।
কার্যপদ্ধতি: নকশাটি তৈরির ধাপগুলো হলো-
১। পেন্সিল দিয়ে কম্পাসের সাহায্যে কাগজের উপর ৫" ৫" আকারের বর্গ আঁকি।
২। বড় বর্গটির ভেতরে চারকোণে ছোট আকারের ৪টি বর্গ আঁকি।
৩। মাঝের ফাঁকা অংশে ছোট আকারের একটি বৃত্ত আঁকি এবং বৃত্তটি ঠিক উপর-নিচ ও ডানে-বামে চারটি ছোট বর্গ আঁকি।
৪। ছোট বর্গগুলোর বাকি তিনটি কোণের বাইরে ছোট ছোট বৃত্ত আঁকি।
৫। এবার বৃহৎ বর্গটির চারটি রেখার বাইরের মাঝামাঝি জায়গায় একটি করে ত্রিভুজ আঁকি।
৬। ফাঁকা জায়গা খালি রেখে ত্রিভুজ, চতুর্ভুজ ও. বর্গের মাঝের জায়গাগুলো যে কোনো একটি রং দ্বারা রং করে দিই।
উপস্থাপন: বৃত্ত, ত্রিভুজ ও চতুর্ভুজ ব্যবহার করে ৫" ৫" মাপে এক রঙে আঁকা নকশাটি সুন্দরভাবে শিক্ষকের নিকট উপস্থাপন করি।
নকশা তৈরির উপকরণ হলো- পেন্সিল, রাবার, স্কেল, কম্পাস, কাগজ, রং ও তুলি।
কার্যপদ্ধতি : নকশা তৈরির ধাপগুলো হলো-
১। কম্পাস, পেন্সিল ও স্কেল ব্যবহার করে দৈর্ঘ্য বা ভূমি ৬" এবং প্রস্থ বা উচ্চতা ৬" নিয়ে একটি চতুর্ভুজ আঁকি।
২। এবার পেন্সিল দ্বারা চতুর্ভুজটির মাঝে পছন্দ মতো ফুল ও লতা-পাতা আঁকি, ফাঁকা জায়গাগুলোতে আড়াআড়ি বক্ররেখা টেনে দিই।
৩। পছন্দনীয় যে কোনো একটি রং দ্বারা ফুল, লতা-পাতা ও বক্ররেখাগুলো রং করি।

উপস্থাপন: ফুল, লতা-পাতা সমন্বয়ে একরঙে ৬" ৬" মাপে আঁকা নকশাটি সুন্দরভাবে শিক্ষকের নিকট উপস্থাপন করি'।
পোষা প্রাণীর ছবি অঙ্কন করার উপকরণ হলো- পেন্সিল, রাবার, কাগজ, রং ও তুলি।
কার্যপদ্ধতি: পোষা বিড়াল ও হাঁসের ছবি অঙ্কন করার ধাপগুলো হলো-
১। প্রথমে পেন্সিল দিয়ে কাগজের উপর বিড়াল ও হাঁসের প্রাথমিক নকশা আঁকি।
২। এরপর বিড়াল ও হাঁসের প্রয়োজনীয় অঙ্গ-প্রত্যঙ্গের রূপ প্রদান করি।

৩। ছবি দুটির বিভিন্ন অংশে প্রয়োজন অনুপাতে রং করি।
উপস্থাপন: চেনাজানা দুটি পোষা প্রাণীর আঁকা ছবিটি সুন্দরভাবে শিক্ষকের নিকট উপস্থাপন করি।
ছবিগুলো আকার উপকরণ হলো- পেন্সিল, তুলি, রাবার, রং, কাগজ।
কার্যপদ্ধতি: নিম্নোক্ত ধাপে ছবি তিনটি আঁকি-
১। প্রথমে তিনজন মানুষের তিনটি কাঠামো পেন্সিল দ্বারা এঁকে নিই।
২। কাঠামো তিনটির যে যে কাজের ভঙ্গি প্রকাশ করবে তা নির্দিষ্ট কাঠামোগুলোকে সেভাবে রূপ দিই।
৩। ছবিগুলোর কাজের প্রকাশভঙ্গি অনুযায়ী তাতে কাজের উপকরণগুলো এঁকে দিই।
৪। ছবিগুলোকে বিভিন্ন রং দ্বারা লেপন করি।

উপস্থাপন: কর্মরত মানুষের তিনটি প্রকাশ ভঙ্গির আকারে আঁকা ছবিটি শিক্ষকের নিকট সুন্দরভাবে উপস্থাপন করি।
উত্তর: প্রাকৃতিক ফর্ম (ফুল, লতা-পাতা, পাখি) ব্যবহার করে ৬" ৪" মাপে একটি নকশা নিচে অঙ্কন করা হলো

শরৎকালে নদীর তীর আঁকার উপকরণগুলো হলো- পেন্সিল, স্কেল, রাবার, কাগজ, প্যাস্টেল রং ও তুলি।
কার্যপদ্ধতি: নিচের ধাপগুলো অনুসরণের
মাধ্যমে শরৎকালে নদীর তীর আঁকি-
১। পেন্সিল ও স্কেল দ্বারা সাদা কাগজের উপর শরৎকালে নদীর তীরের একটি নকশা আঁকি।
২। নকশার দাগগুলো এলোমেলো হলে রাবার দ্বারা মুছে ঠিক করি।
৩। তুলি দ্বারা নকশার উপর প্যাস্টেল রং লেপন করি।

উপস্থাপন: শরৎকালে নদীর তীরের ছবিটি সুন্দরভাবে শিক্ষকের নিকট উপস্থাপন করি।
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!