সুষম খাদ্য বলতে এমন খাদ্যকে বুঝি, যা আমাদের শরীরের জন্য প্রয়োজনীয় সব ধরনের পুষ্টি সঠিক পরিমাণে সরবরাহ করে। এতে শর্করা, আমিষ, স্নেহ, ভিটামিন, খনিজ লবণ ও পানি, এই ছয়টি খাদ্য উপাদানই উপস্থিত থাকে তাকে সুষম খাদ্য বলে।
শিশুর প্রয়োজনীয় পুষ্টিকর খাবার না খাওয়ার তিনটি ক্ষতিকর দিক হলো-
১. শিশুর স্বাভাবিক বৃদ্ধি বাধাগ্রস্ত হবে।
২. শিশুর মানসিক বিকাশ বাধাগ্রস্ত হবে।
৩. শরীর দুর্বল হয়ে পড়বে।
সুষম খাদ্য গ্রহণের তিনটি প্রয়োজনীয়তা হলো-
১. সুস্থ ও সবল থাকার জন্য।
২. শরীরের কর্মক্ষমতা বজায় রাখার জন্য।
৩. রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করার জন্য।
তিনটি আমিষ জাতীয় খাদ্যের নাম হলো-
১. মাছ, ২. মাংস ও ৩. ডিম।
খাদ্য সংরক্ষণের তিনটি গুরুত্ব নিচে উল্লেখ করা হলো--
১. খাদ্য সংরক্ষণ অপচয় রোধ করে,
২. দ্রুত পচন থেকে খাদ্যকে রক্ষা করে ও
৩. খাদ্য সংরক্ষণের মাধ্যমে বিভিন্ন মৌসুমি খাদ্যদ্রব্য সারা বছর পাওয়া যায়।
মাছ, মাংস রেফ্রিজারেটরে রাখার তিনটি সুবিধা হলো-
১. মাছ, মাংসকে পচনের হাত থেকে রক্ষা করা যায়।
২. খাদ্যের পুষ্টিগুণ অক্ষুণ্ণ থাকে।
৩. দীর্ঘদিন সংরক্ষণের পর খাদ্য হিসেবে ব্যবহার করা যায়।
তেল দিয়ে সংরক্ষণ করা হয় এমন তিনটি খাদ্য হলো-১. জলপাই, ২. বরই ও ৩. আম।
খাদ্য সংরক্ষণের তিনটি বৈজ্ঞানিক পদ্ধতি হলো-
১. ফ্রিজে সংরক্ষণ,
২. হিমাগারে সংরক্ষণ ও
৩. টিন বা বায়ুরোধী পাত্রে সংরক্ষণ।
খাদ্যে মেশানো হয় এরকম তিনটি রাসায়নিক দ্রব্যের নাম হলো- ১. কৃত্রিম রং, ২. ফরমালিন ও ৩. কার্বাইড।
উত্তর: বৃতম রং শিয়িত তিনটি খাবারের নাম হলো-১. মিষ্টি, ২. জেলি ও ৩. আইসক্রিম।
খাদ্য সংরক্ষণের জন্য ফরমালিন ব্যবহার ক্ষতিকর হওয়ার কারণ তিনটি বাক্যে নিচে উল্লেখ করা হলো-
১. ফরমালিন মিশ্রিত খাবার গ্রহণের ফলে বৃক্ক ও যকৃৎ অকার্যকর হতে পারে।
২. ফরমালিন মিশ্রিত খাবার খেলে ক্যান্সারের মতো রোগ হতে পারে।
৩. খাদ্যের পুষ্টিগুণ নষ্ট করে।
কার্বাইড মিশ্রিত ফল খাওয়ার তিনটি ক্ষতিকর প্রভাব হলো-
১. বৃদ্ধ ও যকৃৎ অকার্যকর হয়ে যেতে পারে,
২. পেট ব্যথা, ডায়রিয়া ও হজমজনিত সমস্যা দেখা দিতে পারে ও
৩. ক্যান্সারের মতো রোগ হতে পারে।
ক্ষতিকর রাসায়নিক পদার্থ যেমন- কৃত্রিম রং, ফরমালিন, কার্বাইড মিশ্রিত খাদ্য গ্রহণের ফলে কিডনি ও লিভার অকার্যকর হতে পারে।
আমার বাড়িতে খাদ্য সংরক্ষণের তিনটি উপায় হলো-
১. রেফ্রিজারেটরে সংরক্ষণ,
২. রোদে শুকিয়ে সংরক্ষণ ও
৩. টিন বা বায়ুরোধী পাত্রে সংরক্ষণ।
জাঙ্ক ফুড হচ্ছে এক ধরনের কৃত্রিম খাদ্য, যাতে অত্যধিক চিনি, লবণ ও চর্বি থাকে। যেমন- বার্গার, পিজা, পটেটো চিপস, কোমল পানীয় ইত্যাদি।
তিনটি জাঙ্ক ফুডের নাম হলো-১. বার্গার, ২. পটেটো চিপস ও ৩. ফ্রাইড চিকেন।
জাঙ্ক ফুড খাওয়ার তিনটি ক্ষতিকর দিক হলো-
১. অতিরিক্ত মোটা হয়ে যেতে পারে।
২. পুষ্টিহীনতায় ভুগতে পারে।
৩. শরীরের কর্মক্ষমতা হ্রাস পেতে পারে।
তেল ও চর্বি জাতীয় তিনটি খাদ্য হলো-১. ঘি, ২. মাখন ও ৩. সয়াবিন তেল।
আঁশ জাতীয় খাদ্যের তিনটি বৈশিষ্ট্য হলো-
১. কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করে,
২. হজম শক্তি বৃদ্ধি করে ও
৩. রক্তে শর্করার পরিমাণ নিয়ন্ত্রণে সহায়তা করে।
আঁশ জাতীয় খাদ্যের তিনটি নাম হলো-
১. ফলমূল,
২. ঢেঁকিছাঁটা চাল ও
৩. বিভিন্ন প্রকারের শাকসবজি
আমরা চতুর্থ শ্রেণিতে জেনেছি, সুষম খাদ্য আমাদের সুস্থ থাকার জন্য প্রয়োজনীয় পুষ্টি সরবরাহ করে। তবে মানুষের বয়স ও কাজ অনুযায়ী খাদ্য ও পুষ্টির চাহিদার পরিমাণে কম- বেশি হয়ে থাকে। তাই জানা দরকার আমাদের শরীরের জন্য কতটুকু পুষ্টি প্রয়োজন? তাছাড়া সুস্বাস্থ্যের জন্য আমাদের কোন কোন খাবার খাওয়া উচিত ?
Related Question
View Allসুষম খাদ্য আমাদের সুস্থ থাকার জন্য প্রয়োজনীয় পুষ্টি সরবরাহ করে।
প্রয়োজনীয় পুষ্টি পাওয়ার জন্য আমাদের সুষম খাদ্য খেতে হবে।
মানুষের বয়স ও কাজ অনুযায়ী খাদ্য ও পুষ্টি চাহিদার পরিমাণে কম বেশি হয়।
আমাদের বয়স ও কাজের ধরন অনুযায়ী সঠিক পরিমাণে সুষম খাদ্য গ্রহণ করতে হবে
অতিরিক্ত খাদ্য গ্রহণের ফলে ওজনজনিত সমস্যা সৃষ্টি হতে পারে
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!