সংক্ষিপ্ত প্রশ্ন

Updated: 7 months ago
উত্তরঃ

ঋণাত্মক

Affan Ahmed
Affan Ahmed
7 months ago
উত্তরঃ

ধনাত্মক

Affan Ahmed
Affan Ahmed
7 months ago
উত্তরঃ

1.6 × 10-19 C

Affan Ahmed
Affan Ahmed
7 months ago
উত্তরঃ

হাইড্রোজেন

Affan Ahmed
Affan Ahmed
7 months ago
উত্তরঃ

কুলম্ব

Affan Ahmed
Affan Ahmed
7 months ago
উত্তরঃ

তিন গুণ বৃদ্ধি পাবে

Affan Ahmed
Affan Ahmed
7 months ago
উত্তরঃ

=7.35×1022 kg

Affan Ahmed
Affan Ahmed
7 months ago
উত্তরঃ

9.11×10-31 Kg

Affan Ahmed
Affan Ahmed
7 months ago
উত্তরঃ

তড়িৎ তীব্রতা

Affan Ahmed
Affan Ahmed
7 months ago
উত্তরঃ

উচ্চ বিভব থেকে নিম্ন বিভবের দিকে

Affan Ahmed
Affan Ahmed
7 months ago
উত্তরঃ

নিম্ন বিভব থেকে উচ্চ বিভবের দিকে

Affan Ahmed
Affan Ahmed
7 months ago
উত্তরঃ

স্কেলার রাশি

Affan Ahmed
Affan Ahmed
7 months ago
উত্তরঃ

জুল

Affan Ahmed
Affan Ahmed
7 months ago
উত্তরঃ

1

Affan Ahmed
Affan Ahmed
7 months ago
উত্তরঃ

বিভব পার্থক্য

Affan Ahmed
Affan Ahmed
7 months ago
উত্তরঃ

শূন্য

Affan Ahmed
Affan Ahmed
7 months ago
উত্তরঃ

ইলেকট্রনিক যন্ত্রপাতিতে

Affan Ahmed
Affan Ahmed
7 months ago
উত্তরঃ

শব্দ

Affan Ahmed
Affan Ahmed
7 months ago
উত্তরঃ

চার্জের ক্ষুদ্রতম একটি মান আছে কিন্তু ভরের এরকম কোনো ক্ষুদ্রতম মান নেই। কোনো পদার্থের ক্ষুদ্রতম অংশ হচ্ছে এর পরমাণু। এক এক. পদার্থের পরমাণুর ভর এক এক। এ কারণে ভরের কোনো ক্ষুদ্রতম মান নেই।

Affan Ahmed
Affan Ahmed
7 months ago
উত্তরঃ

পরীক্ষণীয় বস্তুতে সৃষ্ট স্থির আধান অক্ষুণ্ণ থাকলেই কেবল স্থির বিদ্যুতের পরীক্ষাগুলো ঠিক করে কাজ করে। কিন্তু বর্ষাকালে বাতাসে প্রচুর জলীয় বাষ্প বিরাজ করায় বাষ্পের ক্ষুদ্রকণা পরীক্ষণীয় বস্তুর সংস্পর্শে এসে চার্জের আদান-প্রদান ঘটায়। তাই বর্ষাকালে স্থির বিদ্যুতের পরীক্ষাগুলো ঠিকমতো কাজ করে না।

Affan Ahmed
Affan Ahmed
7 months ago
উত্তরঃ

দুটি একই আকারের ধাতব গোলককে স্পর্শ না করে তাদের মাঝে সমান এবং বিপরীত চার্জ দেওয়া সম্ভর। এজন্য নিম্নের প্রক্রিয়াটি অনুসরণ করতে হবে।

১ম ধাপ: গোলক দুটিকে কোনো অপরিবাহী স্ট্যান্ডের উপর রেখে একে অপরকে স্পর্শ করাই। তারপর একটি ধনাত্মক চার্জকে A গোলকের পাশে আনি (যাতে স্পর্শ না করে)। এতে করে B গোলকের কিছু ইলেকট্রন আকর্ষিত হয়ে A গোলকে চলে যাবে। এতে করে B গোলকে ধনাত্মক চার্জ এবং A গোলকে ঋণাত্মক চার্জ সৃষ্টি হবে।
২য় ধাপ: এবার গোলক দুটিকে আলাদা করে ফেলি। এভাবে আর
ইলেকট্রনগুলো B গোলকে ফিরে আসতে পারবে না। ফলে B গোলক ধনাত্মক এবং A গোলকটি ঋণাত্মক চার্জে আহিত হয়ে থাকবে। যেহেতু, B গোলকের দানকৃত ইলেকট্রন সংখ্যার উপরেই কেবল চার্জের পরিমাণ নির্ভর করে, সেহেতু গোলক দুটিতে সমান চার্জ থাকবে। এভাবে দুটি একই আকারের ধাতব গোলককে স্পর্শ না করে তাদের মাঝে সমান এবং বিপরীত চার্জ দেওয়া সম্ভব।

Affan Ahmed
Affan Ahmed
7 months ago
উত্তরঃ

Capacitor-কে যদি একটা পাত্রের সাথে তুলনা করা হয় তাহলে বিভবকে ঐ পাত্রের ধারণকৃত পদার্থের উচ্চতার সাথে তুলনা করা যায়। কারণ, ধারকে অল্প চার্জে পাতদ্বয়ে বিভব পার্থক্য বেশি হলে ঐ ধারকের ধারকত্ব যেমন কম তেমনি পাত্রে অল্প পদার্থ সংযোজনে যদি পদার্থের উচ্চতা দ্রুত বৃদ্ধি পায় তবে ঐ পাত্রের ধারণ ক্ষমতা কম।

Affan Ahmed
Affan Ahmed
7 months ago
উত্তরঃ

প্রত্যেক পদার্থ ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র কণা দ্বারা গঠিত যা পরমাণু নামে পরিচিত। পরমাণু, ইলেকট্রন, প্রোটন ও নিউট্রন দ্বারা গঠিত। ইলেকট্রনের চার্জ ঋণাত্মক, প্রোটনের চার্জ ধনাত্মক এবং নিউট্রন চার্জ নিরপেক্ষ। আবার একটি পরমাণুতে ইলেকট্রন ও প্রোটন সংখ্যা সমান থাকে। ইলেকট্রন ও প্রোটনের চার্জ সমান বলে একটি সাধারণ পরমাণু তড়িৎ ধর্ম প্রকাশ করে না অর্থাৎ তড়িৎ নিরপেক্ষ থাকে। কিন্তু পরমাণুতে এদের সংখ্যা সমান না হলে পরমাণু তড়িৎগ্রস্ত হয় অর্থাৎ আহিত হয়। তাই কোনো কারণে পরমাণুর ইলেকট্রনের হ্রাস বৃদ্ধি ঘটলেই পরমাণু আহিত হয়।

Affan Ahmed
Affan Ahmed
7 months ago
উত্তরঃ

একটি কাচদন্ড ও একটি রেশমের কাপড়ের টুকরা সূর্যের কিরণে এমনভাবে শুকানো হলো যাতে এটি গরম হয়। এখন রেশমি কাপড়ের টুকরাটি দিয়ে কাচদণ্ডের একপ্রান্ত খুব ভালোভাবে ঘষা হলো। এবার ঘযা প্রান্তটি মুক্তভাবে ঝুলানো হালকা। শোল্ডার- বলের কাছে আনলে দেখা যাবে যে, শোলার বলটি কাচদণ্ডের দিকে সরে আসে। সুতরাং রেশমি কাপড় দিয়ে কাচদণ্ডটিকে ঘষার ফলে এটি শোলার বলকে আকর্ষণ করার ক্ষমতা লাভ করে। ঘর্ষণের ফলে উৎপন্ন হয় বলে একে অনেক সময় ঘর্ষ তড়িৎও বলে।

Affan Ahmed
Affan Ahmed
7 months ago
উত্তরঃ

একটি আহিত বস্তুর কছে এনে স্পর্শ না করে শুধুমাত্র এর উপস্থিতিতে কোনো অনাহিত বস্তুকে আহিত করার পদ্ধতিই তড়িৎ আবেশ।

Affan Ahmed
Affan Ahmed
7 months ago
উত্তরঃ

'যে আধান কোনো অনাহিত পরিবাহকে আবেশ সৃষ্টি করে, তাকে আবেশী আধান বলে। আবেশী আধানের প্রভাবে কোনো অনাহিত পরিবাহকে যে আধানের সঞ্চার হয়, তাকে আবিষ্ট আধান বলে।

Affan Ahmed
Affan Ahmed
7 months ago
উত্তরঃ

একটি স্বর্ণপাত তড়িৎবীক্ষণ যন্ত্রের গঠন বর্ণনা করা হলো-তড়িৎবীক্ষণ যন্ত্রে একটি পিতল বা অন্য কোনো  ধাতব দণ্ড R এর উপরে একটি ধাতব চাকতি বা গোলক আটকানো থাকে। দণ্ডের নিচের প্রান্তে দুটি হালকা সোনার পাত সংযুক্ত থাকে। পাতদুটি সোনার বদলে অ্যালুমিনিয়াম বা অন্য কোনো হালকা ধাতুরও হতে পারে। পাতসহ দন্ডের নিচের অংশ অপরিবাহী পদার্থ দিয়ে তৈরী ছিপি C এর মধ্যদিয়ে একটি কাচপাত্রে প্রবেশ করানো থাকে। যন্ত্রটি কাচপাত্রের ভেতরে থাকায় বায়ু প্রবাহ এর ক্ষতি করতে পারে না। এটিই যন্ত্রটির গঠন কৌশল।

Affan Ahmed
Affan Ahmed
7 months ago
উত্তরঃ

একটি কাচদণ্ডকে রেশম দিয়ে ঘষলে কাচদণ্ডে ধনাত্মক আধানের উদ্ভব হয়। ঐ আহিত কাচদণ্ডকে স্বর্ণপাত তড়িৎবীক্ষণ যন্ত্রের চাক্তি বা গোলকের গায়ে স্পর্শ করালে দন্ড হতে খানিকটা আধান চাকতিতে চলে যায়। এ আধান সুপরিবাহী ধাতব দণ্ডের ভেতর দিয়ে সোনার পাতদ্বয়ে পৌঁছে। ফলে সোনার পাত দুটি একই জাতীয় আধান পেয়ে পরস্পরকে বিকর্ষণ করে এবং পরস্পর থেকে দূরে সরে যায় বা বিস্ফোরিত হয়। এ অবস্থায় কাচদণ্ড সরিয়ে নিলেও পাতদ্বয়ের মধ্যবর্তী ফাঁক কমে না, যা থেকে বুঝা যায় যে, স্বর্ণপাত তড়িৎবীক্ষণ যন্ত্রটি ধনাত্মক আধানে আহিত হয়।

Affan Ahmed
Affan Ahmed
7 months ago
উত্তরঃ

তড়িৎবীক্ষণ যন্ত্রের সাহায্যে নিম্নবর্ণিত উপায়ে কোনো আহিত বস্তুর আধানের প্রকৃতি নির্ণয় করা যায়-
একটি কাচদণ্ডকে রেশম দিয়ে ঘষলে কাচদণ্ডে ধনাত্মক আধানের উদ্ভব হয়। ঐ আহিত কাচদন্ডকে উল্লিখিত যন্ত্রটির (তড়িৎবীক্ষণ যন্ত্র) চাকতি বা গোলকের গায়ে স্পর্শ করালে দন্ড হতে কিছু আধান চাকতিতে চলে যায়। এ আধান সুপরিবাহী ধাতব দন্ডের ভেতর দিয়ে তড়িৎবীক্ষণ যন্ত্রে অবস্থিত সোনার পাশুদ্বয়ে পৌছে। ফলে সোনার পাত দুটি একই জাতীয় আধান পেয়ে পরস্পরকে বিকর্ষণ করে পরস্পর থেকে দূরে সরে যায়। অর্থাৎ, কোনো বস্তুতে আধানের অস্তিত্ব আছে কি-না নির্ণয়ের জন্য বস্তুটিকে অনাহিত তড়িৎ বীক্ষণ যন্ত্রের চাকতির নিকটে আনলে যদি এর পাতদুটি পরস্পর থেকে দূরে সরে যায় তাহলে বুঝা যায় যে, বস্তুটিতে আধানের অস্তিত্ব আছে। কিন্তু যদি পাতদুটি পরস্পর থেকে দূরে সরে না যায়, তাহলে বুঝা যায় বস্তুটিতে আধান নেই। এখন উপরোক্ত ধনাত্মক আধানে আহিত। যন্ত্রটির নিকট কোনো আহিত বস্তু আনলে যদি পাতদুটির ফাঁক কমে যায়, তাহলে বুঝা যায় ঐ বস্তুটি ঋণাত্মক আধানে আহিত। পক্ষান্তরে। পরীক্ষণীয় বস্তুটিকে চাকতির সংস্পর্শে আনলে যদি ফাঁক বেড়ে যায়, তাহলে বুঝা। যায় যে, বস্তুটি ধনাত্মক আধানে আহিত। উপরোক্ত প্রক্রিয়ার মাধ্যমেই বস্তুটিতে আধানের উপস্থিতি ও প্রকৃতি নির্ণয় করা যায়।

Affan Ahmed
Affan Ahmed
7 months ago
উত্তরঃ

একটি আহিত বস্তুর নিকটে অন্য একটি আহিত বস্তু আনলে সেটি আকর্ষণ বা বিকর্ষণ বল অনুভব করে। অর্থাৎ আহিত বস্তুটি তার চারদিকে একটি প্রভাব বিস্তার করে যা তড়িৎক্ষেত্র হিসেবে পরিচিত। সুতরাং বলা যায় কোনো আহিত বস্তুর উপস্থিতিতেই তড়িৎক্ষেত্র সৃষ্টি হয়।

Affan Ahmed
Affan Ahmed
7 months ago
উত্তরঃ

পরমাণু হচ্ছে সবকিছুর গাঠনিক একক বা বিল্ডিং ব্লক। পরমাণুর কেন্দ্রে থাকে ছোট একটি নিউক্লিয়াস এবং তাকে ঘিরে থাকে ইলেকট্রন। নিউক্লিয়াসে থাকে প্রোটন এবং নিউট্রন। একটি পরমাণুর নিউক্লিয়াসে যতগুলো প্রোটন থাকে ঠিক ততগুলো ইলেকট্রন বাইরে বিচরণশীল থাকে। পরমাণুতে ইলেকট্রন ও প্রোটন সংখ্যা সমান হওয়ায় এটি বিদ্যুৎ নিরপেক্ষ থাকে।

Affan Ahmed
Affan Ahmed
7 months ago
উত্তরঃ

চার্জের ক্ষুদ্রতম একটি মান আছে কিন্তু ভরের এরকম কোনো ক্ষুদ্রতম মান নেই। কোনো পদার্থের ক্ষুদ্রতম অংশ হচ্ছে এর পরমাণু। এক এক পদার্থের পরমাণুর ভর এক এক। এ কারণে ভরের কোনো ক্ষুদ্রতম মান নেই।

Affan Ahmed
Affan Ahmed
7 months ago
উত্তরঃ

কোনো একটি পরমাণুতে ইলেকট্রন সংখ্যা স্বাভাবিকের চেয়ে কম বা বেশি করার পদ্ধতিকে আহিতকরণ বলে। পরমাণুতে ইলেকট্রন সংখ্যা স্বাভাবিকের চেয়ে কম হলে পরমাণুটি ধনাত্মক আধানে এবং স্বাভাবিকের চেয়ে বেশি হলে ঋণাত্মক আধানে আহিত হয়।

Affan Ahmed
Affan Ahmed
7 months ago
উত্তরঃ

পরমাণুতে ইলেকট্রন ও প্রোটনের সংখ্যা সমান থাকলে তা তড়িৎ নিরপেক্ষ থাকে। কিন্তু এদের সংখ্যা সমান না হলে পরমাণু তড়িৎগ্রস্ত অর্থাৎ আহিত হয়। পরমাণুতে ইলেকট্রনের সংখ্যা কমে গেলে পরমাণুটি ধনাত্মক আধানে আহিত হওয়া।

Affan Ahmed
Affan Ahmed
7 months ago
উত্তরঃ

একটি পরমাণুতে সাধারণত ইলেকট্রন ও প্রোটনের সংখ্যা সমান থাকে বলে পরমাণু বিদ্যুৎ নিরপেক্ষ হয়। কোনো পরমাণুর সাথে যদি একটি বা দুটি ইলেকট্রন যুক্ত হয় তখন পরমাণুতে ইলেকট্রনের আধিক্য - দেখা দেয়। এ অবস্থাকে বলা হয় ঋণাত্মক আধানে আহিত হওয়া।

Affan Ahmed
Affan Ahmed
7 months ago
উত্তরঃ

পরমাণুতে ধনাত্মক চার্জযুক্ত প্রোটন কেন্দ্রে অবস্থান করে এবং ঋণাত্মক চার্জযুক্ত ইলেকট্রন কক্ষপথে অবস্থান করে। প্রোটন ও ইলেকট্রনের আকর্ষণ বল এবং ইলেকট্রনের কক্ষপথের বাইরের দিকে ক্রিয়াশীল বল পরস্পরের সমান হয়। তাই প্রোটনকে কেন্দ্র করে ইলেকট্রন ঘুরতে পারে।

Affan Ahmed
Affan Ahmed
7 months ago
উত্তরঃ

নিউক্লিয়াসে প্রোটন ও নিউট্রন সবল নিউক্লিয় বলের দ্বারা আবদ্ধ থাকে। প্রচন্ড বলে আটকে থাকার কারণে এদের মাঝে অনেক বিভবশক্তি জমা থাকে। এই আকর্ষণ বলের মান প্রোটন-প্রোটন বিকর্ষণ বলের চেয়ে অনেক বেশি হয়। তাই সমধর্মী চার্জ হওয়া সত্ত্বেও প্রোটনগুলো একত্রিত হয়ে সবল নিউক্লিয় বলের মাধ্যমে নিউক্লিয়াস গঠন করে।

Affan Ahmed
Affan Ahmed
7 months ago
উত্তরঃ

যে সকল পদার্থের শেষ কক্ষপথে একটি বা দুটি প্রায় মুক্ত ইলেকট্রন থাকে যেগুলো খুব সহজে পুরো পদার্থের মাঝে ছোটাছুটি. করতে পারে তাদেরকে বিদ্যুৎ সুপরিবাহী পদার্থ বলে। যেমন, গ্রাফাইট। আবার, যে সকল পদার্থে ছোটাছুটি করার মতো মুক্ত ইলেকট্রন থাকে না তাদেরকে বিদ্যুৎ অপরিবাহী পদার্থ বলে। যেমন, কাঠ, প্লাস্টিক।

Affan Ahmed
Affan Ahmed
7 months ago
উত্তরঃ

সকল পদার্থের ইলেকট্রন আসক্তি সমান নয়। একাধিক বস্তুকে পরস্পরের সাথে ঘষা হলে যে বস্তুর ইলেকট্রন আসক্তি বেশি সে ইলেকট্রন গ্রহণ করে ঋণাত্মক আধানে আহিত হয় এবং অপর বস্তু ধনাত্মক আধানে আহিত হয়। এভাবে ইলেকট্রন আসক্তির ভিন্নতার কারণে স্থির তড়িৎ উৎপন্ন হয়।

Affan Ahmed
Affan Ahmed
7 months ago
উত্তরঃ

কাচদণ্ডকে সিল্ক দিয়ে ঘষলে সিল্ক ঋণাত্মক আধানে এবং কাচদণ্ড ধনাত্মক আধানে আহিত হবে। সিল্কের ইলেকট্রন আসক্তি কাচদণ্ডের চেয়ে বেশি বলে কাচদণ্ড থেকে ইলেকট্রন সিল্কে চলে যায়। ফলে সিল্ক ঋণাত্মক আধানে আহিত হয় এবং কাচদণ্ড ধনাত্মক আধানে।

Affan Ahmed
Affan Ahmed
7 months ago
উত্তরঃ

প্রত্যেক পরমাণুরই প্রয়োজনের অতিরিক্ত ইলেকট্রনের প্রতি আসক্তি থাকে। তাই দুটি বস্তুর মধ্যে যখন ঘর্ষণ দেওয়া হয় তখন যে বস্তুর ইলেকট্রন আসক্তি বেশি সে বস্তু অপর বস্তুটি থেকে ইলেকট্রন সংগ্রহ করে ঋণাত্মক আধানে পরিণত হয়। এভাবে ঘর্ষণের ফলে অনাহিত বস্তু তড়িৎগ্রস্ত হয়।

Affan Ahmed
Affan Ahmed
7 months ago
উত্তরঃ

চার্জের বৈশিষ্ট্যগুলো হলো-
১. চার্জকে ধ্বংস বা সৃষ্টি করা যায় না, কেবল এক বস্তু থেকে অন্য বস্তুতে স্থানান্তরিত করা যায়।
২. সমধর্মী চার্জ পরস্পরকে বিকর্ষণ করে এবং বিপরীতধর্মী চার্জ পরস্পরকে আকর্ষণ করে।

Affan Ahmed
Affan Ahmed
7 months ago
উত্তরঃ

প্লাস্টিককে ফ্লানেল বা পশমি কাপড় দিয়ে ঘষলে প্লাস্টিক ঋণাত্মক আধানে আহিত হবে। কেননা প্লাস্টিকের ইলেকট্রন আসক্তি ফ্লানেলের থেকে বেশি। ইলেকট্রন আসক্তি বেশি হওয়ার কারণে ফ্লানেল থেকে ইলেকট্রন প্লাস্টিকে চলে আসে এবং প্লাস্টিক ঋণাত্মক আধানে আহিত হয়।

Affan Ahmed
Affan Ahmed
7 months ago
উত্তরঃ

ফ্লানেলের কাপড়ের সাথে ইবোনাইট বা পলিথিন দন্ড ঘষলে, পলিথিন দণ্ড ঋণাত্মক আধানে আহিত এবং ফ্লানেলের কাপড় ধনাত্মক আধানে আহিত হয়। পলিথিনের ইলেকট্রন আসক্ত ফ্লানেলের চেয়ে বেশি বলে, পরস্পরের সাথে ঘর্ষণের ফলে ফ্লানেলের কাপড় থেকে ইলেকট্রন ইবোনাইট দণ্ডে চলে আসে।

Affan Ahmed
Affan Ahmed
7 months ago
উত্তরঃ

স্বাভাবিক অবস্থায় পরমাণুতে ইলেকট্রন ও প্রোটন সমপরিমাণে থাকলেও প্রত্যেক পরমাণুর প্রয়োজনের অতিরিক্ত ইলেকট্রনের প্রতি আসক্তি থাকে। রেশমের ইলেকট্রন আসক্তি কাচের চেয়ে বেশি বলে কাচদণ্ডকে রেশম দ্বারা ঘষলে কাচ থেকে ইলেকট্রন রেশমে চলে যায়, ফলে রেশম ঋণাত্মক আধানে এবং কাচদণ্ড ধনাত্মক আধানে আহিত হয়।

Affan Ahmed
Affan Ahmed
7 months ago
উত্তরঃ

একটি আহিত বস্তুর কাছে এনে স্পর্শ না করে শুধুমাত্র এর উপস্থিতিতে কোনো অনাহিত বস্তুকে আহিত করার পদ্ধতিকে বৈদ্যুতিক আবেশ বলে। তড়িৎ আবেশ পদ্ধতিতে একটি আহিত বস্তুকে কোনো পরিবাহকের নিকটে রেখে পরিবাহকটির্কেও আহিক করা যায়।

Affan Ahmed
Affan Ahmed
7 months ago
উত্তরঃ

যে আধান কোনো অনাহিত পরিবাহকে আবেশ সৃষ্টি করে, তাকে আবেশী আধান বলে। আবেশী আধানের প্রভাবে কোনো অনাহিত পরিবাহকে যে আধানের সঞ্চার হয়, তাকে আবিষ্ট আধান বলে।

Affan Ahmed
Affan Ahmed
7 months ago
উত্তরঃ

তড়িৎ আবেশের ফলে নতুন কোনো আধান উৎপন্ন হয় না। সমপরিমাণ বিপরীত জাতীয় আধান পৃথক হয়ে পরিবাহীর দুই প্রান্তে সরে যায়। যে আধান পরিবাহীতে আবেশ সৃষ্টি করে তাকে আবেশী আধান বলে। অন্য দিকে যে আধান সঞ্চয় হয় তাকে আবিষ্ট আধান বলে। সৃষ্ট ঋণাত্মক আধান দেয়ালে আবেশ সৃষ্টি করলে দেয়ালে আবিষ্ট ধনাত্মক আধান ঋণাত্মক আধানকে আকর্ষণ করে।

Affan Ahmed
Affan Ahmed
7 months ago
উত্তরঃ

চুল আঁচড়ালে চিরুনির পরমাণুর ইলেকট্রন ও প্রোটন সংখ্যার তারতম্য দেখা দেয় ফলে এটি তড়িৎগ্রস্ত হয় এবং কাগজের টুকরাকে আকর্ষণ করে। কিন্তু চুল আঁচড়ানোর আগে চিরুনিটি তড়িৎ নিরপেক্ষ থাকে বলে তা কাগজের টুকরাকে আকর্ষণ করে না।

Affan Ahmed
Affan Ahmed
7 months ago
উত্তরঃ

আবিষ্ট বস্তুর দূরতম প্রান্তে সঞ্চারিত আধানকে মুক্ত আধান বলে। আবার আবিষ্ট বস্তুতে আবেশী আধানের আকর্ষণের কারণে যে আধানসমূহ স্থান ত্যাগ করতে পারে না তাদেরকে বদ্ধ আধান বলে।

চিত্রে A প্রান্তের আধান বন্ধ আধান এবং B প্রান্তের আধান মুক্ত আধান।

Affan Ahmed
Affan Ahmed
7 months ago
উত্তরঃ

শীতকালে বাতাস শুষ্ক থাকে। এ সময় বায়ুতে জলীয় বাষ্পের পরিমাণ খুব কম থাকে। বায়ুতে জলীয় বাষ্প থাকলে জমা হওয়া চার্জ দ্রুত হারিয়ে যায়। শীতকালে জলীয় বাষ্পের পরিমাণ কম থাকায় স্থির বিদ্যুতের এক্সপেরিমেন্টগুলো ভালো কাজ করে।

Affan Ahmed
Affan Ahmed
7 months ago
উত্তরঃ

একটি ধনাত্মক বা পজিটিভ চার্জযুক্ত কাচদণ্ডকে কোনো অনাহিত গোলকের নিকট আনলে অনাহিত বস্তুতে থাকা ইলেকট্রনগুলো ধনাত্মক চার্জের আকর্ষণে আকৃষ্ট হয়ে এক প্রান্তে অবস্থান করে। কাচদণ্ডের ধনাত্মক চার্জের বিকর্ষণে অনাহিত বস্তুর ধনাত্মক চার্জগুলো অপর প্রান্তে চলে যায়। এখন কাচদণ্ডটিকে গোলকের কাছে ধরে রেখে অপর গোলকটি সরিয়ে নিলে ২য় গোলকটি ধনাত্মক চার্জে এবং ১ম গোলকটি ঋণাত্মক চার্জে চার্জিত হয়। এভাবে ধাতব পোলক দুটিতে দুই ধরনের চার্জ তৈরি করা যায়।

Affan Ahmed
Affan Ahmed
7 months ago
উত্তরঃ

কোনো অনাহিত বস্তুকে আহিত বস্তুর নিকটে আনলে আহিত বস্তুর প্রভাবে অনাহিত বস্তুটি আহিত হয় অর্থাৎ এর মধ্যে আধান আবিষ্ট হয়। আবিষ্ট হওয়ার পরই অন্য কোনো বস্তুর নিকটে নিলে তা আকর্ষণ বা বিকর্ষণ বল লাভ করে। অর্থাৎ তড়িৎ আবেশের বেলায় "আগে আবেশ পরে আকর্ষণ" ঘটনাটি সত্য।

Affan Ahmed
Affan Ahmed
7 months ago
উত্তরঃ

আবেশ প্রক্রিয়ায় একটি চার্জিত বস্তুকে কোনো অনাহিত বস্তুর সামনে আনলে অনাহিত বস্তুতে থাকা ধনাত্মক এবং ঋণাত্মক চার্জগুলোর মধ্যে চার্জিত বস্তুর বিপরীত ধর্মী চার্জগুলো বস্তুর কাছাকাছি অবস্থান করে। এসময় সমধর্মী চার্জগুলো পরস্পরকে বিকর্ষণ করে অনাহিত বস্তুর দূরতম প্রান্তে অবস্থান করে অনাহিত বস্তুটিকে চার্জিত করে। আবার চার্জিত বস্তুটিকে সরিয়ে নিলে আধানের অস্তিত্বের সন্ধান পাওয়া যা না। তাই আবেশ প্রক্রিয়ায় কোনো নতুন আধানের সৃষ্টি হয় না।

Affan Ahmed
Affan Ahmed
7 months ago
উত্তরঃ

যে যন্ত্রের সাহায্যে কোনো বস্তুতে আধানের অস্তিত্ব ও প্রকৃতি নির্ণয় করা যায় তাকে ইলেকট্রোস্কোপ বলে। এ যন্ত্রের সাহায্যে কোনো বস্তুতে আধান আছে কিনা বা কী ধরনের আধান আছে অর্থাৎ আধান ধনাত্মক না ঋণাত্মক তা জানা যায়।

Affan Ahmed
Affan Ahmed
7 months ago
উত্তরঃ

কোনো বস্তুতে আধানের অস্তিত্ব অর্থাৎ কোনো বস্তুতে আধান আছে কিনা নির্ণয়ের জন্য বস্তুটিকে একটি অনাহিত তড়িৎবীক্ষণ যন্ত্রের চাকতির কাছে আনতে হবে। এতে যদি পাত দুটি পরস্পর থেকে দূরে সরে যায়, তাহলে বুঝতে হবে বস্তুটিতে আধানের অস্তিত্ব আছে। কিন্তু যদি পাত দুটি পরস্পর থেকে দূরে সরে না যায়, তাহলে বুঝতে হবে বস্তুটিতে আধান নেই।

Affan Ahmed
Affan Ahmed
7 months ago
উত্তরঃ

ইলেকট্রোস্কোপের সাহায্যে আহিত বস্তুর চার্জের প্রকৃতি নির্ণয় করতে প্রথমে যন্ত্রটিকে ধনাত্মক বা ঋণাত্মক আধানে আহিত করতে হবে। যন্ত্রটি ধনাত্মক আধানে আহিত হলে পাতদ্বয় ফাঁক হয়ে যাবে। এমতাবস্থায় আহিত বস্তুটিকে যন্ত্রের চাকতির সংস্পর্শে আনলে যদি পাতদুটির ফাঁক কমে তবে বুঝা যায় বস্তুটি ঋণাত্মক আধানে এবং ফাঁক বেড়ে গেলে ধনাত্মক আধানে বা চার্জে চার্জিত।

Affan Ahmed
Affan Ahmed
7 months ago
উত্তরঃ

একটি ধনাত্মক চার্জে চার্জিত কাচদন্ডকে ইলেকট্রোস্কোপের। চাকতি বা গোলকের গায়ে স্পর্শ করলে দণ্ড হতে খানিকটা চার্জ চাকতিতে চলে যায়। এ আধান সুপরিবাহী ধাতব দণ্ডের ভেতর দিয়ে সোনার। পাতন্বয়ে পৌঁছে। ফলে সোনার পাত দুটি একই জাতীয় আধান পেয়ে পরস্পরকে বিকর্ষণ করে এবং দূরে সরে যায়। এমতাবস্থায় কাচদণ্ড সরিয়ে নিলেও পাতদ্বয়ের মধ্যবর্তী ফাঁক কমে না যা হতে বুঝা যায় যন্ত্রটি ধনাত্মক চার্জে চার্জিত হয়েছে।

Affan Ahmed
Affan Ahmed
7 months ago
উত্তরঃ

দুটি আধানের মধ্যবর্তী তড়িৎ বল নিম্নবর্ণিত বিষয়ের উপর নির্ভর করে।
১. আধানদ্বয়ের মান,
২. আধানদ্বয়ের মধ্যবর্তী দূরত্ব এবং
৩. আধানদ্বয়ের মধ্যবর্তী মাধ্যমের প্রকৃতির উপর।

Affan Ahmed
Affan Ahmed
7 months ago
উত্তরঃ

সমপরিমাণ ও সমধর্মী দুইটি আধান শূন্য মাধ্যমে পরস্পর I m দূরত্বে থেকে পরস্পর যদি পরস্পরকে 9 ×109 N বলে বিকর্ষণ করে তবে আধান দুইটির প্রত্যেককে । C আধান বলে।

Affan Ahmed
Affan Ahmed
7 months ago
উত্তরঃ

দুটি আধানের মধ্যবর্তী তড়িৎ বল নিম্নবর্ণিত বিষয়ের উপর নির্ভর করে।
১. আধানদ্বয়ের মান,
২. আধানদ্বয়ের মধ্যবর্তী দূরত্ব এবং
৩.' আধানদ্বয়ের মধ্যবর্তী মাধ্যমের প্রকৃতির উপর।

Affan Ahmed
Affan Ahmed
7 months ago
উত্তরঃ

মহাকর্ষ বল ও কুলম্ব বলের মধ্যে পার্থক্য নিচে দেওয়া হলো-

মহাকর্ষ বলকুলম্ব বল
১. বস্তুদ্বয়ের ভরের উপর নির্ভর করে।১. বস্তুদ্বয়ের চার্জের উপর নির্ভর করে।
২. এ বল আকর্ষণ ধর্মী।২. এ বল আকর্ষণ বা বিকর্ষণ ধর্মী।
৩. মাধ্যমের প্রকৃতির উপর নির্ভর করে না৩. মাধ্যমের প্রকৃতির উপর নির্ভর করে।
Affan Ahmed
Affan Ahmed
7 months ago
উত্তরঃ

একটি আহিত বস্তুর নিকটে অন্য একটি আহিত বস্তু আনলে সেটি আকর্ষণ বা বিকর্ষণ বল অনুভব করে। আহিত বস্তুর চারদিকে যে অঞ্চল জুড়ে এই প্রভাব বিদ্যমান থাকে সেই অঞ্চলকেই এই বস্তুটির তড়িৎ ক্ষেত্র বলে। তড়িৎ ক্ষেত্র একটি ভেক্টর রাশি।

Affan Ahmed
Affan Ahmed
7 months ago
উত্তরঃ

তড়িৎক্ষেত্রের কোনো বিন্দুতে বলরেখার সাথে লম্বভাবে অবস্থিত একক ক্ষেত্রফলের মধ্য দিয়ে বলরেখার সংখ্যা তীব্রতার সমানুপাতিক অর্থাৎ তড়িৎক্ষেত্রের যেসব এলাকায় বলরেখাগুলো কাছাকাছি অবস্থিত অর্থাৎ ঘনসন্নিবিষ্ট সেখানে তীব্রতার মান বেশি আর যেসব এলাকায় বলরেখাগুলো দূরে দূরে অবস্থিত সেসব স্থানে তীব্রতার মান কম হয়। এজন্য তড়িৎক্ষেত্রের ভিন্ন ভিন্ন বিন্দুর তড়িৎ তীব্রতার মান ভিন্ন ভিন্ন।

Affan Ahmed
Affan Ahmed
7 months ago
উত্তরঃ

আহিত বস্তুর চারদিকে যে অঞ্চল জুড়ে তড়িতের প্রভাব বিদ্যমান সেই অঞ্চলকেই উক্ত বস্তুর তড়িৎক্ষেত্র বলে। গাণিতিকভাবে, তড়িৎক্ষেত্র, E=Fq=1qk×q2r2=kqr2E1r2

[যেহেতু ৮ ও ৭ ধ্রুবক।]

সুতরাং, দেখা যাচ্ছে যে, তড়িৎক্ষেত্র দূরত্বের বর্গের ব্যস্তানুপাতিক, অর্থাৎ দূরত্ব কমলে তড়িৎক্ষেত্র বাড়ে এবং দূরত্ব বাড়লে তড়িৎক্ষেত্র কমে। সুতরাং যেহেতু তড়িৎক্ষেত্রের সকল বিন্দুতে দূরত্ব সমান নয় তাই তড়িৎ ক্ষেত্রও সমান নয়।

Affan Ahmed
Affan Ahmed
7 months ago
উত্তরঃ

কোনো আহিত বস্তুর চারদিকে যে অঞ্চলের মধ্যে অন্য কোনো আহিত বস্তু আনলে সেটি আকর্ষণ বা বিকর্ষণ বল অনুভব করে তাকে ঐ বস্তুর তড়িৎক্ষেত্র বলে। আবার তড়িৎক্ষেত্রের কোনো বিন্দুতে একটি একক ধনাত্মক আধান স্থাপন করলে সেটি যে-বল অনুভব করে, তাকে ঐ বিন্দুর তড়িৎক্ষেত্রের তীব্রতা বলে। অর্থাৎ, তড়িৎক্ষেত্র একটি অঞ্চল নির্দেশ করে আর তড়িৎ তীব্রতা দ্বারা তড়িৎক্ষেত্রটি কতটা শক্তিশালী তা বোঝায়। তাই বলা যায় যে, তড়িৎক্ষেত্র এবং তড়িতক্ষেত্রের তীব্রতা ভিন্ন।

Affan Ahmed
Affan Ahmed
7 months ago
উত্তরঃ

কোনো তড়িৎক্ষেত্রের সকল বিন্দুতে প্রাবল্য যদি একই হয় অর্থাৎ তড়িৎক্ষেত্রের সকল বিন্দুতে প্রাবল্যের মান সমান এবং দিক একই হয় তবে ঐ তড়িৎ ক্ষেত্রকে সুষম তড়িৎ ক্ষেত্র বলা হয়। সুষম তড়িৎ ক্ষেত্রের বলরেখাগুলো পরস্পর সমান্তরাল ও সম ঘনত্ব বিশিষ্ট হয়।

Affan Ahmed
Affan Ahmed
7 months ago
উত্তরঃ

আমরা জানি, তড়িৎ ক্ষেত্রের কোনো বিন্দুতে একটি একক ধনাত্মক আধান স্থাপন করলে সেটি যে বল অনুভব করে তাই হলো ঐ বিন্দুর তড়িৎ তীব্রতা। অতএব সংজ্ঞানুসারে, তড়িৎ ক্ষেত্রের কোনো বিন্দুর তীব্রতা নির্ণয়ে ঐ বিন্দুতে একক মানের আধান স্থাপন করে ঐ আধান দ্বারা অনুভূত বল পরিমাপ করতে হবে। অথবা ঐ বিন্দুতে যেকোনো মানের আধান স্থাপন করে অনুভূত বল এবং আধানের মানের অনুপাত নির্ণয় করতে হবে।

Affan Ahmed
Affan Ahmed
7 months ago
উত্তরঃ

একটি আহিত বস্তুর নিকটে অন্য একটি আহিত বস্তু আনলে সেটি আকর্ষণ বা বিকর্ষণ বল অনুভব করে। অর্থাৎ আহিত বস্তুটি তার চারদিকে একটি প্রভাব বিস্তার করে যা তড়িৎক্ষেত্র হিসেবে পরিচিত। সুতরাং বলা যায় কোনো আহিত বস্তুর উপস্থিতিতেই তড়িৎক্ষেত্র সৃষ্টি হয়।

Affan Ahmed
Affan Ahmed
7 months ago
উত্তরঃ

আমরা জানি, দুটি অসমান ধনাত্মক আধানের দরুন সৃষ্ট তড়িৎ তীব্রতা যে বিন্দুতে সমান ও বিপরীতমুখী সে বিন্দুটিই নিরপেক্ষ বিন্দু। তড়িৎ তীব্রতা চার্জের সমানুপাতিক এবং দূরত্বের বর্গের ব্যস্তানুপাতিক।

যেহেতু ক্ষুদ্রতর আধানের ক্ষেত্রে Q এর মান অপেক্ষাকৃত ছোট তাই এ এর মান অপেক্ষাকৃত কম হলেই কেবল তড়িৎ তীব্রতা বৃহত্তর আধানের দরুন তীব্রতার সমান হওয়া সম্ভব। এ কারণে দুটি অসমান ধনাত্মক আধানের নিরপেক্ষ বিন্দু ক্ষুদ্রতর আধানের নিকটতর হয়।

Affan Ahmed
Affan Ahmed
7 months ago
উত্তরঃ

দুটি অসমান সমধর্মী চার্জের জন্য সৃষ্ট তড়িৎ ক্ষেত্রের মান যে বন্দুতে সমান সেটিই নিরপেক্ষ বিন্দু। তড়িৎ ক্ষেত্রের মান E=kqr2 ক্ষুদ্রতম আধানের ক্ষেত্রে ৭ এর মান অপেক্ষাকৃত কম তাই। এর মান কম হলেই তা বেশি আধানের জন্য তড়িৎ ক্ষেত্রের মানের সমান হতে পারবে। তাই নিরপেক্ষ বিন্দু ক্ষুদ্রতম আধানের নিকটতম হয়।

Affan Ahmed
Affan Ahmed
7 months ago
উত্তরঃ

তড়িৎ বলরেখার ধর্মগুলো হলো-
১. পজিটিভ চার্জের বেলায় বলরেখা পজিটিভ চার্জ থেকে বের হয় এবং নেগেটিভ চার্জের বেলায় বলরেখা নেগেটিভ চার্জে এসে কেন্দ্রীভূত হবে।
২. চার্জের পরিমাণ যত বেশি হবে প্রতি একক আয়তনে বা ক্ষেত্রফলে বলরেখার সংখ্যা তত বেশি হবে।
৩. বলরেখা যত কাছাকাছি থাকবে তড়িৎ ক্ষেত্রের মান তত বেশি হবে।

Affan Ahmed
Affan Ahmed
7 months ago
উত্তরঃ

তড়িৎ ক্ষেত্রে একটি মুক্ত ধনাত্মক আধান স্থাপন করলে এটি যে পথে পরিভ্রমণ করে তাকে তড়িৎ বলরেখা বলে। তড়িৎ বলরেখা কাল্পনিক। তড়িৎ বলরেখা তড়িৎ ক্ষেত্রের কোনো, বিন্দুতে তড়িৎ ক্ষেত্রের মান ও দিক ব্যাখ্যা করার জন্য ব্যবহার করা হয়।

Affan Ahmed
Affan Ahmed
7 months ago
উত্তরঃ

তড়িৎ বলরেখার সাথে লম্বভাবে অবস্থিত একক ক্ষেত্রফলের মধ্যদিয়ে অতিক্রান্ত বলরেখার সংখ্যা তড়িৎ ক্ষেত্র প্রাবল্যের মানের সমানুপাতিক। অর্থাৎ যেসব এলাকার বলরেখাগুলো কাছাকাছি সেখানে তড়িৎ ক্ষেত্র প্রাবল্যের মান বেশি এবং যেখানে বলরেখাগুলো দূরে দূরে সেখানে মান কম।

Affan Ahmed
Affan Ahmed
7 months ago
উত্তরঃ

সমান মানের দুটি ধনাত্মক আধান পাশাপাশি স্থাপন করলে বলরেখাগুলো পরস্পরের বিপরীতমুখী হবে, কারণ এক্ষেত্রে বিভবের মান শূন্য, যার ফলে কোনো আধানের প্রবাহও হবে না।
অর্থাৎ কোনো তড়িৎ প্রবাহের সৃষ্টি হবে না। আমরা জানি, উচ্চ বিভব থেকে নিম্ন বিভবের দিকে আধান প্রবাহিত হয়। আর এখানে যেহেতু বিভব, V = 0 তাই তড়িতের প্রবাহও নেই। তাই বলরেখাগুলোও বিপরীতমুখী।

Affan Ahmed
Affan Ahmed
7 months ago
উত্তরঃ

চৌম্বক প্রাবল্যের মান নিম্নোক্তভাবে বৃদ্ধি করা যায়-
১. তড়িৎ প্রবাহ বৃদ্ধি করে।
২. কুন্ডলীর পাক সংখ্যা বৃদ্ধি করে।
৩. অধিকতর শক্তিশালী চুম্বক ব্যবহার করে
৪. কুণ্ডলীর দৈর্ঘ্য এবং বেধ বাড়িয়ে।

Affan Ahmed
Affan Ahmed
7 months ago
উত্তরঃ

তড়িৎ ক্ষেত্রের কোনো বিন্দুর বিভব 12V বলতে বুঝায়- প্রতি কুলম্ব ধনাত্মক আধানকে অসীম থেকে তড়িৎ ক্ষেত্রের ঐ বিন্দুতে 12 J আনতে 12J কাজ সম্পন্ন হয়। অর্থাৎ 12 V=12 J1 C

Affan Ahmed
Affan Ahmed
7 months ago
উত্তরঃ

তড়িৎ ক্ষেত্রের কোনো বিন্দুতে বিভব 15 V বলতে বুঝায় অসীম থেকে প্রতি কুলম্ব ধনাত্মক আধানকে তড়িৎ ক্ষেত্রের ঐ বিন্দুতে আনতে 15J কাজ করতে হয়।

Affan Ahmed
Affan Ahmed
7 months ago
উত্তরঃ

তড়িৎ বিভব, V=Wq

Affan Ahmed
Affan Ahmed
7 months ago
উত্তরঃ

আমরা জানি, V=kqr

নির্দিষ্ট পরিমান চার্জের ক্ষেত্রে V1r ……………………… (i)

এই সমীকরণ অনুসারে। এর মান যত বাড়তে থাকে V এর মান তত কমতে থাকে। তাই আহিত বস্তুর তড়িৎ ক্ষেত্রের মধ্যে বিন্দুবস্তু যতদূর সরে যাবে বিভব তত হ্রাস পাবে।

Affan Ahmed
Affan Ahmed
7 months ago
উত্তরঃ

তড়িৎ বিভব, V=Wq=FsIt

Affan Ahmed
Affan Ahmed
7 months ago
উত্তরঃ

সমমানের এবং বিপরীত চার্জে চার্জিত দুটি বস্তুর সংযোগ সরলরেখার লম্ব দ্বিখন্ডকের উপর যেকোনো বিন্দুতে তড়িৎ বিভবের মান শূন্য হয় কিন্তু তড়িৎ ক্ষেত্র প্রাবল্যের মান শূন্য হয় না। তাই কোনো বিন্দুতে তড়িৎ বিভব শূন্য হলেও তড়িৎ ক্ষেত্র প্রাবল্যের মান অশূন্য হতে পারে।

Affan Ahmed
Affan Ahmed
7 months ago
উত্তরঃ

পৃথিবীর তড়িৎ বিভব অসীম হওয়ার অর্থ হলো পৃথিবীর সব 'জায়গায় তড়িৎক্ষেত্র এবং বিভব অসীম হয়ে যাওয়া, যা বাস্তবে সম্ভব নয়। পৃথিবী প্রয়োজন অনুসারে অন্য বস্তু থেকে ইলেকট্রন নিতে পারে আবার অন্য বস্তুকে ইলেকট্রন দিতেও পারে। তাই পৃথিসীর তড়িৎ বিভব অসীম ধরা হয় না বরং শূন্য ধরা হয়।

Affan Ahmed
Affan Ahmed
7 months ago
উত্তরঃ

সম্ভব। সমমানের এবং বিপরীত চার্জে চার্জিত দুটি বস্তুর সংযোগ সরলরেখার লম্ব সমদ্বিখন্ডক রেখার সকল বিন্দুতে বিভব শূন্য কিন্তু সকল বিন্দুতে তড়িৎ ক্ষেত্র শূন্য নয়। যার অর্থ কোনো বিন্দুতে বিভব শূন্য কিন্তু তড়িৎ ক্ষেত্র শূন্য নয় এমনটি সম্ভব।

Affan Ahmed
Affan Ahmed
7 months ago
উত্তরঃ

একক ধনাত্মক আধানকে তড়িৎ ক্ষেত্রের এক বিন্দু থেকে অন্য বিন্দুতে স্থানান্তর করতে সম্পন্ন কাজের পরিমাণই হলো ঐ দুই বিন্দুর বিভব পার্থক্য। ধরি, দুটি বিন্দু A ও B এর বিভব যথাক্রমে VA এবং VB যেহেতু অসীম থেকে একক ধনাত্মক আধান A আনতে কৃতকাজ VA এবংVB বিন্দুতে আনতে কৃতকাজ VB অতএব, একক ধনাত্মক আধানকে B হতে A বিন্দুতে আনতে কাজের পরিমাণ হবে VA - VB যা দুই বিন্দুর বিভব পার্থক্য।

Affan Ahmed
Affan Ahmed
7 months ago
উত্তরঃ

আধানযুক্ত ধাতব গোলক দুটিকে পরিবাহক তার দ্বারা যুক্ত করলে নিম্নবর্ণিত ঘটনাগুলোর যেকোনো একটি ঘটতে পারে-
১. বামগোলক থেকে কিছু আধান ডানগোলকে যেতে পারে।
২. ডানগোলক থেকে কিছু আধান বামগোলকে যেতে পারে।
৩. আধান যেমন ছিল তেমনি থাকতে পারে।

Affan Ahmed
Affan Ahmed
7 months ago
উত্তরঃ

বিদ্যুৎ কর্মীরা শূন্যে, থাকার কারণে হাইভোল্টেজ তার স্পর্শ করলে তাদের শরীরের ভোল্টেজ তারের ভোল্টেজের সমান হয়ে যায়। ভোল্টেজ সমান হয়ে গেলে তার থেকে বিদ্যুৎ কর্মীর শরীরে কোনো বিদ্যুৎ প্রবাহিত হয় না। তাই তারা শক খায় না।

Affan Ahmed
Affan Ahmed
7 months ago
উত্তরঃ

কোনো চার্জিত গোলক থেকে। দূরে এ চার্জ রাখা হলে তড়িৎ ক্ষেত্রের মান,

E=kqr2=kqr. 1r=V.1rV=Er

এটিই তড়িৎ বিভব ও তড়িৎ ক্ষেত্র প্রাবল্যের মধ্যে সম্পর্ক।

Affan Ahmed
Affan Ahmed
7 months ago
উত্তরঃ

কোনো পরিবাহীর বিভব একক পরিমাণ বাড়াতে যে পরিমাণ চার্জের প্রয়োজন হয় তাকে ঐ পরিবাহীর ধারকত্ব বলে। একটি গোলাকার পরিবাহীর ধারকত্ব C ' এবং এতে Q  চার্জ দেওয়া হলে বিভব,

V=QC

আবার, ব্যাসার্ধের ধাতব গোলকের জন্য C=rk

Affan Ahmed
Affan Ahmed
7 months ago
উত্তরঃ

একটি সরল ধারক তৈরি করা হয় দুটি অন্তরিত ধাতব পাতকে পরস্পর সমান্তরালে রেখে। যখন একটি ব্যাটারিকে এর দুটি পাতের সাথে সংযুক্ত করা হয়। তখন ব্যাটারির ঋণাত্মক দণ্ড থেকে ইলেকট্রন একটি পাতে প্রবাহিত হয় এবং এটি ঋণাত্মক আধানে আহিত হয়। ধারকের অন্য পাত থেকে ইলেকট্রন ব্যাটারির ধনাত্মক দণ্ডে প্রবাহিত হয়। ফলে ঐ পাত ধনাত্মকভাবে আহিত হয়।

Affan Ahmed
Affan Ahmed
7 months ago
উত্তরঃ

ক্যাপাসিটর ও ব্যাটারির মধ্যে কিছু মূল পার্থক্য হলো-ক্যাপাসিটরের মধ্যে বিভবশক্তি বিদ্যুৎ ক্ষেত্রে জমা থাকে কিন্তু ব্যাটারির মধ্যে বিভবশক্তি রাসায়নিক শক্তি হিসাবে জমা থাকে, ক্যাপাসিটর চার্জিত ও অচার্জিত হতে ব্যাটারি অপেক্ষা কম সময় নেয় এসব পার্থক্য থাকা সত্ত্বেও উভয়ই যেহেতু চার্জ ধরে রাখে তাই ক্যাপাসিটরকে ব্যাটারি হিসাবে ব্যবহার করা সম্ভব।

Affan Ahmed
Affan Ahmed
7 months ago
উত্তরঃ

নিম্নোক্ত পদ্ধতিগুলো অবলম্বন করে একটি ধারকের ধারকত্ব বৃদ্ধি করা যায়:
১. ধারকের পাতের ক্ষেত্রফল বৃদ্ধি করে এর ধারকত্ব বৃদ্ধি করা যায়।
২. ধারকের পাতের মধ্যে উচ্চ ধারকত্বের উপাদান ব্যবহার করে এর ধারকত্ব বৃদ্ধি করা যায়।
৩. ধারকের পাত দুটির মধ্যে ব্যবধান কমিয়ে এর ধারকত্ব বৃদ্ধি করা যায়।

Affan Ahmed
Affan Ahmed
7 months ago
উত্তরঃ

কোনো ধারকের গায়ে 0.025 µF 220 V লেখার অর্থ হলো ঐ ধারকের ধারকত্ব 0.025 µF এবং এটি সর্বোচ্চ 200 V বিভব পার্থক্যে ব্যবহার করা যেতে পারে। 220 V এর বেশি বিভব পার্থক্যে ধারকটি নষ্ট হয়ে যেতে পারে।

Affan Ahmed
Affan Ahmed
7 months ago
উত্তরঃ

ফটোকপিয়ার মেশিনে কাগজের লেখার উপর আলো ফেলে তার প্রতিচ্ছবি একটি বিশেষ ধরনের রোলারে ফেলে রোলারে কাগজের লেখাটির মতো স্থির চার্জ তৈরি করা হয়। এরপর রোলারটিকে পাউডারের মতো সূক্ষ্ম কালির সংস্পর্শে আনা হলে যেখানে যেখানে চার্জ জমা হয়েছে সেখানে কালো কালি লেগে যায়। তারপর একট সাদা কাগজের উপর ছাপ দিয়ে তাপের সাহায্যে কালিটিকে বসিয়ে দেওয়া হয়।

Affan Ahmed
Affan Ahmed
7 months ago
উত্তরঃ

ফটোকপি মেশিনে স্থির তড়িৎ ব্যবহারের সুবিধাগুলো হলো:
১. স্থির তড়িৎ কাগজের ওপর প্রিন্ট হওয়া ছবিকে শক্তভাবে আটকে রাখে।
২. এর ব্যবহারের ফলে ফটোকপি মেশিনে কপি দ্রুত এবং নির্ভুলভাবে স্থানান্তর করা সম্ভব হয়।
৩. এটি ফটোকপি মেশিনে কপিকে স্পষ্ট করে তোলে।
৪. স্থির তড়িৎ ব্যবহারের ফলে প্রিন্টিংয়ের জন্য কম কালি ব্যবহার করা হয়, যা পরিবেশে কম দূষণ সৃষ্টি করে।

Affan Ahmed
Affan Ahmed
7 months ago
উত্তরঃ

জ্বালানি ট্রাকের চাকার সাথে রাস্তার ঘর্ষণে স্থির বিদ্যুৎ তৈরি হলে বিদ্যুৎ স্কুলিংগ তৈরি হয়ে বড় ধরনের বিস্ফোরণ ঘটতে পারে। ট্রাকের পেছনে ট্যাংক থেকে শিকল ঝুলিয়ে দিলে সেটি রাস্তার সাথে ঘষা খেতে থাকে যাতে কোনো স্থির বিদ্যুৎ তৈরি হলে সেটা সাথে সাথে মাটিতে চলে যেতে পারে।

Affan Ahmed
Affan Ahmed
7 months ago
উত্তরঃ

বজ্র বৃষ্টির সময় বায়, ধূলিকণা ইত্যাদির ঘর্ষণের ফলে স্পির বিদ্যুৎ সৃষ্টি হয়। এ স্থির বিদ্যুৎ সৃষ্টির কারণে তখন বিশাল বিভব পার্থক্যের সৃষ্টি হয়। ফলে তখন বায়ুর মধ্য দিয়ে তড়িৎ প্রবাহিত হয়। এ সময় আলোর ঝলকানি সৃষ্টি হয়। এটিই বিজলি।

Affan Ahmed
Affan Ahmed
7 months ago
উত্তরঃ

আমরা জানি, একটি আহিত বস্তুতে তড়িৎ বিভব বস্তুটিতে সঞ্চিত আধানের সমানুপাতিক। অর্থাৎ, একটি বস্তুতে যত আধান সঞ্চিত হতে থাকে এর বিভব তত বাড়তে থাকে। ফলে একটি বস্তুতে যদি প্রচুর স্থির আধান সঞ্চিত হয় তবে সেটি উচ্চ বিভব লাভ করে, তখন সেটি বিপজ্জনক হতে পারে। অতএব, স্থির তড়িৎ কখনও কখনও বিপজ্জনক হতে পারে।

Affan Ahmed
Affan Ahmed
7 months ago
উত্তরঃ

পরীক্ষণীয় বস্তুতে সৃষ্ট স্থির আধান অক্ষুণ্ণ থাকলেই কেবল স্থির বিদ্যুতের পরীক্ষাগুলো ঠিক কাজ করে। কিন্তু বর্ষাকালে বাতাসে প্রচুর জলীয় বাষ্প বিরাজ করায় বাষ্পের ক্ষুদ্রকণা পরীক্ষণীয় বস্তুর সংস্পর্শে এসে চার্জের আদান-প্রদান ঘটায়। তাই বর্ষাকালে স্থির বিদ্যুতের পরীক্ষাগুলো ঠিকমতো কাজ করে না।

Affan Ahmed
Affan Ahmed
7 months ago
উত্তরঃ

শীতপ্রধান দেশে বাতাসে জলীয় বাষ্পের পরিমাণ খুব কম থাকে বলে স্থির বিদ্যুতের প্রভাব অনেক বেশি থাকে। ইলেকট্রনিক্সের কাজ করার সময় নানা ধরনের IC ব্যবহার করতে হয়। এদের মধ্যে কিছু আইসি (IC) আছে তাদের পিনে শুধু হাত দিয়ে স্পর্শ করার জন্য ভোল্টেজের তারতম্যের কারণেই মূল্যবান আইসি নষ্ট হয়ে যেতে পারে। তাই শীত প্রধান দেশে IC নিয়ে কাজ করার সময় সতর্ক থাকতে হয়।

Affan Ahmed
Affan Ahmed
7 months ago
উত্তরঃ

শীতপ্রধান দেশে বাতাসে জলীয় বাষ্পের পরিমাণ খুব কম থাকে বলে স্থির বিদ্যুতের প্রভাব বেশি থাকে। এরকম পরিস্থিতিতে ইলেকট্রনিক্স নিয়ে কাজ করার সময় পুরো টেবিলের উপরের অংশ বিদ্যুৎ পরিবাহী পদার্থ দিয়ে তৈরি করে ভূমির সাথে সংযুক্ত করে দিতে হবে। একই সাথে যে কাজ করবে তার হাতও বিদ্যুৎ পরিবাহী স্ট্র্যাপ দিয়ে ভূমির সাথে সংযুক্ত করে রাখতে হবে।

Affan Ahmed
Affan Ahmed
7 months ago
উত্তরঃ

আমরা জানি, একটি আহিত বস্তুতে তড়িৎ বিভব বস্তুটিতে সঞ্চিত আধানের সমানুপাতিক। অর্থাৎ একটি বস্তুতে যত আধান সঞ্চিত হতে থাকে এর বিভব তত বাড়তে থাকে। ফলে একটি বস্তুতে যদি প্রচুর স্থির আধান সঞ্চিত হয় তবে সেটি উচ্চ বিভব লাভ করে, তখন সেটি বিপজ্জনক হতে পারে। অতএব, স্থির তড়িৎ কখনও কখনও বিপজ্জনক হতে পারে।

Affan Ahmed
Affan Ahmed
7 months ago
উত্তরঃ

শীতপ্রধান দেশে বাতাসে জলীয় বাষ্পের পরিমাণ খুব কম থাকে এবং সেখানে স্থির বিদ্যুতের প্রভাব অনেক বেশি। ইলেকট্রনিকসের কাজ করার সময় নানা ধরনের আইসি ব্যবহার করতে হয়। কিছু কিছু আইসি তাদের পিনে অল্প ভোল্টেজের তারতম্যের কারণেই নষ্ট হয়ে যেতে পারে। কাজেই ইলেকট্রনিকসের কাজ করার সময় শুধু হাত দিয়ে স্পর্শ করার কারণেই একটি মূল্যবান আইসি কিংবা সার্কিট বোর্ড নষ্ট হয়ে যেতে পারে। এরকম পরিস্থিতিতে কাজ করার জন পুরো টেবিলে উপরের অংশ বিদ্যুৎ পরিবাহী পদার্থ দিয়ে তৈরি ভূমির সাথে সংযুক্ত করে দেওয়া হয়। একই সাথে যে কাজ করে তার হাতেও বিদ্যুৎ পরিবাহী স্ট্র্যাপ দিয়ে ভূমির সাথে সংযুক্ত রাখা হয়।

Affan Ahmed
Affan Ahmed
7 months ago
উত্তরঃ

জলীয় বাষ্প বায়ুমণ্ডলের আহিত আয়নগুলোর ওপর ঘনীভূত হয়ে পানি কণার সৃষ্টি করে এবং তড়িতাহিত হয়। এই ধরনের পানির কণাগুলো একত্রিত হলেই মেঘের উৎপত্তি হয়। মেঘ ধনাত্মক বা ঋণাত্মক যেকোনো ভাবেই আহিত হতে পারে। তড়িতাহিত মেঘে যদি তড়িতের পরিমাণ বেশি হয়, তাহলে তা তড়িৎক্ষরণের মাধ্যমে পৃথিবীতে চলে আসে। এভাবে বজ্রপাত সৃষ্টি হয়।

Affan Ahmed
Affan Ahmed
7 months ago
উত্তরঃ

বজ্র সৃষ্টির সময় বায়ু, ধূলিকণা ইত্যাদির ঘর্ষণের ফলে স্থির বিদ্যুৎ সৃষ্টি হয়। এ স্থির বিদ্যুৎ সৃষ্টির কারণে যখন বিশাল বিভব পার্থক্যের সৃষ্টি হয় তখন বায়ুর মধ্যদিয়ে তড়িৎ প্রবাহিত হয়। এ সময় বায়ু স্তর কম্পিত হয় ফলে শব্দ সৃষ্টি হয়। এ কারণে বজ্রপাত হলে শব্দ হয়।

Affan Ahmed
Affan Ahmed
7 months ago
উত্তরঃ

ব্যবহারের সময় টেলিভিশনের পর্দা ও কম্পিউটার মনিটর স্থির তড়িতে আহিত হয়। এ আধানগুলো অনাহিত কণা যেমন ধুলো-বালি প্রভৃতিকে আকর্ষণ করে। ফলে এগুলো তাড়াতাড়ি ময়লা হয়ে যায়।

Affan Ahmed
Affan Ahmed
7 months ago
উত্তরঃ

আকাশের মেঘে অনেক বশি চার্জ জমা হলে সেগুলো বাতাসকে আয়নিত করে দ্রুতবেগে মাটিতে নেমে আসে। একে বজ্রপাত বলে। বজ্রপাতের সময় লক্ষ অ্যাম্পিয়ারের মতো বিদ্যুৎ প্রবাহিত হতে পারে এবং এই বিদ্যুৎ প্রবাহের জন্য বাতাসের তাপমাত্রা 20 থেকে 30 হাজার, ডিগ্রি সেলসিয়াস পর্যন্ত হয়ে যায়। বজ্রপাতের সাথে যে শব্দ শোনা যায় তাকে বজ্রনাদ বলে। বজ্রনাদ এক ধরনের শকওয়েভ।

Affan Ahmed
Affan Ahmed
7 months ago
উত্তরঃ

বজ্রপাত হওয়ার উপক্রম হলে বজ্রশলাকাতে ধনাত্মক চার্জ জমা হয় এবং সূচালো শলাকা থাকার কারণে সেখানে তীব্র তড়িৎ ক্ষেত্র সৃস্টি হয়। এই তড়িৎ ক্ষেত্রের কারণে আশেপাশে থাকা বাতাস, জলীয় বাষ্প আয়নিত হয়ে যায় এবং আকাশের দিকে উঠে মেঘের ঋণাত্মক চার্জকে চার্জহীন করে বজ্রপাতের আশঙ্কা কমিয়ে দেয়। এজন্য বজ্রনিরোধক শলাকায় সূচালো মুখযুক্ত শলাকা থাকে।

Affan Ahmed
Affan Ahmed
7 months ago
উত্তরঃ

গাড়িতে স্প্রে করার জন্য স্থির তড়িৎ ব্যবহার করা হয়। স্প্রে করার জন্য স্প্রে গান এমনভাবে তৈরি করা হয় যে এটি রঙের অতি ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র আহিত কণা তৈরি করে। রঙের স্প্রে গানের সূঁচালো প্রান্তটি একটি স্থির তড়িৎ জেনারেটর এর এক প্রান্তে সংযুক্ত করা হয় এবং অপর প্রাপ্ত গাড়ির ধাতব পাতের সাথে সংযুক্ত করা হয় যা ভূমির সাথে যুক্ত থাকে। স্প্রে গান থেকে নির্গত আহিত ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র কণা গাড়ির বাইরের কাঠামো দ্বারা আকৃষ্ট হয়। এভাবে গাড়িতে স্প্রে করা হয়।

Affan Ahmed
Affan Ahmed
7 months ago
উত্তরঃ

বজ্র নিরোধক দণ্ড হলো লোহার তৈরি একটি রড। এটি বাসাবাড়ির ছাদে লাগানো থাকে। লোহা বিদ্যুৎ সুপরিবাহী। এ কারণে বজ্র নিরোধক দণ্ড হিসেবে লোহা ব্যবহার করা হয়। কারণ বাসাবাড়িতে বজ্রপাত ঘটলে তা লোহার ভেতর দিয়ে সহজেই ভূমিতে চলে যেতে পারে। এতে বাসাবাড়ি সুরক্ষিত থাকে। তাই বাসাবাড়িতে বজ্র নিরোধক দণ্ড ব্যবহার করা হয়।

Affan Ahmed
Affan Ahmed
7 months ago
উত্তরঃ

পদার্থ সৃষ্টিকারী মৌলিক কণাসমূহের যেমন- ইলেকট্রন ও প্রোটনের মৌলিক ও বৈশিষ্ট্যমূলক ধর্মই চার্জ বা আধান।

Affan Ahmed
Affan Ahmed
7 months ago
উত্তরঃ

একটি গোটা পরমাণুর চার্জ শূন্য অর্থাৎ তড়িৎ নিরপেক্ষ।

Affan Ahmed
Affan Ahmed
7 months ago
উত্তরঃ

পরমাণুতে যখন ইলেকট্রন ও প্রোটনের সংখ্যার পার্থক্য থাকে তখন পরমাণু তড়িৎগ্রস্ত হয়।

Affan Ahmed
Affan Ahmed
7 months ago
উত্তরঃ

একটি আহিত বস্তুর কাছে এনে স্পর্শ না করে শুধুমাত্র এর উপস্থিতিতে কোনো অনাহিত বস্তুকে আহিত করার পদ্ধতিই তড়িৎ আবেশ।

Affan Ahmed
Affan Ahmed
7 months ago
উত্তরঃ

যে আধান কোনো অনাহিত পরিবাহীতে তড়িৎ আবেশের সৃষ্টি করে তাকে আবেশী আধান বলে।

Affan Ahmed
Affan Ahmed
7 months ago
উত্তরঃ

তড়িৎ আবেশের সময় যে আধান অনাহিত বস্তুতে সঞ্চারিত হয় তাই আবিষ্ট আধান।

Affan Ahmed
Affan Ahmed
7 months ago
উত্তরঃ

যে যন্ত্রের সাহায্যে কোনো বস্তুতে আধানের অস্তিত্ব ও প্রকৃতি নির্ণয় করা যায়, তাই তড়িৎবীক্ষণ যন্ত্র।

Affan Ahmed
Affan Ahmed
7 months ago
উত্তরঃ

তড়িৎবীক্ষণ যন্ত্র দ্বারা আধানের অস্তিত্ব ও প্রকৃতি নির্ণয় করা হয়।

Affan Ahmed
Affan Ahmed
7 months ago
উত্তরঃ

কুলম্বের সূত্রটি হলো- নির্দিষ্ট মাধ্যমে দুটি বিন্দু আধানের মধ্যে ক্রিয়াশীল আকর্ষণ বা বিকর্ষণ বলের মান আধানদ্বয়ের গুণফলের সমানুপাতিক, মধ্যবর্তী দূরত্বের বর্গের ব্যস্তানুপাতিক এবং এ বল এদের সংযোজক সরলরেখা বরাবর ক্রিয়া করে।

Affan Ahmed
Affan Ahmed
7 months ago
উত্তরঃ

কোনো পরিবাহকের মধ্য দিয়ে এক অ্যাম্পিয়ার (1 A) প্রবাহ এক সেকেন্ড (1s) ধরে চললে এর যে কোনো প্রস্থচ্ছেদ দিয়ে যে পরিমাণ আধান প্রবাহিত হয় তাকে এক কুলম্ব (1 C') আধান বলে।

Affan Ahmed
Affan Ahmed
7 months ago
উত্তরঃ

তড়িৎ ক্ষেত্রের কোনো বিন্দুতে একটি একক ধনাত্মক আধান স্থাপন করলে সেটি যে বল অনুভব করে তাকে ঐ বিন্দুর তড়িৎ তীব্রতা বলে।

Affan Ahmed
Affan Ahmed
7 months ago
উত্তরঃ

কোনো তড়িৎক্ষেত্রে একটি মুক্ত ধনাত্মক আধান স্থাপন করলে এটি যে পথে পরিভ্রমণ করে তাকে তড়িৎ বলরেখা বলে।

Affan Ahmed
Affan Ahmed
7 months ago
উত্তরঃ

আহিত বস্তুর চারিদিকে যে অঞ্চল জুড়ে তড়িতের প্রভাব বিদ্যমান থাকে সেই অঞ্চলকে উক্ত বস্তুটির তড়িৎ ক্ষেত্র বলে।

Affan Ahmed
Affan Ahmed
7 months ago
উত্তরঃ

তড়িৎ ক্ষেত্রের কোনো বিন্দুতে বলরেখার সাথে অঙ্কিত স্পর্শক ঐ বিন্দুতে তীব্রতার দিক নির্দেশ করে এবং বলরেখার সাথে লম্বভাবে অবস্থিত একক ক্ষেত্রফলের মধ্য দিয়ে অতিক্রান্ত বলরেখার সংখ্যা তড়িৎ তীব্রতার সমানুপাতিক।

Affan Ahmed
Affan Ahmed
7 months ago
উত্তরঃ

অসীম দূরত্ব থেকে প্রতি একক ধনাত্মক আধানকে তড়িৎ ক্ষেত্রের কোনো বিন্দুতে আনতে যে পরিমাণ কাজ সম্পন্ন হয় তাকে ঐ বিন্দুর ইলেকট্রিক পটেনশিয়াল বা তড়িৎ বিভব বলে।

Affan Ahmed
Affan Ahmed
7 months ago
উত্তরঃ

পটেনশিয়াল পরিবর্তনের সাথে ইলেকট্রিক ফিল্ড সমানুপাতে পরিবর্তন হয়।

Affan Ahmed
Affan Ahmed
7 months ago
উত্তরঃ

তড়িৎ বিভব পরিমাপের একক হলো ভোল্ট। অসীম থেকে প্রতি কুলম্ব ধনাত্মক আধানকে তড়িৎক্ষেত্রের কোনো বিন্দুতে আনতে যদি এক জুল কাজ সম্পন্ন হয়, তবে ঐ বিন্দুর বিভবই এক ভোল্ট।

Affan Ahmed
Affan Ahmed
7 months ago
উত্তরঃ

প্রতি একক ধনাত্মক আধানকে তড়িৎ ক্ষেত্রের এক বিন্দু থেকে অন্য বিন্দুতে আনতে যে পরিমাণ কাজ সম্পন্ন হয় তাকে ঐ বিন্দুর তড়িৎ বিভব পার্থক্য বলে।

Affan Ahmed
Affan Ahmed
7 months ago
উত্তরঃ

কাছাকাছি স্থাপিত দুটি পরিবাহকের মধ্যবর্তী স্থানে অন্তরক পদার্থ রেখে তড়িৎ আধানরূপে শক্তি সঞ্চয় করে রাখার যান্ত্রিক কৌশলই তড়িৎ ধারক।

Affan Ahmed
Affan Ahmed
7 months ago
উত্তরঃ

কোনো একটি পরিবাহীর বিভব একক পরিমাণ বৃদ্ধিতে প্রয়োজনীয় চার্জের পরিমাণকে তার ধারকত্ব বলে।

Affan Ahmed
Affan Ahmed
7 months ago
উত্তরঃ

ফটোকপিয়ার মেশিনে টোনার হিসেবে ঋণাত্মকভাবে আহিত কার্বনের পাউডার কালি ব্যবহৃত হয়।

Affan Ahmed
Affan Ahmed
7 months ago
উত্তরঃ

বজ্রপাতের সাথে সাথে যে শব্দ শোনা যায় তাই বজ্রনাদ।

Affan Ahmed
Affan Ahmed
7 months ago
উত্তরঃ

অনাকাঙ্ক্ষিত বজ্রপাত থেকে বাড়িঘর রক্ষার জন্য বাড়ির ছাদের চেয়ে উঁচু করে যে ধাতব দণ্ড মাটির অনেক গভীর পর্যন্ত পুতে রাখা হয় তাই বজ্র নিরোধক।

Affan Ahmed
Affan Ahmed
7 months ago
উত্তরঃ

জলীয় বাষ্প হলো পানির অণু। পানির অণুতে আংশিক ধনাত্মক এবং ঋণাত্মক প্রান্ত থাকে। এ কারণে পানির অণুতে Dipole উৎপন্ন হয়। ফলে জলীয় বাষ্প চার্জ পরিবাহী হয়। অর্থাৎ, জলীয় বাষ্প চার্জ পরিবাহী হওয়ায় বাতাসে জলীয় বাষ্প থাকলে জমা হওয়া চার্জ দ্রুত হারিয়ে যায়।

Affan Ahmed
Affan Ahmed
7 months ago
উত্তরঃ

সমধর্মী চার্জ হওয়া সত্ত্বেও প্রোটনগুলো একত্রিত হয়ে নিউক্লিয়াস গঠন করে। পরমাণুর কেন্দ্রে অর্থাৎ নিউক্লিয়াসে প্রোটন ও নিউট্রন সবল নিউক্লিয় বলের দ্বারা নিজেদের আটকে রাখে। প্রচন্ড 'বলে আটকে থাকার কারণে এদের মাঝে অনেক বিভব শক্তি জমা থাকে। নিউক্লিয়নসমূহের মধ্যকার এই সরল আকর্ষণ বল, প্রোটনসমূহের মধ্যকার বিকর্ষণ বলের চেয়ে অনেক বেশি মানের। তাই সমধর্মী হওয়া সত্ত্বে প্রোটনগুলো একত্রিত হয়ে সবল নিউক্লীয় বলের মাধ্যমে নিউক্লিয়াস গঠন করে।

Affan Ahmed
Affan Ahmed
7 months ago
উত্তরঃ

ব্যবহারের সময় কম্পিউটারের মনিটর স্থির তড়িতে আহিত হয়। এ. আঘ্রানগুলো অনাহিত কণা যেমন ধুলো-বালি প্রভৃতিকে আকর্ষণ করে। ফলে এটি তাড়াতাড়ি ময়লা হয়ে যায়।

Affan Ahmed
Affan Ahmed
7 months ago
উত্তরঃ

স্বাভাবিক অবস্থায় পদার্থের পরমাণুতে ইলেকট্রন ও প্রোটন সমপরিমাণে থাকে। তবে প্রত্যেক পরমাণুরই প্রয়োজনের অতিরিক্ত ইলেকট্রনের প্রতি আসক্তি থাকে। তাই দুটি বস্তুর মধ্যে ঘর্ষণ দেওয়া হয় তখন যে বস্তুর ইলেকট্রন আসক্তি বেশি সে বস্তু অপর বস্তুটি থেকে ইলেকট্রন সংগ্রহ করে ঋণাত্মক আধানে পরিণত হয়। এভাবে ঘর্ষণের ফলে অনাহিত বস্তু তড়িৎগ্রস্ত হয়।

Affan Ahmed
Affan Ahmed
7 months ago
উত্তরঃ

যে আধান কোনো অনাহিত পরিবাহকে আবেশ সৃষ্টি করে তাকে আবেশী আধান বলে। আবার আবেশী আধানের প্রভাবে কোনো অনাহিত পরিবাহকে যে আধানের সঞ্চার হয় তাকে আবিষ্ট আধান বলে। আবিষ্ট ও আবেশী আধানের প্রকৃতি পরস্পর বিপরীত থাকে।

Affan Ahmed
Affan Ahmed
7 months ago
উত্তরঃ

কোনো বস্তুতে আধানের অস্তিত্ব অর্থাৎ, কোনো বস্তুতে আধান আছে কিনা নির্ণয়ের জন্য বস্তুটিকে একটি অনাহিত তড়িৎবীক্ষণ যন্ত্রের চাকতির কাছে আনতে হবে। এতে যদি পাত দুটি পরস্পর থেকে দূরে সরে যায়, তাহলে বুঝতে হবে বস্তুটিতে আধানের অস্তিত্ব আছে। কিন্তু যদি পাত দুটি পরস্পর থেকে দূরে সরে না যায়, তাহলে বুঝতে হবে বস্তুটিতে আধান নেই।

Affan Ahmed
Affan Ahmed
7 months ago
উত্তরঃ

আমরা জানি, 1 C = 1A×1s

10 কুলম্ব আধান বলতে বোঝায় কোনো পরিবাহীর মধ্যদিয়ে 10 A তড়িৎ প্রবাহ 1s ধরে চললে এর যে কোনো প্রস্থচ্ছেদ দিয়ে প্রবাহিত আধানের পরিমাণ 10 C

Affan Ahmed
Affan Ahmed
7 months ago
উত্তরঃ

যেসব বিন্দুতে দুটি সমান মানের তীব্রতা পরস্পর বিপরীত দিকে কাজ করে সেসব বিন্দু নিরপেক্ষ বিন্দু হিসেবে আচরণ করে। সমান মানের দুটি ধনাত্মক আধানের মধ্যবর্তী অঞ্চলের কোনো নির্দিষ্ট বিন্দুতে আধানদ্বয়ের দরুন সৃষ্ট তড়িৎ তীব্রতার মান সমান কিন্তু দিক বিপরীতমুখী হয়। তাই এদের মধ্যবর্তী অঞ্চলে নিরপেক্ষ বিন্দু সৃষ্টি হয়।

Affan Ahmed
Affan Ahmed
7 months ago
উত্তরঃ

আমরা জানি, দুটি অসমান ধনাত্মক আধানের দরুন সৃষ্ট তড়িৎ তীব্রতা যে বিন্দুতে সমান ও বিপরীতমুখী সে বিন্দুটিই নিরপেক্ষ বিন্দু। তড়িৎ তীব্রতা চার্জের সমানুপাতিক এবং দূরত্বের বর্গের ব্যস্তানুপাতিক।

যেহেতু ক্ষুদ্রতর আধানের ক্ষেত্রে Q এর মান অপেক্ষাকৃত ছোট তাই এ এর মান অপেক্ষাকৃত কম হলেই কেবল তড়িৎ তীব্রতা বৃহত্তর আধানের দরুন তীব্রতার সমান হওয়া সম্ভব। এ কারণে দুটি অসমান ধনাত্মক আধানের নিরপেক্ষ বিন্দু ক্ষুদ্রতর আধানের নিকটতর হয়।

Affan Ahmed
Affan Ahmed
7 months ago
উত্তরঃ

তড়িৎ ক্ষেত্র দ্বারা বুঝা যায় কোনো বিন্দুতে কোনো চার্জের প্রভাব আছে কি-না অর্থাৎ ঐ বিন্দুতে কোনো চার্জ আনলে তা উক্ত চার্জের দরুন কোনো বল অনুভব করবে কি-না। আর তড়িৎ তীব্রতা দ্বারা বুঝা যায় ঐ বিন্দুতে চার্জ আনলে সেটি ক্ষেত্র সৃষ্টকারী চার্জের দরুন কতটুকু বল অনুভব করবে। অর্থাৎ তড়িৎক্ষেত্র হচ্ছে একটি বিষয় আর তড়িৎ তীব্রতা হচ্ছে সে বিষয়ের পরিমাপ। এ কারণে তড়িৎক্ষেত্র ও তড়িৎ তীব্রতা একই নয়।

Affan Ahmed
Affan Ahmed
7 months ago
উত্তরঃ

অসীম দূরত্ব থেকে প্রতি একক ধনাত্মক আধানকে তড়িৎ ক্ষেত্রের কোনো বিন্দুতে আনতে যে পরিমাণ কাজ সম্পন্ন হয় তাকে ঐ বিন্দুর তড়িৎ বিভব বলে। তড়িৎক্ষেত্র সৃষ্টিকারী আহিত বস্তুটির আধান ধনাত্মক হলে একটি ধনাত্মক বস্তুর দিকে আনতে বিকর্ষণ বলের বিরুদ্ধে কাজ করতে হয়। অর্থাৎ অসীম থেকে একটি একক ধনাত্মক আধানকে বস্তুর যত নিকটবর্তী কোনো বিন্দুতে আনতে হবে তত বেশি কাজ করতে হবে। তাই আহিত বস্তুর তড়িৎক্ষেত্রের মধ্যে একটি বিন্দু বস্তুটির যত নিকটে হবে তার বিভবও তত বেশি হবে এবং বিন্দু বস্তু যত দূরে সরে যাবে বিভবও তত হ্রাস পাবে।

Affan Ahmed
Affan Ahmed
7 months ago
উত্তরঃ

কোনোকিছু ঘুরাতে টর্কের প্রয়োজন হয়। বৈদ্যুতিক ফ্যানে সিঙ্গেল ফেজ তড়িৎ মোটর ব্যবহার করা হয়। সিঙ্গেল ফেজ মোটরে শুরুর টর্ক শূন্য। কিন্তু ফ্যান ঘুরার জন্য শুরুর টর্ক অত্যাবশ্যক। এই শুরুর টর্ক উৎপন্নের জন্য বৈদ্যুতিক ফ্যানে ক্যাপাসিটর ব্যবহার করা হয়।

Affan Ahmed
Affan Ahmed
7 months ago
উত্তরঃ

একটি সরল ধারক তৈরি করা হয় দুটি অন্তরিত ধাতব পাতকে পরস্পর সমান্তরালে রেখে। যখন একটি ব্যাটারিকে এর দুটি পাতের সাথে সংযুক্ত করা হয়। তখন ব্যাটারির ঋণাত্মক দণ্ড থেকে ইলেকট্রন একটি পাতে প্রবাহিত হয় এবং এটি ঋণাত্মক আধানে আহিত হয়। ধারকের অন্য পাত থেকে ইলেকট্রন ব্যাটারির ধনাত্মক দণ্ডে প্রবাহিত হয়। ফলে ঐ পাত ধনাত্মকভাবে আহিত হয়।

Affan Ahmed
Affan Ahmed
7 months ago
উত্তরঃ

স্টিলের আলমারি রং করার জন্য স্থির বৈদ্যুতিক রং স্প্রে ব্যবহার করা হয়। এই স্প্রেগুলোতে রঙের খুবই ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র কণা তৈরি করা হয় এবং স্প্রে থেকে বের হওয়ার সময় চার্জযুক্ত হওয়ার কারণে একটি কণা অন্যকে বিকর্ষণ করে ছড়িয়ে পড়ে এবং সে কারণে একটা বড় জায়গাকে খুবই মসৃণভাবে রং করা সম্ভব হয়। রঙের কণাগুলোকে চার্জ করার জন্য রং স্প্রে করার সূচালো মাথাটি একটা উঁচু পটেনশিয়ালের উৎসের সাথে যুক্ত করে নেওয়া হয়। স্টিলের আলমারিটিকে বিপরীত পটেনশিয়ালে কিংবা ভূমির সাথে সংযুক্ত করে নেওয়া হয়। রঙের ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র কণা চার্জড হওয়ার কারণে স্টিলের আলমারিটির দিকে আকর্ষিত হয় এবং সেখানে খুবই দৃঢ়ভাবে সংযুক্ত হয়। শুধু তাই নয়, রঙের কণাগুলো বৈদ্যুতিক বলরেখা বরাবর গিয়ে কাঠামোর যে অপ্রকাশ্য স্থান আছে সেখানেও পৌঁছাতে পারে এবং রঙের আস্তরণ তৈরি করতে পারে।

Affan Ahmed
Affan Ahmed
7 months ago
উত্তরঃ

জ্বালানী পরিবহনের ক্ষেত্রে পেট্রোলবাহী ট্রাকের সাথে একটি ধাতব শিকল লাগানো থাকে যা ট্রাক চলার সময় রাস্তা ছুঁয়ে ছুঁয়ে যায়। যখন রাস্তা দিয়ে ট্রাক চলে তখন পেট্রোল ট্রাকের গায়ে বারবার ধাক্কা খায় এবং এদিক ওদিক দুলতে থাকে। ট্রাকের সাথে পেট্রোলের এ ঘর্ষণের ফলে আধান সঞ্চিত হয়। যদি ট্রাকের কিনারা থেকে একটা স্ফুলিঙ্গ সৃষ্টি হয় তাহলে মর্মান্তিক দুর্ঘটনা ঘটতে পারে এবং পেট্রোলে আগুন ধরে যাবে। কাজেই পেট্রোল আধানের জন্য নিরাপদ স্থান নয়।
ট্রাকের পেছনে শিকল লাগিয়ে এ তড়িৎ ভূমিতে চলে যাওয়ার পথ তৈরি করা হয়। যেহেতু ধাতু খুব ভালো পরিবাহী, তাই তড়িৎ ধীরে ধীরে ধাতব শিকলের মধ্য দিয়ে মাটিতে চলে যায়।

Affan Ahmed
Affan Ahmed
7 months ago
187

শীতকালে চিরুনি দিয়ে চুল আঁচড়ানোর পর সেই চিরুনি ছোট ছোট কাগজের টুকরোর কাছে আনা হলে কাগজের টুকরোগুলো লাফিয়ে চিরুনির দিকে ছুটে আসে। আবার ঝড়ের সময় বজ্রপাতের আলোর ঝলকানির সাথে দিগ্বিদিক প্রকম্পিত করে প্রচণ্ড শব্দে বজ্রপাত হয়। দুটো বিষয়ের জন্য দায়ী স্থির বিদ্যুৎ। আমাদের চারপাশের সবকিছুই আসলে অণু-পরমাণু দিয়ে তৈরি। পরমাণুর কেন্দ্রে থাকে নিউক্লিয়াস এবং সেটিকে ঘিরে বাইরে ইলেকট্রন ঘুরছে। ইলেকট্রনের ঋণাত্মক চার্জ এবং নিউক্লিয়াসের চার্জ ধনাত্মক। কোনো প্রক্রিয়ার যদি পরমাণুর এক বা একাধিক ইলেকট্রনকে আসা করে ফেলা হয় তাহলে স্থির বিদ্যুতের জন্ম হয়। এই অধ্যায়ে আমরা এই স্থির বিদ্যুতের বিভিন্ন প্রক্রিয়া আলোচনা করব। দুটো চার্জকে পাশাপাশি রাখা হলে তারা কী বলে নিজেদের আকর্ষণ করে সেটিও আমরা এই অধ্যায়ে জেনে নেব। 

Related Question

View All
উত্তরঃ

পদার্থের মৌলিক কণাসমূহের মৌলিক ও বৈশিষ্ট্যমূলক ধর্মই হল আধান

Affan Ahmed
Affan Ahmed
7 months ago
398
উত্তরঃ

কোনো বস্তুর সাথে আরেকটি বস্তুর ঘর্ষণ হলে বা সংস্পর্শে আনা হলে যে বস্তুর ইলেকট্রন আসক্তি বেশি তা অপর বস্তু হতে ইলেকট্রন সংগ্রহ করে ঋণাত্মক আধানে আহিত হয় এবং অপরটি ধনাত্মক আধানে আহিত হয়। এভাবে ঘর্ষণের ফলে কোনো বস্তু আহিত হয়।

Affan Ahmed
Affan Ahmed
7 months ago
290
উত্তরঃ

আমরা জানি ঘর্ষণের ফলে কোন বস্তু আহিত হয়। রিমা চিরুনি দিয়ে চুল আঁচড়ানোর সময় চিরুনির সাথে চুলের যে সংঘর্ষ হয়, এর ফলে চিরুনিটি চুল হতে মুক্ত ইলেকট্রন সংগ্রহ করে ঋণাত্মক আধানে আহিত হয়েছে এবং পক্ষান্তরে চুল ধনাত্মক আধানে আহিত হয়েছে। আহিত হওয়ার কারণেই চিরুনিটি ছোট ছোট কাগজের টুকরাকে আকর্ষণ করতে সমর্থ হয়েছে।

Affan Ahmed
Affan Ahmed
7 months ago
191
উত্তরঃ

চিরুনিটিতে আধানের প্রকৃতি নির্ণয়ের জন্য চিরুনিটিকে স্বর্ণপাত তড়িৎবীক্ষণ যন্ত্রের চাকতির সংস্পর্শে আনতে হবে। এর আগে যন্ত্রটিকে ধনাত্মক কিংবা ঋণাত্মক আধানে আহিত করতে হবে। মনে করি যন্ত্রের চাকতি তথা পাতদ্বয়কে ধনাত্মক আধানে আহিত করা হল। ফলে পাতদ্বয় ফাঁক হবে। এরপর চিরুনিটিকে চাকতির সংস্পর্শে আনার পর যদি পাতদ্বয়ের ফাঁক কমে যায়, তাহলে বুঝতে হবে ঐ চিরুনিটি ঋণাত্মক আধানে আহিত। যদি ফাঁক বেড়ে যায় তাহলে বুঝতে হবে চিরুনি ধনাত্মক আধানে আহিত।

Affan Ahmed
Affan Ahmed
7 months ago
140
উত্তরঃ

একটি আহিত বস্তুর চারদিকে যে অঞ্চলব্যাপী তার প্রভাব বজায় থাকে তাকে ঐ বস্তুর তড়িৎক্ষেত্র বলে।

Affan Ahmed
Affan Ahmed
7 months ago
243
উত্তরঃ

P বিন্দুতে স্থাপিত বস্তু তড়িৎক্ষেত্র সৃষ্টিকারী আধান থেকে দূরে সরিয়ে নিলে তার উপর অনুভূত বল কমে যাবে এবং আধানের কাছে সরিয়ে আনলে তার উপর অনুভূত বল বেড়ে যাবে। কারণ কুলম্বের সূত্রানুসারে ক্রিয়াশীল আকর্ষণ বা নিকটতম বল দূরত্বের বর্ণের ব্যাস্তানুপাতিক।

Affan Ahmed
Affan Ahmed
7 months ago
150
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র
মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews