সংক্ষিপ্ত প্রশ্ন ও সমাধান

Updated: 6 months ago
উত্তরঃ

জীবকোষ জীবদেহের একক ।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

নীলাভ সবুজ শৈবাল ও ব্যাকটেরিয়া আদিকোষ দ্বারা গঠিত ।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

দেহকোষে ক্রোমোজোম সংখ্যা জনন কোষের দ্বিগুণ ।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

মাইটোসিস পদ্ধতিতে দেহ কোষের বিভাজন ঘটে ।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

নিউক্লিয়াসের সংগঠনের ভিত্তিতে কোষ দুই ধরনের ।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

কাজের ভিত্তিতে প্রকৃত কোষ দুই প্রকার ।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

মিয়োসিস পদ্ধতিতে মাতৃকোষের বিভাজন ঘটে ।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

জীবদেহের বিভিন্ন অঙ্গ ও তন্ত্র গঠনে অংশ নেয় দেহকোষ ।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

জাইগোট বারবার বিভাজনের মাধ্যমে জীবদেহ গঠিত হয় ।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

উদ্ভিদ কোষের অন্যতম গুরুত্বতম বৈশিষ্ট্য কোষ প্রাচীর ।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

কোষপ্রাচীর মৃত বা জড়বস্তু দিয়ে তৈরি ।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

প্রাথমিক কোষপ্রাচীর একস্তর বিশিষ্ট ।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

কোষ প্রাচীরের রাসায়নিক গঠন বেশ জটিল ।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

কোষের ভিতরে যে অর্ধস্বচ্ছ, থকথকে জেলির মতো বস্তু থাকে তাকে প্রোটোপ্লাজম বলে ।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

কোষঝিল্লির ভাঁজকে মাইক্রোডিলাই বলে ।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

মাইটোকন্ড্রিয়া আবিষ্কার করেন বেনডা ।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

কোষের পাওয়ার হাউজ বলা হয় মাইটোকন্ড্রিয়াকে ।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

মাইটোকন্ড্রিয়ার প্রধান কাজ জীবের শ্বাসকার্যে সাহায্য করা ।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

প্রাককেন্দ্রিক কোষে কোষে মাইটোকন্ড্রিয়া অনুপস্থিত ।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

ক্লোরোপ্লাস্ট ক্লোরোফিল বর্ণ কণিকার আধিক্যের জন্য সবুজ হয় ।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

রঞ্জক পদার্থবিহীন প্লাস্টিডকে লিউকোপ্লাস্ট বলে ।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

সালোকসংশ্লেষণকারী এনজাইম প্লাস্টিডের স্ট্রোমা অংশে থাকে ।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

এন্ডোপ্লাজমিক রেটিকুলাম অঙ্গাণুর আবরণীর গায়ে রাইবোজোম লেগে থাকে ।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

লাইসোজোম-এর এনজাইম জীবাণুকে হজম করে ।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

নিউক্লিও বস্তু ২ স্তর বিশিষ্ট ।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

কেন্দ্রিকা ঝিল্লির অভ্যন্তরে জেলির ন্যায় অঙ্গাণুকে নিউক্লিওপ্লাজম বলে ।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

নিউক্লিওলাস RNA ও প্রোটিন দ্বারা গঠিত ।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

পুরুষাণুক্রমে বংশের বৈশিষ্ট্য রহন করা ক্রোমোজোম অঙ্গাণুর কাজ ।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

জীবদেহের গঠনের একক কোষ ।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

স্থায়ী টিস্যু সৃষ্টি হয় ভাজক টিস্যু থেকে ।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

পাটের সোনালী আঁশ বলা হয়  বাস্ট ফাইবার ।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

প্যারেনকাইমা টিস্যুতে ক্লোরোফিন্স থাকলে তাকে ক্লোরেনকাইমা বলে ।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

কচি ও নমনীয় কাণ্ডকে দৃঢ়তা প্রদান করে কোলেনকাইমা টিস্যু'।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

স্ক্লেরেনকাইমা টিস্যুর কোষের খুব তাড়াতাড়ি মৃত্যু হয় ।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

ফাইবার ফ্লেরেনকাইমা ধরনের টিস্যুর কোষ ।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

বিভিন্ন প্রকার কোষের সমন্বয়ে গঠিত হয় জটিল টিস্যু ।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

প্রাথমিক জাইলেম প্রোক্যাম্বিয়াম থেকে উৎপন্ন হয় ।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

নিটাম উদ্ভিদে প্রাথমিক পর্যায়ের ভেসেল থাকে ।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

দীর্ঘ নলের ন্যায় অঙ্গ গঠন করে ভেসেল কোয ।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

সঙ্গীকোষ কোষের কেন্দ্রিকা বেশ বড় ।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

নগ্নবীজী উদ্ভিদের সঙ্গীকোষ থাকে না ।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

দেহের আকার গঠন ও অস্থি বৃদ্ধি করে অস্থি কোষ ।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

ক্ষরণ ও শোষণ কলামনার আবরণী টিস্যু ধরনের টিস্যুর প্রধান কাজ ।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

ক্ষণপদযুক্ত আবরণী টিস্যু হাইড্রার এন্ডাডার্মে পাওয়া যায় ।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

আবরণী টিস্যু পরিবর্তিত হয়ে গ্রন্থি টিস্যুতে পরিণত হয় ।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

মায়োফাইব্রিল পেশিকোষে থাকে ।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

বিভিন্ন ধরনের রক্তকণিকা তৈরি করে তরল যোজক কলা ।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

লসিকার বর্ণ হলুদ বর্ণের ।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

দেহের অভ্যন্তরীণ অঙ্গ সঞ্চালনে অংশ নেয় অনৈচ্ছিক পেশি ।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

হৃদপেশি পেশির গঠন ঐচ্ছিক পেশির মতো ।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

অনৈচ্ছিক পেশি মসৃণ পেশি বলা হয় ।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

স্নায়ুতন্ত্রের গঠন ও কাজের একককে নিউরন বলে ।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

একটা আদর্শ নিউরনের তিনটি অংশ থাকে ।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

অবস্থানভেদে মানবদেহে ২ ধরনের অঙ্গ থাকে ।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

শ্বসনতন্ত্র জারণ প্রক্রিয়ায় শক্তি উৎপন্ন করে ।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

অন্তঃক্ষরা গ্রন্থি থেকে নিঃসৃত রসকে হরমোন বলে ।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

নালিবিহীন গ্রন্থি থেকে নিঃসৃত রসকে হরমোন বলে ।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

অ্যালভিওলাই শ্বসনতন্ত্র অংশ ।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

পৌস্টিকনালি পরিপাকতন্ত্র  অংশ  ।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

দেহের অনৈচ্ছিক পেশির কাজগুলো করে স্নায়ুতন্ত্র ।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

খাদ্যগ্রহণ ও পরিপাক পরিপাকতন্ত্র সাথে জড়িত ।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

জীব দেহের গঠন ও কাজের একককে কোষ বলে। লোয়ি (Loewy) এবং সিকেডিজ (Sickevitz) এর মতে, বৈষম্যভেদ্য পর্দা দ্বারা আবৃত এবং জীবজ ক্রিয়াকলাপের একক যা অন্য সজীব মাধ্যম ব্যতিরেকেই নিজের প্রতিরূপ তৈরি করতে সক্ষম তাকে কোষ বলে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

প্লাস্টিড উদ্ভিদ কোষের গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গাণু। প্লাস্টিডের প্রধান কাজগুলো হলো-

১. সালোকসংশ্লেষণ প্রক্রিয়ায় শর্করা জাতীয় খাদ্য প্রস্তুত করা।
২. খাদ্য সঞ্চয় করা।
৩. উদ্ভিদদেহকে বর্ণময় ও আকর্ষণীয় করে পরাগয়নে সাহায্য করা।
৪. বিভিন্ন প্রকার রঞ্জক পদার্থ সংশ্লেষণ ও জমা করা।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

একই ভূণীয় কোষ থেকে উৎপন্ন হয়ে এক বা একাধিক ধরনের কিছু সংখ্যক কোষ জীবদেহের কোনো নির্দিষ্ট স্থানে অবস্থান করে সমষ্টিগতভাবে একটা কাজে নিয়োজিত থাকলে ঐ কোষগুলোকে সমষ্টিগতভাবে টিস্যু বলে। আবার এক বা একাধিক টিস্যুর সমন্বয়ে গঠিত এবং নির্দিষ্ট কার্যসম্পাদনে সক্ষম প্রাণিদেহের অংশবিশেষকে অঙ্গ বলে। অর্থাৎ আমরা বলতে পারি, টিস্যুর গঠনে অঙ্গ ভূমিকা না রাখলেও একটি অঙ্গে একই বা একাধিক ধরনের টিস্যু থাকার কারণে অঙ্গটি তার নির্দিষ্ট কাজ করতে পারে। আর এভাবেই টিস্যু ও অঙ্গ পরস্পরের মধ্যে সম্পর্কযুক্ত।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

প্রাণিদেহে পিটুইটারি, থাইরয়েড, প্যারাথাইরয়েড, অগ্ন্যাশয়ের আইলেটস অব ল্যাঙ্গারহ্যানস, সুপ্রারেনাল ইত্যাদি গ্রন্থির সমন্বয়ে অন্তঃক্ষরা গ্রন্থিতন্ত্র গঠিত। এসব গ্রন্থি নিম্নরূপ গুরুত্ব বহন করে। যথা-

১. হরমোন ক্ষরণ করে। কিন্তু হরমোন পরিবহনে কোনো নালি থাকে না।
২. সরাসরি রক্ত দ্বারা এদের ক্ষরণ পরিবাহিত হয়।
৩. গ্রন্থিগুলোতে তুলনামূলকভাবে অধিক রক্তনালির মাধ্যমে যথেষ্ট রক্ত সরবরাহ হয়।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

মাইটোকন্ড্রিয়াকে কোষের শক্তিঘর বলা হয়। কারণ মাইটোকন্ড্রিয়াতে ক্রেবস চক্র, ফ্যাটি এসিড চক্র, ইলেকট্রন ট্রান্সপোর্ট প্রক্রিয়া সংঘটিত হয়। অর্থাৎ শক্তি উৎপাদনের সকল প্রক্রিয়া মাইটোকন্ড্রিয়ার অভ্যন্তরে ঘটে থাকে। এর ভেতরে যে শক্তি উৎপন্ন হয় তা দিয়ে জীব তার জৈবিক কাজকর্ম পরিচালনা করে। এজন্যই মাইটোকন্ড্রিয়াকে কোষের শক্তিঘর বলে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

রক্তের কাজ-

১. লোহিত রক্তকণিকা অক্সিজেন পরিবহন এবং আংশিকভাবে কার্বন ডাইঅক্সাইড পরিবহন করে।
২. শ্বেত রক্তকণিকা জীবাণু ধ্বংস করে দেহের প্রকৃতিগত আত্মরক্ষায় অংশ নেয়।
৩. অণুচক্রিকা রক্ত জমাট বাঁধায় অংশ নেয়।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

জীব দেহের গঠন ও কাজের একককে কোষ বলে। লোয়ী (Loey) এবং সিকেভিজ (Siekevitz) এর মতে, বৈষম্যভেদ্য পর্দা দ্বারা আবৃত এবং জীবজ ক্রিয়াকলাপের একক যা অন্য সজীব মাধ্যম ব্যতিরেকেই নিজের প্রতিরূপ তৈরি করতে সক্ষম তাকে কোষ বলে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

যেসব কোষে কোনো সুগঠিত নিউক্লিয়াস থাকে না তাদেরকে আদিকোষ বলে। এসব কোষের নিউক্লিয়াস কোনো পর্দা দিয়ে আবৃত থাকে না, তাই নিউক্লিও বস্তু সাইটোপ্লাজমে ছড়ানো থাকে। এসর কোষে মাইটোকন্ড্রিয়া, প্লাস্টিড, এন্ডোপ্লাজমিক রেটিকুলাম ইত্যাদি অঙ্গাণু থাকে না তবে রাইবোজোম থাকে। এসব কোষের ক্রোমোজোমে কেবল DNA থাকে। যেমন- নীলাভ সবুজ শৈবাল বা ব্যাকটেরিয়ায় এ ধরনের কোষ পাওযা যায়।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

যেসব কোষের নিউক্লিয়াস সুগঠিত অর্থাৎ নিউক্লিয়ার ঝিল্লি দিয়ে নিউক্লিওবস্তু পরিবেষ্টিত ও সুসংগঠিত তাদেরকে প্রকৃত কোষ বলে। এসব কোষে রাইবোজোমসহ সকল অঙ্গাণু উপস্থিত থাকে। এসব কোষের ক্রোমোজোমে DNA প্রোটিন, হিস্টোন এবং অন্যান্য উপাদান থাকে। অধিকাংশ জীবকোষ এ ধরনের হয়। কাজের ভিত্তিতে প্রকৃতকোষ দুই ধরনের যথা- দেহকোষ ও জননকোষ।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

আদিকোষের বৈশিষ্ট্য নিচে উল্লেখ করা হলো-

১. আদিকোষে কোনো সুগঠিত নিউক্লিয়াস থাকে না।
২. এসব কোষের নিউক্লিয়াস কোনো পর্দা দিয়ে আবৃত থাকে না, তাই নিউক্লিওবস্তু সাইটোপ্লাজমে ছড়ানো থাকে।
৩. এসব কোষে মাইটোকন্ড্রিয়া, প্লাস্টিড়, এন্ডোপ্লাজমিক রেটিকুলাম ইত্যাদি অঙ্গাণু থাকে না তবে রাইবোজোম থাকে।
৪. এসব কোষের ক্রোমোজোমে কেবল DNA থাকে। যেমন নীলাভসবুজ শৈবাল ও ব্যাকটেরিয়া।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

কাজের ভিত্তিতে প্রকৃত কোষ দুই প্রকার, যথা- দেহকোষ ও জননকোষ। বহুকোষী জীবের দেহ গঠনে যেসব কোষ অংশগ্রহণ করে তাদের দেহকোষ বলে। মাইটোসিস পদ্ধতিতে বিভাজনের মাধ্যমে দেহকোষ বিভাজিত হয়। অন্যদিকে যৌন প্রজনন ও জনুঃক্রম দেখা যায়, এমন জীবে জননকোষ উৎপন্ন হয়। এই কোষ শুধুমাত্র মিয়োসিস পদ্ধতিতে বিভাজন ঘটে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

বহুকোষী জীবের দেহ গঠনে যেসব কোষ অংশগ্রহণ করে তাদের দেহকোষ বলে। মাইটোসিস পদ্ধতিতে বিভাজনের মাধ্যমে দেহকোষ বিভাজিত হয়। আবার একটি কোষের নিউক্লিয়াস দুই সেট ক্রোমোজোম বিশিষ্ট হলে তাকে বলা হয় ডিপ্লয়েড। দেহকোষে দুই সেট ক্রোমোজোম থাকায় দেহকোষ ডিপ্লয়েড।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

যৌন প্রজননের জন্য ডিপ্লয়েড জীবের জননাঙ্গে মিয়োসিস পদ্ধতিতে জনন মাতৃকোষের বিভাজন ঘটে এবং জননকোষ উৎপন্ন হয়। অপত্য জননকোষে ক্রোমোজোম সংখ্যার অর্ধেক থাকে। অর্থাৎ জননকোষ হ্যাপ্লয়েড হয়। পুং ও স্ত্রী জননকোষের মিলনে ডিপ্লয়েড কোষের সৃষ্টি হয়। তাই যৌন প্রজননের লক্ষ্যে জননকোষ হ্যাপ্লয়েড হয়।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

দেহকোষ ও জননকোষের মধ্যে দুইটি পার্থক্য হলো-

দেহকোষজননকোষ
১. দেহের গঠন এবং কার্য সম্পাদনের জন্য দায়ী কোষ।১. বংশবিস্তার বা প্রজননের জন্য বিশেষায়িত কোষ।
২. দেহের সমস্ত অঙ্গে এবং টিস্যুতে পাওয়া যায়। যেমন- ত্বককোষ, পেশিকোষ, রক্তকোষ ইত্যাদি।২. জনন অঙ্গে (ডিম্বাশয় ও শুক্রাশয়) পাওয়া যায়। যেমন- ডিম্বাণু ও শুক্রাণু।
Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

আদিকোষ ও প্রকৃতকোষের মধ্যে পার্থক্য হলো-

আদিকোষপ্রকৃত কোষ
১. এই কোষে সুগঠিত নিউক্লিয়াস থাকে না।১. এই কোষে সুগঠিত নিউক্লিয়াস থাকে।
২. নিউক্লিয়াস পর্দা দিয়ে আবৃত থাকে না।২. নিউক্লিয়াস নিউক্লিয়ার ঝিল্লি দিয়ে আবৃত।
৩. ক্রোমোজোমে কেবল DNA থাকে।৩. ক্রোমোজোম DNA ছাড়াও প্রোটিন, হিস্টোন থাকে।
৪. উদাহরণ: ব্যাকটেরিয়া।৪. উদাহরণ: জীবকোষ।
Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

উৎপত্তি ও কার্যগতভাবে একই প্রকার একাধিক কোষ অবিচ্ছিন্ন ও সুসংগঠিত হয়ে কোনো নির্দিষ্ট টিস্যু গঠন করে। টিস্যুর গঠন ও কাজে প্রতিটি অন্তর্ভুক্ত কোষের ভূমিকা থাকে বলে কোষকে টিস্যুর গঠন ও কাজের একক বলে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

উদ্ভিদ ও প্রাণীকোষের মধ্যে প্রধান পার্থক্য নিচে ব্যাখ্যা করা হলো-

১. উদ্ভিদকোষে সেলুলোজ নির্মিত কোষ প্রাচীর থাকে, অপরদিকে প্রাণীকোষে কোনো কোষ প্রাচীর থাকে না।
২. উদ্ভিদকোষে বিভিন্ন বর্ণকণিকা ধারণকারী প্লাস্টিড উপস্থিত থাকে, কিন্তু প্রাণিকোষে কোনো প্লাস্টিড থাকে না।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

উদ্ভিদকোষ ও প্রাণিকোষের পার্থক্য হলো-

উদ্ভিদকোষপ্রাণিকোষ
১. কোষ প্রাচীর থাকে।১. কোষপ্রচীর থাকে না।
২. প্লাস্টিড থাকে।২. প্লাস্টিড থাকে না।
৩. কোষগহ্বর থাকে এবং অনেক বড়।৩. কোষগহ্বর থাকে না, থাকলেও ছোট।
৪. সেন্ট্রিওল থাকে না।৪. সেন্ট্রিওল থাকে।
Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

কোষপ্রাচীর কোষকে বাইরের আঘাত থেকে রক্ষা করে। কোষকে দৃঢ়তা প্রদান করে। কোষের আকার ও আকৃতি বজায় রাখে। পানি ও খনিজ লবণ চলাচল নিয়ন্ত্রণ করে। এসব কারণে উদ্ভিদ কোষে কোষপ্রাচীর প্রয়োজনীয়।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

কোষের ভিতরে যে অর্ধস্বচ্ছ, থকথকে জেলির মতো যে বস্তু থাকে তাই প্রোটোপ্লাজম। কোষঝিল্লি দিয়ে ঘেরা সবকিছুই প্রোটোপ্লাজম, এমনকি কোষঝিল্লি নিজেও প্রোটোপ্লাজমের অংশ। কোষঝিল্লি ছাড়াও এখানে আছে সাইটোপ্লাজমীয় বিভিন্ন অঙ্গাণু যেমন- মাইটোকন্ড্রিয়া, প্লাস্টিড, গলজিবস্তু, এন্ডোপ্লাজমিক রেটিকুলাম, কোষগহ্বর, লাইসোজোম, কোষকঙ্কাল, রাইবোজোম, সেন্ট্রোজোম এবং নিউক্লিয়াস।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

প্রোটোপ্লাজমের বাইরে যে দ্বিস্তর বিশিষ্ট স্থিতিস্থাপক পর্দা থাকে তাকে কোষঝিল্লি বা প্লাজমালেমা বলে। এটি প্রধানত লিপিড ও প্রোটিন দ্বারা গঠিত। প্লাজমালেমা একটি বৈষম্যভেদ্য পর্দা হওয়ায় অভিস্রবণের মাধ্যমে পানি ও খনিজ লবণ চলাচল নিয়ন্ত্রণ করে ও পার্শ্ববর্তী কোষগুলোকে পরস্পর থেকে আলাদা রাখে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

মাইটোকন্ড্রিয়ার দুইটি কাজ হলো-
১. জীবকোষের প্রয়োজনীয় শক্তি উৎপাদন করে।
২. জীবের শ্বাসকার্যে সাহায্য করে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

সাইটোপ্লাজমে অবস্থিত লিপো-প্রোটিন ঝিল্লি দ্বারা আবদ্ধ সর্ববৃহৎ ক্ষুদ্রাঙ্গের নাম প্লাস্টিড। এটি তিন প্রকার। যথা-ক্লোরোপ্লাস্ট, ক্রোমোপ্লাস্ট এবং লিউকোপ্লাস্ট।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

প্লাস্টিড়ের প্রধান কাজগুলো হলো-
১. খাদ্য প্রস্তুত করে।
২. খাদ্য সঞ্চয় করা ও
৩. উদ্ভিদকে বর্ণময় এবং আকর্ষণীয় করে পরাগায়নে সাহায্য করা।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

উদ্ভিদকোষের সবুজ বর্ণের প্লাস্টিডকে ক্লোরোপ্লাস্ট বলে। পাতা, কচি কাণ্ড ও অন্যান্য সবুজ অংশে এদের পাওয়া যায়। এই প্লাস্টিডে ক্লোরোফিল থাকে তাই এদের সবুজ দেখায়।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

ক্রোমোপ্লাস্টের কারণে ফুল ও ফল রঙিন হয়। এগুলো রঙিন প্লাস্টিড তবে সবুজ নয়। এসব প্লাস্টিডে জ্যান্থোফিল (হলুদ), ক্যারোটিন (কমলা), ফাইকোএরিথ্রিন (লাল), ফাইকোসায়ানিন (নীল) ইত্যাদি রঞ্জক থাকে। তাই কোনোটিকে হলুদ, কোনোটিকে নীল, আবার কোনোটিকে লাল দেখায়। এদের মিশ্রণজনিত কারণে ফল, পাতা এবং উদ্ভিদের অন্যান্য অংশ আকর্ষণীয় হয়ে উঠে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

যেসব প্লাস্টিডে রঞ্জক পদার্থ থাকে না, তাদের লিউকোপ্লাস্ট বলে। যেসব কোষে সূর্যের আলো পৌছায় না, যেমন মূল, ভ্রূণ, জননকোষ ইত্যাদি সেখানে এদের পাওয়া যায়। এদের প্রধান কাজ খাদ্য সঞ্চয় করা। আলোর সংস্পর্শে এলে লিউকোপ্লাস্ট ক্লোরোপ্লাস্টে রূপান্তরিত হতে পারে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

যেসব প্লাস্টিডের বর্ণের পরিবর্তনের কারণে উদ্ভিদ দেহে বর্ণের পরিবর্তন হয় তাদেরকে রূপান্তরিত প্লাস্টিড বলা হয়। লিউকোপ্লাস্ট এক ধরনের রূপান্তরিত প্লাস্টিড। এরা সাধারণত বর্ণহীন। তবে আলোর সংস্পর্শে এলে লিউকোপ্লাস্ট, ক্রোমোপ্লাস্ট বা ক্লোরোপ্লাস্টে রূপান্তরিত হতে পারে। এজন্যই লিউকোপ্লাস্টকে রূপান্তরিত প্লাস্টিড বলা হয়।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

গলজি বস্তু প্রধানত প্রাণিকোষে পাওয়া যায়। তবে অনেক উদ্ভিদ কোষেও এদের দেখা যায়। জীবকোষে বিভিন্ন পদার্থ নিঃসরণে সাহায্য করাই গলজি বস্তুর প্রধান কাজ। এছাড়া হরমোন নিঃসরণে গলজি বস্তুর ভূমিকা লক্ষ করা যায়। কোনো কোনো বিপাকীয় কাজের সাথেও এরা জড়িত। কখনও কখনও এরা প্রোটিন সঞ্চয় করে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

গলজি বস্তু সিস্টার্নি ও কয়েক ধরনের ভেসিকল নিয়ে তৈরি। গলজি বস্তুতে অসমান দৈর্ঘ্য বিশিষ্ট ও সমান্তরালে সজ্জিত লম্বা ও চ্যাপ্টা নালিসদৃশ বস্তুগুলোই হলো সিস্টার্নি। আবার গলজি বস্তুতে অবস্থিত বর্তুলাকার ফোস্কার মতো অংশগুলোই হলো ভেসিকল।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

এন্ডোপ্লাজমিক রেটিকুলামের কাজগুলো হলো-

১. এন্ডোপ্লাজমিক রেটিকুলামের আবরণীর গায়ে প্রোটিন সংশ্লেষণ ঘটে।
২. কোষে উৎপাদিত পদার্থগুলোর প্রবাহ পথ হিসেবে এন্ডোপ্লাজমিক রেটিকুলাম ব্যবহৃত হয়।
৩. মাইটোকন্ড্রিয়া ও কোষগহ্বর সৃষ্টিতে এন্ডোপ্লাজমিক রেটিকুলামের ভূমিকা রয়েছে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

সাইটোপ্লাজমে কোষের মধ্যে যে আপাত ফাঁকা স্থান দেখা যায়, সেগুলোই হচ্ছে কোষগহ্বর। বৃহৎ কোষগহ্বর উদ্ভিদ কোষের বৈশিষ্ট্য। এর প্রধান কাজ কোষরস ধারণ করা। বিভিন্ন ধরনের অজৈব লবণ, আমিষ, শর্করা, চর্বিজাতীয় পদার্থ, জৈব এসিড, রঞ্জক পদার্থ, পানি ইত্যাদি এই কোষরসে থাকে। প্রাণিকোষে কোষগহ্বর সাধারণত অনুপস্থিত থাকে, তবে যদি কখনো থাকে, তবে সেগুলো আকারে ছোট হয়।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

লাইসোজোম জীবকোষকে জীবাণুর হাত থেকে রক্ষা করে। এর উৎসেচক আগত জীবাণুগুলোকে হজম করে ফেলে। এর পরিপাক করার উৎসেচকগুলো একটি পর্দা দিয়ে আলাদা করা থাকে। তাই অন্যান্য অঙ্গাণু এর সংস্পর্শে এলেও হজম হয় না। কিন্তু দেহে অক্সিজেনের অভাব হলে বিভিন্ন কারণে লাইসোজোমের পর্দা ক্ষতিগ্রস্ত হয় এবং কোষমধ্যস্থ অঙ্গাণুগুলো বিনষ্ট ও হজম হয়ে যায়। এ জন্যই লাইসোজোমকে জীবাণু ভক্ষক বলা হয়'।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

লাইসোজোম জীব কোষকে জীবাণুর হাত থেকে রক্ষা করে। এর উৎসেচক আগত জীবাণুগুলোকে হজম করে ফেলে। এর পরিপাক উৎসেচকগুলো একটি পর্দা দ্বারা আলাদা করা থাকে। তাই অন্যান্য কোষ এর সংস্পর্শে এলেও হজম হয় না। এভাবে লাইসোজোম কোষকে জীবাণুর আক্রমণ থেকে রক্ষা করে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

কোষঝিল্লি অতিক্রম করে কোষের ভিতরে ঢুকলে প্রথমেই কোষের চারদিকে জালের মতো ছড়িয়ে থাকা যে লম্বা এবং মোটা-চিকন মিলিয়ে অসংখ্য দড়ির মতো বস্তু নজরে পড়ে তাই কোষকঙ্কাল। কোষকঙ্কাল ভিতর থেকে কোষটিকে ধরে রাখে। অ্যাকটিন, মায়োসিন, টিউবিউলিন ইত্যাদি প্রোটিন দিয়ে কোষকঙ্কালের বিভিন্ন ধরনের তন্তু নির্মিত হয়।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

প্রকৃত কোষের কোষঝিল্লি অতিক্রম করে কোষের সাইটোপ্লাজমের কঙ্কাল গঠনকারী প্রোটিন নির্মিত তত্ত্বময় অংশ বিশেষই হলো কোষ কঙ্কাল বা সাইটোস্কেলিটন। এরা মাইক্রোটিউবিউল, মাইক্রোফিলামেন্ট ও ইন্টারমিডিয়েট ফিলামেন্ট নিয়ে গঠিত। এরা কোষীয় চলনে এবং সেন্ট্রিওল, সিলিয়া ও ফ্লাজেলা সৃষ্টিতে অংশগ্রহণ করে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

উদ্ভিদ ও প্রাণী উভয় ধরনের কোষেই রাইবোজোম পাওয়া যায়। রাইবোজোম হলো ঝিল্লিবিহীন বা পর্দাবিহীন অঙ্গাণু। এটি প্রোটিন ও RNA দ্বারা গঠিত। এর প্রধান কাজ হচ্ছে কোষের ভিতর প্রোটিন তৈরি বা সংশ্লেষণ করা এবং প্রোটিনের পলিপেপটাইড চেইন সংযোজন এই রাইবোজোমেই হয়ে থাকে। তাই রাইবোজোমকে প্রোটিন তৈরির ফ্যাক্টরি বলা হয়।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

প্রাণিকোষের নিউক্লিয়াসের কাছে দুটি ফাঁপা নলাকার বা দন্ডাকার অঙ্গাণু দেখা যায়, তাদের সেন্ট্রিওল বলে। সেন্ট্রিওলের চারপাশে অবস্থিত গাঢ় তরলকে সেন্ট্রোস্ফিয়ার এবং সেন্ট্রোস্ফিয়ারসহ সেন্ট্রিওলকে সেন্ট্রোজোম বলে। সেন্ট্রোজোমে থাকা সেন্ট্রিওল কোষ বিভাজনের সময় অ্যাস্টার রে তৈরি করে। এছাড়া স্পিন্ডল যন্ত্র সৃষ্টিতেও সেন্ট্রোজোমের অবদান রয়েছে। বিভিন্ন ধরনের ফ্লাজেলা সৃষ্টিতে এরা অংশগ্রহণ করে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

কোষের যে অঙ্গাণুটি স্পিন্ডল যন্ত্র সৃষ্টিতে অবদান রাখে তা হলো সেন্ট্রোজোম। সেন্ট্রোজোম প্রাণিকোষের বৈশিষ্ট্য, প্রধানত প্রাণিকোষে এদের পাওয়া যায়। নিম্নশ্রেণির উদ্ভিদ কোষে কদাচিৎ দেখা যায়।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

ক্রোমোজোমে অসংখ্য অতি সূক্ষ্ম জিন থাকে। এসব জিন রাসায়নিকভাবে DNA দ্বারা গঠিত। এ DNA জীবের বিভিন্ন বৈশিষ্ট্য যেমন- এদের রং, আকার, স্বভাব, পরিব্যাপ্তি ইত্যাদি ধারণ করে যা বংশানুক্রমে মাতা-পিতা থেকে সন্তানসন্ততিতে স্থানান্তরিত হয়। এ কারণে ক্রোমোজোমকে বংশগতির ধারক ও বাহক বলা হয়।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

কোষের বিশ্রামকালে নিউক্লিয়াসে কুণ্ডলী পাকানো সূক্ষ্ম সুতার মতো অংশই ক্রোমাটিন জালিকা। কোষ বিভাজনের সময় এরা মোটা ও খাটো হয় তাই তখন এদের আলাদা আলাদা ক্রোমোজোম হিসেবে দেখা যায়। ক্রোমোজোমে অবস্থিত জিনগুলো বংশগতির গুণাবলি বহন করে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

সুকেন্দ্রিক কোষের নিউক্লিয়াস নিম্নলিখিত অংশগুলো নিয়ে গঠিত-

১. নিউক্লিয়ার ঝিল্লি,
২. নিউক্লিওপ্লাজম,
৩. নিউক্লিওলাস ও
৪. ক্রোমাটিন জালিকা।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

নিউক্লিয়াসকে ঘিরে রাখে যে ঝিল্লি, তাকে নিউক্লিয়ার ঝিল্লি বা কেন্দ্রিকা ঝিল্লি বলে। এটি দুই স্তর বিশিষ্ট। এই ঝিল্লি লিপিড ও প্রোটিনের সমন্বয়ে তৈরি হয়। এই ঝিল্লিতে মাঝে মাঝে কিছু ছিদ্র থাকে, যেগুলোকে নিউক্লিয়ার রন্দ্র বলে। এই ছিদ্রের ভিতর দিয়ে নিউক্লিয়াস এবং সাইটোপ্লাজমের মধ্যে কিছু বস্তু চলাচল করে। নিউক্লিয়ার বিঝল্লি সাইটোপ্লাজম থেকে নিউক্লিয়াসের অন্যান্য বস্তুকে পৃথক রাখে এবং বিভিন্ন বস্তুর চলাচল নিয়ন্ত্রণ করে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

একই বা বিভিন্ন প্রকারের কোষ একত্রিত হয়ে যদি একই কাজ করে এবং তাদের উৎপত্তিও যদি অভিন্ন হয়, তখন তাদের টিস্যু বা কলা বলে। টিস্যু দুই প্রকার, যথা- ভাজক টিস্যু ও স্থায়ী টিস্যু। ভাজক টিস্যুর কোষগুলো বিভাজনে সক্ষম কিন্তু স্থায়ী টিস্যুর কোষগুলো বিভাজিত হতে পারে না। স্থায়ী টিস্যু তিন ধরনের, যথা-সরল টিস্যু, জটিল টিস্যু এবং নিঃস্রাবী টিস্যু।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

যে স্থায়ী টিস্যুর প্রতিটি কোষ আকার, আকৃতি ও গঠনের দিক থেকে অভিন্ন তাই সরল টিস্যু। কোষের প্রকৃতির উপর ভিত্তি করে সরল টিস্যুকে তিন ভাগে ভাগ করা হয়েছে। যথা- প্যারেনকাইমা, কোলেনকাইমা এবং ফ্লেরেনকাইমা।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

প্যারেনকাইমা টিস্যুর দুইটি বৈশিষ্ট্য হলো-

১. প্যারেনকাইমা টিস্যুর কোষগুলো জীবিত, সমব্যাসীয়, পাতলা প্রাচীরযুক্ত এবং প্রোটোপ্লাজম দিয়ে পূর্ণ।
২. এই টিস্যুতে আন্তঃকোষীয় ফাঁক দেখা যায় এবং কোষপ্রাচীর পাতলা এবং সেলুলোজ দিয়ে তৈরি।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

প্যারেনকাইমা টিস্যুর প্রধান কাজ হলো-

১. উদ্ভিদদেহ গঠন করা,
২. খাদ্য প্রস্তুত করা ও
৩. খাদ্যদ্রব্য পরিবহন করা।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

কচুরিপানা জলজ উদ্ভিদ। এদের বড় বড় বায়ুকুঠুরিযুক্ত প্যারেনকাইমা থাকে, যাদেরকে অ্যারেনকাইমা বলা হয়। এই বায়ুকুঠুরিগুলো জলজ উদ্ভিদকে পানিতে ভেসে থাকতে সাহায্য করে। তাই কচুরিপানা পানিতে ভেসে থাকে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

কোলেনকাইমা বিশেষ ধরনের প্যারেনকাইমা কোষ দিয়ে তৈরি। নিচে কোলেনকাইমা টিস্যুর দুইটি বৈশিষ্ট্য উল্লেখ করা হলো-

১. কোলেনকাইমার কোষপ্রাচীরে সেলুলোজ এবং পেকটিন জমা হয়ে পুরু হয় এবং কোণাগুলোকে পার্শ্বের প্রাচীরের তুলনায় অধিক মোটা দেখায়।
২. এ টিস্যুর কোষগুলো লম্বাটে ও সজীব এবং এরা প্রোটোপ্লাজমপূর্ণ কোষ দিয়ে তৈরি।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

প্রোটোপ্লোজমবিহীন, লিগনিনযুক্ত এবং যান্ত্রিক কাজের জন্য নির্দিষ্ট কোষ দিয়ে গঠিত টিস্যুকে স্ক্লেরেনকাইমা টিস্যু বলে। প্রাথমিক অবস্থায় কোষগুলোতে প্রোটোপ্লাজম উপস্থিত থাকলেও খুব তাড়াতাড়ি নষ্ট হয়ে মৃত কোষে পরিণত হয়। কোষগুলো প্রধানত দুই ধরনের, যথা- ফাইবার ও ফ্লোরাইড

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

স্টোন কোষ খাটো, সমব্যাসীয়, কখনও লম্বাটে আবার কখনও তারকাকার হয়। এদের গৌণ প্রাচীর খুবই শক্ত, অত্যন্ত পুরু ও লিগনিনযুক্ত। পরিণত স্টোন কোষ মৃত থাকে। এদের কোষ প্রাচীর কুপযুক্ত হয়।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

ফ্লেরেনকাইমা টিস্যুর ক্লোরাইড কোষকে স্টোন সেল বলা হয়। এরা খাটো, সমব্যাসীয়, কখনও লম্বাটে আবার কখনও তারকাকার হতে পারে। এদের গৌণপ্রাচীর খুবই শক্ত, অত্যন্ত পুরু ও লিগনিনযুক্ত। পরিণত স্টোন সেল সাধারণত মৃত থাকে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

বিভিন্ন প্রকারের কোষ সমন্বয়ে যে স্থায়ী টিস্যু গঠিত হয় তাকে জটিল টিস্যু বলে। এরা উদ্ভিদে পরিবহনের কাজ করে, তাই এদের পরিবহন টিস্যুও বলা হয়। এ টিস্যু দুই ধরনের, যথা-জাইলেম ও ফ্লোয়েম। জাইলেম ও ফ্লোয়েম একত্রে উদ্ভিদের পরিবহন টিস্যু গুচ্ছ গঠন করে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

বিভিন্ন প্রকার কোষের সমন্বয়ে যে স্থায়ী টিস্যু গঠিত হয় তাকে জটিল টিস্যু বলে। জটিল টিস্যু দুই ধরনের- জাইলেম ও ফ্লোয়েম। এরা উদ্ভিদে খাদ্য, পানি ও খনিজ লবণ পরিবহনে সাহায্য করে। তাই জটিল টিস্যুকে পরিবহন টিস্যু বলা হয়।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

জাইলেমকে পরিবহন টিস্যু বলা হয় কারণ, জাইলেম টিস্যুস্থ ভেসেল মূল হতে পানি ও পানিতে দ্রবীভূত অন্যান্য খনিজ লবণ গাছের পাতা ও অন্যান্য সবুজ অংশে পরিবহন করে থাকে। জাইলেম টিস্যুস্থ ট্রাকিড উদ্ভিদকে দৃঢ়তা প্রদান ক্রা ছাড়াও মূল হতে কান্ড ও পাতায় পানি ও খনিজ লবণ পরিবহন করে থাকে। জাইলেম টিস্যুস্থ প্যারেনকাইমা প্রয়োজন অনুযায়ী খাদ্য সঞ্চয় ও খাদ্য পরিবহন করে থাকে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

স্ক্লেরাইড খাটো, সমব্যাসীয়, কখনও লম্বাটে আবার কখনও তারকাকার হয়। এদের গৌণ প্রাচীর খুবই শক্ত, অত্যন্ত পুরু ও লিগনিনযুক্ত। পরিণত স্ক্লেরাইড মৃত থাকে। এদের কোষপ্রাচীর পযুক্ত হয়।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

ট্রাকিডের কোষ লম্বা, প্রান্তদ্বয় সরু ও সূচালো। এর প্রাচীরে লিগনিন জমে পুরু হয়ে অভ্যন্তরীণ গহ্বর বন্ধ হয়ে যায়। ফলে পানির চলাচল পার্শ্বীয় জোড়া কূপ এর মাধ্যমে হয়ে থাকে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

গঠনগত কারণে ট্রাকিড, ভেসেল থেকে ভিন্ন। কারণ-ট্রাকিড কোষ লম্বা, এর প্রান্তদ্বয় সরু ও সূঁচালো। এর প্রাচীরে লিগনিন জমা হয়ে পুরু হয় এবং অভ্যন্তরীণ গহ্বর বন্ধ হয়ে যায়। অপরদিকে ভেসেল কোষ খাটো চোঙের মতো। কোষগুলো একটির মাথায় আরেকটি সজ্জিত হয় এবং প্রান্তীয় প্রাচীরটি গলে গিয়ে একটি দীর্ঘ নলের মতো অঙ্গের সৃষ্টি করে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

জাইলেমে অবস্থিত প্যারেনকাইমা কোষকে জাইলেম প্যারেনকাইমা বা উড প্যারেনকাইমা বলে। এদের প্রাচীর পুরু পাতলা হতে পারে। প্রাইমারি জাইলেমে অবস্থিত প্যারেনকাইমার কোষ পাতলা প্রাচীরযুক্ত। তবে গৌণ জাইলেমে এরা পুরু, প্রাচীরযুক্ত হয়ে থাকে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

জাইলেমে অবস্থিত স্ক্লেরেনকাইমা কোয়ই হচ্ছে জাইলেম ফাইবার বা উড ফাইবার। এই কোষগুলো লম্বা, এদের দুইপ্রান্ত সরু। পরিণত কোষে প্রোটোপ্লাজম থাকে না বলে এরা মৃত। উদ্ভিদে এরা যান্ত্রিক শক্তি যোগায়।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

পাশাপাশি অবস্থিত সিডনলের মধ্যবর্তী সিভপ্লেটের সিভছিদ্রের মধ্য দিয়ে পাতায় প্রস্তুতকৃত খাদ্য উদ্ভিদের বিভিন্ন অঙ্গে পরিবাহিত হয়। তাছাড়া এর পার্শ্ববর্তী সঙ্গীকোষের পাতলা প্রাচীরের ছিদ্রের মাধ্যমে এরা সঙ্গীকোষের সাথে যোগাযোগ রক্ষা করে। এ সঙ্গীকোষের বৃহৎ নিউক্লিয়াস সীভনলের কাজের কিছু অংশ নিয়ন্ত্রণ করে থাকে। তাই পরিণত সীভকোষে নিউক্লিয়াস থাকে না।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

ফ্লোয়েম টিস্যুর প্রতিটি সিডকোষের সাথে প্যারেনকাইমা জাতীয় একটি করে কোষ অবস্থান করে, যাকে বলা হয় সঙ্গীকোষ। এর কেন্দ্রিকা বেশ বড়। ধারণা করা হয় যে, এই কেন্দ্রিকা সিডকোষের কার্যাবলি কিছু পরিমাণে হলেও নিয়ন্ত্রণ করে। ফার্ন ও ব্যক্তজীবী উদ্ভিদে এদের উপস্থিতি নেই।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

সঙ্গীকোষের নিউক্লিয়াস আকারে বেশ বড় হয়। এই নিউক্লিয়াস সিডকোষের কার্যাবলি কিছুটা নিয়ন্ত্রণ করে। এটি পাতায় প্রস্তুত খাদ্য উদ্ভিদদেহের বিভিন্ন অংশে পরিবহনে সহায়তা করে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

ফ্লোয়েমে উপস্থিত প্যারেনকাইমা কোষগুলোই ফ্লোয়েম প্যারেনকাইমা। এদের কোষ সাধারণ প্যারেনকাইমার মতো পাতলা কোষপ্রাচীরযুক্ত এবং প্রোটোপ্লাজমযুক্ত।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

পাটের আঁশ এক ধরনের বাস্ট ফাইবার। উদ্ভিদের অঙ্গের গৌণ বৃদ্ধির সময় এ ফাইবার উৎপন্ন হয়। এরা ফ্লেরেনকাইমা জাতীয় দীর্ঘ কোষ যাদের প্রান্তদেশ পরস্পরের সাথে যুক্ত থাকে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

জাইলেম এবং ফ্লোয়েম উভয়ই পরিবহন টিস্যু অর্থাৎ এরা উদ্ভিদে পরিবহন কাজের সাথে সংশ্লিষ্ট। তবে এদের পরিবহনের মধ্যে কিছুটা পার্থক্য আছে। জাইলেমের পরিবহনে পানি ও পানিতে দ্রবীভূত অন্যান্য খনিজ লবণ মূল হতে পাতা ও অন্যান্য সবুজ অংশে পরিবাহিত হয়। কিন্তু ফ্লোয়েমের পরিবহনে পাতায় প্রস্তুতকৃত খাদ্যদ্রব্য উদ্ভিদের সকল প্রয়োজনীয় অংশে পরিবাহিত হয়।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

প্রাণিটিস্যু তার গঠনকারী কোষের সংখ্যা, বৈশিষ্ট্য এবং তাদের নিঃসৃত পদার্থের বৈশিষ্ট্যের ভিত্তিতে প্রধানত চার ধরনের হয়। যথা- আবরণী টিস্যু, যোজক টিস্যু, পেশি টিস্যু এবং স্নায়ু টিস্যু।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

যে টিস্যুর কোষগুলো ঘন সন্নিবেশিত এবং একটি ভিত্তিপর্দার উপর বিন্যস্ত থাকে তাকে আবরণী টিস্যু বলা হয়। অন্যভাবে, যে টিস্যু বিভিন্ন অঙ্গের আবরণ হিসেবে কাজ করে তাকে আবরণী টিস্যু বলে। তবে অঙ্গকে আবৃত রাখাই আবরণী টিস্যুর একমাত্র কাজ নয়। এ টিস্যুর আরও কাজ হলো- অঙ্গকে আবৃত রেখে সেটিকে বাইরের আঘাত থেকে রক্ষা করা, বিভিন্ন পদার্থ নিঃসরণ করা, বিভিন্ন পদার্থ শোষণ করা এবং সুনির্দিষ্ট পদার্থের পরিবহনে সাহায্য করা।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

স্কোয়ামাস আবরণী টিস্যু প্রাণিদেহে ত্বক সৃষ্টি করে। এ টিস্যুর কোষগুলো মাছের আঁশের মতো চ্যাপ্টা ও নিউক্লিয়াস বড় আকারের হয়। কোষগুলো একটি ভিত্তি পর্দার উপর একস্তরে বিন্যস্ত থাকে। প্রধানত আবরণ ছাড়াও এ টিস্যু ছাঁকন কাজে লিপ্ত থাকে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

যেসব আবরণী টিস্যুর কোষগুলো ভিত্তি পর্দার উপর একস্তরে বিন্যস্ত থাকে কিন্তু কোষগুলো বিভিন্ন উচ্চতার হওয়ায় এই টিস্যুকে দেখতে স্তরীভূত টিস্যু মনে হয়। তাদেরকে সিউডো স্ট্রাটিফাইড-আবরণী টিস্যু বলে। যেমন- ট্রাকিয়া।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

মানবদেহের বিভিন্ন অঙ্গকে আবৃত করে বাইরের আঘাত থেকে রক্ষা করা আবরণী টিস্যুর প্রধান কাজ। এছাড়াও প্রোটিনসহ বিভিন্ন পদার্থের ক্ষরণ বা নিঃসরণ বিভিন্ন পদার্থের শোষণ এবং, কোষীয় স্তর পেরিয়ে সুনির্দিষ্ট পদার্থের পরিবহনে নিয়োজিত থাকায় আবরণী টিস্যু মানবদেহের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ টিস্যু।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

যে আবরণী টিস্যুর কোষসমূহ স্তম্ভের মতো সরু এবং লম্বা তাকে কলামনার আবরণী টিস্যু বলে। প্রাণীর অন্ত্রের অন্তঃপ্রাচীরের কলামনার কোষগুলো প্রধানত ক্ষরণ, রক্ষণ এবং শোষণের কাজ করে থাকে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

মেরুদণ্ডী প্রাণীর ত্বককে ট্রানজিশনাল আবরণী কলা বলা হয় কারণ- স্ট্র্যাটিফাইড আবরণী টিস্যুর কোষগুলো ভিত্তি পর্দার উপর একাধিক স্তরে সজ্জিত থাকে। এমন স্ট্র্যাটিফাইড আবরণী টিস্যুও আছে, যার স্তরের সংখ্যা মিনিটের মধ্যে পাল্টে যেতে পারে। কখনো দেখা যায় তিন-চারটি আবার পরক্ষণেই দেখা যায় সাত-আটটি। এ কারণে স্ট্র্যাটিফাইড আবরণী টিস্যুকে ট্রানজিশনাল আবরণী টিস্যু বলা হয়।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

দেহের অভ্যন্তরীণ কাঠামো গঠনকারী টিস্যুকে স্কেলিটাল যোজক টিস্যু বলে। এ টিস্যু দেহের অভ্যন্তরীণ কাঠামো গঠন করে। দেহকে নির্দিষ্ট আকৃতি এবং দৃঢ়তা দেয়। অঙ্গ সঞ্চালন এবং চলনে সহায়তা করে। এছাড়া এ টিস্যু বিভিন্ন ধরনের রক্তকণিকা উৎপন্ন করে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

গ্রন্থি আবরণী টিস্যুর দুইটি কাজ হলো-

১. গ্রন্থি আররণী টিস্যু বিভিন্ন ধরনের রস নিঃসরণ করে।
২. এ ধরনের টিস্যু রূপান্তরিত হয়ে রক্ষণ, ক্ষরণ, শোষণ, ব্যাপন, পরিবহন ইত্যাদি কাজে অংশ নেয়।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

গঠন ও কাজের ভিত্তিতে যোজক টিস্যু তিন ধরনের হয়। যেমন-

১. ফাইব্রাস যোজক টিস্যু এদের মাতৃকোষে তন্তুর আধিক্য দেখা যায়। যেমন- দেহত্বকের নিচের পেশির মধ্যের টিস্যু।
২. স্কেলিটাল যোজক টিস্যু: দেহের অভ্যন্তরীণ কাঠামো গঠন করে। যেমন- অস্থি ও তরুণাস্থি।
৩. তরল যোজক টিস্যু: তরল মাতৃকা বিশিষ্ট টিস্যু। যেমন- রক্ত ও লসিকা।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

যে টিস্যুর মাতৃকা তরল এবং মাতৃকায় বিভিন্ন ধরনের জৈব পদার্থ দ্রবীভূত থাকে তাকে তরল যোজক টিস্যু বলে। এ টিস্যুর প্রধান কাজ দেহের অভ্যন্তরে বিভিন্ন দ্রব্যাদি পরিবহন করা, রোগ প্রতিরোধ ও রক্ত জমাট বাঁধায় বিশেষ ভূমিকা রাখা।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

প্রাণিদেহের অভ্যন্তরীণ কাঠামো গঠনকারী টিস্যুকে স্কেলিটাল যোজক টিস্যু বলে। এই টিস্যু দেহের অভ্যন্তরীণ কাঠামো গঠন করে। দেহকে নির্দিষ্ট আকৃতি এবং দৃঢ়তা দেয়। অঙ্গ সঞ্চালন এবং চলনে সহায়তা করে। গঠনের ভিত্তিতে স্কেলিটাল যোজক টিস্যু দুই ধরনের। যথা- কোমলাস্থি ও অস্থি।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

দেহের অভ্যন্তরীণ কাঠামো গঠনকারী টিস্যুকে বলা হয় স্কেলিটাল টিস্যু। স্কেলিটাল টিস্যু বিভিন্ন ধরনের অস্থি তৈরির মাধ্যমে। দেহের কাঠামো গঠন ও দেহের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ অংশকে রক্ষা করে। থাকে। যেমন- মস্তিষ্ককে রক্ষা করে করোটিকা। স্কেলিটাল টিস্যু। করোটিকার অস্থি গঠন ও মস্তিষ্কের চারিদিকে সুশৃঙ্খলভাবে বিন্যস্ত। থেকে মস্তিষ্ককে রক্ষা করে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

দেহের অভ্যন্তরীণ কাঠামো গঠনকারী টিস্যুকে স্কেলিটাল যোজক টিস্যু বলে। এ টিস্যু দেহের অভ্যন্তরীণ কাঠামো গঠন করে। দেহকে নির্দিষ্ট আকৃতি ও দৃঢ়তা দেয়। অঙ্গ সঞ্চালন ও চলনে সহায়তা করে। দেহের নরম ও নাজুক অঙ্গসমূহ যেমন- মস্তিষ্ক, মেরুরজ্জু, ফুসফুস ও হৃৎপিন্ড ইত্যাদিকে রক্ষা করে। এসব কারণেই স্কেলিটাল যোজক টিস্যু গুরুত্বপূর্ণ।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

গঠনের ভিত্তিতে স্কেলিটাল যোজক টিস্যু দুই ধরনের। যথা-

কোমলাস্থি কোমলাস্থি এক ধরনের নমনীয় স্কেলিটাল যোজক টিস্যু। মানুষের নাক ও কানের পিনা কোমলাস্থি দিয়ে তৈরি। অস্থি: অস্থি বিশেষ ধরনের দৃঢ়, ভঙ্গুর এবং অনমনীয় স্কেলিটাল কানেকটিভ টিস্যু। এদের মাতৃকায় ক্যালসিয়াম-জাতীয় পদার্থ জমা হয়ে অস্থির দৃঢ়তা প্রদান করে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

রক্ত এক ধরনের ক্ষারীয়, ঈষৎ লবণাক্ত এবং লালবর্ণের তরল যোজক টিস্যু। ধমনি, শিরা ও কৈশিকনালির মধ্য দিয়ে প্রবাহিত হয়ে রক্ত অভ্যন্তরীণ পরিবহনে অংশ নেয়। রক্তের উপাদান দুইটি, যথা-রক্তরস (৫৫%) এবং রক্তকোষ (৪৫%)।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

রক্তরস হলো রক্তের তরল অংশ, যার রং ঈষৎ হলুদাভ। এর ৯১ ৯২% অংশ পানি এবং ৮ - ৯% অংশ জৈব ও অজৈব পদার্থ। এসব রক্তরসের ভিতর বিভিন্ন ধরনের প্রোটিন এবং বর্জ্য পদার্থ থাকে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

রক্তকোষ রক্তের একটি উপাদান। রক্তকোষ তিন ধরনের। যথা- লোহিত রক্তকোষ, শ্বেত রক্তকোষ এবং অণুচক্রিকা।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

রক্ত এক ধরনের ক্ষারীয়, ইষৎ লবণাক্ত এবং লাল বর্ণের তরল যোজক টিস্যু। লোহিত রক্তকোষে হিমোগ্লোবিন নামে একটি লৌহজাত যৌগ থাকে, যার জন্য রক্ত লাল হয়।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

বিভিন্ন টিস্যুর মধ্যবর্তীস্থানে যে জলীয় পদার্থ জমা হয় তা কতকগুলো ছোট নালির মাধ্যমে সংগৃহীত হয়। ছোট নালিগুলো মিলিত হয়ে আবার বৃহত্তম নালিতে পরিণত হয়। এই নালিগুলোকে লসিকানালি এবং সংগৃহীত রসকে লসিকা বলে। লসিকার মধ্যে কিছু লসিকা কোষ বিদ্যমান। লসিকা ঈষৎ ক্ষারীয়, স্বচ্ছ ও হলুদ বর্ণের তরল।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

মানবদেহের বিভিন্ন টিস্যুর মধ্যবর্তী ফাঁকা স্থানে যে জলীয় পদার্থ জমা হয় সেগুলো কতকগুলো ছোট নালির মাধ্যমে সংগৃহীত হয়ে একটি আলাদা নালিকাতন্ত্র গঠন করে যাকে লসিকাতন্ত্র বলে। লসিকাতন্ত্র রোগ প্রতিরোধে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

ভূণের মেসোডার্ম থেকে তৈরি সংকোচন ও প্রসারণক্ষম বিশেষ ধরনের টিস্যুকে পেশি টিস্যু বলে। এদের মাতৃকা প্রায় অনুপস্থিত। পেশিকোষগুলো সরু, লম্বা এবং তত্ত্বময়। যেসব তন্তুতে আড়াআড়ি ডোরাকাটা থাকে, তাদের ডোরাকাটা পেশি এবং ডোরাবিহীন তত্ত্বকে মসৃণ পেশি বলে। পেশিকোষ সংকোচন এবং প্রসারণের মাধ্যমে দেহের বিভিন্ন অঙ্গ সঞ্চালন, চলন ও অভ্যন্তরীণ পরিবহন ঘটায়। পেশি টিস্যু তিন ধরনের। যথা- ঐচ্ছিক পেশি, অনৈচ্ছিক পেশি এবং হৃদপেশি।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

যে পেশি টিস্যুর সংকোচন ও প্রসারণ প্রাণীর ইচ্ছানুযায়ী হয় তাদের ঐচ্ছিক পেশি বা ডোরাকাটা পেশি বলে। ঐচ্ছিক পেশিটিস্যুর কোষগুলো নলাকার, শাখাবিহীন ও আড়াআড়ি ডোরাযুক্ত হয়। এদের সাধারণত একাধিক নিউক্লিয়াস থাকে। এই পেশি দ্রুত সংকুচিত এবং প্রসারিত হতে পারে। ঐচ্ছিক পেশি অস্থিতন্ত্রের সংলগ্ন থাকায় একে কঙ্কালপেশিও বলে। যেমন- মানুষের হাত এবং পায়ের পেশি।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

যে পেশি টিস্যুর সংকোচন ও প্রসারণ প্রাণীর ইচ্ছাধীন নয় তাদের অনৈচ্ছিক পেশি বা মসৃণ পেশি বলে। এ পেশিগুলো মাকু আকৃতির। এদের গায়ে আড়াআড়ি দাগ থাকে না। মেরুদন্ডী প্রাণীদের রক্তনালি, পৌষ্টিকনালি ইত্যাদির প্রাচীরে অনৈচ্ছিক পেশি থাকে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

পৌষ্টিকনালির প্রাচীরকে মসৃণ বা অনৈচ্ছিক পেশি বলা হয়। কারণ- এই পেশি টিস্যুর সংকোচন ও প্রসারণ প্রাণীর ইচ্ছাধীন নয়। এ পেশি কোষগুলো মাকু আকৃতির। এদের গায়ে আড়াআড়ি দাগ থাকে না। এজন্য এ পেশিকে মসৃণ পেশি বলে। মেরুদন্ডী প্রাণীদের অন্ননালি, পাকস্থলী, অন্ত্র, শ্বাসনালি, মূত্রথলি, মূত্রনালি, রক্তনালি এবং অন্যান্য অভ্যন্তরীণ অঙ্গের দেয়ালে বা আস্তরণে অবস্থান করে। এগুলো সচেতন জ্ঞাপন ছাড়াই নিজে নিজে সংকুচিত-প্রসারিত হয়। অর্থাৎ এগুলোকে আমরা নিয়ন্ত্রণ করতে পারি না।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

মেরুদন্ডী প্রাণীদের হৃৎপিন্ডের প্রাচীর এক বিশেষ ধরনের অনৈচ্ছিক পেশি দিয়ে গঠিত। এসব পেশিকে কার্ডিয়াক পেশি বা হৃদপেশি বলে। এই টিস্যুর কোষগুলো নলাকৃতি (অনেকটা ঐচ্ছিক পেশির মতো), শাখান্বিত ও আড়াআড়ি দাগযুক্ত। এ টিস্যুর কোষগুলোর মধ্যে ইন্টারক্যালাটেড ডিস্ক থাকে। এদের সংকোচন ও প্রসারণ প্রাণীর ইচ্ছাধীন নয়। অর্থাৎ কার্ডিয়াক পেশির গঠন ঐচ্ছিক পেশির মতো হলেও কাজ অনৈচ্ছিক পেশির মতো। তাই একে ঐচ্ছিক-অনৈচ্ছিক পেশিও বলে। কার্ডিয়াক পেশির কোষগুলো শাখার মাধ্যমে পরস্পর যুক্ত থাকে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

হৃদপেশির কিছু বৈশিষ্ট্য অনৈচ্ছিক পেশির মতো। অনৈচ্ছিক পেশিতে টিস্যুর সংকোচন ও প্রসারণ প্রাণীর ইচ্ছাধীন নয়। এই বৈশিষ্ট্যটি হৃদপেশির ক্ষেত্রেও লক্ষ করা যায়। হৃদপেশির গঠন কিছুটা ঐচ্ছিক পেশির মতো হলেও কাজের দিক থেকে বিশেষ ধরনের অনৈচ্ছিক পেশির মতো। তাই হৃদপেশি অন্যান্য পেশি থেকে ভিন্ন।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

কার্ডিয়াক পেশি মেরুদণ্ডী প্রাণীদের হৃৎপিন্ডে এক বিশেষ ধরনের অনৈচ্ছিক পেশি। অনৈচ্ছিক পেশি টিস্যুর সংকোচন ও প্রসারণ প্রাণীর ইচ্ছাধীন নয়। এই বৈশিষ্ট্য কার্ডিয়াক টিস্যুর ক্ষেত্রেও দেখা যায়। এজন্যই কার্ডিয়াক পেশির কাজ অনৈচ্ছিক পেশির মতো হয়।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

প্লীহার সঞ্চালনে অংশগ্রহণকারী পেশি হলো অনৈচ্ছিক পেশি। এ পেশিটিস্যুর সংকোচন ও প্রসারণ প্রাণীর ইচ্ছাধীন নয়। এ পেশির কোষগুলো মাকু আকৃতির এদের গায়ে আড়াআড়ি দাগ থাকে। এজন্য এদের মসৃণ পেশিও বলা হয়।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

হৃৎপিণ্ডকে অনৈচ্ছিক পেশি বলা হয়। ভ্রূণীয় মেসোডার্ম থেকে তৈরি সংকোচন প্রসারণশীল বিশেষ ধরনের টিস্যুকে পেশি টিস্যু বলে। মেরুদণ্ডী প্রাণীদের হৃৎপিণ্ডের পেশি টিস্যুর কোষগুলো নলাকৃতি, শাখান্বিত ও আড়াআড়ি দাগযুক্ত। এ টিস্যুর কোষগুলোর মধ্যে ইন্টারক্যালাটেড ডিস্ক থাকে। এদের সংকোচন প্রসারণ ইচ্ছাধীন নয়। এ কারণেই হৃৎপিণ্ডকে অনৈচ্ছিক পেশি বলা হয়।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

যে পেশি টিস্যুর সংকোচন ও প্রসারণ প্রাণীর ইচ্ছাধীন নয়, তাকে অনৈচ্ছিক পেশি বলে। হৃদপেশি মেরুদণ্ডী প্রাণীদের হৃৎপিণ্ডের এক বিশেষ ধরনের অনৈচ্ছিক পেশি। এই টিস্যুর কোষগুলো নলাকৃতি (অনেকটা ঐচ্ছিক পেশির মতো), শাখান্বিত ও আড়াআড়ি দাগযুক্ত। এ টিস্যুর কোষগুলোর মধ্যে ইন্টারক্যালাটেড ডিস্ক থাকে। এদের সংকোচন প্রসারণ প্রাণীর ইচ্ছাধীন নয়। অর্থাৎ কার্ডিয়াক পেশির গঠন ঐচ্ছিক পেশির মতো হলেও কাজ অনৈচ্ছিক পেশির মতো। এ কারণেই হৃদপেশিকে অনৈচ্ছিক পেশি বলা হয়।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

প্রাণীদেহের বিশেষ সংবেদী কোষ নিউরন বা স্নায়ুকোষগুলো একত্রে যে টিস্যু গঠন করে তাকে স্নায়ু টিস্যু বলে। স্নায়ু টিস্যু অসংখ্য নিউরন নিয়ে গঠিত। এই টিস্যু পরিবেশ থেকে উদ্দীপনা, যেমন তাপ, স্পর্শ, চাপ ইত্যাদি গ্রহণ করে দেহের ভিতরে মস্তিষ্কে বহন করে এবং মস্তিষ্কের বিশ্লেষণের পর সিদ্ধান্ত অনুযায়ী উপযুক্ত কাজ করে থাকে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

স্নায়ুটিস্যুর একটি নিউরনের অ্যাক্সনের সাথে দ্বিতীয় একটি নিউরনের ডেনড্রাইটের সংযোগস্থলকে সিন্যাপস বলে। প্রকৃতপক্ষে পরপর অবস্থিত দুটি নিউরনের সন্ধিস্থলই হলো সিন্যাপস। সিন্যাপসে নিউরোহিউমার নামক তরল পদার্থ থাকে। সিন্যাপসের মধ্য দিয়ে তড়িৎ রাসায়নিক পদ্ধতিতে স্নায়ু তাড়না প্রবাহিত হয়।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

নিউরন কোষের সাইটোপ্লাজমে, মাইটোকন্ড্রিয়া, গলজিবডি, রাইবোসোম, এন্ডোপ্লাজমিক রেটিকুলাম ইত্যাদি থাকে, তবে নিউরনের সাইটোপ্লাজমে সক্রিয় সেন্ট্রিওল থাকে না বলে নিউরন বিভাজিত হয় না। কারণ সেন্ট্রোজোমে থাকা সেন্ট্রিওল কোষ বিভাজনের সময়। অ্যাস্টার রে তৈরি করে। তাছাড়া স্পিন্ডল যন্ত্র সৃস্টিতেও সেট্রোজোমের অবদান রয়েছে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

একটি নিউরনের অ্যাক্সনের সাথে দ্বিতীয় একটি নিউরনের ডেনড্রাইটের সংযোগস্থল হলো সিন্যাপস। এটি স্নায়ু উদ্দীপনা পরিবহনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। সিন্যাপসের মধ্য দিয়ে তড়িৎ রাসায়নিক পদ্ধতিতে স্নায়ু উদ্দীপনা প্রবাহিত হয়। এর গ্রাহক অঙ্গ থেকে উদ্দীপনা মোটর বা আজ্ঞাবাহী অঙ্গে পৌঁছায়। সিন্যাপসের মাধ্যমে নিউরনগুলো পরস্পরযুক্ত না থাকলে উদ্দীপূনা এক স্থান থেকে অন্য স্থানে পৌছাতে পারতো না।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

এক বা একাধিক টিস্যু দিয়ে তৈরি এবং একটি নির্দিষ্ট কাজ করতে সক্ষম প্রাণিদেহের অংশবিশেষকে অঙ্গ বলে। অর্থাৎ কোনো অঙ্গে একই অথবা একাধিক ধরনের টিস্যু থাকে এবং সেই অঙ্গ কোনো না কোনো নির্দিষ্ট কাজ করতে পারে। আবার জীবদেহের কতগুলো অঙ্গের সমন্বয়ে বিভিন্ন তন্ত্র সংগঠিত হয়। অর্থাৎ অঙ্গ নিয়েই তন্ত্র গঠিত।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

এক বা একাধিক অঙ্গের সমন্বয়ে মানবদেহের নির্দিষ্ট শারীরবৃত্তীয় কাজ করার জন্য তৈরি হয় তন্ত্র। কয়েকটি উল্লেখযোগ্য তন্ত্র হলো-

পরিপাকতন্ত্র, শ্বসনতন্ত্র, স্নায়ুতন্ত্র, রেচনতন্ত্র, জননতন্ত্র, ত্বকতন্ত্র, অন্তঃক্ষরা গ্রন্থিতন্ত্র ইত্যাদি।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

এক বা একাধিক টিস্যুর সমন্বয়ে গঠিত এবং নির্দিষ্ট কার্য সম্পাদনে সক্ষম প্রাণিদেহের অংশবিশেষই হলো অঙ্গ। অর্থাৎ কোনো অঙ্গে এক অথবা একাধিক ধরনের টিস্যু থাকে। যেমন: হাত-পা এ যোজক টিস্যু এবং পেশি টিস্যু থাকে। তাই বলা যায়, 'অঙ্গ গঠনের একক হলো টিস্যু'।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

মানুষের নাসারন্ধ্র, গলবিল, ল্যারিংস, ট্রাকিয়া, ব্রঙ্কাস, ব্রঙ্কিওল, অ্যালভিওলাই এবং একজোড়া ফুসফুস নিয়ে মানুষের শ্বসনতন্ত্র গঠিত। এই তন্ত্র মানুষের দেহের সঞ্চিত খাদ্যকে পরিবেশ থেকে গৃহীত অক্সিজেনের সাহায্যে জারণ প্রক্রিয়ায় শক্তি উৎপাদন করে। এ শক্তি দেহের দৈনন্দিন কাজে সহায়তা করে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

প্রাণীদেহে যে তন্ত্রের সাহায্যে রেচন প্রক্রিয়া সম্পাদিত হয়, তাকে রেচনতন্ত্র বলে। একজোড়া বৃক্ক, একজোড়া ইউরেটার, একটি মূত্রথলি এবং একটি মূত্রনালি নিয়ে মানুষের রেচনতন্ত্র গঠিত।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

নালিহীন গ্রন্থি বলতে অন্তঃক্ষরা গ্রন্থিকে বুঝায়। নালিহীন বা অন্তঃক্ষরা গ্রন্থি থেকে নিঃসৃত রস হলো হরমোন, যা রক্তের মাধ্যমে পরিবাহিত হয়ে দেহের বিভিন্ন শারীরবৃত্তীয় কাজ নিয়ন্ত্রণ করে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

প্রাণীদের দেহে কতকগুলো নালিবিহীন বা অন্তঃক্ষরা গ্রন্থি আছে। এ সব গ্রন্থি থেকে নিঃসৃত রসকে হরমোন বা প্রাণরস বলে। প্রাণরস পরিবহন করার জন্য কোন নির্দিষ্ট নালি থাকে না। রক্তই এক স্থান থেকে এইসব প্রাণরস বা হরমোন অন্যস্থানে পরিবহন করে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

যৌগিক অণুবীক্ষণ যন্ত্রের বডি টিউবের নিচের দিকের ঘূর্ণনশীল অংশটিকে নোজপিস বলে। এতে তিনটি অবজেকটিভ(লেন্স) লাগানো থাকে, যথা- লো পাওয়ার অবজেকটিভ (10x - 12x), হাই পাওয়ার অবজেকটিভ (40x - 45x), অয়েল ইমারশন অবজেকটিভ(100x)। কোনো কোনো যন্ত্রে অবশ্য আরও একটি অবজেকটিভ থাকে, যাকে বলে স্ক্রিনিং অবজেকটিভ (4x - 5x)। এখানে x এর সাথে উল্লিখিত সংখ্যাগুলো নির্দেশ করছে যে, উক্ত লেন্স বা লেন্স সমবায় দ্বারা কতগুণ বিবর্ধন ঘটে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

যৌগিক অণুবীক্ষণ যন্ত্রে ফাইন অ্যাডজাস্টমেন্ট 'নব হলো একটি ছোট নব। এটিকে ঘুরিয়ে স্টেজকে ওঠা-নামা করানোর মাধ্যমে স্লাইডকে লেন্সের ফোকাস দূরত্বের ভিতরে বা বাইরে নেওয়া যায়। এটিকে অনেক খানি ঘোরালে স্টেজের অল্প একটু সরণ ঘটে অর্থাৎ এটি দিয়ে ফোকাসের সূক্ষ্ম সমন্বয় করা হয়।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

অণুবীক্ষণযন্ত্রের সাহায্যে ক্ষুদ্র কোনো বস্তুকে বহুগুণ বড় করে দেখা যায়। জীববিজ্ঞানে অণুবীক্ষণযন্ত্র একটি অপরিহার্য গবেষণা সহায়ক উপকরণ। যে স্লাইডটি পর্যবেক্ষণ করা হয় তাকে স্টেজের উপর বসিয়ে নোজপিস ঘুরিয়ে অবজেকটিভের কম পাওয়ারের লেন্স স্লাইড বরাবর স্থাপন করতে হয়। তারপর প্রথমে কোর্স অ্যাডজাস্টমেন্ট স্ক্রু এবং পরে ফাইন অ্যাডজাস্টমেন্ট স্ক্রু ঘুরিয়ে রস্তুকে ফোকাসে এনে আইপিস লেন্সে চোখ রেখে ক্ষুদ্র বস্তু পর্যবেক্ষণ করা যায়।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

যৌগিক অণুবীক্ষণ যন্ত্রে কোর্স অ্যাডজাস্টমেন্ট নব হলো একটি বড় নব। এটিকে ঘুরিয়ে স্টেজকে ওঠা-নামা করানোর মাধ্যমে স্লাইডকে লেন্সের ফোকাস দূরত্বের ভিতরে বা বাইরে নেওয়া যায়। এটিকে অল্প ঘোরালেই স্টের্জের অনেক খানি সরণ ঘটে অর্থাৎ এটি দিয়ে ফোকাসের স্থূল সমন্বয় করা হয়।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

কোষ বা টিস্যুর পাতলা স্তরকে যখন অণুবীক্ষণ যন্ত্রে দেখা হয়, তখন সেটি যে জলীয় মাধ্যমে অবস্থান করে, তার থেকে আলাদা করে চিহ্নিত করা মুশকিল। এ সমস্যা সমাধান করার একটি উপায় হলো ঐ কোষ বা টিস্যুকে রং করা, যাতে সেই রং দেখে পারিপার্শ্বিকতার সাপেক্ষে তার অবস্থান এবং আকৃতি আলাদা করে চিহ্নিত করা যায়। অনেক সময় এই রঞ্জন প্রক্রিয়া এত সূক্ষ্মতার সাথে করা; সম্ভব, যাতে করে শুধু বিশেষ ধরনের কোষ কিংবা কোযের বিশেষ কোনো অংশ বা অঙ্গাণু অথবা টিস্যুর নির্দিষ্ট কোনো উপাদানই কেবল রঙিন হয়। একেই বলে স্টেইনিং বা স্লাইড স্টেইনিং।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

জীবদেহের গঠন ও কাজের এককই হলো কোষ।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

জীবকোষ হচ্ছে জীবদেহের একক।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

দেহের বাইরের দিকে যে আচ্ছাদনকারী আবরণ থাকে, তাকে ত্বক বা চামড়া বলে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

এক বা একাধিক টিস্যুর সমন্বয়ে গঠিত এবং নির্দিষ্ট কার্য সম্পাদনে সক্ষম প্রাণিদেহের অংশবিশেষকে অঙ্গ বলে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

শুক্রাণু ও ডিম্বাণুর মিলনের ফলে যে ডিপ্লয়েড কোষ তৈরি হয় তাই জাইগোট।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

যে সকল কোষের সুগঠিত নিউক্লিয়াস থাকে না অর্থাৎ নিউক্লিয়ার মেমব্রেন ও নিউক্লিওলাস অনুপস্থিত তাদেরকে প্রাককেন্দ্রিক কোষ বলে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

সকল প্রকৃত কোষের সাইটোপ্লাজমীয় অঙ্গাণুগুলোর অন্তর্বর্তী স্থানে কতগুলো সূত্রক সম্মিলিতভাবে জালিকার ন্যায় গঠন তৈরি করে, এগুলোই কোষ কঙ্কাল।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

যে সকল কোষের সুগঠিত নিউক্লিয়াস থাকে না অর্থাৎ নিউক্লিয়ার মেমব্রেন ও নিউক্লিওলাস অনুপস্থিত তাদেরকে আদি কোষ বলে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

যেসব কোষের নিউক্লিয়াস সুগঠিত অর্থাৎ নিউক্লিয়াস ঝিল্লি দ্বারা নিউক্লিও বস্তু পরিবেষ্টিত ও সুসংগঠিত সেসব কোষকে প্রকৃত কোষ বলে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

প্রকৃত কোষের সাইটোপ্লাজমে প্রোটিন নির্মিত যেসব অতিসূক্ষ্ম সংকোচনশীল তত্ত্ব কোষের চলনে অংশগ্রহণ করে এরাই হলো মাইক্রোফিলামেন্ট।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

কোষের সাইটোপ্লাজমে দীর্ঘ ও ফাপা প্রায় ২৫ mµ ব্যাসসম্পন্ন যেসব ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র নলাকার উপাদান দেখা যায় তাই মাইক্রোটিউবিউল।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

বহুকোষী জীবের দেহগঠনে যেসব কোষ অংশগ্রহণ করে তাকে দেহকোষ বলে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

বহুকোষী জীবের যে সকল কোষ শুধু জনন কাজে অংশগ্রহণ করে সেগুলোকে জনন কোষ বলে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

পাশাপাশি অবস্থিত কোষগুলো কোষ প্রাচীরের সূক্ষ্ম ছিদ্রের ভিতর দিয়ে প্রোটোপ্লাজমের সুতার মতো অংশ দিয়ে পরস্পর যুক্ত থাকে। এই সুতার অংশই প্লাজমোডেজমাটা।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

কোষপ্রাচীরের গৌণপ্রাচীরের মাঝে মাঝে ছিদ্র থাকে, একে পিট বা কূপ বলা হয়।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

যে পাতলা পর্দা কোষগহ্বরকে বেষ্টন করে থাকে তাই টনোপ্লাস্ট।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

কোষ প্রাচীর উদ্ভিদ কোষের একটি অন্যতম বৈশিষ্ট্য।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

কোষের ভিতরে যে অর্ধস্বচ্ছ, থকথকে জেলির মতো বস্তু থাকে তাকে প্রোটোপ্লাজম বলে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

কোষের প্রোটোপ্লাজমের বাইরে যে দ্বিস্তরবিশিষ্ট পর্দা থাকে তাই কোষঝিল্লি বা প্লাজমালেমা।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

সাইটোপ্লাজমে অবস্থিত যে অঙ্গাণু হাইড্রোলাইটিক এনজাইমের আধার হিসেবে কাজ করে তাই লাইজোসোম।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

মাইটোকন্ড্রিয়ার ক্রিস্টির গায়ে বৃত্তযুক্ত গোলাকার যে বস্তু থাকে তাই অক্সিজোম।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

কোষঝিল্লীর ভাঁজই হলো মাইক্রোভিলাই বা মাইক্রোভিল্লি।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

মাইটোকন্ড্রিয়ার ক্রিস্টির গায়ে বৃত্তযুক্ত গোলাকার যে বস্তু থাকে তাই অক্সিজোম।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

মাইটোকন্ড্রিয়ার ভেতরের স্তরটির ভেতরের দিকে ভাঁজ হয়ে যাওয়া অংশকে ক্রিস্টি বলে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

দ্বিস্তরবিশিষ্ট আবরণী দ্বারা গঠিত সাইটোপ্লাজমস্থ যে অঙ্গাণুতে ক্রেবস চক্র, ইলেকট্রন ট্রান্সপোর্ট প্রক্রিয়া, ফ্যাটি এসিড প্রক্রিয়া ইত্যাদি ঘটে থাকে এবং শক্তি উৎপন্ন হয় সেই অঙ্গাণুকে মাইটোকন্ড্রিয়া বলে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

যেসব প্লাস্টিডের বর্ণের পরিবর্তনের কারণে উদ্ভিদ দেহে বর্ণের পরিবর্তন হয় ঐ ধরনের প্লাস্টিডই হলো রূপান্তরিত প্লাস্টিড।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

উদ্ভিদকোষের সাইটোপ্লাজমে সাধারণত বর্ণকণাযুক্ত যে অঙ্গাণু দেখা যায় তাই প্লাস্টিড।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

যেসব প্লাস্টিডে কোনো রঞ্জক পদার্থ থাকে না তারাই হলো লিউকোপ্লাস্ট।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

ক্লোরোফিল বহনকারী সবুজ প্লাস্টিড হলো ক্লোরোপ্লাস্ট।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

প্রাণী ও উদ্ভিদকোষের পর্দাহীন যে অঙ্গাণুটি প্রোটিন সংশ্লেষণে সহায়তা করে তাই রাইবোজোম।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

প্রাণিকোষের সেন্ট্রিওলের চারপাশে অবস্থিত গাঢ় তরলকে সেন্ট্রোস্ফিয়ার এবং সেন্ট্রোস্ফিয়ারসহ সেন্ট্রিওলকে সেন্ট্রোজোম বলা হয়।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

নিউক্লিয়াসের কাছে দুটি ফাঁপা নলাকার বা দণ্ডাকার অঙ্গাণু দেখা যায় তাদের সেন্ট্রিওল বলে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

একই বা বিভিন্ন প্রকারের একগুচ্ছ কোষ একত্রিত হয়ে যদি একই কাজ করে এবং তাদের উৎপত্তিও যদি বিভিন্ন হয় তখন তাদের টিস্যু বলে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

যে স্থায়ী টিস্যুর প্রতিটি কোষ আকার, আকৃতি ও গঠনের দিক থেকে অভিন্ন তাকে সরল টিস্যু বলে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

জলজ উদ্ভিদের বড় বড় বায়ুকুঠুরিযুক্ত প্যারেনকাইমাই হলো অ্যারেনকাইমা।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

উদ্ভিদের ক্লোরোপ্লাস্ট যুক্ত প্যারেনকাইমাই হলো ক্লোরেনকাইমা।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

স্ক্লেরেনকাইমা টিস্যুর ফাইবার প্রাচীরের গায়ে ছিদ্র থাকে। এ ছিদ্রকে কূপ বলে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

যে মাতৃকোষের গৌণ প্রাচীর খুবই শক্ত অত্যন্ত পুরু লিগনিনযুক্ত এবং কোষপ্রাচীর কূপযুক্ত হয়, তাই স্ক্লেরাইড।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

জাইলেমে অবস্থিত স্ক্লেরেনকাইমা কোষকে জাইলেম ফাইবার বা উড ফাইবার বলে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

বাস্ট ফাইবার বা ফ্লোয়েম ফাইবার স্ক্লেরেনকাইমা কোষ সমন্বয়ে তৈরি এক ধরনের দীর্ঘ কোষ, যাদের প্রান্তদেশ পরস্পরের সাথে যুক্ত থাকে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

স্ক্লেরেনকাইমা জাতীয় স্ক্লেরাইড কোষই হচ্ছে স্টোন সেল। এরা খাটো, সমব্যসীয়, অত্যন্ত পুরু এবং লিগনিনযুক্ত।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

বিভিন্ন প্রকার কোষের সমন্বয়ে যে স্থায়ী টিস্যু গঠিত হয় তাকে জটিল টিস্যু বলে। যেমন- জাইলেম, ফ্লোয়েম।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

জাইলেমে অবস্থিত প্যারেনকাইমা কোষকে জাইলেম প্যারেনকাইমা বা উড প্যারেনকাইমা বলে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

ফ্লোয়েম টিস্যুর অন্তর্গত নিউক্লিয়াসবিহীন, চালুনির মতো ছিদ্রযুক্ত সজীব নলাকার কোষীয় উপাদানগুলোকে সিভনল বলে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

উদ্ভিদদেহে যে টিস্যু খাদ্যের কাঁচামাল ও তৈরিকৃত খাদ্য পরিবহন করে থাকে তাই পরিবহন টিস্যু।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

কোমলাস্থি এক ধরনের নমনীয় স্কেলিটাল যোজক টিস্যু। মানুষের নাক ও কানের পিনা কোমলাস্থি দিয়ে তৈরি।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

কোষের কোষঝিল্লির পর্দা যখন ভিতর দিকে বিভিন্ন জায়গায় ভাগ হয়ে আঙ্গুলের মতো অড়িক্ষেপ তৈরি করে। এই অভিক্ষেপগুলোকেই মাইক্রোভিলাই বলে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

লসিকা তন্ত্রের মধ্যে কিছু রোগ প্রতিরোধী কোষ থাকে, তাদের লসিকা কোষ বলে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

যে প্রক্রিয়ায় শ্বেত রক্তকণিকা ক্ষণপদ সৃষ্টির মাধ্যমে রোগ জীবাণু ভক্ষণ করে তাই ফ্যাগোসাইটোসিস।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

ভ্রূণের মেসোডার্ম থেকে তৈরি সংকোচন ও প্রসারণশীল বিশেষ ধরনের টিস্যুকে পেশি টিস্যু বলে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

যে পেশি প্রাণীর ইচ্ছা অনুযায়ী সংকোচন ও প্রসারণ হতে পারে তাই ঐচ্ছিক পেশি।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

একটি নিউরনের অ্যাক্সনের সাথে দ্বিতীয় আরেকটি নিউরনের ডেনড্রাইট যুক্ত থাকে, এ সংযোগস্থলই সিন্যাপস।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

মানবদেহে অবস্থিত নালিবিহীন গ্রন্থিসমূহকে অন্তঃক্ষরা গ্রন্থি বলে। যেমন: থাইরয়েড গ্রন্থি, অগ্ন্যাশয়, পিটুইটারি গ্রন্থি প্রভৃতি।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

লসিকা নালীগুলো লসিকা সংগ্রহ করে একটি স্বতন্ত্র নালিকাতন্ত্র গঠন করে থাকে তাকে লসিকাতন্ত্র বলে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

এক বা একাধিক টিস্যুর সমন্বয়ে গঠিত এবং নির্দিষ্ট কার্য সম্পাদনে সক্ষম প্রাণিদেহের অংশবিশেষকে অঙ্গ বলে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

স্লাইড স্টেইনিং হলো কোষের বিশেষ কোনো অংশ বা অঙ্গাণু বা টিস্যুর পাতলা স্তরকে আলাদা করে চিহ্নিত করতে স্লাইডের ওপর রঞ্জক পদার্থ দিয়ে রক্ষিত করার প্রক্রিয়া।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

বহুকোষী জীবের দেহ গঠনে যে কোষ অংশগ্রহণ করে তাদেরকে দেহকোষ বলে। এদের নিউক্লিয়াস সুগঠিত। অর্থাৎ নিউক্লিয়ার ঝিল্লি দ্বারা নিউক্লিওবস্তু পরিবেষ্টিত ও সুগঠিত। কোষে মাইটোকন্ড্রিয়া, প্লাস্টিড, এন্ডোপ্লাজমিক রেটিকুলাম ইত্যাদি অঙ্গাণু থাকে। ক্রোমোজোমে RNA, প্রোটিন, হিস্টোন ও অন্যান্য উপাদান থাকে। এসব কারণে বহুকোষী জীবের দেহকোষকে প্রকৃতকোষ বলে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

যেসব কোষের নিউক্লিয়াস সুগঠিত অর্থাৎ নিউক্লিয়ার ঝিল্লি দিয়ে নিউক্লিও বস্তু পরিবেষ্টিত ও সুসংগঠিত সেগুলোই হচ্ছে প্রকৃত কোষ। এসব কোষে রাইবোজোমসহ সকল অঙ্গাণু উপস্থিত থাকে। পেঁয়াজ কোষেও প্রকৃত কোষের সকল বৈশিষ্ট্য বিদ্যমান থাকে। এছাড়াও পেঁয়াজ কোষের ক্রোমোজোমে DNA, প্রোটিন, হিস্টোন এবং অন্যান্য উপাদান থাকে। এ কারণেই পেঁয়াজ কোষকে প্রকৃত কোষ বলা হয়।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

জড় ও শক্ত যে প্রাচীর দিয়ে উদ্ভিদকোষ পরিবেষ্টিত থাকে তাকে কোষপ্রাচীর বলে। উদ্ভিদকোষ চেনার প্রধান বৈশিষ্ট্যই হলো কোষ প্রাচীর। এর মাধ্যমেই প্রাণিকোষ ও উদ্ভিদকোষের মধ্যে সহজেই পার্থক্য করা যায়। কেননা প্রাণিকোষে কোষপ্রাচীর থাকে না। এ কারণেই কোষ প্রাচীর উদ্ভিদকোষের অনন্য বৈশিষ্ট্য।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

কোষ প্রাচীর উদ্ভিদকোষের একটি অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ বৈশিষ্ট্য। এটি মৃত বা জড়বস্তু দ্বারা গঠিত। কোষ প্রাচীরের কাজগুলো নিম্নরূপ-

১. কোষ প্রাচীর কোষকে বাইরের আঘাত থেকে রক্ষা করে।
২. কোষকে দৃঢ়তা প্রদান করে।
৩. কোষের আকার ও আকৃতি বজায় রাখে। 
৪. পার্শ্ববর্তী কোষের সাথে প্লাজমোডেজমাটা সৃষ্টির মাধ্যমে যোগাযোগ রক্ষা করে। 
৫. পানি ও খনিজ লবণ চলাচল নিয়ন্ত্রণ করে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

মাইটোকন্ড্রিয়া কোষের শ্বসন অঙ্গাণু। জীবের শ্বাসকার্যে সাহায্য করা মাইটোকিন্ড্রয়ার প্রধান কাজ। এই অঙ্গাণুতে শ্বসন প্রক্রিয়ার চারটি ধাপের মধ্যে প্রথম ধাপ গ্লাইকোলাইসিসের বিক্রিয়াগুলো মাইটোকন্ড্রিয়ায় ঘটে না। তবে দ্বিতীয়, তৃতীয় ও চতুর্থ ধাপ অর্থাৎ অ্যাসিটাইল কো-এ সৃষ্টি, ক্রেবস চক্র এবং ইলেকট্রন প্রবাহ তন্ত্র মাইটোকন্ড্রিয়ার মধ্যেই সম্পন্ন হয়। এগুলোর মধ্যে শ্বসনের অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ধাপ ক্লেবস চক্রে অংশগ্রহণকারী সব উৎসেচক এতে উপস্থিত থাকায় এ বিক্রিয়াগুলো মাইটোকন্ড্রিয়াতেই সম্পন্ন হয়। ধাপগুলোর মধ্যে ক্রেবসচক্রে সবচেয়ে বেশি শক্তি উৎপাদিত হয়। এজন্য মাইটোকন্ড্রিয়াকে কোষের শক্তি উৎপাদন কেন্দ্র বা পাওয়ার হাউস বা শক্তিঘর বলা হয়।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

উদ্ভিদে সবুজ বর্ণের জন্য দায়ী হলো ক্লোরোপ্লাস্ট। ক্লোরোপ্লাস্টের উপস্থিতিতে ঘাসের রং সবুজ হয়। কিন্তু এই সবুজ ঘাস ইট দ্বারা ঢাকা থাকলে সেখানে সূর্যালোক পৌছতে পারে না। ফলে ক্লোরোপ্লাস্ট লিউকোপ্লাস্টে রূপান্তরিত হয়। যেহেতু লিউকোপ্লাস্ট কোনো রঞ্জক ধারণ করে না অর্থাৎ বর্ণহীন। তাই ইট দ্বারা সবুজ ঘাস - ঢাকা থাকলে কিছুদিন পর সেই ঘাস দেখতে বর্ণহীন হয়।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

নিউক্লিয়াস কোষের যাবতীয় কার্যাবলি যেমন, কোষের গঠনগত ও শারীরবৃত্তীয় বৈশিষ্ট্যের নিয়ন্ত্রণ, RNA ও রাইবোজোম গঠন, প্রোটিন সংশ্লেষণ, বংশগতির স্থানান্তর, বংশগতির বৈশিষ্ট্যের ধারক ও বাহক ক্রোমোজোম ধারণ, কোষ বিভাজনে অংশ গ্রহণ সবই নিয়ন্ত্রণ করে। তাই জীবকোষের সার্বিক কার্য সম্পাদনে জড়িত বলে নিউক্লিয়াসকে কোষের প্রাণকেন্দ্র বা নিয়ন্ত্রণ কেন্দ্র বলে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

কোষের বিশ্রামকালে অর্থাৎ যখন কোষ বিভাজন চলে না, তখন নিউক্লিয়াসের মধ্যে কুন্ডলী পাকানো সূক্ষ্ম সুতার মতো অংশ দেখা যায়, তাকে ক্রোমাটিন জালিকা বলে। কোষ বিভাজনের সময় নিউক্লিয়াস থেকে যখন পানি অপসারিত হয় তখন ক্রোমাটিন জালিকাগুলো মোটা ও খাটো হয় তখন তাদের আলাদা আলাদা ক্রোমোজোম হিসেবে দেখা যায়।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

যে স্থায়ী টিস্যুর প্রতিটি কোষ আকার, আকৃতি ও গঠনের দিক থেকে অভিন্ন তাকে সরল টিস্যু বলে। প্যারেনকাইমা টিস্যুকে সরল টিস্যু বলা হয়। কারণ প্যারেনকাইমা টিস্যুর প্রতিটি কোষের আকার, আকৃতি ও গঠন একই রকম। উদ্ভিদদেহের সব অংশে এদের উপস্থিতি লক্ষ করা যায়। এ টিস্যুর কোষগুলো জীবিত, সমব্যাসীয়, পাতলা প্রাচীরযুক্ত এবং প্রোটোপ্লাজম দিয়ে পূর্ণ। এই টিস্যুতে আন্তঃকোষীয় ফাঁক থাকে। এসব কারণেই প্যারেনকাইমাকে সরল টিস্যু বলা হয়।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

উদ্ভিদে পরিবহনকারী জটিল টিস্যুই হলো পরিবহন টিস্যু। এই টিস্যু দুই ধরনের, যথা- জাইলেম ও ফ্লোয়েম। জাইলেমের মাধ্যমে মূল কর্তৃক শোষিত পানি ও খনিজ লবণ পাতা পর্যন্ত পৌছায়। আবার পাতার সৃষ্ট খাদ্যের কিছু অংশ সঞ্চিত থাকে এবং অবশিষ্ট অংশ ফ্লোয়েম টিস্যু উদ্ভিদের নানা অংশে প্রেরণ করে। পরিবহন কাজে বিশেষ ভূমিকা রাখে বলেই একে পরিবহন টিস্যু বলা হয়।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

ফ্লোয়েমকে পরিবহন টিস্যু বলা হয়। কারণ উদ্ভিদের পাতায় প্রস্তুতকৃত খাদ্য দেহের বিভিন্ন এলাকায় পরিবহনের কাজটি করে থাকে ফ্লোয়েম টিস্যু। এ খাদ্য ফ্লোয়েমের সিভনলের মাধ্যমে প্রবাহিত হয়। উদ্ভিদের বিভিন্ন জৈব যৌগ ফ্লোয়েম টিস্যুর মাধ্যমে বিপরীত দিকে একই সাথে চলাচল করে। উদ্ভিদের নিচের দিকের যৌগগুলো নিচের দিকে, উপরের সংশ্লেষিত যৌগগুলো উপরের দিকে এবং উদ্ভিদের মাঝামাঝি এলাকার সংশ্লেষিত পদার্থগুলো উপরে বা নিচে যেকোনো দিকে প্রবাহিত হয়। এ কারণেই ফ্লোয়েমকে পরিবহন টিস্যু বলা হয়।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

কার্ডিয়াক পেশি বা হৃদপেশি এক বিশেষ ধরনের অনৈচ্ছিক পেশি। এ পেশি টিস্যুর সংকোচন ও প্রসারণ প্রাণীর ইচ্ছাধীন নয়। অর্থাৎ কার্ডিয়াক পেশির গঠন ঐচ্ছিক পেশির মতো হলেও কাজ অনৈচ্ছিক পেশির মতো। মানব ভ্রূণ সৃষ্টির একটি বিশেষ পর্যায় থেকে মৃত্যুর পূর্ব মুহূর্ত পর্যন্ত কার্ডিয়াক পেশি সংকোচন ও প্রসারণের মাধ্যমে রক্ত চলাচল প্রক্রিয়া সচল রাখে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

ট্রাকিড ও ভেসেল উভয়ই জটিল টিস্যু, যা জাইলেম টিস্যুর অংশবিশেষ। ট্রাকিড, ভেসেল থেকে ভিন্ন কারণ- ট্রাকিডের কোষগুলো লম্বা, এর প্রান্তদ্বয় সরু এবং সূঁচালো, কোষগহ্বর বড়, কোষপ্রাচীর শক্ত, দৃঢ় ও লিগনিনযুক্ত। আবার ভেসেলের কোষগুলো খাটো চোঙের মতো, একাধিক কোষ মাথায় যুক্ত হয়ে ফাঁপা নলের সৃষ্টি করে। এর ফলে কোষরসের উপরে ওঠার জন্য একটি সরু পথ সৃষ্টি হয়ে যায়। এসব বৈশিষ্ট্যের কারণেই ট্রাকিড ভেসেল থেকে ভিন্ন প্রকৃতির।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

মানুষের আবরণী টিস্যুকে ট্রানজিশনাল আবরণী বলা হয়। কারণ স্ট্র্যাটিফাইড আবরণী টিস্যুর কোষগুলো ভিত্তি পর্দার উপর একাধিক স্তরে সজ্জিত থাকে। এমন স্ট্র্যাটিফাইড আবরণী টিস্যুও আছে, যার স্তরের সংখ্যা মিনিটের মধ্যেই পাল্টে যেতে পারে। কখনো দেখা যায় তিন-চারটি আবার পরক্ষণেই দেখা যায় সাত-আটটি। এ কারণে মানুষের আবরণী টিস্যুকে ট্রানজিশনাল আবরণী টিস্যু বলা হয়।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

স্ট্র্যাটিফাইড আবরণী টিস্যুর কোষগুলো ভিত্তিপর্দার উপর একাধিক স্তরে সজ্জিত থাকে। কিছু স্ট্র্যাটিফাইড আবরণী টিস্যু আছে, যার স্তরের সংখ্যা মিনিটের মধ্যেই পাল্টে যেতে পারে। কখনো দেখা যায় তিন-চারটি স্তর আবার পরক্ষণেই দেখা যায় সাত-আটটি। এ জন্যই স্ট্র্যাটিফাইড আবরণী টিস্যুকে ট্রানজিশনাল আবরণী টিস্যু বলা হয়।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

রক্তকে তরল যোজক কলা বলা হয়। কারণ রক্তে বিভিন্ন ধরনের জৈব পদার্থ দ্রবীভূত অবস্থায় থাকে। এ টিস্যুর প্রধান কাজ হলো বিভিন্ন দ্রব্যাদি (যেমন- অক্সিজেন, খাদ্য, রেচন পদার্থ) দেহের এক স্থান থেকে অন্য স্থানে পরিবহন করে। এছাড়া রক্ত দেহের গাঠনিক, যান্ত্রিক ও প্রতিরক্ষামূলক ভূমিকা পালনের পাশাপাশি অন্যান্য কলার সঙ্গে সংযোগ স্থাপনের মাধ্যমে এদের পুষ্টি জোগানো, বৃদ্ধি, রোগ প্রতিরোধ এবং রক্ত জমাট বাধায় সহায়তা করে তাই একে যোজক কলা বলে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

যে পেশি টিস্যুর সংকোচন ও প্রসারণ প্রাণীর ইচ্ছাধীন নয় তাকে অনৈচ্ছিক পেশি বলে। এ পেশি কোষগুলো মাকু আকৃতির। এদের গায়ে আড়াআড়ি দাগ থাকে না। এজন্য এ পেশিকে মসৃণ পেশি বলে। মেরুদণ্ডী প্রাণীদের রক্তনালি, পৌষ্টিকনালি ইত্যাদির প্রাচীরে অনৈচ্ছিক পেশি থাকে। অনৈচ্ছিক পেশি প্রধানত দেহের অভ্যন্তরীণ অঙ্গাদির সঞ্চালনে অংশ নেয়। যেমন: খাদ্য হজম প্রক্রিয়ায় অন্ত্রের ক্রমসংকোচন।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

এক বা একাধিক টিস্যু দিয়ে তৈরি এবং একটি নির্দিষ্ট কাজ করতে সক্ষম প্রাণিদেহের অংশ বিশেষকে অঙ্গ বলে। অর্থাৎ কোন অঙ্গে একই অথবা একাধিক ধরনের টিস্যু থাকে এবং সেই অঙ্গ কোনো না কোনো নির্দিষ্ট কাজ করতে পারে।

আবার এক বা একাধিক অঙ্গের সমন্বয়ে মানবদেহের নির্দিষ্ট শারীরবৃত্তীয় কাজ করার জন্য তৈরি হয় তন্ত্র। তাই বলা যায়, অঙ্গ তন্ত্রের একক। মানবদেহের কিছু গুরুত্বপূর্ণ তন্ত্র হলো পরিপাক তন্ত্র, শ্বসন তন্ত্র, রেচন তন্ত্র, প্রজনন তন্ত্র ইত্যাদি।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
No explanation available yet.
75

আগের শ্রেণিতে তোমরা জীবকোষ সম্পর্কে ধারণা পেয়েছিলে। সেই সব ধারণার উপর ভিত্তি করে তোমরা এই অধ্যায়ে জীবকোষ সম্পর্কে আরও অনেক কিছু জানতে পারবে। সাধারণ অণুবীক্ষণ যন্ত্রে দেখা একটি জীবকোষ আর ইলেকট্রন অণুবীক্ষণ যন্ত্রে দেখা ঐ একই জীবকোষের গঠন কি এক রকম? এই অধ্যায়ে তোমরা এই ধরনের প্রশ্নগুলোর উত্তরগুলোও খুঁজে পাবে।

 

  • উদ্ভিদ ও প্রাণিকোষের প্রধান অঙ্গাপুর কাজ ব্যাখ্যা করতে পারব।
  •  উদ্ভিদ ও প্রাণিকোষের তুলনা করতে পারব। 
  • স্নায়ু, পেশি, রন্ত, ত্বক এবং অস্থির কাজ সুষ্ঠুভাবে সম্পাদনে বিভিন্ন প্রকার কোষের ভূমিকা বর্ণনা করতে পারব। 
  • জীবদেহে কোষের উপযোগিতা মূল্যায়ন করতে পারব। 
  • উদ্ভিদ টিস্যু ব্যাখ্যা করতে পারব। প্রাণি টিস্যু ব্যাখ্যা করতে পারব। 
  • একই রকম কোষ সমষ্টির ও একই কাজ সম্পন্ন করার ভিত্তিতে টিস্যুর কাজ মূল্যায়ন করতে পারব। 
  • টিস্যু, অঙ্গ এবং অন্ত্রে কোষের সংগঠন ব্যাখ্যা করতে পারব। 
  • টিস্যুতন্ত্রের কাজ ব্যাখ্যা করতে পারব। 
  •  অঙ্গ  ও  অঙ্গতন্ত্রের ধারণা এবং গুরুত্ব ব্যাখ্যা করতে পারব। 
  • অণুবীক্ষণ যন্ত্রের সাহায্যে উদ্ভিদকোষ (পেঁয়াজ) ও প্রাণিকোষ (প্রোটোজোয়া) পর্যবেক্ষণ করে চিহ্নিত চিত্র অঙ্কন করতে পারব। 
  • উদ্ভিদ ও প্রাণিটিস্যুর চিত্র অঙ্কন করে চিহ্নিত করতে পারব। 
  • সঠিকভাবে অণুবীক্ষণ যন্ত্র ব্যবহার করতে পারব। জীবের নানা কার্যক্রমে কোষের অবদান অনুধাবন করতে পারব।

Related Question

View All
উত্তরঃ

কোষের প্রোটোপ্লাজমের বাইরে দ্বিস্তর বিশিষ্ট যে পাতলা পর্দা থাকে তাই প্লাজমালেমা।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
1.3k
উত্তরঃ

তিন ধরনের প্লাস্টিডের মধ্যে ক্লোরোপ্লাস্টের কারণে উদ্ভিদের পাতা সবুজ হয়। ক্রোমোপ্লাস্টে থাকে জ্যান্থফিল, ক্যারোটিন, ফাইকোএরিথ্রিন, ফাইকোসায়ানিন ইত্যাদি বর্ণকণিকা। এ সকল বর্ণকণিকার কোনটির কারণে পাতা, ফুল, ফল হলুদ, কমলা বা লাল হয়ে থাকে। যেহেতু প্লাস্টিডের কারণেই উদ্ভিদের এ ধরনের বর্ণ বিচিত্রতা দেখা যায়, তাই প্লাস্টিডকে বর্ণগঠনকারী অঙ্গ বলা হয়।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
2.7k
উত্তরঃ

চিত্রের N চিহ্নিত অংশটি হলো ক্লোরোপ্লাস্ট। জীবজগতের জন্য এ কোষ অঙ্গাণুটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে থাকে। ক্লোরোপ্লাস্টে থাকে ক্লোরোফিল। ক্লোরোফিলের উপস্থিতির কারণে সবুজ উদ্ভিদ সালোকসংশ্লেষণের মাধ্যমে শর্করাজাতীয় খাদ্য তৈরি করতে পারে। এ সময় খাদ্য তৈরির সাথে সাথে অক্সিজেন নির্গত হয়। এ তৈরিকৃত খাদ্যের ওপর সমগ্র জীবজগৎ নির্ভর করে। কারণ একমাত্র সবুজ উদ্ভিদই খাদ্য তৈরিতে সক্ষম। উদ্ভিদ সালোকসংশ্লেষণের সময় অক্সিজেন তৈরি করে যা প্রকৃতপক্ষে ক্লোরোফিল তথা ক্লোরোপ্লাস্টেরই অবদান। সালোকসংশ্লেষণের সময় উদ্ভিদ পরিবেশ থেকে কার্বন ডাই-অক্সাইড গ্রহণ করে এবং অক্সিজেন ত্যাগ করে। ফলে পরিবেশে গ্যাসীয় ভারসাম্য রক্ষা পায়।

সুতরাং, উপরের সংক্ষিপ্ত আলোচনা থেকে বুঝা যায় যে, জীবজগতের সকল জীবকে পরোক্ষভাবে বাঁচিয়ে রেখেছে চিত্রের N চিহ্নিত অঙ্গাণুটি অর্থাৎ ক্লোরোপ্লাস্ট। আর এ কারণেই জীবজগতের জন্য N চিহ্নিত অঙ্গাণুটি গুরুত্বপূর্ণ।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
1.5k
উত্তরঃ

চিত্রের M চিহ্নিত অংশটি হলো সেন্ট্রিওল। এ কোষ অঙ্গাণুটি সাধারণত প্রাণিকোষে দেখা যায়, তবে নিম্নশ্রেণির উদ্ভিদকোষে যেমন- ছত্রাক কোষে অনেক সময় দেখা যায়। জীবকোষে এ অঙ্গাণুটি বিশেষ গুরুত্ব বহন করে।
অঙ্গাণুটির অনুপস্থিতিতে জীবের কোষ বিভাজন বিঘ্নিত হবে। ফলে জীবদেহের গঠন ও বিকাশ সঠিকভাবে ঘটবে না। এতে জীবের বাহ্যিক ও অভ্যন্তরীণ গঠনে অস্বাভাবিকতা দেখা দিবে। অঙ্গাণুটির অনুপস্থিতিতে ক্রোমোজোমের গঠনও ঠিকভাবে হবে না। ক্রোমোজোম বংশগতির বৈশিষ্ট্যের ধারক ও বাহক। সুতরাং ক্রোমোজোমের গঠন ঠিকভাবে না হলে জীবের সঠিক বৈশিষ্ট্য এক বংশধর থেকে আরেক বংশধরে স্থানান্তরিত হবে না। ফলে নতুন প্রজন্মে বৈশিষ্ট্যের ভিন্নতা দেখা দিবে। নতুন বৈশিষ্ট্য অনেক সময় জীবদেহে জটিল রোগ সৃষ্টি করে থাকে। এ অঙ্গাণুটির উপস্থিতি জীবের প্রজননে বিশেষ সাহায্য করে। কেননা সেন্ট্রিওল শুক্রাণুর লেজ গঠনে বিশেষ অবদান রাখে। তাই এর অনুপস্থিতিতে শুক্রাণুর লেজ গঠিত না হলে যৌন জননের সময় শুক্রাণু সাঁতার কেটে ডিম্বাণুর নিকট পৌছাতে পারবে না, এতে শুক্রাণু ও ডিম্বাণুর মিলন ঘটবে না। ফলে জাইগোট তৈরি হবে না। এতে জীব তার সন্তান জন্ম দিতে পারবে না।
সুতরাং, চিত্রে M চিহ্নিত অংশটি অর্থাৎ সেন্ট্রিওলের অনুপস্থিতিতে জীবদেহে উল্লিখিত সমস্যাগুলো দেখা দিতে পারে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
1.3k
উত্তরঃ

ভূণীয় মেসোর্ডাম থেকে তৈরি সংকোচন-প্রসারণশীল বিশেষ ধরনের টিস্যুই পেশি টিস্যু।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
545
উত্তরঃ

দেহের অভ্যন্তরীণ কাঠামো গঠনকারী টিস্যুকে বলা হয় স্কেলিটাল টিস্যু। স্কেলিটাল টিস্যু বিভিন্ন ধরনের অস্থি তৈরির মাধ্যমে দেহের কাঠামো গঠন ও দেহের বিভিন্ন 'গুরুত্বপূর্ণ অংশকে রক্ষা করে থাকে। যেমন- মস্তিষ্ককে রক্ষা করে করোটিকা। স্কেলিটাল টিস্যু করোটিকার অস্থি গঠন ও মস্তিষ্কের চারিদিকে সুশৃঙ্খলভাবে বিন্যস্ত থেকে মস্তিষ্ককে রক্ষা করে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
1.3k
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র
মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews