উত্তরঃ বিহারীলাল চক্রবর্তী

বাংলা সাহিত্যের প্রথম সার্থক গীতিকবি বিহারীলাল চক্রবর্তীকে ‘ভোরের পাখি’ বলা হয়। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরই তাঁকে এই উপাধি দিয়েছিলেন। রবীন্দ্রনাথের মতে, বিহারীলালের কাব্যই বাংলা কবিতায় নতুন সুর ও গভীর ভাবধারার সূচনা করেছে, যা পরবর্তীকালে রবীন্দ্র-কাব্যের পথ প্রশস্ত করে। বিহারীলাল চক্রবর্তীর উল্লেখযোগ্য কাব্যগ্রন্থগুলো হলো 'সারদামঙ্গল', 'সাধের আসন', 'স্বপ্নদর্শন' এবং 'বঙ্গসুন্দরী' ইত্যাদি। তাঁর কাব্যে প্রকৃতিপ্রেম, আত্মনিমগ্নতা ও সঙ্গীতের মূর্ছনা বিশেষভাবে লক্ষণীয়, যা আধুনিক বাংলা কাব্যের উন্মেষে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে।

Satt AI
Satt AI
1 week ago
উত্তরঃ রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর

’শেষের কবিতা’ রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর রচিত একটি বিখ্যাত রোমান্টিক উপন্যাস। এটি ১৯২৮ সালে প্রকাশিত হয় এবং বাংলা সাহিত্যের অন্যতম জনপ্রিয় সৃষ্টি হিসেবে বিবেচিত।

উপন্যাসটি আধুনিক শিক্ষিত সমাজের প্রেম, সম্পর্ক এবং জীবনের দার্শনিক দিক নিয়ে আলোকপাত করে। এর প্রধান চরিত্ররা হলেন কলকাতার ব্যারিস্টার অমিত রায় এবং অক্সফোর্ডের ছাত্রী লাবণ্য। উপন্যাসটির ভাষা ও প্রকাশভঙ্গি কাব্যময় এবং রবীন্দ্রসাহিত্যের একটি বিশেষ দিক এতে প্রতিফলিত হয়েছে।

Satt AI
Satt AI
5 days ago
উত্তরঃ মাইকেল মধুসূদন দত্ত

‘মেঘনাবধ’ কাব্য বাংলা সাহিত্যের প্রথম এবং সর্বশ্রেষ্ঠ মহাকাব্য। এটি বাংলা সাহিত্যের আধুনিক পর্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ রচনা। এই মহাকাব্যটি ১৮৬১ সালে প্রকাশিত হয় এবং এর রচয়িতা হলেন বাংলা সাহিত্যের আধুনিক যুগের অন্যতম পথিকৃৎ মাইকেল মধুসূদন দত্ত।

‘মেঘনাবধ’ কাব্যে রামায়ণ-এর কাহিনিকে ভিন্ন দৃষ্টিকোণ থেকে উপস্থাপন করা হয়েছে, যেখানে রাবণপুত্র মেঘনাদকে বীর হিসেবে এবং রাবণকে এক ট্র্যাজিক হিরো হিসেবে চিত্রিত করা হয়েছে। মাইকেল মধুসূদন দত্ত এই কাব্যে অমিত্রাক্ষর ছন্দ এবং সনেট প্রবর্তন করে বাংলা কাব্যধারায় এক যুগান্তকারী পরিবর্তন আনেন। এটি কেবল একটি কাব্য নয়, এটি বাংলা সাহিত্যের নিজস্ব স্বকীয়তা এবং আন্তর্জাতিক মানের সঙ্গে সমতা বিধানের একটি অনন্য দৃষ্টান্ত।

Satt AI
Satt AI
4 days ago
উত্তরঃ

‘অগ্নিবীণা’ কাব্যগ্রন্থ


কাজী নজরুল ইসলামের কালজয়ী ‘বিদ্রোহী’ কবিতাটি তাঁর প্রথম প্রকাশিত কাব্যগ্রন্থ ‘অগ্নিবীণা’-এর অন্তর্গত। এই ঐতিহাসিক কাব্যগ্রন্থটি ১৯২২ সালে প্রকাশিত হয়েছিল। ‘বিদ্রোহী’ কবিতাটি বাংলা সাহিত্যে এক নতুন দিগন্ত উন্মোচন করে এবং কবিকে ‘বিদ্রোহী কবি’ উপাধি এনে দেয়। এটি পরাধীন ভারতের মানুষের মনে স্বাধীনতার আকাঙ্ক্ষা ও প্রতিবাদের চেতনা জাগিয়ে তুলতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছিল।

Satt AI
Satt AI
4 days ago
211

প্রাচীন যুগের একমাত্র নিদর্শন চর্যাপদ। এর ভাষা ও বিষয়বস্তু দুর্বোধ্য এবং এর কবিরা ছিলেন বৌদ্ধ সাধক। এতে বিধৃত হয়েছে বৌদ্ধ ধর্মের তত্ত্বকথা। এ সময়ের সাহিত্যের প্রধান বৈশিষ্ট্য হলো গোষ্ঠী কেন্দ্রিকতা ও ধর্মনির্ভরতা। ধর্মের বিষয়টি সমাজজীবনের চিন্তাভাবনাকে নিয়ন্ত্রিত করেছে, তাই সাহিত্যে ধর্মের কথা বড় হয়ে দেখা দিয়েছে।

প্রাচীন যুগের সময়কাল-

ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ এর মতে৬৫০-১২০০ খ্রি.
ড. সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায় এর মতে৯৫০-১২০০ খ্রি.
ড. সুকুমার সেনের মতে৯০০-১৩৫০ খ্রি.

চর্যাপদ: বাংলা ভাষার প্রথম কাব্য/কবিতা সংকলন চর্যাপদ। এটি বাংলা সাহিত্যের আদিযুগের একমাত্র লিখিত নিদর্শন। ডক্টর হরপ্রসাদ শাস্ত্রী নেপালের রাজ দরবারের গ্রন্থাগার হতে ১৯০৭ সালে 'চর্যাচর্য বিনিশ্চয়' নামক পুঁথিটি আবিষ্কার করেন। চর্যাপদের সাথে 'ডাকার্ণব' ও 'দোহাকোষ' নামে আরও দুটি বই নেপালের রাজ দরবারের গ্রন্থাগার হতে আবিষ্কৃত হয়। ১৯১৬ সালে সবগুলো বই একসাথে 'হাজার বছরের পুরাণ বাঙ্গালা ভাষায় বৌদ্ধগান ও দোহা' নামে প্রকাশ করেন।

বাংলার পাল বংশের রাজারা ছিলেন বৌদ্ধধর্মালম্বী। তাদের আমলে চর্যাগীতিগুলোর বিকাশ ঘটেছিল। সপ্তম থেকে দ্বাদশ শতাব্দীর মধ্যবর্তী সময়ে পদগুলো রচিত। পাল বংশের পরে আসে সেন বংশ। সেন বংশ হিন্দুধর্ম এবং ব্রাহ্মণ্যসংস্কার রাজধর্ম হিসাবে গ্রহণ করে। ফলে বৌদ্ধ সিদ্ধচার্যেরা এদেশ হতে বিতাড়িত হয় এবং নেপালে আশ্রয় গ্রহণ করে। তাই বাংলা সাহিত্যের আদি নিদর্শন বাংলাদেশের বাহিরে নেপালে পাওয়া গেছে।

হরপ্রসাদ শাস্ত্রী - উইকিপিডিয়া
ড. হরপ্রসাদ শাস্ত্রী

চর্যাপদের শব্দগুলো অপরিচিত, শব্দ ব্যবহারের রীতি বর্তমানের রীতি থেকে ভিন্ন --এর কবিতাগুলো পড়ে বুঝতে কষ্ট হয়। এজন্য চর্যাপদের ভাষাকে 'সন্ধ্যা ভাষা'ও বলে। চর্যাপদের কবিতাগুলো গাওয়া হত। তাই এগুলো একইসাথে গান ও কবিতা।

সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায় তার 'বাঙলা ভাষার উৎপত্তি ও বিকাশ' (Origin and Development of Bengali language) নামক গ্রন্থে ধ্বনি তত্ত্ব ব্যাকরণ ও ছন্দ বিচার করে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেন যে, পদসংকলনটি আদি বাংলা ভাষায় রচিত। কেউ কেউ একে মৈথিলি, উড়িয়া বা আসামি ভাষা বলে দাবি করেন। ডঃ মুহম্মদ শহীদুল্লাহর মতে, সেকালের বাংলা, উড়িয়া বা আসামি ভাষার পার্থক্য ছিল সামান্যই। উল্লেখ্য যে, চর্যাপদ উড়িষ্যা, বিহার, আসাম, পশ্চিমবঙ্গ ও বাংলাদেশের নিজ নিজ ভাষা ও সাহিত্যের আদি নিদর্শন হিসাবে বিবেচিত।

এতে মোট ৫১ টি পদ'রয়েছে। কয়েক পাতা নষ্ট হয়ে যাওয়ায় সর্বমোট সাড়ে ৪৬টি পদ পাওয়া গেছে। ২৩ নং পদটি খণ্ডিত আকারে উদ্ধার করা হয়েছে অর্থাৎ এর শেষাংশ পাওয়া যায়নি। ২৪, ২৫ ও ৪৮ নং পদগুলো পাওয়া যায়নি। চর্যাপদের মোট পদকর্তা ২৪। অনেকের মতে, আদি চর্যাকার লুইপা। ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহর মতে প্রাচীনতম চর্যাকার শবরপা এবং আধুনিকতম সরহ বা ভুসুকু। কাহ্নপা সর্বাধিক ১৩ টি পদ রচনা করেন।

রাজশাহী কলেজ গ্রন্থাগারে সংরক্ষিত দুর্লভ চর্যাপদ এর অংশবিশেষ

চর্যাপদের কবি / পদকর্তা-

ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ এর মতে২৩ জন
ড. সুকুমার সেনের মতে২৪ জন

পদকর্তা: লুই, শবর, ককুরী, বিরুআ, গুণ্ডারী, চাটিল, ভুসুকু, কাহ্ন, কামলি, ডোম্বী, শান্তি, মহিত্তা, বীণা, সরহ, আজদেব, ঢেণ্টণ, দারিক, ভাদে, তাড়ক, কঙ্কণ, জঅনন্দি, ধাম, তন্ত্রী ও লাড়ীডোম্বী। পদকর্তাদের নামের শেষে সম্মানসূচক 'পা' যোগ করা হয়। যেমন: লুই থেকে লুইপা, শবর থেকে শবরপা।

কাহ্ন : ১৩ টি পদ রচনা করেন।

ভুসুকু : ৮ টি পদ রচনা করেন।

সরহ : ৪ টি পদ রচনা করেন।

লুই, শান্তি ও শবরী: ২ টি করে পদ রচনা করেন।

বাকিরা : ১ টি করে পদ রচনা করেন।

লাড়ীডোম্বী : কোন পদ পাওয়া যায়নি।

ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহর 'Buddhist Mystic Songs' গ্রন্থের মতে, পদ সংখ্যা ৫০টি এবং প্রাপ্ত পদ সাড়ে ছেচল্লিশটি।

ড. সুকুমার সেনের 'বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস' গ্রন্থের মতে, পদ সংখ্যা ৫১টি।

চর্যাপদের যে পদ পদ পাওয়া যায়নিঃ

২৩ নং অর্ধেক, ২৪, ২৫ ও ৪৮ নং পদ।

যেসব পদ পাওয়া যায়নি সেগুলোর রচয়িতাঃ

২৩- ভুসুকুপা, ২৪- কাহ্নপা, ২৫- তান্তীপা, ৪৮- কুকুরীপা।

চর্যাপদের প্রথম পদের রচয়িতাঃ

লুইপা। তিনি ২টি পদ রচনা করেন। যথা: ১, ২৯। হরপ্রসাদ শাস্ত্রীর মতে, তিনি রাঢ় অঞ্চলের বাঙালি কবি হিসেবে পরিচিত। ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহর মতে, তিনি শবরপার শিষ্য ছিলেন। লুইপাকে আদি চর্যাকার হিসেবে ধরে নেয়া হয়।

চর্যাপদের প্রথম পদটিঃ

কাআ (শরীর) তরুবর পঞ্চ বি ডাল।

চঞ্চল চীএ পইঠো কাল ॥

দিঢ় করিঅ মহাসুহ পরিমাণ।

লুই ভণই (বলে) গুরু পুচ্ছিঅ জাণ ॥

সঅল সহিঅ কাহি করিঅই।

সুখ দুখেতে নিচিত মরিঅই ॥

এড়ি এউ ছান্দক বান্ধ করণক পাটের আস।

সুনুপথ ভিতি লেহু রে পাস ॥

ভণই লুই আমহে ঝাণে দিঠা।

ধমণ চমণ বেণি পিত্তি বইঠা ॥

মহামহোপাধ্যায় হরপ্রসাদ শাস্ত্রীর মতে, সন্ধ্যা বা সান্ধ্য ভাষা বা আলো-আঁধারির ভাষা।

ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহর মতে, এর ভাষার নাম 'বঙ্গকামরূপী'। এটি মাত্রাবৃত্ত ছন্দে রচিত।

চর্যাপদের অনুবাদক

ভাষা

অনুবাদক

অনূদিত নাম

তিব্বতিকীর্তিচন্দ্র-
হিন্দিরাহুল সাংকৃত্যায়নদোহাকোষ (১৯৫৭)
ইংরেজিহাসনা জসীমউদ্দীন মওদুদমিস্টিক পোয়েট্রি অব বাংলাদেশ (২০১৭)
সংস্কৃতপ্রবোধচন্দ্র বাগচী-
চিত্রঃ কাহ্নপার নকশা

Related Question

View All
উত্তরঃ মাইকেল মধুসূদন দত্ত। এটি বাংলা সাহিত্যের প্রথম সার্থক ট্র্যাজেডি নাটক।

‘কৃষ্ণকুমারী’ নাটকটি মহাকবি মাইকেল মধুসূদন দত্ত রচিত একটি ঐতিহাসিক ট্র্যাজেডি নাটক। এটি ১৮৬১ সালে প্রকাশিত হয় এবং বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসে একটি যুগান্তকারী সৃষ্টি হিসেবে বিবেচিত। এর গুরুত্বগুলি নিম্নরূপ:

        
  • প্রথম সার্থক ট্র্যাজেডি: ‘কৃষ্ণকুমারী’ বাংলা সাহিত্যের প্রথম সার্থক ট্র্যাজেডি নাটক। এর পূর্বে রচিত নাটকগুলোতে ট্র্যাজেডির গভীরতা ও শিল্পসম্মত প্রকাশ ছিল না। মধুসূদনের হাতেই বাংলা সাহিত্যে শেক্সপীয়রীয় ট্র্যাজেডির যথার্থ রূপায়ণ ঘটে।
  •     
  • ঐতিহাসিক পটভূমি: নাটকটি রাজস্থানের ঐতিহাসিক পটভূমিতে রচিত। উদয়পুরের রানা ভীমসিংহের কন্যা কৃষ্ণকুমারীর আত্মাহুতির ঘটনাকে কেন্দ্র করে এটি আবর্তিত হয়েছে। এটি তৎকালীন রাজস্থানের রাজনৈতিক দ্বন্দ্ব, ক্ষমতা লিপ্সা এবং সামাজিক রীতিনীতি ফুটিয়ে তুলেছে।
  •     
  • চরিত্র চিত্রণ: নাটকের চরিত্রগুলি, বিশেষ করে কৃষ্ণকুমারী, ভীমসিংহ, জগৎসিংহ, মদনিকা প্রমুখের মনস্তাত্ত্বিক বিশ্লেষণ ও সংঘাতের গভীরতা পাঠককে মুগ্ধ করে। কৃষ্ণকুমারীর আত্মত্যাগ নাটকটিকে মর্মস্পর্শী ট্র্যাজেডিতে পরিণত করেছে।
  •     
  • ভাষাগত উৎকর্ষ: মধুসূদন দত্তের কাব্যিক ভাষা ও প্রখর নাট্যশৈলী এই নাটকের প্রধান বৈশিষ্ট্য। শক্তিশালী সংলাপ এবং নাটকের গতিশীলতা বাংলা নাট্যসাহিত্যে এক নতুন মাত্রা যোগ করেছে।
  •     
  • সমাজ ও রাজনীতির প্রতিচ্ছবি: নাটকটি শুধু একটি প্রেম বা ট্র্যাজেডির গল্প নয়, এটি তৎকালীন সমাজের রাজনৈতিক অস্থিরতা, রাজাদের দুর্বলতা এবং সম্মান রক্ষার নামে বলিদানের এক করুণ প্রতিচ্ছবি।
Satt AI
Satt AI
1 week ago
682
উত্তরঃ উপন্যাস, কাজী নজরুল ইসলাম।

'কুহেলিকা' কাজী নজরুল ইসলাম রচিত একটি বিখ্যাত উপন্যাস, যা ১৯৩১ সালে প্রথম গ্রন্থাকারে প্রকাশিত হয়। এই উপন্যাসে প্রেম, বিদ্রোহ, আত্মত্যাগ এবং তৎকালীন ভারতের স্বাধীনতা আন্দোলনের প্রেক্ষাপটকে উপজীব্য করা হয়েছে। এটি নজরুলের বিপ্লবী চেতনা ও রোমান্টিক ভাবধারার এক অনবদ্য মিশ্রণ।

কাজী নজরুল ইসলাম (১৮৯৯-১৯৭৬) ছিলেন বাংলা সাহিত্যের অন্যতম শ্রেষ্ঠ ব্যক্তিত্ব। তিনি ছিলেন একাধারে কবি, ঔপন্যাসিক, নাট্যকার, সঙ্গীতজ্ঞ এবং দার্শনিক। ব্রিটিশ ঔপনিবেশিক শাসন ও সামাজিক অবিচারের বিরুদ্ধে তার লেখনী ছিল এক প্রতিবাদী কণ্ঠস্বর, যে কারণে তিনি 'বিদ্রোহী কবি' হিসেবে সমধিক পরিচিত। তার সাহিত্যে সাম্য, মানবতা এবং বিদ্রোহের বাণী প্রবলভাবে উচ্চারিত হয়েছে।

Satt AI
Satt AI
1 week ago
490
উত্তরঃ চর্যাপদ

চর্যাপদ হলো বাংলা সাহিত্যের আদি নিদর্শন এবং প্রাচীনতম বাংলা কাব্য। এটি খ্রিস্টীয় অষ্টম থেকে দ্বাদশ শতাব্দীর মধ্যবর্তী সময়ে রচিত বৌদ্ধ সহজিয়া সাধকদের এক ধরণের গান ও কবিতা সংকলন। বাংলা ভাষার উৎপত্তি ও ক্রমবিকাশের ইতিহাস জানতে এবং প্রাচীন বাংলার সামাজিক, অর্থনৈতিক ও ধর্মীয় জীবন সম্পর্কে এটি মূল্যবান তথ্য প্রদান করে।

১৯০৭ সালে মহামহোপাধ্যায় হরপ্রসাদ শাস্ত্রী নেপালের রাজকীয় গ্রন্থাগার থেকে এর পুথি আবিষ্কার করেন। তাঁর সম্পাদনায় ১৯১৬ সালে বঙ্গীয় সাহিত্য পরিষদ থেকে এটি ‘হাজার বছরের পুরাণ বাঙ্গালা ভাষায় বৌদ্ধ গান ও দোহা’ নামে প্রকাশিত হয়। চর্যাপদের ভাষা 'সন্ধ্যা ভাষা' নামে পরিচিত, যার অর্থ আংশিক আলো ও আংশিক অন্ধকারময় বা দ্ব্যর্থবোধক ভাষা।

Satt AI
Satt AI
2 weeks ago
451
উত্তরঃ রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
ভানুসিংহের পদাবলী

ভানুসিংহ ছিল বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের একটি ছদ্মনাম। তিনি এই ছদ্মনামে "ভানুসিংহের পদাবলী" নামক একটি কাব্যগ্রন্থ রচনা করেন। এই কাব্যগ্রন্থটি মূলত বৈষ্ণব পদাবলীর ঢঙে লেখা একগুচ্ছ কবিতা নিয়ে গঠিত। রবীন্দ্রনাথ তাঁর কৈশোরকালে বৈষ্ণব সাহিত্যের দ্বারা প্রভাবিত হয়ে এই কবিতাগুলো লেখেন, যেখানে রাধা-কৃষ্ণের প্রেমলীলা, বিরহ ও মিলনকে নতুন আঙ্গিকে তুলে ধরা হয়েছে। এটি বাংলা সাহিত্যে তাঁর প্রাথমিক কাব্যপ্রতিভার এক অনন্য নিদর্শন এবং একটি স্বতন্ত্র সংযোজন হিসেবে বিবেচিত হয়।

Satt AI
Satt AI
2 weeks ago
382
উত্তরঃ চর্যাপদ

প্রাচীন যুগে রচিত বাংলা সাহিত্যের একমাত্র নিশ্চিত নিদর্শন হলো চর্যাপদ। এটি বাংলা সাহিত্যের আদি নিদর্শন হিসেবে স্বীকৃত। ড. হরপ্রসাদ শাস্ত্রী ১৯০৭ সালে নেপালের রাজকীয় গ্রন্থশালা থেকে এর পুঁথি আবিষ্কার করেন, যা ১৯১৬ সালে 'হাজার বছরের পুরাণ বাঙ্গালা বৌদ্ধ গান ও দোঁহা' নামে প্রকাশিত হয়।

চর্যাপদ মূলত বৌদ্ধ সহজিয়া সাধকদের রচিত কিছু গান বা কবিতা, যা তাদের ধর্মীয় ও দার্শনিক চিন্তাভাবনা প্রকাশ করে। এর ভাষা প্রাচীন বাংলা ভাষারূপের একটি উদাহরণ এবং এটি আধুনিক বাংলা ভাষার উদ্ভবের প্রথম ধাপ নির্দেশ করে। চর্যাপদের রচয়িতাদের মধ্যে লুইপা, কাহ্নপা, ভুসুকুপা, শবরীপা, সরহপা প্রমুখ উল্লেখযোগ্য। চর্যাপদ শুধুমাত্র বাংলা সাহিত্যেরই নয়, বাংলা ভাষা ও সংস্কৃতির ইতিহাসের জন্যও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি দলিল।

Satt AI
Satt AI
2 weeks ago
358
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র
মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews