সংক্ষিপ্ত প্রশ্ন ও সমাধান

Updated: 6 months ago
উত্তরঃ

হিন্দুধর্ম চর্চার ক্ষেত্রে কিছু ধর্মাচার ও সংস্কার পালন করতে হয়। আমাদের প্রাত্যহিক জীবনের কয়েকটি শুভকর্ম হলো নিত্যকর্ম ও যোগাসন, তীর্থভ্রমন, গঙ্গা নদীসহ পবিত্র জলাশয়ে স্নান, অতিথি সেবা, তুলসী সেবা ইত্যাদি।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
8 months ago
উত্তরঃ

বর্তমান জন্মে কর্মফল ভোগ যদি শেষ না হয় তাহলে কৃতকর্মের ফল ভোগের জন্য মানুষের পুনঃপুনঃ জন্ম হয়। এভাবে জন্মের পর মৃত্যু, মৃত্যুর পর পূর্নজন্ম প্রক্রিয়াই জন্মান্তরবাদ।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
8 months ago
উত্তরঃ

শাস্ত্রমতে মানুষ যেরূপ চিন্তা করতে করতে দেহ ত্যাগ করেন। তিনি সেই রকম জন্মলাভ করেন। ভরত মুনি হরিণ শিশুর কথা চিন্তা করতে করতে দেহত্যাগ করেছিলেন। তাই ভরত মুনিকে হরিণরূপে জন্মগ্রহণ করতে হয়েছিল।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
8 months ago
উত্তরঃ

নারীর প্রতি মর্যাদা প্রদর্শনের উপায় হলো, নারীকে পরমা প্রকৃতি দেবীর আদ্যাশক্তি মহামায়ার অংশ মনে করে শ্রদ্ধা প্রদর্শন। আবার নারীর প্রতি মর্যাদা প্রকাশ হলো ঈশ্বরের প্রতি মর্যাদা প্রকাশ। এটি মনে রেখে নারীর প্রতি মর্যাদা প্রদর্শন করা যায়।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
8 months ago
উত্তরঃ

প্রত্যেক ধর্মেরই কিছু বৈশিষ্ট্য রয়েছে। সেই বৈশিষ্ট্যগুলো তাকে স্বাতন্ত্র্যতা দিয়েছে। হিন্দুধর্মেরও বিশেষ তত্ত্ব; কতগুলো ধর্মবিশ্বাস ও ধর্মকৃত্য রয়েছে, যেগুলো হিন্দুধর্মের নিজস্ব বৈশিষ্ট্য। যেমন- ঈশ্বরতত্ত্ব, ঈশ্বরে বিশ্বাস ও ভক্তি, কর্মবাদ ও জন্মান্তর, অবতারবাদ, মোক্ষলাভ, জীব ও জগতের কল্যাণ ভাবনা ইত্যাদি। এই বৈশিষ্ট্যগুলোর মধ্য দিয়ে প্রকাশ পেয়েছে হিন্দুধর্মের স্বরূপ।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
8 months ago
উত্তরঃ

হিন্দুধর্মে ঈশ্বরকে নিরাকার বলে বর্ণনা করা হয়েছে। তিনি এক এবং অদ্বিতীয়। নিরাকার ঈশ্বরকে বলা হয় ব্রহ্ম, যখন প্রভুত্ব করেন তখন তিনি ঈশ্বর। জীবকে যখন কৃপা করেন তখন তাকে বলা হয় ভগবান।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
8 months ago
উত্তরঃ

অবতারবাদ হিন্দুধর্মের বিশেষ বৈশিষ্ট্য। নিরাকার ঈশ্বর প্রয়োজনে সাকার রূপ ধারণ করতে পারেন। সাকার রূপ ধারণ করে পৃথিবীতে নেমে আসতে পারেন। ঈশ্বর যখন এভাবে নেমে আসেন তখন তাকে অবতার বলে। দেববাদও হিন্দুধর্মের একটি বিশেষ বৈশিষ্ট্য।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
8 months ago
উত্তরঃ

জীবের মধ্যে আত্মারূপে ঈশ্বর অবস্থান করেন। তাই জীবমাত্রই শ্রদ্ধেয় এবং তার সেবা করতে হয়। কারণ জীবসেবা যে ঈশ্বরের সেবা। জীবকে ঈশ্বরজ্ঞান করলে আর কোনো দ্বন্দ্ব-সংঘাত বা হানাহানির প্রশ্নই ওঠে না। জীবকে কষ্ট দিলে ঈশ্বর কষ্ট পায়। তাই জীবকে কষ্ট দেওয়া মানেই ঈশ্বরকে কষ্ট দেওয়া।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
8 months ago
উত্তরঃ

হিন্দুধর্ম অনুসারে ব্রহ্ম বা ঈশ্বর, অবতার, দেব-দেবী এবং জীব সব মিলিয়ে এক ঈশ্বর। তাই বলা যায়, ঈশ্বর এক ও অদ্বিতীয়। আর এসব কিছুই

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
8 months ago
উত্তরঃ

ঈশ্বরের নির্ধারিত নিয়ম অনুসরণ করে বিশ্বসংসার চলছে। তিনি সৃষ্টি, স্থিতি ও বিনাশের সর্বময় কর্তা। তিনি পরম দয়ালু ও পরম করুণাময়। তাই তাঁকে ভক্তি করা কর্তব্য। দেব-দেবীরাও ঈশ্বরের অংশ। তাই দেব-দেবীদেরও ভক্তি করা হয়।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
8 months ago
উত্তরঃ

ঈশ্বর সর্বশক্তিমান। সকল কিছুর পরিচালক তিনি। জীবের জীবিকা অর্জনের জন্য কর্মও তিনি সৃষ্টি করেছেন। আমরা যা কিছু করি, সে সবই কর্ম। প্রত্যেক কর্মেরই ফল আছে। শুভ কর্মের ফল শুভ আবার অশুভ কর্মের ফল অশুভ।' এই কর্মফল কিন্তু কর্মকর্তাকে অবশ্যই ভোগ করতে হয়। ভোগ ছাড়া কোন কর্মফল নষ্ট হয় না। এটাই কর্মবাদ।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
8 months ago
উত্তরঃ

জন্মান্তরবাদ হিন্দুধর্মের অন্যতম প্রধান বৈশিষ্ট্য। কর্মফল ভোগের জন্য জীবকে প্রয়োজনে পুনরায় জন্মগ্রহণ করতে হয়। একে বলা হয় জন্মান্তরবাদ। কারণ কর্মফল কর্মকর্তাকেই ভোগ করতে হয়। ভোগ ছাড়া কর্মফল নষ্ট হয় না।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
8 months ago
উত্তরঃ

মোক্ষ কথাটির মানে হচ্ছে চিরমুক্তি লাভ। জন্ম ও মৃত্যুর চক্র' থেকে মুক্তি। জীবের আত্মা ঈশ্বর বা পরমাত্মার অংশ, চিরমুক্তি লাভ করে জীবাত্মা ঈশ্বর বা পরমাত্মার সঙ্গে মিলে যায়। তখন আর জন্মগ্রহণ করতে হয় না। একেই বলে মোক্ষ।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
8 months ago
উত্তরঃ

মোক্ষলাভের উপায় হচ্ছে সকল কর্ম ঈশ্বরে সমর্পণ করা। অর্থাৎ সকল কাজ ঈশ্বরের কাজ মনে করে সম্পাদন করা। ভোগের আকাঙ্ক্ষা পরিত্যাগ করে ত্যাগ-তিতিক্ষার মধ্য দিয়ে জীবনযাপন করা এবং জীব ও জগতের জন্য কল্যাণকর কাজ করে যাওয়া। এভাবে আমরা মোক্ষলাভ করতে পারি।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
8 months ago
উত্তরঃ

হিন্দুধর্ম অনুসারে ধর্মাচরণের মূল লক্ষ্য হচ্ছে : 'আত্মমোক্ষায় জগদ্বিতায় চ' অর্থাৎ ধর্মাচরণের জন্য লক্ষ হচ্ছে নিজের মোক্ষলাভ ও জগতের কল্যাণ। কেবল নিজের মোক্ষ বিষয়ে চিন্তা করলেই হবে না। আত্ম মোক্ষের চিন্তার পাশাপাশি জগতের কল্যাণ করতে হবে। নইলে ধর্মাচারণ অসম্পূর্ণ থেকে যাবে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
8 months ago
উত্তরঃ

যে সকল আচার-আচরণ আমাদের জীবনকে সুন্দর ও মঙ্গলময় করে গড়ে তোলে তাই ধর্মাচার নামে স্বীকৃত। ধর্মাচারের মধ্যে রয়েছে নিত্যকর্ম ও যোগাসন, তীর্থভ্রমণ, গঙ্গা নদীসহ পবিত্র জলাশয়ে স্নান, অতিথি সেবা, তুলসি সেবা ইত্যাদি। সংস্কার হচ্ছে প্রজন্ম পরম্পরায় চলে আসা দৈনন্দিন জীবনের ক্ষেত্রে করণীয় কিছু। কাজ। যেমন- জন্মকৃত্য, বিবাহ, অন্ত্যেষ্টিক্রিয়া, শ্রাদ্ধ ইত্যাদি।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
8 months ago
উত্তরঃ

শাস্ত্রে বলে মানুষ যেরূপ চিন্তা করতে করতে দেহত্যাগ করেন তিনি সেই রকম জন্মলাভ করেন। ভরতমুনি হরিণ শিশুর চিন্তা করতে করতে দেহত্যাগ করেন। তাই. ভরতমুনিকেও হরিণরূপে জন্মগ্রহণ করতে হয়েছে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
8 months ago
উত্তরঃ

সমাজে একজন নারীর তিনটি অবস্থান দেখা যায়। কন্যা, বধূ ও মাতা। জন্মের পর কন্যা বাবা-মায়ের স্নেহ-যত্নে বেড়ে ওঠে, শিক্ষা গ্রহণ করে। বধূ হিসেবে স্বামীর সংসার দেখাশোনা এবং মাতা হিসেবে ছেলে-মেয়েদের লালন-পালন, শিক্ষার ব্যবস্থা করা তার কাজ হয়ে পড়ে। একজন আদর্শ মায়ের হাতে আদর্শ সন্তান গড়ে উঠতে পারে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
8 months ago
উত্তরঃ

অর্ধনারীশ্বর নামক একটি প্রতিমা রয়েছে। এই প্রতিমায় দেখা যায় অর্ধেক শিব ও অর্ধেক পাবর্তী (দুর্গা)। এর তাৎপর্যও পুরুষ ও নারীর সমতা এবং নারীর প্রতি পূর্ণ মর্যাদাবোধের প্রকাশ। ঈশ্বর সৃষ্টির জন্য নিজেকে দুভাগ করলেন। একভাগ পুরুষ এবং একভাগ নারী।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
8 months ago
উত্তরঃ

নারীর প্রতি মর্যাদা প্রদর্শনের উপায় হলো- তাঁকে পরমা প্রকৃতি দেবী আদ্যাশক্তি মহামায়ার অংশ মনে করে শ্রদ্ধা জ্ঞাপন করা এবং ধর্মগ্রন্থের অনুশাসন মেনে সমতাপূর্ণ আচরণ করা। সর্বোপরি নারীর মধ্যেও আত্মারূপে ঈশ্বর অবস্থান করেন, তাই নারীর প্রতি মর্যাদা প্রকাশ তো ঈশ্বরের প্রতি মর্যাদা প্রকাশ।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
8 months ago
উত্তরঃ

বর্তমান জন্মে কর্মফল ভোগ যদি শেষ না হয় তাহলে কৃতকর্মের ফল ভোগের জন্য মানুষের পুনঃপুন জন্ম হয়। এভাবে জন্মের পর মৃত্যু আবার মৃত্যুর পর পুনর্জন্ম প্রক্রিয়াই হলো জন্মান্তরবাদ।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
8 months ago
উত্তরঃ

ঈশ্বর নিরাকার। তিনি এক ও অদ্বিতীয়। ঈশ্বর যখন নিরাকার থাকেন তখন তাঁকে বলা হয় ব্রহ্ম। যখন তিনি প্রভুত্ব করেন তখন তিনি ঈশ্বর। আর তিনি যখন জীবকে কৃপা করেন তখন তিনিই ভগবান। বস্তুত ভগবান হলেন ঈশ্বরের সাকার রূপ।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
8 months ago
উত্তরঃ

ঈশ্বর নিরাকার। কিন্তু প্রয়োজনে তিনি সাকার রূপ ধারণ করতে পারেন। শুধু তাই নয়; সাকার রূপ ধারণ করে তিনি পৃথিবীতে নেমে আসতে পারেন। এভাবে ঈশ্বর যখন পৃথিবীতে নেমে আসেন তখন তাঁকে বলা হয় অবতার। আর এ অবতার থেকেই অবতারবাদের উৎপত্তি যা হিন্দুধর্মের একটি বিশেষ বৈশিষ্ট্য।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
8 months ago
উত্তরঃ

হিন্দুধর্মের অনুসারীরা ঈশ্বরে গভীরভাবে বিশ্বাস করে। তাঁরই নির্ধারিত নিয়ম অনুসরণ করে বিশ্বসংসার চলছে। তিনি সৃষ্টি, স্থিতি ও বিনাশের সর্বময় কর্তা। তিনি পরম দয়ালু এবং পরম করুণাময়। তাই তাঁকে ভক্তি করা কর্তব্য।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
8 months ago
উত্তরঃ

'মোক্ষ' কথাটির মানে হচ্ছে চিরমুক্তি লাভ। আর চিরমুক্তি লাভ মানে বার বার জন্ম ও মৃত্যুর চক্র থেকে মুক্তি। জীবের আত্মা ঈশ্বর বা পরমাত্মার অংশ। চিরমুক্তি লাভ করে জীবাত্মা ঈশ্বর বা পরমাত্মার সঙ্গে মিশে যায়। তখন আর জন্মগ্রহণ করতে হয় না। একেই বলে মোক্ষ।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
8 months ago
উত্তরঃ

মোক্ষ লাভের উপায় হচ্ছে সকল কর্ম ঈশ্বরে সমর্পণ করা। অর্থাৎ-
ক. সকল কাজ ঈশ্বরের কাজ মনে করে সম্পাদন করা।
খ. ভোগের আকাঙ্ক্ষা পরিত্যাগ করা।
গ. ত্যাগ-তিতিক্ষার মধ্য দিয়ে জীবনযাপন করা।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
8 months ago
উত্তরঃ

মা শুধু সন্তানদের জন্মই দেননি; বরং তিনি সন্তানদের শিক্ষা ও চরিত্র গঠনে উৎসাহ দিয়ে থাকেন। সন্তানের কাছে মায়ের মতো আর বন্ধু নাই। রোগে-শোকে, আনন্দে-উৎসবে মা-ই হচ্ছেন সন্তানের শ্রেষ্ঠ আশ্রয় ও আনন্দের উৎস। আর তাই মাকে শ্রদ্ধা ও সেবা-শুশ্রুষা করা প্রত্যেক সন্তানের কর্তব্য।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
8 months ago
40

হিন্দুধর্ম একটি সুপ্রাচীন ধর্ম। এ ধর্মের প্রতিষ্ঠাতা হিসেবে কোনো একজন মাত্র ব্যক্তিকে চিহ্নিত করা যায় না। বহু সাধকের সাধনায় এ ধর্ম বিকশিত হয়ে চলছে। ঈশ্বরের স্বরূপ, তাঁর প্রতি বিশ্বাস, কর্মবাদ, জন্মান্তর, অবতারতত্ত্ব, দেব- দেবীর পূজা, মোক্ষলাভ, নারীর প্রতি মর্যাদাবোধ এগুলো হিন্দুধর্মের প্রধান বৈশিষ্ট্য। এসকল বৈশিষ্ট্যের মধ্য দিয়েই হিন্দুধর্মের স্বরূপ উপলব্ধি ও ব্যাখ্যা করা যায়।

আবার হিন্দুধর্মের স্বরূপ ব্যাখ্যা করতে গিয়ে আমরা হিন্দুধর্মের ভিত্তিস্বরূপ কতিপয় বিশ্বাস ও ধর্মকৃত্যের সঙ্গে পরিচিত হই।

এ অধ্যায়ে দুটি পরিচ্ছেদে যথাক্রমে হিন্দুধর্মের স্বরূপ ও ধর্মবিশ্বাস সম্পর্কে আলোকপাত করা হয়েছে।

এ অধ্যায় শেষে আমরা-

  • হিন্দুধর্মের স্বরূপ-বৈশিষ্ট্য চিহ্নিত করতে পারব
  • হিন্দুধর্মের বৈশিষ্ট্য হিসেবে ঈশ্বরতত্ত্ব, ঈশ্বরের প্রতি ভক্তি ও বিশ্বাসের ধারণা ব্যাখ্যা করতে পারব
  • হিন্দুধর্মের কতিপয় মৌলিক বিশ্বাসের ধারণা ব্যাখ্যা করতে পারব (যেমন-কর্মবাদ ও জন্মান্তরবাদ জগতের কল্যাণ এবং মোক্ষ)
  • ধর্মকৃত্য হিসেবে উপাসনা পদ্ধতি, পূজা, ধর্মাচার ও সংস্কার ব্যাখ্যা করতে পারব
  • ধর্মবিশ্বাস হিসেবে কর্মবাদ ও জন্মান্তরবাদ ধারণা দুটি ব্যাখ্যা করতে পারব
  • কর্মফল ও জন্মান্তর সম্পর্কে একটি ধর্মীয় উপাখ্যান ও তার শিক্ষা বর্ণনা করতে পারব
  • ধর্মীয় শিক্ষার আলোকে নারীর মর্যাদার ধারণা ব্যাখ্যা করতে পারব
  • নারীর মর্যাদা প্রদানে করণীয় সম্পর্কে ব্যাখ্যা করতে পারব
  • কর্মবাদ ও জন্মান্তরবাদে বিশ্বাস রেখে ত্যাগী হয়ে শুভকর্মে লিপ্ত থাকব
  • নারীর প্রতি মর্যাদা ও শ্রদ্ধা পোষণ করব।

Related Question

View All
উত্তরঃ

কর্মবাদ ও জন্মান্তর হিন্দুধর্মের দুটি ভিত্তি।
চলতি জন্মে কর্মফলের ভোগ যদি শেষ না হয় তাহলে কৃতকর্মের ফল ভোগের জন্যই মানুষের পুনরায় জন্ম হয়। এটিই কর্মবাদ। আর জন্মের পর মৃত্যু, মৃত্যুর পর পুনর্জন্ম এটি জন্মান্তর। তাই বলা হয়, জন্মান্তরের পেছনে রয়েছে কর্মবাদ।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
9 months ago
117
উত্তরঃ

ঈশ্বরের বিশ্বাস আত্মমুক্তি ও জগতের হিতসাধন এগুলো হচ্ছে হিন্দুধর্মের মূল বৈশিষ্ট্য।

উদ্দীপকের অধীর বাবু তার মা-বাবা, ভাই-বোন, আত্মীয়স্বজন সকলের জন্য নিবেদিত প্রাণ। সবার প্রতি তিনি শ্রদ্ধাশীল। এসব বৈশিষ্ট্য হিন্দুধর্মে প্রতিফলিত হয়েছে। হিন্দুধর্ম পবিত্রভাবে জীবনযাপন করতে উদ্বুদ্ধ করে। সৎ, মহৎ, সহনশীল ও মনুষ্যত্ব অর্জন করতে শিক্ষা দেয়। এক প্রকৃত ধর্ম পালনকারীর মধ্যে যেসব বৈশিষ্ট্য বিদ্যমান সেগুলোর সব বৈশিষ্ট্যই অধীর বাবুর চরিত্রে প্রতিফলিত হয়েছে।

হিন্দুধর্ম আমাদের মঙ্গল এবং জীবজগতের কল্যাণে নিবেদিত। এসব বৈশিষ্ট্য থেকে শিক্ষা নিয়ে যে কেউ তার জীবনকে সুন্দর করে গড়ে তুলতে ও সর্বদা মনকে ঈশ্বর চিন্তায় নিবিষ্ট করে পরম শান্তি লাভ করতে পারে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
9 months ago
127
উত্তরঃ

যে পরিবারে নারীর প্রতি যথাযোগ্য সম্মান বা মর্যাদা প্রদর্শন করা হয়, দেবতারা সে পরিবারে আনন্দে বাস করে।

উদ্দীপকের অধীর বাবুর মা, বোন ও স্ত্রীর প্রতি রয়েছে অগাধ ভালোবাসা। যা পঠিত বইয়ে নারীর মর্যাদার কথা মনে করিয়ে দেয়। স্বামী হিসেবে অধীর বাবু স্ত্রীকে যথেষ্ট ভালোবাসেন এবং তাকে যথেষ্ট মর্যাদা দেন। অপরদিকে মা ও বোনকে সে প্রাণাধিক ভালোবাসেন। হিন্দুধর্মে ঈশ্বরের প্রকৃতি বা শক্তি হচ্ছে নারী। এ শক্তিকে বলা হয় আদ্যা শক্তি বা মহামায়া। শক্তি ছাড়া কোনো কাজ হয় না। আর সেই শক্তির দেবী হচ্ছেন নারী। এভাবে নারী শক্তির প্রতি হিন্দুধর্মে যথেষ্ট মর্যাদা দান করা হয়েছে। এসব বিষয়ের প্রতি বিশ্বাস স্থাপন করে অধীর বাবু তার মা, বোন ও স্ত্রীকে যথেষ্ট মর্যাদা দিয়েছেন।

পরিশেষে বলা যায়, আমাদের উচিত ধর্মগ্রন্থের অনুশাসন মেনে নারীর প্রতি সমতাপূর্ণ আচরণ করা। নারীর মধ্যেও আত্মারূপে - ঈশ্বর অবস্থান করেন, তাই নারীর প্রতি মর্যাদা প্রকাশ তো ঈশ্বরের - প্রতি মর্যাদা প্রকাশ করারই নামান্তর।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
9 months ago
84
উত্তরঃ

প্রত্যেক ধর্মের নিজস্ব কিছু বৈশিষ্ট্য রয়েছে। হিন্দুধর্মেরও বিশেষ তত্ত্ব, কতকগুলো ধর্ম বিশ্বাস ও ধর্মকৃতা রয়েছে। যেগুলো হিন্দুধর্মের নিজস্ব বৈশিষ্ট্য। যেমন- ঈশ্বরতত্ত্ব, ঈশ্বরে বিশ্বাস ও ভক্তি, কর্মবাদ ও জন্মান্তর, অবতারবাদ, মোক্ষলাভ, জীব ও জগতের কল্যাণ ভাবনা ইত্যাদি। আর এসব বৈশিষ্ট্যের মধ্য দিয়ে প্রকাশ পেয়েছে হিন্দুধর্মের স্বরূপ।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
9 months ago
114
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র
মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews