সমাজের দুরবস্থা লাঘবে উদ্দীপকের সোহরাব পুরোপুরি সহায়ক বলে আমি মনে করি।
'আঠারো বছর বয়স' কবিতায় কবি বয়ঃসন্ধিকালের বৈশিষ্ট্য তুলে ধরেছেন। এ সব বৈশিষ্ট্য ইতিবাচকতায় পরিপূর্ণ। কবির বর্ণনায় নানা রকম গুণ ও দক্ষতার লক্ষণ ফুটে উঠেছে এ বয়সের তরুণদের মাঝে। তিনি মনে করেন, এ বয়সের ধর্মই হলো আত্মত্যাগের মহান মন্ত্রে উজ্জীবিত হওয়া।
উদ্দীপকের সোহরাব জসিম মাস্টারকে আক্রমণ করা সন্ত্রাসীদের ধাওয়া করে একজনকে ধরে ফেলতে সক্ষম হয়। তারপর পুলিশির ঝামেলার তোয়াক্কা না করে আহত মাস্টারকে হাসপাতালে নিয়ে যায়। তারুণ্যের শক্তিতে সোহরাব অন্যায়ের বিরুদ্ধে মাথা তুলে দাঁড়িয়েছে।
নতুন জীবন রচনার স্বপ্ন, কল্যাণ ও সেবাব্রত, উদ্দীপনা ও সাহসিকতা, চলার দুর্বার গতি- এ সবই আঠারো বছর বয়সের বৈশিষ্ট্য। প্রতিটি তরুণেরই এ সব বৈশিষ্ট্য ধারণ করা জরুরি। উদ্দীপকের সোহরাব যেন কবির প্রত্যাশিত বৈশিষ্ট্যের অধিকারী এক তরুণ। সন্ত্রাসী ও পুলিশি ঝামেলার ভয়ে যখন মানবতা পদপিষ্ট হচ্ছিল তখন তারুণ্যদীপ্ত সোহরাবই সেখানে সাহায্যকারীর ভূমিকায় অবতীর্ণ হয়। ঘটনাস্থলে দাঁড়িয়ে থাকা অনেক মানুষের ভিড়ে একমাত্র সোহরাবই অন্যায়ের বিরুদ্ধে মাথা তুলে দাঁড়িয়েছে। কাজেই আলোচ্য কবিতার আলোকে বলা যায়, সমাজের দুরবস্থা লাঘবে উদ্দীপকের সোহরাব পুরোপুরি সহায়ক।
Related Question
View All১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!