সন্তান হুবহু পিতা-মাতার মতো হয় না কেন?

Updated: 13 hours ago
উত্তরঃ

মানুষের ক্রোমোজোমে অবস্থিত জিনের মাধ্যমে পিতা-মাতার বৈশিষ্ট্যাবলি তাদের সন্তান-সন্ততিতে সঞ্চারিত হয়। মিয়োসিস কোষ বিভাজনের সময় ক্রসিং ওভারের মাধ্যমে পিতা-মাতার বৈশিষ্ট্যাবলি সন্তানের দেহে সঞ্চারিত হয়। কিন্তু পিতা-মাতার দেহ থেকে এক সেট DNA আসে এবং ক্রসিং ওভারের মাধ্যমে বৈশিষ্ট্যের সংমিশ্রণ ঘটে। ফলে কিছু বৈশিষ্ট্য প্রকাশ না পেয়ে সুপ্ত অবস্থায় থাকে। তাই সন্তান-সন্তুতি হুবহু পিতা-মাতার মতো হয় না।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
91
মানুষ, শিম্পাঞ্জি, ওরাংওটাং ও ম্যাকাক বানরের খুলির তুলনামূলক ছবি

মাতা-পিতার আকৃতি ও প্রকৃতিগত বৈশিষ্ট্যাবলি বংশানুক্রমে সন্তান-সন্ততিতে সঞ্চারিত হয়। মাতাপিতা থেকে বৈশিষ্ট্য সন্ধানে কীসের মাধ্যমে কীভাবে স্থানান্তরিত হয়, তা আমরা এ অধ্যায়ে জানতে পারব। এ অধ্যায়ে আরও জানতে পারব যে জীবজগতের মধ্যে বিভিন্ন শ্রেণি বর্তমান এবং তারা তাদের পূর্বপুরুষ (Ancestor) থেকে উদ্ভুত হয়ে বিবর্তন বা ক্রমবিকাশের মাধ্যমে ক্রমাগত পরিবর্তিত ও রূপান্তরিত হয়ে বর্তমান রূপ ধারণ করেছে।

এই অধ্যায় পাঠ শেষে আমরা-
•বংশগতির ধারণা ব্যাখ্যা করতে পারব।
• বংশপরম্পরায় চারিত্রিক বৈশিষ্ট্য বহনকারী উপাদানসমূহ সম্পর্কে বর্ণনা করতে পারব।
•চারিত্রিক বৈশিষ্ট্য বংশপরম্পরায় স্থানান্তর ব্যাখ্যা করতে পারব।
•DNA প্রতিরূপ ব্যাখ্যা করতে পারব।
• বংশগতির তথ্য স্থানান্তরে ডিএনএ (DNA)-এর ভূমিকা ব্যাখ্যা করতে পারব।
•DNA টেস্টের প্রয়োজনীয়তা ব্যাখ্যা করতে পারব।
• লিঙ্গ নির্ধারণে পুরুষের ভূমিকা ব্যাখ্যা করতে পারব।
• জেনেটিক ডিসঅর্ডারের কারণ ও ফলাফল বর্ণনা করতে পারব।
•বিবর্তনের ধারণা ব্যাখ্যা করতে পারব।
• বিবর্তনের প্রাকৃতিক নির্বাচন মতবাদ বর্ণনা করতে পারব।
•প্রজাতির টিকে থাকায় বিবর্তনের গুরুত্ব বিশ্লেষণ করতে পারব।
• মা-বাবার সাথে সাদৃশ্য ও বৈসাদৃশ্যমূলক বৈশিষ্ট্যসমূহ নির্ণয় করতে পারব।
• আমাদের জীবনে ডিএনএ (DNA) টেস্টের অবদান উপলব্ধি করতে পারব।

Related Question

View All
উত্তরঃ

জীববিজ্ঞানের যে বিশেষ শাখায় সকল প্রকার জীবের বংশগতি সম্পর্কে বিশদ আলোচনা ও গবেষণা করা হয় তাই এক কথায় বলা বংশগতিবিদ্যা।

938
উত্তরঃ

যে প্রক্রিয়ায় একটি অণু (DNA) থেকে অনুরূপ দুটি নতুন অণুর (DNA) সৃষ্টি হয় তাকে অনুলিপন (DNA) অনুলিপন বলে। এই প্রক্রিয়াটি DNA অণুর সূত্র দুটির হাইড্রোজেন বন্ধন ভেঙ্গে গিয়ে আলাদা হয় এবং প্রতিটি সূত্র তার পরিপূরক নতুন সূত্র সৃষ্টির মাধ্যমে নতুন DNA অণু তৈরি করে।

1.1k
উত্তরঃ

সিফাতের বড় কন্যাটি যেহেতু দেখতে হুবহু বাবার মত সেহেতু তার এ চেহারার জন্য দায়ী প্রকট জিনটি বাবার কাছ থেকেই এসেছে এবং মায়ের চেহারার জন্য দায়ী জিনটি তার 'দেহে প্রচ্ছন্ন অবস্থায় আছে। অর্থাৎ মায়ের ঐ জিনটি তার দেহে প্রচ্ছন্ন জিন।

আবার, ছোট কন্যাটির চুল ও গায়ের রং বাবার মত। অর্থাৎ চুল ও গায়ের রং এর জন্য দায়ী প্রকট জিনগুলো সে বাবার কাছ থেকে পেয়েছে। কিন্তু তার চেহারা মায়ের মতো হওয়ায় চেহারার জন্য দায়ী প্রকট জিনটি সে মায়ের কাছ থেকে পেয়েছে। মা বাবার অন্যান্য যে সকল বৈশিষ্ট্যগুলো প্রকাশ পায়নি সেগুলোর জন্য দায়ী জিন তার দেহে প্রচ্ছন্ন অবস্থায় রয়েছে।

সুতরাং সিফাতের সন্তানদের ক্ষেত্রে এরূপ শারীরিক গঠনগত ভিন্নতার কারণ হলো প্রকট জিন। প্রকট জিনই যে কোন জীবের বাহ্যিক বৈশিষ্ট্য প্রকাশ করে।

418
উত্তরঃ

সম্প্রতি সিফাতের আরও একটি কন্যা সন্তান হওয়ায় সে তার স্ত্রীর উপর ভীষণ ক্ষুব্ধ। এটি সম্পূর্ণ অযৌক্তিক। কারণ, স্ত্রী লোকের ডিপ্লয়েড কোষে দুটি সেক্স কোমোসোমই X ক্রোমোসোম অর্থাৎ XX। কিন্তু পুরুষদের ক্ষেত্রে দুটির মধ্যে একটি X, অপরটি Y ক্রোমোসোম অর্থাৎ XY। মানুষের লিঙ্গ নির্ধারণ ভালভাবে পর্যালোচনা করলে দেখা যায় যে, কন্যা বা পুত্র সন্তানের জন্ম হবার ব্যাপারে মায়ের আদৌ কোনো ভূমিকা নেই। কারণ মা সবসময় কেবল X বহনকারী ডিম্বাণু তৈরি করে। অপরদিকে পিতা X এবং Y উভয় ধরনের শুক্রাণু উৎপাদন করে। গর্ভধারণকালে কোন ধরনের শুক্রাণু মাতার X বহনকারী ডিম্বাণুর সঙ্গে মিলিত হবে তার উপর নির্ভর করে ভবিষ্যৎ সন্তানের লিঙ্গ। যেহেতু নিষেকে কেবল একটি শুক্রাণুই ডিম্বাণুর সঙ্গে মিলিত হয় তাই পিতার X অথবা Y শুক্রাণুর কোনটি সাফল্যভাবে নিষেক ঘটাবে তার উপর নির্ভর করে সন্তানের লিঙ্গ। যদি X বহনকারী শুক্রাণু নিষেক ঘটায় তা হলে জাইগোট হবে XX, অর্থাৎ সন্তান হবে কন্যা। আর যদি Y বহনকারী শুক্রাণু নিষেকে অংশগ্রহণ করে সেক্ষেত্রে জাইগোট হবে XY এবং সন্তান হবে পুত্র। উপরের বিজ্ঞানভিত্তিক আলোচনা থেকে স্পষ্টভাবে বলা যায় যে সম্প্রতি সিফাতের আরও একটি কন্যা সন্তান হওয়ার জন্য তার স্ত্রী কোনভাবেই দায়ী নয়, বরং কন্যা সন্তান হওয়ার জন্য সিফাতই দায়ী। সুতরাং স্ত্রীর উপর ক্ষুব্ধ হওয়া সিফাতের অনুচিৎ এবং সম্পূর্ণ অযৌক্তিক।

292
উত্তরঃ

ক্রোমোসোমের যে স্থানে জিন অবস্থান করে তাই লোকাস।

304
উত্তরঃ

পৃথিবীতে বর্তমানে যত জীব রয়েছে তাদের অনেকেই বিভিন্ন সময়ে এ ভূমণ্ডলে আবির্ভূত হয়েছে। সময়ের সাথে সাথে পরিবেশেরও পরিবর্তন ঘটেছে। আর এই ভিন্ন পরিবেশে জীবগুলো তাদের নিজেদের মধ্যে বিভিন্ন ধরনের পরিবর্তন ঘটিয়ে টিকে আছে। বিভিন্ন পরিবেশে বা প্রতিকূল পরিবেশে জীবের নিজেকে খাপ খাইয়ে বেঁচে থাকাই হলো অভিযোজন। অভিযোজন জীবের এক অনন্য বৈশিষ্ট্য।

639
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র
মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews