হিন্দুধর্ম চর্চার ক্ষেত্রে কিছু ধর্মাচার ও সংস্কার পালন করতে হয়। আমাদের প্রাত্যহিক জীবনের কয়েকটি শুভকর্ম হলো নিত্যকর্ম ও যোগাসন, তীর্থভ্রমন, গঙ্গা নদীসহ পবিত্র জলাশয়ে স্নান, অতিথি সেবা, তুলসী সেবা ইত্যাদি।
বর্তমান জন্মে কর্মফল ভোগ যদি শেষ না হয় তাহলে কৃতকর্মের ফল ভোগের জন্য মানুষের পুনঃপুনঃ জন্ম হয়। এভাবে জন্মের পর মৃত্যু, মৃত্যুর পর পূর্নজন্ম প্রক্রিয়াই জন্মান্তরবাদ।
শাস্ত্রমতে মানুষ যেরূপ চিন্তা করতে করতে দেহ ত্যাগ করেন। তিনি সেই রকম জন্মলাভ করেন। ভরত মুনি হরিণ শিশুর কথা চিন্তা করতে করতে দেহত্যাগ করেছিলেন। তাই ভরত মুনিকে হরিণরূপে জন্মগ্রহণ করতে হয়েছিল।
নারীর প্রতি মর্যাদা প্রদর্শনের উপায় হলো, নারীকে পরমা প্রকৃতি দেবীর আদ্যাশক্তি মহামায়ার অংশ মনে করে শ্রদ্ধা প্রদর্শন। আবার নারীর প্রতি মর্যাদা প্রকাশ হলো ঈশ্বরের প্রতি মর্যাদা প্রকাশ। এটি মনে রেখে নারীর প্রতি মর্যাদা প্রদর্শন করা যায়।
প্রত্যেক ধর্মেরই কিছু বৈশিষ্ট্য রয়েছে। সেই বৈশিষ্ট্যগুলো তাকে স্বাতন্ত্র্যতা দিয়েছে। হিন্দুধর্মেরও বিশেষ তত্ত্ব; কতগুলো ধর্মবিশ্বাস ও ধর্মকৃত্য রয়েছে, যেগুলো হিন্দুধর্মের নিজস্ব বৈশিষ্ট্য। যেমন- ঈশ্বরতত্ত্ব, ঈশ্বরে বিশ্বাস ও ভক্তি, কর্মবাদ ও জন্মান্তর, অবতারবাদ, মোক্ষলাভ, জীব ও জগতের কল্যাণ ভাবনা ইত্যাদি। এই বৈশিষ্ট্যগুলোর মধ্য দিয়ে প্রকাশ পেয়েছে হিন্দুধর্মের স্বরূপ।
হিন্দুধর্মে ঈশ্বরকে নিরাকার বলে বর্ণনা করা হয়েছে। তিনি এক এবং অদ্বিতীয়। নিরাকার ঈশ্বরকে বলা হয় ব্রহ্ম, যখন প্রভুত্ব করেন তখন তিনি ঈশ্বর। জীবকে যখন কৃপা করেন তখন তাকে বলা হয় ভগবান।
অবতারবাদ হিন্দুধর্মের বিশেষ বৈশিষ্ট্য। নিরাকার ঈশ্বর প্রয়োজনে সাকার রূপ ধারণ করতে পারেন। সাকার রূপ ধারণ করে পৃথিবীতে নেমে আসতে পারেন। ঈশ্বর যখন এভাবে নেমে আসেন তখন তাকে অবতার বলে। দেববাদও হিন্দুধর্মের একটি বিশেষ বৈশিষ্ট্য।
জীবের মধ্যে আত্মারূপে ঈশ্বর অবস্থান করেন। তাই জীবমাত্রই শ্রদ্ধেয় এবং তার সেবা করতে হয়। কারণ জীবসেবা যে ঈশ্বরের সেবা। জীবকে ঈশ্বরজ্ঞান করলে আর কোনো দ্বন্দ্ব-সংঘাত বা হানাহানির প্রশ্নই ওঠে না। জীবকে কষ্ট দিলে ঈশ্বর কষ্ট পায়। তাই জীবকে কষ্ট দেওয়া মানেই ঈশ্বরকে কষ্ট দেওয়া।
হিন্দুধর্ম অনুসারে ব্রহ্ম বা ঈশ্বর, অবতার, দেব-দেবী এবং জীব সব মিলিয়ে এক ঈশ্বর। তাই বলা যায়, ঈশ্বর এক ও অদ্বিতীয়। আর এসব কিছুই
ঈশ্বরের নির্ধারিত নিয়ম অনুসরণ করে বিশ্বসংসার চলছে। তিনি সৃষ্টি, স্থিতি ও বিনাশের সর্বময় কর্তা। তিনি পরম দয়ালু ও পরম করুণাময়। তাই তাঁকে ভক্তি করা কর্তব্য। দেব-দেবীরাও ঈশ্বরের অংশ। তাই দেব-দেবীদেরও ভক্তি করা হয়।
ঈশ্বর সর্বশক্তিমান। সকল কিছুর পরিচালক তিনি। জীবের জীবিকা অর্জনের জন্য কর্মও তিনি সৃষ্টি করেছেন। আমরা যা কিছু করি, সে সবই কর্ম। প্রত্যেক কর্মেরই ফল আছে। শুভ কর্মের ফল শুভ আবার অশুভ কর্মের ফল অশুভ।' এই কর্মফল কিন্তু কর্মকর্তাকে অবশ্যই ভোগ করতে হয়। ভোগ ছাড়া কোন কর্মফল নষ্ট হয় না। এটাই কর্মবাদ।
জন্মান্তরবাদ হিন্দুধর্মের অন্যতম প্রধান বৈশিষ্ট্য। কর্মফল ভোগের জন্য জীবকে প্রয়োজনে পুনরায় জন্মগ্রহণ করতে হয়। একে বলা হয় জন্মান্তরবাদ। কারণ কর্মফল কর্মকর্তাকেই ভোগ করতে হয়। ভোগ ছাড়া কর্মফল নষ্ট হয় না।
মোক্ষ কথাটির মানে হচ্ছে চিরমুক্তি লাভ। জন্ম ও মৃত্যুর চক্র' থেকে মুক্তি। জীবের আত্মা ঈশ্বর বা পরমাত্মার অংশ, চিরমুক্তি লাভ করে জীবাত্মা ঈশ্বর বা পরমাত্মার সঙ্গে মিলে যায়। তখন আর জন্মগ্রহণ করতে হয় না। একেই বলে মোক্ষ।
মোক্ষলাভের উপায় হচ্ছে সকল কর্ম ঈশ্বরে সমর্পণ করা। অর্থাৎ সকল কাজ ঈশ্বরের কাজ মনে করে সম্পাদন করা। ভোগের আকাঙ্ক্ষা পরিত্যাগ করে ত্যাগ-তিতিক্ষার মধ্য দিয়ে জীবনযাপন করা এবং জীব ও জগতের জন্য কল্যাণকর কাজ করে যাওয়া। এভাবে আমরা মোক্ষলাভ করতে পারি।
হিন্দুধর্ম অনুসারে ধর্মাচরণের মূল লক্ষ্য হচ্ছে : 'আত্মমোক্ষায় জগদ্বিতায় চ' অর্থাৎ ধর্মাচরণের জন্য লক্ষ হচ্ছে নিজের মোক্ষলাভ ও জগতের কল্যাণ। কেবল নিজের মোক্ষ বিষয়ে চিন্তা করলেই হবে না। আত্ম মোক্ষের চিন্তার পাশাপাশি জগতের কল্যাণ করতে হবে। নইলে ধর্মাচারণ অসম্পূর্ণ থেকে যাবে।
যে সকল আচার-আচরণ আমাদের জীবনকে সুন্দর ও মঙ্গলময় করে গড়ে তোলে তাই ধর্মাচার নামে স্বীকৃত। ধর্মাচারের মধ্যে রয়েছে নিত্যকর্ম ও যোগাসন, তীর্থভ্রমণ, গঙ্গা নদীসহ পবিত্র জলাশয়ে স্নান, অতিথি সেবা, তুলসি সেবা ইত্যাদি। সংস্কার হচ্ছে প্রজন্ম পরম্পরায় চলে আসা দৈনন্দিন জীবনের ক্ষেত্রে করণীয় কিছু। কাজ। যেমন- জন্মকৃত্য, বিবাহ, অন্ত্যেষ্টিক্রিয়া, শ্রাদ্ধ ইত্যাদি।
শাস্ত্রে বলে মানুষ যেরূপ চিন্তা করতে করতে দেহত্যাগ করেন তিনি সেই রকম জন্মলাভ করেন। ভরতমুনি হরিণ শিশুর চিন্তা করতে করতে দেহত্যাগ করেন। তাই. ভরতমুনিকেও হরিণরূপে জন্মগ্রহণ করতে হয়েছে।
সমাজে একজন নারীর তিনটি অবস্থান দেখা যায়। কন্যা, বধূ ও মাতা। জন্মের পর কন্যা বাবা-মায়ের স্নেহ-যত্নে বেড়ে ওঠে, শিক্ষা গ্রহণ করে। বধূ হিসেবে স্বামীর সংসার দেখাশোনা এবং মাতা হিসেবে ছেলে-মেয়েদের লালন-পালন, শিক্ষার ব্যবস্থা করা তার কাজ হয়ে পড়ে। একজন আদর্শ মায়ের হাতে আদর্শ সন্তান গড়ে উঠতে পারে।
অর্ধনারীশ্বর নামক একটি প্রতিমা রয়েছে। এই প্রতিমায় দেখা যায় অর্ধেক শিব ও অর্ধেক পাবর্তী (দুর্গা)। এর তাৎপর্যও পুরুষ ও নারীর সমতা এবং নারীর প্রতি পূর্ণ মর্যাদাবোধের প্রকাশ। ঈশ্বর সৃষ্টির জন্য নিজেকে দুভাগ করলেন। একভাগ পুরুষ এবং একভাগ নারী।
নারীর প্রতি মর্যাদা প্রদর্শনের উপায় হলো- তাঁকে পরমা প্রকৃতি দেবী আদ্যাশক্তি মহামায়ার অংশ মনে করে শ্রদ্ধা জ্ঞাপন করা এবং ধর্মগ্রন্থের অনুশাসন মেনে সমতাপূর্ণ আচরণ করা। সর্বোপরি নারীর মধ্যেও আত্মারূপে ঈশ্বর অবস্থান করেন, তাই নারীর প্রতি মর্যাদা প্রকাশ তো ঈশ্বরের প্রতি মর্যাদা প্রকাশ।
বর্তমান জন্মে কর্মফল ভোগ যদি শেষ না হয় তাহলে কৃতকর্মের ফল ভোগের জন্য মানুষের পুনঃপুন জন্ম হয়। এভাবে জন্মের পর মৃত্যু আবার মৃত্যুর পর পুনর্জন্ম প্রক্রিয়াই হলো জন্মান্তরবাদ।
ঈশ্বর নিরাকার। তিনি এক ও অদ্বিতীয়। ঈশ্বর যখন নিরাকার থাকেন তখন তাঁকে বলা হয় ব্রহ্ম। যখন তিনি প্রভুত্ব করেন তখন তিনি ঈশ্বর। আর তিনি যখন জীবকে কৃপা করেন তখন তিনিই ভগবান। বস্তুত ভগবান হলেন ঈশ্বরের সাকার রূপ।
ঈশ্বর নিরাকার। কিন্তু প্রয়োজনে তিনি সাকার রূপ ধারণ করতে পারেন। শুধু তাই নয়; সাকার রূপ ধারণ করে তিনি পৃথিবীতে নেমে আসতে পারেন। এভাবে ঈশ্বর যখন পৃথিবীতে নেমে আসেন তখন তাঁকে বলা হয় অবতার। আর এ অবতার থেকেই অবতারবাদের উৎপত্তি যা হিন্দুধর্মের একটি বিশেষ বৈশিষ্ট্য।
হিন্দুধর্মের অনুসারীরা ঈশ্বরে গভীরভাবে বিশ্বাস করে। তাঁরই নির্ধারিত নিয়ম অনুসরণ করে বিশ্বসংসার চলছে। তিনি সৃষ্টি, স্থিতি ও বিনাশের সর্বময় কর্তা। তিনি পরম দয়ালু এবং পরম করুণাময়। তাই তাঁকে ভক্তি করা কর্তব্য।
'মোক্ষ' কথাটির মানে হচ্ছে চিরমুক্তি লাভ। আর চিরমুক্তি লাভ মানে বার বার জন্ম ও মৃত্যুর চক্র থেকে মুক্তি। জীবের আত্মা ঈশ্বর বা পরমাত্মার অংশ। চিরমুক্তি লাভ করে জীবাত্মা ঈশ্বর বা পরমাত্মার সঙ্গে মিশে যায়। তখন আর জন্মগ্রহণ করতে হয় না। একেই বলে মোক্ষ।
মোক্ষ লাভের উপায় হচ্ছে সকল কর্ম ঈশ্বরে সমর্পণ করা। অর্থাৎ-
ক. সকল কাজ ঈশ্বরের কাজ মনে করে সম্পাদন করা।
খ. ভোগের আকাঙ্ক্ষা পরিত্যাগ করা।
গ. ত্যাগ-তিতিক্ষার মধ্য দিয়ে জীবনযাপন করা।
মা শুধু সন্তানদের জন্মই দেননি; বরং তিনি সন্তানদের শিক্ষা ও চরিত্র গঠনে উৎসাহ দিয়ে থাকেন। সন্তানের কাছে মায়ের মতো আর বন্ধু নাই। রোগে-শোকে, আনন্দে-উৎসবে মা-ই হচ্ছেন সন্তানের শ্রেষ্ঠ আশ্রয় ও আনন্দের উৎস। আর তাই মাকে শ্রদ্ধা ও সেবা-শুশ্রুষা করা প্রত্যেক সন্তানের কর্তব্য।
Related Question
View Allমোক্ষ' কথাটির মানে হচ্ছে চিরমুক্তি লাভ।
কর্মবাদ ও জন্মান্তর হিন্দুধর্মের দুটি ভিত্তি।
চলতি জন্মে কর্মফলের ভোগ যদি শেষ না হয় তাহলে কৃতকর্মের ফল ভোগের জন্যই মানুষের পুনরায় জন্ম হয়। এটিই কর্মবাদ। আর জন্মের পর মৃত্যু, মৃত্যুর পর পুনর্জন্ম এটি জন্মান্তর। তাই বলা হয়, জন্মান্তরের পেছনে রয়েছে কর্মবাদ।
ঈশ্বরের বিশ্বাস আত্মমুক্তি ও জগতের হিতসাধন এগুলো হচ্ছে হিন্দুধর্মের মূল বৈশিষ্ট্য।
উদ্দীপকের অধীর বাবু তার মা-বাবা, ভাই-বোন, আত্মীয়স্বজন সকলের জন্য নিবেদিত প্রাণ। সবার প্রতি তিনি শ্রদ্ধাশীল। এসব বৈশিষ্ট্য হিন্দুধর্মে প্রতিফলিত হয়েছে। হিন্দুধর্ম পবিত্রভাবে জীবনযাপন করতে উদ্বুদ্ধ করে। সৎ, মহৎ, সহনশীল ও মনুষ্যত্ব অর্জন করতে শিক্ষা দেয়। এক প্রকৃত ধর্ম পালনকারীর মধ্যে যেসব বৈশিষ্ট্য বিদ্যমান সেগুলোর সব বৈশিষ্ট্যই অধীর বাবুর চরিত্রে প্রতিফলিত হয়েছে।
হিন্দুধর্ম আমাদের মঙ্গল এবং জীবজগতের কল্যাণে নিবেদিত। এসব বৈশিষ্ট্য থেকে শিক্ষা নিয়ে যে কেউ তার জীবনকে সুন্দর করে গড়ে তুলতে ও সর্বদা মনকে ঈশ্বর চিন্তায় নিবিষ্ট করে পরম শান্তি লাভ করতে পারে।
যে পরিবারে নারীর প্রতি যথাযোগ্য সম্মান বা মর্যাদা প্রদর্শন করা হয়, দেবতারা সে পরিবারে আনন্দে বাস করে।
উদ্দীপকের অধীর বাবুর মা, বোন ও স্ত্রীর প্রতি রয়েছে অগাধ ভালোবাসা। যা পঠিত বইয়ে নারীর মর্যাদার কথা মনে করিয়ে দেয়। স্বামী হিসেবে অধীর বাবু স্ত্রীকে যথেষ্ট ভালোবাসেন এবং তাকে যথেষ্ট মর্যাদা দেন। অপরদিকে মা ও বোনকে সে প্রাণাধিক ভালোবাসেন। হিন্দুধর্মে ঈশ্বরের প্রকৃতি বা শক্তি হচ্ছে নারী। এ শক্তিকে বলা হয় আদ্যা শক্তি বা মহামায়া। শক্তি ছাড়া কোনো কাজ হয় না। আর সেই শক্তির দেবী হচ্ছেন নারী। এভাবে নারী শক্তির প্রতি হিন্দুধর্মে যথেষ্ট মর্যাদা দান করা হয়েছে। এসব বিষয়ের প্রতি বিশ্বাস স্থাপন করে অধীর বাবু তার মা, বোন ও স্ত্রীকে যথেষ্ট মর্যাদা দিয়েছেন।
পরিশেষে বলা যায়, আমাদের উচিত ধর্মগ্রন্থের অনুশাসন মেনে নারীর প্রতি সমতাপূর্ণ আচরণ করা। নারীর মধ্যেও আত্মারূপে - ঈশ্বর অবস্থান করেন, তাই নারীর প্রতি মর্যাদা প্রকাশ তো ঈশ্বরের - প্রতি মর্যাদা প্রকাশ করারই নামান্তর।
হিন্দুধর্মে ঈশ্বরকে নিরাকার বলে বর্ণনা করা হয়েছে।
প্রত্যেক ধর্মের নিজস্ব কিছু বৈশিষ্ট্য রয়েছে। হিন্দুধর্মেরও বিশেষ তত্ত্ব, কতকগুলো ধর্ম বিশ্বাস ও ধর্মকৃতা রয়েছে। যেগুলো হিন্দুধর্মের নিজস্ব বৈশিষ্ট্য। যেমন- ঈশ্বরতত্ত্ব, ঈশ্বরে বিশ্বাস ও ভক্তি, কর্মবাদ ও জন্মান্তর, অবতারবাদ, মোক্ষলাভ, জীব ও জগতের কল্যাণ ভাবনা ইত্যাদি। আর এসব বৈশিষ্ট্যের মধ্য দিয়ে প্রকাশ পেয়েছে হিন্দুধর্মের স্বরূপ।
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!
