যে দলিলে সমবায় সমিতির অভ্যন্তরীণ ও বাহ্যিক কার্যক্রম পরিচালনা ও নিয়ন্ত্রণসংক্রান্ত নিয়ম-নীতি লেখা থাকে তাকে সমবায় সমিতির উপবিধি বলে।
সমবায় সমিতি তার উপবিধিতে বর্ণিত নিয়ম-নীতির বাইরে কোনো কাজ সম্পাদন করতে পারে না। তাই এরূপ দলিল প্রণয়নকালে প্রস্তাবিত সমিতির উদ্যোক্তাদের অত্যন্ত সতর্কতা অবলম্বন করতে হয়। কারণ এর ওপর ভিত্তি করে সমবায় সমিতি গঠিত ও পরিচালিত হয়।
“দশে মিলে করি কাজ, হারি জিতি নাহি লাজ”-এ চিন্তাধারা হতেই সমবায়ের জন্ম, সমবায় সংগঠন বা সমিতি হলো কতিপয় ব্যক্তির একটি স্বেচ্ছামূলক সংগঠন। এধরনের সংগঠনে সদস্যরা নিজেদের স্বার্থ রক্ষার উদ্দেশ্যে একত্রিত হয়ে থাকে। এটি এমন এক ধরনের ব্যবসায় সংগঠন যা মুনাফা অর্জনের লক্ষ্যে সৃষ্টি না হয়ে সদস্যদের পারস্পরিক কল্যাণার্থে সৃষ্টি হয়। সমবায় সমিতি গঠনের মাধ্যমে সমাজে পুঁজিপতিদের শোষণ হতে অপেক্ষাকৃত দূর্বল শ্রেণির মানুষদের কল্যাণ সাধন করা হয় ।
এ অধ্যায় পাঠশেষে আমরা জানতে পারব—
- সমবায় সমিতির ধারণা ও ইতিহাস।
- সমবায় সমিতির বৈশিষ্ট্য ।
- সমবায় সমিতির নীতিমালা ।
- সমবায় সমিতির গঠন প্রণালি ।
- সমবায় সমিতির প্রকারভেদ।
- বাংলাদেশের আর্থ-সামাজিক উন্নয়নে সমবায় সমিতির অবদান মূল্যায়ন ।
- সমবায় সমিতির মাধ্যমে ব্যবসায় করার পদ্ধতি ।
- সমবায়ের উন্নয়নে বার্ড ও সমবায় একাডেমির কার্যক্রম ও অবদান ।
- বাংলাদেশে সমবায় বিকাশে বিরাজমান সমস্যাগুলো চিহ্নিতকরণ ।
- বাংলাদেশের সমবায় আন্দোলনের সমস্যা দূরীকরণের উপায়।
- সমবায়ের মাধ্যমে সফল হবার কাহিনী।
সূত্র: ক্যামব্রিয়ান পাবলিকেশন্স
Related Question
View All১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!