সংক্ষিপ্ত প্রশ্ন ও সমাধান

Updated: 6 months ago
উত্তরঃ

চলন্ত গাড়িতে ড্রাইভারকে ৩ টি দর্পণের দিকে খেয়াল রাখা উচিত।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

পাহাড়ি রাস্তায় চলাচলের জন্য গোলীয়  দর্পণ স্ট্যান্ডে দাঁড় করে রাখা হয়।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

গাড়ির সামনের দরজার সম্মুখ দিকে ২টি দর্পণ থাকে।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

গাড়িতে  ১ টি রিয়ার ভিউ মিরর থাকে।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

আলোর প্রতিসরণের সূত্র ২টি।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

প্রতিসরাঙ্ক মাপার জন্য প্রথম  মাধ্যমকে শূন্য ধরা হয় ।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

পানির প্রতিসরাঙ্ক ১.৩৩।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

বাতাসের প্রতিসরণাঙ্ক ১।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

আলোক রশ্মি স্বচ্ছ ও সমসত্ত্ব মাধ্যমে সরলপথে চলে ।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

দুটি স্বচ্ছ মাধ্যমের বিভেদতলে আলোক রশ্মির দিক পরিবর্তনের ঘটনাকে প্রতিসরণ বলে।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

দুটি গোলীয় পৃষ্ঠ দ্বারা সীমাবদ্ধ কোনো স্বচ্ছ প্রতিসারক মাধ্যমকে লেন্স বলে।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

লেন্সের বক্রতার কেন্দ্র ২ টি।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

বক্রতার কেন্দ্র দুটির মধ্যদিয়ে গমনকারী সরলরেখা কে প্রধান অক্ষ বলে।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

উত্তল লেন্সের মধ্যভাগ মোটা ও প্রান্ত সরু।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

উত্তল দর্পণে খর্বিত প্রতিবিম্ব তৈরি হয় ।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

অবতল লেন্সের মধ্যভাগ সরু ও প্রান্ত মোটা ।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

উত্তল লেন্সের অপর নাম অভিসারী লেন্স ।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

লেন্সের বক্রতার ব্যাসার্ধ ২টি।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

অবতল লেন্সের অপর নাম অপসারী লেন্স।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

স্থূল মধ্য লেন্স বলা হয় উত্তল লেন্সকে।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

লেন্সের ক্ষমতার প্রচলিত একক ডায়ন্টার।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

লেন্সের ক্ষমতার এস আই একক রেডিয়ান/মিটার।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

উত্তল লেন্সের ক্ষমতা ধনাত্মক প্রকৃতির ।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

লেন্সের ক্ষমতা - 2D হলে লেন্সটি অবতল প্রকৃতির হবে ।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

লেন্সের ক্ষমতা + ID হলে লেন্সটি উত্তল প্রকৃতির হবে।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

একটি অবতল লেন্সের ফোকাস দূরত্ব 50cm। লেন্সটির ক্ষমতা - 2D ।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

একটি উত্তল লেন্সের ফোকাস দূরত্ব ৪ মিটার হলে তার ক্ষমতা ০.২৫ d ।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

চোখের রেটিনার রঙ হালকা নীল ।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

উত্তল  লেন্স সবসময় উল্টো প্রতিবিম্ব তৈরি করে।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

ক্যামেরায় ছবি তোলার জন্য উল্টো  প্রতিবিম্ব তৈরি করা হয় ।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

চোখের রেটিনায় বস্তুর উল্টো প্রতিবিম্ব গঠিত হয় ।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

রেটিনায় সৃষ্ট উল্টো প্রতিবিম্বকে পুনরায় উল্টে দেয় মস্তিষ্ক।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

উল্টো বস্তু রেটিনার উপর কোন ধরনের প্রতিবিম্ব তৈরি করে।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

চোখের কোন কোষ রঙের অনভূতি রঙের পার্থক্য বুঝিয়ে দেয়?

নোট ;ঃ no answer

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

চোখের রডকোষ গুলো কম আলোতে সংবেদনশীল হয়.

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

জ্যোৎস্নার অল্প আলোতে রড কোষগুলোর কারণে আমরা দেখতে পাই ।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

একজন শিশুর স্পষ্ট দৃষ্টির ন্যূনতম দূরত্ব ৫ সে.মি।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

প্রাপ্তবয়স্ক স্বাভাবিক লোকের স্পষ্ট দৃষ্টির ন্যূনতম দূরত্ব ২৫ সে.মি।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

যখন চোখ কাছের বস্তু দেখতে পায় কিন্তু দূরের বস্তু দেখতে পায় না, তখন চোখের এই ত্রুটিকে হ্রস্বদৃষ্টি বলে।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

চোখের হ্রস্বদৃষ্টি সমস্যার/ত্রুটির কারণে অক্ষি গোলকের ব্যাসার্ধ বৃদ্ধি পায়।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

হ্রস্বদৃষ্টিজনিত সমস্যা দূর করার জন্য অবতল লেন্সের চশমা ব্যবহার করতে হবে।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

সাধারণত বয়স্ক ব্যক্তিদের মধ্যে দূরদৃষ্টি ত্রুটি দেখা যায় ।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

যখন কোনো চোখ দূরের বস্তু দেখে কিন্তু কাছের বস্তু দেখতে পায় না, তখন এ ত্রুটিকে দীর্ঘদৃষ্টি বলে ।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

দীর্ঘদৃষ্টিজনিত ত্রুটি দূর করার জন্য উত্তল লেন্স ব্যবহার করতে হবে।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

চোখের প্রধান ত্রু্টি ২টি।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

সাধারণত শিশুদের চোখে ক্ষীণদৃষ্টি ত্রুটি হয়ে থাকে ।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

অক্ষিগোলকের ব্যাসার্ধ বৃদ্ধি পেলে ক্ষীণদৃষ্টি হয় ।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

আবছা আলো  চোখের জন্য ক্ষতিকর ।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

চোখ ক্লান্ত হয়ে গেলে বিশ্রাম করা প্রয়োজন।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

ভিটামিন এ সমৃদ্ধ খাবারের অভাবে রাতকানা রোগ হয় ।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

দৈনন্দিন জীবনে দর্পণের চারটি ব্যবহার হলো-


১. আমরা আমাদের দেখার জন্য দর্পণ (সমতল দর্পণ) ব্যবহার করি।
২. পাহাড়ি রাস্তার বাঁকে দুর্ঘটনা এড়াতে দর্পণ ব্যবহার করা হয়।
৩. দন্ত চিকিৎসার জন্য চিকিৎসকগণ অবতল দর্পণ ব্যবহার করেন।
৪. পিছনের যানবাহন বা পথচারী দেখার জন্য গাড়িতে দর্পণ (লুকিং গ্লাস) ব্যবহার করা হয়।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

সাধারণত গাড়ির ড্রাইভারের সিটের দরজার সামনের দিকে দুই পাশে সাইড ভিউ মিরর নামে দুটি আয়না বা দর্পণ থাকে। এছাড়া গাড়ির ভিতরে সামনের দিকে মাঝখানেও রিয়ার ভিউ মিরর নামে আরেকটি আয়না বা দর্পণ থাকে। এগুলো গাড়ির দুপাশে এবং পিছনের দিকে দেখার কাজে সাহায্য করে।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

গাড়ির দুই পাশে দুটি দর্পণ এবং ভেতরে সামনের দিকে একটিসহ মোট তিনটি দর্পণ আছে। এ দর্পণগুলো গাড়ির দুপাশে এবং পিছনের দিকে ড্রাইভারকে দেখতে সহায়তা করে। ফলে ড্রাইভারকে হাত সর্বদা হইলে রেখে সামনে বা পিছনের দিকে নজর রাখতে সহজ হয়। এজন্য গাড়ি চালানোর পূর্বে দর্পণগুলোকে যথাযথভাবে স্থাপন করে নিতে হবে।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

পাহাড়ি রাস্তাগুলো মাঝে মাঝে ৯০ ডিগ্রি বা তার কাছাকাছি কোণে বেঁকে যায়। ফলে বাঁকের উভয় পাশ থেকে আসা গাড়িগুলো একে অপরকে দেখতে পায় না। এই সমস্যা দূর করতে ৯০° কোণের বাঁকগুলোতে ৪৫ ডিগ্রি কোণে সমতল দর্পণ ব্যবহার করা হয়।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

আলো যখন একটি স্বচ্ছ মাধ্যম থেকে অন্য স্বচ্ছ মাধ্যমে লম্বভাবে আপতিত না হয়ে তির্যকভাবে আপতিত হয়, তখন মাধ্যম দুটির বিভেদ তলে এর গতিপথ পরিবর্তিত হয়। আলোক রশ্মির এভাবে দিক পরিবর্তন করার ঘটনাকে আলোর প্রতিসরণ বলে।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

একজোড়া নির্দিষ্ট মাধ্যম ও নির্দিষ্ট রঙ্গের আলোর জন্য আপতন কোণের সাইন এবং প্রতিসরণ কোণের সাইনের অনুপাত সর্বদাই ধ্রুব থাকে। এ ধ্রুবকই প্রতিসরণাঙ্ক।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

আলোক রশ্মি যখন তির্যকভাবে এক স্বচ্ছ সমসত্ব মাধ্যম থেকে অন্য এক স্বচ্ছ সমসত্ব মাধ্যমে প্রবেশ করে তখন প্রতিসরণের জন্য বিভেদ তলে এর দিক পরিবর্তন করে। বিভিন্ন মাধ্যমে আলোর বেগের বিভিন্নতার জন্যই আলোক রশ্মির দিক পরিবর্তন বা প্রতিসরণ হয়

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

আলোক রশ্মি কোনো স্বচ্ছ ও সমসত্ব মাধ্যমে আপতিত হলে তা সব সময় সরলরেখায় চলে। অর্থাৎ স্বচ্ছ ও সমসত্ব মাধ্যমে আলোক রশ্মির গতিপথের কোনো ধরনের পরিবর্তন হয় না।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

আলোক রশ্মি ঘন মাধ্যম থেকে | হালকা মাধ্যমে তির্যকভাবে প্রবেশ করলে এর গতিপথ হবে আলোক রশ্মি ঘন মাধ্যম থেকে হালকা মাধ্যমে তির্যকভাবে প্রবেশ করলে অভিলম্ব থেকে দূরে সরে যায়। ফলে চিত্রে AO আপতিত রশ্মি OC পথে না গিয়ে ON' থেকে দূরে সরে গিয়ে OB পথে গিয়েছে।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

প্রতিসরণাঙ্ক হলো আপাতন কোণের সাইন (sin ৪) ও প্রতিসরণ কোণের সাইনের (sin 0') এর অনুপাত। এক জোড়া নির্দিষ্ট মাধ্যম এবং নির্দিষ্ট বর্ণের আলোর জন্য আপতন কোণের সাইন এবং প্রতিসরণ কোণের সাইনের অনুপাত সর্বদাই ধ্রুব থাকে। তাই আলোর বর্ণ এবং মাধ্যম নির্দিষ্ট থাকলে প্রতিসরণাঙ্ক সর্বদা ধ্রুব হয়।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

আলোর প্রতিফলন হচ্ছে কোনো সমতল পৃষ্ঠে আলো বাধা পেয়ে ঐ মাধ্যমে ফিরে আসে। অন্যদিকে আলোর প্রতিসরণ হচ্ছে এক স্বচ্ছ মাধ্যম থেকে অন্য স্বচ্ছ মাধ্যমে লম্বভাবে আপতিত না হয়ে তির্যকভাবে আপতিত হয়, তখন মাধ্যম দুটির বিভেদ তলে এর গতিপথ পরিবর্তিত হয়।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

প্রতিসরণাঙ্ক হলো দুইটি কোণের সাইনের মানের অনুপাত, যাদের নিজেদের কোনো একক নেই। অন্যভাবে বলতে গেলে প্রতিসরণাঙ্ক হলো সমজাতীয় দুইটি রাশির অনুপাত। তাই প্রতিসরণাঙ্কের কোনো একক নেই।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

লেন্স দুই প্রকার। যথা-


১. উত্তল বা অভিসারী লেন্স ও..
২. অবতল বা অপসারী লেন্স।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

দর্পণ অস্বচ্ছ, এতে আলোর প্রতিফলন হয়। এটি সমতল বা গোলীয় হতে পারে। অপরদিকে লেস স্বচ্ছ, এতে সাধারণত আলোর প্রতিসরণ ঘটে। এটি শুধু গোলীয় হয়, সমতল হয় না।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

উত্তল লেন্সের প্রধান অক্ষের সমান্তরালে যখন একগুচ্ছ আলোক রশ্মি যায়, তখন তারা একত্রিত হয় এবং প্রধান অক্ষের উপর একটি নিদিষ্ট বিন্দুতে একে অপরের সাথে মিলিত হয়। এই নির্দিষ্ট বিন্দুকে ফোকাস বিন্দু বলে।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

অবতল লেন্সের ফোকাস দূরত্ব অসদ। সকল অসদ দূরত্ব . ঋণাত্মক। যে দূরত্ব আলোক রশ্মি প্রকৃতপক্ষে অতিক্রম করে না কিন্তু অতিক্রম করছে বলে মনে হয় সেই দূরত্বকে অসদ দূরত্ব বলে। অবতল লেন্সের আলোক রশ্মি প্রকৃতপক্ষে এ দূরত্ব অতিক্রম করে না। তাই অবতল লেন্সের ফোকাস দূরত্ব ঋণাত্মক ধরা হয়।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

যে লেন্সের মধ্যভাগ সরু এবং প্রান্ত ভাগ ক্রমশ পুরু তাকে অবতল লেন্স বলা হয়। অবতল লেন্সে সমান্তরাল আলোকরশ্মি আপতিত হলে প্রতিসরণের পর নির্গত হওয়ার সময় অপসারী গুচ্ছে পরিণত হয়। এজন্য অবতল লেন্সকে অপসারী লেন্স বলা হয়।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

লেন্সের ২টি ব্যবহার-
১. অবতল লেন্স হ্রস্বদৃষ্টি ত্রুটি দূরীকরণে ব্যবহৃত হয়।
২. উত্তল লেন্স দীর্ঘদৃষ্টি ত্রুটি দূরীকরণে ব্যবহার করা হয়।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

যে লেন্সের মধ্যভাগ মোটা এবং প্রান্তভাগ ক্রমশ সরু তাকে উত্তল লেন্স বলে।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

যে লেন্সের মধ্যভাগ সরু এবং প্রান্তভাগ ক্রমশ পুরু তাকে অবতল লেন্স বলে।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

অবতল লেন্সের প্রধান অক্ষের সমান্তরালে যখন একগুচ্ছ আলোক রশ্মি আপতিত হয় তখন তারা অপসারী হয়ে ছড়িয়ে পড়ে। যদি অপসারিত রশ্মিগুলো সোজা পিছনের দিকে বাড়িয়ে নেওয়া হয়েছে কল্পনা করলে সেগুলো একটি বিন্দুতে মিলিত হচ্ছে বলে মনে হয়। এই বিন্দুকে অবতল লেন্সের ফোকাস বিন্দু বলে।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

কোনো লেন্সের ক্ষমতা + 2D বলতে বোঝায় লেন্সটি উত্তল এবং এটি প্রধান অক্ষের সমান্তরাল একগুচ্ছ আলোকরশ্মিকে প্রধান অক্ষের 0.5 মিটার বা 50 সেন্টিমিটার দূরবর্তী কোনো বিন্দুতে মিলিত করবে।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

লেন্সের ক্ষমতা ধনাত্মক বলতে বুঝায় লেন্সটি উত্তল এবং এটি প্রধান অক্ষের সমান্তরাল আপতিত আলোক রশ্মি গুচ্ছকে প্রধান -অক্ষের উপর একটি নির্দিষ্ট দূরত্বে মিলিত করে।
অন্যদিকে লেন্সের ক্ষমতা ঋণাত্মক বলতে বুঝায়, লেন্সটি অবতল এবং এটি প্রধান অক্ষের সমান্তরাল একগুচ্ছ আলোক রশ্মিকে এমনভাবে অপসারিত করে যে, এগুলো লেস থেকে নির্দিষ্ট দূরের কোনো বিন্দু থেকে অপসৃত হচ্ছে বলে মনে হয়।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

দেওয়া আছে

উত্তল লেন্সের ফোকাস দূরত্ব = ২৫ সে.মি. = ০.২৫ মিটার

ক্ষমতা= =+.=+   (D)

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

আমরা জানি,

লেন্সের ক্ষমতা=১/ফোকাস দূরত্ব (এস. আই একক)

ফোকাস দূরত্ব=  D=.  মি= সে. মি.

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

কোনো বস্তু হতে আগত আলোকরশ্মি রেটিনার উপর পড়লে স্নায়ুর সাথে সংযুক্ত ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র রড ও কোন কোষসমূহ সেই আলো গ্রহণ করে তাকে তড়িৎ প্রেরণায় পরিণত করে। কোন কোষসমূহ তীব্র আলোতে সাড়া দেয় এবং রড কোষগুলো ক্ষীণ আলোতে সাড়াদানের মাধ্যমে চোখকে তীব্র ও অন্ধকার আলোর অনুভূতি প্রদান করে।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

কোনো বস্তু থেকে আলো আমাদের চোখে এসে পড়লে ঐ আলোকরশ্মি চোখের লেন্স দ্বারা প্রতিসরিত হয় এবং রেটিনার উপর একটি উল্টো প্রতিবিম্ব গঠন করে। রেটিনার উপর আলো পড়লে স্নায়ুর 'সাথে সংযুক্ত ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র রড ও কোন কোষসমূহ ঐ আলোকে তড়িৎ প্রেরণায় পরিণত করে মস্তিষ্কে প্রেরণ করে'। মস্তিষ্ক রেটিনায় সৃষ্ট উল্টো প্রতিবিম্বকে পুনরায় উল্টো করে দেয়। এভাবে চোখ কোনো বস্তুকে দেখতে পায়।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

মানুষের মতো বিড়ালের চোখেও 'রড' এবং 'কোন' নামের দুই ধরনের কোষ থাকে। তবে মানুষের তুলনায় বিড়ালের চোখে রড কোষের পরিমাণ অনেক বেশি থাকে। আর রড কোষই মূলত' কম আলোতে সংবেদনশীল হয়। তাই বিড়াল রাতের অন্ধকারেও ভালো দেখতে পায়।.

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

রেটিনার উপর আলো পড়লে স্নায়ুর সাথে সংযুক্ত ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র রড এবং কোনকোষগুলো সেই আলো গ্রহণ করে তাকে তড়িৎ বা বিদ্যুৎ সিগন্যালে পরিণত করে। স্নায়ু এ বিদ্যুৎ বা তড়িৎ সিগন্যালকে তাৎক্ষণিকভাবে অপটিক নার্ভ বা অক্ষি স্নায়ুর মাধ্যমে মস্তিষ্কে পাঠায়।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

মানব চক্ষুতে উত্তল লেন্স থাকে। যখনই আমাদের চোখের সামনে কোন বস্তু থাকে তখন ঐ বস্তু হতে নির্গত আলোক রশ্মি চক্ষু লেন্সে প্রতিসরিত হয়ে রেটিনায় বাস্তব ও উল্টো বিম্ব গঠন করে। ফলে বস্তুটি দেখতে পাই। তাই চোখের লেন্স উত্তল প্রকৃতির।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

চোখের উপাদানগুলোর মধ্যে রেটিনা, চোখের লেন্স, অ্যাকুয়াস হিউমার ও ভিট্রিয়াস হিউমার মিলে একত্রে অভিসারী লেন্সের মতো কাজ করে।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

যখনই আমাদের সামনে কোনো বস্তু থাকে, তখন ঐ বস্তু হতে আলোক রশ্মি চোখের লেন্স দ্বারা প্রতিসরিত হয় এবং রেটিনার ওপর একটি উল্টো প্রতিবিম্ব গঠিত হয়। মস্তিষ্ক রেটিনায় সৃষ্ট উল্টো প্রতিবিম্বকে পুনরায় উল্টো করে দেয়। ফলে আমরা বস্তুটিকে দেখি। এভাবে চোখ কাজ করে।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

রড কোষ ও কোন কোযের মধ্যে পার্থক্য 'নিম্নরূপ-

                                 রড কোষ                              কোন কোষ
১. এই কোষগুলো ক্ষীণ আলোতে সংবেদনশীল হয়।১. এই কোষগুলো তীব্র আলোতে সংবেদনশীল হয়
২. এটি বস্তুর নড়াচড়া ও আলোর তীব্রতার সামান্য হ্রাস বৃদ্ধিকে বুঝিয়ে দেয়।২. এটি রঙের অনুভূতি ও রঙের পার্থক্য বুঝিয়ে দেয়।
Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

কোনো বস্তুকে চোখের যত নিকটে নিয়ে আসা যায় বস্তুটিও তত স্পষ্ট দেখা যায়। কিন্তু লক্ষ্যবস্তু চোখের কাছাকাছি একটি নির্দিষ্ট দূরত্ব অপেক্ষা কম দূরত্বে অবস্থান করলে তা আর চোখে স্পষ্ট দেখা যায় না। চোখের সাপেক্ষে সবচেয়ে নিকটের যে বিন্দু পর্যন্ত চোখ লক্ষ্যবস্তুকে বিনা শ্রান্তিতে স্পষ্ট দেখতে পায় তাকে স্পষ্ট দৃষ্টির নিকট বিন্দু 'বলে এবং চোখ হতে ঐ বিন্দুর দূরত্বকে স্পষ্ট দৃষ্টির ন্যূনতম দূরত্ব বলে.। এ দূরত্ব বয়সের সাথে পরিবর্তিত হয়।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

সুস্থ এবং স্বাভাবিক চোখ নিকট বিন্দু হতে শুরু করে অসীম দূরত্বের দূর বিন্দুর মাঝখানে যে স্থানেই কোনো, বস্তু থাকে না কেন সেটা স্পষ্ট দেখতে পাবে। যা চোখের স্বাভাবিক দৃষ্টিশক্তি। এই স্বাভাবিক দৃষ্টিশক্তি ব্যাহত হলেই তাকে চোখের দৃষ্টি ত্রুটি বলে।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

চোখের দৃষ্টির ত্রুটি চারটি। যথা-


১. হ্রস্ব দৃষ্টি বা ক্ষীণ দৃষ্টি,
২. দীর্ঘ দৃষ্টি বা দূরদৃষ্টি,
৩. বার্ধক্য দৃষ্টি বা চালশে ও
১৪. বিষয় দৃষ্টি বা নকুলান্ধতা।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

যখন চোখ কাছের বস্তু দেখতে পায় কিন্তু দূরের বস্তু দেখতে পায় না, তখন চোখের এই ত্রুটিকে হ্রস্বদৃষ্টি বলে। এরূপ চোখের দূর বিন্দুটি অসীম দূরত্ব অপেক্ষা খানিকটা নিকটে থাকে এবং বস্তুকে স্পষ্ট দৃষ্টির ন্যূনতম দূরত্ব হতে আরও কাছে আনলে অধিকতর স্পষ্ট দেখায়।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

দূরের বস্তুসমূহ স্পষ্ট দেখতে না পাওয়া হলো হ্রস্বদৃষ্টি ত্রুটি। এ ত্রুটিসম্পন্ন চোখ কাছের বস্তুসমূহ যথাযথ দেখতে পায়। চোখের লেন্সের ক্ষমতা স্বাভাবিকের তুলনায় বেড়ে যাওয়ায় বা অক্ষিগোলকের আকার কোনো কারণে বেড়ে গেলে এ ত্রুটি দেখা দেয়।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

দুইটি কারণে হ্রস্বদৃষ্টি বা ক্ষীণদৃষ্টি হতে পারে-
১. চোখের লেন্সের অভিসারী ক্ষমতা বৃদ্ধি পেলে বা ফোকাস দূরত্ব কমে গেলে।

২. কোনো কারণে অক্ষি-গোলকের ব্যাসার্ধ বেড়ে গেলে।
এর ফলে দূরের বস্তু থেকে আসা আলোক রশ্মি চোখের লেন্সের মধ্যে দিয়ে প্রতিসারিত হয়ে রেটিনার উপর প্রতিবিম্ব তৈরি না করে একটু সামনে প্রতিবিম্ব তৈরি করে। ফলে চোখ বস্তুটিকে স্পষ্ট দেখতে পায় না।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

চোখের লেন্সের আভসারী ক্ষমতা বৃদ্ধি পেলে অথবা ফোকাস দূরত্ব কমে গেলে এবং চোখের অক্ষিগোলকের ব্যাসার্ধ বৃদ্ধি পেলে ক্ষীণ দৃষ্টি দেখা দেয়। এ ত্রুটিগ্রস্ত চোখ কাছের বস্তু স্পষ্ট দেখতে পায় কিন্তু দূরের বস্তু স্পষ্ট দেখতে পায় না। অবতল লেন্স ব্যবহার করে এ ত্রুটি দূর করা যায়।'

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

হ্রস্বদৃষ্টি দূদ্র করার জন্য একটি অবতল লেন্সের চশমা ব্যবহার করা হয়। চশমার লেন্সের অপসারী ক্রিয়া চোখের উত্তল লেন্সের অভিসারী ক্রিয়ার বিপরীত। কাজেই চোখের ফোকাস দ্রুত্ব, বেড়ে যাবে। ফলে আলোক রশ্মিগুলো ঠিক রেটিনার উপর স্পন্ট প্রতিবিম্ব তৈরি করবে। এভাবে হ্রস্বদৃষ্টি বা ক্ষীণদৃষ্টি দূর করা যায়।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

দুইটি কারণে দীর্ঘদৃষ্টি বা দূরদৃস্টি হতে পারে-
১. চোখের লেন্সের অভিসারী ক্ষমতা হ্রাস পেলে অথবা চোখের লেন্সের ফোকাস দূরত্ব বেড়ে গেলে।
২. কোনো কারণে অক্ষি-গোলকের ব্যাসার্ধ কমে গেলে।
এর ফলে দূর থেকে আসা আলো সঠিকভাবে চোখের রেটিনার প্রতিবিম্ব তৈরি করলেও কাছের কোনো বিন্দু থেকে আসা আলোকরশিা রেটিনার ঠিক উপরে মিলিত না হয়ে পিছনের বিন্দুতে মিলিত হয়। ফলে চোখ বস্তুটিকে স্পষ্ট দেখতে পায় না।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

দীর্ঘদৃষ্টি দূর করার জন্য একটি উত্তল লেন্সের চশমা ব্যবহার করা হয়। ফলে কাছাকাছি বিন্দু থেকে আসা আলোক রশ্মি একবার চশমার লেন্সে এবং পরের বার চোখের লেন্সে অর্থাৎ পরপর দুই বার প্রতিসারিত হয়ে ফোকাস দূরত্ব কমে যাবে এবং প্রয়োজনুমতো অভিসারী হয়ে রেটিনায় প্রতিবিম্ব গঠন করবে। এভাবে দীর্ঘদৃষ্টি বা দূরদৃষ্টি দূর করা যায়।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

চোখ ভালো রাখার ৪টি উপায় হলো-

১. ভিটামিন এ, সি ও ই সমৃদ্ধ খাবার খাওয়া।
২. নির্ধারিত সময়ে ঘুমানো।
৩. ধূমপান থেকে বিরত থাকা।
৪. আবছা বা অপর্যাপ্ত আলোতে বই না পড়া।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

আবছা আলো বা স্বল্প আলো চোখের ফোকাস প্রক্রিয়াতে জটিলতা তৈরি করে। পশাপাশি চোখের পাতা নড়ার হার কমিয়ে দেয়। এর ফলে চোখের পানি শুকিয়ে অস্বস্তি তৈরি করতে পারে। এছাড়াও স্বল্প আলোতে কাজ করলে চোখ দ্রুত ক্লান্ত হয়ে পড়ে।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

যে মসৃণ তলে আলোর নিয়মিত প্রতিফলন ঘটে তাকে দর্পণ বলে।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

গাড়ি নিরাপদে ড্রাইভিং করার অন্যতম শর্ত হলো নিজ গাড়ির আশেপাশে সর্বদা কী ঘটছে খেয়াল রাখা।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

আলো যখন একটি স্বচ্ছ মাধ্যম থেকে অন্য স্বচ্ছ মাধ্যমে লম্বভাবে আপতিত না হয়ে তির্যকভাবে আপতিত হয়, তখন মাধ্যম দুটির বিভেদ তলে এর গতিপথ পরিবর্তিত হয়। আলোক রশ্মির এভাবে দিক পরিবর্তন করার ঘটনাকে আলোর প্রতিসরণ বলে।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

একজোড়া নির্দিষ্ট মাধ্যম ও নির্দিষ্ট রঙের আলোর জন্য আপতন কোণের সাইন এবং প্রতিসরণ কোণের সাইন্নে অনুপাত সর্বদাই ধুর থাকে। এ ধ্রুবকই আলোর প্রতিসরাঙ্ক।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

একজোড়া নির্দিষ্ট মাধ্যম ও নির্দিষ্ট রঙের আলোর জন্য আপতন কোণের সাইন (sin 0) ও প্রতিসরণ কোণের সাইনের (sin 0') অনুপাত সর্বদাই ধ্রুব থাকে, এ ধ্রুবকই বস্তুর প্রতিসরণাঙ্ক।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

আলোর প্রতিসরণের আপতিত রশ্মি এবং অভিলম্বের মধ্যবর্তী কোণকে আপতন কোণ বলে। আপতন কোণকে। দ্বারা প্রকাশ করা হয়।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

আলোর প্রতিসরণের ২য় সূত্রটি হলো- একজোড়া নির্দিষ্ট মাধ্যম এবং নির্দিষ্ট বর্ণের আলোকরশ্মির জন্য আপতন কোণের সাইন এবং প্রতিসরণ কোণের সাইনের অনুপাত সর্বদাই ধ্রুব থাকে।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

আপতিত রশ্মি বিভেদ তলের যে বিন্দুতে আপতিত হয় সেই বিন্দু হতে দুই মাধ্যমের উপর অঙ্কিত লম্বকেই বলা হয় অভিলম্ব

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

দুটি ভিন্ন মাধ্যম যেখানে মিলিত হয় তাকে বিভেদতল বলে।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

আলোর প্রতিসরণের প্রতিসরিত রশ্মি অভিলম্বের সাথে যে কোণ উৎপন্ন করে তাকে প্রতিসরণ কাণ বলে। প্রতিসরণ কোণ। দ্বারা প্রকাশ করা হয়।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

আলোর প্রতিসরণের ১ম সূত্রটি হলো- আপতিত রশ্মি, আপাতন বিন্দুতে, বিভেদতলের উপর অঙ্কিত অভিলম্ব এবং প্রতিসরিত রশ্মি একই সমতলে থাকে।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

লেন্স হলো দুটি গোলীয় পৃষ্ঠ দ্বারা সীমাবদ্ধ স্বচ্ছ প্রতিসারক মাধ্যম।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

লেন্সের আলোক কেন্দ্র হতে প্রধান ফোকাস পর্যন্ত দূরত্বই হলো ফোকাস দূরত্ব।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

লেন্সের প্রধান অক্ষের সমান্তরাল এবং নিকটবর্তী রশ্মিগুচ্ছ প্রতিসরণের পর প্রধান অক্ষের যে বিন্দুতে মিলিত হয় বা যে বিন্দু থেকে অপসৃত হচ্ছে বলে মনে হয় সেই বিন্দুকে লেন্সের প্রধান ফোকাস বলে।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

লেন্সের পৃষ্ঠসমূহ যে গোলকের অংশ তার কেন্দ্রকে বক্রতার কেন্দ্র বলে।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

একগুচ্ছ সমান্তরাল আলোকরশ্মিকে কোনো লেন্সের অভিসারী গুচ্ছে (উত্তল লেন্সে) বা অপসারী গুচ্ছে (অবতল লেন্সে) পরিণত 'করার প্রবণতাকে লেন্সের ক্ষমতা বলে।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

লেন্সের ক্ষমতার এসআই একক হলো রেডিয়ান/মিটার।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

রেটিনা ও চক্ষু লেন্সের মধ্যবর্তী স্থান যে জেলি জাতীয় পদার্থে পূর্ণ থাকে তাকে ভিট্রিয়াস হিউমার বলে।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

ডাইঅপ্টার হলো লেন্সের ক্ষমতার প্রচলিত একক।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

চোখের সাপেক্ষে সবচেয়ে নিকটের যে বিন্দু পর্যন্ত লক্ষ্যবস্তুকে বিনা শ্রান্তিতে চোখে স্পষ্ট দেখা যায়, তাকে স্পষ্ট দৃষ্টির নিকট বিন্দু বলে।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

চোখের সবচেয়ে কাছে যে বিন্দু পর্যন্ত লক্ষ্যবস্তুকে খালি চোখে স্পষ্ট দেখা যায়, তাকে স্পষ্ট দৃষ্টির নিকট বিন্দু বলে এবং চোখ থেকে ঐ বিন্দুর দূরত্বকে স্পষ্ট দৃষ্টির ন্যূনতম দূরত্ব বলে।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

চল্লিশোর্ধ ব্যক্তির ক্ষেত্রে চোখের যে ত্রুটি দেখা দেয় তাই চালশে।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

চোখের যে ত্রুটির জন্য চোখ কাছের বস্তু দেখতে পায় কিন্তু দূরের বস্তু দেখতে পায় না তাকে হ্রস্বদৃষ্টি বা ক্ষীণদৃষ্টি বা মাইওপিয়া বলে।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

চোখের যে ত্রুটির জন্য চোখ দূরের বস্তু দেখে কিন্তু কাছের বস্তু দেখতে পায় না তাকে দীর্ঘদৃষ্টি বা দূর দৃষ্টি বা হাইপারমেট্রোপিয়া বলে।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

গাড়ির দুই পাশে দুটি দর্পণ এবং ভেতরে সামনের দিকে একটিসহ মোট তিনটি দর্পণ আছে। এ দর্পণগুলো গাড়ির দুপাশে এবং পিছনের দিকে ড্রাইভারকে দেখতে সহায়তা করে। ফলে ড্রাইভারকে হাত সর্বদা হুইলে রেখে সামনে বা পিছনের দিকে নজর রাখতে সহজ হয়। এজন্য গাড়ি চালানোর পূর্বে দর্পণগুলোকে যথাযথভাবে স্থাপন করে নিতে হবে। তাই নিরাপদ ড্রাইভিং-এ দর্পণের ব্যবহার গুরুত্বপূর্ণ।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

গাড়ি নিরাপদে ড্রাইভিং করার অন্যতম শর্ত হলো নিজ গাড়ির আশেপাশে কী ঘটছে সবসময় তা খেয়াল রাখা। সাধারণত গাড়ির ড্রাইভারের সিটের দরজার সামনের দিকে দুই পাশে সাইড ভিউ মিরর নামে দুটি দর্পণ বা আয়না থাকে। এগুলো পাড়ির দুপাশে এবং পিছনের দিকে দেখার কাজে সাহায্য করে। ফলে ড্রাইভার শুধু মাথা ঘুরিয়েই চারপাশ দেখতে পারে তার শরীরে কোনোরকম মোড় দিতে হয় না বা নাড়াতে হয় না। অর্থাৎ নিরাপদে ড্রাইভিং এর জন্যই গাড়িতে সাইড মিরর ব্যবহার করা হয়।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

পাহাড়ি রাস্তা সাধারণত আঁকাবাঁকা হয়। অনেক সময় এমনও অদৃশ্য বাঁক থাকে যে পরবর্তী রাস্তাটি প্রায় ৯০° কোণে থাকে। এ কারণে পাহাড়ি রাস্তায় ড্রাইভিং করা বিপজ্জনক। এ কারণে পাহাড়ি রাস্তায় বিভিন্ন বাঁকে বড় ধরনের গোলীয় দর্পণ স্ট্যান্ডে দাঁড় করে রাখা হয়। ফলে এর কাছাকাছি এসে দর্পণে তাকালে বাঁকের অন্য পাশ থেকে কোন গাড়ি আসে কি-না তা দেখা যায় এবং ড্রাইভার সাবধান হয়ে গাড়ির গতি নিয়ন্ত্রণ করে নিরাপদে গাড়ি চালাতে পারে।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

পাহাড়ি রাস্তা সাধারণত আঁকাবাঁকা। অনেক সময় এমনও অদৃশ্য বাঁক থাকে যে পরবর্তী রাস্তাটি প্রায় ৯০° কোণে থাকে। ফলে অপরদিক থেকে কোনো গাড়ি আসলেও তা দেখা বা বোঝা যায় না। তাই পাহাড়ি রাস্তায় গাড়ি চালানো বিপজ্জনক

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

কাচের প্রতিসরাঙ্ক 1.52 বলতে বোঝায় যে, যখন আলোক রশ্মি বায়ু মাধ্যম থেকে কাচ মাধ্যমে প্রবেশ করে তখন নির্দিষ্ট রঙের আলোর জন্য আপতন কোণ ও প্রতিসরণ কোণের সাইনের অনুপাত 1.52 হয়।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

আলোর প্রতিসরণ দুটি সূত্র মেনে চলে। যথা-


১. আপতিত রশ্মি, আপতন বিন্দুতে বিভেদ তলের উপর অঙ্কিত অভিলম্ব এবং প্রতিসরিত রশ্মি একই সমতলে থাকে।
২. একজোড়া নির্দিষ্ট মাধ্যম ও নির্দিষ্ট রঙের আলোর জন্য আপতন কোণের সাইন ও প্রতিসরণ কোণের সাইনের অনুপাত সর্বদা ধ্রুব থাকে।.

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

আমরা জানি, আলো যখন একটি স্বচ্ছ মাধ্যম থেকে অন্য স্বচ্ছ মাধ্যমে লম্বভাবে আপতিত না হয়ে তির্যকভাবে আপতিত হয়, তখন মাধ্যম দুটির বিভেদতলে এর গতিপথের দিক পাল্টে যায়। আলোক রশ্মির দিক পরিবর্তন করার এ ঘটনাই হলো আলোর প্রতিসরণ। পানিতে কোনো লাঠি রাখলে ঘন মাধ্যম পানি থেকে আলো প্রতিসরিত -হয়ে হালকা মাধ্যমে আমাদের চোখে প্রতিফলিত হয়। এতে লাঠিটির নিমজ্জিত অংশের প্রতিটি বিন্দু উপরে উঠে আসে। ফলে আমরা লাঠিকে খানিকটা উপরে দৈর্ঘ্যে কম এবং বাঁকা দেখতে পাই। অর্থাৎ পানিতে কোনো লাঠি রাখলে বাঁকা দেখা যায় আলোর প্রতিসরণের জন্য।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

উত্তল লেন্স ও অবতল লেন্সের মধ্যে দুটি পার্থক্য নিচে দেওয়া হলো-

                                     উত্তল লেন্স                               অবতল লেন্স
১. মধ্যভাগ মোটা এবং প্রান্তের দিকে সরু।১. মধ্যভাগ সরু এবং প্রান্তের দিকে মোটা।
২. অভিসারী লেন্স। ২. অপসারী লেন্স।
Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

অবতল লেন্সের ফোকাস দূরত্ব অসদ। সকল অসদ দূরত্ব ঋণাত্মক। যে দূরত্ব আলোক রশ্মি প্রকৃতপক্ষে অতিক্রম করে না কিন্তু অতিক্রম করেছে বলে মনে হয় সেই দূরত্বকে অসদ দূরত্ব বলে। অবতল লেন্সে আলোক রশ্মি প্রকৃতপক্ষে এ দূরত্ব অতিক্রম করে না। তাই অবতল লেন্সের ফোকাস দূরত্ব ঋণাত্মক ধরা হয়। অবতল লেন্সের ফোকাস দূরত্ব ঋণাত্মক তাই অবতল লেন্সের ক্ষমতাও ঋণাত্মক হয়।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

এক গুচ্ছ সমান্তরাল আলোক রশ্মিকে কোনো লেন্সের অভিসারী-(উত্তল লেন্সে) গুচ্ছ বা অপসারী (অবতল লেন্স) গুচ্ছে পরিণত করার প্রবণতাই হলো লেন্সের ক্ষমতা। অর্থাৎ এক গুচ্ছ সমান্তরাল রশ্মিকে যত তাড়াতাড়ি একবিন্দুতে একত্রিত (উত্তল লেন্সে) বা অপসারী (অবতল লেন্সে) করতে পারা যায় ঐ লেন্সের ক্ষমতা তত বেশি হয়। লেন্সের ক্ষমতার প্রচলিত একক হলো ডাইঅপ্টার এবং S.I একক হলো রেডিয়ান/মিটার। লেন্সের ক্ষমতা ধনাত্মক বা ঋণাত্মক হতে পারে।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

কোনো লেন্সের ক্ষমতা- 2.5D বলতে বোঝায়-
১. লেন্সটির প্রকৃতি অবতল ও

২. লেন্সটি প্রধান অক্ষের সমান্তরাল একগুচ্ছ 'আলোকরশ্মিকে এমনভাবে অপসারিত করে যেন এটি লেন্স থেকে 40 সে.মি.. দূরের কোনো বিন্দু থেকে অপসৃত হচ্ছে বলে মনে হয়।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

কোনো লেন্সের ক্ষমতা + 3D বলতে বোঝায় লেন্সটি উত্তল এবং এটি প্রধান অক্ষের সমান্তরাল একগুচ্ছ আলোক রশ্মিকে প্রধান অক্ষের 0.333 মিটার বা 33.33 সেন্টিমিটার দূরবর্তী কোনো বিন্দুতে মিলিত করবে।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

আবছা বা অপর্যাপ্ত আলোতে বই পড়লে পড়া স্পষ্ট বুঝা যায়. না। এজন্য বই চোখের খুব কাছে এনে পড়তে হয় যেটি চোখের জন্য ক্ষতিকর। এতে চোখের উপর চাপ পড়ে। অনেক সময় চোখের বড় ধরনের সমস্যা দেখা দিতে পারে। এসব কারণে চোখ সুস্থ রাখার জন্য পড়ার সময় পর্যাপ্ত আলো প্রয়োজন।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

কোনো বস্তুকে চোখের যত নিকটে নিয়ে আসা যায় বস্তুটিও তত স্পষ্ট দেখা যায়। কিন্তু লক্ষ্যবস্তু চোখের কাছাকাছি একটি নির্দিস্ট দূরত্ব অপেক্ষা কম দূরত্বে অবস্থান করলে তা আর চোখে স্পষ্ট দেখা যায় না। চোখের সাপেক্ষে সবচেয়ে নিকটের যে বিন্দু পর্যন্ত চোখ লক্ষ্যবস্তুকে বিনা শ্রান্তিতে স্পষ্ট দেখতে পায় তাকে স্পষ্ট দৃষ্টির নিকট বিন্দু বলে এবং চোখ হতে ঐ বিন্দুর দূরত্বকে স্পষ্ট দৃষ্টির ন্যূনতম দূরত্ব বলে। স্পষ্ট দৃষ্টির ন্যূনতম দূরত্ব ২৫ সে. মি. বলতে বুঝায় চোখের সাপেক্ষে ২৫ সে. মি. দূরত্ব পর্যন্ত চোখ 'লক্ষ্যবস্তুকে বিনা শ্রান্তিতে স্পষ্ট দেখতে পায় এবং চোখ হতে লক্ষ্যবস্তুর দূরত্ব ২৫ সে. মি.।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

একজন স্বাভাবিক বয়স্ক লোকের স্পষ্ট দৃষ্টির ন্যূনতম দ্রুত্ব হলো ২৫ সে. মি. এবং শিশুদের ক্ষেত্রে তা ৫ সেন্টিমিটারের কাছাকাছি। কিন্তু দূর বিন্দু চোখ থেকে অসীম দূরত্বে অবস্থান করে। এ কারণে আমরা অনেক দূর থেকেই যেকোনো বস্তুকে দেখতে পাই। মহাবিশ্বের নক্ষত্রগুলো আমাদের থেকে কোটি কোটি মাইল দূরে অবস্থান করে। তারপরেও আমরা খালি চোখে সেগুলো দেখতে পারি কারণ আমাদের দৃষ্টির দূর বিন্দু চোখ থেকে অসীম পর্যন্ত বিস্তৃত l

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

কোনো বস্তুকে চোখের যত নিকটে নিয়ে আসা যায় বস্তুটিও তত স্পষ্ট দেখতে পারা যায়। কিন্তু লক্ষ্যবস্তু চোখের কাছাকাছি একটি নির্দিষ্ট দূরত্ব অপেক্ষা কম দূরত্বে অবস্থান করলে তা আর চোখে স্পষ্ট দেখা যায় না। স্পষ্ট দর্শনের নিকটতম দূরত্ব 25cm বলতে বুঝায় চোখের সাপেক্ষে 25cm দূরত্ব পর্যন্ত চোখ লক্ষ্যবস্তুকে বিনা শ্রান্তিতে স্পষ্ট দেখতে পায়।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
উত্তরঃ

আমাদের দেহ সুস্থ রাখার জন্য যেমন পুষ্টিকর খাদ্য গ্রহণ জরুরি, তেমনিভাবে আমাদের চোখ সুস্থ রাখার জন্যও পুষ্টিকর খাদ্য জরুরি। কারণ পুষ্টিকর খাদ্য বিশেষ করে ভিটামিন এ, সি ও ই সমৃদ্ধ । খাবার, ফ্যাটি এসিড যুক্ত খাবার, জিংক সমৃদ্ধ খাবার, গাঢ় সবুজ শাকসবজি ও বিভিন্ন ফল চোখের জন্য খুবই ভালো। এ ধরনের খাদ্য চোখকে রোগমুক্ত রাখতে সহায়তা করে। তাছাড়া পুষ্টিকর খাদ্য চোখের দৃষ্টিশক্তি বাড়ায়। এসব কারণেই পুষ্টিকর খাদ্য চোখের জন্য জরুরি।

Rakibul Islam
Rakibul Islam
6 months ago
139

আমাদের দৈনন্দিন জীবনে আলোর প্রয়োজনের কথা বলে শেষ করা যাবে না। আমরা চোখ বন্ধ করলে কিছুই দেখি না। আবার পুরোপুরি অন্ধকারে চোখ খোলা রাখলেও কিছু দেখতে পাই না। আলো হচ্ছে সেই নিমিত্ত, যার সাহায্যে আমরা দেখতে পাই। তোমরা আপের শ্রেণিগুলোতে আলোর বিভিন্ন ধর্মের সাথে পরিচিত হয়েছ। এই অধ্যায়ে আয়না বা দর্পণের ব্যবহার ছাড়াও আলোর প্রতিসরণ সম্পর্কে আরও কিছু জানবে। এছাড়া চোখের ক্রিয়া, স্পষ্ট দর্শনের নিকটতম বিন্দু, লেন্সের ক্ষমতা, চোখের ত্রুটি এবং লেন্স ব্যবহার করে চোখ ভালো রাখার উপায় জানতে পারবে।

 

এই অধ্যায় পাঠ শেষে আমরা:

  • দর্পণের ব্যবহার ব্যাখ্যা করতে পারব।
  •  আলোর প্রতিসরণ ব্যাখ্যা করতে পারব ।
  • দৃষ্টি কার্যক্রমে চোখের ক্রিয়া ব্যাখ্যা করতে পারব।
  •  স্পষ্ট দর্শনের নিকটতম বিন্দু ব্যাখ্যা করতে পারব।
  • লেন্সের ক্ষমতা ব্যাখ্যা করতে পারব।
  • চোখের ত্রুটি সৃষ্টির কারণ ব্যাখ্যা করতে পারব ।
  • লেন্স ব্যবহার করে চোখের ত্রুটি সংশোধনের উপায় বর্ণনা করতে পারব।
  • চোখ ভালো রাখার উপায় ব্যাখ্যা করতে পারব।
  • চোখের ত্রুটি সৃষ্টির কারণ অনুসন্ধান করতে পারব ।
  • চোখের প্রতি যত্ন নেব এবং অন্যদের সচেতন করব।

Related Question

View All
উত্তরঃ

আলোর প্রতিসরণ (Reflection of light) হলো একটি প্রক্রিয়া যেখানে আলোর রশ্মি একটি বিপরীত পৃষ্ঠ থেকে ফিরে আসে। এটি ঘটে যখন আলোর রশ্মি কোনো প্রতিবন্ধক বা পৃষ্ঠে আঘাত করে এবং সেই পৃষ্ঠ থেকে প্রতিফলিত হয়।

প্রতিসরণের দুইটি মূল ধরণ রয়েছে:

  1. সমতল প্রতিসরণ: যখন আলো একটি সমতল পৃষ্ঠে প্রতিফলিত হয়, যেমন আয়না।
  2. বক্র প্রতিসরণ: যখন আলো বক্র পৃষ্ঠে প্রতিফলিত হয়, যেমন জলাধার বা কোনো গোলাকার পৃষ্ঠ।

প্রতিসরণের মূল নিয়ম:

  • প্রতিরূপ নিয়ম: প্রতিসরণের সময়, প্রতিসরণের কোণ (অর্থাৎ আলোর আসার কোণ) এবং প্রতিফলনের কোণ (অর্থাৎ ফিরে আসার কোণ) একে অপরের সমান হয়।
  • আইনার নিয়ম: আলো যে কোন পৃষ্ঠের দিকে প্রবাহিত হয়, সেই পৃষ্ঠের সাথে প্রান্তিক অবস্থায় প্রতিসরণ ঘটে।

উদাহরণস্বরূপ, একটি আয়না দেখতে পাওয়া যা আমাদের নিজস্ব প্রতিবিম্ব দেখায়, এটি আলোর প্রতিসরণের একটি বাস্তব উদাহরণ।

পদার্থবিজ্ঞানে প্রতিসরণ বলতে একটি তরঙ্গের পথ পরিবর্তনকে বোঝায়; যখন এটি একটি মাধ্যম থেকে অন্য মাধ্যমে যায়। তরঙ্গের গতির পরিবর্তন বা মাধ্যমের পরিবর্তনের কারণে পথ পরিবর্তন হতে পারে। আলোর প্রতিসরণ হতে সবচেয়ে বেশি দেখা যায়, তবে অন্যান্য তরঙ্গ যেমন শব্দ তরঙ্গ এবং জলতরঙ্গেও প্রতিসরণ হতে দেখা যায়।

14.7k
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র
মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews