'সমাজতান্ত্রিক অর্থব্যবস্থার চেয়ে পুঁজিবাদী অর্থব্যবস্থা ব্যবসার জন্য বেশী অনুকূল।'- তুমি কি এ কথার সাথে একমত? উত্তরের সপক্ষে যুক্তি দাও।

(উচ্চতর দক্ষতা)

Updated: 10 months ago
উত্তরঃ

সমাজতান্ত্রিক অর্থব্যবস্থার চেয়ে পুঁজিবাদী অর্থব্যবস্থা ব্যবসার জন্য বেশি অনুকূল- এ কথার সাথে আমি একমত পোষণ করি।

পুঁজিবাদী অর্থব্যবস্থা বর্তমান সময়ে সবচেয়ে বেশি জনপ্রিয় অর্থব্যবস্থা এবং লাভজনক অর্থব্যবস্থা। পুঁজিবাদী অর্থব্যবস্থা ব্যবসার জন্য বেশি অনুকূল হওয়ার পিছনে কতগুলো কারণ বিদ্যমান। যেমন- পুঁজিবাদী অর্থব্যবস্থায় সম্পদের ব্যক্তিগত মালিকানা থাকে ফলে সম্পদ অপচয়ের সম্ভাবনা কম থাকে। এ ব্যবস্থায় পুঁজি বিনিয়োগের মাধ্যমে যে কেউ উদ্যোক্তা হতে পারে। ফলে এখান থেকে ব্যক্তিগতভাবে লাভবান হওয়ার সুযোগ থাকে। এ অর্থব্যবস্থা সম্পূর্ণ ব্যক্তিগত ইচ্ছাশক্তি দ্বারা পরিচালিত হয়, ফলে এখানে লাভ লোকসান ব্যক্তি নিজেই ভোগ করে। পুঁজিবাদী অর্থব্যবস্থার মূল লক্ষ্যই হচ্ছে অধিক লাভবান হওয়া যার কারণে পুঁজিপতিরা অধিক পণ্য কম মূল্যে উৎপাদনের চেষ্টা করে। পুঁজিপতিরা সব সময়ই বাজার ধরে রাখার জন্য গুণগত পণ্য উৎপাদনের চেষ্টা করে এবং এর ফলে বেশি পণ্য বিক্রি হয়, যা তাদেরকে আর্থিকভাবে লাভবান করে তোলে। তাছাড়া এ ব্যবস্থায় পুঁজিপতিরা কম মূল্যে শ্রমিক ব্যবহার করতে পারে, যা তাদের ব্যবসার জন্য অনুকূল। অন্যদিকে সমাজতান্ত্রিক অর্থব্যবস্থায় উৎপাদন পদ্ধতি ব্যক্তিগত মালিকানার পরিবর্তে যৌথ মালিকানায় পরিচালিত হয়। এ ব্যবস্থার নিয়ম হলো প্রত্যেকে তার সাধ্য অনুযায়ী কাজ করবে এবং কাজ অনুযায়ী পারিশ্রমিক পাবে। যেহেতু এ ব্যবস্থা যৌথ উদ্যোগে পরিচালিত হয় সেহেতু এখান থেকে বেশি লাভবান হওয়ার সুযোগ নেই। মূলত উল্লিখিত দুই অর্থব্যবস্থার বিচার-বিশ্লেষণ করেই আমি পুঁজিবাদী অর্থব্যবস্থার পক্ষে।

উপরের আলোচনা শেষে বলা যায়, ব্যবসার জন্য সমাজতান্ত্রিক অর্থব্যবস্থার চেয়ে পুঁজিবাদী অর্থব্যবস্থাই বেশি অনুকূল।

354

Related Question

View All
উত্তরঃ

সমাজস্থ কোনো ব্যক্তি, পরিবার বা গোষ্ঠীর মধ্যে সাম্যের অভাবই সামাজিক অসমতা।

অসমতা বলতে মূলত সমতার অভাবকে বোঝায়। মানুষের পদমর্যাদা, ক্ষমতা, সম্পদ, সুযোগ প্রভৃতির ভিত্তিতে সামাজিক ক্ষেত্রে সৃষ্ট অসম ও অনাকাঙ্ক্ষিত পার্থক্যই হলো সামাজিক অসমতা। মানবসমাজ বিভিন্ন আর্থ-সামাজিক, রাজনৈতিক, সাংস্কৃতিক এবং ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে নানা বৈচিত্র্যময় বিষয়ের ভিত্তিতে বিভাজিত। মানবসমাজের এ বৈচিত্র্যপূর্ণ বিভাজন সমাজজীবনের প্রায় প্রতিটি ক্ষেত্রে লক্ষ করা যায়।

7.5k
উত্তরঃ

উদ্দীপকে ধর্ম নামক সর্বজনীন প্রতিষ্ঠানকে ইঙ্গিত করা হয়েছে।

মানবসমাজে ধর্ম একটি গুরুত্বপূর্ণ ও সর্বজনীন প্রতিষ্ঠান হিসেবে বিবেচিত। এর ইংরেজি প্রতিশব্দ হলো 'Religion' যার অর্থ বন্ধন বা সংহতি। ধর্মের ভিত্তি হচ্ছে বিশ্বাস। এ দৃষ্টিকোণ থেকে বলা যায়, ধর্ম হলো এমন একটি ধারণা যা কোনো একটি বিশেষ শক্তিধর সত্তায় বিশ্বাস স্থাপনের মাধ্যমে অভিন্ন ধারণা পোষণকারীদের ঐক্যবদ্ধ ও সংঘবদ্ধ করে রাখে। নৃবিজ্ঞানী জেমস ফ্রেজার বলেন, "ধর্ম হচ্ছে অলৌকিক শক্তিতে বিশ্বাস। আর এ শক্তি মানবজীবন ও প্রকৃতির ধারাকে নিয়ন্ত্রণ ও পরিচালনা করে।" সমাজবিজ্ঞানী ম্যাকাইভার বলেন, "ধর্ম কেবল মানুষের মধ্যে সম্পর্ক সৃষ্টি করে তা নয়, ধর্ম মানুষ ও অন্য কোনো উর্ধ্ব শক্তির মধ্যে সম্পর্কের সৃষ্টি করে।" মানব সমাজের বিভিন্ন পাঠে বিভিন্ন স্থানে ধর্মের বিচিত্র রূপ লক্ষ করা যায়। প্রাচীনকাল হতেই মানুষ কোনো শক্তির ওপর ভয় ও বিশ্বাস স্থাপন করে মনস্তাত্ত্বিক পরিতৃপ্তির সাথে ধর্মীয় কর্মকাণ্ড সম্পাদন করে আসছে। বিপদ আপদ হতে মুক্তি পাবার আশায় মানুষ প্রার্থনা করছে। আর এ প্রার্থনাকে কেন্দ্র করে ইহজাগতিক মুক্তির লক্ষ্যে নির্মিত সংস্কৃতি থেকেই ধর্মের উৎপত্তি।

উপরের আলোচনা ও ধর্মের সংজ্ঞা থেকে প্রতীয়মান হয় যে, উদ্দীপকে ধর্ম নামক সর্বজনীন প্রতিষ্ঠানকেই ইঙ্গিত করা হয়েছে।

339
উত্তরঃ

মানব সৃষ্টির শুরু থেকেই উক্ত প্রতিষ্ঠান তথা ধর্ম; সামাজিক নিয়ন্ত্রণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে আসছে- আমি এ উক্তির সাথে একমত।

ধর্মের একটি সামাজিক দিক রয়েছে। সামাজিক সংহতি, সম্প্রীতি ও ভ্রাতৃত্বের মধ্য দিয়ে ধর্ম তার সামাজিক ভূমিকা পালন করে থাকে। ব্যক্তি মানুষের আচার-আচরণ এবং সমাজজীবনের ধারা ধর্মীয় অনুশাসনের দ্বারা বিশেষভাবে নিয়ন্ত্রিত হয়। প্রকৃতপক্ষে, ধর্মীয় অনুশাসনের প্রত্যক্ষ ও প্রচ্ছন্ন প্রভাব সামাজিক ব্যক্তিবর্গের পারিবারিক ও গোষ্ঠীজীবনের বিভিন্ন ক্ষেত্রে ছড়িয়ে আছে। বিশেষ করে মানুষের প্রাত্যহিক জীবনধারার ওপর ধর্মীয় অনুশাসনের প্রভাব অপরিসীম। ধর্ম মানুষকে নীতিবান করে তুলে এবং সামাজিক বিধি-নিষেধ মেনে চলতে উৎসাহিত করে। ধর্মীয় শিক্ষার মাধ্যমে মানুষ তার অভীষ্ট লক্ষ্যে পৌছাতে পারে। ধর্মীয় আচার- অনুষ্ঠানের মাধ্যমে এক ভাবগম্ভীর পরিবেশের সৃষ্টি হয়। এর ফলে মানুষের আচার-ব্যবহার স্বভাবতই সংযত হয়ে পড়ে। ধর্ম বিশ্বাসের পরিপ্রেক্ষিতে মানুষের মনে উদয় হয় ভয় মিশ্রিত এক শ্রদ্ধা-ভক্তির মনোভাব। এই মনোভাবের ভিত্তিতে ব্যক্তি মানুষ তার বাহ্যিক আচার-আচরণকে সংযত ও নিয়ন্ত্রণ করতে বাধ্য হয়। সমগ্র সমাজকে নিয়ন্ত্রণের ক্ষেত্রেও ধর্মের ভূমিকা বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য। ধর্মীয় অনুশাসনের প্রভাব ও প্রতিক্রিয়া সমাজজীবনের প্রায় সকল ক্ষেত্রেই পরিলক্ষিত হয়। তাই বলা যায় যে, মানব সৃষ্টির শুরু থেকেই ধর্ম সামাজিক নিয়ন্ত্রণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে আসছে। আর এ কারণেই আমি প্রশ্নোল্লিখিত উক্তির সাথে সহমত পোষণ করি।

292
উত্তরঃ

মানবসৃষ্ট সবকিছুর সমষ্টিই হলো সংস্কৃতি।

305
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র
মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews