সংক্ষিপ্ত প্রশ্ন ও সমাধান

Updated: 6 months ago
উত্তরঃ

পৃথিবীর সব জীব, জড় ও ভৌত অবস্থা মিলে আমাদের পরিবেশ গঠিত হয় ।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

জীব জড়জগৎ থেকে সক্রিয়ভাবে তার প্রয়োজনীয় উপাদান সংগ্রহ করে ।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

সবুজ উদ্ভিদ বায়ু থেকে কার্বন ডাইঅক্সাইড গ্রহণ করে ।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

সবুজ উদ্ভিদ মাটি থেকে পানি সংগ্রহ করে ।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

সালোকসংশ্লেষণ প্রক্রিয়ায় সবুজ উদ্ভিদ তৈরি করে কার্বহাইড্রেট (শর্করা) ।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

সালোকসংশ্লেষণ প্রক্রিয়ায় সবুজ উদ্ভিদ অক্সিজেন ত্যাগ করে ।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

বাস্তুতন্ত্রের প্রধান উপাদান ৩টি ।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

বাস্তুতন্ত্রের সকল জড় উপাদানকে দুই ভাগে ভাগ করা যায় ।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

বাস্তুতন্ত্রের জীব উপাদান ৩ ভাগে বিভক্ত ।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

খাদকের স্তর চারটি ।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

জৈব উপাদান হিউমাস নামে পরিচিত ।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

বাস্তুতন্ত্রের সক্রিয় উপাদান জীবকুল ।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

পরিবেশের জীবজ উপাদান তিন প্রকার ।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

উৎপাদক ও বিয়োজক পরিবেশের জীবজ উপাদান ।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

সবুজ উদ্ভিদকুলকে উৎপাদক বলা হয় ।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

বাস্তুতন্ত্রের উৎপাদন প্রক্রিয়ার নাম সালোকসংশ্লেষণ ।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

উৎপাদক উদ্ভিদগুলো স্বভোজী নামে পরিচিত ।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

যারা নিজের খাবার নিজেরা তৈরি করতে পারে তাদেরকে স্বভোজী বলা হয় ।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

যারা খাদ্যের জন্য অন্যের উপর নির্ভর করে তাদেরকে পরভোজী বলে ।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

যেসব প্রাণী সরাসরি উদ্ভিদ থেকে খাদ্য গ্রহণ করে তাদেরকে তৃণভোজী বলে ।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

তৃণভোজী প্রাণীর অপর নাম প্রথম শ্রেণির খাদক ।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

আবর্জনাভুক প্রাণীকে ধাঙড় বলা হয় ।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

অণুজীবগুলোকে বিয়োজক বা পরিবর্তক বলা হয়।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

পানিতে ভাসমান ক্ষুদ্র জীবদের প্ল্যাংকটন বলে ।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

পানিতে ভাসমান উদ্ভিদ প্ল্যাংকটনকে ফাইটোপ্ল্যাংকটন বলে ।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

পানিতে ভাসমান ক্ষুদ্র প্রাণীদের জু-প্ল্যাংকটন বলে ।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

পরজীবী ও মৃতজীবী খাদ্য শিকল সব সময় অসম্পূর্ণ থাকে ।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

কয়েকটি খাদ্যশিকল একত্রিত হয়ে জালের মতো গঠন তৈরি করে ।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

বাস্তুতন্ত্রের শক্তির মূল উৎস সূর্য ।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

আলো এবং তাপ শক্তির শতকরা ২ ভাগ সালোকসংশ্লেষণ প্রক্রিয়ায় সবুজ উদ্ভিদ ব্যবহার করে ।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

উদ্ভিদ সালোকসংশ্লেষণ প্রক্রিয়ায় খাদ্য প্রস্তুত করে ।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

পুষ্টিদ্রব্যের চক্রাকারে প্রবাহিত হওয়ার প্রক্রিয়াকে পুষ্টিপ্রবাহ বলে ।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

খাদ্যশিকলের প্রতিটি স্তরকে ট্রফিক লেভেল বলে ।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

শক্তি পিরামিডের ভূমিতে উৎপাদক থাকে ।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

শক্তি পিরামিডের সবার উপরে চূড়ান্ত খাদক থাকে ।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

শক্তির প্রবাহ একমুখী ।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

প্রতিটি ধাপে প্রায় ৯০ ভাগ শক্তি ব্যবহারযোগ্যতা হারায় ।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

জীব বৈচিত্রকে তিন ভাগে ভাগ করা যায় ।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

প্রজাতিগত বৈচিত্র্য বলতে প্রজাতির সংখ্যা বুঝায় ।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

এক প্রজাতির সাথে অন্য প্রজাতির বিভিন্ন বিষয়ে ভিন্নতাকে প্রজাতিগত বৈচিত্র্য বলে ।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

জিনের মাধ্যমে জীবের বংশগত বৈশিষ্ট্য বংশানুক্রমে সঞ্চারিত হয় ।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

পরিবেশের উপাদানগুলো পরস্পরের সাথে অঙ্গাঅঙ্গিভাবে সম্পর্কযুক্ত ।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

চেসাপিক উপকূল যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থিত ।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

চেসাপিক উপকূলে একসময় অসংখ্য ঝিনুক ছিল ।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

একটি পূর্ণবয়স্ক ব্যাঙ একদিনে তার ওজনের সমপরিমাণ পরিমাণ পোকা-মাকড় খেতে পারে ।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

একটি পেঁচা দিনে কমপক্ষে তিনটি ইঁদুর হজম করতে পারে ।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

সহবস্থানকারী জীবগুলোর মধ্যে যে ক্রিয়া-বিক্রিয়া ঘটে তাকে মিথস্ক্রিয়া বলে ।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

আন্তঃনির্ভরশীল সম্পর্ক দুই ভাবে হতে পারে ।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

যে আন্তঃসম্পর্কে দুটি জীবের একটি অন্যটিকে সহায়তা করে তাকে ধনাত্মক আন্তঃক্রিয়া বলে ।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

ধনাত্মক আন্তঃক্রিয়ার ধরন দুইটি ।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

ঋণাত্মক আন্তঃক্রিয়াকে তিন ভাগে ভাগ করা যায় ।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

রাইজোবিয়াম ব্যাকটেরিয়া শিম জাতীয় উদ্ভিদের শিকড়ে অবস্থান করে ।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

কাকের বাসায় কোকিল পাখি ডিমপাড়ে ।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

আলেক্সান্ডার ফ্লেমিং পেনিসিলিন আবিষ্কার করেন ।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

পেনিসিলিয়াম ছত্রাক থেকে পেনিসিলিন অ্যান্টিবায়োটিক আবিষ্কার করা হয় ।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

স্বর্ণলতা হস্টোরিয়া নামক চোষক অঙ্গের মাধ্যমে আশ্রয়দাতা উদ্ভিদ থেকে খাদ্য সংগ্রহ করে ।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

সমুদ্রের পানির উচ্চতা বেড়ে যাওয়ার কারণ গ্রিনহাউস এফেক্ট ।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

মিথেন (CH4) গ্রীনহাউজ গ্যাস ধরনের গ্যাস ।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

জীববৈচিত্র্য না থাকলে মানুষ টিকে থাকতে পারবে না ।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

পরিবেশ সুরক্ষিত থাকলে গ্রিনহাউস এফেক্ট থেকে রক্ষা পাওয়া যাবে ।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

জীবজগতে বিভিন্ন প্রকার গাছপালা ও প্রাণীদের মধ্যে বিদ্যমান জৈবিক সম্পর্কগুলোকে সহ-অবস্থান বা সিমবায়োসিস নামে আখ্যায়িত করা হয়। যেমন- একটি বনে বসবাস করা হাতি, ঘোড়া, বাঘ, ভাল্লুক, হরিণ, পাখি প্রভৃতি প্রাণী জৈবিক প্রয়োজনে একে অপরের ওপর নির্ভরশীল।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

জলজ পরিবেশে ভাসমান আণুবীক্ষণিক উদ্ভিদ ও প্রাণী কণাকে প্ল্যাংকটন বলে। উদ্ভিদের ক্ষেত্রে এদেরকে ফাইটোপ্ল্যাংকটন এবং প্রাণীদের ক্ষেত্রে জুপ্ল্যাংকটন বলে। যেকোনো বাস্তুতন্ত্রে প্ল্যাংকটনগুলো গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। কারণ ফাইটোপ্ল্যাংকটন হলো উৎপাদক।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

পরজীবী উদ্ভিদ ও প্রাণী অধিকাংশ ক্ষেত্রে নিজেদের চেয়ে বড় আকারের পোষক দেহ থেকে খাদ্য গ্রহণ করে। আবার কখনও কখনও একটি পরজীবীর উপর আরেক ধরনের ক্ষুদ্রতর পরজীবী খাদ্যের জন্য নির্ভরশীল হয়। পরজীবী খাদ্য শৃঙ্খল অনেক সময় অসম্পূর্ণ থাকে। যেমন- মানুষ → মশা → ডেঙ্গু ভাইরাস।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

একটি জীব কর্তৃক সৃষ্ট জৈব রাসায়নিক পদার্থের কারণে যদি অন্য জীবের বৃদ্ধি ও বিকাশ আংশিক বা সম্পূর্ণরূপে বাধাপ্রাপ্ত হয় অথবা মৃত্যু ঘটে তখন সেই প্রক্রিয়াকে এন্টিবায়োসিস বলে। অণু জীবজগতে এ ধরনের সম্পর্ক অনেক বেশি দেখা যায়।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

যে আন্তঃসম্পর্কে দুটি জীবের একটি অন্যটিকে সহায়তা করে তাকে ধনাত্মক আন্তঃক্রিয়া বলে। আর এ ধনাত্মক আন্তঃক্রিয়ার একটি ভাগ হলো মিউচুয়ালিজম। মিউচুয়ালিজমের ক্ষেত্রে সহযোগীদের উভয়ই একে অন্যের দ্বারা উপকৃত হয়। যেমন: মৌমাছি, প্রজাপতি, পোকামাকড় প্রভৃতি ফুলের মধু আহরণের জন্য ফুলে ফুলে উড়ে বেড়ায় এবং বিনিময়ে ফুলের পরাগায়ন ঘটায়।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

বাস্তুতন্ত্র হলো জীব ও তাদের চারপাশে জড় এবং ভৌত পরিবেশের মধ্যে পারস্পরিক সম্পর্ক ও মিথস্ক্রিয়ার সমষ্টি। এটি জীবজগৎ এবং জড় পরিবেশের মধ্যে শক্তি ও বস্তুর আদান-প্রদানের একটি কার্যক্রম। উদ্ভিদ, প্রাণী, অণুজীব এবং পরিবেশের অজৈব উপাদান একত্রে বাস্তুতন্ত্র গঠন করে। এখানে প্রত্যেক উপাদান নিজ নিজ ভূমিকা পালন করে প্রাকৃতিক ভারসাম্য বজায় রাখে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

বাস্তুতন্ত্র গঠিত হয় জীব সম্প্রদায়, পরিবেশের জড় পদার্থ এবং ভৌত পরিবেশের সমন্বয়ে। এখানে শক্তি এবং বস্তুর আদান-প্রদানের মাধ্যমে জড় পদার্থ ও জীবজগতের মধ্যে আন্তঃসম্পর্ক বজায় থাকে। উদ্ভিদ খাদ্য উৎপাদন করে, প্রাণীরা উদ্ভিদ বা অন্যান্য প্রাণীর উপর নির্ভরশীল থাকে এবং মৃত জীবদের পচন প্রক্রিয়ার মাধ্যমে আবার পরিবেশে ফিরে যায়। এভাবে একটি নির্দিষ্ট অঞ্চলে বাস্তুতন্ত্র গড়ে ওঠে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

বাস্তুতন্ত্রের উপাদানগুলোকে তিন ভাগে ভাগ করা যায়। যথা-জড় উপাদান, ভৌত উপাদান ও জীবজ উপাদান। নিচে বাস্তুতন্ত্রের উপাদানগুলো ছক আকারে উপস্থাপন করা হলো-

উপাদানের ধরনউপাদান
জড় উপাদানজৈব ও অজৈব পদার্থ, পানি, ক্যালসিয়াম, পটাশিয়াম, লৌহ, অক্সিজেন, নাইট্রোজেন ইত্যাদি।
ভৌত উপাদানসূর্যালোকের পরিমাণ, তাপমাত্রা, বায়ুর চাপ, বায়ুপ্রবাহ ইত্যাদি।
জীবজ উপাদানউৎপাদক, খাদক ও বিয়োজক।
Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

"?" চিহ্নিত উপাদানটি হলো খাদক। যেসব প্রাণী অন্য কোনো প্রাণী বা উদ্ভিদ খেয়ে বেঁচে থাকে তাদেরকে খাদক বলে। খাদকরা নিজের খাদ্য নিজেরা তৈরি করতে পারে না। তাই এরা উৎপাদক ও অন্যান্য জীবের উপর খাদ্যের জন্য নির্ভর করে। এদেরকে প্রথম, দ্বিতীয়, তৃতীয় ও সর্বোচ্চ স্তরের খাদক হিসেবে ভাগ করা হয়।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

বাস্তুতন্ত্রে উৎপাদক, বিভিন্ন স্তরের খাদক ও বিয়োজকসমূহ একে অপরের সাথে নিবিড়ভাবে সম্পর্কযুক্ত। পুষ্টি উপাদান উৎপাদক হতে শুরু করে বিভিন্ন স্তর হয়ে বিয়োজক দ্বারা পুনরায় উৎপাদকে ফিরে আসে। অর্থাৎ বাস্তুতন্ত্রে খাদ্য ও পুষ্টির জন্য এতে উপস্থিত উপাদানসমূহ একে অপরের উপর নির্ভরশীল। এতে বাইরের কোনো প্রভাব থাকে না। তাই বলা যায় বাস্তুতন্ত্র একটি স্বয়ংসম্পূর্ণ একক।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

বাস্তুতন্ত্রের জড় উপাদানগুলো জীবজগতের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এগুলো জীবদের জন্য বাসস্থান তৈরি করে, শ্বসনের জন্য অক্সিজেন সরবরাহ করে এবং খাদ্যের জন্য প্রয়োজনীয় পুষ্টি উপাদান সরবরাহ করে। উদাহরণয়রূপ, মাটি উদ্ভিদের জন্য খনিজ লবণ সরবরাহ করে, পানি শারীরবৃত্তীয় প্রক্রিয়ায় সহায়তা করে এবং বায়ু শ্বাস-প্রশ্বাসের জন্য প্রয়োজনীয় গ্যাস সরবরাহ করে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

বাস্তুতন্ত্রের অজৈব উপাদানগুলো হলো ক্যালসিয়াম, পটাসিয়াম, লৌহ, নাইট্রোজেন, অক্সিজেন, কার্বন ডাইঅক্সাইড ইত্যাদি। উল্লেখিত উপাদানগুলোর মধ্যে ক্যালসিয়াম, পটাসিয়াম, লৌহ, নাইট্রোজেন জীব পুষ্টি ও বৃদ্ধি সহায়তা করে এবং অক্সিজেন ও কার্বন ডাইঅক্সাইড প্রাণী ও উদ্ভিদের বেঁচে থাকার একমাত্র নিয়ামক। সুতরাং বলা যায় বাস্তুতন্ত্রে অজৈব উপাদানসমূহের প্রয়োজন অনস্বীকার্য।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

পচন প্রক্রিয়ার মাধ্যমে ব্যাকটেরিয়া ও অন্যান্য অণুজীব মৃত উদ্ভিদ এবং প্রাণীর দেহকে ভেঙে পরিবেশে মিশিয়ে দেয়। এই প্রক্রিয়ায় বর্জ্য পদার্থ ও মৃতজীবের উপাদানগুলো পুনরায় মাটি, পানি বা বায়ুতে ফিরে আসে, যা উদ্ভিদ ও প্রাণীদের জন্য পুষ্টি সরবরাহ করে। এটি প্রাকৃতিক পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা করতে সাহায্য করে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

অজৈব বস্তু হলো পরিবেশের এমন পদার্থ, যা জীবদেহ থেকে আসেনি বরং জীবজগতের উদ্ভবের আগেই পরিবেশে ছিল। যেমন-পানি, বায়ু, মাটিতে থাকা খনিজ পদার্থ (ক্যালসিয়াম, পটাশিয়াম, লৌহ, নাইট্রোজেন, অক্সিজেন, কার্বন ডাই-অক্সাইড ইত্যাদি)। এই উপাদানগুলো বাস্তুতন্ত্রের ভিত্তি তৈরি করে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

জৈব বস্তু হলো উদ্ভিদ ও প্রাণীর বর্জ্য পদার্থ বা মৃতদেহ থেকে পরিবেশে যোগ হওয়া উপাদান। এগুলো সাধারণত হিউমাস নামে পরিচিত। উদ্ভিদ ও প্রাণীর কোষ, টিস্যু, অঙ্গ এবং ইউরিয়া এর প্রধান উপাদান। হিউমাস উদ্ভিদের জন্য অত্যন্ত পুষ্টিকর এবং এটি মাটির উর্বরতা বাড়ায়।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

জীবের মৃতদেহ থেকে যেসব জড়বস্তু বাস্তুতন্ত্রে যোগ দেয় তাই হলো জৈব উপাদান বা হিউমাস। হিউমাস প্রত্যক্ষভাবে উদ্ভিদের জন্য উপকারী। এরা উদ্ভিদকে পুষ্টি যোগায়। পরোক্ষভাবে প্রাণীও হিউমাস থেকে উপকৃত হয়।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

বাস্তুতন্ত্রের ভৌত উপাদান হলো পরিবেশের প্রাকৃতিক উপাদান, যা বাস্তুতন্ত্রকে প্রভাবিত করে। উদাহরণস্বরূপ- সূর্যালোকের পরিমাণ, তাপমাত্রা, বায়ুতে জলীয় বাষ্পের পরিমাণ, বায়ুর চাপ, বায়ুপ্রবাহ, মাটির গভীরতা, পানির নিচের পরিবেশ এবং উচ্চতা।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

উৎপাদক হলো সবুজ উদ্ভিদ। তারা সালোকসংশ্লেষণ প্রক্রিয়ায় বাতাস থেকে কার্বন ডাই-অক্সাইড এবং মাটি থেকে পানি সংগ্রহ করে সূর্যালোকের সাহায্যে খাদ্য (কার্বোহাইড্রেট) তৈরি করে। এ প্রক্রিয়ায় অক্সিজেন উপজাত হিসেবে নির্গত হয়। উৎপাদক উদ্ভিদগুলো স্বভোজী, কারণ তারা নিজের খাদ্য নিজেরাই তৈরি করতে সক্ষম।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

যেসব প্রাণী অন্য কোনো প্রাণী বা উদ্ভিদ খেয়ে বেঁচে থাকে তাদেরকে খাদক বলে। খাদকরা নিজের খাদ্য নিজেরা তৈরি করতে পারে না। তাই অন্যান্য জীবের উপর খাদ্যের জন্য তাদের নির্ভর করতে হয়। এদেরকে প্রথম, দ্বিতীয়, তৃতীয় ও সর্বোচ্চ স্তরের খাদক হিসেবে ভাগ করা হয়।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

বাস্তুতন্ত্রে অজৈব উপাদান যেমন- পানি, বায়ু এবং খনিজ পদার্থ উদ্ভিদ ও প্রাণীর জন্য প্রাথমিক বাসস্থান, শ্বসনের উপকরণ এবং পুষ্টি সরবরাহ করে। অন্যদিকে, জৈব উপাদান যেমন- উদ্ভিদ ও প্রাণীর বর্জ্য বা মৃতদেহ থেকে তৈরি হিউমাস মাটির উর্বরতা বাড়ায় এবং উদ্ভিদের পুষ্টি চাহিদা মেটায়। এভাবে জৈব ও অজৈব উপাদান একসঙ্গে বাস্তুতন্ত্রের ভারসাম্য বজায় রাখে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

গৌণ খাদক হলো সেই প্রাণী যারা প্রথম স্তরের খাদক বা তৃণভোজী প্রাণীদের খাদ্য হিসেবে গ্রহণ করে। উদাহরণস্বরূপ, ব্যাঙ, শিয়াল, বাঘ। অন্যদিকে, তৃতীয় স্তরের খাদক হলো সেই প্রাণী যারা গৌণ খাদকদের খেয়ে বেঁচে থাকে। এদের অনেক সময় সর্বোচ্চ খাদকও বলা হয়। উদাহরণস্বরূপ, সাপ, ময়ূর, বাঘ। তৃতীয় স্তরের খাদকরা বাস্তুতন্ত্রে শিকারি প্রাণী হিসেবে খাদ্যশৃঙ্খলে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

মানুষ তৃতীয় স্তরের খাদক হলেও মানুষকে সব স্তরের খাদক বলা যায়। কারণ মানুষ যখন ভাত ও ডাল খায় তখন সে প্রথম স্তরের খাদক। আবার মানুষ যখন বড় মাছ খায় তখন সে তৃতীয় স্তরের খাদক।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

মানুষ তৃতীয় স্তরের খাদক হলেও মানুষকে সব স্তরের খাদক বলা যায়। কারণ মানুষ যখন ভাত ও ডাল খায় তখন সে প্রথম স্তরের খাদক। আবার মানুষ যখন বড় মাছ খায় তখন সে তৃতীয় স্তরের খাদক।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

আবর্জনাভুক বা ধাঙড় হলো সেই প্রাণী যারা মৃতদেহ বা আবর্জনা খেয়ে জীবন ধারণ করে। এদের মধ্যে কাক, শকুন, শিয়াল এবং হায়েনা অন্যতম। এরা মৃতদেহ ও আবর্জনা খেয়ে পরিবেশ পরিষ্কার রাখে এবং বাস্তুতন্ত্রের ভারসাম্য রক্ষা করে। ফলে তারা প্রাকৃতিক পরিচ্ছন্নতাকর্মী হিসেবে পরিবেশকে দূষণমুক্ত রাখতে সাহায্য করে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

'হায়না' জীবন্ত প্রাণীর চেয়ে মৃত প্রাণীর মাংস বা আবর্জনা খেতে বেশি পছন্দ করে। এরা মৃতদেহ বা আবর্জনা খেয়ে পরিবেশ পরিষ্কার রাখে। এজন্য হায়নাকে ধাঙর বলা হয়।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

ধাঙড় হলো পরিবেশের আবর্জনাভুক প্রাণী। এরা জীবন্ত প্রাণীর চেয়ে মৃত প্রাণীর মাংস বা আবর্জনা খেতে বেশি পছন্দ করে। এজন্য কাককে ধাঙড় বলা হয়। এরা মৃতদেহ বা আবর্জনা খেয়ে পরিবেশ পরিষ্কার করে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

ব্যাকটেরিয়া, ছত্রাক ইত্যাদি অতি ক্ষুদ্র জীব বা অণুজীব উদ্ভিদ এবং প্রাণীর বর্জ্য পদার্থ ও মৃতদেহ থেকে তাদের খাদ্য গ্রহণ করে এবং এসব বর্জ্য বিয়োজিত করে মাটিতে বা পানিতে মিশিয়ে দেয়। এ ক্ষুদ্র অণুজীবগুলোই হলো বিয়োজক।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

ব্যাকটেরিয়া, ছত্রাক, নেমাটোড প্রভৃতি হলো বিয়োজক। এরা মৃত জীবের দেহকে বিশ্লিষ্ট করে সরল শর্করায় পরিণত করে এবং এই শর্করা গ্রহণ করে তারা পুষ্টি লাভ করে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

ব্যাকটেরিয়া, ছত্রাক ইত্যাদি অতিক্ষুদ্র বিয়োজক জীব এবং অণুজীবগুলো উদ্ভিদ ও প্রাণীর বর্জ্য পদার্থ এবং মৃতদেহ খাদ্য হিসেবে গ্রহণ করে এবং এদেরকে বিয়োজিত করে মাটি এবং পানির সাথে মিশিয়ে দেয়। এই মিশে যাওয়া উপাদানগুলোকে খাদ্য হিসেবে গ্রহণ করে উৎপাদক তথা উদ্ভিদকুল আবার খাদ্য প্রস্তুত করে। এভাবে বিয়োজক বাস্তুতন্ত্রকে সচল রাখতে সহায়তা করে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

বিয়োজক হলো ব্যাকটেরিয়া, ছত্রাকসহ অন্যান্য অণুজীব যারা উদ্ভিদ ও প্রাণীর মৃতদেহ বা বর্জ্য পদার্থ থেকে তাদের খাদ্য গ্রহণ করে। এ প্রক্রিয়ায় মৃতদেহ ও বর্জ্য পদার্থ মাটিতে বা পানিতে মিশে গিয়ে পুষ্টি উপাদানে রূপান্তরিত হয়, যা উদ্ভিদের জন্য খাদ্য সরবরাহ করে। এই উপাদান পুনঃপ্রক্রিয়াকরণ প্রাকৃতিক চক্র বজায় রাখতে সহায়ক এবং মাটি উর্বর রাখার জন্য অপরিহার্য।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

পুকুরের বাস্তুতন্ত্রে জড় উপাদানগুলোর মধ্যে আছে পানি, সূর্যালোক, কার্বন ডাই-অক্সাইড, অক্সিজেন, ক্যালসিয়াম, ফসফরাস এবং কাদা। এই উপাদানগুলো বাস্তুতন্ত্রের ভারসাম্য রক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। সূর্যালোক সালোকসংশ্লেষণের মাধ্যমে খাদ্য উৎপাদনে সহায়তা করে, কার্বন ডাই-অক্সাইড উদ্ভিদের জন্য প্রয়োজনীয় গ্যাস এবং কাদা থেকে উদ্ভিদের জন্য প্রয়োজনীয় খনিজ লবণ সরবরাহ করে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

পুকুরের বাস্তুতন্ত্রের সজীব উপাদানগুলো হলো- উৎপাদক, প্রথম স্তরের খাদক, দ্বিতীয় স্তরের খাদক, তৃতীয় স্তরের খাদক এবং বিভিন্ন রকম বিয়োজক।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

ম্যাক্রোফাইট হলো এক ধরনের জলজ উদ্ভিদ যারা পানিতে বা পানির কাছাকাছি কোনো স্থানে জন্মায়। এরা ভাসমান, অর্ধ-ভাসমান বা নিমজ্জিত হতে পারে। এগুলো অনেক সময় জলজ প্রাণীর আশ্রয়স্থল হিসেবে কাজ করে। অক্সিজেন উৎপাদন এবং বিভিন্ন প্রাণীর খাদ্য হিসেবে ব্যবহৃত হয়।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

পানিতে ভাসমান ক্ষুদ্র উদ্ভিদ বা প্রাণীকে প্ল্যাঙ্কটন বলে। উদ্ভিদ প্ল্যাঙ্কটনকে ফাইটোপ্ল্যাঙ্কটন ও প্রাণী প্ল্যাঙ্কটনকে জুয়োপ্ল্যাঙ্কটন বলে। ফাইটোপ্ল্যাঙ্কটন উৎপাদক শ্রেণির এবং জুয়োপ্ল্যাঙ্কটন প্রথম শ্রেণির খাদকের অর্ন্তভুক্ত।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

পানিতে ভাসমান ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র প্রাণীদেরকে জুয়োপ্ল্যাঙ্কটন বলে। এরা নিজেরা নিজেদের খাদ্য প্রস্তুত করতে পারে না, সরাসরি উৎপাদক ভক্ষণ করে বেঁচে থাকে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

বাস্তুতন্ত্রের সবুজ উৎপাদক উদ্ভিদগুলোকে স্বভোজী বলে। কারণ এরা নিজের খাবার নিজেই তৈরি করতে পারে, অন্যকোনো জীবের উপর নির্ভর করতে হয় না। যেমন- গোলপাতা, ঘাস, যেকোনো সবুজ উদ্ভিদ।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

পুকুরের বাস্তুতন্ত্রে উৎপাদক হলো বিভিন্ন প্রকার শৈবাল, ম্যাক্রোফাইট এবং ফাইটোপ্ল্যাঙ্কটন। ফাইটোপ্ল্যাঙ্কটন বলতে ভাসমান ক্ষুদ্র জলজ উদ্ভিদকে বোঝায়। এরা সালোকসংশ্লেষণ প্রক্রিয়ায় সূর্যালোক, কার্বন ডাই-অক্সাইড এবং পানির মাধ্যমে খাদ্য তৈরি করে। উৎপাদকরা বাস্তুতন্ত্রের শক্তির মূল উৎস, কারণ এদের তৈরি করা খাদ্য সরাসরি বা পরোক্ষভাবে সমস্ত জীবের জন্য শক্তি সরবরাহ করে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

পুকুরের বাস্তুতন্ত্রে প্রথম স্তরের খাদক হলো ভাসমান ক্ষুদ্র প্রাণী যেমন জুপ্ল্যাঙ্কটন, মশার শূককীট এবং মাছ যেমন বুই ও কাতলা। এদের বলা হয় তৃণভোজী, কারণ তারা সরাসরি উৎপাদক (শৈবাল ও ফাইটোপ্ল্যাঙ্কটন) থেকে খাদ্য গ্রহণ করে। এদের ভূমিকা হলো বাস্তুতন্ত্রে শক্তি প্রবাহের প্রথম ধাপ হিসেবে খাদ্যশৃঙ্খলকে বজায় রাখা।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

দ্বিতীয় স্তরের খাদক প্রথম স্তরের খাদককে খাদ্য হিসেবে গ্রহণ করে। এরা নিজেরা খাদ্য তৈরি করতে পারে না এবং সরাসরি উৎপাদককে খায় না। উদাহরণ হিসেবে ছোট মাছ, কিছু জলজ পতঙ্গ এবং ব্যাঙকে উল্লেখ করা যায়। এরা পুকুরের খাদ্যশৃঙ্খলে শক্তি ও পুষ্টি প্রবাহের মধ্যবর্তী স্তর।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

পুকুরের বাস্তুতন্ত্রে তৃতীয় স্তরের খাদক হলো শোল, বোয়াল, ভেটকি মাছ এবং বক। তারা দ্বিতীয় স্তরের খাদক যেমন ছোট মাছ ও চিংড়ি ভক্ষণ করে। এরা খাদ্যশৃঙ্খলে শীর্ষ স্তরের শক্তি গ্রহণকারী এবং বাস্তুতন্ত্রে শক্তির ভারসাম্য রক্ষা করে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

বিয়োজক হলো ছত্রাক ও ব্যাকটেরিয়া যারা পুকুরের পানিতে মৃতজীবী হিসেবে কাজ করে। তারা মৃত উদ্ভিদ ও প্রাণীকে পচিয়ে জৈব ও অজৈব রাসায়নিক পদার্থে রূপান্তরিত করে। এই পদার্থগুলো উৎপাদকদের জন্য পুষ্টি হিসেবে কাজ করে এবং বাস্তুতন্ত্রের পুষ্টিচক্র সম্পন্ন করে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

খাদ্যশৃঙ্খল হলো বাস্তুতন্ত্রে শক্তি ও পুষ্টি উৎপাদক থেকে বিভিন্ন স্তরের খাদকদের মধ্যে প্রবাহিত হওয়ার ধারা। উদাহরণস্বরূপ: ঘাস (উৎপাদক) → ঘাসফড়িং (প্রথম স্তরের খাদক) → ব্যাঙ গুঁইসাপ (দ্বিতীয় স্তরের খাদক) → সাপ (তৃতীয় স্তরের খাদক) → গুঁইসাপ (সর্বোচ্চ স্তরের খাদক)।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

খাদ্যশিকলের উৎপাদক শ্রেণি অপরিহার্য কারণ এটি বাস্তুতন্ত্রের শক্তি প্রবাহের সূচনা করে। সবুজ উদ্ভিদ সালোকসংশ্লেষণ প্রক্রিয়ার মাধ্যমে খাদ্য তৈরি করে যা সরাসরি তৃণভোজীদের এবং পরোক্ষভাবে মাংসাশীদের খাদ্য সরবরাহ করে। উৎপাদক না থাকলে খাদ্যশৃঙ্খল ভেঙে যাবে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

শিকারজীবী খাদ্যশিকল হলো এমন একটি খাদ্যশৃঙ্খল যেখানে খাদ্য শক্তি প্রথম স্তরের খাদক থেকে শুরু করে ক্রমাগত শিকার প্রক্রিয়ার মাধ্যমে উপরের স্তরের খাদকদের মধ্যে প্রবাহিত হয়। উদাহরণস্বরূপ: ঘাস (উৎপাদক) →  ঘাসফড়িং (প্রথম স্তরের খাদক) → ব্যাঙ (দ্বিতীয় স্তরের খাদক) → সাপ (তৃতীয় স্তরের খাদক)।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

পরজীবী খাদ্যশিকল হলো এমন একটি খাদ্যশৃঙ্খল যেখানে পরজীবী উদ্ভিদ বা প্রাণী বড় আকারের পোষকদেহ থেকে খাদ্য গ্রহণ করে। উদাহরণস্বরূপ: মানুষ  → স্ত্রী এডিস → মশা ডেঙ্গু ভাইরাস।  

এখানে ডেঙ্গু ভাইরাস মশার মাধ্যমে মানুষের দেহে প্রবেশ করে এবং পুষ্টি গ্রহণ করে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

যে খাদ্যশৃঙ্খলে প্রথম স্তরের খাদক আকারে সবচেয়ে ছোট থাকে এবং পর্যায়ক্রমে উপরের খাদকেরা নিচের স্তরের খাদকগুলো শিকার করে খায় সেরূপ শৃঙ্খলকে বলা হয় শিকারজীবী খাদ্যশৃঙ্খল। যে খাদ্যশৃঙ্খলে পরজীবী উদ্ভিদ ও প্রাণী অধিকাংশ ক্ষেত্রে নিজেদের চেয়ে বড় আকারের পোষক দেহ থেকে খাদ্য গ্রহণ করে তাকে পরজীবী খাদ্যশৃঙ্খল বলে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

মশা ও ডেঙ্গু ভাইরাস এর মধ্যে পরজীবী খাদ্য শিকল বিদ্যমান। এ ধরনের খাদ্য শিকলে পরজীবী উদ্ভিদ ও প্রাণী আীধকাংশ ক্ষেত্রে নিজেদের চেয়ে বড় আকারের পোষকদেহ থেকে খাদ্য গ্রহণ করে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

গরু-মশা-ডেঙ্গু ভাইরাস শৃঙ্খলটি হলো পরজীবী খাদ্য শিকল। এখানে পরজীবী জীর নিজেদের চেয়ে বড় আকারের পোষকদেহ থেকে খাদ্য গ্রহণ করেছে। ফলে একটি অসম্পূর্ণ খাদ্য শিকল গড়ে উঠেছে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

মৃতজীবী খাদ্যশিকল এমন একটি খাদ্যশৃঙ্খল যেখানে মৃত উদ্ভিদ বা প্রাণীর দেহ থেকে খাদ্য সংগ্রহ করে মাটিতে জৈব পদার্থ গঠন করা হয়। উদাহরণ: মৃতদেহ → ছত্রাক → কেঁচো।

এ খাদ্যশৃঙ্খল পরিবেশে পুষ্টি চক্র বজায় রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

পরজীবী খাদ্যশিকল ও মৃতজীবী খাদ্যশিকলের মধ্যে পার্থক্য নিচে দেওয়া হলো-

পরজীবী খাদ্যশিকলমৃতজীবী খাদ্যশিকল
১. পরজীবী খাদ্যশিকলে পরজীবী উদ্ভিদ বা প্রাণী নিজের চেয়ে বড় কোষদেহ থেকে খাদ্য গ্রহণ করে।১. মৃতজীবী খাদ্যশিকলে মৃতদেহ থেকে শিকলের অন্যান্য সদস্যগণ খাদ্য গ্রহণ করে।
২. পরজীবী খাদ্যশিকল শুরু হয় কোষ দিয়ে।২. মৃতজীবী খাদ্যশিকল শুরু হয় মৃতদেহ দিয়ে।
৩. উদাহরণ- মানুষ → মশা → ডেঙ্গু ভাইরাস।৩. উদাহরণ- মৃতদেহ → ছত্রাক → কেঁচো।
Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

নিচে পরজীবী ও মৃতজীবী খাদ্য শিকলের একটি করে উদাহরণ দেওয়া হলো-

পরজীবী খাদ্য শিকল : মানুষ → মশা → ডেঙ্গু ভাইরাস

মৃতজীবী খাদ্য শিকল : মৃতদেহ → ছত্রাক → কেঁচো।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

পরজীবী এবং মৃতজীবী খাদ্যশিকল অসম্পূর্ণ কারণ এ শৃঙ্খলগুলোতে উৎপাদক শ্রেণি থাকে না। এগুলো শক্তি এবং পুষ্টির জন্য শিকারজীবী খাদ্যশিকলের প্রথম এক বা একাধিক স্তরের উপর নির্ভরশীল।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

খাদ্যজাল হলো একাধিক খাদ্যশিকল মিলে গঠিত একটি জটিল গঠন, যেখানে একাধিক প্রাণী বিভিন্ন স্তরে খাদ্য গ্রহণ করে। উদাহরণ হিসেবে পুকুরের খাদ্যজালটি দেওয়া যায়, যেখানে শৈবাল → জুপ্ল্যাঙ্কটন → ছোট মাছ → বড় মাছ → বাজ পাখি খাদ্যশিকলের মধ্যে চলে। এতে দেখা যায় যে একাধিক খাদক এবং উৎপাদক একে অপরের সাথে শক্তির প্রবাহ ঘটায়। খাদ্যজাল পরিবেশের শক্তির প্রবাহ এবং বাস্তুতন্ত্রের স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

খাদ্যজাল হলো একাধিক খাদ্যশিকল একত্রিত হয়ে তৈরি একটি জালের মতো গঠন, যেখানে বিভিন্ন স্তরের খাদক একাধিক খাদ্যশিকলে অংশগ্রহণ করে। এটি খাদ্যশিকলের চেয়ে বেশি জটিল এবং বাস্তুতন্ত্রে শক্তি ও পুষ্টির প্রবাহকে আরো স্পষ্টভাবে উপস্থাপন করে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

খাদ্যজাল হলো একটি বাস্তুতন্ত্রে বিভিন্ন খাদ্যশিকল একত্রিত হয়ে তৈরি একটি জটিল গঠন, যেখানে একটি খাদক একাধিক খাদ্যন্তরের সাথে সম্পর্কযুক্ত থাকে। উদাহরণস্বরূপ:

পুকুরের খাদ্যজালে শৈবাল (উৎপাদক) → জুপ্ল্যাঙ্কট → ছোট মাছ → বড় মাছ → বাজ পাখি।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

খাদ্যজালে বাজ পাখি একাধিক উপায়ে শক্তি গ্রহণ করে। এটি ছোট মাছ, বড় মাছ এবং তাদের কম বয়সী সদস্যদের শিকার করে শক্তি সংগ্রহ করে। উদাহরণস্বরূপ:

১. শৈবাল → ছোট মাছ → বাজ পাখি।

২. শৈবাল → জুপ্ল্যাঙ্কটন → ছোট মাছ → বাজ পাখি।

এভাবে বাজ পাখি খাদ্যজালের সর্বোচ্চ স্তরে অবস্থান করে এবং বাস্তুতন্ত্রের শীর্ষ শিকারী হিসেবে ভূমিকা রাখে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

খাদ্যজালে উৎপাদক এবং খাদকদের মধ্যে শক্তির প্রবাহ ঘটে। উৎপাদকরা (যেমন শৈবাল) সূর্যালোকের সাহায্যে খাদ্য তৈরি করে, যা পরবর্তীতে খাদকরা (যেমন ছোট মাছ) খেয়ে শক্তি গ্রহণ করে। খাদকদের মধ্যে একাধিক স্তরের প্রাণী রয়েছে, যেমন প্রথম স্তরের খাদক (জুপ্ল্যাঙ্কটন) এবং পরবর্তীতে বড় মাছ বা বাজ পাখি। খাদ্যজালটি বাস্তুতন্ত্রের শক্তি প্রবাহের মডেল হিসেবে কাজ করে। এটি বাস্তুতন্ত্রের জীববৈচিত্র্য ও শক্তির স্বাভাবিক প্রবাহকে বজায় রাখে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

শৈবাল পুকুরের খাদ্যজালের উৎপাদক হিসেবে কাজ করে। এটি সূর্যালোক ব্যবহার করে সালোকসংশ্লেষণ প্রক্রিয়ায় খাদ্য তৈরি করে, যা পরবর্তী স্তরের খাদকদের জন্য শক্তির উৎস হিসেবে ব্যবহৃত হয়। শৈবালের মাধ্যমে খাদ্যশিকলের শুরুর দিকে শক্তি প্রবাহিত হতে শুরু করে এবং তা পরবর্তীতে বড় মাছ বা বাজ পাখির মতো শীর্ষ খাদকদের কাছে পৌঁছে যায়। শৈবাল পরিবেশে শক্তি প্রবাহের প্রথম ধাপ হিসেবে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

যেসব জীব খাদ্যের জন্য প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে সবুজ উদ্ভিদের উপর নির্ভরশীল তাদেরকে বলা হয় পরভোজী জীব। যে সব প্রাণী সরাসরি উদ্ভিদ থেকে খাদ্য গ্রহণ করে তাদেরকে বলা হয় তৃণভোজী প্রাণী। এদের অপর নাম প্রথম শ্রেণির খাদক। হরিণ প্রথম শ্রেণির খাদক। হরিণ খাদ্য বা পুষ্টির জন্য অন্য জীবের উপর নির্ভর করে বলে একে পরভোজী বলা হয়।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

বনভূমির খাদ্যশৃঙ্খল এবং পুষ্টিপ্রবাহ একে অপরের সাথে নিবিড়ভাবে সম্পর্কিত। খাদ্যশৃঙ্খল হলো সেই শৃঙ্খল যেখানে এক জীবের খাদ্য অন্য জীবের জন্য হয় এবং এই প্রক্রিয়া শক্তির এবং পুষ্টির প্রবাহকে পরিচালনা করে। উদ্ভিদ থেকে শুরু করে তৃণভোজী প্রাণী, মাংসাশী প্রাণী এবং শেষে বিয়োজকের মাধ্যমে মৃত অঙ্গগুলির পুষ্টি উপাদান পরিবেশে ফিরে আসার মাধ্যমে পুষ্টিপ্রবাহ ঘটে। খাদ্যশৃঙ্খল এবং পুষ্টিপ্রবাহ একে অপরের জন্য অপরিহার্য কারণ একে অপরকে সমর্থন করে বাস্তুতন্ত্রের শক্তি ও পুষ্টি প্রবাহকে ঠিক রাখে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

বাস্তুতন্ত্রে পুষ্টি প্রবাহ চক্রাকার। নিচে তা ব্যাখ্যা করা হলো-

উদ্ভিদ অজৈব বস্তু গ্রহণ করে সালোকসংশ্লেষণ প্রক্রিয়ায় খাদ্য প্রস্তুত করে এবং নিজ প্রয়োজনে ব্যবহার করে। অবশিষ্ট অংশ উদ্ভিদ দেহে সঞ্চিত থাকে। তৃণভোজী প্রাণী এসব উদ্ভিদ খায় পর্যায়ক্রমে মাংসাশী প্রাণী এসব তৃণভোজী উদ্ভিদ খায়। এসব উদ্ভিদ ও প্রাণীর মৃত্যুর পর বিয়োজকগুলো এদের খাদ্য হিসেবে ব্যবহার করে অজৈব বস্তুতে রূপান্তরিত করে পরিবেশে ফিরিয়ে দেয়। সবুজ উদ্ভিদ এসব অজৈব বস্তু গ্রহণ করে পুনরায় খাদ্য প্রস্তুতে ব্যবহার করে থাকে। পুষ্টি দ্রব্যের - এরূপ চক্রাকারে প্রবাহিত হওয়ার প্রক্রিয়াটিকে পুষ্টি প্রবাহ বলে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

বাস্তুতন্ত্রের মধ্যদিয়ে শক্তির একমুখী চলনকে শক্তি প্রবাহ বলে। সূর্য থেকে যে শক্তি বাস্তুতন্ত্রে প্রবেশ করে তার একটি অংশ উদ্ভিদ কর্তৃক সালোকসংশ্লেষণ প্রক্রিয়ায় ধৃত হয় এবং গ্লুকোজের মতো বিভিন্ন জৈব অণুতে রাসায়নিক শক্তি হিসেবে জমা থাকে। শক্তির প্রবাহ একমুখী। বাস্তুতন্ত্রে শক্তি প্রবাহ ঘটে খাদ্য শৃঙ্খলে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

শক্তিপ্রবাহকে কখনও বিপরীতমুখী করা যায় না। শক্তির প্রবাহের প্রতিটি ধাপে শতকরা ৮০- ৯০ ভাগ শক্তি কমে যায়। শক্তির এ ক্রমবর্ধমান ক্ষয় খাদ্য শিকলের আকারকে ৪ বা ৫টি ধাপের মধ্যে সীমাবদ্ধ রাখে। খাদ্য শিকল যত দীর্ঘ হবে উর্ধ্বতম ট্রফিক লেভেলে শক্তির পরিমাণ ততই কমতে থাকবে এবং এক পর্যায়ে এসে কোনো শক্তিই অবশিষ্ট থাকবে না। এ জন্য বাস্তুতন্ত্রে শক্তিপ্রবাহ একমুখী।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

খাদ্যশিকলে শক্তি স্থানান্তরের সময় প্রতিটি ট্রফিক লেভেলে শক্তির কিছু অংশ তাপ হিসেবে হারিয়ে যায়। উৎপাদক স্তরে সূর্য থেকে যে শক্তি সংগ্রহ করা হয়, তা পরবর্তী প্রতিটি ট্রফিক লেভেল প্রায় ৯০% শক্তি তাপ হিসেবে পরিবেশে বেরিয়ে যায়। ফলে সর্বোচ্চ ট্রফিক লেভেলে শক্তির পরিমাণ অনেক কম থাকে। এই কারণে খাদ্যশিকলে - স্তরের সংখ্যা কম রাখা শক্তির অপচয় রোধ করতে সহায়তা করে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

ছোট খাদ্য শিকলের তুলনায় বড় খাদ্যশিকলের উপাদানগুলো শক্তি কম পায়। কারণ খাদ্যশিকল ছোট হলেই শক্তির অপচয় কম হয়। অন্যদিকে খাদ্যশিকল বড় হলে অর্থাৎ উপাদান বেশি হলে শক্তির অপচয় বেশি হয়। এ কারণে ছোট খাদ্য শিকলের তুলনায় বড় খাদ্য শিকলের উপাদানগুলো শক্তি কম পায়।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

ট্রফিক লেভেল বলতে খাদ্যশিকলের প্রতিটি স্তরকে বোঝায়, যেখানে একটি জীব অন্য জীবকে খেয়ে শক্তি গ্রহণ করে। উৎপাদক প্রথম ট্রফিক লেভেলের প্রতিনিধিত্ব করে, যা সূর্য থেকে শক্তি সংগ্রহ করে। প্রথম স্তরের খাদক, যেমন তৃণভোজী প্রাণী দ্বিতীয় ট্রফিক লেভেলে অবস্থান করে। দ্বিতীয় স্তরের খাদক বা মাংসাশী প্রাণী তৃতীয় ট্রফিক লেভেলে থাকে। সর্বোচ্চ ট্রফিক লেভেলে উচ্চতর মাংসাশী প্রাণী অবস্থান করে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

ত্রিকোণাকার ভূমির উপর অবস্থিত ত্রিমাত্রিক বস্তু যেটির শীর্ষদেশ সরু তাকে পিরামিড বলে। কোনো একটি বাস্তুতন্ত্রে ট্রফিক লেভেলের গঠন পিরামিড আকারে দেখানো যায়। খাদ্যশিকলে যুক্ত প্রতিটি পুষ্টিস্তরে খাদ্যের ও পুষ্টির সঞ্চয় ও স্থানান্তরের ছকই হলো খাদ্য পিরামিড।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

শক্তি পিরামিড এমন একটি গ্রাফিক উপস্থাপনা যা খাদ্যশিকলের ট্রফিক লেভেলে শক্তির স্থানান্তর ও সঞ্চয়কে প্রদর্শন করে। এটি পিরামিড আকৃতির, যেখানে উৎপাদক স্তরের শক্তি সর্বোচ্চ থাকে এবং পরবর্তী স্তরের শক্তি কমে যায়। শক্তির পরিমাণ প্রতিটি স্তরের জন্য ক্রমশ কম হয়, কারণ প্রতিটি স্তরে শক্তির কিছু অংশ তাপ হিসেবে বেরিয়ে যায়। শক্তি পিরামিডের শীর্ষে চূড়ান্ত খাদক বা শিকারি থাকে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

পিরামিডের সবচেয়ে নিচে উৎপাদক স্তরের শক্তির পরিমাণ পরবর্তী ট্রফিক লেভেলগুলোর চেয়ে অনেক বেশি। উপরের ট্রফিক লেভেলের জীব নিচের ট্রফিক লেভেলের জীবদেহের চেয়ে শ্বসন এবং অন্যান্য কাজে ক্রমবর্ধমান হারে অধিক শক্তি তাপ হিসেবে হারায়। এজন্য উৎপাদক থাকে পিরামিডের

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

শক্তির পিরামিডের খাদ্য শৃঙ্খলে যুক্ত প্রতিটি পুষ্টি স্তরের মোট শক্তির পরিমাণ নির্দেশ করে। এছাড়াও শক্তি স্থানান্তরের বিষয়টি শক্তি পিরামিড দ্বারা নির্দেশিত হয়। তাই শক্তির পিরামিড প্রয়োজনীয়।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

শক্তি পিরামিড খাদ্যশিকলের শক্তির স্থানান্তর ও সঞ্চয়ের পরিমাণ নির্ধারণ করে। পিরামিডের নিচে উৎপাদক স্তরের শক্তির পরিমাণ সর্বোচ্চ থাকে, যা পরবর্তী স্তরের শক্তি প্রবাহকে প্রভাবিত করে। যত বেশি উপরের দিকে যায়, শক্তির পরিমাণ তত কমে যায়, কারণ শক্তির কিছু অংশ তাপ হিসেবে বেরিয়ে যায়। শক্তি পিরামিড এই প্রক্রিয়াকে সমন্বয় করে যাতে শক্তির অপচয় কম হয়। এটি খাদ্যশিকলকে ৪ - ৫ স্তরের মধ্যে সীমিত রাখার একটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

বাস্তুতন্ত্রের খাদ্য শিকলে প্রতিটি ধাপে প্রায় ৯০% ভাগ শক্তি কমে যায় বা ব্যবহারযোগ্যতা হারায়। শক্তির এ ক্রমবর্ধমান ক্ষয়ের ফলে পরের ধাপে শক্তির পরিমাণ পূর্বের ধাপের তুলনায় অনেক কম হয়। একারণেই খাদ্যশিকল যতো দীর্ঘ হবে অর্থাৎ ধাপ যতো বেশি হবে উর্ধ্বতম ট্রফিক লেভেলে শক্তির পরিমাণ ততই কমতে থাকবে এবং এক পর্যায়ে আর কোনো শক্তিই অবশিষ্ট থাকবে না।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

ছোট খাদ্য শিকলের তুলনায় বড় খাদ্যশিকলের উপাদানগুলো শক্তি কম পায়। কারণ খাদ্যশিকল ছোট হলেই শক্তির অপচয় কম হয়। অন্যদিকে খাদ্যশিকল বড় হলে অর্থাৎ উপাদান বেশি হলে শক্তির অপচয় বেশি হয়। এ কারণে ছোট খাদ্য শিকলের তুলনায় বড় খাদ্য শিকলের উপাদানগুলো শক্তি কম পায়।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

জীববৈচিত্র্য হলো পৃথিবীতে জীবদের প্রাচুর্য এবং ভিন্নতার সমষ্টি। এটি পৃথিবীর জীবজগতে বিভিন্ন প্রজাতি, তাদের বৈশিষ্ট্য, পরিবেশে তাদের অবস্থান এবং পারস্পরিক সম্পর্ককে নির্দেশ করে। জীববৈচিত্র্যের মধ্যে উদ্ভিদ, প্রাণী, অণুজীব এবং এগুলির বাসস্থান অন্তর্ভুক্ত। জীববৈচিত্র্য জীবনের টেকসই উন্নতি এবং পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। এটি প্রাকৃতিক পৃথিবীকে স্থিতিশীল রাখার জন্য অপরিহার্য।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

একই প্রজাতির অন্তর্ভুক্ত সদস্যদের মধ্যে বৈচিত্র্য থাকে। পৃথিবীতে বিরাজমান জীবগুলোর প্রাচুর্য এবং ভিন্নতাই হলো জীব বৈচিত্র্য। প্রজাতিগত, বংশগত এবং বাস্তুতান্ত্রিক কারণে এই জীববৈচিত্রের সৃষ্টি হয়েছে। এই কারণগুলোর জন্যেই প্রত্যেকটি জীব একটি অন্যটির থেকে আলদা। আর এভাবেই জীববৈচিত্রের সৃষ্টি হয়েছে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

প্রজাতি হলো সেই সমস্ত জীবের একটি গোষ্ঠী, যারা শারীরিক এবং জননগত বৈশিষ্ট্যে একে অপরের সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ। প্রজাতির সদস্যরা সাধারণত একে অপরের সাথে প্রজনন করতে সক্ষম এবং তাদের প্রজননজনিত একই প্রজাতির অন্তর্গত হয়। উদাহরণস্বরূপ, কাঁঠাল একটি উদ্ভিদ প্রজাতি, যার নির্দিষ্ট বৈশিষ্ট্য তাকে অন্যান্য উদ্ভিদ থেকে পৃথক করে। প্রজাতি একটি বৈজ্ঞানিক শ্রেণিবিন্যাস যা জীবদের সঠিকভাবে চিহ্নিত করতে সহায়তা করে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

জীববৈচিত্র্য মানুষের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ, কারণ এটি আমাদের পরিবেশ এবং জীবনের মৌলিক অবলম্বন সরবরাহ করে। উদ্ভিদ ও প্রাণীর প্রজাতি আমাদের খাদ্য, ওষুধ এবং অন্যান্য প্রয়োজনীয় উপকরণ সরবরাহ করে। জীববৈচিত্র্য পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা করে এবং প্রাকৃতিক দুর্যোগ মোকাবিলায় সহায়তা করে। এটি পৃথিবীর জলবায়ু নিয়ন্ত্রণ, বায়ু পরিশোধন এবং মাটি সুরক্ষায় অবদান রাখে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

জীববৈচিত্র্যকে তিনটি প্রধান ভাগে ভাগ করা হয়। যথা-প্রজাতিগত বৈচিত্র্য, বংশগতীয় বৈচিত্র্য এবং বাস্তুতান্ত্রিক বৈচিত্র্য। প্রজাতিগত বৈচিত্র্য পৃথিবীতে বিরাজমান বিভিন্ন প্রজাতির সংখ্যা এবং তাদের বৈশিষ্ট্যের পার্থক্যকে বোঝায়। বংশগতীয় বৈচিত্র্য একই প্রজাতির সদস্যদের মধ্যে জিনগত পার্থক্য নিয়ে কাজ করে। বাস্তুতান্ত্রিক বৈচিত্র্য একটি বাস্তুতন্ত্রের মধ্যে থাকা বিভিন্ন জীব এবং পরিবেশের উপাদানের বৈচিত্র্যকে বুঝায়।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

প্রজাতিগত বৈচিত্র্য পৃথিবীতে বিভিন্ন প্রজাতির জীবের অস্তিত্ব এবং তাদের পার্থক্যকে বোঝায়। এটি জীবজগতের বৈচিত্র্য প্রদর্শন করে, যেমন বাঘ এবং হরিণের মধ্যে আকার, স্বভাব, হিংস্রতা এবং জন্মের ধরনে পার্থক্য। এক প্রজাতি থেকে অন্য প্রজাতির মধ্যে বৈশিষ্ট্যগত পার্থক্য থাকলে, তা প্রজাতিগত বৈচিত্র্য হিসেবে চিহ্নিত হয়। প্রতিটি প্রজাতির নিজস্ব বৈশিষ্ট্য রয়েছে যা একে অন্য থেকে পৃথক করে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

বংশগতীয় বৈচিত্র্য একই প্রজাতির সদস্যদের মধ্যে জিনগত পার্থক্য এবং এর ফলে তাদের শারীরিক গঠন, আকার, রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা ইত্যাদির মধ্যে যে পার্থক্য হয় তা বুঝায়। এই পার্থক্যগুলো জিনের গঠনে পরিবর্তনের কারণে ঘটে এবং নতুন বৈশিষ্ট্য সৃষ্টি করতে পারে। এটি প্রাকৃতিক পরিবেশে জীবদের অভিযোজন এবং টিকে থাকার ক্ষমতা বাড়ায়। বংশগতীয় বৈচিত্র্য পরিবেশের পরিবর্তনের সাথে খাপ খাওয়াতে সহায়তা করে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

বাস্তুতান্ত্রিক বৈচিত্র্য হলো একটি নির্দিষ্ট বাস্তুতন্ত্রের মধ্যে থাকা জীববৈচিত্র্য এবং তার পরিবেশের উপাদানের মধ্যে পার্থক্য। উদাহরণস্বরূপ, একটি পুকুরের বাস্তুতন্ত্রের উদ্ভিদ ও প্রাণীর বৈচিত্র্য নদীর বাস্তুতন্ত্র থেকে আলাদা। পরিবেশের এই বৈচিত্র্য বিভিন্ন জীব এবং তাদের বাসস্থান সম্পর্কিত। বিভিন্ন বাস্তুতন্ত্রে বাস করা জীবের বৈশিষ্ট্য ভিন্ন হওয়ার কারণে এটি প্রাকৃতিক ভারসাম্য রক্ষায় সহায়ক হয়।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

জীববৈচিত্র্য পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। বিভিন্ন জীবের কার্যকলাপ পরিবেশে শক্তি প্রবাহ এবং খাদ্যচক্রের সম্পর্ক তৈরি করে, যা পরিবেশের স্থিতিশীলতা বজায় রাখে। একটি প্রজাতির বিলুপ্তি পরিবেশে বিশাল প্রভাব ফেলতে পারে, কারণ তা খাদ্যচক্র বা শক্তির প্রবাহে বাধা সৃষ্টি করতে পারে। জীববৈচিত্র্য পরিবেশের স্বাভাবিক অবস্থায় ভারসাম্য আনতে সহায়তা করে এবং প্রাকৃতিক বিপর্যয়ের বিরুদ্ধে পরিবেশকে রক্ষা করে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

একসময় পরিবেশে অবাঞ্ছিত বা অপ্রয়োজনীয় মনে করা জীবগুলি এখন পরিবেশ রক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে। উদাহরণস্বরূপ, যুক্তরাষ্ট্রের চেসাপিক উপকূলে ঝিনুকের উপস্থিতি একসময় কম গুরুত্ব পেলেও সেগুলি পানি পরিশোধনের জন্য গুরুত্বপূর্ণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। সময়ের সাথে সাথে এই জীবগুলির প্রয়োজনীয়তা এবং উপকারিতা মানুষের কাছে পরিষ্কার হয়ে ওঠে। পরিবেশের স্বাস্থ্য রক্ষায় এমন জীবদের গুরুত্ব আরো বৃদ্ধি পেয়েছে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

ঝিনুকের বিলুপ্তি পরিবেশের জন্য ক্ষতিকর কারণ তারা পানি পরিশোধনের কাজ করে এবং তাদের অভাবের ফলে পানি ক্রমশ কর্দমাক্ত হয়ে পড়ে। ঝিনুক পানির অক্সিজেনের পরিমাণ বজায় রাখতে সাহায্য করতো, কিন্তু এখন তাদের অভাবে অক্সিজেনের পরিমাণ কমে যাচ্ছে। এর ফলে জলজ বাস্তুতন্ত্রে ভারসাম্য নষ্ট হচ্ছে। এই পরিবর্তনগুলো জলজ প্রাণী এবং পরিবেশের জন্য বিপদজনক হতে পারে। তাই ঝিনুকের বিলুপ্তি পরিবেশের স্থিতিশীলতা বিপন্ন করে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

পাখির প্রধান খাদ্য কীটপতঙ্গ, যার মধ্যে মানুষের জন্য ক্ষতিকর কীটপতঙ্গও রয়েছে। পাখি কীটপতঙ্গের সংখ্যা নিয়ন্ত্রণে রাখে এবং পরাগায়নের কাজেও সহায়তা করে। পাখিদের উপস্থিতি 'জীববৈচিত্র্য বজায় রাখতে এবং কৃষির সুরক্ষা করতে সহায়ক। পাখির এই ভূমিকা 'পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ। তাদের প্রভাব পরিবেশে নানা পোকামাকড়ের সংখ্যা নিয়ন্ত্রণে রাখে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

শিকারি প্রজাতি যেমন পেঁচা, ঈগল, চিল এবং বাজপাখি ইঁদুরের সংখ্যা নিয়ন্ত্রণে রাখে। এসব শিকারি প্রজাতি ইঁদুর খেয়ে তাদের বংশবৃদ্ধি নিয়ন্ত্রণ করে, ফলে ইঁদুরের অত্যধিক বিস্তার রোধ হয়। একজোড়া ইঁদুর যদি কোনো বাধা ছাড়া বৃদ্ধি পায় তবে তাদের সংখ্যা বিপুলভাবে বৃদ্ধি পায়। শিকারির উপস্থিতি এই বৃদ্ধি ঠেকায় এবং পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা করে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

শকুন, চিল এবং কাক প্রকৃতির জঞ্জাল পরিষ্কার করে পরিবেশের স্বাস্থ্য রক্ষা করে। এরা পরিবেশ থেকে বিষাক্ত উপাদানগুলো সরিয়ে পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা করে। শকুন এবং চিল মৃতদেহ খেয়ে জীবাণু সংক্রমণ কমাতে সহায়তা করে। এর মাধ্যমে তারা পরিবেশে সুস্থতা বজায় রাখতে সাহায্য করে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

ময়ূরকে সর্বভূক প্রাণী বলা হয়। কেননা ময়ূর একই সাথে সকল স্তরের খাদক। এটি উদ্ভিদজাত এবং প্রাণিজ উভয় ধরনের খাদ্য খায়। এর খাদ্যাভ্যাসের এই বৈচিত্র্যই তাকে সর্বভূক প্রাণীর শ্রেণিতে অন্তর্ভুক্ত করে। ময়ূরের এই বৈচিত্র্যময় খাদ্যজাল তাকে বিভিন্ন পরিবেশে বেঁচে থাকতে সাহায্য করে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

সবুজ উদ্ভিদ সালোকসংশ্লেষণ প্রক্রিয়ার মাধ্যমে জীববৈচিত্র্যের সঙ্গে মিথষ্ক্রিয়া করে। তারা শ্বসনক্রিয়ার মাধ্যমে কার্বন ডাই-অক্সাইড গ্রহণ করে এবং শ্বসনকারী জীবদের জন্য অক্সিজেন উৎপন্ন করে। গাছপালা পর-পরাগায়নের জন্য কীটপতঙ্গ এবং বীজ বিতরণের জন্য পশুপাখির উপর নির্ভরশীল। এই প্রক্রিয়াগুলো পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ। উদ্ভিদ, প্রাণী এবং অন্যান্য জীব একে অপরের মধ্যে এভাবে নির্ভরশীল হয়ে পরিবেশের সুস্থতা বজায় রাখে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

গাছপালা, পশুপাখি, কীটপতঙ্গ ও অন্যান্য জীবজন্তু একে অপরের দ্বারা প্রভাবিত এবং কমবেশি নির্ভরশীল। ব্যাকটেরিয়া ছত্রাক এবং বিভিন্ন প্রকার জীবাণু দিয়ে গাছপালা পশুপাখি, কীটপতঙ্গ বিভিন্নভাবে প্রভাবিত হয়। পারস্পরিক সংযোগ ও নির্ভরশীলতাই জীবনক্রিয়া পরিচালনার চাবিকাঠি। তাই জীবজগতে বিভিন্ন প্রকার গাছপালা এবং প্রাণীদের মধ্যে বিদ্যমান জৈবিক সম্পর্কগুলোকে সহবস্থান বা সিমবায়োসিস নামে আখ্যায়িত করা হয়েছে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

সহাবস্থান জীবজগতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। কারণ এটি জীবগুলির মধ্যে আন্তঃনির্ভরশীল সম্পর্ক সৃষ্টি করে। এই সম্পর্কের মাধ্যমে জীবগুলি একে অপরের উপর নির্ভরশীল হয়ে থাকে এবং পরিবেশের ভারসাম্য বজায় থাকে। উদাহরণস্বরূপ : মিউচুয়ালিজম সম্পর্ক দুটি জীবের মধ্যে পারস্পরিক উপকারিতা সৃষ্টি করে। একে অপরকে সহায়তা করা জীবদের জন্য টিকে থাকার জন্য অপরিহার্য হয়ে ওঠে। এটি বাস্তুতন্ত্রের স্থিতিশীলতা রক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

উদ্ভিদ ও পোকামাকড়ের মধ্যে মিউচুয়ালিজম সম্পর্ক ঘটে, যেখানে পোকামাকড় উদ্ভিদের পরাগায়ন ঘটায় এবং বিনিময়ে ফুলের মধু আহরণ করে। পোকামাকড় যেমন মৌমাছি ফুলে উড়ে গিয়ে পরাগায়ন প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে, যা উদ্ভিদের বংশবিস্তারকে সাহায্য করে। উদ্ভিদগুলির জন্য এটি এক ধরনের উপকারিতা কারণ তাদের বীজগুলি ছড়িয়ে পড়তে পারে। একই সঙ্গে পোকামাকড়ও মধু আহরণের মাধ্যমে তাদের খাদ্য লাভ করে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

মিউচুয়ালিজম হলো এক ধরনের সম্পর্ক যেখানে দুইটি জীব একে অপরকে উপকৃত করে। যেমন- শৈবাল তার ক্লোরোফিলের মাধ্যমে নিজের জন্য ও ছত্রাকের জন্য শর্করাজাতীয় খাদ্য তৈরি করে এবং ছত্রাক বাতাস থেকে জলীয় বাষ্প সংগ্রহ করে। ছত্রাক খনিজ লবণ সংগ্রহ করে এবং এটি শৈবাল ও ছত্রাকের জন্য ব্যবহারযোগ্য হয়ে ওঠে। উভয়ের মধ্যে এই সহযোগিতা তাদের বেঁচে থাকার জন্য গুরুত্বপূর্ণ।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

মিউচুয়ালিজম হলো একটি ধনাত্মক আন্তঃসম্পর্ক, যেখানে সহযোগীদের উভয়ে উপকৃত হয়। কারণ ছত্রাক বায়ু থেকে জলীয় বাষ্প সংগ্রহ করে এবং উভয়ে ব্যবহারের জন্য খনিজ লবণ সংগ্রহ করে। অপরদিকে শৈবাল তার ক্লোরোফিলের মাধ্যমে নিজের জন্য ও ছত্রাকের জন্য শর্করা জাতীয় খাদ্য প্রস্তুত করে। অর্থাৎ উভয়ই উপকৃত হয়। এজন্য শৈবাল ও ছত্রাকের সহাবস্থানকে মিউচুয়ালিজম বলা হয়।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

যে আন্তঃসম্পর্কে দুটি জীবের একটি অন্যটিকে সহায়তা করে তাকে ধনাত্মক আন্তঃক্রিয়া বলে। আর এ ধনাত্মক আন্তঃক্রিয়ার একটি অংশ হলো কমেনসেলিজম। কমেনসেলিজমের ক্ষেত্রে সহযোগীদের মধ্যে মাত্র একজন উপকৃত হয়। অন্য সহযোগী উপকৃত না হলেও কখনও ক্ষতিগ্রস্ত হয় না। যেমন- ফার্ন উদ্ভিদ মূলের সাহায্যে নিজেকে মাটির সাথে আবদ্ধ রাখে এবং অন্য বড় উদ্ভিদকে আরোহন করে উপরে উঠে। এরূপে অন্য বৃক্ষের উপর প্রসারিত হয়ে বেশি পরিমাণে আলো গ্রহণ করে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

ধনাত্মক ও ঋণাত্মক আন্তঃক্রিয়ার মধ্যে পার্থক্য হলো-

ধনাত্মক আন্তঃক্রিয়াঋণাত্মক আন্তঃক্রিয়া
১. যে আন্তঃসম্পর্কে দুটি জীবের একটি অন্যটিকে সহায়তা করে তাকে ধনাত্মক আন্তঃক্রিয়া বলে।১. যে আন্তঃসম্পর্কে জীবদ্বয়ের একটি বা উভয়েই ক্ষতিগ্রস্ত হয় তাকে ঋণাত্মক আন্তঃক্রিয়া বলে।
২. ধনাত্মক আন্তঃক্রিয়াকে দুই ভাগে ভাগ করা যায়।২. ঋণাত্মক আন্তঃক্রিয়াকে তিন ভাগে ভাগ করা যায়।
৩. যেমন- শিমজাতীয় উদ্ভিদের নডিউলে রাইজোবিয়াম ব্যাকটেরিয়ার বসবাস।৩. যেমন- স্বর্ণলতা ও পোষক উদ্ভিদ।
Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

কীটপতঙ্গ ও পাখির মধ্যে কমেনসেলিজম সম্পর্ক বিদ্যমান, যেখানে পাখি কীটপতঙ্গ খেয়ে তাদের সংখ্যা নিয়ন্ত্রণ করে। পাখি কীটপতঙ্গের খাদ্য খেয়ে উদ্ভিদের ক্ষতি রোধ করে এবং প্রকৃতির ভারসাম্য বজায় রাখে। এই সম্পর্কের মধ্যে পাখি উপকৃত হয়, কারণ তাদের খাদ্য সরবরাহ হয়, কিন্তু কীটপতঙ্গের ক্ষতি হয় না। কারণ এই মিথস্ক্রিয়ার ফলে কীটপতঙ্গের সংখ্যা নিয়ন্ত্রণে থাকে। কমেনসেলিজম সম্পর্ক বাস্তুতন্ত্রের সুস্থতা বজায় রাখতে সাহায্য করে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

রাইজোবিয়াম শিম গাছের শিকড়ে নাইট্রোজেন সংবন্ধনের মাধ্যমে শিম গাছের উপকার সাধন করে। রাইজোবিয়াম ব্যাকটেরিয়া শিম জাতীয় উদ্ভিদের শিকড়ে অবস্থান করে গুটি তৈরি করে এবং বায়বীয় নাইট্রোজেন সেখানে সংবন্ধন করে। এই নাইট্রোজেন সহযোগী শিম উদ্ভিদকে সরবরাহ করে এবং বিনিময়ে ব্যাকটেরিয়া সহযোগী উদ্ভিদ থেকে শর্করা জাতীয় খাদ্য পায়।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

শিম উদ্ভিদ ও রাইজোবিয়াম ব্যাকটেরিয়ার মধ্যে মিউচুয়ালিজম সম্পর্ক পরিবেশের জন্য উপকারী। ব্যাকটেরিয়া বায়ু থেকে নাইট্রোজেন সংগ্রহ করে এবং শিম উদ্ভিদের শিকড়ে জমা করে যা শিম, উদ্ভিদের বৃদ্ধি এবং পুষ্টির জন্য অপরিহার্য। শিম উদ্ভিদ এ উপকারিতার বিনিময়ে ব্যাকটেরিয়াকে শর্করাজাতীয় খাদ্য সরবরাহ করে। এই সহযোগিতায় একে অপরের পুষ্টি চাহিদা পূরণ হয়, যা পরিবেশের ভারসাম্য বজায় রাখতে সাহায্য করে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

ব্যাকটেরিয়া ও শিমজাতীয় উদ্ভিদের মধ্যকার সম্পর্ক হলো মিউচুয়ালিজম। রাইজোবিয়াম ব্যাকটেরিয়া শিমজাতীয় উদ্ভিদের শিকড়ে অবস্থান করে গুটি তৈরি করে এবং বায়বীয় নাইট্রোজেনকে সেখানে সংবন্ধন করে। ব্যাকটেরিয়া এই নাইট্রোজেনকে সহযোগী শিম উদ্ভিদকে সরবরাহ করে এবং বিনিময়ে সহযোগী উদ্ভিদ থেকে শর্করাজাতীয় খাদ্য পেয়ে থাকে। অর্থাৎ ব্যাকটেরিয়া ও শিমজাতীয় উদ্ভিদ পারস্পারিক ক্রিয়ায় উভয়েই উপকৃত হয়।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

নডিউল তৈরি করা মিউচুয়ালিজম ধনাত্মক আন্তঃক্রিয়া। এ ধরনের আন্তঃক্রিয়ায় সহযোগীদের উভয়ই একে অন্যের দ্বারা উপকৃত হয়। যেমন- খাদ্য প্রস্তুত করে। রাইজোবিয়াম ব্যাকটেরিয়া শিমজাতীয় উদ্ভিদের শিকড়ে অবস্থান করে গুটি তৈরি করে এবং বায়বীয় নাইট্রোজেনকে সেখানে সংবন্ধন করে। ব্যাকটেরিয়া এই নাইট্রোজেন সহযোগী শিম উদ্ভিদকে সরবরাহ করে এবং বিনিময়ে সহযোগী উদ্ভিদ থেকে শর্করাজাতীয় খাদ্য পেয়ে থাকে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

উত্তর: কমেনসালিজম হলো একটি সম্পর্ক যেখানে এক সদস্য উপকৃত হয় এবং অন্য সদস্য উপকৃত না হলেও ক্ষতিগ্রস্ত হয় না। উদাহরণ হিসেবে রোহিণী উদ্ভিদের কথা বলা যায়, যা বড় উদ্ভিদের শাখায় উঠে এবং আরও বেশি আলো গ্রহণ করে। এই উদ্ভিদটি মূলের মাধ্যমে মাটিতে আবদ্ধ হয়, কিন্তু আশ্রয়দাতা উদ্ভিদকে কোনো ক্ষতি করে না। এই সম্পর্ক জীবজগতে পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা করে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

ছত্রাক ও শৈবাল মিলে লাইকেন তৈরি করে। লাইকেনে শৈবালসমূহ ছত্রাকের কাছে আশ্রয় এবং ছত্রাকসমূহ শৈবালের কাছে পুষ্টি লাভ করে। পরস্পরের এই আন্তঃক্রিয়ায় পরস্পর উপকৃত হয়। তাই লাইকেন গঠন একটি ধনাত্মক আন্তঃক্রিয়া।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

একটি ছত্রাক ও একটি শৈবালের ঘনিষ্ঠ সহাবস্থানে গঠিত স্বতন্ত্র থ্যালাস হলো লাইকেন। লাইকেনে শৈবাল ও ছত্রাক মিথোজীবীরূপে বসবাস করে। এক্ষেত্রে শৈবাল ও ছত্রাক উভয়ই একে অপরের দ্বারা উপকৃত হয় এবং কেউ কারও অপকার করে না। এরূপ উপকার ভিত্তিক সম্পর্কের কারণেই লাইকেনকে মিথোজীবী বলা হয়।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

ঋণাত্মক আন্তঃক্রিয়া হলো এক ধরনের সম্পর্ক যেখানে এক বা উভয় জীব ক্ষতিগ্রস্ত হয়। এই সম্পর্ক তিনটি প্রধান ভাগে বিভক্ত-শোষণ, প্রতিযোগিতা এবং অ্যান্টিবায়োসিস। শোষণে এক জীব অন্য জীবের থেকে খাদ্য বা পুষ্টি সংগ্রহ করে, ফলে অন্যটি ক্ষতিগ্রস্ত হয়। প্রতিযোগিতায় দুইটি জীব একই উৎসের জন্য লড়াই করে, যার ফলে উভয়ের ক্ষতি হয়। অ্যান্টিবায়োসিসে এক জীব অন্য জীবকে ক্ষতি করে, যেমন কিছু ব্যাকটেরিয়া যে কোনো প্রাণীকে অসুস্থ করতে পারে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

ঋণাত্মক আন্তঃক্রিয়া এমন একটি সম্পর্ক যেখানে জীবদ্বয়ের একটি বা উভয়েই ক্ষতিগ্রস্ত হয়। স্বর্ণলতা হস্টোরিয়া নামক চোষক অঙ্গের মাধ্যমে আশ্রয়দাতা উদ্ভিদ থেকে খাদ্য সংগ্রহ বা শোষণ করে ফলে আশ্রয়দাতা উদ্ভিদ প্রয়োজনীয় পুষ্টি থেকে বঞ্চিত হয় বা ক্ষতিগ্রস্ত হয়। এ কারণেই স্বর্ণলতাকে ঋণাত্মক আন্তঃক্রিয়া বলা হয়।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

শোষণ হলো এক ধরনের আন্তঃক্রিয়া যেখানে একটি জীব অন্য জীবকে তার অধিকার থেকে বঞ্চিত করে নিজের অধিকার ভোগ করে। হস্টোরিয়া নামক চোষক অঙ্গের মাধ্যমে আশ্রয়দাতা উদ্ভিদ থেকে খাদ্য সংগ্রহ করে। কোকিল কখনো পরিশ্রম করে বাসা তৈরি করে না। কাকের বাসায় সে ডিম পারে এবং কাকের দ্বারাই ডিম ফোটায়।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

স্বর্ণলতা হস্টোরিয়া নামক চোষক অঙ্গের মাধ্যমে আশ্রয়দাতা উদ্ভিদ থেকে তার খাদ্য গ্রহণ করে। এর ফলে আশ্রয়দাতা উদ্ভিদ প্রয়োজনীয় পুষ্টি হতে বঞ্চিত হয়। শোষণের ক্ষেত্রে একটি জীব অন্য একটি জীবকে তার অধিকার থেকে বঞ্চিত করে নিজের অধিকার ভোগ করে। এ কারণে স্বর্ণলতার খাদ্য গ্রহণ পদ্ধতিকে শোষণ বলা হয়।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

প্রতিযোগিতা হলো এক ধরনের আন্তঃক্রিয়া যেখানে জীবগুলো একই স্থান, আলো, বাতাস, পানি এবং খাদ্যের জন্য একে অপরের সঙ্গে লড়াই করে। এই প্রতিযোগিতায় সুবিধাজনক বৈশিষ্ট্যসম্পন্ন জীব টিকে থাকে, আর অন্য জীবগুলি বিতাড়িত হয়ে যায়। এটি ডারউইনীয় অন্তঃপ্রজাতিক এবং আন্তঃপ্রজাতিক সংগ্রামের ভালো উদাহরণ। যেখানে জীবেরা নিজেদের অস্তিত্ব রক্ষায় একে অপরের বিরুদ্ধে প্রতিযোগিতা করে। এই প্রক্রিয়ায় পরিবেশে শুধুমাত্র সেই জীবই টিকে থাকে যার অভিযোজন ক্ষমতা সবচেয়ে বেশি।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

অ্যান্টিবায়োসিস হলো এমন একটি সম্পর্ক যেখানে একটি জীব অন্য জীবকে তার সৃষ্ট জৈব রাসায়নিক পদার্থ দ্বারা ক্ষতি করে। উদাহরণ হিসেবে পেনিসিলিয়াম ছত্রাকের কথা বলা যায়, যা ব্যাকটেরিয়া মারার জন্য পেনিসিলিন উৎপন্ন করে। পেনিসিলিনের মাধ্যমে ব্যাকটেরিয়ার বৃদ্ধি এবং বিকাশ বাধাপ্রাপ্ত হয় অথবা ব্যাকটেরিয়া মরে যায়। অ্যান্টিবায়োসিস জীবের প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার অংশ হিসেবে কাজ করে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

শোষণ এবং কমেনসালিজম দুটি আলাদা ধরনের সম্পর্ক। শোষণে একটি জীব অন্য জীবের অধিকার থেকে বঞ্চিত করে নিজের সুবিধা গ্রহণ করে, যেমন স্বর্ণলতা যা অন্য উদ্ভিদ থেকে খাদ্য সংগ্রহ করে। কিন্তু কমেনসালিজমে এক জীব উপকৃত হয়, তবে অন্য জীব ক্ষতিগ্রস্ত হয় না। উদাহরণ হিসেবে শৈবাল যে অন্য উদ্ভিদের শরীরে আশ্রয় নিয়ে বসবাস করে, তা কমেনসালিজমের উদাহরণ। এখানে শৈবাল উপকৃত হয় কিন্তু আশ্রয়দাতা উদ্ভিদের কোনো ক্ষতি হয় না।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

অ্যান্টিবায়োসিস জীবজগতে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি প্রক্রিয়া। কারণ এটি এক ধরনের জীবের দ্বারা অন্য জীবের ক্ষতি করে তার বৃদ্ধিকে বাধাগ্রস্ত করে বা তাকে মেরে ফেলে। এই প্রক্রিয়াটি জীবজগতে প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা হিসেবে কাজ করে, যা জীবদের মধ্যে প্রতিযোগিতাকে নিয়ন্ত্রণ করতে সাহায্য করে। এটি পরিবেশে জীবের সংখ্যা এবং বৈচিত্র্য বজায় রাখতে সহায়ক। অ্যান্টিবায়োসিস জীববৈচিত্র্য এবং বাস্তুতন্ত্রের ভারসাম্য রক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

সালোকসংশ্লেষণ প্রক্রিয়ায় সবুজ উদ্ভিদ বায়ু থেকে কার্বন ডাই-অক্সাইড এবং মাটি থেকে পানি সংগ্রহ করে কার্বোহাইড্রেট বা শর্করা তৈরি করে। এ সময় উদ্ভিদ অক্সিজেন ত্যাগ করে, যা প্রাণীদের শ্বসনের জন্য প্রয়োজন। এই প্রক্রিয়া পরিবেশে অক্সিজেন সরবরাহ করে এবং প্রাকৃতিক ভারসাম্য বজায় রাখে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

গাছপালা বাতাসে কার্বন ডাই-অক্সাইড শোষণ করে এবং অক্সিজেন নির্গত করে। এটি মাটি সংরক্ষণ, বৃষ্টিপাতের হার বৃদ্ধি এবং জীববৈচিত্র্য রক্ষায় সহায়তা করে। পাশাপাশি বৃক্ষরোপণ, জলবায়ু পরিবর্তনের বিরূপ প্রভাব কমাতে সাহায্য করে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

জীববৈচিত্র্য নষ্ট হলে পরিবেশের ভারসাম্য অক্ষুণ্ণ রাখা সম্ভব হয় না। এতে খাদ্যচক্রে ব্যাঘাত ঘটে এবং বিভিন্ন প্রজাতির উদ্ভিদ ও প্রাণী বিলুপ্ত হতে পারে। মানুষের খাদ্য, ঔষধ ও অন্যান্য প্রাকৃতিক উপকরণের প্রাপ্যতা কমে যাবে। পরিবেশের এমন বিপর্যয় মানবজাতির অস্তিত্বের জন্য হুমকি হয়ে দাঁড়াবে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

গ্রিনহাউস গ্যাস যেমন CO2, CO, N2O এবং CH4, পৃথিবীর তাপমাত্রা বৃদ্ধিতে সহায়তা করে। এর ফলে গ্রিনহাউস এফেক্ট সৃষ্টি হয়, যা পৃথিবীর তাপমাত্রা বৃদ্ধি করে এবং জলবায়ু পরিবর্তন ঘটায়। সমুদ্রের পানির উচ্চতা বেড়ে উপকূলীয় অঞ্চল তলিয়ে যেতে পারে। এই গ্যাসগুলোর নিঃসরণ নিয়ন্ত্রণ না করলে পরিবেশের বিপর্যয় ঘটতে পারে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

গ্রিনহাউস এফেক্ট হলো তাপমাত্রার বৃদ্ধি যা প্রধানত গ্রিনহাউস গ্যাসের (CO2, CO, CH4, N2O ইত্যাদি) পরিমাণ বেড়ে যাওয়ার কারণে ঘটে। এটি পৃথিবীর তাপমাত্রা বৃদ্ধি করে ফলে সমুদ্রের পানির উচ্চতা বৃদ্ধি পায়। এর ফলে উপকূল অঞ্চল তলিয়ে যেতে পারে এবং আবহাওয়ার পরিবর্তন হতে পারে। এছাড়া, এটি বিভিন্ন প্রাকৃতিক বিপর্যয়ের সূচনা করতে পারে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

গ্রীন হাউস প্রতিক্রিয়া সৃষ্টির জন্য দায়ী যেকোনো গ্যাসকে গ্রীন হাউস গ্যাস বলে। যেমন- কার্বন ডাইঅক্সাইড, ক্লোরোফ্লুরো কার্বনসমূহ, মিথেন, সালফার ডাইঅক্সাইড, নাইট্রোজেন অক্সাইডসমূহ ছাড়াও আরও ৩৪ ধরনের গ্যাস। এসব গ্যাস উৎপন্ন হয় জীবাশ্মজ্বালানী দহন, বনভূমি দহন ও ব্যাকটেরিয়া প্রভৃতি উৎস থেকে। আর এ ক্ষেত্রে গ্রীন হাউস প্রতিক্রিয়ায় একক প্রধান গ্যাস হিসেবে CO2-কে চিহ্নিত করা হয়। বিধায় CO2 কে গ্রীন হাউস গ্যাস বলা হয়।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

গ্রিনহাউস গ্যাসের প্রভাব কমানোর উপায় উল্লেখ করা হলো-নবায়নযোগ্য শক্তি ব্যবহার করা, গাছপালা রোপণ ও বন সংরক্ষণ করা, শিল্প-কারখানার নির্গমন নিয়ন্ত্রণ করা, বর্জ্য পুনর্ব্যবহার ও মিথেন নিঃসরণ কমানো। পরিবেশবান্ধব কৃষি পদ্ধতি, জনসচেতনতা বৃদ্ধি প্রভৃতি।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

পরিবেশের ভারসাম্য জীবজগৎ ও প্রাকৃতিক উপাদানের মধ্যে একটি সুসংহত সম্পর্ক বজায় রাখে। এটি বিভিন্ন প্রজাতির উদ্ভিদ, প্রাণী এবং জড় পদার্থের মধ্যে মিথস্ক্রিয়া সৃষ্টি করে। ভারসাম্য রক্ষার মাধ্যমে পরিবেশে জীবনধারণের জন্য প্রয়োজনীয় উপাদান সঠিকভাবে পাওয়া যায়। যদি ভারসাম্য নষ্ট হয়, তবে পরিবেশের বিপর্যয় ঘটতে পারে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

পরিবেশ সংরক্ষণ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ কারণ এটি জীববৈচিত্র্য এবং মানবজাতির অস্তিত্ব রক্ষা করে। পরিবেশ সুরক্ষিত থাকলে মানুষের মৌলিক চাহিদা যেমন খাদ্য, পানি, জ্বালানি ইত্যাদি সরবরাহ সম্ভব। পরিবেশের ক্ষতি হলে গ্রিনহাউস এফেক্ট, জলবায়ু পরিবর্তন, বনাঞ্চল ধ্বংস এবং রোগের প্রাদুর্ভাব বৃদ্ধি পায়। তাই পরিবেশ সংরক্ষণ মানবকল্যাণের জন্য অপরিহার্য।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

জীববৈচিত্র্য পরিবেশের স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে সহায়তা করে। এটি বিভিন্ন প্রজাতির উদ্ভিদ, প্রাণী, কীটপতঙ্গ ও অন্যান্য জীবের মধ্যে আন্তঃনির্ভরশীলতা তৈরি করে। জীববৈচিত্র্য পরিবেশে সঠিকভাবে খাদ্যচক্র এবং প্রকৃতির কার্যক্রমকে কার্যকর রাখে। জীববৈচিত্র্য না থাকলে পরিবেশের ভারসাম্য ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

পরিবেশ সংরক্ষণের জন্য বৃক্ষরোপণ এবং গাছ কাটা বন্ধ করা জরুরি। পরিবেশ সচেতনতা তৈরি করতে হবে এবং বিশ্বব্যাপী পরিবেশ সংরক্ষণ আন্দোলন গড়ে তোলা প্রয়োজন। গ্রিনহাউস গ্যাসের নিঃসরণ কমাতে প্রাকৃতিক সম্পদের সঠিক ব্যবহার নিশ্চিত করতে হবে। পাশাপাশি পরিবেশের ক্ষতি রোধে সবাইকে ঐক্যবন্ধ হয়ে কাজ করতে হবে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

পরিবেশ সংরক্ষণ না করলে গ্রিনহাউস এফেক্ট বৃদ্ধি পাবে, ফলে পৃথিবীর তাপমাত্রা বেড়ে যাবে। এতে জলবায়ু পরিবর্তন, বনাঞ্চল ধ্বংস এবং নতুন রোগের প্রাদুর্ভাব ঘটবে। সমুদ্রের পানির উচ্চতা বেড়ে উপকূল অঞ্চল তলিয়ে যেতে পারে। এছাড়া কৃষি উৎপাদনেও ব্যাপক ক্ষতি হবে এবং প্রাকৃতিক দুর্যোগ বৃদ্ধি পাবে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

মানুষ অতিরিক্ত বনজ সম্পদ নিধন, কার্বন গ্যাস নিঃসরণ, পানি দূষণ এবং আবর্জনা ফেলা ইত্যাদি কাজের মাধ্যমে পরিবেশের ক্ষতি করছে। অধিক জনসংখ্যা ও প্রযুক্তির অপব্যবহারও পরিবেশে নেতিবাচক প্রভাব ফেলে। এতে জীববৈচিত্র্য, আবহাওয়া এবং প্রাকৃতিক সম্পদের ভারসাম্য নষ্ট হয়ে যাচ্ছে। তাই পরিবেশের ক্ষতির জন্য মানুষ দায়ী।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

পরিবেশ দূষিত হওয়ার কারণ হলো শিল্পকারখানা, যানবাহন এবং কৃষিতে অতিরিক্ত রাসায়নিক সার ও কীটনাশকের ব্যবহার। এছাড়া বর্জ্যের সুষ্ঠু ব্যবস্থাপনা না হওয়া এবং বৃক্ষহীন নগরায়নও পরিবেশকে ক্ষতিগ্রস্ত করে। বনাঞ্চল ধ্বংস এবং অপরিকল্পিত নগরায়নও পরিবেশের ভারসাম্য নষ্ট করতে পারে। জনসংখ্যা বৃদ্ধিও পরিবেশের উপর অতিরিক্ত চাপ সৃষ্টি করে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

মাত্রাতিরিক্ত রাসায়নিক সার ও কীটনাশক ব্যবহার করলে-
i. মাটির গুণাগুণ নষ্ট হয়।
ii. উপকারী জীব ও পোকামাকড় ধ্বংস হয়।
iii. জলজ ও মাটির বাস্তুতন্ত্র নষ্ট হয়।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

পরিবেশ দূষণ রোধে শিল্পকারখানার বর্জ্য সঠিকভাবে ব্যবস্থাপনা করা উচিত। জৈব সারের ব্যবহার বৃদ্ধি করা এবং রাসায়নিক সার ও কীটনাশকের ব্যবহার কমাতে হবে। আরো গুরুত্বপূর্ণ হলো সচেতনতা বৃদ্ধি এবং পরিবেশগত শিক্ষা সবার মাঝে ছড়িয়ে দেওয়া। রাষ্ট্রীয় এবং আন্তর্জাতিক পর্যায়ে পরিবেশগত নীতি এবং আইন কঠোরভাবে বাস্তবায়ন করতে হবে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

পরিবেশে ক্ষতিকর প্রভাব সম্পর্কে জনসচেতনতা বৃদ্ধির জন্য প্রচার মাধ্যমকে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে হবে। সরকার এবং পরিবেশ সংস্থা পর্যায়ক্রমে কর্মশালা, সেমিনার এবং ক্যাম্পেইন আয়োজন করতে পারে। স্কুল ও কলেজে পরিবেশ বিষয়ক শিক্ষা প্রদানের ব্যবস্থা করতে হবে। এছাড়া সামাজিক মাধ্যম ব্যবহার করে পরিবেশ সচেতনতা বৃদ্ধির প্রচেস্টা চালানো উচিত।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

বাস্তুসংস্থান হলো এমন একটি একক যেখানে জড়বস্তু, খাদ্য উৎপাদক, খাদক এবং বিয়োজক অবস্থান করে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

প্রাকৃতিক পরিবেশে উদ্ভিদ ও প্রাণী এবং উভয় প্রকার জীব ও জড় পদার্থের মধ্যে শক্তি ও বস্তুর এই আদান-প্রদান হলো মিথস্ক্রিয়া। আর এরূপ মিথস্ক্রিয়ায় আন্তঃসম্পর্ক ঘটে, পৃথিবীর এমন যে কোনো অঞ্চলকে ইকোসিস্টেম বা বাস্তুতন্ত্র বলে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

উৎপাদক হলো সবুজ উদ্ভিদ যা সালোকসংশ্লেষণ প্রক্রিয়ায় নিজের খাদ্য নিজে তৈরি করতে পারে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

বাস্তুসংস্থানের যেসবু জীব খাদ্য গ্রহণের জন্য প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে উদ্ভিদের উপর নির্ভরশীল তাদেরকে খাদক বলে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

ধাঙর হলো পরিবেশের আবর্জনাভুক প্রাণী।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

ব্যাকটেরিয়া, ছত্রাক ইত্যাদি অতি ক্ষুদ্র জীব বা অণুজীব উদ্ভিদ ও প্রাণীর বর্জ্য পদার্থ ও মৃতদেহ থেকে তাদের খাদ্য গ্রহণ করে এবং এসব বর্জ্য বিয়োজিত করে মাটিতে বা পানিতে মিশিয়ে দেয়। এ ক্ষুদ্র অণুজীবগুলোই হলো বিয়োজক।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

যেসব প্রাণী সরাসরি উদ্ভিদ থেকে খাদ্য গ্রহণ করে তাদেরকে বলা হয় তৃণভোজী প্রাণী বা Herbivorous।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

Scavenger বা ধাঙড় হলো পরিবেশের আবর্জনাভুক প্রাণী।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

পানিতে ভাসমান ক্ষুদ্র উদ্ভিদ বা প্রাণীকে প্ল্যাংকটন বলে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

পানিতে ভাসমান ক্ষুদ্র উদ্ভিদ বা প্রাণীকে প্ল্যাংকটন বলে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

যে খাদ্য শিকলে প্রথম স্তরের খাদক আকারে সবচেয়ে ছোট থাকে এবং পর্যায়ক্রমে উপরের খাদকেরা নিচের স্তরের খাদকগুলো শিকার ধরে খেয়ে একেবারে শেষ করে দেয় সেরূপ শিকলই হলো শিকারজীবী খাদ্য শিকল।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

জীবের মৃতদেহ থেকে শুরু হয়ে যদি কোন খাদ্য শৃঙ্খল একাধিক খাদ্যন্তরে বিন্যস্ত হয়, তবে সেরূপ শিকলকে বলা হয় মৃতজীবী খাদ্য শৃঙ্খল।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

কয়েকটি খাদ্য শিকল একত্রিত হয়ে একটি জালের ন্যায় গঠনই খাদ্য জাল।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

যেসব প্রাণী সব প্রকার খাদ্য অর্থাৎ জীবিত ও মৃত খাদ্য খেয়ে বেঁচে থাকতে পারে তাদেরকে সর্বভুক প্রাণী বলে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

বাস্তুতন্ত্রের মধ্য দিয়ে শক্তির একমুখী চলনকে শক্তি প্রবাহ বলে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

খাদ্যশিকলে যুক্ত প্রতিটি পুষ্টিস্তরের শক্তি সঞ্চয় ও স্থানান্তরের বিন্যাস ছকই শক্তি পিরামিড।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

খাদ্য শিকলের প্রতিটি স্তরকে ট্রপিক লেভেল বলে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

পৃথিবীতে বিরাজমান জীবসমূহের প্রাচুর্য ও ভিন্নতাকে জীববৈচিত্র্য বলে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

প্রজাতিগত বৈচিত্র্য হলো পৃথিবীতে বিরাজমান জীবগুলোর মোট প্রজাতির সংখ্যা।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

যে আন্তঃসম্পর্কে দুটি জীবের উভয়েই একে অন্যের দ্বারা উপকৃত হয় এবং কেউ কারো ক্ষতি করে না তাকে মিউচুয়ালিজম বলে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

জীবজগতে বিভিন্ন প্রকার গাছপালা এবং প্রাণীদের মধ্যে বিদ্যমান জৈবিক সম্পর্কগুলোকে সহাবস্থান বা সিমবায়োসিস বলে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

কমেনসেলিজম হলো এক ধরনের ধনাত্মক আন্তঃক্রিয়া যেখানে সহযোগীদের মধ্যে একজন উপকৃত হয় এবং অন্যজন উপকৃত না হলেও কখনও ক্ষতিগ্রস্ত হয় না।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

একটি জীব কর্তৃক সৃষ্ট জৈব রাসায়নিক পদার্থের কারণে যদি অন্য জীবের বৃদ্ধি ও বিকাশ আংশিক বা সম্পূর্ণরূপে বাধাগ্রস্থ হয় অথবা মৃত্যু ঘটে তখন সেই প্রক্রিয়াই হলো অ্যান্টিবায়োসিস।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

প্রাকৃতিক পরিবেশে উদ্ভিদ ও প্রাণী এবং উভয় প্রকার জীব ও জড় পদাথের মধ্যে শক্তি ও বস্তুর আদান-প্রদানকে বলা হয় মিথস্ক্রিয়া।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

লাইকেন হলো একটি শৈবাল ও একটি ছত্রাকের সহাবস্থান।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

স্বর্ণলতা উদ্ভিদের চোষক অঙ্গের নাম হস্টোরিয়া।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

আন্তঃপ্রজাতিক সংগ্রাম হলো বিভিন্ন প্রজাতির মধ্যে খাদ্য-খাদক সম্পর্কের এক নিষ্ঠুর জীবনসংগ্রাম।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

সময়ের সাথে নতুন পরিবেশে কোনো প্রজাতির টিকে থাকার ক্ষমতাই হলো অভিযোজন।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

যেসব প্রাণী সরাসরি উদ্ভিদ থেকে খাদ্য গ্রহণ করে তাদেরকে বলা হয় তৃণভোজী প্রাণী বা হার্বিভোরাস। এদের অপর নাম প্রথম শ্রেণির খাদক। যেমন- হরিণ। অন্যদিকে, যেসব প্রাণী গৌণ খাদকদের খেয়ে বাঁচে তাদেরকে বলা হয় মাংসাশী প্রাণী বা কার্নিভোরাস। এদেরকে বলা যায় তৃতীয় শ্রেণির বা কোনো কোনো ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ খাদক। যেমন- বাঘ এই শ্রেণির খাদক। তাই হরিণকে তৃণভোজী প্রাণী বা হার্বিভোরাস বলা হলেও বাঘকে মাংসাশী প্রাণী বা কার্নিভোরাস বলা হয়।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

ব্যাকটেরিয়া, ছত্রাক ইত্যাদি অতি ক্ষুদ্র জীব বা অণুজীব উদ্ভিদ এবং প্রাণীর বর্জ্য পদার্থ ও মৃতদেহ থেকে তাদের খাদ্য গ্রহণ করে এবং এসব বর্জ্য বিয়োজিত করে মাটিতে বা পানিতে মিশিয়ে দেয়। এই মিশে যাওয়া উপাদান তখন উদ্ভিদের পক্ষে আবার খাদ্য হিসেবে গ্রহণ করা সম্ভব হয়। এ কারণেই অণুজীবকে বিয়োজক বলা হয়।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

বনভূমির খাদ্যশৃঙ্খল একটি জটিল প্রক্রিয়া যার মাধ্যমে শক্তি এবং পুষ্টি এক বাস্তুতন্ত্র থেকে অন্য বাস্তুতন্ত্রে প্রবাহিত হয়। খাদ্যশৃঙ্খলের শুরু হয় সবুজ উদ্ভিদ থেকে যা সালোকসংশ্লেষণ প্রক্রিয়ায় সূর্যরশ্মির শক্তিকে খাদ্যে রূপান্তরিত করে। এরপর এই উদ্ভিদগুলি তৃণভোজী প্রাণী যেমন খরগোশ বা হরিণ খায়। তৃণভোজী প্রাণীগুলি পরবর্তী পর্যায়ে মাংসাশী প্রাণী, যেমন সাপ বা বাঘের খাদ্য হিসেবে ব্যবহৃত হয়। মৃত প্রাণী ও উদ্ভিদের অবশেষগুলিও বিয়োজক বা ডিকম্পোজারের মাধ্যমে পুষ্টিতে পরিণত হয়ে মাটি ও পরিবেশে ফিরে আসে, যা আবার সবুজ উদ্ভিদ দ্বারা শোষিত হয়ে পুনরায় খাদ্যশৃঙ্খলে প্রবাহিত হয়।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

পুষ্টিপ্রবাহ হলো সেই প্রক্রিয়া যার মাধ্যমে পুষ্টি এবং শক্তি বিভিন্ন জীবন্ত ও অজীবন্ত উপাদানের মধ্যে চলাচল করে। বনভূমির ঝস্তুতন্ত্রে সবুজ উদ্ভিদগুলি খাদ্য প্রস্তুত করে, যা তাদের জীবনে প্রয়োজনীয় শক্তি সরবরাহ করে। এরপর এই উদ্ভিদগুলি তৃণভোজী প্রাণীদের খাদ্য হয়ে যায় এবং পরবর্তী পর্যায়ে মাংসাশী প্রাণী দ্বারা খাওয়া হয়। মৃত প্রাণী বা উদ্ভিদগুলির অবশিষ্টাংশ বিয়োজকের মাধ্যমে পুষ্টি উপাদান হিসেবে পরিবেশে ফিরে আসে। এই চক্রের মাধ্যমে পরিবেশে পুষ্টির প্রবাহ অব্যাহত থাকে, যা বনভূমির বাস্তুতন্ত্রকে সুস্থ ও টেকসই রাখে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

বাস্তুতন্ত্রে খরগোশ দ্বিতীয় ট্রফিক লেভেলের প্রতিনিধিত্ব করে। কারণ বাস্তুতন্ত্রে খাদ্যশিকলের প্রতিটি স্তরকে ট্রফিক লেভেল বলে। বাস্তুতন্ত্রে উৎপাদক প্রথম বা সর্বনিম্ন ট্রফিক লেভেলের প্রতিনিধিত্ব করে এবং তৃণভোজী খাদক অর্থাৎ প্রথম স্তরের খাদক দ্বিতীয় ট্রফিক লেভেলের প্রতিনিধি। যেহেতু খরগোশ একটি তৃণভোজী প্রাণী অর্থাৎ উৎপাদক খেয়ে বেঁচে থাকে তাই খরগোশ বাস্তুতন্ত্রে দ্বিতীয় ট্রফিক লেভেলের প্রতিনিধিত্ব করে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

শক্তির প্রবাহে প্রতিটি ধাপে প্রায় ৯০% শক্তি তাপ হিসেবে হারায় বা অব্যবহৃত থেকে যায়। এই কারণে খাদ্যশিকলের স্তরের সংখ্যা নির্দিষ্ট পরিমাণে সীমিত থাকে, সাধারণত ৪ ৫ ধাপের মধ্যে। শক্তির ক্রমবর্ধমান ক্ষয়, পরবর্তী স্তরে পৌছানোর শক্তি কমিয়ে দেয়। দীর্ঘ খাদ্যশিকলে শক্তি আরও দ্রুত কমে গিয়ে একসময় শক্তি নিঃশেষিত হয়ে যায়। তাই খাদ্যশিকলকে সীমিত রাখতে শক্তির অপচয় কমানোর জন্য ৪ ৫ স্তরের বেশি রাখা যায় না।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

জীববৈচিত্র্য পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা করতে সহায়তা করে, কারণ এটি জীবদের মধ্যে পারস্পরিক সম্পর্ক স্থাপন করে। জীববৈচিত্র্য পরিবেশের শক্তিপ্রবাহ এবং খাদ্যশৃঙ্খলের মাধ্যমে পরিবেশের স্থিতিশীলতা বজায় রাখে। প্রতিটি জীবের ভূমিকা পরিবেশে নির্দিষ্ট এবং একে অপরের উপর নির্ভরশীল, ফলে একটি প্রজাতি বিলুপ্ত হলে তা পরিবেশে বিশাল পরিবর্তন আনতে পারে। এটি প্রাকৃতিক বিপর্যয়ের মোকাবিলা করার জন্য শক্তিশালী পরিবেশ তৈরি করে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

ব্যাঙ পরিবেশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে, কারণ এটি একদিনে তার ওজনের সমপরিমাণ পোকামাকড় খেয়ে ফেলে, যা ফসলের ক্ষতি করে। ব্যাঙের এই কার্যকলাপ কীটপতঙ্গের সংখ্যা নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে এবং কৃষির জন্য উপকারী। কিন্তু কীটনাশকের ব্যবহার ব্যাঙের সংখ্যা কমিয়ে দিয়েছে। ব্যাঙের উপস্থিতি কৃষিতে কীটপতঙ্গের ক্ষতি কমাতে সাহায্য করে। তাই ব্যাঙ পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
88

জীবের চারপাশের জড় এবং জীবজ সবকিছু মিলেই জীবের পরিবেশ পঠিত হয়। আলো, বাতাস, ঝড়-বৃষ্টি, মাটি, পানি যেমন একটি জীবের জীবনে গুরুত্বপূর্ণ, তেমনি তাকে ঘিরে যে জীবজগৎ থাকে, তার প্রভাবও ঐ জীবের জীবনে সমান গুরুত্বপূর্ণ। একটি জীব তার জীবনধারণের বিভিন্ন পর্যায়ে যেসব পদক্ষেপ নেয়, সেগুলো অবশ্যই একই পরিবেশে বসবাসকারী অন্য জীবের জীবনে প্রভাব ফেলে। জীবজগতে খাদ্যশিকল বা খাদ্যশৃঙ্খল কিংবা খাদ্যজাল খুবই পুরুত্বপূর্ণ বিষয়, যেগুলোকে বাদ দিয়ে জীবের অস্তিত্বের কথা কল্পনা করা যায় না।

এই অধ্যায় পাঠ শেষে আমরা-
• বাস্তুতন্ত্র ব্যাখ্যা করতে পারব।
• বাস্তুতন্ত্রের উপাদানসমূহের আন্তঃসম্পর্ক বিশ্লেষণ করতে পারব।
খাদ্যশিকল ও খাদ্যজাল ব্যাখ্যা করতে পারব।
• বাস্তুতন্ত্রে শন্তির প্রবাহ ও পুষ্টি উপাদানের সম্পর্ক তুলনা করতে পারব।
• ট্রফিক লেভেলের মধ্যে শক্তির সম্পর্ক তুলনা করতে পারব।
•শক্তি পিরামিডের ধারণা ব্যাখ্যা করতে পারব।
•খাদ্যশিকল বা খাদ্যশৃঙ্খল সীমিত রাখতে শক্তি পিরামিডের প্রভাব ব্যাখ্যা করতে পারব।
•জীববৈচিত্র্য এবং জীববৈচিত্র্যের প্রকারভেদ ব্যাখ্যা করতে পারব।
• বাস্তুতন্ত্রের স্থিতিশীলতা রক্ষায় জীববৈচিত্র্যের প্রভাব মূল্যায়ন করতে পারব।
•পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় বিভিন্ন জীবের মধ্যে মিথস্ক্রিয়া ও আন্তঃনির্ভরশীলতা ব্যাখ্যা করতে পারব।
•পরিবেশ সংরক্ষণ পদ্ধতি ব্যাখ্যা করতে পারব।
•পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় পরিবেশ সংরক্ষণের গুরুত্ব বিশ্লেষণ করতে পারব।
•একটি নির্বাচিত এলাকার উৎপাদক, খাদক, বিয়োজক এবং ভৌত পরিবেশের মধ্যে পারস্পরিক সম্পর্ক নির্ণয় করতে পারব।
•একটি নির্দিষ্ট পরিবেশের উপাদানসমূহ দূষিত হওয়ার কারণ নির্ণয় করতে পারব।
• বাস্তুতন্ত্রে শক্তির প্রবাহ, খাদ্যশিকল, খাদ্যজালের প্রবাহচিত্র অঙ্কন করতে সক্ষম হব।
• পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় বাস্তুতন্ত্রের উপাদানের অবদান উপলব্ধি করতে পারব এবং এর সংরক্ষণে সচেতন হব।

Related Question

View All
উত্তরঃ

পরভোজী বা মৃতজীবী যে সকল অণুজীব জীবের মৃতদেহ থেকে বিশোষণের মাধ্যমে খাদ্য গ্রহণ করে এবং মৃতদেহকে বিয়োজিত করে সরল জৈব যৌগে পরিণত করে তাদের বলা হয় বিয়োজক।

2.3k
উত্তরঃ

বাস্তুতন্ত্রে একাধিক খাদ্য শিকল দেখা যায়। এ খাদ্য শিকলগুলো স্বাধীন বা পৃথকভাবে অবস্থান করে না। এসব খাদ্য শিকলগুলোর একটি শিকল অন্য এক বা একাধিক খাদ্য শিকলের সাথে সম্পর্কযুক্ত। বাস্তুতন্ত্রে এভাবে একাধিক খাদ্য শিকলগুলো আন্তঃসম্পর্কযুক্ত হয়ে একটি জালের ন্যায় গঠন তৈরি করে। জালের ন্যায় এ গঠনই হলো খাদ্যজাল।

664
উত্তরঃ

উক্ত খাদ্যজালের সবচেয়ে বড় খাদ্যশৃঙ্খলটি হলো-
সবুজ উদ্ভিদ সবুজ পোকা মাংসাশী পতঙ্গ ছোট পাখি শেয়াল।
উদ্দীপকের খাদ্যজালটির এ খাদ্যশৃঙ্খলটিতেই রয়েছে বেশি সংখ্যক খাদ্যস্তর। বাস্তুতন্ত্রের সব ধরনের খাদ্যশৃঙ্খলেই প্রতিটি খাদ্যস্তরে কিছু শক্তির অপচয় হয়। এ শৃঙ্খলটির উৎপাদক সবুজ উদ্ভিদ থেকে সবুজ পোকা যতটা শক্তি গ্রহণ করে তার শরীরে ততটা শক্তি জমা হয় না। আবার দ্বিতীয় স্তরের খাদক মাংসাশী পতঙ্গ সবুজ পোকার দেহ থেকে যে পরিমাণ শক্তি গ্রহণ করে তার কিছুটা খরচ বা অপচয় হয়ে যায়। এ ভাবে তৃতীয় স্তরের খাদক ছোট পাখি যখন মাংসাশী পতঙ্গ থেকে খাদ্য হিসেবে শক্তি গ্রহণ করে সেখানেও কিছু শক্তির অপচয় ঘটে এবং সর্বোচ্চ খাদক শেয়াল যখন ছোট পাখিকে খাদ্য হিসেবে গ্রহণের মাধ্যমে শক্তি নেয় সেখানেও কিছু শক্তি ব্যয় হয়। সুতরাং দেখা যাচ্ছে যে এ খাদ্যশৃঙ্খলটিতে খাদ্যস্তরের সংখ্যা বেশি হওয়ায় সর্বোচ্চ খাদকে শক্তি পৌঁছাতে মোট শক্তির অপচয় বা ব্যয় সবচেয়ে বেশি হয়।

608
উত্তরঃ

উপরোক্ত খাদ্যজালের ছোট পাখিটি বাস্তুতন্ত্রে এক গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে থাকে। উদ্দীপকের ছোট পাখিটির বিলুপ্তি ঘটলে স্থলজ বাস্তুতন্ত্রে এক বিরূপ প্রতিক্রিয়া দেখা দিবে। বাস্তুতন্ত্র তার জীববৈচিত্র্য হারাবে। পরিবেশ থেকে কোন প্রজাতি বিলুপ্ত হলে বাস্তুতন্ত্রের স্থিতিশীলতা নষ্ট হয়ে যায়, অর্থাৎ বাস্তুতন্ত্র তার ভারসাম্য হারায়।
উদ্দীপকের খাদ্যজাল থেকে ছোট পাখিটি বিলুপ্ত হলে পরিবেশ তথা বাস্তুতন্ত্রে যা ঘটবে-
বাস্তুতন্ত্রে সবুজ পোকা ও মাংসাশী পতঙ্গের সংখ্যা বেড়ে যাবে। কারণ ছোট পাখি সবুজ পোকা ও মাংসাশী পতঙ্গ খেয়ে বেঁচে থাকে। পরিবেশ তথা বাস্তুতন্ত্রে সবুজ পোঁকার সংখ্যা বেড়ে গেলে সবুজ উদ্ভিদের সংখ্যা কমতে থাকবে। কারণ সবুজ পোকা সবুজ উদ্ভিদ খেয়ে বেঁচে থাকে। এসকল পোকার আক্রমণে উদ্ভিদে বিভিন্ন ধরনের রোগ দেখা দিবে ফলে ফসলী উদ্ভিদের ফলন কমে যাবে। এতে বাস্তুতন্ত্রের প্রাণিকূলের বেঁচে থাকার জন্য যে খাবার প্রয়োজন তাতে ঘাটতি দেখা দিবে। অন্যদিকে বাস্তুতন্ত্রে উদ্ভিদের সংখ্যা কমে গেলে পরিবেশে অক্সিজেনের অভাব দেখা দিবে। কারণ সবুজ উদ্ভিদই সালোকসংশ্লেষণের সময় অক্সিজেন নির্গত করে। সুতরাং পরোক্ষভাবে ছোট পাখিটি বাস্তুতন্ত্রে গ্যাসীয় ভরসাম্য রক্ষা করে চলেছে। আবার খাদ্যজাল থেকে ছোট পাখি বিলুপ্ত হলে খাদ্যজালের সর্বোচ্চ খাদক শেয়াল তার খাবার না পেয়ে বাস্তুতন্ত্র থেকে বিলুপ্ত হবে।

সুতরাং সবশেষে বলা যায় যে উক্ত খাদ্যজাল থেকে ছোট পাখির বিলুপ্তি ঘটলে বাস্তুতন্ত্রের ভারসাম্যতা নষ্ট হবে, পরিবেশ দূষিত হবে, বাস্তুতন্ত্র থেকে বিলীন হবে অনেক জীবপ্রজাতি, পরিবেশে দেখা দিবে খাদ্যভাব- যা বাস্তুতন্ত্রের প্রাণিকূল ধ্বংসের প্রথম পদক্ষেপ।

349
উত্তরঃ

পৃথিবীতে বিরাজমান জীবসমূহের প্রাচুর্য ও ভিন্নতাই হলো জীববৈচিত্র্য।

623
উত্তরঃ

কখনও কখনও দুটি জীব একসঙ্গে বসবাসের সময় এদের একটি জীব অন্যের দ্বারা উপকৃত হয় কিন্তু অন্যটি উপকৃত না হলেও কখনও ক্ষতিগ্রস্ত হয় না। দুটি জীবের এ ধরনের সহাবস্থানকে বলা হয় কমেনসেলিজম। যেমন- রোহিনী উদ্ভিদ অন্য বড় উদ্ভিদকে আরোহন করে উপরে উঠে। এক্ষেত্রে রোহিনী উদ্ভিদটি উপকৃত হয় কিন্তু বড় উদ্ভিদ উপকৃত হয় না। আবার রোহিনী উদ্ভিদ দ্বারা ক্ষতিগ্রস্তও হয় না। এই সহাবস্থানই হলো কমেনসেলিজমের একটি প্রকৃত উদাহরণ।

512
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র
মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews