মুক্তিযুদ্ধকালীন সময়ে বাংলাদেশকে ১১টি সেক্টর এবং ৬৪টি সাব সেক্টরে বিভক্ত করা হয়েছিল।
মুক্তিযুদ্ধকালীন সময়ে অস্থায়ী সরকারের সদস্য সংখ্যা ৬ জন এবং প্রধান ছিলেন শেখ মুজিবুর রহমান।
”সাত সাগরের মাঝি” কাব্যগ্রন্থের রচয়িতা ফররূখ আহমদ এবং ”সুজন বাদিয়ার ঘাট” কাব্যগ্রন্থের রচয়িতা জসীম উদ্দীন।
১৯৯৯ খ্রিস্টাব্দের ১৭ নভেম্বর ইউনেস্কো কর্তৃক ২১ ফেব্রুয়ারিকে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসাবে ঘোষণা করা হয়।
জাতীয় পতাকা দিবস ২ মার্চ এবং জাতীয় শিশু দিবস ১৭ মার্চ।
২৪ অক্টোবর ১৯৪৫ জাতিসংঘ সনদ কার্যকরী হয়।
সুয়েজ খাল ভূ-মধ্যসাগরকে লোহিত সাগরের সাথে যুক্ত করেছে।
আগামি বিশ্বকাপ ফুটবল ২০২৬ সালে যৌথভাবে মার্কিন যুক্তরাষ্ট, কানাডা এবং মেক্সিকোতে অনুষ্ঠিত হবে।
Related Question
View Allস্বাধীনতা যুদ্ধকালে বাংলাদেশকে ১১টি (বিভক্ত করেন কর্নেল এম এ জি ওসমানী) সেক্টরে বিভক্ত করা হয়েছিল ১১ জুলাই ১৯৭১ সালে। উল্লেখ্য, মুক্তিযুদ্ধের সময় সমগ্র বাংলাদেশকে ৬৪টি সাব-সেক্টরে ভাগ করা হয়। ১০নং সেক্টর সরাসরি প্রধান সেনাপতির অধীনে ছিল। সম্মুখ সমরে পাকিস্তান সেনাবাহিনীর সঙ্গে যুদ্ধে লিপ্ত হওয়ার জন্য ৩টি (জেড ফোর্স, কে ফোর্স, এস ফোর্স) নিয়মিত ব্রিগেড গঠন করা হয়।
সেক্টর ২ঃ কুমিল্লা, নোয়াখালী, আখাউড়া, ভৈরব, ঢাকা ও ফরিদপুর জেলার অংশবিশেষ। আগরতলার ২০ মাইল দক্ষিণে ছিল এ সেক্টরের সদরদপ্তর।
মুজিবনগর সরকার ১৯৭১ সালের ১০ এপ্রিল গঠিত হয়।
মুক্তিযুদ্ধে বাংলাদেশকে ১১টি সেক্টরে এবং ৩টি ব্রিগেড ফোর্সে বিভক্ত করা হয়েছিল।
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!