সংক্ষিপ্ত প্রশ্ন ও সমাধান

Updated: 5 months ago
উত্তরঃ

ইলিয়ামেই সাধারণত পরিপাককৃত খাদ্য ব্যাপন পদ্ধতিতে শোষিত হয়। অর্থাৎ ইলিয়াম হলো ক্ষুদ্রান্ত্রের শেষ অংশ। ইলিয়ামের প্রাচীরে শোষণ অঞ্চল থাকে। ব্যাপন পদ্ধতিতে শোষণকার্য সমাধার জন্য প্রাচীরগাত্রে আঙুলের মতো প্রক্ষেপিত অংশ থাকে। এদের ভিলাই (ভিলাস) বলে। হজমের পর খাদ্যের সারাংশ ভিলাসগাত্র দ্বারা শোষিত হয়।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
8 months ago
উত্তরঃ

দাঁত মানুষের একটি প্রয়োজনীয় অঙ্গ। বিভিন্ন প্রকার খাদ্যদ্রব্য কর্তন, চর্বণ ও পেষণে দাঁতের ভূমিকাই মুখ্য। তাছাড়া সুস্থ ও সবল জীবনযাপনের জন্য দাঁত পরিষ্কার রাখা অত্যন্ত প্রয়োজন। দাঁত অপরিষ্কার থাকলে অর্থাৎ দাঁত ব্রাশ না করলে দাঁতের ফাঁকে খাবারের কণা আটকে তা পচে মুখে দুর্গন্ধ হয়। এছাড়া এ থেকে দাঁতের ক্ষয়রোগ হয়। আবার দাঁতের ফাঁকের পচনকৃত খাদ্য অন্যান্য খাদ্যের সাথে পেটে যায়, ফলে বিভিন্ন রকম পেটের পীড়া দেখা দেয়। এ কারণে প্রতিবার খাবারের পর দাঁত পরিষ্কার করা প্রয়োজন।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
8 months ago
উত্তরঃ

খাদ্য অন্ননালির ভেতর দিয়ে সামনের দিকে অগ্রসর হয়। অন্ননালিতে আংটির মতো গোল পেশি রয়েছে। এ পেশিগুলো সংকোচন ও প্রসারণ করতে পারে। খাদ্য বস্তুর পেছনে অন্ননালির পেশি সংকুচিত হয় এবং সামনে অন্ননালির পেশি প্রসারিত হয়। অন্ননালির এরূপ সংকোচন ও প্রসারণকে ক্রমসংকোচন বলে। এভাবে সংকোচন ও প্রসারণের ফলে খাদ্যবস্তু অন্ননালির ভেতর দিয়ে গলবিল হয়ে পাকস্থলিতে পৌঁছায়।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
8 months ago
উত্তরঃ

আমার দেহে রক্তকণিকার প্রয়োজনীয়তা অপরিসীম। রক্তে তিন ধরনের কণিকা রয়েছে। এগুলো আমাদের দেহে যেসব কাজ করে নিচে তা ব্যাখ্যা করা হলো-
১. লোহিত রক্তকণিকা: অক্সিজেন পরিবহন এবং আংশিকভাবে কার্বন ডাইঅক্সাইড পরিবহন করে।
২. শ্বেত রক্তকণিকা: দেহে রোগ জীবাণু প্রবেশ করলে শ্বেত রক্তকণিকা সেগুলোকে ধ্বংস করে। শ্বেত রক্তকণিকা দেহে প্রহরীর মতো কাজ করে। তাই এদের সৈনিকের সাথে তুলনা করা হয়।
৩. অণুচক্রিকা : দেহের কোনো অংশ কেটে রক্তপাত ঘটলে অণুচক্রিকা রক্ত জমাট বাঁধতে সাহায্য করে। রক্তকণিকাগুলো যদি আমার দেহে অনুপস্থিত থাকে তাহলে আমার পক্ষে সুস্থ থাকা অসম্ভব। তাই উক্ত রক্তকণিকাগুলো আমার দেহে অত্যন্ত প্রয়োজনীয়।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
8 months ago
উত্তরঃ

আমাদের দেহে তিন ধরনের রক্তনালি আছে। এরা আমাদের দেহে যেসব কাজ করে তা নিম্নরূপ-
১. ধমনি : ধমনি অক্সিজেন সমৃদ্ধ রক্ত পরিবহন করে।
২. শিরা : কিছু ব্যতিক্রম ছাড়া শিরা সাধারণত কার্বন ডাইঅক্সাইড সমৃদ্ধ রক্ত বহন করে।
৩. কৈশিক নালি: কৈশিক নালি দেহকোষের মাঝে খাদ্য সার ও বর্জ্য পদার্থের বিনিময় করে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
8 months ago
উত্তরঃ

খাদ্য হলো সেই সমস্ত পদার্থ যা আমাদের শরীরের প্রয়োজনীয় শক্তি ও পুষ্টি সরবরাহ করে। এটি আমাদের শারীরিক বৃদ্ধির জন্য, জীবন ধারণের জন্য এবং শারীরিক কার্যক্রমের জন্য অপরিহার্য।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
8 months ago
উত্তরঃ

আমরা যে খাদ্য গ্রহণ করি তাদের অধিকাংশই জটিল খাদ্য। এই জটিল খাদ্যদ্রব্যকে আমাদের শরীর শোষণ করে সরাসরি কাজে লাগাতে পারে না। অর্থাৎ যে শারীরবৃত্তীয় প্রক্রিয়ায় জটিল, অদ্রবণীয় খাদ্যবস্তু নির্দিষ্ট এনজাইমের সহায়তায় দেহের গ্রহণ উপযোগী দ্রবণীয় সরল ও তরল খাদ্য উপাদানে পরিণত হয় সেই প্রক্রিয়াই হলো পরিপাক।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
8 months ago
উত্তরঃ

যে তন্ত্র পরিপাকে অংশ নেয় তাকে পরিপাক তন্ত্র বলে। পরিপাকতন্ত্রের অংশগুলোর নাম নিম্নরূপ-

১. মুখছিদ্র,
২. মুখগহ্বর,
৩. গলবিল,
৪. অন্ননালি
৫. পাকস্থলি
৬. ক্ষুদ্রান্ত্র,
৭. বৃহদন্ত্র ও
৮. মলদ্বার বা পায়ু।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
8 months ago
উত্তরঃ

খাদ্য উপাদান প্রধানত ছয়টি। তার মধ্যে প্রধান তিন শ্রেণির। খাদ্য উপাদান হলো-
১. শর্করা বা কার্বোহাইড্রেট ভাত, আলু, রুটি ইত্যাদি।
২. আমিষ বা প্রোটিন মাছ, মাংস, দুধ ইত্যাদি।
৩. স্নেহ বা চর্বি বা লিপিড ঘি, মাখন, তেল ইত্যাদি।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
8 months ago
উত্তরঃ

ভিটামিন ও খনিজ লবণ শরীরের নানা ধরনের প্রক্রিয়া যেমন-শক্তি উৎপাদন, রোগ প্রতিরোধ, ত্বক ও হাড়ের সুস্থতা বজায় রাখা এবং কোষের বৃদ্ধি এবং পুণর্গঠন রক্ষা করতে সাহায্য করে। এজন্য ভিটামিন ও খনিজ লবণ শরীরের জন্য অতি প্রয়োজন।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
8 months ago
উত্তরঃ

হজম হয় না এমন আঁশযুক্ত খাবারের প্রয়োজনীয়তা অনেক গুরুত্বপূর্ণ। আঁশ মূলত দুই ধরনের হয় দ্রবণীয় এবং অদ্রবনীয়। এই আঁশ গুলি হজম প্রক্রিয়ায় সাহায্য করে, অন্ত্রের স্বাস্থ্য বাজায় রাখে, কোষ্ঠকাঠিন্য প্রতিরোধ করে এবং পরিপাক ব্যবস্থার সঠিক কার্যক্রমে সহায়তা করে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
8 months ago
উত্তরঃ

আঁশ জাতীয় খাবার যেসব খাদ্যে পাওয়া যায় সেগুলো হলো-শস্য, শাকসবজি (গাজর, মটরশুঁটি, ফুলকপি, পালংশাক, ডাঁটা), ফলমূল (আপেল, কলা, কমলা, পেয়ারা), ডাল ও বাদাম (মটর, মুগ ডাল, চিনি, বাদাম) বীজ (চিয়া সিড, তিল) ইত্যাদি।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
8 months ago
উত্তরঃ

লালা হলো এক প্রকার বর্ণহীন তরল পদার্থ। মুখের পিছনে অবস্থিত লালাগ্রন্থি থেকে লালা নিঃসৃত হয়। লালা মুখগহ্বরকে ভিজা রাখে, খাদ্য বস্তুকে পিচ্ছিল করে এবং গিলতে সাহায্য করে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
8 months ago
উত্তরঃ

লালার দুটি কাজ হলো-
১. লালা খাদ্যবস্তুকে পিচ্ছিল করে ও গিলতে সাহায্য করে।
২. লালায় এক ধরনের এনজাইম থাকে, টায়লিন শর্করা জাতীয় খাদ্যকে পরিপাকে সাহায্য করে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
8 months ago
উত্তরঃ

এনজাইমের দুটি বৈশিষ্ট্য হলো-
১. এটি এমন একটি বস্তু, যা খাদ্যবস্তুর সাথে মিশে রাসায়নিক ক্রিয়ায় সাহায্য করে, কিন্তু ক্রিয়া, বিক্রিয়া শেষে নিজে অপরিবর্তিত থাকে।
২. নির্দিষ্ট তাপমাত্রা পর্যন্ত এনজাইম ভাল কাজ করে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
8 months ago
উত্তরঃ

যেসব গ্রন্থির রস খাদ্য পরিপাকে অংশ নেয় তাদেরকে পরিপাক গ্রন্থি বা পৌষ্টিক গ্রন্থি বলে। মানবদেহে তিন ধরনের পৌষ্টিক গ্রন্থি দেখা যায়। যথা- ১. লালাগ্রন্থি, ২. যকৃৎ এবং ৩. অগ্ন্যাশয়।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
8 months ago
উত্তরঃ

মানুষের স্থায়ী দাঁতের সংখ্যা ৩২টি। প্রতি চোয়ালে ১৬টি করে থাকে। মানুষের স্থায়ী দাঁত চার ধরনের। সেগুলো হচ্ছে-
১. কর্তন দাঁত (Incisor) – ৮টি।
২. ছেদন দাঁত (Canine) – ৪টি।
৩. অগ্রপেষণ দাঁত (Premolar) – ৮টি।
৪. পেষণ দাঁত (Molar) – ৮টি। -
এ ছাড়া অন্যান্য দাঁতের অনেক পরে গজায় আক্কেল দাঁত যা পেষণ দাঁত নামে পরিচিত – ৪টি।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
8 months ago
উত্তরঃ

ক্ষুদ্রান্ত্র হলো পাকস্থলির পরবর্তী অংশ, এটা পরিপাক নালির সবচেয়ে দীর্ঘ অংশ। ক্ষুদ্রান্ত্র তিনটি ভাগে বিভক্ত। যথা-
১. ডিওডেনাম
২. জেজুনাম ও
৩. ইলিয়াম।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
8 months ago
উত্তরঃ

পরিপাক নালির 'ঢ' আকৃতির অংশটি হলো ক্ষুদ্রান্ত্রের প্রথম অংশ ডিওডেনাম। পিত্তথলি থেকে পিওরস এবং অগ্ন্যাশয় থেকে অগ্ন্যাশয় রস নালির মাধ্যমে ডিওডেনামে এসে খাদ্যের সাথে মিশে। এ রসগুলোও পরিপাকে অংশ নেয়। এখানে শর্করা, আমিষ ও স্নেহ পদার্থের পরিপাক ঘটে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
8 months ago
উত্তরঃ

ক্ষুদ্রান্ত্রের অন্তঃপ্রাচীরে আঙ্গুলের মতো প্রক্ষেপিত অংশ থাকে। এদের ভিলাই বা ভিলাস রলে। ভিলাইয়ের মূল কাজ হলো খাদ্য পদার্থের পুষ্টি উপাদান (যেমন- প্রোটিন, শর্করা, ভিটামিন, মিনারেল ইত্যাদি) রক্তে শোষণ করা।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
8 months ago
উত্তরঃ

ক্ষুদ্রান্ত্রের পরেই বৃহদন্ত্রের অবস্থান। বৃহদন্ত্র তিনটি অংশে বিভক্ত। যথা- ১. সিকাম ২. কোলন এবং ৩. মলাশয়। মলাশয় বৃহদন্ত্রের শেষ প্রান্ত। দেখতে অনেকটা থলির মতো। খাদ্যের অপাচ্য বা অহজমকৃত অংশ এখানে মলরূপে জমা হয়।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
8 months ago
উত্তরঃ

মানবদেহের সবচেয়ে বড় গ্রন্থি হলো যকৃৎ। যকৃৎ থেকে পিওরস তৈরি হয়। পিওরস পিওথলিতে জমা থাকে। হজমের সময় পিওনালি দিয়ে পিওরস ডিওডেনামে এসে খাদ্যের সঙ্গে মিশে। পিওরস স্নেহ জাতীয় খাদ্য হজমে সাহায্য করে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
8 months ago
উত্তরঃ

বৃহদন্ত্রে খাদ্য হজম হয় না কারণ এখানে কোনো জারক রস বা এনজাইম তৈরি হয় না। বৃহদন্ত্র মূলত খাদ্যের জলীয় অংশ থেকে পানি শোষণ করে। বৃহদন্ত্রে E. coli নামক ব্যাকটেরিয়া আঁশ জাতীয় খাদ্যের গাঁজন ঘটায়।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
8 months ago
উত্তরঃ

অ্যামিবিক আমাশয়ের দুটি লক্ষণ হলো-
১. তলপেটে ব্যথা হওয়া ও
২. মলের সাথে রক্ত বা শ্লেষ্মা বের হওয়া।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
8 months ago
উত্তরঃ

কোষ্ঠকাঠিন্য প্রকৃতপক্ষে কোনো রোগ নয়। বিভিন্ন কারণে কোষ্ঠকাঠিন্য হতে পারে। যেমন- পৌষ্টিক নালির মধ্যদিয়ে খাদ্যবস্তুর চলন ধীর হওয়া, কাঁচা ফলমূল ও শাকসবজি না খাওয়া, পায়খানার বেগ পেলে সঙ্গে সঙ্গে পায়খানায় না বসা ইত্যাদি।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
8 months ago
উত্তরঃ

রক্তের চারটি বৈশিষ্ট্য হলো-
১. রক্ত ঘন লাল বর্ণের তরল পদার্থ।
২. এটি এক ধরনের তরল যোজক কলা।
৩. রক্তের স্বাদ লবণাক্ত।
৪. এরা ক্ষারধর্মী।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
8 months ago
উত্তরঃ

লোহিত রক্তকণিকার দুটি বৈশিস্ট্য হলো-
১. লোহিত রক্তকণিকা উভঅবতল।
২. চাকতির মতো গোলাকার কোষ।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
8 months ago
উত্তরঃ

লোহিত রক্তকণিকায় এক ধরনের রঞ্জক পদার্থ থাকে যার নাম হিমোগ্লোবিন। হিমোগ্লোবিনের কারণে রক্তের রং লাল দেখায়। হিমোগ্লোবিনের সাথে অক্সিজেন যুক্ত হয়ে অস্থায়ী যৌগ অক্সিহিমোগ্লোবিন তৈরি হয়, যা শরীরের সমস্ত অংশে অক্সিজেন পরিবহণে সহায়তা করে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
8 months ago
উত্তরঃ

অণুচক্রিকার চারটি বৈশিষ্ট্য হলো-
১. অণুচক্রিকা দেখতে গোলাকার বা বৃত্তের মতো।
২. আকারে ছোট হয়।
৩. নিউক্লিয়াস থাকে না।
৪. এরা গুচ্ছাকারে থাকে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
8 months ago
উত্তরঃ

যে নালির মধ্য দিয়ে রক্ত প্রবাহিত হয়, তাকে রক্তনালি বলে। আমাদের দেহে তিন ধরনের রক্তনালি আছে। যথা- ১. ধমনি, ২. শিরা এবং ৩. কৈশিক্‌নালি।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
8 months ago
উত্তরঃ

ধমনি ও শিরার মধ্যে চারটি পার্থক্য হলো-

ধমনিশিরা
১. ধমনির প্রাচীর পুরু।১. শিরার প্রাচীর পাতলা।
২. ধমনির গহ্বর ছোট।২. শিরার গহ্বর বড়।
৩. কপাটিকা নাই।৩. কপাটিকা আছে।
৪. ধমনি অক্সিজেন সমৃদ্ধ রক্ত পরিবহণ করে।৪. শিরা কার্বন ডাইঅক্সাইড যুক্ত রক্ত পরিবহণ করে।
Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
8 months ago
উত্তরঃ

ধমনি : যেসকল রক্তবাহী নালি হৃৎপিণ্ড থেকে উৎপন্ন হয়ে দেহের বিভিন্ন অঙ্গে রক্ত বহন করে, তাকে ধমনি বলে। এরা দেহের ভিতরের দিকে অবস্থিত।
শিরা : যেসকল রক্তবাহী নালি দ্বারা দেহের বিভিন্ন অংশ থেকে রক্ত হৃৎপিণ্ডে ফিরে আসে তাকে শিরা বলে। এরা দেহের উপরিভাগে অবস্থিত।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
8 months ago
উত্তরঃ

ধমনি ক্রমান্বয়ে শাখা প্রশাখায় বিভক্ত হয়ে শেষ পর্যন্ত অতিসূক্ষ্ম নালি তৈরি করে। এই সকল সূক্ষ্মনালিকে কৈশিক নালি বা কৈশিক জালিকা বলে। কৈশিক নালি থেকে শিরার উৎপত্তি হয়।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
8 months ago
উত্তরঃ

হৃৎপিণ্ড বক্ষ গহ্বরের বাম দিকে দুই ফুসফুসের মাঝখানে অবস্থিত একটি মোচাকৃতির অঙ্গ। এটা পেরিকার্ডিয়াম নামে দুই স্তরবিশিস্ট একটি পাতলা পর্দা দ্বারা আবৃত। হৃৎপিণ্ড হৃৎপেশি দ্বারা গঠিত।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
8 months ago
উত্তরঃ

হৃৎপিণ্ড তিন স্তরে গঠিত। যথা-
১. এপিকার্ডিয়াম বা বাইরের স্তর।
২. মায়োকার্ডিয়াম বা মাঝের স্তর এবং
৩. এন্ডোকার্ডিয়াম বা ভিতরের স্তর।
এদের মধ্যে মায়োকার্ডিয়ামই সবচেয়ে পুরু এবং এর সংকোচনের কারণে হৃৎপিন্ড পাম্প করে রক্ত সঞ্চালন করে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
8 months ago
উত্তরঃ

হৃৎপিণ্ড একটি চার প্রকোষ্ঠবিশিষ্ট ফাঁপা অঙ্গ। এর উপরের দুটি প্রকোষ্ঠ হলো বাম অলিন্দ ও ডান অলিন্দ এবং নিচের দুটি প্রকোষ্ঠ হলো বাম নিলয় ও ডান নিলয়। অলিন্দের প্রাচীর পাতলা এবং নিলয়ের প্রাচীর পুরু থাকে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
8 months ago
উত্তরঃ

বাম অলিন্দে অক্সিজেন সমৃদ্ধ রক্ত থাকে এবং এটি শরীরের বিভিন্ন অংশে রক্ত সরবরাহ করতে সাহায্য করে। অপরদিকে ডান অলিন্দে অক্সিজেনবিহীন রক্ত থাকে, যা ফুসফুসে ফিরে যায়।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
8 months ago
উত্তরঃ

ফুসফুসীয় ধমনি বা পালমোনারি ধমনি রক্তকে ডান নিলয় থেকে ফুসফুসে নিয়ে যায়, যেখানে রক্তে অক্সিজেন যোগ হয়।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
8 months ago
উত্তরঃ

হৃদরোগের কারণ উল্লেখ করা হলো-
১. অধিক তেল ও চর্বিযুক্ত খাবার গ্রহণ করা।
২. সুষম খাদ্য গ্রহণ না করা।
৩. ধূমপান করা।
৪. অতিরিক্ত পরিশ্রম করা।
৫. খেলা, হাঁটাচলা, ব্যায়াম বা কোনো রকম শারীরিক পরিশ্রম না করা।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
8 months ago
উত্তরঃ

বিভিন্ন উপায়ে হৃদরোগের আক্রমণ থেকে রক্ষা পাওয়া যায়। যেমন-
১. অধিক শর্করা ও চর্বিযুক্ত খাবার না খাওয়া।
২. নিয়মিত সুষম খাদ্য গ্রহণ করা।
৩. ধূমপান ত্যাগ করা।
৪. দেহের ওজন বাড়তে না দেওয়া।
৫. শারীরিক পরিশ্রম যেমন- খেলাধুলা, হাঁটাচলা, ব্যায়াম করার অভ্যাস গড়ে তোলা।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
8 months ago
উত্তরঃ

রক্তের চারটি কাজ উল্লেখ করা হলো-
১. খাদ্য পরিবহণ করে।
২. অক্সিজেন পরিবহণ করে।
৩. কার্বন ডাইঅক্সাইড পরিবহণ করে।
৪. বর্জ্য পদার্থ নিষ্কাশনে সহায়তা করে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
8 months ago
উত্তরঃ

ফুসফুসীয় শিরা: যে শিরার মধ্যে দিয়ে অক্সিজেন সমৃদ্ধ রক্ত পরিবাহিত হয় তাকে ফুসফুসীয় শিরা বলে। এটি একটি ব্যতিক্রমধর্মী শিরা।
ফুসফুসীয় ধমনি : যে ধমনির মধ্যে দিয়ে কার্বন ডাইঅক্সাইড যুক্ত রক্ত পরিবাহিত হয় তাকে ফুসফুসীয় ধমনি বলে। এটি একটি ব্যতিক্রমধর্মী ধমনি।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
8 months ago
উত্তরঃ

লালা এক প্রকার বর্ণহীন তরল পদার্থ।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
8 months ago
উত্তরঃ

লালা গ্রন্থি থেকে ক্ষরিত লালায় উপস্থিত এনজাইম হলো টায়ালিন।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
8 months ago
উত্তরঃ

মুখের পেছনে অবস্থিত লালাগ্রন্থি থেকে নিঃসৃত লালা খাদ্যবস্তুকে পিচ্ছিল করে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
8 months ago
উত্তরঃ

যে তন্ত্র পরিপাকে অংশ নেয় তাকে পরিপাকতন্ত্র বলে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
8 months ago
উত্তরঃ

ক্ষুদ্রান্ত্রের ডিওডেনাম ও ইলিয়ামের মাঝে অবস্থিত অংশটিই জেজুনাম।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
8 months ago
উত্তরঃ

ইলিয়াম হলো ক্ষুদ্রান্ত্রের সর্বশেষ অংশ।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
8 months ago
উত্তরঃ

মানুষের স্থায়ী দাঁতের সংখ্যা ৩২টি।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
8 months ago
উত্তরঃ

যকৃৎ থেকে পিত্তরস তৈরি হয়।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
8 months ago
উত্তরঃ

রক্ত এক ধরনের তরল যোজক কলা যা ঘন লাল রঙের।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
8 months ago
উত্তরঃ

রক্তের উপাদান ২টি।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
8 months ago
উত্তরঃ

লোহিত কণিকায় হিমোগ্লোবিন নামক রঞ্জক পদার্থ থাকে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
8 months ago
উত্তরঃ

যে সকল রক্তবাহী নালি হৃৎপিণ্ড থেকে উৎপন্ন হয়ে দেহের বিভিন্ন অঙ্গে রক্ত বহন করে তাই ধমনি।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
8 months ago
উত্তরঃ

মহাশিরা বা মহাধমনি হলো প্রধান ধমনি যা বাম নিলয় থেকে বের হয়ে শরীরের বিভিন্ন অংশে রক্ত সরবরাহ করে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
8 months ago
উত্তরঃ

যে সকল রক্তনালি দ্বারা দেহের বিভিন্ন অংশ থেকে রক্ত হৃৎপিণ্ডে ফিরে আসে তাকে শিরা বলে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
8 months ago
উত্তরঃ

খাদ্য গ্রহণ করার পর দেহের ভিতর থেকে নিঃসৃত বিভিন্ন এনজাইমের ক্রিয়া শুরু হয়ে যায়। এনজাইম প্রথমে খাদ্যবস্তুর সাথে মিশে এবং পরিপাক শুরু করে। এসব ক্ষেত্রে এরা প্রভাবক হিসেবে কাজ করে এবং বিক্রিয়ার গতিকে ত্বরান্বিত করে। এতে করে গৃহীত জটিল খাদ্যদ্রব্য ভেঙে সরল হয় এবং পরিপাকের উপযোগী হয়ে উঠে। এভাবে এনজাইম খাদ্য পরিপাকের সময় কাজ করে থাকে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
8 months ago
উত্তরঃ

মুখগহ্বরের পরেই গলবিলের অবস্থান। গলবিলের মাধ্যমেই খাদ্যবস্তু মুখগহ্বর থেকে অন্ননালি বা গ্রাসনালিতে যায়। গলবিলে কোনো এনজাইম নিঃসৃত হয় না। একারণেই গলবিলে কোনো খাদ্য পরিপাক হয় না।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
8 months ago
উত্তরঃ

ডিওডেনামের ভূমিকা নিচে ব্যাখ্যা করা হলো-
এটা ক্ষুদ্রান্ত্রের প্রথম অংশ। পাকস্থলির পরের অংশ, দেখতে 'ট' আকৃতির। পিত্তথলি থেকে পিত্তরস এবং অগ্ন্যাশয় থেকে অগ্ন্যাশয় রস নালীর মাধ্যমে এখানে এসে খাদ্যের সাথে মিশে। এ রসগুলোও পরিপাকে অংশ নেয়। এখানে আমিষ, শর্করা ও স্নেহ পদার্থের পরিপাক ঘটে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
8 months ago
উত্তরঃ

অগ্ন্যাশয় থেকে নিঃসৃত এনজাইমসমূহের নাম ও কাজ নিম্নরূপ-

এনজাইমের নামকাজ
ট্রিপসিন ও কাইমোট্রিপসিনআমিষ খাদ্য হজমে সাহায্য করে।
অ্যামাইলেজশর্করা জাতীয় খাদ্য হজমে সাহায্য করে।
লাইপেজস্নেহ জাতীয় খাদ্য হজমে সাহায্য করে।
Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
8 months ago
উত্তরঃ

নিম্নলিখিত উপায়ে আমাশয় রোগ প্রতিরোধ করা যায়-
১. নলকূপের পানি বা ফুটানো পানি পান করে।
২. পানি ও শাকসবজি যাতে দূষিত না হয় সেদিকে খেয়াল রাখা।
৩. মাছি, আরশোলা থেকে খাদ্যবস্তু রক্ষা করার মাধ্যমে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
8 months ago
উত্তরঃ

সিগেলা নামক এক ধরনের ব্যাকটেরিয়া অন্ত্রকে আক্রমণ করলে ব্যাসিলারি আমাশয় হয়। ফলে বারবার পায়খানা হয় এবং পায়খানার সাথে শ্লেষ্মা বের হয়। অনেক সময় এর সাথে রক্তও যায়। এ কারণে এ রোগকে রক্ত আমাশয় বলে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
8 months ago
উত্তরঃ

কোষ্ঠকাঠিন্যের কারণ হলো পৌস্টিক নালির মধ্য দিয়ে খাদ্যবস্তুর চলন ধীর হওয়া। কাঁচা ফলমূল ও শাকসবজি না খাওয়া, পায়খানার বেগ পেলে সঙ্গে সঙ্গে পায়খানায় না বসা ইত্যাদি।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
8 months ago
উত্তরঃ

যে তন্ত্র পরিপাকে অংশ নেয় তাকে পরিপাকতন্ত্র বলে। পরিপাকতন্ত্রের যত্ন নেওয়া আমাদের উচিত কারণ আমরা যদি পরিপাকতন্ত্রের যত্ন না নেই তাহলে আমাদের অনেক রোগ দেখা দিতে পারে। যেমন- কোষ্ঠকাঠিন্য, ব্যাসিলারি আমাশয় ইত্যাদি। তাই পরিপাকতন্ত্রের যত্ন নেওয়া অতীব জরুরি।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
8 months ago
উত্তরঃ

রক্তরস রক্তের তরল অংশ। সাধারণত রক্তের শতকরা ৫৫ ভাগ রক্তরস। এতে আমিষ, লবণ ও অন্ত্র থেকে শোষিত খাদ্য উপাদান থাকে। রক্তরসে রক্তকণিকা ভাসমান অবস্থায় থাকে। এতে ফাইব্রিনোজেন নামে একটি উপাদান থাকে যা রক্ত জমাট বাঁধাতে সাহায্য করে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
8 months ago
উত্তরঃ

দেহে কোনো রোগ-জীবাণু প্রবেশ করলে শ্বেত রক্তকণিকা সেগুলোকে ধ্বংস করে এবং শ্বেত রক্তকণিকা দেহের প্রহরীর মতো কাজ' করে। এ কারণেই শ্বেত রক্তকণিকাকে সৈনিকের সাথে তুলনা করা হয়।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
8 months ago
উত্তরঃ

শ্বেত রক্তকণিকা লোহিত রক্তকণিকার চেয়ে আকারে কিছুটা বড় ও অনিয়মিত আকারের হয়। এদের নিউক্লিয়াস আছে। প্লীহা ও অস্থিমজ্জায় এদের জন্ম। দেহে কোনো রোগ-জীবাণু প্রবেশ করলে শ্বেত রক্তকণিকা সেগুলোকে ধ্বংস করে ফেলে। এ কারণেই শ্বেত রক্তকণিকাকে দেহের প্রহরী বলা হয়।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
8 months ago
উত্তরঃ

মানুষের রক্তে লোহিত কণিকার পরিমাণ শতকরা ৪৫ ভাগ এবং লোহিত রক্তকণিকায় হিমোগ্লোবিন নামক এক ধরনের লৌহ জাতীয় রঞ্জক পদার্থ থাকে। রক্তকণিকায় হিমোগ্লোবিনের উপস্থিতির কারণেই রক্তের রং লাল হয়।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
8 months ago
উত্তরঃ

অণুচক্রিকা দেখতে গোলাকার ও বৃত্তের মতো। এরা লোহিত রক্তকণিকার চেয়ে আকারে ছোট হয় ও নিউক্লিয়াস থাকে না। এরা গুচ্ছাকারে থাকে। অর্থাৎ দেহের কোনো অংশ কেটে গেলে রক্তপাত ঘটলে অণুচক্রিকা রক্ত জমাট বাঁধতে সাহায্য করে বলেই অণুচক্রিকাকে প্লেটলেট বলে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
8 months ago
105

আমরা যে খাদ্য গ্রহণ করি তাদের অধিকাংশই জটিল খাদ্য। এই জটিল খাদ্যদ্রব্যকে আমাদের শরীর শোষণ করে সরাসরি কাজে লাগাতে পারে না। শারীরবৃত্তীয় প্রক্রিয়ায় জটিল, অদ্রবণীয় খাদ্যবস্তু নির্দিষ্ট এনজাইমের সহায়তায় দেহের গ্রহণ উপযোগী দ্রবণীয় সরল ও তরল খাদ্য উপাদানে পরিণত হওয়ার প্রক্রিয়াকে পরিপাক বলে। যে তন্ত্র পরিপাকে অংশ নেয় তাকে পৌষ্টিকতন্ত্র বা পরিপাক তন্ত্র বলে।

প্রাণিদেহের যাবতীয় জৈবনিক কাজের ক্ষুদ্রতম একক হলো কোষ। বেঁচে থাকার জন্য প্রতিটি কোষের প্রয়োজন অক্সিজেন ও খাদ্য। বিপাকের ফলে কিছু অপ্রয়োজনীয় ও ক্ষতিকর বসতু তৈরি হয় যেগুলো অপসারণ অত্যন্ত প্রয়োজনীয়। সুতরাং দেখা যাচ্ছে দেহের সকল অঙ্গপ্রত্যঙ্গ ও তন্ত্রের মধ্যে যোগাযোগ থাকা প্রয়োজন। রক্ত সংবহনতন্ত্র এই যোগাযোগের কাজটি করে থাকে।

এ অধ্যায় পাঠ শেষে আমরা -

  • প্রবাহ চিত্রের সাহায্যে পরিপাকতন্ত্রের প্রধান অংশের কাজ ব্যাখ্যা করতে পারব।
  • খাদ্য পরিপাকে এনজাইমের ভূমিকা ব্যাখ্যা করতে পারব।
  • পরিপাকতন্ত্রের কাজ ব্যাখ্যা করতে পারব।
  • পরিপাকতন্ত্রের রোগের কারণ ও রোগের লক্ষণ বর্ণনা করতে পারব।
  • পরিপাকতন্ত্রের রোগের প্রতিরোধ ও প্রতিকারের কৌশল ব্যাখ্যা করতে পারব।
  • পরিপাকতন্ত্রের রোগের বিষয়ে নিজে সচেতন হব এবং পরিবারের সকলকে সচেতন হতে উদ্বুদ্ধ করব।
  • পরিপাকতন্ত্রের প্রধান অংশের চিত্র অঙ্কন করতে পারব।
  • রক্ত ও রক্তকণিকার কার্যক্রম ব্যাখ্যা করতে পারব।
  • রক্ত সংবহনতন্ত্র ব্যাখ্যা করতে পারব।
  • হৃৎপিণ্ডের কাজ ব্যাখ্যা করতে পারব।
  • হৃৎপিন্ড সুস্থ রাখার উপায় ব্যাখ্যা করতে পারব।

Related Question

View All
উত্তরঃ

ক্ষুদ্রান্ত্রের অন্তঃপ্রাচীরে আঙুলের মতো যে প্রবর্ধক বা অভিক্ষেপ থাকে তাই ভিলাই।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
9 months ago
553
উত্তরঃ

খাওয়ার পর দাঁত ব্রাশ করা উচিত। কারণ, খাওয়ার পর ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র খাদ্য কণা দাঁতের ফাঁকে ফাঁকে আটকে থাকে। আটকে থাকা খাদ্যকণা পচে মুখে দুর্গন্ধ সৃষ্টি করে এবং দাঁতের ক্ষয় প্রাপ্তিতে সহায়তা করে। তাই এ ধরনের সমস্যা থেকে রক্ষা পেতে প্রতিবার খাওয়ার পর দাঁত ব্রাশ করা উচিত।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
9 months ago
225
উত্তরঃ

উদ্দীপকের চিত্রে Y-চিহ্নিত অংশটি হলো পাকস্থলি। নিচে পাকস্থলির কার্যকারিতা ব্যাখ্যা করা হলো-

অন্ননালি ও ক্ষুদ্রান্ত্রের মধ্যবর্তী স্থানে পাকস্থলির অবস্থান। এর আকৃতি থলের মতো। এর প্রাচীর বেশ পুরু ও পেশিবহুল, গলবিল ও অন্ননালির ক্রমসংকোচনের ফলে পিচ্ছিল খাদ্যবস্তু এখানে এসে জমা হয়। পাকস্থলি নিম্নরূপ কাজগুলো করে থাকে-

১. পাকস্থলিতে সাময়িকভাবে খাদ্যবস্তু জমা থাকে।
২. গ্যাস্ট্রিক গ্রন্থির হাইড্রোক্লোরিক এসিড দ্বারা খাদ্য জীবাণুমুক্ত হয়।
৩. পাকস্থলি গৃহীত খাদ্যবস্তুর সাথে গ্যাস্ট্রিক রসের মিশ্রণ ঘটিয়ে 'খাদ্যকে কাইমে পরিণত করে।
৪. গ্যাস্ট্রিক রসের সাহায্যে কিছু খাদ্যের আংশিক পরিপাক সম্পন্ন হয়।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
9 months ago
270
উত্তরঃ

উদ্দীপকের চিত্রে নির্দেশিত Z অংশটি হলো যকৃৎ। এটি মানবদেহের সবচেয়ে বড় গ্রন্থি। যকৃৎ মানবদেহে নানা কাজের জন্য গুরুত্বপূর্ণ। যেমন-

১. পরিপাক: যকৃৎ পিত্তরস ক্ষরণ করে। পিত্তের পিত্তলবণ ফ্যাটজাতীয় খাদ্যের পরিপাক ও শোষণে সাহায্য করে।
২. শর্করা বিপাক: যকৃতে প্রোটিন ও ফ্যাট থেকে শর্করা উৎপন্ন হয়।
৩. রক্ত সংক্রান্ত কার্যাবলি ভ্রূণ অবস্থায় যকৃতে লোহিত রক্তকণিকা সৃষ্টি হয় এবং পূর্ণাঙ্গ অবস্থায় লোহিত রক্তকণিকা ধ্বংস হয়।
৪. সঞ্চয়মূলক কাজ: যকৃতে গ্লাইকোজেন, ভিটামিন A ও D সঞ্চিত থাকে।
৫. রক্ষণমূলক কাজ: যকৃতে বিভিন্ন প্রকার অ্যান্টিবডি সৃষ্টি হয়।
৬. তাপ নিয়ন্ত্রণ: যকৃৎ রাসায়নিক ক্রিয়ায় উৎপন্ন তাপ শোষণ করে দেহের তাপ নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে।
৭. রেচন: যকৃৎ বিভিন্ন রকমের ধাতব পদার্থ, অপ্রয়োজনীয় ও অতিরিক্ত ওষুধ পিত্তের মাধ্যমে দেহের বাইরে নির্গত করে।

উপরের বর্ণনা থেকে বুঝা যায় যে, যকৃৎ মানবদেহের একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গাণু। যদি কোনো কারণে এ অঙ্গটি ক্ষতিগ্রস্ত হয় তাহলে উপরোক্ত কাজগুলো সম্পন্ন হতে ব্যাঘাত ঘটবে। এতে মানুষের মৃত্যু পর্যন্ত হতে পারে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
9 months ago
238
উত্তরঃ

হৃৎপিন্ড দুই স্তরবিশিষ্ট যে পাতলা পর্দা দ্বারা আবৃত থাকে তাই পেরিকার্ডিয়াম।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
9 months ago
272
উত্তরঃ

লাইপেজ হলো অগ্ন্যাশয় নিঃসৃত স্নেহ পদার্থ হজমকারী একপ্রকার উৎসেচক। অর্থাৎ এরা চর্বিজাতীয় খাদ্য পরিপাককারী বা লাইপোলাইটিক উৎসেচক। এটি চর্বিকে ভেঙে ফ্যাটি এসিড ও গ্লিসারলে পরিণত করে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
9 months ago
492
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র
মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews