সংক্ষিপ্ত প্রশ্ন

Updated: 6 months ago
উত্তরঃ

বিদ্যুৎ চৌম্বক তরঙ্গ

Affan Ahmed
Affan Ahmed
6 months ago
উত্তরঃ

ভিন্ন ভিন্ন রঙের আলোর তরঙ্গদৈর্ঘ্য ভিন্ন ভিন্ন

Affan Ahmed
Affan Ahmed
6 months ago
উত্তরঃ

বেগুনি আলোর তরঙ্গদৈর্ঘ্য সবচেয়ে কম

Affan Ahmed
Affan Ahmed
6 months ago
উত্তরঃ

লাল সবচেয়ে দূর থেকে দেখা যায়

Affan Ahmed
Affan Ahmed
6 months ago
উত্তরঃ

আলো সরল পথে চলে

Affan Ahmed
Affan Ahmed
6 months ago
উত্তরঃ

যখন বস্তু থেকে আলো আমাদের চোখে আসে

Affan Ahmed
Affan Ahmed
6 months ago
উত্তরঃ

অভিলম্ব ও প্রতিফলকের মধ্যবর্তী কোণ 90 ডিগ্রী

Affan Ahmed
Affan Ahmed
6 months ago
উত্তরঃ

সাদা রঙের তল সব রঙের আলো প্রতিফলিত করে

Affan Ahmed
Affan Ahmed
6 months ago
উত্তরঃ

অঙ্কিত রশ্মির নাম প্রতিফলিত রশ্মি

Affan Ahmed
Affan Ahmed
6 months ago
উত্তরঃ

ব্যাপ্ত প্রতিফলন

Affan Ahmed
Affan Ahmed
6 months ago
উত্তরঃ

প্রতিফলন কোণ 30°

Affan Ahmed
Affan Ahmed
6 months ago
উত্তরঃ

দীপ্তিমান বস্তু

Affan Ahmed
Affan Ahmed
6 months ago
উত্তরঃ

দীপ্তিমান বস্তু

Affan Ahmed
Affan Ahmed
6 months ago
উত্তরঃ

সাদা রঙের তলে সব রঙের আলোই প্রতিফলিত হয়

Affan Ahmed
Affan Ahmed
6 months ago
উত্তরঃ

আলোর প্রতিফলন

Affan Ahmed
Affan Ahmed
6 months ago
উত্তরঃ

আলোর প্রতিফলনের সূত্র দুইটি

Affan Ahmed
Affan Ahmed
6 months ago
উত্তরঃ

প্রতিফলন কোণ, আপতন কোণের সমান প্রতিফলনের ২য় সূত্র

Affan Ahmed
Affan Ahmed
6 months ago
উত্তরঃ

আলোর প্রতিফলন দুই ধরনের

Affan Ahmed
Affan Ahmed
6 months ago
উত্তরঃ

ফ্রেনেলের সূত্র হতে নির্ণয় করা যায়

Affan Ahmed
Affan Ahmed
6 months ago
উত্তরঃ

সবুজ রং শোষণ করে না

Affan Ahmed
Affan Ahmed
6 months ago
উত্তরঃ

সবুজ আলোতে লাল রং কালো দেখায়

Affan Ahmed
Affan Ahmed
6 months ago
উত্তরঃ

নিয়মিত প্রতিফলন হয়

Affan Ahmed
Affan Ahmed
6 months ago
উত্তরঃ

যেখানে আলোর নিয়মিত প্রতিফলন ঘটে তাকে দর্পণ বলে

Affan Ahmed
Affan Ahmed
6 months ago
উত্তরঃ

দুই প্রকার

Affan Ahmed
Affan Ahmed
6 months ago
উত্তরঃ

দুই প্রকার

Affan Ahmed
Affan Ahmed
6 months ago
উত্তরঃ

দুর্পণ তৈরিতে কাচের পেছনে রূপার প্রলেপ দেওয়া হয়

Affan Ahmed
Affan Ahmed
6 months ago
উত্তরঃ

সাধারণ আয়নায় প্রতিবিম্ব অবাস্তব, সোজা

Affan Ahmed
Affan Ahmed
6 months ago
উত্তরঃ

ক্যালাইডোস্কোপ তৈরি হয় তিন টুকরা কাচ দিয়ে

Affan Ahmed
Affan Ahmed
6 months ago
উত্তরঃ

গোলীয় দর্পণের ফোকাস দূরত্ব বক্রতার ব্যাসার্ধের 12গুণ

Affan Ahmed
Affan Ahmed
6 months ago
উত্তরঃ

গোলীয় দর্পণ দুই প্রকার

Affan Ahmed
Affan Ahmed
6 months ago
উত্তরঃ

গোলীয় দর্পণের গৌণ অক্ষ অসংখ্য

Affan Ahmed
Affan Ahmed
6 months ago
উত্তরঃ

একটি চামচের উল্টো পৃষ্ঠ উত্তল গোলীয় আয়নার মতো

Affan Ahmed
Affan Ahmed
6 months ago
উত্তরঃ

একটি চামচের সামনের পৃষ্ঠ অবতল গোলীয় আয়নার মতো

Affan Ahmed
Affan Ahmed
6 months ago
উত্তরঃ

উত্তল আয়নায় ফোকাস দূরত্বের ভেতরে রাখা বস্তুর প্রতিবিম্ব অবাস্তব

Affan Ahmed
Affan Ahmed
6 months ago
উত্তরঃ

উত্তল আয়নার প্রতিবিম্ব সর্বদাই ছোট

Affan Ahmed
Affan Ahmed
6 months ago
উত্তরঃ

উত্তল আয়না যে গোলকের অংশ তার ব্যাসার্ধ বক্রতার ব্যাসার্ধ

Affan Ahmed
Affan Ahmed
6 months ago
উত্তরঃ

উত্তল আয়না সর্বদাই সোজা বিম্ব তৈরি করে

Affan Ahmed
Affan Ahmed
6 months ago
উত্তরঃ

অবতল দর্পণে লক্ষ্যবস্তু বক্রতার কেন্দ্রে থাকলে প্রতিবিম্বের অবস্থান বক্রতার কেন্দ্রে হবে

Affan Ahmed
Affan Ahmed
6 months ago
উত্তরঃ

ভেতরের দিক অবতল আয়নার মতো

Affan Ahmed
Affan Ahmed
6 months ago
উত্তরঃ

লক্ষ্যবস্তুর আকার ছোট হয়।

Affan Ahmed
Affan Ahmed
6 months ago
উত্তরঃ

দুই ধরনের প্রতিবিম্ব তৈরি করে

Affan Ahmed
Affan Ahmed
6 months ago
উত্তরঃ

প্রতিবিম্ব এবং লক্ষ্যবস্তুর দৈর্ঘ্যের অনুপাতকে রৈখিক বিবর্ধন বলে

Affan Ahmed
Affan Ahmed
6 months ago
উত্তরঃ

m দিয়ে প্রকাশ করা হয়

Affan Ahmed
Affan Ahmed
6 months ago
উত্তরঃ

লক্ষ্যবস্তু এবং প্রতিবিম্ব সমান

Affan Ahmed
Affan Ahmed
6 months ago
উত্তরঃ

বিবর্ধনের একক নেই

Affan Ahmed
Affan Ahmed
6 months ago
উত্তরঃ

টেলিস্কোপে কেমন বিবর্ধিত দেখি

Affan Ahmed
Affan Ahmed
6 months ago
উত্তরঃ

অবতল আয়নার ফোকাস বিন্দুতে

Affan Ahmed
Affan Ahmed
6 months ago
উত্তরঃ

তিনটি দর্পণ ব্যবহার করা হয়

Affan Ahmed
Affan Ahmed
6 months ago
উত্তরঃ

গাড়িতে ব্যবহৃত দর্পণ উত্তল

Affan Ahmed
Affan Ahmed
6 months ago
উত্তরঃ

পাহাড়ি রাস্তায় গাড়ি চালানো ঝুঁকিপূর্ণ

Affan Ahmed
Affan Ahmed
6 months ago
উত্তরঃ

পাহাড়ি রাস্তা সাধারণত আঁকাবাঁকা

Affan Ahmed
Affan Ahmed
6 months ago
উত্তরঃ

বিভিন্ন রঙের আলোর জন্য চোখের সংবেদনশীলতার পরিমাপটি বিক্ষেপণের মাত্রা দ্বারা নির্ণয় করা হতে পারে। যে আলোর তরঙ্গদৈর্ঘ্য যত বেশি সে আলোর বিক্ষেপণ তত কম হয় ফলে সে বর্ণের বস্তু থেকে বেশি পরিমাণ ফোটন চোখে প্রবেশ করে ফলে সেই বর্ণের বস্তুটি আমরা তত দূর থেকে তত উজ্জ্বল ও স্পষ্ট দেখি। তবে সেজন্য অবশ্যই আলোকে দৃশ্যমান বর্ণালীর ভেতরের তরঙ্গদৈর্ঘ্যের হতে হবে।

তাছাড়া চোখের সংবেদনশীলতা ও তরঙ্গদৈর্ঘ্যের লেখচিত্র থেকে যেকোনো তরঙ্গ দৈর্ঘ্যের জন্য চোখের সংবেদনশীলতা নির্ণয় করা যাবে।

Affan Ahmed
Affan Ahmed
6 months ago
উত্তরঃ

লাল বর্ণের আলোর তরঙ্গদৈর্ঘ্য সবচেয়ে বেশি হওয়ায় এর বিক্ষেপণ সবচেয়ে কম হয়। ফলে লাল বর্ণ ধূলাবালি, কুয়াশা ইত্যাদির মধ্যদিয়ে অপেক্ষাকৃত অধিক দূর থেকে দেখা যায়। তাই মানুষের চোখ হলুদাভ সবুজ রং সবচেয়ে বেশি দেখতে পেলেও বিপদ সংকেত সবসময় লাল দিয়ে করা হয়।

Affan Ahmed
Affan Ahmed
6 months ago
উত্তরঃ

আয়নাতে বস্তুর সোজা বিম্ব গঠিত হয়। অর্থাৎ কোনো বিন্দুর বিম্ব তার বরাবর গঠিত হয়। ডান হাত বরাবর ডান হাতের বিম্ব বাম হাত বরাবর বাম হাতের বিম্ব মাথা বরাবর মাথার প্রতিবিম্ব গঠিত হয়। যেহেতু, মাথা বরাবর মাথা এবং পা বরাবর পা-এর বিম্ব গঠিত হয়। তাই উপর-নিচ উল্টায় না, কেবল আপেক্ষিক অবস্থানের কারণে ডান-বাম উল্টে গেছে বলে মনে হয়।

Affan Ahmed
Affan Ahmed
6 months ago
উত্তরঃ

একবর্ণী আলোতে রং দেখা যায় না। জোছনার আলো একবর্ণী হওয়ায় এতে রং দেখা যায় না। কারণ, আমাদের চোখের রেটিনাতে আলো সংবেদী দুই ধরনের কোষ রয়েছে। এক ধরনের কোষের নাম "রড", অন্য ধরনের কোষের নাম "কোন"। রড জাতীয় কোষগুলো অত্যন্ত সংবেদনশীল এবং খুব অল্প আলোতে কাজ করতে পারে কিন্তু সেগুলো রং শনাক্ত করতে পারে না। সেজন্য জোছনার মৃদু আলোতে আমরা আবছাভাবে সবকিছু দেখতে পেলেও তাদের রং দেখতে পারি না।

Affan Ahmed
Affan Ahmed
6 months ago
উত্তরঃ

অবতল আয়নায় বিবর্ধিত প্রতিবিম্ব গঠন করা সম্ভব বলে জ্যোতির্বিদদের বড় টেলিস্কোপে সবসময় অবতল আয়না ব্যবহার করা  হয়। কারণ আমরা জানি, অবতল আয়নার সবচেয়ে বড় ব্যবহার হচ্ছে টেলিস্কোপে। পৃথিবীর সবচেয়ে বড় এবং সবচেয়ে সূক্ষ্ম টেলিস্কোপে অবতল আয়না ব্যবহার করা হয়। অনেকে সাধারণভাবে মনে করে দূরের কোনো ছোট জিনিসকে অনেক বড় করে দেখানোই বুঝি ভালো টেলিস্কোপের দায়িত্ব। আসলে সেটি সত্য নয়, ভালো টেলিস্কোপের দায়িত্ব অনেক কম আলোতেও স্পষ্ট প্রতিবিম্ব তৈরি করা। সেজন্য অবতল আয়নার আকার যত বড় হবে, সেটি তত বেশি ভালো সংগ্রহ করে তত স্পষ্ট প্রতিবিম্ব তৈরি করতে পারবে। এজন্যই সব বড় বড় টেলিস্কোপে অবতল আয়না ব্যবহার করা হয়।

Affan Ahmed
Affan Ahmed
6 months ago
উত্তরঃ

আলো যখন বায়ু বা অন্য স্বচ্ছ মাধ্যমের ভিতর দিয়ে যাওয়ার সময় অন্য কোন মাধ্যমে বাধা পায় তখন দুই মাধ্যমের বিভেদতল থেকে কিছু পরিমাণ আলো প্রথম মাধ্যমে ফিরে আসে। এ ঘটনাকে আলোর প্রতিফলন বলে।

Affan Ahmed
Affan Ahmed
6 months ago
উত্তরঃ

একগুচ্ছ সমান্তরাল আলোক রশ্মি কোন মসৃণ তলে আপতিত হয়ে প্রতিফলনের পর সমান্তরাল রশ্মিগুচ্ছ বা অভিসারী বা অপসারী রশ্মিগুচ্ছে পরিণত হয় তবে এ ধরনের প্রতিফলনকে আলোর নিয়মিত প্রতিফলন বা সুষম প্রতিফলন রলে।

ব্যাপ্ত প্রতিফলন: একগুচ্ছ সমান্তরাল আলোকরশ্মি কোনো তলে
আপতিত হয়ে প্রতিফলনের পর আর সমান্তরাল থাকে না বা অভিসারী বা অপসারী রশ্মিগুচ্ছ পরিণত হয় না তবে এ ধরনের প্রতিফলনকে আলোর ব্যাপ্ত প্রতিফলন বা অনিয়মিত প্রতিফলন বলে।

Affan Ahmed
Affan Ahmed
6 months ago
উত্তরঃ

দর্পণ হলো এমন একটি মসৃণ তল যেখানে আলোর নিয়মিত প্রতিফলন ঘটে।

Affan Ahmed
Affan Ahmed
6 months ago
উত্তরঃ

কোনো বিন্দু হতে নির্গত আলোক রশ্মিগুচ্ছ কোনো তলে প্রতিফলিত বা প্রতিসরিত হবার পর দ্বিতীয় কোন বিন্দুতে মিলিত হয় বা দ্বিতীয় কোন বিন্দু হতে অপসারিত হচ্ছে বলে মনে হয়, তখন ঐ দ্বিতীয় বস্তুকে প্রথম বিন্দুর প্রতিবিম্ব বলে। প্রতিবিম্ব দুই প্রকার। যথা-
(১) বাস্তব প্রতিবিম্ব ও
(২) অবাস্তব প্রতিবিম্ব।

Affan Ahmed
Affan Ahmed
6 months ago
উত্তরঃ

MM' একটি অবতল দর্পণ। C বক্রতার কেন্দ্র, F প্রধান ফোকাস এবং P দর্পণের মেরু। OA লক্ষ্যবস্তু আয়নার সামনে প্রধান অক্ষের উপর লম্বভাবে প্রধান ফোকাস এবং মেরুর মধ্যে অবস্থিত।  O বিন্দু থেকে একটি রশ্মি প্রধান অক্ষের সমান্তরালে আপতিত হয়ে আপতিত হয়ে প্রধান ফোকাসের মধ্য দিয়ে প্রতিফলিত হয় এবং অপর একটি রশ্মি বক্রতার ব্যাসার্ধ বরাবর দর্পণে আপতিত হয়ে প্রতিফলনের পর সেটি একই পথে ফিরে যায়। প্রতিফলনের ফলে রশ্মি দুটি পরস্পর অপসারী রশ্মিতে পরিণত হয়। রশ্মি দুটিকে পিছনের দিকে বাড়ালে এরা । বিন্দু থেকে আসছে বলে মনে হয়। অর্থাৎ, 1 বিন্দুই হলো ০ বিন্দুর অবাস্তব প্রতিবিম্ব। । বিন্দু থেকে প্রধান অক্ষের উপর অঙ্কিত IB লম্বই হলো লক্ষ্যবস্তু OA এর অবাস্তব প্রতিবিম্ব। সৃষ্ট প্রতিবিম্বের অবস্থান হলো দর্পণের পিছনে, প্রকৃতি অবাস্তব এবং সোজা এবং আকারে বিবর্ধিত অর্থাৎ বস্তুর চেয়ে আকারে বড়।

Affan Ahmed
Affan Ahmed
6 months ago
উত্তরঃ

বলা আছে লক্ষ্যবস্তুটি উত্তল আয়নাটির ফোকাস দূরত্বের ভিতরে অবস্থিত।

চিত্র: উত্তল আয়নায় ফোকাস দূরত্বের ভিতরে রাখা লক্ষ্যবস্তুর প্রতিবিম্ব গঠন অতএব, প্রতিবিম্ব মেরু ও প্রধান ফোকাসের ভিতরে গঠিত হবে।

Affan Ahmed
Affan Ahmed
6 months ago
উত্তরঃ

চিত্র: অবতল আয়নায় ফোকাস দূরত্বের ভিতরে রাখা লক্ষ্যবস্তুর প্রতিবিম্ব গঠন প্রতিবিম্বের অবস্থান হবে আয়নার পেছনে।

Affan Ahmed
Affan Ahmed
6 months ago
উত্তরঃ

চিত্র: অবতল আয়নায় ফোকাস দূরত্বের বাইরে রাখা একটি বস্তুর প্রতিবিম্ব গঠন প্রতিবিম্বের অবস্থান হবে বক্রতার কেন্দ্র ও অসীমের মাঝে।

Affan Ahmed
Affan Ahmed
6 months ago
উত্তরঃ

চিত্র: অবতল আয়নায় দ্বিগুণ ফোকাস দূরত্বের বাইরে রাখা একটি বস্তুর প্রতিবিম্ব গঠন প্রতিবিম্বের অবস্থান ফোকাস ও বক্রতার কেন্দ্রের মাঝে

Affan Ahmed
Affan Ahmed
6 months ago
উত্তরঃ

আলো হচ্ছে বিদ্যুৎ চৌম্বকীয় তরঙ্গ। এটিকে পর্যাবৃত্ত তরঙ্গও বলে। এটি এক ধরনের শক্তি। যা আমাদের চোখে প্রবেশ করে দর্শনের অনুভূতি সৃষ্টি করে।

Affan Ahmed
Affan Ahmed
6 months ago
উত্তরঃ

আলোর প্রধান বৈশিষ্ট্যগুলো হলো:
১. আলো এক ধরনের বিদ্যুৎ চৌম্বকীয় তরঙ্গ।
২. স্বচ্ছ সমসত্ত্ব মাধ্যমে আলো সরল পথে চলে।
৩. নির্দিষ্ট মাধ্যমে আলোর বেগ নির্দিষ্ট। যেমন শূন্য মাধ্যমে বেগ 3×108 ms-1
৪. আলো কখনো তরঙ্গের ন্যায় আবার কখনো কণার ন্যায় আচরণ করে।

Affan Ahmed
Affan Ahmed
6 months ago
উত্তরঃ

আলোর ভর না থাকা সত্ত্বেও ভরবেগ আছে। কারণ আলো একই সাথে কণা ও তরঙ্গ। আলো তরঙ্গ মানে আলোর তরঙ্গদৈর্ঘ্য আছে। কোনো বস্তুর তরঙ্গদৈর্ঘ্য থাকলে এর ভরবেগ থাকবে। কারণ, কোনো বস্তুর ভরবেগ তার তরঙ্গদৈর্ঘ্যের ব্যস্তানুপাতিক। তাই আলো ভরহীন হওয়া সত্ত্বেও এর ভরবেগ আছে।

Affan Ahmed
Affan Ahmed
6 months ago
উত্তরঃ

আমরা জানি, দৃশ্যমান আলোর তরঙ্গদৈর্ঘ্য 4×10-7m থেকে 7×10-7mঅর্থাৎ, কোনো আলোর তরঙ্গদৈর্ঘ্যের সীমার মধ্যে থাকলে ঐ আলো আমরা দেখতে পাই। X-রশ্মির তরঙ্গদৈর্ঘ্য 10-10m। যা দৃশ্যমান আলোর তরঙ্গদৈর্ঘ্যের সর্বনিম্ন মানের চেয়েও কম। তাই X-রশ্মি, খালি চোখে দেখা যায় না।

Affan Ahmed
Affan Ahmed
6 months ago
উত্তরঃ

রেডিও ওয়েভের তরঙ্গদৈর্ঘ্য হাজার কিলোমিটারের বেশি হতে পারে আবার এক মিটারের চেয়ে কমও হতে পারে। অন্যদিকে দৃশ্যমান আলোর তরঙ্গদৈর্ঘ্য 400 nm থেকে 700 nm পর্যন্ত। আমাদের চোখ এই ব্যাপ্তির বাইরের তরঙ্গদৈর্ঘ্যের আলো দেখতে পায় না। তাই রেডিও ওয়েভের তরঙ্গদৈর্ঘ্য দৃশ্যমান আলোর চেয়ে বড় হলেও তা দেখা যায় না।

Affan Ahmed
Affan Ahmed
6 months ago
উত্তরঃ

আলোর বেগ নির্ভর করে কোনো মাধ্যমের বিদ্যুৎ এবং চৌম্বক প্রবেশ্যতার উপর। ফলে মাধ্যম একই থাকলে আলোর বেগ একই থাকে। পক্ষান্তরে, আলোর ভরবেগ নির্ভর করে এর তরঙ্গদৈর্ঘ্যের উপর। যেহেতু কোনো নির্দিষ্ট মাধ্যমে বিভিন্ন তরঙ্গদৈর্ঘ্যের আলো থাকতে পারে। তাই তাদের বেগ একই হলেও ভরবেগ আলাদা হয়।

Affan Ahmed
Affan Ahmed
6 months ago
উত্তরঃ

পৃথিবীতে সকল শক্তির উৎস হলো সূর্য। এই শক্তি আলোক শক্তিরূপে পৃথিবীতে আসে এবং সবুজ উদ্ভিদ ও প্রাণীকোষে এই শক্তি সঞ্চিত থাকে। আবার সোলার কুকার বা সোলার প্যানেলের মাধ্যমে প্রাপ্ত বিদ্যুৎ শক্তিও এই আলোক শক্তি থেকেই পাওয়া যায়। তাই বলা যায় আলো এক প্রকার শক্তি।

Affan Ahmed
Affan Ahmed
6 months ago
উত্তরঃ

সবচেয়ে বড় তরঙ্গদৈর্ঘ্যের বিদ্যুৎ' চৌম্বকীয় তরঙ্গের নাম রেডিও ওয়েভ। এর চেয়ে ছোটটির নাম মাইক্রোওয়েভ, তার ছোটটি হলো ইনফ্রারেড বা অবলোহিত আলো। এরপর আছে দৃশ্যমান আলো। দৃশ্যমান আলোর চেয়ে ছোট তরঙ্গদৈর্ঘ্যের বিদ্যুৎ চৌম্বকীয় তরঙ্গের নামগুলো যথাক্রমে অতিবেগুনি রশ্মি, এক্স-রে এবং গামা-রে। গামা-রেই হলো সবচেয়ে ছোট তরঙ্গদৈর্ঘ্যের বিদ্যুৎ চৌম্বকীয় তরঙ্গ।

Affan Ahmed
Affan Ahmed
6 months ago
উত্তরঃ

বিদ্যুৎ চৌম্বকীয় তরঙ্গের। তরঙ্গদৈর্ঘ্য কয়েক কিলোমিটার থেকে মিটারের ট্রিলিয়ান ট্রিলিয়ান ভাগের একভাগও হতে পারে। কিন্তু আমরা 400 nm থেকে 700 nm তরঙ্গদৈর্ঘ্যের বিদ্যুৎ চৌম্বকীয় তরঙ্গ দেখতে পাই। এর চেয়ে কম বা বেশি হলে আমরা দেখতে পাই না। তাই সকল তরঙ্গদৈর্ঘ্যের চৌম্বকীয় তরঙ্গ আমরা দেখতে পাই না।

Affan Ahmed
Affan Ahmed
6 months ago
উত্তরঃ

যে বিদ্যুৎ চৌম্বকীয় তরঙ্গের তরঙ্গদৈর্ঘ্য 100 nm থেকে 400 nm এর মধ্যে থাকে তাকে UV বা অতিবেগুনী রশ্মি বলে। UV দৃশ্যমান আলোর সবচেয়ে ছোট তরঙ্গদৈর্ঘ্যের চেয়েও ছোট এবং এক্স-রে থেকে বড় হয়।

Affan Ahmed
Affan Ahmed
6 months ago
উত্তরঃ

সূর্যের আলোর মাঝে দৃশ্যমান আলো ছাড়াও অতিবেগুনি রশ্মি থাকে। যার তরঙ্গদৈর্ঘ্য দৃশ্যমান আলো অপেক্ষা অনেক কম। এ কারণে অতিবেগুনি রশ্মি বা আল্ট্রা ভায়োলেট আলো বেশ কিছু জীবাণু, ভাইরাস, ব্যাকটেরিয়া ধ্বংস করতে পারে। তাই তুলে রাখা কম্বল বা লেপ শীতকালে ব্যবহার করার আগে কয়েকদিন রোদে রাখা হলে তা স্বাস্থ্যের জন্য ভালো।

Affan Ahmed
Affan Ahmed
6 months ago
উত্তরঃ

সিডিতে খুবই সূক্ষ্ম খাঁজ কাটা থাকে। ঐ খাঁজগুলো গ্রেটিং হিসেবে কাজ করে। গ্রেটিংগুলো সিডিতে আগত আলোক রশ্মিকে তরঙ্গদৈর্ঘ্য অনুসারে বিভিন্ন রঙের আলোতে বিভক্ত করে। ফলে বর্ণালী সৃষ্টি হয়।

Affan Ahmed
Affan Ahmed
6 months ago
উত্তরঃ

ইনফ্রারেড আলোর তরঙ্গদৈর্ঘ্য দৃশ্যমান আলোর তরঙ্গদৈর্ঘ্যের চেয়ে বেশি হওয়ায় এটিকে খালি চোখে দেখা যায় না। তবে মোবাইল ক্যামেরায় সিসিডি (Charge Coupled Device) নামক আলোক সংবেদনশীল যন্ত্রাংশ ব্যবহার করা হয় যা দৃশ্যমান আলোর সাথে সাথে কিছুটা ইনফ্রারেড আলোও দেখতে পায়। এজন্য মোবাইল ক্যামেরার সাহায্যে ইনফ্রারেড রে খালি চোখেই দেখা যায়।

Affan Ahmed
Affan Ahmed
6 months ago
উত্তরঃ

এক্স-রে এবং সাধারণ আলোর মধ্যে পার্থক্য নিম্নরূপ:

এক্স-রেসাধারণ আলো
১. এক্স-রের তরঙ্গদৈর্ঘ্য কম।১. সাধারণ আলোর তরঙ্গদৈর্ঘ্য এক্স-রে এর চেয়ে বেশি।
২. এক্স-রে দৃশ্যমান নয়।২. সাধারণ আলো দৃশ্যমান।
Affan Ahmed
Affan Ahmed
6 months ago
উত্তরঃ

দৃশ্যমান আলোর সাতটি বর্ণের মধ্যে লাল আলোর তরঙ্গদৈর্ঘ্য সবচেয়ে বেশি বলে বায়ুমন্ডলের মধ্যদিয়ে যাওয়ার সময় অন্যান্য বর্ণের তুলনায় এর বিক্ষেপণ কম হয়। এ কারণে লাল আলো বায়ুমন্ডলে অধিকদূর পর্যন্ত বিস্তার লাভ করতে পারে। ফলে বিপজ্জনক স্থানে আসার অনেক আগে থেকেই লাল আলো দেখতে পেয়ে বিপদ সম্পর্কে সতর্ক হওয়া যায়। এজন্য বিপদ সংকেতে লাল আলো ব্যবহার করা হয়

Affan Ahmed
Affan Ahmed
6 months ago
উত্তরঃ

আলোক রশ্মি এক মাধ্যম দিয়ে চলতে চলতে অন্য এক মাধ্যমের তলে আপতিত হলে দুই মাধ্যমের বিভেদতল হতে কিছু পরিমাণ আলো প্রথম মাধ্যমে ফিরে আসে। এই ঘটনাকে আলোর প্রতিফলন বলে। আলোর প্রতিফলন দুই প্রকার। যথাঃ
১. সুষম বা নিয়মিত প্রতিফলন ও
২. ব্যাপ্ত বা অনিয়মিত প্রতিফলন।

Affan Ahmed
Affan Ahmed
6 months ago
উত্তরঃ

কাচ ফলকের উপর আলো পড়লে তিনটি ভিন্ন ভিন্ন ঘটনা ঘটে। একটি হচ্ছে প্রতিফলন এবং অন্য দুটি হচ্ছে প্রতিসরণ ও শোষণ। কাচ ফলকের উপর আলো পড়লে কিছু আলোর ফিরে আসাকে প্রতিফলন, কিছু আলো শোষিত হওয়াকে শোষণ এবং কিছু আলোর কাঁচ ফলকে ঢুকে যাওয়াকে প্রতিসরণ বলে।

Affan Ahmed
Affan Ahmed
6 months ago
উত্তরঃ

এক গুচ্ছ সমান্তরাল আলোক রশ্মি কোনো পৃষ্ঠে আপতিত হয়ে প্রতিফলনের পর রশ্মিগুচ্ছ যদি সমান্তরাল থাকে (সমতল পৃষ্ঠে) বা অভিসারী বা অপসারী (গোলীয় পৃষ্ঠে) গুচ্ছে পরিণত হয় তবে তাকে সুষম প্রতিফলন এবং যদি রশ্মিগুচ্ছ সমান্তরাল না থাকে বা অভিসারী বা অপসারী গুচ্ছে পরিণত না হয় তবে তাকে ব্যাপ্ত প্রতিফলন বলে।

Affan Ahmed
Affan Ahmed
6 months ago
উত্তরঃ

সুষম প্রতিফলন এবং ব্যাপ্ত প্রতিফলনের মধ্যে পার্থক্য নিচে দেওয়া হলো-

সুষম প্রতিফলনব্যাপ্ত প্রতিফলন
১. প্রতিফলক পৃষ্ঠ মসৃণ হলে আলোর সুষম প্রতিফলন ঘটে।১. প্রতিফলক পৃষ্ঠ অমসৃণ হলে আলোর ব্যাপ্ত প্রতিফলন ঘটে।
২. এই প্রতিফলনে বস্তু উজ্জ্বল দেখায়।২. এই প্রতিফলনে বস্তু অনুজ্জ্বল দেখায়।
Affan Ahmed
Affan Ahmed
6 months ago
উত্তরঃ

আলোর প্রতিফলনের সূত্র দুটি হলো-
প্রথম সূত্র: আপতিত রশ্মি, প্রতিফলিত রশ্মি এবং আপতন বিন্দুতে অঙ্কিত লম্ব একই সমতলে অবস্থান করে।
দ্বিতীয় সূত্র: প্রতিফলন কোণ আপতন কোণের সমান হয়।

Affan Ahmed
Affan Ahmed
6 months ago
উত্তরঃ

আপতিত রশ্মি অভিলম্বের সাথে যে কোণ উৎপন্ন করে তাকে আপতন কোণ বলে। আবার প্রতিফলিত রশ্মি অভিলম্বের সাথে যে কোণ উৎপন্ন করে তাকে প্রতিফলন কোণ বলে।

চিত্রে ∠AON হলো আপতন কোণ এবং ∠BON হলো প্রতিফলন কোণ।

Affan Ahmed
Affan Ahmed
6 months ago
উত্তরঃ

যদি একগুচ্ছ সমান্তরাল আলোকরশ্মি কোনো মসৃণ তলে আপতিত হয়ে প্রতিফলনের পর সমান্তরাল রশ্মিগুচ্ছ বা অভিসারী বা অপসারী রশ্মিগুচ্ছে পরিণত হয় তবে এ ধরনের প্রতিফলনকে আলোর নিয়মিত প্রতিফলন বলে। ব্যাপ্ত প্রতিফলনের ক্ষেত্রে প্রতিফলনের পর প্রাপ্ত রশ্মিগুচ্ছ সমান্তরাল বা অভিসারী বা অপসারী ধরনের হয় না। নিয়মিত প্রতিফলনের ফলে বস্তুকে উজ্জ্বল দেখায়, অপরদিকে ব্যাপ্ত প্রতিফলনের ফলে বস্তুকে অনুজ্জ্বল দেখায়।

Affan Ahmed
Affan Ahmed
6 months ago
উত্তরঃ

আলোর প্রতিফলনের ২য় সূত্র হলো আপতন কোণ = প্রতিফলন কোণ। প্রতিফলক পৃষ্ঠে আলোক রশ্মি লম্বভাবে আপতিত হলে আপতন কোণের মান শূন্য হয়। এজন্য আলোর প্রতিফলনের ২য় সূত্রানুসারে প্রতিফলন কোণের মান শূন্য হয়।

Affan Ahmed
Affan Ahmed
6 months ago
উত্তরঃ

যে সকল বস্তু থেকে ব্যাপ্ত প্রতিফলন হয় তাদের পৃষ্ঠতল অমসৃণ হয়। আপতিত রশ্মিগুলো এই তলের বিভিন্ন বিন্দুতে বিভিন্ন কোণে আপতিত হওয়ায় প্রতিফলিত রশ্মিগুলো আর সমান্তরাল থাকে না। ফলে আমাদের চোখে যে সকল প্রতিফলিত রশ্মি প্রবেশ করে তারা ব্যাপ্ত প্রকৃতির হয়। এজন্য ব্যাপ্ত প্রতিফলনে বস্তুগুলো অনুজজ্জ্বল দেখায়।

Affan Ahmed
Affan Ahmed
6 months ago
উত্তরঃ

বিক্ষিপ্ত প্রতিফলনে একগুচ্ছ সমান্তরাল আলোক রশ্মি কোনো তলে আপতিত হলে প্রতিফলের পর আর সমান্তরাল থাকে না, বরং বিভিন্ন দিকে ছড়িয়ে পড়ে। অর্থাৎ বিক্ষিপ্ত প্রতিফলন হলে আলোক রশ্মি অভসারী বা অপসারী রশ্মিগুচ্ছে পরিণত হয় না। কিন্তু বিম্ব সৃষ্টির মূল শর্ত হচ্ছে প্রতিফলিত আলোক রশ্মিগুচ্ছকে অভিসরী বা অপসারী হতে হবে। তাই এক্ষেত্রে বিম্ব সৃষ্টি হয় না।

Affan Ahmed
Affan Ahmed
6 months ago
উত্তরঃ

ব্যাপ্ত প্রতিফলনে সমান্তরাল আলোক রশ্মিগুচ্ছ প্রতিফলনের পর সমান্তরাল থাকে না বা অভিসারী বা অপসারী গুচ্ছে পরিণত হয় না। প্রতিফলক পৃষ্ঠ মসৃণ না হলে এরূপ ঘটে। এক্ষেত্রে, যেহেতু প্রতিফলক পৃষ্ঠ অমসৃণ হয় তাই আলোক রশ্মি প্রতিফলক পৃষ্ঠের বিভিন্ন বিন্দুতে বিভিন্ন কোণে আপতিত হয়। ফলে তাদের প্রতিফলন কোণও বিভিন্ন হয়। তবে তা ঐ রশ্মির আপাতন কোণের সমান হয়। তাই বলা যায়, ব্যাপ্ত প্রতিফলনে প্রতিটি আলোক রশ্মির আপতন কোণ ও প্রতিফলন কোণ সমান হয়।

Affan Ahmed
Affan Ahmed
6 months ago
উত্তরঃ

কোনো বস্তুর উজ্জ্বলতা বা অনুজ্জ্বলতা নির্ভর করে উক্ত বস্তুর তলের মৃসণতার উপর। আমাদের চারপাশে যে সকল বস্তু দেখতে পাই তাদের অধিকাংশই মসৃণ নয়। ফলশ্রুতিতে আমাদের চোখে যে সকল প্রতিফলিত রশ্মি প্রবেশ করে তারা ব্যাপ্ত প্রকৃতির হয়। ফলে বস্তুগুলোর মসৃণতার ভিত্তিতে তা আমাদের চোখে উজ্জ্বল বা অনুজ্জ্বল দেখায়। গ্লাস বা কাচ অপেক্ষা হীরকের তল মসৃণ। তাই হীরক হতে প্রতিফলিত রশ্মি গ্লাস বা কাচ হতে প্রতিফলিত রশ্মি অপেক্ষা উজ্জ্বলতর হয়। তাই এক টুকরো কাচ অপেক্ষা এক টুকরো হীরক বেশি উজ্জ্বল।

Affan Ahmed
Affan Ahmed
6 months ago
উত্তরঃ

লম্বভাবে আপতিত আলোক রশ্মির ক্ষেত্রে প্রতিফলিত রশ্মিও লম্বভাবে গমণ করে। সুতরাং এক্ষেত্রে আপতন কোণ,θ1=0এবং প্রতিফলন কোণ, θ2=0

অতএব, লম্বভাবে আপতিত আলোকরশ্মির ক্ষেত্রেও প্রতিফলনের সূত্র একই।

Affan Ahmed
Affan Ahmed
6 months ago
উত্তরঃ

আলোর প্রতিফলন ও শোষণের কারণে আমরা রঙিন বস্তু রঙিন দেখি। কোনো বস্তু তার উপর আপতিত আলোক রশ্মিগুলোর মধ্যে নিজের রং ছাড়া বাকি সব রঙের আলো শোষণ করে নেয় এবং  নিজের রং প্রতিফল করে। এ প্রতিফলিত রশ্মি চোখের রেটিনার কোণ কোষ দ্বারা মস্তিষ্কে রঙিন বস্তু দেখার অনুভূতি জাগায়। তাই আমরা বস্তু রঙিন দেখি।

Affan Ahmed
Affan Ahmed
6 months ago
উত্তরঃ

কোনো বস্তু তার উপর আপতিত আলোক রশ্মিগুলোর মধ্যে নিজের রং ছাড়া বাকি সব রঙের আলো শোষণ করে নেয় এবং নিজের রং প্রতিফলিত করে। এ প্রতিফলিত রশ্মি চোখের রেটিনার কোণ কোষ দ্বারা মস্তিষ্কে রঙিন বস্তু দেখার অনুভূতি জাগায়। এখন, লাল আলোতে গাছের পাতাকে কালো দেখায়, কারণ পাতাটা লাল রংকে শোষণ করে ফেলে এবং কোনো রং প্রতিফলিত করে না।

Affan Ahmed
Affan Ahmed
6 months ago
উত্তরঃ

আলোর প্রতিফলন ও শোষণের কারণে আমরা রঙিন বস্তু রঙিন দেখি। কোনো বস্তু তার উপর আপতিত আলোক রশ্মিগুলোর মধ্যে নিজের রং ছাড়া বাকি সব রঙের আলো শোষণ করে নেয় এবং নিজের রং প্রতিফলতি করে। এ প্রতিফলিত রশ্মি চোখের রেটিনার কোন কোষ দ্বারা মস্তিষ্কে রঙিন বস্তু দেখার অনুভূতি জাগায়। আমরা জানি, সাধারণ আলো সাত রঙের সমষ্টি। সাধারণ আলোতে গাছের পাতা নিজের সবুজ রং ছাড়া বাকি সব রঙের আলো শোষণ করে এবং সবুজ রঙের আলো প্রতিফলন করে ফলে আমরা একে সবুজ দেখি।

Affan Ahmed
Affan Ahmed
6 months ago
উত্তরঃ

সাদা রঙের বস্তু সকল রঙের আলোকে প্রতিফলিত করে, কোনো শোষন করে না। সিনেমার পর্দা সাধারণত সাদা হয় কারণ সাদা পর্দার উপর আলো ফেললে সকল রঙ প্রতিফলিত হয় এবং সিনেমাটি ঠিকঠাকভাবে ফুটে উঠে। অন্যথায় যদি কিছু কিছু রঙের আলোর শোষণ ঘটতো তবে সিনেমায় সর্বদা সেই রঙগুলো অনুপস্থিত থাকতো। এই সমস্যা এড়ানোর জন্য সিনেমায় সাদা পর্দা ব্যবহার করা হয়।

Affan Ahmed
Affan Ahmed
6 months ago
উত্তরঃ

সাদা রঙের বস্তু সকল রঙের আলোকে প্রতিফলিত করে, কোনো শোষন করে না। সিনেমার পর্দা সাধারণত সাদা হয় কারণ সাদা পর্দার উপর আলো ফেললে সকল রঙ প্রতিফলিত হয় এবং সিনেমাটি ঠিকঠাকভাবে ফুটে উঠে। অন্যথায় যদি কিছু কিছু রঙের আলোর শোষণ ঘটতো তবে সিনেমায় সর্বদা সেই রঙগুলো অনুপস্থিত থাকতো। এই সমস্যা এড়ানোর জন্য সিনেমায় সাদা পর্দা ব্যবহার করা হয়।

Affan Ahmed
Affan Ahmed
6 months ago
উত্তরঃ

কোনো বস্তুর উপর আলোক রশ্মি আপতিত হলে বস্তুটি নিজের রংকে প্রতিফলিত করে এবং বাকি সব রং বা বর্ণকে শোষণ করে। গাছের সবুজ পাতার উপর নীল আলো পড়লে পাতাটি নীল আলোকে শোষণ করে ফলে পাতাটি কালো দেখায়। কিন্তু খাতার সাদা পৃষ্ঠার ক্ষেত্রে পৃষ্ঠাটি নীল রংকে প্রতিফলিত করে। এক্ষেত্রে খাতার সাদা পৃষ্ঠা নীল দেখায়।

Affan Ahmed
Affan Ahmed
6 months ago
উত্তরঃ

গোলাপ ফুলকে যখন আমরা সবুজ প্লাসের বা কাচের মধ্য - দিয়ে দেখি তখন গোলাপ ফুল সবুজ রং শোষণ করে। তাই গোলাপ ফুলে প্রতিফলিত হওয়ার মতো কোনো রং থাকে না। তাই গোলাপ ফুলকে লাল না দেখিয়ে কাল দেখায়।

Affan Ahmed
Affan Ahmed
6 months ago
উত্তরঃ

আলোর প্রতিফলন ও শোষণের কারণে আমরা রঙিন বস্তু রঙিন দেখি। কোনো বস্তু তার উপর আপতিত আলোক রশ্মিগুলোর মধ্যে নিজের রং ছাড়া বাকি সব রঙের আলো শোষণ করে নেয় এবং নিজের রং প্রতিফলিত করে। এ প্রতিফলিত রশ্মি চোখের রেটিনার কোণ কোষ দ্বারা মস্তিষ্কে রঙিন বন্ধু দেখার অনুভূতি জাগায়। এখন, লাল আলোতে গাছের সবুজ পাতা দেখলে পাতাটি সবুজ আলো শোষণ করে নিবে। ফলে কোনো রং প্রতিফলিত না হওয়ায় পাতাটি কালো দেখায়।

Affan Ahmed
Affan Ahmed
6 months ago
উত্তরঃ

কোনো বস্তুর উপর আলোক রশ্মি আপতিত হলে বস্তুটি নিজের রংকে প্রতিফলিত করে এবং বাকি সব বর্ণ বা রংকে শোষণ করে। আম গাছের সবুজ পাতার উপর সবুজ আলো পড়লে তা সবুজ আলোকে প্রতিফলিত করে তাই পাতাটি সবুজ দেখায়। কিন্তু পাকা আম ভিন্ন বর্ণের হওয়ায় তা সবুজ আলোকে শোষণ করে। এজন্য পাকা আম কালো দেখায়।

Affan Ahmed
Affan Ahmed
6 months ago
উত্তরঃ

কোনো বস্তুর উপর আলোক রশ্মি আপতিত হলে বস্তুটি নিজের রংকে প্রতিফলিত করে এবং বাকি সব বর্ণ বা রংকে শোষণ করে। আম গাছের সবুজ পাতার উপর সবুজ আলো পড়লে তা সবুজ আলোকে প্রতিফলিত করে তাই পাতাটি সবুজ দেখায়। কিন্তু পাকা আম ভিন্ন বর্ণের হওয়ায় তা সবুজ আলোকে শোষণ করে। এজন্য পাকা আম কালো দেখায়।

Affan Ahmed
Affan Ahmed
6 months ago
উত্তরঃ

আমরা জানি যেকোনো মসৃণ তলে আলোর নিয়মিত প্রতিফলন ঘটে এবং তলের সামনে প্রতিবিম্ব গঠিত হয়। কিন্তু অমসৃণ তলে প্রতিফলনের পর সামনে প্রতিবিম্ব গঠিত হয় না এবং আলোকে সকল দিকে ছড়িয়ে দেয়। সিনেমার পর্দার সামনে যাতে প্রতিবিম্ব গঠিত না হতে পারে এবং সকল দিকের দর্শক বসে ঠিকঠাক দেখতে পারে সেজন্য সিনেমার পর্দা হালকা অমসৃণ হয়।

Affan Ahmed
Affan Ahmed
6 months ago
উত্তরঃ

যে মসৃণ পৃষ্ঠে আলোর নিয়মিত প্রতিফলন ঘটে তাকে দর্পণ বা আয়না বলে। দর্পণ দুই প্রকার। যথা:
১. সমতল দর্পণ ও
২. গোলীয় দর্পণ।

Affan Ahmed
Affan Ahmed
6 months ago
উত্তরঃ

টেলিস্কোপ বা অপটিক্যাল যন্ত্রে মূল প্রতিবিম্ব খুব গুরুত্বপূর্ণ হয়। কাচের পেছনের পৃষ্ঠে সিলভারিং করলে একটি 4% হালকা এবং অপরটি 96% স্পষ্ট দুটি প্রতিবিম্ব গঠিত হয়। কিন্তু উপরের পৃষ্ঠে সিলভারিং করলে দুটি প্রতিবিম্ব তৈরি না হয়ে একটি 100% স্পষ্ট প্রতিবিম্ব তৈরি হয়। তাই টেলিস্কোপে কাচের উপরের পৃষ্ঠে সিলভারিং করা হয়।

Affan Ahmed
Affan Ahmed
6 months ago
উত্তরঃ

আয়না তৈরির জন্য দর্পণ বা আয়নাতে ব্যবহৃত কাচের একপৃষ্ঠে পারদ, অ্যালুমিনিয়াম বা রূপার প্রলেপ লাগানো হয়। কাচের পেছনের পৃষ্ঠে এই প্রলেপ দেওয়াকে সিলভারিং করা বলে। সিলভারিং করলে কাচের প্রথম পৃষ্ঠে 4% হালকা এবং দ্বিতীয় পৃষ্ঠে 96% স্পষ্ট প্রতিবিম্ব তৈরি হয়।

Affan Ahmed
Affan Ahmed
6 months ago
উত্তরঃ

যখন কোনো বিন্দু থেকে নিঃসৃত আলোক রশ্মিগুচ্ছ প্রতিফলন বা প্রতিসরণের পর দ্বিতীয় কোনো বিন্দুতে মিলিত হয় বা দ্বিতীয় কোনো বিন্দু থেকে অপসৃত হচ্ছে বলে মনে হয় তখন দ্বিতীয় বিন্দুতে প্রথম বিন্দুর প্রতিবিম্ব গঠিত হয়। এ প্রতিবিম্ব বিভিন্ন ধরনের দর্পণ বা লেন্স দ্বারা উৎপন্ন করা হয়।

Affan Ahmed
Affan Ahmed
6 months ago
উত্তরঃ

কোনো বিন্দু হতে নিঃসৃত আলোক রশ্মিগুচ্ছ কোনো তলে প্রতিসরিত বা প্রতিফলিত হওয়ার পর যদি দ্বিতীয় কোনো বিন্দুতে মিলিত হয় বা দ্বিতীয় কোনো বিন্দু হতে অপসারিত হচ্ছে বলে মনে হয় তখন ঐ দ্বিতীয় বিন্দুটিকে প্রথম বিন্দুর প্রতিবিম্ব বলে। প্রতিবিম্ব
দুই প্রকার।
যথা: ১. বাস্তব প্রতিবিম্ব ও
২. অবাস্তব প্রতিবিম্ব।

Affan Ahmed
Affan Ahmed
6 months ago
উত্তরঃ

বাস্তব প্রতিবিম্বের তিনটি বৈশিষ্ট্য নিচে দেওয়া হলো-
১. কোনো বিন্দু হতে নিঃসৃত আলোক রশ্মিগুচ্ছ প্রতিফলন বা প্রতিসরণের পর দ্বিতীয় কোন বিন্দুতে মিলিত হলে বাস্তব প্রতিবিম্ব গঠিত হয়।
২. বাস্তব বিম্ব লক্ষ্যবস্তুর উল্টো হয়।
৩. বাস্তব বিম্ব পর্দায় ফেলা যায়।

Affan Ahmed
Affan Ahmed
6 months ago
উত্তরঃ

বাস্তব এবং অবাস্তব প্রতিবিম্বের মধ্যে পার্থক্য নিচে দেওয়া হলো-

বাস্তব প্রতিবিম্বঅবাস্তব প্রতিবিম্ব
১. কোনো বিন্দু হতে নিঃসৃত আলোক রশ্মিগুচ্ছ প্রতিফলন বা প্রতিসরণের পর দ্বিতীয় কোনো বিন্দুতে মিলিত হলে বাস্তব প্রতিবিম্ব গঠিত হয়।১. কোনো বিন্দু হতে নিঃসৃত আলোক রশ্মিগুচ্ছ প্রতিফলন বা প্রতিসরণের পর দ্বিতীয় কোনো বিন্দু থেকে অপসৃত হচ্ছে বলে মনে হলে অবাস্তব প্রতিবিম্ব গঠিত হয়।
২. প্রতিবিম্ব লক্ষ্যবস্তুর উল্টো হয়।
২. সিধা প্রতিবিম্ব হয়
৩. প্রতিবিম্ব পর্দায় ফেলা যায়।৩. প্রতিবিম্ব পদীয় ফেলা যায় না।
Affan Ahmed
Affan Ahmed
6 months ago
উত্তরঃ

সমতল দর্পণে কোনো আলোক রশ্মি লম্বভাবে আপতিত হলে, আপতিত রশ্মি আপতন বিন্দুতে বিভেদতলের উপর অঙ্কিত অভিলম্বের সাথে একই সরলরেখায় থাকে। অর্থাৎ এক্ষেত্রে আপতন কোণ শূন্য। যেহেতু আপতন কোণ ও প্রতিফলন কোণ সর্বদা সমান তাই প্রতিফলন কোণও শূন্য হয়। ফলে আলোক রশ্মি অভিলম্ব বরাবর অর্থাৎ আপতিত রশ্মির দিকে ফিরে আসে।

Affan Ahmed
Affan Ahmed
6 months ago
উত্তরঃ

সমতল দর্পণে সৃষ্ট প্রতিবিম্বের নিম্নোক্ত বৈশিষ্ট্যসমূহ রয়েছে:
১. দর্পণ থেকে বস্তুর দূরত্ব যত, দর্পণ থেকে প্রতিবিম্বের দূরত্ব ততো।
২. প্রতিবিম্ব অসদ ও সোজা।
৩. প্রতিবিম্বের পার্শ্ব পরিবর্তন ঘটে।
৪. প্রতিবিম্বের আকার বস্তুর আকারের সমান।

Affan Ahmed
Affan Ahmed
6 months ago
উত্তরঃ

আয়নাতে বস্তুর সোজা বিশ্ব গঠিত হয়। অর্থাৎ কোনো বিন্দুর বিশ্ব তার বরাবর গঠিত হয়। ডান হাত বরাবর ডান হাতের বিশ্ব বাম হাত বরাবর বাম হাতের বিশ্ব মাথা বরাবর মাথার প্রতিবিম্ব গঠিত হয়। যেহেতু, মাথা বরাবর মাথা এবং পা বরাবর পা-এর বিম্ব গঠিত হয়। তাই উপর-নিচ উল্টায় না, কেবল আপেক্ষিক অবস্থানের কারণে ডান-বাম উল্টে গেছে বলে মনে হয়। অর্থাৎ প্রতিবিম্বের পার্শ্ব পরিবর্তন ঘটে।

Affan Ahmed
Affan Ahmed
6 months ago
উত্তরঃ

সমতল দর্পণের সামনে দাঁড়ালে আমাদের ডান হাতকে বাম হাত এবং বাম হাতকে ডান হাত বলে মনে হয়। কারণ, সমতল দর্পণে আমাদের শরীরের বিভিন্ন অংশের পার্শ্বীয় পরিবর্তন ঘটে। ফলে আমাদের শরীরের ডানদিকের অংশের সমগ্র প্রতিবিম্বটি বাম দিকে এবং বামদিকের অংশের প্রতিবিম্বটি ডানদিকে দেখা যায়। তাই সমতল দর্পণের সামনে দাঁড়ালে আমাদের ডান হাতকে বাম হাত এবং বাম হাতকে ডান হাত বলে মনে হয়।

Affan Ahmed
Affan Ahmed
6 months ago
উত্তরঃ

আমরা জানি, পূর্ণদৈর্ঘ্য প্রতিবিম্ব সৃষ্টির ক্ষেত্রে, দর্পণের দৈর্ঘ্য = ×দর্শকের উচ্চতা অর্থাৎ পূর্ণদৈর্ঘ্য প্রতিবিম্বের গঠনের জন্য দর্পণের দৈর্ঘ্য তার দর্শকের উচ্চতার অর্ধেকের সমান। এজন্য পূর্ণদৈর্ঘ্য প্রতিবিম্ব দেখার জন্য অর্ধদৈর্ঘ্য আয়নার প্রয়োজন হয়।

Affan Ahmed
Affan Ahmed
6 months ago
উত্তরঃ

সমতল দর্পণে আপতিত আলোর কতটুকু প্রতিফলিত হবে তা নির্ভর করে-
১. আপতিত আলো দর্পণের উপর কত কোণে আপতিত হচ্ছে
২. প্রথম ও দ্বিতীয় মাধ্যমের প্রকৃতির উপর।

Affan Ahmed
Affan Ahmed
6 months ago
উত্তরঃ

আমরা জানি, পূর্ণদৈর্ঘ্য বিম্ব দেখার জন্য দর্পণের দৈর্ঘ্য দর্শকের উচ্চতার অর্ধেক হতে হয়।

দর্পণের দৈর্ঘ্য = 12× দর্শকের উচ্চতা = 12× 168 cm = 84 cm

অতএব, পূর্ণবিম্ব দেখার জন্য তার কমপক্ষে 84 cm দৈর্ঘ্যের সমতল দর্পণের প্রয়োজন।

Affan Ahmed
Affan Ahmed
6 months ago
উত্তরঃ

কোনো বিন্দু হতে নিঃসৃত আলোক রশ্মিগুচ্ছ প্রতিফলন বা প্রতিসরণের পর দ্বিতীয় কোনো বিন্দু থেকে অপসৃত হচ্ছে বলে মনে হলে অবাস্তব প্রতিবিম্ব গঠিত হয়। এক্ষেত্রে প্রতিফলিত বা প্রতিসরিত রশ্মির প্রকৃত মিলন হয় না এবং এ বিম্ব চোখে দেখা যায় কিন্তু পর্দায় ফেলা যায় না এবং বিম্ব সোজা হয়।

Affan Ahmed
Affan Ahmed
6 months ago
উত্তরঃ

সমতল দর্পণে আলোক রশ্মি অভিলম্বভাবে আপতিত হলে তা একই পথে ফিরে আসে। আবার তির্যকভাবে আপতিত হলে তা তির্যকভাবে প্রতিফলিত হয়। এই প্রতিফলিত রশ্মিন্বয় সামনের দিকে মিলিত হয় না। তবে পেছনের দিকে বর্ধিত করলে প্রতিবিম্ব দর্পণের পেছনে গঠিত হয়। যেহেতু, সমতল দর্পণে আলোক রশ্মির প্রকৃত মিলন হয় না তাই এই প্রতিবিম্ব অবাস্তব হয়। তাই সমতল দর্পণে সৃষ্ট প্রতিবিম্ব অবাস্তব।

Affan Ahmed
Affan Ahmed
6 months ago
উত্তরঃ

সমতল দর্পণে আপতিত আলোর কতটুকু প্রতিফলিত হবে তা নির্ভর করে সিলভারিং বা ধাতুর প্রলেপের উপর। সিলভারিং করলে সামনের পৃষ্ঠে 4% আলোর প্রতিফলন হলেও পেছনের পৃষ্ঠ থেকে প্রায় সম্পূর্ণ আলোই প্রতিফলিত হয়। এজন্য বলা যায় প্রতিফলিত আলোর পরিমাণ নির্ভর করবে এর পৃষ্ঠে দেওয়া ধাতুর প্রলেপের উপর।

Affan Ahmed
Affan Ahmed
6 months ago
উত্তরঃ

একটি মসৃণ তলে প্রতিফলক আস্তরণ দিয়ে দর্পণ প্রস্তুত করা হয়। সাধারণত কাচের এক পৃষ্ঠে ধাতুর প্রলেপ লাগিয়ে দর্পণ তৈরি করা হয়। কাচের উপর পারদ বা রূপার প্রলেপ লাগানোর এ প্রক্রিয়াকে পারা লাগানো বা সিলভারিং বলা হয়। ধাতুর প্রলেপ লাগানো পৃষ্ঠের বিপরীত পৃষ্ঠটি এক্ষেত্রে প্রতিফলক হিসেবে কাজ করে। এ কারণেই আয়নার পিছনে পারদের প্রলেপ লাগানো হয়।

Affan Ahmed
Affan Ahmed
6 months ago
উত্তরঃ

সমতল আয়না তৈরি করা হয় কাচের পিছনে সিলভারিং করে। যার ফলে বেশিরভাগ আলো প্রতিফলিত হয়। কিন্তু পানি পৃষ্ঠে আলো আপতিত হলে উল্লেখযোগ্য পরিমাণে আলো প্রতিসরিত ও শোষিত হয়। ফলে খুব অল্প পরিমাণে আলো প্রতিফলিত হয়ে আমাদের চোখে আসে। তাই পানি পৃষ্ঠে বিম্ব অস্পষ্ট দেখায়।

Affan Ahmed
Affan Ahmed
6 months ago
উত্তরঃ

যে গোলীয় তলে আলোর নিয়মিত প্রতিফলন ঘটে তাকে গোলীয় আয়না বা দর্পণ বলে। গোলীয় আয়না দুই প্রকার। যথা:
১. অবতল দর্পণ ও
২. উত্তল দর্পণ।

Affan Ahmed
Affan Ahmed
6 months ago
উত্তরঃ

কোনো গোলকের অবতল পৃষ্ঠে যদি আলোর নিয়মিত প্রতিফলন ঘটে তবে তাকে অবতল আয়না এবং উত্তল পৃষ্ঠে যদি আলোর নিয়মিত প্রতিফলন ঘটে তবে তাকে উত্তল আয়না বলে। মূলত কোন পৃষ্ঠে রূপা বা অ্যালুমিনিয়ামের প্রলেপ দেওয়া হবে তার উপর নির্ভর করে গোলীয় আয়নাটি অবতল না উত্তল গোলীয় আয়না হবে।

Affan Ahmed
Affan Ahmed
6 months ago
উত্তরঃ

নিম্নে উত্তল ও অবতল দর্পণের দুটি পার্থক্য দেওয়া হলো-

উত্তল দর্পণঅবতল দর্পণ
১. উত্তল দর্পণের ক্ষেত্রে গোলকের উত্তল পৃষ্ঠ প্রতিফলকরূপে কাজ করে।১. অবতল দর্পণের ক্ষেত্রে, গোলকের অবতল পৃষ্ঠ প্রতিফলকরূপে কাজ করে।
২. উত্তল দর্পণে সর্বদা অবাস্তব বিম্ব গঠিত হয়।২. অবতল দর্পণে বাস্তব ও অবাস্তব উভয় বিম্বই গঠিত হয়।
Affan Ahmed
Affan Ahmed
6 months ago
উত্তরঃ

যদি একগুচ্ছ সমান্তরাল রশ্মি প্রতিফলনের পর যদি সমান্তরাল থাকে বা অভিসারী বা অপসারী গুচ্ছে পরিণত হয় তবে সেই প্রতিফলনকে নিয়মিত প্রতিফলন বলে। এখন গোলকীয় তল মসৃণ এবং এতে একগুচ্ছ সমান্তরাল রশ্মি প্রতিফলনের পর অভিসারী বা অপসারী হয়। তাই বলা যায়, গোলীয় দর্পণে আলোর নিয়মিত প্রতিফলন হয়।

Affan Ahmed
Affan Ahmed
6 months ago
উত্তরঃ

গোলীয় দর্পণ যে গোলকের অংশ বিশেষ সেই গোলকের ব্যাসার্ধকে বক্রতার ব্যাসার্ধ বলে। বক্রতার ব্যাসার্ধকে। দ্বারা প্রকাশ করা হয়। গোলীয় দর্পণের মেরু থেকে প্রধান ফোকাস পর্যন্ত দূরত্বকে ফোকাস দূরত্ব বলে। একে দ্বারা প্রকাশ করা হয়। ফোকাস দূরত্ব বক্রতার ব্যাসার্ধের অর্ধেক অর্থাৎ  f=r2

Affan Ahmed
Affan Ahmed
6 months ago
উত্তরঃ

কোনো দর্পণের ফোকাস দূরত্ব 10 cm বলতে বুঝায় দর্পণের মেরু থেকে প্রধান ফোকাস পর্যন্ত দূরত্ব 10 cm এবং দর্পণটির বক্রতার ব্যাসার্ধ 20 cm। অর্থাৎ দর্পণটি 20 cm ব্যাসার্ধ বিশিষ্ট বৃত্তের অংশ।

Affan Ahmed
Affan Ahmed
6 months ago
উত্তরঃ

গোলীয় দর্পণের প্রতিফলক পৃষ্ঠের মধ্যবিন্দুকে দর্পণের মেরু বলে। এই মেরু, অবতল দর্পণের ক্ষেত্রে প্রতিফলক পৃষ্ঠের সবচেয়ে নিচু বিন্দুটি এবং উত্তল দর্পণের ক্ষেত্রে প্রতিফলক পৃষ্ঠের সবচেয়ে উঁচু বিন্দুটি হয়ে থাকে।

Affan Ahmed
Affan Ahmed
6 months ago
উত্তরঃ

গোলীয় দর্পণ যে গোলকের অংশ, সে গোলকের ব্যাসার্ধকে ঐ গোলীয় দর্পণের বক্রতার ব্যাসার্ধ বলে।

চিত্রে PC, MC বা M'C এর দৈর্ঘ্য হলো MPM' দর্পণের বক্রতার ব্যাসার্ধ অর্থাৎ মেরু থেকে বক্রতার কেন্দ্র পর্যন্ত দূরত্বকে বক্রতার ব্যাসার্ধ বলে।

Affan Ahmed
Affan Ahmed
6 months ago
উত্তরঃ

প্রধান অক্ষের নিকটবর্তী ও সমান্তরাল রশ্মিগুচ্ছ কোনো গোলীয় দর্পণে আপতিত হয়ে প্রতিফলনের পর প্রধান অক্ষের উপর যে বিন্দুতে মিলিত হয় (অবতল দর্পণে) বা যে বিন্দু থেকে অপসৃত হচ্ছে বলে মনে হয় (উত্তল দর্পণে) তাকে ঐ দর্পণের প্রধান ফোকাস বলে। চিত্র-১ ও চিত্র-২ এ F বিন্দু হলো যথাক্রমে অবতল ও উত্তল দর্পণের প্রধান ফোকাস।

Affan Ahmed
Affan Ahmed
6 months ago
উত্তরঃ

গোলীয় দর্পণের মেরু ও বক্রতার কেন্দ্রের মধ্যদিয়ে অতিক্রমকারী সরলরেখাকে দর্পণের প্রধান অক্ষ বলে। মেরু বিন্দু ব্যতীত দর্পণের প্রতিফলক পৃষ্ঠের উপরস্থ যেকোনো বিন্দু ও বক্রতার কেন্দ্রের মধ্যদিয়ে গমনকারী সরলরেখাকে গৌণ অক্ষ বলে।

চিত্রে CP প্রধান অক্ষ এবং CM ও CM' গৌণ অক্ষ।

Affan Ahmed
Affan Ahmed
6 months ago
উত্তরঃ

গোলীয় আয়নার প্রধান ফোকাসের মধ্য দিয়ে প্রধান অক্ষের সাথে লম্বভাবে যে সমতল কল্পনা করা হয় তাকে ফোকাস তল বলে।

Affan Ahmed
Affan Ahmed
6 months ago
উত্তরঃ

একটি চকচকে চামচ আয়নার ন্যায় আচরণ করে। উত্তল পৃষ্ঠ উত্তল আয়না এবং অবতল পৃষ্ঠ অবতল আয়নার মতো আচরণ করবে। উত্তল পৃষ্ঠের সামনে মুখ রাখলে ছোট ও সোজা প্রতিবিম্ব তৈরি হবে। আবার অবতল পৃষ্ঠের সামনে মুখ রাখলে ছোট ও উল্টো প্রতিবিম্ব তৈরি হবে।

Affan Ahmed
Affan Ahmed
6 months ago
উত্তরঃ

উত্তল দর্পণের বৈশিষ্ট্যগুলো হলো-
১. গোলীয় পৃষ্ঠের উত্তল অংশ দর্পণ হিসেবে কাজ করবে।
২. আলোর নিয়মিত প্রতিফলন ঘটে।
৩. প্রতিফলনের পর আলোক রশ্মিকে অপসারী করে।
৪. সর্বদা অবাস্তব, সোজা ও লক্ষ্যবস্তুর চেয়ে ছোট প্রতিবিম্ব গঠিত হয়।

Affan Ahmed
Affan Ahmed
6 months ago
উত্তরঃ

উত্তল আয়নাকে অপসারী আয়না বলা হয়। সমান্তরাল আলোকরশ্মি উত্তল আয়নায় আপতিত হয়ে প্রতিফলিত হওয়ার পর অপসারী রশ্মিগুচ্ছে পরিণত হয় অর্থাৎ ছড়িয়ে পড়ে এবং কখনোই মিলিত হয় না বলে উত্তল আয়নাকে অপসারী আয়না বলা হয়।

Affan Ahmed
Affan Ahmed
6 months ago
উত্তরঃ

উত্তল দর্পণ যেহেতু সর্বদাই অবাস্তব বিম্ব গঠন করে তাই বাস্তব বিম্ব গঠন করা সম্ভব নয়। কারণ, এই দর্পণের ক্ষেত্রে প্রতিফলিত রশ্মিগুলো প্রকৃতপক্ষে কোথাও মিলিত হয় না। এদেরকে পেছনের দিকে বর্ধিত করলে কোনো বিন্দু থেকে আসছে বলে মনে হয়। এ - কারণে বলা যায়, উত্তল দর্পণের সাহায্যে বাস্তব বিম্ব গঠন সম্ভব নয়।

Affan Ahmed
Affan Ahmed
6 months ago
উত্তরঃ

সমতল ও উত্তল দর্পণের মধ্যে পার্থক্য নিচে দেওয়া হলো-

সমতল দর্পণউত্তল দর্পণ
১. প্রতিফলক পৃষ্ঠ সমতল।১. প্রতিফলক পৃষ্ঠ গোলীয়
২. প্রতিবিম্বের আকার লক্ষ্যবস্তুর সমান।২. প্রতিবিম্বের আকার লক্ষ্যবস্তুর চেয়ে ছোট।
৩. দর্পণ থেকে লক্ষ্যবস্তুর দূরত্ব ও প্রতিবিম্বের দূরত্ব সমান।৩. লক্ষ্যবস্তু যেখানেই থাকুক প্রতিবিম্ব সর্বদা মেরু ও প্রধান ফোকাসের মাঝে গঠিত হয়
Affan Ahmed
Affan Ahmed
6 months ago
উত্তরঃ

উত্তল দর্পণে রশ্মিচিত্র অঙ্কনের নিয়মাবলিগুলো হলো-
১. উত্তল দর্পণের বক্রতার ব্যাসার্ধ বরাবর আপতিত রশ্মি প্রতিফলনের পর একই পথে ফিরে আসে।
২. প্রধান অক্ষের সমান্তরালে আপতিত আলোকরশ্মি প্রতিফলনের পর প্রধান ফোকাস থেকে আসছে বলে মনে হয়।
৩. উত্তল দর্পণের প্রধান ফোকাসের অভিমুখে আপতিত রশ্মি প্রতিফলনের পর প্রধান অক্ষের সমান্তরাল হয়।

Affan Ahmed
Affan Ahmed
6 months ago
উত্তরঃ

এখানে, বক্রতার ব্যাসার্ধ, r= 10 cm (যেহেতু উত্তল দর্পণ)
ফোকাস দূরত্ব, f=?

 f=r2=-102cm=-5cm

অতএব, উত্তল দর্পণের ফোকাস দূরত্ব 5 cm

Affan Ahmed
Affan Ahmed
6 months ago
উত্তরঃ

অবতল দর্পণের বৈশিষ্ট্যগুলো হলো-
১. অবতল দর্পণ একটি অভিসারী দর্পণ।
২. বাস্তব এবং অবাস্তব উভয় ধরনের প্রতিবিম্ব এই দর্পণে গঠন করা যায়।
৩. বিবর্ধিত, খর্বিত এবং লক্ষ্যবস্তুর সমান আকারের প্রতিবিম্ব গঠিত হয়।

Affan Ahmed
Affan Ahmed
6 months ago
উত্তরঃ

সমান্তরাল এক গুচ্ছ আলোক রশ্মি প্রতিফলন বা প্রতিসরণের পর এক বিন্দুতে মিলিত হলে তাকে অভিসারী আয়না বলে। অবতল আয়নায় একগুচ্ছ সমান্তরাল আলোক রশ্মি প্রতিফলিত হয়ে একটি বিন্দুতে অভিসৃত বা মিলিত হয়। তাই এটি একটি অভিসারী আয়না।

Affan Ahmed
Affan Ahmed
6 months ago
উত্তরঃ

স্পর্শ ব্যতীত দর্পণ অবতল, উত্তল না সমতল তা চিহ্নিত করা যায়। কোনো দর্পণের একেবারে নিকটে একটি আঙুল খাড়াভাবে স্থাপন করলে যদি সোজা বিম্ব লক্ষ্যবস্তুর চেয়ে বড় হয় তাহলে দর্পণটি অবতল। আবার, দর্পণের একেবারে নিকটে একটি আঙুল স্থাপন করলে যদি বিম্ব ছোট হয় তাহলে দর্পণটি উত্তল এবং বিম্ব লক্ষ্যবস্তুর সমান হলে দর্পণটি সমতল।

Affan Ahmed
Affan Ahmed
6 months ago
উত্তরঃ

নিচে সমতল ও অবতল দর্পণে সৃষ্ট বিম্বের পার্থক্য দেওয়া হলো-

সমতল দর্পণে সৃষ্ট বিম্বঅবতল দর্পণে সৃষ্ট বিম্ব
১. অবাস্তব
১. বাস্তব ও অবাস্তব হতে পারে।
২. সোজা২. সোজা বা উল্টা হতে পারে।
৩. বস্তুর আকারের সমান৩. বস্তুর চেয়ে আকারে ছোট, বড় অথবা সমান হতে পারে।
Affan Ahmed
Affan Ahmed
6 months ago
উত্তরঃ

সদ এবং অসদ বিম্বের মধ্যে পার্থক্য নিচে দেওয়া হলো-

সদ বিম্বঅসদ বিম্ব
১. কোন বিন্দু হতে নিঃসৃত আলোক রশ্মিগুচ্ছ প্রতিফলন বা প্রতিসরণের পর দ্বিতীয় কোনো বিন্দুতে মিলিত হলে সদ প্রতিবিম্ব গঠিত হয়।১. কোনো বিন্দু হতে নিঃসৃত আলোক রশ্মিগুচ্ছ প্রতিফলন বা প্রতিসরণের পর দ্বিতীয় কোনো বিন্দু থেকে অপসৃত হচ্ছে বলে মনে হলে অসদ প্রতিবিম্ব গঠিত হয়।
২. প্রতিবিম্ব লক্ষ্যবস্তুর উল্টো হয়।২. সিধা প্রতিবিম্ব হয়।
৩. প্রতিবিম্ব পর্দায় ফেলা যায়।৩. প্রতিবিম্ব পর্দায় ফেলা যায় না।
Affan Ahmed
Affan Ahmed
6 months ago
উত্তরঃ

সমান্তরাল আলোকরশ্মি অবতল দর্পণে আপতিত হওয়ার পর প্রতিফলিত হয়ে একটি বিন্দুতে অভিসারিত হয় বা একত্রে মিলিত হয় বলে অবতল দর্পণকে অভিসারী দর্পণ বলা হয়। অন্যদিকে সমান্তরাল আলোকরশ্মি উত্তল দর্পণে আপতিত হয়ে প্রতিফলিত হওয়ার পর অপসারী রশ্মি গুচ্ছে পরিণত হয় অর্থাৎ ছড়িয়ে পড়ে এবং কখনোই মিলিত হয় না বলে উত্তল দর্পণকে অপসারী দর্পণ বলা হয়।

Affan Ahmed
Affan Ahmed
6 months ago
উত্তরঃ

অবতল দর্পণে রশ্মিচিত্র অঙ্কনের নিয়মাবলি হলো-
১. বক্রতার ব্যাসার্ধ বরাবর আপতিত আলোকরশ্মি প্রতিফলনের পর একই পথে ফিরে আসে।
২. প্রধান অক্ষের সমান্তরাল আলোকরশ্মি প্রতিফলনের পর প্রধান ফোকাস দিয়ে গমন করে।
৩. প্রধান ফোকাস দিয়ে আপতিত আলোকরশ্মি প্রতিফলনের পর প্রধান অক্ষের সমান্তরালে যায়।

Affan Ahmed
Affan Ahmed
6 months ago
উত্তরঃ

একটি চকচকে চামচের ভেতরের অংশ অবতল দর্পণ এবং বাইরের অংশ উত্তল দর্পণ হিসেবে কাজ করে। কেননা ভেতরের অংশ থেকে আলো প্রতিফলিত হলে তা দ্বারা সৃস্ট প্রতিবিম্ব ছোট, লক্ষ্যবস্তুর সমান বা বড় হয়। অন্যদিকে বাইরের অংশ থেকে প্রতিফলিত আলো সর্বদা লক্ষ্যবস্তুর চেয়ে ছোট আকারের প্রতিবিম্ব গঠন করে।

Affan Ahmed
Affan Ahmed
6 months ago
উত্তরঃ

আয়নার সূত্রটি হলো 1u+1v=1f

যেখানে,

u = আয়নার পৃষ্ঠ থেকে বস্তুর দূরত্ব

v = আয়নার পৃষ্ঠ থেকে প্রতিবিম্বের দূরত্ব

f= ফোকাস দূরত্ব

Affan Ahmed
Affan Ahmed
6 months ago
উত্তরঃ

এখানে,

ব্যাসার্ধ, r = 40 cm

বস্তুর দূরত্ব, u = 10c

প্রতিবিম্বের দূরত্ব, v= ?

আমরা জানি,

1v+1u=1f=1r21v+1u=2r1v=2r-1u=2u-rru=2×10-4040×10=-2040×10=-120

v = - 20cm

সুতরাং, বিম্বের দূরত্ব 20 cm.

Affan Ahmed
Affan Ahmed
6 months ago
উত্তরঃ

এখানে,

বস্তুর দূরত্ব, u = 30cm

বিম্বের দূরত্ব, v = 30cm

ফোকাস দূরত্ব, f =?

আমরা জানি,

1v+1u=1fv+uvu=1ff=uvu+v=30 cm×30 cm30 cm+30 cm=15 cm=0.15 m

অতএব, ফোকাস দূরত্ব 0.15 m

Affan Ahmed
Affan Ahmed
6 months ago
উত্তরঃ

কোনো দর্পণ বা লেন্সে গঠিত প্রতিবিম্বের দৈর্ঘ্য ও লক্ষ্যবস্তুর দৈর্ঘ্যের অনুপাতকে বিবর্ধন বলে। বিবর্ধন দ্বারা প্রতিবিম্ব বস্তুর চেয়ে আকারে কতটুকু বড় বা ছোট তা পরিমাপ করা হয়। যদি। দৈর্ঘ্যের একটি বস্তুর জন্য কোনো দর্পণ বা লেন্সে। দৈর্ঘ্যের একটি প্রতিবিম্ব গঠিত হয় তবে বিবর্ধন হবে । ও ।' এর অনুপাতের সমান। অর্থাৎ বিবর্ধন =l'l

Affan Ahmed
Affan Ahmed
6 months ago
উত্তরঃ

আমরা জানি, রৈখিক বিবর্ধন  

অর্থাৎ,  m=l'l

এখন, উত্তল দর্পণের ক্ষেত্রে সর্বদা অবাস্তব, সোজা ও খর্বিত বিশ্ব গঠিত হয়। অর্থাৎ বিম্বের দৈর্ঘ্য লক্ষ্যবস্তুর দৈর্ঘ্যের চেয়ে ছোট।

 l'<l l'l<1 m<1

Affan Ahmed
Affan Ahmed
6 months ago
উত্তরঃ

সুতরাং, লক্ষ্যবস্তুর চেয়ে বিম্বের দৈর্ঘ্য বড় হলে বিবর্ধনের মান 1 অপেক্ষা বড় হবে। যেমন অবতল দর্পণ বা উত্তল লেন্সের প্রধান ফোকাস ও আলোক কেন্দ্রের মাঝে লক্ষ্যবস্তু থাকলে বিম্ব অবাস্তব, সোজা ও বিবর্ধিত হয়। আর এক্ষেত্রে বিবর্ধন এর মান। অপেক্ষা বড় হয়।

Affan Ahmed
Affan Ahmed
6 months ago
উত্তরঃ

অতএব, রৈখিক বিবর্ধনের মান 1.5 বলতে বুঝায়- বিম্বের দৈর্ঘ্য ও লক্ষ্যবস্তুর দৈর্ঘ্যের অনুপাত 1.5 : 1 অর্থাৎ, বিম্বের দৈঘ্য লক্ষ্যবস্তুর দৈর্ঘ্যের তুলনায় 1.5 গুণ বড়।

Affan Ahmed
Affan Ahmed
6 months ago
উত্তরঃ

অতএব, রৈখিক বিবর্ধনের মান 2 বলতে বুঝায়-
i. বিম্বের দৈর্ঘ্য ও লক্ষ্যবস্তুর দৈর্ঘ্যের অনুপাত 2 : 1
ii. বিম্বের দৈঘ্য লক্ষ্যবস্তুর দৈর্ঘ্যের তুলনায় 2 গুণ বড়
iii. দর্পণ হতে বিম্বের দূরত্ব লক্ষবস্তুর দূরত্বের দ্বিগুণ হলে বিবর্ধন 2 হয়

Affan Ahmed
Affan Ahmed
6 months ago
উত্তরঃ

সমতল দর্পণে সৃষ্ট প্রতিবিম্বের দৈর্ঘ্য সর্বদা লক্ষ্যবস্তুর সমান হয়।

আমরা জানি, বিবর্ধন, m= 1

অর্থাৎ, সমতল দর্পণে সর্বধা বিবর্ধনের মান 1 হয়ে থাকে।

Affan Ahmed
Affan Ahmed
6 months ago
উত্তরঃ

লক্ষ্যবস্তুর দৈর্ঘ্য, l = 5cm

বিবর্ধন, m = 0.8

আমরা জানি,

m=l'l

বা, l' = ml = 0.8 × 5cm = 4cm

Affan Ahmed
Affan Ahmed
6 months ago
উত্তরঃ

এখানে,

বহুর দৈর্ঘ্য, l = 5 cm

প্রতিবিম্বের দৈর্ঘ্য, l'=2 cm

বিবর্ধন,  m=l'l=25=0.4

Affan Ahmed
Affan Ahmed
6 months ago
উত্তরঃ

সমতল দর্পণে সাধারণত প্রতিবিম্বের ডান এবং বামের পরিবর্তন হয়। দুটি আয়না বা দর্পণকে পরস্পরের সাথে 90° বা সমকোণে রাখলে ডান-বামের পরিবর্তন হয় না। এক্ষেত্রে একটি আয়নার প্রতিবিম্ব অন্য একটি আয়নার দ্বিতীয়বার প্রতিফলিত হয়ে মূল লক্ষ্যবস্তুর মতো হয়।

Affan Ahmed
Affan Ahmed
6 months ago
উত্তরঃ

ড্রেসিং টেবিলে সমতল দর্পণ ব্যবহার করা হয়, কারণ সমতল দর্পণ সর্বদা আয়নার সম্মুখে বস্তুর প্রতিবিম্ব গঠন করে। প্রকৃতপক্ষে আয়না, যে সমতলে অবস্থিত, তার পেছনেই প্রতিবিম্ব গঠিত হয়। কোনো বস্তুর নির্দিষ্ট অংশ থেকে এর প্রতিবিম্বের অনুরূপ অংশ পর্যন্ত অঙ্কিত সরলরেখা সমতল দর্পণের পৃষ্ঠদেশ দ্বারা সমান দুইভাগে বিভক্ত হয় এবং এর সাথে সমকোণ উৎপন্ন করে। যার কারণে ড্রেসিং টেবিলে সমতল দর্পণ ব্যবহার করা হয়।

Affan Ahmed
Affan Ahmed
6 months ago
উত্তরঃ

পেরিস্কোপে দর্পণকে 45° কোণে রাখা হলে বস্তু থেকে আলো পেরিস্কোপে প্রবেশ, করে প্রতিফলনের পর পেরিস্কোপের দেয়ালের সমান্তরালে প্রতিফলিত হয়। এতে আলো পেরিস্কোপের দেয়ালের কোথাও বাঁধা না পেয়ে সরাসরি দর্শকের চোখে পৌছায়। দর্পণকে অন্য কোনো কোণে স্থাপন করা হলে, প্রতিফলিত আলো পেরিস্কোপের দেয়ালে বাধা পেত। ফলে দর্শক কাঙ্ক্ষিত বস্তু দেখতে পেতো না। এ কারণে পেরিস্কোপে দর্পণ 45° কোণে স্থাপন করা হয়।

Affan Ahmed
Affan Ahmed
6 months ago
উত্তরঃ

গাড়িতে আয়নার নানাবিধ ব্যবহার জীবন বাঁচায়। পাহাড়ী রাস্তার বাঁকে দুর্ঘটনা এড়াতে সমতল আয়না ব্যবহার করা হয়। পেছনের যানবাহন বা পথচারী দেখার জন্য গাড়িতে ভিউ মিরর হিসেবে উত্তল আয়না ব্যবহৃত হয়। আয়নার ব্যবহার এভাবে দুর্ঘটনা থেকে জীবন বাঁচাতে সাহায্য করে। তাই গাড়িতে আয়না ব্যবহার করা হয়।

Affan Ahmed
Affan Ahmed
6 months ago
উত্তরঃ

গাড়িতে আয়নার নানাবিধ ব্যবহার জীবন বাঁচায়। পাহাড়ী রাস্তার বাঁকে দুর্ঘটনা এড়াতে সমতল আয়না ব্যবহার করা হয়। পেছনের যানবাহন বা পথচারী দেখার জন্য গাড়িতে ভিউ মিরর হিসেবে উত্তল আয়না ব্যবহৃত হয়। আয়নার ব্যবহার এভাবে দুর্ঘটনা থেকে জীবন বাঁচাতে সাহায্য করে। তাই গাড়িতে আয়না ব্যবহার করা হয়।

Affan Ahmed
Affan Ahmed
6 months ago
উত্তরঃ

সমতল দর্পণের কয়েকটি ব্যবহার নিচে দেওয়া হলো-
১. ড্রেসিং টেবিলে চেহারা দেখার জন্য।
২. সরল টেলিস্কোপ তৈরি করতে।
৩. পাহাড়ী রাস্তার বাঁকে দুর্ঘটনা এড়াতে।
৪. আলো প্রতিফলিত করে নাটক, চলচ্চিত্র ইত্যাদির সুটিং এর স্থানের ঔজ্জ্বল্য বৃদ্ধি করতে।

Affan Ahmed
Affan Ahmed
6 months ago
উত্তরঃ

দন্ত চিকিৎসকগণ অবতল দর্পণ ব্যবহার করেন। কারণ অবতল দর্পণ অভিসারী রশ্মিগুচ্ছ সৃষ্টি করতে বা কোনো বস্তুর বিবর্ধিত এবং সোজা বিম্ব সৃষ্টি করতে পারে। সুবিধাজনক আকৃতির অবতল দর্পণ ব্যবহার করে চিকিৎসকগণ মুখের ভিতরের বিবর্ধিত এবং সোজা বিশ্ব দেখতে পান ফলে তাদের কাজ তুলনামূলকভাবে সহজ হয়ে যায়।

Affan Ahmed
Affan Ahmed
6 months ago
উত্তরঃ

অবতল দর্পণের সবচেয়ে বড় ব্যবহার হচ্ছে- টেলিস্কোপে। পৃথিবীর সবচেয়ে বড় এবং সবচেয়ে সূক্ষ্ম টেলিস্কোপে অবতল দর্পণ ব্যবহার করা হয়। কারণ ভালো টেলিস্কোপের দায়িত্ব অনেক কম আলোতেও স্পষ্ট প্রতিবিম্ব তৈরি করা। সেজন্য অবতল দর্পণের-আকার যত বড় হবে, সেটি তত বেশি আলো সংগ্রহ করে তত স্পষ্ট প্রতিবিম্ব তৈরি করতে পারবে। এজন্য পৃথিবীর সব বড় বড় টেলিস্কোপে অবতল দর্পণ ব্যবহার করা হয়।

Affan Ahmed
Affan Ahmed
6 months ago
উত্তরঃ

গাড়ির সাইড ভিউ মিরর হিসেবে উত্তল আয়না ব্যবহার করা হয়। উত্তল আয়নায় সর্বদা অবাস্তব, সোজা ও খর্বিত প্রতিবিম্ব গঠিত হয় বলে, এটি গাড়ির সাইড ভিউ মিরর হিসেবে উপযুক্ত। কেননা গাড়ি চালানোর সময় পেছনের যানবাহন ও পথচারিদের গতিবিধি দেখার জন্য অল্প জায়গায় বিস্তৃত জায়গার ছবি দেখার প্রয়োজন পড়ে। তাই এক্ষেত্রে উত্তল আয়না ব্যবহার করা হয়।

Affan Ahmed
Affan Ahmed
6 months ago
উত্তরঃ

নিখুঁত ও নিরাপদে গাড়ি চালাতে হলে চালককে শুধু গাড়ির সামনে নয় একই সাথে পিছনে এবং পাশে কি আছে এ ব্যাপারেও। সজাগ থাকতে হয়। এজন্য গাড়িতে লুকিং গ্লাস ব্যবহার করা হয়। এই লুকিং গ্লাসে পেছনের দৃশ্য দেখার জন্য উত্তল দর্পণ ব্যবহৃত হয় কারণ উত্তল দর্পণে যেকোনো বস্তুর অসদ, সোজা ও বস্তুর চেয়ে ছোট বিশ্ব গঠিত হয়। ফলে ছোট উত্তল দর্পণে পিছনের সমগ্র জায়গার প্রতিবিম্ব দেখা সম্ভব হয়।

Affan Ahmed
Affan Ahmed
6 months ago
উত্তরঃ

অবতল আয়নার ব্যবহারগুলো হলো-
১. পৃথিবীর সবচেয়ে বড় এবং সূক্ষ্ম টেলিস্কোপে অবতল আয়না ব্যবহার করা হয়।
২. জাহাজ বা লঞ্চের সার্চ লাইটে অবতল দর্পণ ব্যবহার করা হয়।
৩. নাক, কান, গলা ও দাঁতের পরীক্ষায় এই দর্পণ ব্যবহার করা হয়।

Affan Ahmed
Affan Ahmed
6 months ago
উত্তরঃ

উত্তল দর্পণের কয়েকটি ব্যবহার নিচে দেওয়া হলো-
১. রাস্তার বাতিতে প্রতিফলক হিসেবে।
২. দোকান বা শপিংমলে নিরাপত্তার কাজে।
৩. গাড়ির লুকিং গ্লাস এবং ভিউ মিররে।

Affan Ahmed
Affan Ahmed
6 months ago
উত্তরঃ

পাহাড়ী রাস্তায় গাড়ি চালনার জন্য অনেক সময় 90° কোণে বাঁক নিতে হয়। এই বাঁক নেওয়ার সময় যথেষ্ট সাবধানতা অবলম্বন করতে হয়। অদৃশ্য বাঁকে বিপরীত দিক থেকে আসা গাড়ির চালক পরস্পরকে দেখতে পান না, এছাড়া বাঁকের অপর পাশে কী আছে তা আদৌ তারা জানেন না। পাহাড়ী রাস্তায় এ ধরনের সমস্যা সমাধানের জন্য বিপজ্জনক বাঁকে 45° কোণে বৃহৎ আকৃতির সমতল দর্পণ বসানো হয়। এর ফলে গাড়িচালকগণ বাঁকের আশেপাশে সবকিছু দেখতে পান এবং নিরাপদে গাড়ি চালাতে সক্ষম হন।

Affan Ahmed
Affan Ahmed
6 months ago
উত্তরঃ

কোনো রশ্মির তরঙ্গদৈর্ঘ্য যদি দৃশ্যমান আলোর সবেচেয়ে ছোট দৈর্ঘ্যের থেকেও ছোট হয় তখন সেটাকে আল্ট্রাভায়োলেট রশ্মি বলে।

Affan Ahmed
Affan Ahmed
6 months ago
উত্তরঃ

যেসব বস্তুর নিজের আলো নেই বা নিজে আলো নিঃসরণ করতে পারে না তাই দীপ্তিহীন বস্তু।

Affan Ahmed
Affan Ahmed
6 months ago
উত্তরঃ

যেসব বস্তু নিজে থেকে আলো নিঃসরণ করে তাই দীপ্তিমান বস্তু।

Affan Ahmed
Affan Ahmed
6 months ago
উত্তরঃ

আলোর প্রতিফলনের প্রথম সূত্রটি হলো- আপতন রশ্মি এবং লম্ব দিয়ে আমরা যে সমতলটি কল্পনা করে নিয়েছিলাম প্রতিফলিত রশ্মিটি সেই সমতলেই থাকবে।

Affan Ahmed
Affan Ahmed
6 months ago
উত্তরঃ

আলোকরশ্মি এক মাধ্যম দিয়ে চলতে চলতে অন্য এক মাধ্যমের তলে আপতিত হলে দুই মাধ্যমের বিভেদতল হতে কিছু পরিমাণ আলো প্রথম মাধ্যমে ফিরে আসে। এ ঘটনাকে আলোর প্রতিফলন বলে।

Affan Ahmed
Affan Ahmed
6 months ago
উত্তরঃ

একগুচ্ছ সমান্তরাল আলোকরশ্মি কোনো পৃষ্ঠে আপতিত হয়ে প্রতিফলনের পর যদি সমান্তরাল না থাকে বা অভিসারী বা অপসারী গুচ্ছে পরিণত না হয় তবে আলোর সে প্রতিফলনকে ব্যাপ্ত প্রতিফলন বলে।

Affan Ahmed
Affan Ahmed
6 months ago
উত্তরঃ

একগুচ্ছ সমান্তরাল আলোকরশ্মি কোনো পৃষ্ঠে আপতিত হয়ে প্রতিফলনের পর রশ্মিগুচ্ছ, যদি সমান্তরাল থাকে বা অভিসারী বা অপসারী রশ্মিগুচ্ছে পরিণত হয় তবে আলোর সেই প্রতিফলনকে নিয়মিত প্রতিফলন বা সুষম প্রতিফলন বলে।

Affan Ahmed
Affan Ahmed
6 months ago
উত্তরঃ

যে পৃষ্ঠ থেকে বাধা পেয়ে আলোক রশ্মি ফিরে আসে তাকে প্রতিফলন পৃষ্ঠ বলে।

Affan Ahmed
Affan Ahmed
6 months ago
উত্তরঃ

যে দর্পণের পৃষ্ঠটি মসৃণ ও সমতল হয় এবং তাতে আলোর নিয়মিত প্রতিফলন ঘটে, তাকে সমতল দর্পণ বলে।

Affan Ahmed
Affan Ahmed
6 months ago
উত্তরঃ

কোনো বিন্দু উৎস থেকে নিঃসৃত আলোক রশ্মিগুচ্ছ প্রতিফলিত বা প্রতিসরিত হয়ে যদি দ্বিতীয় কোনো বিন্দুতে মিলিত হয় বা দ্বিতীয় কোনো বিন্দু থেকে অপসৃত হচ্ছে বলে মনে হয়, তাহলে ঐ দ্বিতীয় বিন্দুকে প্রথম বিন্দুর প্রতিবিম্ব বলে।

Affan Ahmed
Affan Ahmed
6 months ago
উত্তরঃ

রূপার প্রলেপ দেওয়া বলতে 'পারা লাগানো' বা সিলভারিং বোঝায়। কাচের উপর রূপার প্রলেপ দেওয়া পৃষ্ঠের বিপরীত পৃষ্ঠটি প্রতিফলক পৃষ্ঠ বা আয়না হিসেবে কাজ করে।

Affan Ahmed
Affan Ahmed
6 months ago
উত্তরঃ

যে মসৃণ তলে আলোর নিয়মিত প্রতিফলন ঘটে তাকে আয়না বা দর্পণ বলে।

Affan Ahmed
Affan Ahmed
6 months ago
উত্তরঃ

লেন্সের দুইটি তল যদি গোলীয় হয় তবে তল দুটির বক্রতার কেন্দ্রদ্বয়ের সংযোজক সরলরেখাকে লেন্সের প্রধান অক্ষ বলে। আবার, দর্পণের বক্রতার কেন্দ্র এবং মেরুর সংযোজক সরলরেখাকে দর্পণের প্রধান অক্ষ বলে।

Affan Ahmed
Affan Ahmed
6 months ago
উত্তরঃ

প্রধান অক্ষের নিকটবর্তী সমান্তরাল রশ্মিগুচ্ছ কোনো গোলীয় দর্পণে আপতিত হয়ে প্রতিফলনের পর প্রধান অক্ষের উপর যে বিন্দুতে মিলিত হয় (অবতল দর্পণে) বা যে বিন্দু থেকে অপসৃত হচ্ছে বলে মনে হয় (উত্তল দর্পণে) তাকে ঐ দর্পণের প্রধান ফোকাস বলে।

Affan Ahmed
Affan Ahmed
6 months ago
উত্তরঃ

কোনো ফাঁপা গোলকের পৃষ্ঠের অংশবিশেষ যদি মসৃণ হয় এবং তাতে আলোক রশ্মির নিয়মিত প্রতিফলন ঘটে তবে তাকে গোলীয় আয়না বলে।

Affan Ahmed
Affan Ahmed
6 months ago
উত্তরঃ

গোলীয় দর্পণের মেরু বিন্দু থেকে প্রধান ফোকাস পর্যন্ত দূরত্বকে ফোকাস দূরত্ব বলে।

Affan Ahmed
Affan Ahmed
6 months ago
উত্তরঃ

গোলীয় আয়না যে গোলকের অংশ, সে গোলকের ব্যাসার্ধকে ঐ গোলীয় আয়নার বক্রতার ব্যাসার্ধ বলে।

Affan Ahmed
Affan Ahmed
6 months ago
উত্তরঃ

মেরু বিন্দু ব্যতীত আয়নার প্রতিফলক পৃষ্ঠের উপরস্থ যেকোনো বিন্দু ও বক্তৃতার কেন্দ্রের মধ্যদিয়ে অতিক্রমকারী সরলরেখাকে গৌণ অক্ষ বলে।

Affan Ahmed
Affan Ahmed
6 months ago
উত্তরঃ

কোনো গোলকের উত্তল পৃষ্ঠ যদি প্রতিফলকরূপে কাজ করে অর্থাৎ আলোর নিয়মিত প্রতিফলন যদি গোলীয় দর্পণের উত্তল পৃষ্ঠ হতে সংঘটিত হয়, তবে সে দর্পণকে উত্তল দর্পণ বলে।

Affan Ahmed
Affan Ahmed
6 months ago
উত্তরঃ

প্রধান ফোকাসের মধ্য দিয়ে লেন্সের প্রধান অক্ষের সঙ্গে লম্বভাবে অবস্থিত কল্পিত সমতলই হলো ফোকাস তল।

Affan Ahmed
Affan Ahmed
6 months ago
উত্তরঃ

কোনো গোলকের অবতল পৃষ্ঠ যদি প্রতিফলক রূপে কাজ করে অর্থাৎ আলোর নিয়মিত প্রতিফলন যদি গোলীয় দর্পণের অবতল পৃষ্ঠ হতে সংঘটিত হয় তবে সে দর্পণকে অবতল দর্পণ বলে।

Affan Ahmed
Affan Ahmed
6 months ago
উত্তরঃ

কোনো বিন্দু হতে নিঃসৃত আলোক রশ্মিগুচ্ছ কোনো তলে প্রতিফলিত বা প্রতিসরিত হওয়ার পর যদি দ্বিতীয় কোনো বিন্দুতে প্রকৃতপক্ষে মিলিত হয় তাহলে ঐ দ্বিতীয় বিন্দুটিকে প্রথম বিন্দুর বাস্তব প্রতিবিম্ব বলে।

Affan Ahmed
Affan Ahmed
6 months ago
উত্তরঃ

কোনো বিন্দু হতে নিঃসৃত আলোক রশ্মিগুচ্ছ কোনো তলে প্রতিফলিত বা প্রতিসরিত হওয়ার পর যদি দ্বিতীয়, কোনো বিন্দুতে প্রকৃতপক্ষে মিলিত হয় তাহলে ঐ দ্বিতীয় বিন্দুটিকে প্রথম বিন্দুর সদ বিম্ব বলে।

Affan Ahmed
Affan Ahmed
6 months ago
উত্তরঃ

প্রতিবিম্বের দৈর্ঘ্য এবং লক্ষ্যবস্তুর দৈর্ঘ্যের অনুপাতকে রৈখিক বিবর্ধন বা বিবর্ধন বলে।

Affan Ahmed
Affan Ahmed
6 months ago
উত্তরঃ

প্রতিবিম্বের দৈর্ঘ্য লক্ষ্যবস্তুর চেয়ে ছোট হলে রৈখিক বিবর্ধনের মান m < 1

Affan Ahmed
Affan Ahmed
6 months ago
উত্তরঃ

দন্ত চিকিৎসায় অবতল আয়না ব্যবহার করা হয়।

Affan Ahmed
Affan Ahmed
6 months ago
উত্তরঃ

আমরা জানি, দৃশ্যমান আলোর তরঙ্গদৈর্ঘ্য 4×10-7m থেকে 7×10-7m অর্থাৎ, কোনো আলোর তরঙ্গদৈর্ঘ্যের মান এই সীমার মধ্যে থাকলে ঐ আলো আমরা দেখতে পাই। এক্স-রে এর তরঙ্গদৈর্ঘ্য 10-10m

যা দৃশ্যমান আলোর তরঙ্গদৈর্ঘ্যের সর্বনিম্ন মানের চেয়েও কম। তাই এক্স-রে খালি চোখে দেখা যায় না।

Affan Ahmed
Affan Ahmed
6 months ago
উত্তরঃ

সকল তরঙ্গদৈর্ঘ্যের বিদ্যুৎ চৌম্বকীয় তরঙ্গ আমরা দেখতে পাই না। যেসব বিদ্যুৎ চৌম্বকীয় তরঙ্গ 400 nm থেকে 700 nm তরঙ্গদৈর্ঘ্যের মধ্যে অবস্থিত সাধারণত সেসব বিদ্যুৎ চৌম্বকীয় তরঙ্গ আমরা দেখতে পাই। যদি তরঙ্গদৈর্ঘ্য 400 nm এর চেয়ে ছোট এবং 700 nm এর চেয়ে বড় হয় তাহলে সেক্ষেত্রে বিদ্যুৎ চৌম্বকীয় তরঙ্গ দেখা যায় না।

Affan Ahmed
Affan Ahmed
6 months ago
উত্তরঃ

দিনের বেলায় আকাশ কর্তৃক বিক্ষিপ্ত হালকা নীল আলো চাঁদের নিজস্ব রঙের সাথে মিশে যায়। এ দুইটি বর্ণের মিশ্রণের ফলে চোখে চাঁদকে সাদা বলে মনে হয়। কিন্তু সূর্যাস্তের পর আকাশের হালকা নীল রং লোপ পায় বলে চাঁদকে হলদে বলে মনে হয়।

Affan Ahmed
Affan Ahmed
6 months ago
উত্তরঃ

আলোর প্রতিফলনের ফলে, মসৃণ তলের সামনে প্রতিবিম্ব পঠিত হয়। সিনেমার পর্দাটি যদি মসৃণ হয় তাহলে প্রতিফলনের ফলে পর্দার সামনে প্রতিবিম্ব গঠিত হবে। পর্দার সামনে যাতে প্রতিবিম্ব গঠিত না হতে পারে সেজন্য সিনেমার পর্দাটি অমসৃণ হয়। আবার, সিনেমার পর্দা সাধারণত সাদা রঙের হয়। আমরা জানি, সিনেমা হলে পর্দার ওপর আলো ফেলে দর্শকদের সিনেমা দেখানো হয়। পর্দা সাদা বলে পর্দার - আলো সিনেমার নির্দিষ্ট রঙের আলোর উপর পড়লে ঐ নির্দিষ্ট রঙের আলো ব্যাতীত অন্য রঙের আলোগুলো শোষিত হয়। ফলে ঐ আলোটি ভালোভাবে ফুটে উঠে। অর্থাৎ কালো বা অন্য রঙের পর্দা হলে পরিষ্কার দৃশ্য পাওয়া যায় না। এজন্যই সিনেমার পর্দা সাদা থাকে।

Affan Ahmed
Affan Ahmed
6 months ago
উত্তরঃ

আলোর প্রতিফলন ও শোষণের কারণে আমরা রঙিন বস্তু রঙিন দেখি। কোনো বস্তু তার উপর আপতিত আলোক রশ্মিগুলোর মধ্যে নিজের রং ছাড়া বাকি সব রঙের আলো শোষণ করে নেয় এবং নিজের রং প্রতিফলিত করে। এ প্রতিফলিত রশ্মি চোখের রেটিনার কোন কোষ দ্বারা মস্তিষ্কে রঙিন বস্তু দেখার অনুভূতি জাগায়। এখন, লাল আলোতে গাছের সবুজ পাতা দেখলে পাতাটি সবুজ আলো শোষণ করে নিবে। ফলে কোনো রং প্রতিফলিত না হওয়ায় পাতাটি কালো দেখাবে।

Affan Ahmed
Affan Ahmed
6 months ago
উত্তরঃ

লাল রঙের সানগ্লাস চোখে দিলে হলুদ রঙের ফুলকে কালো দেখাবে। হলুদ ফুল থেকে যখন হলুদ রং লাল সানগ্লাসের নিকট আসে তখন লাল আলো সেই হলুদ রং শোষণ করে নেয় ফলে কোনো আলোই প্রতিফলিত হয় না ফলে সেটিকে কালো দেখাবে।

Affan Ahmed
Affan Ahmed
6 months ago
উত্তরঃ

আলোর প্রতিফলন ও শোষণের কারণে আমরা রঙিন বস্তু রঙিন দেখি। কোনো বস্তু তার উপর আপতিত আলোক রশ্মিগুলোর মধ্যে নিজের রং ছাড়া বাকি সব রঙের আলো শোষণ করে নেয় এবং নিজের রং প্রতিফলিত করে। এ প্রতিফলিত রশ্মি চোখের রেটিনার কোন কোষ দ্বারা মস্তিষ্কে রঙিন বস্তু দেখার অনুভূতি জাগায়। এখন, নীল আলোতে গাছের সবুজ পাতা দেখলে পাতাটি সবুজ আলো শোষণ করে নিবে। ফলে কোনো রং প্রতিফলিত হবে না এবং পাতাটি কালো দেখাবে। কিন্তু খাতার সাদা পৃষ্ঠার ক্ষেত্রে নীল ব্যাতীত অন্য সকল আলো শোষণ করে নিবে। ফলে পৃষ্ঠাটি নীল দেখাবে।

Affan Ahmed
Affan Ahmed
6 months ago
উত্তরঃ

কোনো বিন্দু হতে নিঃসৃত আলোক রশ্মিগুচ্ছ প্রতিফলন বা প্রতিসরণের পর দ্বিতীয় কোনো বিন্দু থেকে অপসৃত হচ্ছে বলে মনে হলে অবাস্তব প্রতিবিম্ব গঠিত হয়। এক্ষেত্রে প্রতিফলিত বা প্রতিসরিত রশ্মির প্রকৃত মিলন হয় না এবং এ বিশ্ব চোখে দেখা যায় কিন্তু পর্দায় ফেলা যায় না।

Affan Ahmed
Affan Ahmed
6 months ago
উত্তরঃ

আলোর নিয়মিত প্রতিফলন ও অনিয়মিত প্রতিফলন এক নয়।
ব্যাখ্যা:
১. মসৃণ প্রতিফলক পৃষ্ঠে আলোর নিয়মিত প্রতিফলন ঘটে কিন্তু অমসৃণ প্রতিফলক পৃষ্ঠে আলোর অনিয়মিত প্রতিফলন ঘটে।
২. নিয়মিত প্রতিফলনে প্রতিবিম্ব সৃষ্টি হলেও অনিয়মিত প্রতিফলনে প্রতিবিম্ব সৃষ্টি হয় না।
৩. নিয়মিত প্রতিফলনে বস্তু উজ্জ্বল দেখালেও অনিয়মিত প্রতিফলনে বস্তু উজ্জ্বল দেখায় না।
উপরোক্ত কারণে আলোর নিয়মিত প্রতিফলন ও অনিয়মিত প্রতিফলন এক নয়।

Affan Ahmed
Affan Ahmed
6 months ago
উত্তরঃ

আলোর প্রতিফলন ও শোষণের কারণে আমরা রঙিন বন্ধু রঙিন দেখি। কোনো বস্তু তার উপর আপতিত আলোক রশ্মিগুলোর মধ্যে নিজের রং ছাড়া বাকি সব রঙের আলো শোষণ করে নেয় এবং নিজের রং প্রতিফলতি করে। এ প্রতিফলিত রশ্মি চোখের রেটিনার কোন কোষ দ্বারা মস্তিষ্কে রঙিন বস্তু দেখার অনুভূতি জাগায়। এখন, হলুদ আলোতে সবুজ পাতা দেখলে পাতাটি হলুদ আলো শোষণ করে নিবে। ফলে কোনো রং প্রতিফলিত হবে না। এবং পাতাটি কালো দেখাবে।

Affan Ahmed
Affan Ahmed
6 months ago
উত্তরঃ

আলোর প্রতিফলনের ২য় সূত্র হলো আপতন কোণ = প্রতিফলন কোণ। প্রতিফলক পৃষ্ঠে আলোক রশ্মি লম্বভাবে আপতিত হলে আপতন কোণের মান শূন্য হয়। এজন্য আলোর প্রতিফলনের ২য় সূত্রানুসারে প্রতিফলন কোণের মান শূন্য হয়।

Affan Ahmed
Affan Ahmed
6 months ago
উত্তরঃ

একগুচ্ছ সমান্তরাল আলোক রশ্মি কোনো তলে আপতিত হয়ে প্রতিফলনের পর যদি সমান্তরাল না থাকে বা অভিসারী বা অপসারী রশ্মিগুচ্ছে পরিণত না হয়, তবে এ ধরনের প্রতিফলনকে ব্যাপ্ত প্রতিফলন বলে। যেসব বস্তু থেকে ব্যাপ্ত প্রতিফলন ঘটে তাদের পৃষ্ঠতল অমসৃণ হয়। আপতিত রশ্মিগুলো এই তলের বিভিন্ন বিন্দুতে বিভিন্ন আপতন কোণে আপতিত হওয়ায় প্রতিফলিত রশ্মিগুলো আর সমান্তরাল থাকে না। ফলশ্রুতিতে আমাদের চোখে যে সকল প্রতিফলিত রশ্মি প্রবেশ করে তারা ব্যাপ্ত প্রকৃতির হয়। এজন্য ব্যাপ্ত প্রতিফলনে বস্তুগুলো অনুজ্জ্বল দেখায়।

Affan Ahmed
Affan Ahmed
6 months ago
উত্তরঃ

বাস্তব ও অবাস্তব বিম্বের পার্থক্য নিম্নরূপ:

বাস্তব বিম্বঅবাস্তব বিম্ব
১. কোনো বিন্দু থেকে নিঃসৃত আলোক রশ্মিগুচ্ছ প্রতিফলন বা প্রতিসরণের পর দ্বিতীয় কোনো বিন্দুতে মিলিত হলে বাস্তব বিম্ব গঠিত হয়।১. কোনো বিন্দু থেকে নিঃসৃত আলোক রশ্মিগুচ্ছ প্রতিফলন বা প্রতিসরণের পর দ্বিতীয় কোনো বিন্দু থেকে অপসৃত হচ্ছে বলে মনে হলে দ্বিতীয় বিন্দুতে অবাস্তব বিম্ব গঠিত হয়।
২. চোখে দেখা যায় এবং পর্দায়ও ফেলা যায়।২. চোখে দেখা যায় কিন্তু পর্দায় ফেলা যায় না।
৩. অবতল আয়না ও উত্তল লেন্সে উৎপন্ন হয়।৩. সব রকম আয়না ও লেন্সে উৎপন্ন হয়।
Affan Ahmed
Affan Ahmed
6 months ago
উত্তরঃ

সমতল দর্পণে আমরা সর্বদা অবাস্তব ও সোজা বিম্ব দেখতে পাই যা লক্ষ্যবস্তুর সমান।

চিত্রে M হচ্ছে একটি বস্তু যেখান থেকে তিনটি রশ্মি AB আয়নায় প্রতিফলিত হয়েছে। এখানে আপতন কোণ = প্রতিফলন কোণ। প্রতিফলিত রশ্মিগুলোকে আমরা যদি পেছনে বাড়িয়ে দিই তাহলে মনে হবে সবগুলো এক বিন্দুতে (M) কেন্দ্রীভূত হয়েছে এই বিন্দুটিই হচ্ছে M বস্তুর প্রতিবিম্ব।

Affan Ahmed
Affan Ahmed
6 months ago
উত্তরঃ

সমতল দর্পণে কোনো আলোক রশ্মি লম্বভাবে আপতিত হলে আপতন বিন্দুতে প্রতিফলনের উপর অঙ্কিত অভিলম্ব একই সরলরেখায় থাকে। অর্থাৎ এক্ষেত্রে আপতন কোণ শূন্য। একই সাথে প্রতিফলন কোণও শূন্য হওয়ায় আলোক রশ্মি অভিলম্ব বরাবর অর্থাৎ আপতিত রশ্মির দিকে ফিরে আসে।

Affan Ahmed
Affan Ahmed
6 months ago
উত্তরঃ

স্পর্শ না করেও দর্পণ অবতল, উত্তল না সমতল তা চিহ্নিত করা যায়। এক্ষেত্রে বিভিন্ন প্রকার দর্পণে সৃষ্ট বিম্বের বৈশিষ্ট্য জানতে হবে। কোনো দর্পণের একেবারে নিকটে একটি আঙুল খাড়াভাবে স্থাপন করলে যদি সোজা বিশ্ব লক্ষ্যবস্তুর চেয়ে বড় হয় তাহলে দর্পণটি অবতল। আবার, দর্পণের একেবারে নিকটে একটি আঙুল স্থাপন করলে যদি বিম্ব ছোট হয় তাহলে দর্পণটি উত্তল এবং বিম্ব লক্ষ্যবস্তুর সমান হলে দর্পণটি সমতল।

Affan Ahmed
Affan Ahmed
6 months ago
উত্তরঃ

গোলীয় দর্পণের বক্রতার কেন্দ্র এবং মেরুর মধ্য দিয়ে গমনকারী সরলরেখাকে প্রধান অক্ষ বলে। অপরদিকে বক্রতার কেন্দ্র এবং দর্পণের অন্য যে কোনো বিন্দুর মধ্যে গমনকারী রেখাকে গৌণ অক্ষ বলে। আমরা জানি যেকোনো দুটি সুনির্দিষ্ট বিন্দুর মধ্যে একটি রেখা পাওয়া যায় এবং একটি বিন্দুর সাপেক্ষে অসংখ্য রেখা পাওয়া যায়। এই জন্য বক্রতার কেন্দ্র ও মেরুর সাপেক্ষে একটি রেখাই পাওয়া যায় তাই গোলীয় দর্পণে প্রধান অক্ষ একটি কিন্তু গৌণ অক্ষ অসংখ্য।

Affan Ahmed
Affan Ahmed
6 months ago
উত্তরঃ

উত্তল দর্পণ সর্বদাই অবাস্তব বিম্ব গঠন করে। কারণ, এই দর্পণের ক্ষেত্রে প্রতিফলিত রশ্মিগুলো প্রকৃতপক্ষে কোথাও মিলিত হয় না। এদেরকে পেছনের দিকে বর্ধিত করলে কোনো বিন্দু থেকে আসছে বলে মনে হয়।

Affan Ahmed
Affan Ahmed
6 months ago
উত্তরঃ

সমান্তরাল আলোকরশ্মি উত্তল আয়নায় আপতিত হয়ে প্রতিফলিত হওয়ার পর অপসারী রশ্মি গুচ্ছে পরিণত হয় অর্থাৎ ছড়িয়ে পড়ে এবং কখনোই মিলিত হয় না বলে উত্তল আয়নাকে অপসারী আয়না বলা হয়।

Affan Ahmed
Affan Ahmed
6 months ago
উত্তরঃ

সমান্তরাল আলোকরশ্মি অবতল দর্পণে আপতিত হওয়ার পর প্রতিফলিত হয়ে একটি বিন্দুতে অভিসারিত হয় বা একত্রে মিলিত হয় বলে অবতল দর্পণকে অভিসারী দর্পণ বলা হয়।

চিত্রে MPM' অবতল দর্পণে কতকগুলো সমান্তরাল আলোকরশ্মি আপতিত হওয়ার পর প্রতিফলিত হয়ে প্রধান ফোকাস F বিন্দুতে মিলিত হয়েছে।

Affan Ahmed
Affan Ahmed
6 months ago
উত্তরঃ

যদি লক্ষ্যবস্তু (উত্তল লেন্স অথবা অবতল দর্পণ) প্রধান ফোকাস ও আলোক কেন্দ্রের মধ্যে থাকে তাহলে বিম্ব অবাস্তব, সোজা ও বিবর্ধিত হয়। অর্থাৎ বিম্বের আকার লক্ষ্যবস্তুর আকারের চেয়ে বড় হয়। তখন বিবর্ধন। এর চেয়ে বড় হবে।

Affan Ahmed
Affan Ahmed
6 months ago
উত্তরঃ

সমতল দর্পণে সৃষ্ট প্রতিবিম্বের দৈর্ঘ্য সর্বদা লক্ষ্যবস্তুর সমান হয় বলে সমতল দর্পণের বিবর্ধনের মান সর্বদা । হয়। সমতল দর্পণে সর্বদা সোজা ও অবাস্তব প্রতিবিম্ব গঠিত হয়। আবার, সমতল দর্পণের ক্ষেত্রে সৃষ্ঠ প্রতিবিম্ব লক্ষ্যবস্তুর সমান হয়। আমরা জানি, প্রতিসরণের ক্ষেত্রে প্রতিবিম্বের দৈর্ঘ্য ও লক্ষ্যবস্তুর দৈর্ঘ্যের অনুপাতকে বিবর্ধন বলে।

অর্থাৎ, বিবর্ধন, m=l'l

যেখানে, সমতল দর্পণের ক্ষেত্রে,
লক্ষ্যবস্তুর দৈর্ঘ্য = ।
এবং প্রতিবিম্বের দৈর্ঘ্য = ।'
m=1

Affan Ahmed
Affan Ahmed
6 months ago
উত্তরঃ

দাঁতের চিকিৎসায় চিকিৎসকগণ অবতল দর্পণ ব্যবহার করেন। কারণ অবতল দর্পণ অভিসারী রশ্মিগুচ্ছ সৃষ্টি করতে বা কোনো বস্তুর বিবর্ধিত বিম্ব সৃষ্টি করতে পারে। সুবিধাজনক আকৃতির অবতল দর্পণ ব্যবহার করে চিকিৎসকগণ মুখের ভিতরের বিবর্ধিত বিশ্ব দেখতে পান ফলে তাদের কাজ তুলনামূলকভাবে সহজ হয়ে যায়।

Affan Ahmed
Affan Ahmed
6 months ago
উত্তরঃ

ড্রেসিং টেবিলে সমতল দর্পণ ব্যবহার করা হয়, কারণ সমতল দর্পণ সর্বদা আয়নার সম্মুখে বস্তুর প্রতিবিম্ব গঠন করে। প্রকৃতপক্ষে আয়না যে সমতলে অবস্থিত, তার পেছনেই প্রতিবিম্ব গঠিত হয়। কোনো বস্তুর নির্দিষ্ট অংশ থেকে এর প্রতিবিম্বের অনুরূপ অংশ পর্যন্ত অঙ্কিত সরলরেখা সমতল দর্পণের পৃষ্ঠদেশ দ্বারা সমান দুইভাগে বিভক্ত হয় এবং এর সাথে সমকোণ উৎপন্ন করে। যার কারণে ড্রেসিং টেবিলে সমতল দর্পণ ব্যবহার করা হয়।

Affan Ahmed
Affan Ahmed
6 months ago
উত্তরঃ

সার্চলাইটের বাল্বটি জ্বললে উৎপন্ন অপসারী আলোকরশ্মি অবতল দর্পণে প্রতিফলিত হয়ে সমান্তরাল আলোকরশ্মি গুচ্ছে পরিণত হয় এবং অনেক দূর পর্যন্ত যায়। এর ফলে চালক রাতের অন্ধকারে অনেক দূরের বস্তুকে দেখতে পায়। তাই লঞ্চের সার্চলাইটে অবতল আয়না ব্যবহার করা হয়।

Affan Ahmed
Affan Ahmed
6 months ago
147

আমরা চারপাশের যা কিছু আছে সেগুলো থেকে যখন আলো প্রতিফলিত হয়ে আমাদের চোখে এসে পড়ে আমরা তখন সেগুলো দেখতে পাই। আগের অধ্যায়ে শব্দকে ভরা হিসেবে জেনেছি, এই অধ্যায়ে আমরা আলোকে তরঙ্গ হিসেবে জানব, তবে সেটি হবে সম্পূর্ণ ভিন্ন এক ধরনের তরঙ্গ যার নাম বিদ্যুৎ চৌম্বকীয় তরঙ্গ। 

আলো যখন সমতল আয়নায় প্রতিফলিত হয় তখন সেটি প্রতিবিম্ব তৈরি করে, আমরা সবাই সেই প্রতিবিম্বের সাথে পরিচিত। সমতল আয়না না হয়ে গোলাকৃতির আয়নাও ব্যবহার করা যায় তখন সেটি যে প্রতিবিম্ব তৈরি করবে সেটি হবে অন্যরকম। এই অধ্যায়ে আমরা নানা ধরনের আয়নার নানা ধরনের প্রতিবিম্বের বিষয়গুলোও আলোচনা করব। 

Related Question

View All
উত্তরঃ

যে আয়নার পৃষ্ঠটি মসৃণ ও সমতল হয় এবং তাতে আলোর। নিয়মিত প্রতিফলন ঘটে, সেটিই সমতল দর্পণ।

Affan Ahmed
Affan Ahmed
6 months ago
181
উত্তরঃ

ধাতুর প্রলেপ লাগানো ব্যতীত দর্পণ স্বচ্ছ সমসত্ত্ব কাচ খণ্ডের ন্যায়, যাতে আলো লম্বভাবে আপতিত হলে মাত্র 4.5% প্রতিফলিত হয়। অন্যদিকে ধাতুর প্রলেপ লাগানোর ফলে দর্পণের আলোর প্রতিফলনের পরিমাণ প্রায় 40% হয়। তাই আলোর প্রতিফলনের হার বৃদ্ধির জন্য দর্পণের পিছনে ধাতুর প্রলেপ দেওয়া হয়।

Affan Ahmed
Affan Ahmed
6 months ago
353
উত্তরঃ

চিত্র এঁকে RS দর্পণ থেকে PQ বস্তুর প্রতিবিম্বের অবস্থান নিচে নির্ণয় করা হলো-

RS সমতল দর্পণে হচ্ছে আপতন বিন্দু এবং ON অভিলম্ব। দর্পণের সামনে PQ একটি লক্ষ্যবস্তু। PওQ হতে PT এবং QS রশ্মি দর্পণের অভিলম্বভাবে আপতিত হয়ে TP এবং SQ পথে ফিরে আসে। আবার PO ও QO রশ্মি প্রতিফলিত হয়ে OK এবং OL পথে চলে যায়। PT ও OK এবং QS ও OL রশিাগুলোকে পিছনে বর্ধিত করলে তারা যথাক্রমে P' ও Q' বিন্দুতে মিলিত হয়। অর্থাৎ প্রতিফলিত রশ্মিগুলো P' ও Q' বিন্দু থেকে আসছে বলে মনে হয়। P' ও Q' যোগ করলে P'Q'-ই হবে PQ বস্তুর প্রতিবিম্ব।
সুতরাং প্রতিবিম্বের অবস্থান হবে দর্পণের পিছনে এর দূরত্ব SR দর্পণ হতে PQ এর দূরত্বের সমান।

Affan Ahmed
Affan Ahmed
6 months ago
231
উত্তরঃ

উদ্দীপকের ১ ও ২ নং চিত্রের দর্পণদ্বয় যথাক্রমে সমতল দর্পণ ও -অবতল দর্পণ। নিচে ১ এবং ২ নম্বর দর্পণে গঠিত প্রতিবিম্বের তুলনা করা হলো-
সাদৃশ্য:
১. ১নং ও ২নং উভয় দর্পণে আলোর সুষম প্রতিফলন ঘটে।
২. উভয় দর্পণে গঠিত বিম্ব চোখে দেখা যায়।
বৈসাদৃশ্য:
১. ১নং দর্পণে সৃষ্ট প্রতিবিম্ব অবাস্তব ও সোজা হলেও ২নং দর্পণে সৃষ্ট প্রতিবিম্ব বাস্তব ও উল্টো অথবা অবাস্তব ও সোজা হতে পারে।
২. ১নং দর্পণে সৃষ্ট প্রতিবিম্ব পর্দায় ফেলা যায় না কিন্তু ২নং দর্পণে গঠিত প্রতিবিম্ব পর্দায় ফেলা যায়।
৩. ১নং দর্পণের ক্ষেত্রে দর্পণ হতে লক্ষ্যবস্তু ও প্রতিবিম্বের দূরত্ব সমান অন্যদিকে ২নং দর্পণের ক্ষেত্রে লক্ষ্যবস্তুর অবস্থানভেদে প্রতিবিম্বের দূরত্ব বিভিন্ন হয়।
৪. ১নং দর্পণে সৃষ্ট প্রতিবিম্বের উচ্চতা লক্ষ্যবস্তুর উচ্চতার সমান কিন্তু ২নং দর্পণে সৃষ্ট প্রতিবিম্বের উচ্চতা লক্ষ্যবস্তুর অবস্থানভেদে পরিবর্তিত হয়।

Affan Ahmed
Affan Ahmed
6 months ago
186
উত্তরঃ

কোনো বিন্দু উৎস থেকে নিঃসৃত আলোক রশ্মিগুচ্ছ প্রতিফলিত বা প্রতিসরিত হয়ে যদি দ্বিতীয় কোনো বিন্দুতে মিলিত হয় বা দ্বিতীয় কোনো বিন্দু থেকে অপসৃত হচ্ছে বলে মনে হয়, তাহলে ঐ দ্বিতীয় বিন্দুকে প্রথম বিন্দুর প্রতিবিম্ব বলে।

Affan Ahmed
Affan Ahmed
6 months ago
204
উত্তরঃ

আলোর প্রতিফলনের সূত্রানুযায়ী আমরা জানি, আপতন কোণ ও প্রতিফলন কোণের মান সমান। অর্থাৎ আপতিত রশ্যি অভিলম্বের সাথে যে কোণে আপতিত হয় প্রতিফলিত রশ্মি একই কোণে। প্রতিফলিত হয়। এ জন্যই লম্বভাবে দর্পণে আপতিত রশ্মি একই পথে প্রতিফলিত হয়ে ফিরে আসে।

Affan Ahmed
Affan Ahmed
6 months ago
169
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র
মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews