সংক্ষিপ্ত প্রশ্ন ও সমাধান

Updated: 6 months ago
উত্তরঃ

উদ্ভিদ হরমোনের অপর নাম ফাইটোহরমোন ।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

ফাইটোহরমোন ছাড়াও উদ্ভিদে আরও কিছু হরমোন রয়েছে এদের নাম পল্টুলেটেড হরমোন ।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

পল্টুলেটেড হরমোন ২ প্রকার ।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

ফ্লোরিজেন এবং ডার্নালিন পল্টুলেটেড হরমোন ।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

উদ্ভিদে ফুল ফোটাতে সাহায্য করে ফ্লোরিজেন ধরনের হরমোন ।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

পস্টুলেটেড হরমোন উদ্ভিদের জনন সংশ্লিষ্ট অঙ্গের বিকাশে সাহায়্য কর ।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

চার্লস ডারউইন বিজ্ঞানী প্রথম অক্সিন হরমোন আবিষ্কার করেন ।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

অক্সিন হরমোন ধরনের হরমোন প্রয়োগ করা হলে শাখা কলমে মূল গজায় ।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

উদ্ভিদকোষে অক্সিন হরমোনের পরিবহন নিম্নমুখীভাবে হয় ।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

বীজের সুপ্তাবস্থার দৈর্ঘ্য কমাতে অক্সিন হরমোন প্রয়োগ করতে হয় ।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

বীজহীন ফল উৎপাদনে অক্সিন হরমোনের ব্যবহার রয়েছে ।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

জিবেরেলিন হরমোনের প্রভাবে ধানগাছের অতিবৃদ্ধি ঘটে ।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

মাইটোকাইনিস হরমোনের প্রভাবে কোষের সাইটোকাইনেসিস ঘটে ।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

ডাবের পানিতে পাওয়া যায় সাইটোকাইনিন হরমোন ।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

কোষ বিভাজনের সময় কোষের সাইটোকাইনেসিস ঘটে সাইটোকাইনিন হরমোনের প্রভাবে ।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

ফল পাকাতে সাহায্য করে ইথিলিন হরমোন ।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

ইথিলিন 'হরমোন একটি গ্যাসীয় পদার্থ ।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

বীজ ও মুকুলের সুপ্তাবস্থা ভঙ্গ করে ইথিলিন হরমোন ।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

ক্যাম্বিয়ামের কার্যকারিতা বৃদ্ধি পায় অক্সিন হরমোনের প্রভাবে ।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

চন্দ্রমল্লিকা ছোটদিনের উদ্ভিদ ।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

দিনের দৈর্ঘ্যের উপর ভিত্তি করে উদ্ভিদকে তিন ভাগে ভাগ করা যায় ।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

ছোট দিনের উদ্ভিদের ক্ষেত্রে দৈনিক গড়ে 4-12 ঘণ্টা আলো প্রয়োজন ।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

বড় দিনের উদ্ভিদের ক্ষেত্রে দৈনিক 12-16 ঘণ্টা আলো প্রয়োজন ।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

কোন ধরনের উদ্ভিদের পুষ্পায়নে আলোর আলোক নিরপেক্ষ উদ্ভিদ প্রভাব পড়ে না ।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

উদ্ভিদ চলন প্রধানত দুই প্রকার ।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

উদ্ভিদের যৌনজনন কোষে সামগ্রিক চলন ধরনের চলন দেখা যায় ।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

উদ্ভিদ অঙ্গগুলো বেঁকে যাওয়া বক্রচলন ধরনের চলন।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

উদ্ভিদের কাণ্ডের আলোর দিকে পজিটিভ ফটোট্রপ্রিজম ধরনের চলন দেখা যায় ।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

সামগ্রিক চলন দেখা যায় ডায়াটম শৈবালে ।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

Chlamydomonas-এ সামগ্রিক ধরনের চলন দেখা যায় ।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

উদ্ভিদের কাণ্ড ও শাখা-প্রশাখার সবসময় আলোর দিকে চলন ঘটে ।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

দেহের বিভিন্ন অঙ্গ এবং তন্ত্রের মধ্যে সমন্বয় করে স্নায়ুতন্ত্র ।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

মস্তিষ্ক এবং মেরুমজ্জা দিয়ে গঠিত তন্ত্রের নাম স্নায়ুতন্ত্র ।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

মস্তিষ্ক তিনটি অংশে বিভক্ত ।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

স্নায়ুতন্ত্রের পরিচালক মস্তিষ্ক ।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

মেরুরজ্জু থেকে 31 জোড়া মেরুরজ্জীয় স্নায়ু বের হয় ।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

স্নায়ুতন্ত্রের গঠন এবং কার্যক্রমের একককে স্নায়ুতন্ত্র বলে ।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

প্রতিটি নিউরন দুটি অংশ নিয়ে গঠিত ।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

কোষদেহ থেকে উৎপন্ন বেশ লম্বা তন্তুটির নাম অ্যাক্সন ।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

সিন্যাপসে অবস্থিত তরল পদার্থের নাম নিউরোহিউমার ।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

নিউরনের প্রধান কাজ উদ্দীপনা বহন করা ।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

হঠাৎ আঙ্গুলে সুচ ফুটলে দ্রুত হাতটি উদ্দীপনার স্থান থেকে সরে নেওয়া প্রতিবর্তী ক্রিয়ার ফল ।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

মস্তিষ্ক থেকে 12 জোড়া জোড়া স্নায়ু বের হয় ।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

উদ্দীপনার বেগ প্রতি সেকেন্ডে 100 মিটার ।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

নালিহীন গ্রন্থি থেকে নিঃসৃত রসকে হরমোন বলে ।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

হরমোন কারণে প্রাণী তার কার্যকলাপ পরিবর্তন করে থাকে ।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

রাসায়নিক দূত হিসেবে অভিহিত করা হয় হরমোনকে ।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

পিপড়া এক ধরনের হরমোন নিঃসৃত করে তাকে ফেরোমন বলে ।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

হরমোন রক্তের মাধ্যমে সারাদেহে প্রবাহিত হয় ।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

থাইরয়েড গ্রন্থি গলার ট্রাকিয়ার উপরে অংশে অবস্থিত ।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

থাইরয়েড গ্রন্থি থেকে নিঃসৃত হরমোনের নাম থাইরক্সিন ।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

মানবদেহের প্রধান হরমোন উৎপাদনকারী গ্রন্থির নাম পিটুইটারি গ্রন্থি ।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

মানুষের সাধারণত চারটি প্যারাথাইরয়েড গ্রন্থি আছে ।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

বায়োবৃদ্ধির সাথে সাথে ছোট হয়ে যায় থাইমাস গ্রন্থি ।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

কঠিন মানসিক চাপ থেকে পরিত্রানে সাহায্য করে অ্যাডরেনাল গ্রন্থি ।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

ডায়াবেটিস প্রধানত দুই ধরনের ।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

স্নায়ুকোষ যে রাসায়নিক পদার্থ তৈরি করে তার নাম ডোপামিন ।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

ধূমপান করলে রক্তে নিকোটিনের মাত্রা বেড়ে যায় ।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

উদ্ভিদের বৃদ্ধি ও বিকাশ, বিভিন্ন অঙ্গ সৃষ্টি ইত্যাদি উদ্ভিদ দেহে উৎপাদিত বিশেষ এক ধরনের জৈব রাসায়নিক পদার্থের প্রভাবে হয়ে থাকে। এ পদার্থ উদ্ভিদের সকল কাজকে নিয়ন্ত্রণ করে। এ পদার্থকে হরমোন বা প্রাণরস বলে। উদ্ভিদের এ জৈব রাসায়নিক পদার্থটিকে ফাইটোহরমোন বলে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

উদ্ভিদের তৃণমূল বা ভূণকাণ্ডের অগ্নাংশ অভিকর্ষের উদ্দীপনা অনুভব করতে পারে। একে অভিকর্ষ উপলব্ধি বলে। অভিকর্ষের ফলে কোষের উপাদানগুলো নিচের দিকে স্থানান্তরিত হয়।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

যে তন্ত্রের সাহায্যে প্রাণী উত্তেজনায় সাড়া দিয়ে প্রাকৃতিক পরিবেশের সাথে সম্পর্ক রক্ষা করে এবং দেহের বিভিন্ন অঙ্গের মধ্যে পারস্পরিক সংযোগ সাধন করে এবং তাদের কাজে সুসংবদ্ধতা আনয়ন ও শারীরবৃত্তীয় কাজ নিয়ন্ত্রণ করে তাকেই স্নায়ুতন্ত্র বলে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

কেন্দ্রিয় স্নায়ুতন্ত্র মস্তিষ্ক ও সুষুম্মাকাণ্ড নিয়ে গঠিত। ভ্রূণের এক্টোডার্মের কুঞ্চনের মাধ্যমে স্নায়ুতন্ত্র বিকাশ লাভ করে। নটকর্ডের ঠিক উপরে স্নায়ুতন্ত্রের অবস্থান। এক্টোডার্ম ভিতরের দিকে ভাঁজ খেয়ে একটি ফাঁপা নিউরাল টিউব দেহের দৈর্ঘ্য বরাবর বিস্তার লাভ করে। এ নিউরাল টিউব ভ্রূণীয় বিকাশের সঙ্গে সঙ্গে পৃথক হয়ে অগ্রভাগে একটি স্ফীতাকার মস্তিষ্ক এবং একটি লম্বা দন্ডকার সুষুম্রাকান্ড গঠন করে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

শরীরের কোনো অংশের মাংসপেশির কার্যাবলি নষ্ট হওয়াকে প্যারালাইসিস বলে। প্যারালাইসিস বা ঘাড়ের সুষুন্নাকান্ড আঘাত বা দুর্ঘটনাজনিত কারণে প্যারালাইসিস হতে পারে। স্নায়ু রোগ, সুষুম্মা দন্ডের ক্ষয় ও রোগ প্যারালাইসিসের কারণ হতে পারে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

উদ্ভিদ দেহের বিভিন্ন শারীর বৃত্তীয় কার্যক্রম একযোগে সংঘটিত হওয়ার প্রক্রিয়াই হলো সমন্বয়। এ কার্যক্রমগুলো একটি নিয়মশৃঙ্খলার মাধ্যমে সংঘটিত হয়। এ কারণে উদ্ভিদ জীবনে বিভিন্ন শারীরবৃত্তীয় কর্মকাণ্ডের সমন্বয় অপরিহার্য। এ সমন্বয় না থাকলে উদ্ভিদ জীবনে বিভিন্ন রকমের অস্বাভাবিকতা দেখা দেয়।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

উদ্ভিদ দেহে উৎপাদিত যে জৈব রাসায়নিক পদার্থ উদ্ভিদের বৃদ্ধি ও বিকাশ, বিভিন্ন অঙ্গ সৃষ্টি ইত্যাদি প্রভাবিত করে তাই হলো ফাইটোহরমোন। কেউ কেউ ফাইটোহরমোনকে উদ্ভিদ বৃদ্ধিকারক বস্তু হিসেবে আখ্যায়িত করেছেন। উদ্ভিদের 'প্রতিটি কোষই এ হরমোন উৎপন্ন করতে সক্ষম। এরা কোনো পুষ্টি দ্রব্য নয় তবে ক্ষুদ্রমাত্রায় উৎপন্ন হয়ে উদ্ভিদের বিভিন্ন জৈবিক কাজ নিয়ন্ত্রণ করে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

উদ্ভিদ হরমোনকে ফাইটোহরমোন বলে। উদ্ভিদের প্রধান কয়েকটি ফাইটোহরমোনের নাম হলো- অক্সিন, জিবেরেলিন, সাইটোকাইনিন, অ্যাবসিমিক এসিড এবং ইথিলিন।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

উদ্ভিদের কিছু হরমোন রয়েছে, যাদের আলাদা করা বা শনাক্ত করা যায়নি। এরূপ হরমোনগুলোকে পস্টুলেটেড হরমোন বলা হয়। ফ্লোরিজেন এরূপ একটি হরমোন যাকে আলাদা করা বা শনাক্ত করা যায়নি। তাই ফ্লোরিজেনকে পস্টুলেটেড হরমোন বলা হয়। ফ্লোরিজেন হরমোন উদ্ভিদের ফুল ফোটাতে সাহায্য করে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

ফাইটোহরমোন ছাড়াও উদ্ভিদে আরও কিছু হরমোন রয়েছে যাদের আলাদা করা বা শনাক্ত করা যায় নি। এদের পুস্টুলেটেড হরমোন বলে। এরা প্রধানত উদ্ভিদের ফুল ও জনন সংশ্লিষ্ট অঙ্গের বিকাশে সাহায্য করে। এদের মধ্যে ফ্লোরিজেন এবং ভার্নালিন প্রধান।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

অক্সিজেন প্রয়োগে শাখা কলমে মূল গজায়, ফলের অকাল ঝরে পড়া রোধ করে। অভিস্রবণ ও শ্বসন ক্রিয়ার হার বৃদ্ধি পায়। এছাড়াও বীজহীন ফল উৎপাদনেও এর ব্যবহার রয়েছে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

ধানের বাকানি রোগের জীবাণু এক ধরনের ছত্রাক যা ধান গাছের অতিবৃদ্ধি ঘটায়। এই ছত্রাক থেকে জিবেরেলিন নামক এক ধরনের জৈব রাসায়নিক পদার্থ নিষ্কাশিত হয়, যার প্রভাবে ধান গাছের অতিবৃদ্ধি ঘটে থাকে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

জিবেরেলিনের প্রভাব/কার্যকারিতাগুলো নিম্নরূপ-
১. উদ্ভিদের বৃদ্ধি ও বিকাশে সাহায্য করে।
২. ফুল ফোটাতে ও ফলের বৃদ্ধিতে সাহায্য করে।
৩. বীজের সুপ্তাবস্থার দৈর্ঘ্য কমাতে।
৪. বীজের অঙ্কুরোদগমে সাহায্য করে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

গ্যাসীয় ফাইটোহরমোন বলতে সেসব পদার্থকে বোঝায় যেগুলো উদ্ভিদেহে অল্পমাত্রায় উৎপন্ন হয় এবং উৎপত্তিস্থল থেকে অন্যত্র স্থানান্তরিত হয়ে উদ্ভিদের বৃদ্ধিসহ বিভিন্ন শারীরবৃত্তীয় কাজকে নিয়ন্ত্রণ করে। যেমন- অক্সিন, জিবেরেলিন, সাইটোইনিন, অ্যাবসিসিক এসিড, ইথিলিন ইত্যাদি।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

ভূণমূল বা ভূণকান্ডের অগ্রাংশ অভিকর্ষের উদ্দীপনা অনুভব করতে পারে। একে অভিকর্ষ উপলব্ধি (Geoperception) বলে। অভিকর্ষণের ফলে কোষের উপাদানগুলো নিচের দিকে স্থানান্তরিত হয়। এদের চাপ পড়ে পার্শ্বীয় কোষের প্রাচীরে। এর ফলে অভিকর্ষণীয় চলন দেখা যায়।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

অনেক উদ্ভিদের পুষ্প প্রস্ফুটন দিনের দৈর্ঘ্যের উপর অধিক নির্ভরশীল। যেমন, চন্দ্রমল্লিকা একটি ছোটদিনের উদ্ভিদ। দীর্ঘ আলোক ঐসব উদ্ভিদের পুষ্প উৎপাদনে ব্যাঘাত ঘটায়। উদ্ভিদের আলো-অন্ধকারের এ ছন্দই হলো জৈবিক ঘড়ি (Biological clock) ।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

অনেক উদ্ভিদের পুষ্প প্রস্ফুটনে দিনের দৈর্ঘ্যের উপর নির্ভরশীল। যেসব উদ্ভিদের পুষ্প প্রস্ফুটনের জন্য কম আলোর প্রয়োজন, দীর্ঘ আলোক ঐসব উদ্ভিদে পুষ্প উৎপাদনে ব্যাঘাত ঘটায়। উদ্ভিদের আলো অন্ধকারের ছন্দই হলো জৈবিক ঘড়ি। জৈবিক ঘড়ির ভিত্তিতে ঝিঙা বড়দিনের উদ্ভিদ। ঝিঙা জাতীয় উদ্ভিদের পৃষ্পায়নের জন্য দৈনিক গড়ে ১২ ১৬ ঘণ্টা আলো প্রয়োজন। যা বড় দিনের উদ্ভিদের বৈশিষ্ট্য। তাই ঝিঙাকে জৈবিক ঘড়ির ভিত্তিতে বড় দিনের উদ্ভিদ বলা হয়।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

উদ্ভিদের আলো-অন্ধকারের ছন্দের উপর ভিত্তি করে পুষ্পধারী উদ্ভিদকে তিন ভাগে ভাগ করা হয়। যথা-
১. ছোটদিনের উদ্ভিদ: পুষ্পায়নে দৈনিক গড়ে ৮ – ১২ ঘন্টার আলো প্রয়োজন। যেমন- চন্দ্রমল্লিকা, ডালিয়া।
২. বড় দিনের উদ্ভিদ: পুষ্পায়নে দৈনিক গড়ে ১২ – ১৬ ঘণ্টার আলো প্রয়োজন। যেমন- ঝিঙা, লেটুস।
৩. আলোক নিরপেক্ষ উদ্ভিদ: পুষ্পায়নে দিনের আলো কোনো প্রভাব ফেলে না। যেমন- শসা, সূর্যমুখী।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

দিন ও রাত্রিকালের তুলনামূলক দৈর্ঘ্যের প্রতি কোনো উদ্ভিদের সাড়া দেওয়ার প্রবণতাকে ফটোপিরিওডিজম বলে। অন্যভাবে বলা যায়, উদ্ভিদের পুষ্পধারণের উপর দিবালোকের দৈর্ঘ্যের প্রভাবকে ফটোপিরিয়ডিজম বলে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

উদ্ভিদের আলো অন্ধকারের ছন্দই হলো জৈবিক ঘড়ি বা Biological Clock। জৈবিক ঘড়ির ভিত্তিতে লেটুস বড়দিনের উদ্ভিদ। লেটুস জাতীয় উদ্ভিদের পুষ্পায়নের জন্য দৈনিক গড়ে ১২-১৬ ঘণ্টা আলো প্রয়োজন। যা বড় দিনের উদ্ভিদের বৈশিস্ট। তাই লেটুসকে বড় দিনের উদ্ভিদ বলা হয়।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

উদ্ভিদের বৃদ্ধি ও পুষ্পায়নে তাপ ও শৈত্যের প্রভাব রয়েছে। অনেক উদ্ভিদের অঙ্কুরিত বীজকে শৈত্য প্রদান করা হলে তাদের ফুল ধারণের সময় এগিয়ে আসে। শৈত্য প্রদানের মাধ্যমে উদ্ভিদের ফুল ধারণকে ত্বরান্বিত করার প্রক্রিয়াকে ভার্নালাইজেশন বলে। যেমন-শীতকালের গম গরমকালে লাগালে ফুল আসতে বহু দেরি হয়। কিন্তু বীজ রোপনের পূর্বে ২০- ৫° সে. উচ্চতা প্রয়োগ করলে উদ্ভিদে স্বাভাবিক পুষ্প প্রস্ফুটন ঘটে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

উদ্ভিদ চলনকে প্রধানত দুভাগে ভাগ করা যায়, সামগ্রিক চলন এবং বক্রচলন। উদ্ভিদদেহের কোনো অংশ যখন সামগ্রিকভাবে প্রয়োজনের তাগিদে একস্থান থেকে অন্য স্থানে গমন করে তাকে সামগ্রিক চলন বলে। ডায়াটমে এই সামগ্রিক চলন দেখা যায়।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

দিনের বেলায় উদ্ভিদকাণ্ড সূর্যালোকের দিকে বেঁকে যাওয়ার কারণ হলো উদ্ভিদের বক্রচলন। ফটোট্রপিক চলন এক ধরনের বক্রচলন। উদ্ভিদের কান্ড এবং শাখা প্রশাখাও সবসময় আলোর দিকে চলন ঘটে। একে পজিটিভ ফটোট্রপিজম বলে। একারণেই দিনের বেলায় উদ্ভিদ কান্ড সূর্যালোকের দিকে বেঁকে যায়।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

ফটোট্রপিজম হলো উদ্ভিদের এক ধরনের বক্র চলন। উদ্ভিদের কান্ড ও শাখা-প্রশাখার সব সময় আলোর দিকে চলন ঘটে এবং মূলের চলন সবসময় আলোর বিপরীত দিকে হয়। কান্ডের আলোর দিকে চলনকে পজিটিভ ফটোট্রপিজম এবং মূলের আলোর বিপরীত দিকে চলনকে নেগেটিভ ফটোট্রপিজম বলে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

প্রথমে ধারণা করা হতো, সব হরমোনই উত্তেজক পদার্থ। কিন্তু পরবর্তী কালে দেখা গেছে সব হরমোন উত্তেজক নয়, এদের মধ্যে কিছু কিছু নিস্তেজকও আছে। এরা উত্তেজক বা নিস্তেজক হিসেবে দেহের পরিস্ফুটন, বৃদ্ধি এবং বিভিন্ন টিস্যুর কার্য নিয়ন্ত্রণ করে। হরমোন অতি অল্প পরিমাণে এসব বিশেষ বিশেষ শারীরবৃত্তীয় কাজ বা পদ্ধতি সূক্ষভাবে নিয়ন্ত্রণ করে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

ফেরোমন পতঙ্গ নিঃসৃত এক প্রকার রাসায়নিক পদার্থ। কোনো পতঙ্গ বাতাসে ফেরোমন নিঃসৃত করলে ২-৪ কিলোমিটার দূর থেকে তার সঙ্গীরা আকৃষ্ট হয়। তাই ফেরোমন ছিটিয়ে অনিষ্টকারী পোকা দমন করা হয়।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

সমন্বয় সাধনে নানা প্রাণী হরমোন ব্যবহার করে। কোনো পিঁপড়া খাদ্যের খোঁজ পেলে খাদ্য উৎস থেকে বাসায় আসার পথে এক ধরনের হরমোন নিঃসৃত করে, যাকে ফেরোমন বলে। এর উপর নির্ভর করে অন্য পিঁপড়াগুলোর খাদ্য উৎসে যায় এবং খাদ্য সংগ্রহ করে বাসায় ফিরে আসে। এ কারণে পিঁপড়াদের এক সারিতে চলাচল করতে দেখা যায়।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

হরমোন ও ফোরোমনের মধ্যে পার্থক্য নিম্নরূপ :

হরমোনফেরোমেন
১. হরমোন উদ্ভিদ দেহে উৎপন্ন হয়ে উদ্ভিদের বৃদ্ধি ও বিকাশ, বিভিন্ন অঙ্গ সৃষ্টি 'ইত্যাদি কাজ নিয়ন্ত্রণ করে।১. ফেরোমেন পিঁপড়া কর্তৃক নিঃসৃত এক বিশেষ ধরনের হরমোন।
২. এরা কোনো পুষ্টিদ্রব্য নয় তবে ক্ষুদ্রমাত্রায় উৎপন্ন হয়ে উদ্ভিদের বিভিন্ন জৈবিক কাজ নিয়ন্ত্রণ করে।২. এর উপর নির্ভর করে অন্য পিঁপড়াগুলোও খাদ্য উৎসে যায় এবং খাদ্য সংগ্রহ করে বাসায় ফিরে আসে।
Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

যে তন্ত্রের সাহায্যে প্রাণী উত্তেজনায় সাড়া দিয়ে প্রাকৃতিক পরিবেশের সাথে সম্পর্ক রক্ষা করে। দৈহিক মানসিক ও শারীরবৃত্তীয় কাজের সমন্বয় ঘটায়। দেহের বিভিন্ন অঙ্গের মধ্যে পারস্পরিক সংযোগ সাধন করে এবং তাদের কাজের মধ্যে সংবাদ আনয়ন ও নিয়ন্ত্রণ করে তাকে স্নায়ুতন্ত্র বলে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

সুষুম্নাকাণ্ডের শীর্ষে কেন্দ্রীয় স্নায়ুতন্ত্রের যে স্ফীত অংশ। করোটিকার মধ্যে অবস্থান করে তাকে মস্তিষ্ক বলে। মস্তিষ্ক স্নায়ুতন্ত্রের পরিচালক। মস্তিষ্ক তিনটি অংশে বিভক্ত- অগ্রমস্তিষ্ক, মধ্যমস্তিষ্ক এবং পশ্চাৎ মস্তিষ্ক।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

মস্তিষ্কের মধ্যে অগ্রমস্তিষ্ক বা সেরিব্রাম সবচেয়ে বড় অংশ। দেহ সঞ্চালন তথা প্রত্যেক কাজ ও অনুভূতির কেন্দ্র হলো সেরিব্রাম। এটি আমাদের চিন্তা, চেতনা, জ্ঞান স্মৃতি, ইচ্ছা, বাকশক্তি ও ঐচ্ছিক পেশির কার্যকলাপ নিয়ন্ত্রণ করে। তাই অগ্রমস্তিষ্ক বা সেরিব্রামকে গুরুমস্তিষ্ক বলা হয়ে থাকে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

নিচে অগ্রমস্তিষ্ক ও পশ্চাৎ মস্তিষ্কের মধ্যে পার্থক্য উল্লেখ করা হলো-

অগ্রমস্তিষ্কপশ্চাৎ মস্তিষ্ক
১. সেরিব্রাম, থ্যালামাস ও হাইপোথ্যালামাস নিয়ে গঠিত।১. সেরিবেলাম, পনস ও মেডুলা অবলংগাটা নিয়ে গঠিত।
২. এটির সবচেয়ে বড় অংশ সেরিব্রাম।২. এটির সবচেয়ে বড় অংশ সেরিবেলাম।
৩. সেরিব্রাম মস্তিষ্কের অধিকাংশ জুড়ে অবস্থিত।৩. সেরিবেলাম, সেরিব্রাল হেমিস্ফিয়ারের নিচে অবস্থিত।
৪. আমাদের চিন্তা, চেতনা, জ্ঞান, স্মৃতি, ইচ্ছা, বাকশক্তি ও ঐচ্ছিক পেশির কার্যকলাপ নিয়ন্ত্রণ করে।৪. দেহের পেশির টান নিয়ন্ত্রণ করে, চলনে সমন্বয় সাধন ও দেহের ভারসাম্য রক্ষা করে।
Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

মানুষের মস্তিষ্কে অবস্থিত পনসের পৃষ্ঠীয় ভাগে অবস্থিত খন্ডাংশটিকে বলা হয় সেরিবেলাম। এর বাইরের দিকে ধূসর পদার্থের আবরণ ও ভেতরের দিকে শ্বেত পদার্থ থাকে। সেরিবেলাম দেহের পেশির টান নিয়ন্ত্রণ, চলনে সমন্বয় সাধন, দেহের ভারসাম্য রক্ষা ইত্যাদি কার্যাবলি নিয়ন্ত্রণ করে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

সেরিবেলামের কাজগুলো হলো-
১. দেহের পেশির টান নিয়ন্ত্রণ করা।
২. চলনে সমন্বয় সাধন করা।
৩. দেহের ভারসাম্য রক্ষা করা।
৪. দৌড়ানো ও লাফানোর কাজে জড়িত পেশিগুলোর কার্যাবলি নিয়ন্ত্রণ করা।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

মস্তিষ্কের সবচেয়ে পেছনের অংশ হলো মেডুলা অবলংগাটা। এর সামনে রয়েছে পনস, পিছনের দিক সুম্মাকাণ্ডের উপরিভাগের সাথে যুক্ত। মোট ১২ জোড়া করোটিক স্নায়ুর মধ্যে ৮ জোড়াই মেডুলা অবলংগাটা থেকে উৎপন্ন হয়। এসব স্নায়ু খাদ্য গলাধঃকরণ, হৃৎপিন্ড, ফুসফুস, গলবিল ইত্যাদির কাজ নিয়ন্ত্রণ করে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

করোটিক স্নায়ুর কাজ হলো-
১. খাদ্য গলাধঃকরণ
২. শ্রবণ ও ভারসাম্য রক্ষা করা
৩. হৃৎপিণ্ড, ফুসফুসের কিছু কাজ নিয়ন্ত্রণ করে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

সেরিব্রাম ও সেরিবেলাম এর মধ্যে পার্থক্য নিম্নরূপ:

সেরিব্রামসেরিবেলাম
১. অগ্রমস্তিষ্কের অংশ।১. পশ্চাৎ মস্তিষ্কের অংশ।
২. মস্তিষ্কের অধিকাংশ জুড়ে অবস্থিত।২. সেরিব্রাল হেমিস্ফিয়ারের নিচে অবস্থিত।
৩. অনৈচ্ছিক কাজ নিয়ন্ত্রণকারী এবং বুদ্ধি, চিন্তা, স্মৃতিবোধের কেন্দ্র।৩. অনৈচ্ছিক কাজের সমন্বয়কারী এবং দেহের ভারসাম্য নিয়ন্ত্রণকারী।
Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

কেন্দ্রীয় স্নায়ুতন্ত্রের এবং স্নায়ুকলায় নির্মিত যে পৃষ্ঠীয় অংশ মেনিনজেস ও মেরুদণ্ডে সুরক্ষিত অবস্থায় মস্তিষ্কের পেছন থেকে প্রলম্বিত হয়, তাকে মেরুরজ্জু বলে। মেরুরজ্জুতে শ্বেত পদার্থ ও ধূসর পদার্থ থাকে। তবে এদের অবস্থান মস্তিষ্কের ঠিক উল্টো।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

মেরুরজ্জু করোটির পিছনে অবস্থিত ফোরামেন ম্যাগনাম নামক ছিদ্র থেকে কটিদেশের কশেরুকা পর্যন্ত বিস্তৃত। মেরুরজ্জু মেরুদণ্ডের কশেরুকার ভিতরের ছিদ্রপথে সুরক্ষিত থাকে। মেরুরজ্জু থেকে ৩১ জোড়া মেরুরজ্জীয় স্নায়ু বের হয়। এসব ঘাড়, গলা, বুকপিঠ ও পায়ের স্নায়ু। মানবদেহে বিভিন্ন উদ্দীপনা গ্রহণ করা এবং উপযুক্ত প্রতিবেদন সৃষ্টি করা হলো মেরুরজ্জুর কাজ। এছাড়া স্মৃতি সংরক্ষণ করা, পরিকল্পনা গ্রহণ ও বাস্তবায়ন করা এবং বিভিন্ন অঙ্গতন্ত্রের সমন্বয় করা হলো মেরুরজ্জুর কাজ।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

যে কলা দেহের সব ধরনের সংবেদন ও উদ্দীপনা গ্রহণ করে এবং তা পরিবহনের মাধ্যমে উদ্দীপনা অনুসারে উপযুক্ত প্রতিবেদন সৃষ্টি করে তাকে স্নায়ুকলা বলে। দেহের সংবেদী কোষ নিউরন বা স্নায়ুকোষগুলো একত্রিত হয়ে স্নায়ুকলা বা স্নায়ুটিস্যু গঠন করে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

একটি নিউরনের কোষদেহের চারদিকের শাখাযুক্ত ক্ষুদ্রক্ষুদ্র প্রলম্বিত অংশ হলো ডেনড্রন। আর কোষদেহ থেকে লম্বা স্নায়ুতন্তু হলো অ্যাক্সন। ডেনড্রন থেকে যে শাখা বের হয় তাকে বলে ডেনড্রাইট। ডেনড্রাইটের সংখ্যা এক বা একাধিক হতে পারে। আর একটি নিউরনের একটি মাত্র অ্যাক্সন থাকে। সুতরাং একটি নিউরনের ডেনড্রন থেকে অ্যাক্সন ভিন্নতর।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

নিউরন স্নায়ুতন্ত্রের গাঠনিক একক। কোষদেহ, ডেনড্রাইট এবং অ্যাক্সনের সমন্বয়ে নিউরন গঠিত। কোষের সাইটোপ্লাজমে মাইটোকন্ড্রিয়া, গলগি বডি, রাইবোসোম, আন্তঃপ্লাজমীয় জালিকা ইত্যাদি অঙ্গাণু থাকে। তবে নিউরনের সাইটোপ্লাজমে কোনো সক্রিয় সেন্ট্রিওল থাকে না। তাই নিউরন বিভাজিত হয় না।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

নিউরনের মায়োলিন নামক স্তরটি সাধারণত নির্দিষ্ট দূরত্ব পর পর বিচ্ছিন্ন অবস্থায় থাকে। এই বিচ্ছিন্ন অংশে নিউরিলেমার সাথে অ্যাক্সনের প্রত্যক্ষ সংস্পর্শ ঘটে। এই আবরণীবিহীন অংশটিই হলো র‍্যানভিয়ারের পর্ব।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

একটি নিউরনের অ্যাক্সনের টারমিনালের সাথে দ্বিতীয় একটি নিউরনের ডেনড্রাইট সরাসরি যুক্ত থাকে না। এই সূক্ষ্ম ফাঁকা সংযোগস্থলকে সিন্যাপস বলে। প্রকৃতপক্ষে পর পর অবস্থিত দুটি নিউরনের সন্ধিস্থল হলো সিন্যাপস। অ্যাক্সন টারমিনাল সিন্যাপসের মধ্য দিয়ে তড়িৎ রাসায়নিক পদ্ধতিতে স্নায়ু তাড়না প্রবাহিত হয়।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

যেসব উদ্দীপনার প্রতিক্রিয়া মস্তিষ্ক দ্বারা নিয়ন্ত্রিত না হয়ে সুষুম্মাকাণ্ড দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হয় তাকে প্রতিবর্তী ক্রিয়া বলে। প্রতিবর্তী ক্রিয়া বলতে উদ্দীপনার আকস্মিকতা ও স্বয়ংক্রিয় প্রতিক্রিয়াকে বুঝায়। হঠাৎ করে আঙ্গুলে সূচ ফুটলে অথবা হাতে গরম কিছু পড়লে আমরা অতিদ্রুত হাতটি উদ্দীপনার স্থান থেকে সরিয়ে নেই। এটি প্রতিবর্তী ক্রিয়ার ফল। প্রতিবর্তী ক্রিয়া মূলত সুষুম্নাকাণ্ড দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হয়।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

মস্তিষ্ক থেকে ১২ জোড়া ও মেরুমজ্জা বা সুষুম্নাকাণ্ড থেকে ৩১ জোড়া স্নায়ু নির্গত হয় এবং সূক্ষ্ম থেকে সূক্ষতর শাখায় বিভক্ত হয়ে সর্বাঙ্গে ছড়িয়ে পড়ে। এগুলো একত্রে হলো প্রান্তীয় স্নায়ুতন্ত্র। মস্তিষ্ক থেকে উৎপন্ন করোটিক স্নায় চোখ, কান, নাক, দাঁত, জিলা, চৎপিণ্ড, পাকস্থলি প্রভৃতি অঙ্গের কাজ নিয়ন্ত্রণ করে। মেরুরজ্জু থেকে উদ্ভদ্র স্নায়ুগুলো অঙ্গ প্রত্যঙ্গ চালনা করে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

যে তন্ত্রের কার্যকারিতার উপর মস্তিষ্ক ও মেরুরজ্জুর কোনো প্রভাব না থাকায় এরা স্বাধীন ও স্বতন্ত্রভাবে আপন কর্তব্য সম্পাদন করে তাদেরকে স্বয়ংক্রিয় স্নায়ুতন্ত্র বলে। যেমন হৃৎপিণ্ড, অন্ত্র, পাকস্থলি, অগ্ন্যাশয় ইত্যাদি তন্ত্রগুলো স্বয়ংক্রিয় স্নায়ুতন্ত্র দ্বারা পরিচালিত হয়।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

পরস্পর সংযুক্ত অসংখ্য নিউরন তত্ত্বর ভিতর দিয়ে উদ্দীপনা বা তাড়না শেষ পর্যন্ত মস্তিষ্কে পৌঁছায়। প্রতি সেকেন্ডে এর বেগ প্রায় 100 মিটার তবে স্নায়ুর ধরনভেদে এর তারতম্য হতে পারে। পরিবেশ। থেকে যে সংকেত স্নায়ুর ভিতর দিয়ে প্রবাহিত হয়ে মস্তিষ্কে পৌছে তাকে স্নায়ু তাড়না বা উদ্দীপনা বলে। নিউরনের কার্যকারিতার ফলে উদ্দীপনা প্রয়োজনীয় অঙ্গগুলোতে সঞ্চালিত হয়। এটি মাংসপেশিতে সঞ্চালিত হলে পেশি সংকুচিত হয়ে সাড়া দেয়। ফলে প্রয়োজনমতো দেহের বিভিন্ন অঙ্গ সঞ্চালিত হয়। এই তাড়না গ্রন্থিতে পৌছালে সেখানে রস ক্ষরিত হয়। অনুভূতিবাহী স্নায়ু উত্তেজিত হলে সেই উত্তেজনা মস্তিষ্কের দিকে অগ্রসর হয়ে যন্ত্রণাবোধ, স্পর্শজ্ঞান, দর্শন এ ধরনের অনুভূতি উপলব্ধি করায়। আর এভাবেই উদ্দীপনা মস্তিষ্কে পৌছায়।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

মানবদেহে ও বিভিন্ন প্রাণিদেহে এক ধরনের বিশেষ নালিবিহীন গ্রন্থি থাকে। এসব গ্রন্থি থেকে নিঃসৃত রস রক্তের মাধ্যমে প্রবাহিত হয়ে দেহের বিভিন্ন শারীরবৃত্তীয় কাজ নিয়ন্ত্রণ করে। নালিবিহীন গ্রন্থি নিঃসৃত এ ধরনের রসকে প্রাণরস বলে। এ রস রক্তস্রোতের মাধ্যমে প্রবাহিত হয়ে নির্দিষ্ট লক্ষ্য কোষে পৌঁছে কোষের প্রাণরাসায়নিক কার্যকলাপকে প্রভাবিত করে এবং জৈবিক কার্যাবলি সুষ্ঠুভাবে পরিচালিত করে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

মানবদেহের যে সকল গ্রন্থি থেকে হরমোন নিঃসৃত হয় তাদেরকে নালিবিহীন গ্রন্থি বলে। নালীবিহীন গ্রন্থি নানা ধরনের হয়ে থাকে। নালীবিহীন গ্রন্থি একে অপরকে নিয়ন্ত্রণ করে। আবার নালীবিহীন গ্রন্থির কার্যকলাপ স্নায়ুতন্ত্র দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হয়।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

হরমোন নামক বিশেষ কতগুলো রাসায়নিক দ্রব্য দেহের সমন্বয়ে অংশ নেয়। হরমোন অতি অল্প পরিমাণে বিশেষ বিশেষ শারীরবৃত্তীয় কাজ বা পদ্ধতি সূক্ষ্মভাবে নিয়ন্ত্রণ করে। এরা উত্তেজক বা রোধক হিসেবে পরিস্ফুটন, বৃদ্ধি ও বিভিন্ন টিস্যুর কার্য নিয়ন্ত্রণ করে। ব্যক্তির আচরণ, স্বভাব ও আবেগ প্রবণতার উপরও হরমোনের প্রভাব অপরিসীম। এগুলো রক্তের মাধ্যমে পরিবাহিত হয়ে উৎপত্তিস্থল থেকে দূরবর্তী কোনো কোষ বা অঙ্গকে উদ্দীপিত করে। এজন্য এদেরকে রাসায়নিক দূত বলা হয়।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

হরমোন গ্রন্থিকে অন্তঃক্ষরা গ্রন্থি বলা হয়। কারণ, এসব গ্রন্থি নালিবিহীন, এদের ক্ষরণ সরাসরি রক্ত বা লসিকার মাধ্যমে বাহিত হয়ে দূরবর্তী সুনির্দিস্ট অঙ্গে ক্রিয়াশীল হয়। যেমন- পিটুইটারি গ্রন্থি

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

পিটুইটারি গ্রন্থি মানবদেহের হরমোন উৎপাদনকারী প্রধান গ্রন্থি। পিটুইটারি গ্রন্থি থেকে নিঃসৃত হরমোন সংখ্যায় যেমন বেশি, অপরদিকে অন্যান্য গ্রন্থির উপর এসব হরমোনের প্রভাবও বেশি। তাই এ গ্রন্থিকে প্রধান গ্রন্থি বলা হয়।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

পিটুইটারি গ্রন্থি থেকে নিঃসৃত হরমোনগুলো হলো. গোনাডোট্রপিক, সোমাটোট্রপিক, খাইরয়েড উদ্দীপক হরমোন (TSH)। এডরেনোকর্টিকোট্রপিক ইত্যাদি। এসব হরমোনের কাজ হলো দেহের স্বাভাবিক বৃদ্ধি ও বিপাকীয় কাজ নিয়ন্ত্রণ করা। থাইরক্সিন নিঃসরণে সাহায্য করা ছাড়াও জননাঙ্গ সৃষ্টিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করা।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

প্যারাথাইরয়েড গ্রন্থি থাইরয়েড গ্রন্থির পিছনে অবস্থিত। এই গ্রন্থি থেকে প্রধানত প্যারাথাইরক্সিন হরমোন নিঃসৃত হয়। এই প্যারাথাইরক্সিন মূলত শরীরের ক্যালসিয়াম ও ফসফরাস বিপাক নিয়ন্ত্রণ করে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

অ্যাডরেনাল গ্রন্থি কিডনির উপরে অবস্থিত। এই গ্রন্থি থেকে অ্যাডরেনালিন হরমোন নিঃসৃত হয়। এই গ্রন্থি নিঃসৃত হরমোন দেহের অত্যাবশ্যকীয় বিপাকীয় কার্যকলাপ নিয়ন্ত্রণ করে। এই গ্রন্থি মূলত কঠিন মানসিক ও শারীরিক চাপ থেকে পরিত্রাণে সাহায্য করে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

আইলেটস অফ ল্যাংগারহ্যান্স বলতে যা অগ্ন্যাশয়ের মাঝে অবস্থান করে শর্করার বিপাক নিয়ন্ত্রণ করে এবং এর নালিহীন কোষগুলো ইনসুলিন ও গ্লুকাগন নিঃসরণ করে এবং রক্তের গ্লুকোজের মাত্রা নিয়ন্ত্রণ করে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

আইলেটস্ অফ ল্যাংগারহ্যান্স অগ্ন্যাশয়ের মাঝে অবস্থিত। আইলেটস্ অফ ল্যাঙ্গারহ্যান্স থেকে নিঃসৃত হরমোন হলো ইনসুলিন যা রক্তে গ্লুকোজের মাত্রা নিয়ন্ত্রণ করে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

ইনসুলিন হলো এক প্রকার হরমোন যা দেহের শর্করা পরিপাক নিয়ন্ত্রণ করে। অগ্ন্যাশয়ের ভিতর আইলেটস অফ ল্যাংগারহ্যান্স নামক এক প্রকার গ্রন্থি আছে। এই গ্রন্থি থেকে ইনসুলিন নিঃসৃত হয়। ইনসুলিন রক্তের গ্লুকোজের মাত্রা নিয়ন্ত্রণ করে। অগ্ন্যাশয়ে যদি প্রয়োজনমতো ইনসুলিন তৈরি না হয় তবে রক্তে শর্করার পরিমাণ স্থায়ীভাবে বেড়ে যায়।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

গোনাড বা জনন অঙ্গ দুই ধরনের যথা- স্ত্রী জনন ও পুরুষ জনন অঙ্গ। স্ত্রী জনন অঙ্গ থেকে ইস্ট্রোজেন এবং পুরুষ জনন অঙ্গ থেকে টেস্টোস্টেরন হরমোন নিঃসৃত হয়। যা প্রাণীর জনন অঙ্গের বৃদ্ধি, জননচক্র ও যৌন আচরণ নিয়ন্ত্রণ করে থাকে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

পাঁচটি নালিবিহীন গ্রন্থির নাম এবং গ্রন্থি থেকে নিঃসৃত ১টি করে হরমোনের নাম নিম্নরূপ-

গ্রন্থির নামনিঃসৃত হরমোন
পিটুইটারিগোনাড্রোট্রপিক
থাইরয়েড গ্রন্থিথাইরক্সিন
প্যারাথাইরয়েড গ্রন্থিপ্যারাথরমোন
প্যারাথাইরয়েড গ্রন্থিথাইমোসিন
অ্যাডরেনাল গ্রন্থিঅ্যাডরেনালিন
Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

থাইরয়েড হরমোনের ঘাটতি জনিত সমস্যাই হলো থাইরয়েড সমস্যা। এ সমস্যার ফলে শিশুদের মানসিক বিকাশ বাধা পায়, চামড়া খসখসে ও চেহারা গোলাকার হয়ে যায়। গলগন্ড এক ধরনের থাইরয়েড সমস্যা। আয়োডিনযুক্ত লবণ খাওয়া, সামুদ্রিক মাছ খাওয়া ইত্যাদির মাধ্যমে এ সমস্যা হতে পরিত্রান পাওয়া যায়।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

ডায়াবেটিস প্রধানত দুই প্রকার। যথা-
১. টাইপ-Ⅰ : এই ধরনের ডায়াবেটিস হলে রোগীর দেহে একেবারে ইনসুলিন তৈরি হয় না। বাহির থেকে নিয়মিতভাবে ইনজেকশনের মাধ্যমে ইনসুলিন নিতে হয়।
২. টাইপ-২ : এক্ষেত্রে শরীরে সামান্য পরিমাণে ইনসুলিন তৈরি করতে পারে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

ডায়াবেটিসের লক্ষণগুলো নিম্নরূপ-
১. ঘন ঘন প্রস্রাব হওয়া।
২. অধিক পিপাসা লাগা।
৩. ক্ষুধা বেড়ে যাওয়া।
৪. দ্রুত ওজন হ্রাস পাওয়া।
৫. দুর্বল বোধ করা।
৬. চোখে কম দেখা।
৭. চামড়া খসখসে ও রুক্ষ হয়ে যাওয়া।
৮. ক্ষতস্থান সহজে না শুকানো।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

চিকিৎসা দ্বারা ডায়াবেটিস রোগ একেবারে নিরাময় করা যায় না। কিন্তু এ রোগ নিয়ন্ত্রণে রাখা যায়। ডাক্তারদের মতে ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণের জন্য Discipline, Diet ও Drug মেনে চলা অত্যাবশ্যক। ডায়াবেটিসের ক্ষেত্রে 3D বলতে Discipline, Diet ও Drug একত্রে মেনে চলাকে বুঝায়।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

কোনো কারণে মস্তিষ্কের কোনো অংশে রক্ত প্রবাহ বন্ধ হয়ে গেলে স্ট্রোক হয়। মস্তিষ্কে কোনো কারণে কয়েক সেকেন্ড রক্ত প্রবাহ বন্ধ থাকলে অক্সিজেনের অভাবে স্নায়ুকোষ নষ্ট হয়। ফলে ঐ অংশের স্নায়বিক কার্যকারিতা থাকে না। রোগীর এ ধরনের অবস্থাকে স্ট্রোক হয়েছে বলে ধরে নেওয়া হয়।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

স্ট্রোকের লক্ষণগুলো হলো-
১. বমি হওয়া।,
২. প্রচণ্ড মাথা ব্যথা।
৩. কয়েক মিনিটের মধ্যে রোগী সংজ্ঞা হারায়।
৪. ঘাড় শক্ত হয়ে যায়।
৫. মাংসপেশি শিথিল হয়ে যায়।
৬. মুখমণ্ডল লাল বর্ণ ধারণ করে।
৭. শ্বসন এবং নাড়ির স্পন্দন কমে যায়।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

নিম্নলিখিত উপায়ে স্ট্রোক প্রতিরোধ করা যায়-
১. ধূমপান পরিহার করা।'
২. উচ্চ রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে রাখা।
৩. ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে রাখা।
৪. দুশ্চিন্তামুক্ত, সুন্দর এবং স্বাভাবিক জীবন স্থাপন করা।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

শরীরের কোনো অংশের মাংসপেশির কার্যাবলি নষ্ট হওয়াকে প্যারালাইসিস বলে। সাধারণত মস্তিষ্কের কোনো অংশের ক্ষতির কারণে ঐ অংশের সংবেদন গ্রহণকারী পেশিগুলো কার্যকারিতা হারিয়ে ফেলে। এতে আংশিক কিংবা সম্পূর্ণ প্যারালাইসিস হতে পারে, ফলে শরীরের একপাশের কোনো অঙ্গ অথবা উভয়পাশের অঙ্গের কার্যকারিতা নষ্ট হয়, যেমন- দুই হাত ও পায়ের প্যারালাইসিস।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

প্যারালাইসিস সাধারণত স্ট্রোকের কারণে হয়। এছাড়া মেরুদণ্ডের বা ঘাড়ের সুষম্মাকাণ্ড আঘাত বা দূর্ঘটনাজনিত কারণে প্যারালাইসিস হতে পারে। স্নায়ু রোগ, সুষুম্নাকাণ্ডের কিংবা কশেরুকার ক্ষয় রোগ ও প্যারালাইসিসের কারণ হতে পারে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

এপিলেপসি মস্তিষ্কের একটি রোগ যাতে আক্রান্ত ব্যক্তির শরীর খিচুনী বা কাঁপুনি দিতে থাকে। অনেকক্ষেত্রে রোগী অজ্ঞান হয়ে পড়ে। এই রোগকে মৃগী রোগও বলা হয়। এপিলেপসির কারণ এখনো জানা যায়নি। ৫-২০ বছর বয়সে এপিলেপসির ব্যপকতা লক্ষ করা যায়।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

এপিলেপসির মূল কারণ এখনো সম্পূর্ণভাবে জানা যায়নি। স্ট্রোকে আক্রান্ত রোগীদের এ রোগ দেখা দেয়। এপিলেপসি মস্তিষ্কের একটি রোগ যাতে আক্রান্ত ব্যক্তির শরীর খিচুনী বা কাঁপুনি দিতে থাকে। মাথায় আঘাতজনিত কারণে ম্যানিনজাইটিস, এনসেফলাইটিস, এইড়স, জন্মগত মস্তিষ্কের বিকৃতি, টিউমার ইত্যাদি কারণে এপিলেপসির উপসর্গ দেখা যায়।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

পারকিনসন রোগ মস্তিস্কের এমন এক অবস্থা, যেখানে হাতে ও পায়ের কাঁপুনি হয় এবং আক্রান্ত রোগীর নড়াচড়া, হাঁটাহাঁটি করতে সমস্যা হয়। এই রোগ হলে মস্তিষ্কে ডোপামিন নামক রাসায়নিক পদার্থের পরিমাণ কমে যায়। যার ফলে শরীরের গতিশীলতা, ভারসাম্য, এবং সমন্বয়ের সমস্যা সৃষ্টি হয়। এ রোগ সাধারণত ৫০ বছর বয়সের পরে হয়। তবে ব্যতিক্রম হিসেবে যুবক-যুবতীদের হতে পারে। এক্ষেত্রে রোগটি তার বংশে রয়েছে বলে ধরা হয়।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

পারকিনসন রোগের সঠিক কারণ এখনো স্পষ্ট নয়, তবে এটি সাধারণত জেনেটিক এবং পরিবেশগত কারণে হতে পারে ধারণা করা হয়। আবার কখনও কখনও মস্তিষ্কের আঘাত দ্বারা সৃষ্ট হতে দেখা যায়।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

ডোপামিন মস্তিষ্কে তৈরি এক ধরনের রাসায়নিক পদার্থ। এটি মস্তিষ্কের স্নায়ু কোষ এবং শরীরের স্নায়ু এবং পেশি কোষের মধ্যে বার্তা ও যোগাযোগ করতে সহায়তা করে। এটি শরীরের নিয়ন্ত্রণ এবং সমন্বয়, মেজাজ, স্মৃতি, মনোযোগ, অনুপ্রেরণা ইত্যাদি নিয়ন্ত্রণ করতে পারে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

পারকিনসন রোগের লক্ষণগুলো নিম্নরূপ-
১. চোখের পাতার কাঁপুনি, কোষ্ঠকাঠিন্য, খাবার গিলতে কষ্ট হওয়া।
২. সোজাসুজি হাঁটার সমস্যা, কথা বলার সময় মুখের বাচনভঙ্গি না আসা।
৩. মাংসপেশিতে টান পড়া, ব্যথা হওয়া।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

পারকিনসন রোগ হলে নিম্নলিখিত উপায়ে প্রতিরোধ করা যেতে পারে-

১. ডাক্তারের পরামর্শে নিয়মিত ফিজিওথেরাপি গ্রহণ।
২. পরিমিত ও সুষম খাদ্য গ্রহণ।
৩. নিয়মিত ব্যায়াম।
৪. সুশৃঙ্খল জীবন যাপন করা।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

মানুষের মাদকাসক্ত হওয়ার কারণসমূহ হলো-

মাদকদ্রব্যের প্রতি কৌতূহল, বন্ধু-বান্ধব এবং সঙ্গীদের প্রভাব, নতুন অভিজ্ঞতা অর্জনের আগ্রহ, সহজ আনন্দ লাভের 'চেস্টা, পরিবারে মাদকদ্রব্রের সহজলভ্যতা, পারিবারিক কলহ ও অশান্তি, বেকারত্ব, হতাশা, অভাব অনটন, মাদকদ্রব্যের কুফল সম্পর্কে অজ্ঞতা ইত্যাদি।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

মাদকদ্রব্য শারীরিক সমন্বয়কে প্রভাবিত করে। কারণ মাদকদ্রব্য ব্যবহারে স্নায়ুতন্ত্রের উপর অনেক বড় প্রভাব পড়ে। মাদকাশক্তির কারণে একজন তার নিজস্ব ইচ্ছাশক্তির কাছে হার মেনে নেশাদ্রব্য গ্রহণে বাধ্য হয়। নেশা বস্তুর কারণে তার চিন্তাশক্তি ক্রমে লোপ পায়। মাদকদ্রব্য ব্যবহারকারীরা কাজে মনোযোগ হারায়, সাধারণ জীবনযাপনে ব্যর্থ হয়।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

ধূমপান স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর কারণ- ধূমপান করলে নিকোটিন ছাড়াও আরও কিছু বিষাক্ত পদার্থ তৈরি হয়ে শরীরে প্রবেশ করে। ধূমপানের ধোঁয়ায় উল্লেখযোগ্য বিষাক্ত গ্যাস ও রাসায়নিক পদার্থ এবং মাদকদ্রব্যের সংমিশ্রণ থাকে। এ পদার্থগুলো রক্তের হিমোগ্লোবিনের অক্সিজেন বহন ক্ষমতা কমিয়ে দেয়। এছাড়া কতকগুলো আঠালো পদার্থ ও হাইড্রোকার্বন প্রভৃতি এতে থাকে, যা ফুসফুসে ক্যান্সার সৃষ্টি করে। তাই ধূমপান স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

বাংলাদেশে ১৯৯০ সালে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর নামে একটি অধিদপ্তর প্রতিষ্ঠা করে। দিন দিন এ অধিদপ্তরের কাজের পরিধি বৃদ্ধি পাচ্ছে। এদের কার্যক্রমের মধ্যে মাদকদ্রব্য আইন প্রণয়ন, আইনের প্রয়োগ, নিরোধ, চিকিৎসা এবং পুনর্বাসন উল্লেখযোগ্য।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

উদ্ভিদের বৃদ্ধি, বিকাশ, বিভিন্ন অঙ্গ সৃষ্টি ইত্যাদি নিয়ন্ত্রণকারী বিশেষ ধরনের জৈব রাসায়নিক পদার্থই হলো ফাইটোহরমোন।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

উদ্ভিদের কিছু হরমোন আছে যাদেরকে আলাদা করা যায়নি। এরাই পস্টুলেটেড হরমোন।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

তৃণমূল বা ভূণকাণ্ডের অগ্রাংশ অভিকর্ষের উদ্দীপনা অনুভব করে কোষীয় উপাদানগুলো নিচের দিকে স্থানান্তরিত হওয়ার ঘটনাকে অভিকর্ষ উপলব্ধি বলে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

শৈত্য প্রদানের মাধ্যমে উদ্ভিদের ফুল ধারণকে ত্বরান্বিত করার প্রক্রিয়াকে ভার্নালাইজেশন বলে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

উদ্ভিদের আলো-অন্ধকারের ছন্দই হলো বায়োলজিক্যাল ক্লক।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

যে পদ্ধতিতে প্রাণী নিজ প্রচেষ্টায় সাময়িকভাবে একস্থান থেকে অন্যস্থানে যায় তাকে চলন বলে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

ফটোট্রপিজম হলো আলোর প্রভাবে উদ্ভিদ অঙ্গের বক্র বাঁ দিগনির্ণীত চলন।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

মাটিতে আবদ্ধ উন্নত শ্রেণির উদ্ভিদ এক স্থান থেকে অন্য স্থানে চলাচল করতে পারে না। তবে প্রয়োজনে এদের অঙ্গ প্রত্যঙ্গকে চালনা করতে পারে এবং এদের অঙ্গগুলো নানাভাবে বেঁকে যায়। এ ধরনের চলনই বক্রচলন।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

উদ্ভিদের কান্ড এবং শাখা-প্রশাখার সবসময় আলোর দিকে চলন ঘটে। উদ্ভিদের এই আলোকমুখী চলনকে ফটোট্রপিক চলন বলে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

SDP অর্থ হলো Short Day Plant অর্থাৎ ছোট দিনের উদ্ভিদ। এ ধরনের উদ্ভিদের পুষ্পায়নে দৈনিক গড়ে 8-12 ঘণ্টা আলো প্রয়োজন।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

হরমোন হলো এক ধরনের বিশেষ নালিবিহীন গ্রন্থি থেকে নিঃসৃত রস, যা রক্তের মাধ্যমে প্রবাহিত হয়ে বিভিন্ন শারীরবৃত্তীয় কাজ নিয়ন্ত্রণ করে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

ফেরোমেন হলো পতঙ্গ কর্তৃক নিঃসৃত হরমোন।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

সুষুম্নাকাণ্ডের শীর্ষে কেন্দ্রীয় স্নায়ুতন্ত্রের যে স্ফীত অংশ করোটিকার মধ্যে অবস্থান করে তাকে মস্তিষ্ক বলে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

মস্তিষ্কের হাইপোথ্যালামাসের নিচে এবং সেরেবেলামের সম্মুখে অবস্থিত ছোট ও সংকুচিত অংশই হলো মেসেনসেফালন বা মধ্যমস্তিষ্ক

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

কর্টেক্সের অপর নাম গ্রে ম্যাটার বা ধূসর পদার্থ।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

পন্স হলো মধ্যমস্তিষ্কের পিছনে অবস্থিত নলাকৃতির বৃহৎ অংশ।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

দেহের বিশেষ সংবেদী কোষ তথা নিউরনের সমষ্টিগত গঠনই হলো স্নায়ুকলা।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

স্নায়ুকোষ নিঃসৃত এক প্রকার নির্যাসই হলো ডোপামিন।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

স্নায়ুতন্ত্রের গাঠনিক একক হচ্ছে নিউরন বা স্নায়ুকোষ।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

একটি নিউরনের অ্যাক্সনের সাথে দ্বিতীয় একটি নিউরনের ডেনড্রাইট যুক্ত থাকে। এ সংযোগস্থলকে সিন্যাপস বলে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

কোষদেহ হতে উৎপন্ন লম্বা তন্তু অ্যাক্সনের চারদিকে অরস্থিত পাতলা আবরণটিই হলো নিউরেলেমা।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

স্নায়ুকলার কোষদেহ থেকে উৎপন্ন বেশ লম্বা শাখাহীন তত্ত্বটি হলো অ্যাক্সন।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

নিউরনের মূল অক্ষের আবরণীই অ্যাক্সলেল্গা।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

উদ্দীপনার আকস্মিকতা ও স্বয়ংক্রিয় প্রতিক্রিয়াই হলো প্রতিবর্তী ক্রিয়া।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

মস্তিষ্ক ও সুষুম্নাকান্ড থেকে সৃষ্ট করোটিক ও সুযুল্লা স্নায়ুগুলো দেহের বিভিন্ন অংশে বিস্তৃত হয়ে যে স্নায়ুতন্ত্র গঠন করেছে, তাকে প্রান্তীয় স্নায়ুতন্ত্র বলে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

স্পাইনাল কর্ড বা মেরুরজ্জু হলো মানবদেহের কেন্দ্রীয় স্নায়ুতন্ত্র এবং স্নায়ুকলায় নির্মিত পৃষ্ঠীয় অংশ যা মেনিনজেস ও মেরুদণ্ডে সুরক্ষিত অবস্থায় মস্তিষ্কের পেছন থেকে প্রলম্বিত হয়।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

যেসব নালিবিহীন গ্রন্থি নিঃসৃত হরমোন সরাসরি রক্ত বা লসিকার মাধ্যমে বাহিত হয়ে দূরবর্তী নির্দিষ্ট অঙ্গে ক্রিয়াশীল হয়, সেসব গ্রন্থিকে অন্তঃক্ষরা গ্রন্থি বলে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

TSH হলো Thyroid Stimulating Hormone.

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

মানবদেহের হরমোন উৎপাদনকারী প্রধান গ্রন্থিই প্রভু গ্রন্থি বা পিটুইটারি গ্রন্থি।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

ইনসুলিন হলো এক প্রকার হরমোন যা দেহের শর্করা পরিপাক নিয়ন্ত্রণ করে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

Diabestes নিয়ন্ত্রণে 3D হলো Discipline. Diet Dose.

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

মস্তিষ্কে রক্ত সরবরাহে ব্যাঘাত ঘটার কারণে স্নায়ুতন্ত্রের কাজে ব্যাঘাত ঘটাই হলো স্ট্রোক।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

এপিলেপসি মস্তিষ্কের একটি রোগ যাতে আক্রান্ত ব্যক্তির শরীর খিচুনী বা কাঁপুনি দিতে থাকে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

শরীরের কোনো অংশের মাংসপেশীর কার্যাবলি নষ্ট হওয়াই প্যারালাইসিস।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার মতে ড্রাগ হচ্ছে এমন সব পদার্থ, যা জীবিত প্রাণী গ্রহণ করলে তার এক বা একাধিক স্বাভাবিক আচরণের পরিবর্তন ঘটে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

ফ্লোরিজেন-এর গুরুত্ব নিচে ব্যাখ্যা কর। হলো-

ফাইটো হরমোন ছাড়াও উদ্ভিদে আরও কিছু হরমোন রয়েছে, যাদের আলাদা করা বা শনাক্ত করা যায়নি। এদের পট্রলেটেড হরমোন বলে। এরা প্রধানত উদ্ভিদের ফুল ও জনন সংশ্লিষ্ট অঙ্গের বিকাশে সাহায্য করে। এদের মধ্যে ফ্লোরিজেন হলো প্রধান। ফ্লোরিজেন পাতায় উৎপন্ন হয় এবং তা পত্রমূলে স্থানান্তরিত হয়ে পত্রমূকূলকে পুষ্পমূকুলে রূপান্তরিত করে। তাই দেখা যায়, ফ্লোরিজেন উদ্ভিদে ফুল ফোটাতে সাহায্য করে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

সাইটোকাইনিন এর কার্যকারিতা নিম্নরূপ:
১. কোষ বিভাজনের সময় সাইটোকাইনিন হরমোনের প্রভাবে কোষের সাইটোকানেসিস ঘটে।
২. সাধারণভাবে এরা বিভিন্ন ঘনত্বে অক্সিজেনের সাথে যুক্ত হয়ে কোষ বিভাজনকে উদ্দীপিত করে।
৩. কোষবৃদ্ধি, অঙ্গের বিকাশ সাধন, বীজ ও অঙ্গের সুপ্তাবস্থা ভঙ্গকরণে ও বার্ধক্য বিলম্বিতকরণে এ হরমোন ভূমিকা পালন করে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

অনেক উদ্ভিদের পুষ্প প্রস্ফুটন দিনের দৈর্ঘ্যের উপর নির্ভরশীল। ছোট দিনের উদ্ভিদের পুষ্পায়নের জন্য স্পল্প আলোক দৈর্ঘ্যের প্রয়োজন। দীর্ঘ আলোক ঐসব উদ্ভিদে পুষ্প উৎপাদনে ব্যাঘাত ঘটায়। অপরদিকে বড় দিনের উদ্ভিদের পুষ্পায়নে দীর্ঘ আলোক দৈর্ঘ্যের প্রয়োজন। স্বল্প আলোক ঐসব উদ্ভিদের পুষ্প উৎপাদনে বাধা প্রদান করে। এভাবেই দিবা দৈর্ঘ্যের হ্রাস-বৃদ্ধি উদ্ভিদের ফুল-ফল ধারণকে প্রভাবিত করে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

উদ্ভিদ কান্ড আলোর দিকে বেঁকে যাওয়ার কারণ হচ্ছে ফটোট্রপিজম বা ফটোট্রপিক চলন। ফটোট্রপিক চলন হলো এক ধরনের বক্রচলন। ফটোট্রপিজমের জন্যই উদ্ভিদের কাণ্ড এবং শাখা-প্রশাখার সবসময় আলোর দিকে চলন ঘটে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

পরপর দুটি নিউরনের প্রথমটির অ্যাক্সন ও পরেরটির ডেনড্রাইটের মধ্যে যে স্নায়ুসন্ধি গঠিত হয় তাকে সিন্যাপস বলে। প্রকৃতপক্ষে পরপর অবস্থিত দুটি নিউরনের সন্ধিস্থল হলো সিন্যাপস। সিন্যাপসের মধ্য দিয়ে তড়িৎ রাসায়নিক পদ্ধতিতে স্নায়ু তাড়না প্রবাহিত হয়। সিন্যাপসে নিউরোহিউমার নামক তরল পদার্থ থাকে। কোনো একটি নিউরনের মধ্য দিয়ে স্নায়ু তাড়না প্রবাহিত হয়ে পরবর্তী নিউরনের ডেনড্রাইটে যায়। নিউরনের ভিতর দিয়ে স্নায়ু উদ্দীপনা বা স্নায়ু তাড়না একদিকে পরিবাহিত হয়।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

নিউরোট্রান্সমিটার মানবদেহের স্নায়ুতন্ত্রের অন্তর্ভুক্ত নিউরনের অংশ। নিউরোট্রান্সমিটার হলো এক ধরনের রাসায়নিক পদার্থ যেটি নিউরন থেকে স্নায়ু উদ্দীপনা অন্য নিউরন, গ্রন্থিকোষ, পেশিকোষ প্রভৃতিতে পরিবাহিত করে। অন্যভাবে বলা যায়, দেহের একপ্রান্ত থেকে অন্যপ্রান্তে মামু তাড়না প্রবাহিত হতে নিউরোট্রান্সমিটার বাবহৃত হয়। অর্থাৎ মানবদেহে সমন্বয় সাধন ও কার্যক্রম.. পরিচালনার জন্য নিউরোট্রান্সমিটার খুবই প্রয়োজন।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

যেসব উদ্দীপনার প্রতিক্রিয়া মস্তিষ্ক দ্বারা নিয়ন্ত্রিত না হয়ে সুষুম্না কান্ড দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হয় তাকে প্রতিবর্তী ক্রিয়া বলে। মস্তিষ্ক স্নায়ুতন্ত্রের পরিচালক। অর্থাৎ মস্তিষ্ক দ্বারা আমরা বিভিন্ন কার্যাবলি নিয়ন্ত্রণ করি। কিন্তু যেহেতু প্রতিবর্তী ক্রিয়া মস্তিষ্ক দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হয় না, তাই আমরা ইচ্ছা করলে একে নিয়ন্ত্রণ করতে পারি না।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

আমরা জানি, যেসব নালিবিহীন গ্রন্থি নিঃসৃত হরমোন সরাসরি রক্ত বা লসিকার মাধ্যমে বাহিত হয়ে দূরবর্তী নির্দিস্ট অঙ্গে - ক্রিয়াশীল হয় যেসব গ্রন্থিকে অন্তঃক্ষরা গ্রন্থি বলে। থাইরয়েড একটি ছোট প্রজাপতির আকারের গ্রন্থি, যা গলার মাঝখানে এবং শ্বাসনালির (ট্রাকিয়া) চারপাশে আবৃত। এটি একটি অন্তঃক্ষরা গ্রন্থি। থাইরয়েড গ্রন্থি থেকে নিঃসৃত হরমোন থাইরক্সিন সাধারণত মানবদেহে স্বাভাবিক বৃদ্ধি, বিপাকীয় কাজ নিয়ন্ত্রণ করে। থাইরয়েড আরেকটি হরমোন ক্যালসিটোনিন ক্যালসিয়াম বিপাকের সাথে জড়িত।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

পিটুইটারি গ্রন্থি মানবদেহের হরমোন উৎপাদনকারী প্রধান গ্রন্থি। পিটুইটারি গ্রন্থি থেকে নিঃসৃত হরমোন সংখ্যায় যেমন বেশি, অপরদিকে অন্যান্য গ্রন্থির উপর এসব হরমোনের প্রভাবও বেশি। দেহের স্বাভাবিক বৃদ্ধি ও বিপাকীয় কাজ নিয়ন্ত্রণ, থাইরক্সিন নিঃসরণে এমনকি জননাঙ্গ সৃষ্টিতে এ গ্রন্থি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। এসব কারণে পিটুইটারি গ্রন্থি গুরুত্বপূর্ণ।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

শরীরের কোনো অংশের মাংসপেশির কার্যাবলি নষ্ট হওয়াকে প্যারালাইসিস বলে। প্যারালাইসিস সাধারণত মস্তিষ্কের স্ট্রোকের কারণে হয়। এ ছাড়া মেরুদণ্ড বা ঘাড়ের সুষুম্নাকাণ্ডে আঘাত বা দুর্ঘটনাজনিত কারণে স্নায়ু রোগ, সুষুম্নাদণ্ডের ক্ষয়ের জন্য প্যারালাইসিস রোগ হয়। সাধারণত মস্তিষ্কের কোনো অংশের ক্ষতির কারণে ঐ অংশের সংবেদন গ্রহণকারী পেশিগুলো কার্যকারিতা হারিয়ে ফেলে। ফলে আংশিক বা সম্পূর্ণ প্যারালাইসিস হয়। যেমন: দুই হাত ও পায়ের প্যারালাইসিস। এসব কারণে প্যারালাইসিস হয়।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

স্নায়ুকোষ বিভিন্ন ধরনের রাসায়নিক পদার্থ তৈরি করে থাকে। যার একটি হলো ডোপামিন। ডোপামিন শরীরের পেশির নড়াচড়ায় সাহায্য করে। পারকিনসন রোগাক্রান্ত রোগীর মস্তিষ্কে ডোপামিন তৈরির কোষগুলো ধীরে ধীরে নষ্ট হয়ে যায়। ডোপামিন ছাড়া ঐ স্নায়ু কোষগুলো পেশি কোষগুলোতে সংবেদন পাঠাতে পারে না। তাই পারকিনসন রোগে মাংসপেশি তার কার্যকারিতা হারায়।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
95
ইঁদুরের মস্তিষ্কের নিউরন সেল

আমরা জানি, জীবদেহে শারীরবৃত্তীয় ক্রিয়া বিক্রিয়া অবিরামভাবে চলছে। এ কাজগুলো একযোগে চলে বলে এ কাজগুলোর মধ্যে সমন্বয় (co-ordination) একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। বিভিন্ন ক্রিয়াকলাপের মধ্যে সমন্বয় না থাকলে জীবের জীবনে নানারকমের অস্বাভাবিকতা দেখা দেয়।
উদ্ভিদদেহের বিভিন্ন কাজ যেমন: প্রজনন, সুপ্তাবস্থা, অঙ্কুরোদগম, বিপাক, বৃদ্ধি, চলন ইত্যাদি সকল শারীরবৃত্তীয় ক্রিয়ার মধ্যে একধরনের সমন্বয় লক্ষ করা যায়। মানবদেহেও তেমনি বিভিন্ন কাজের মধ্যে সমন্বয় রয়েছে। উদাহরণ দেওয়ার জন্য স্নায়ুতন্ত্র এবং হরমোনের সমন্বয়ের কথা বলা যায়।
এ অধ্যায়ে উদ্ভিদ ও মানবদেহে সংঘটিত বিভিন্ন সমন্বয় প্রক্রিয়া সম্পর্কে আলোচনা করা হয়েছে।

এই অধ্যায় পাঠ শেষে আমরা-
• উদ্ভিদের সমন্বয় প্রক্রিয়া ব্যাখ্যা করতে পারব।
• প্রাণীর সমন্বয় প্রক্রিয়া ব্যাখ্যা করতে পারব।
• স্নায়ুতন্ত্রের প্রধান অংশসমুহের কাজ ব্যাখ্যা করতে পারব।
• সাধারণ নিউরনের গঠন ও কাজ ব্যাখ্যা করতে পারব।
• প্রতিবর্তী প্রতিক্রিয়া ব্যাখ্যা করতে পারব।
• আবেগ সঞ্চালন প্রক্রিয়া ব্যাখ্যা করতে পারব।
• প্রাণরস বা হরমোনের প্রধান কাজ ব্যাখ্যা করতে পারব।
• প্রাণরস বা হরমোনের অম্বাভাবিকতার কারণ ও এটি থেকে সৃষ্ট প্রধান শারীরিক সমস্যাগুলো বর্ণনা করতে পারব।
• স্ট্রোকের কারণ ও লক্ষণ বর্ণনা করতে পারব।
• স্ট্রোকে তাৎক্ষণিক করণীয় ও প্রতিরোধের উপায় বর্ণনা করতে পারব।
• স্নায়বিক বৈকল্যজনিত শারীরিক সমস্যার লক্ষণ, কারণ ও প্রতিকার বর্ণনা করতে পারব।
• সমন্বয় কার্যক্রমে তামাক ও মাদকদ্রব্যের প্রভাব বিশ্লেষণ করতে পারব।
• হরমোনজনিত শারীরিক সমস্যা সৃষ্টির কারণ অনুসন্ধান করতে পারব।
• পোস্টার/লিফলেট অঙ্কন করে তামাক ও মাদক দ্রব্যের ক্ষতিকর প্রভাব সম্পর্কে সচেতনতা সৃষ্টি করতে পারব।
• স্নায়ুতন্ত্রে তামাক ও মাদক দ্রব্যের ক্ষতিকর প্রভাব সম্পর্কে সচেতন হব।

Related Question

View All
উত্তরঃ

উদ্ভিদের আলো-অন্ধকারের ছন্দই হলো বায়োলজিক্যাল ক্লক।

342
উত্তরঃ

উদ্ভিদে পুষ্প সৃষ্টিতে উষ্ণতার প্রভাবকে ভার্নালাইজেশন বলে। শীতের গম গরমকালে লাগালে ফুল আসতে বহু দেরী হয়। কিন্তু, বীজ রোপনের পূর্বে ২০-৫০ সে. উষ্ণতা প্রয়োগ করলে উদ্ভিদে স্বাভাবিক পুষ্প প্রস্ফুটন ঘটে। এ পদ্ধতিটি হলো প্রকৃতপক্ষে ভার্নালাইজেশন।

766
উত্তরঃ

উদ্ভিদের ফুল ফোটা কয়েকটি বিষয়ের উপর নির্ভর করে। যেমন- নিরবিচ্ছিন্ন আলোক দৈর্ঘ্য। উদ্দীপকের ফলজ গাছগুলো হয়তো তার প্রয়োজনীয় নিরবিচ্ছিন্ন আলো পায়নি। অর্থাৎ ফলজ গাছগুলো বড় দিনের হলেও তাদের হয়তো ছোট দিনে লাগানো হয়েছিল। তাই এই সময়ে ফলজ গাছগুলোতে ফুল ফোটেনি।
এছাড়া ফুল ফোটার জন্য উদ্ভিদদেহে তৈরি হয় কিছু হরমোন। যেমন- ফ্লোরিজেন এবং ভার্নালিন। ফ্লোরিজেন পত্রমুকুলকে পুষ্পমুকুলে প্রস্ফুটিত করে। ভার্নালিনও পুষ্প প্রস্ফুটনে সাহায্য করে।
উদ্দীপকের ফলজ গাছগুলোতে উপরে বর্ণিত পুষ্প উদ্দীপক হরমোন দুটি অর্থাৎ ফ্লোরিজেন এবং ভার্নালিন-এর কোনটিই তৈরি হয়নি বলে ফলজ গাছগুলোতে ফুল ফোটেনি।
ফলজ গাছগুলোতে আরেকটি সমস্যা ছিল ছোট অবস্থায় ফল ঝরে পড়া। উদ্ভিদদেহে কিছু হরমোন তৈরি হয় যা পাতা, ফুল, ফল ইত্যাদি ঝরাতে সাহায্য করে। এ হরমোনগুলোর মধ্যে অ্যাবসিসিক এসিড এবং ইথিলিন প্রধান। উদ্দীপকের ফলজ উদ্ভিদগুলোর ছোট ফলের বোটায় অ্যাবসিসিক এসিড বা ইথিলিন অধিক তৈরি হওয়ায় ছোট অবস্থায়। ফলগুলো ঝরে পড়েছিল।

316
উত্তরঃ

কৃষি খামারে খামারীরা ঠাণ্ডা ঘরের ভেতর ছোট ছোট চারা রেখেছিল যেখানে একটি আলো জ্বালানো ছিল। খামারীরা লাভবান হওয়ার জন্য ফসলী উদ্ভিদে আগাম ফুল, ফল ধারণের লক্ষ্যে এমন পরিবেশে গাছগুলোকে রেখেছিল। উদ্ভিদে ফুল ধারণ অনেক সময় নির্ভর করে নিরবিচ্ছিন্ন আলোেক দৈর্ঘ্যের উপর। আবার আলো উদ্ভিদের বৃদ্ধি, বিকাশ এবং শাখা-প্রশাখা তৈরীতে ভূমিকা রাখে। উপযুক্ত বৃদ্ধি, বিকশিত ও শাখান্বিত উদ্ভিদে অধিক ফুল ও ফল ধারণ করে। উদ্দীপকের ঘরটিতে রাখা আলো এ ক্ষেত্রে বিশেষ ভূমিকা রাখবে।

অন্যদিকে শৈত্য প্রদানের মাধ্যমে উদ্ভিদের ফুল ধারণকে ত্বরান্বিত করার লক্ষ্যে ছোট ছোট চারাগাছগুলোকে ঠান্ডা ঘরে রাখা হয়েছিল। শৈত্য বা ঠান্ডা প্রদানের মাধ্যমে ফুল ধারণকে ত্বরান্বিত করার এ প্রক্রিয়াকে বলা হয় ভার্নালাইজেশন। ভার্নালাইজেশনের কারণে উদ্ভিদ ভূণের অগ্রভাগে 'ভার্নালিন' নামক এক প্রকার পুষ্প উদ্দীপক হরমোন তৈরি হয়। এই ভার্নালিন পুষ্প প্রস্ফুটনে তথা ফল উৎপাদনে ভূমিকা রাখে।

সুতরাং অহনার দেখা গাছগুলোকে খামারীরা উক্ত পরিবেশে রেখেছিল অধিক ও আগাম ফুল-ফল ধরানোর লক্ষ্যে। এতে খামারীরা লাভবান হবে।

265
উত্তরঃ

যে সব উদ্দীপনার প্রতিক্রিয়া মস্তিষ্ক দ্বারা নিয়ন্ত্রিত না হয়ে সুষুম্না কাণ্ড দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হয় তাই প্রতিবর্তী ক্রিয়া।

332
উত্তরঃ

নালিবিহীন গ্রন্থি থেকে নিঃসৃত এক ধরনের রসকে বলা হয় প্রাণরস বা হরমোন। প্রাণরস রক্তস্রোতের মাধ্যমে প্রবাহিত হয়ে নির্দিষ্ট লক্ষ্য কোষে পৌঁছে কোষের প্রাণরাসায়নিক কার্যকলাপকে প্রভাবিত করে এবং জৈবিক কার্যাবলী সুষ্ঠুভাবে পরিচালিত করে।

696
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র
মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews