সম্প্রতি ‘লাল' ও 'সবুজ' দলের মধ্যে একটি টেস্ট ম্যাচ আয়োজন করা হয়েছিল । ‘লাল’ দল প্রথম ইনিংসে করে (১১০১০১০), রান। সবুজ দল প্রথম ইনিংসে ৯ উইকেটে করে (৩৪৭)১০ রান । লাল দল দ্বিতীয় ইনিংসে করে (C ৩)১৬ রান ।

Updated: 11 months ago
উত্তরঃ

কোনো সংখ্যা পদ্ধতির ভিত্তি (Base/Radix) হলো সেই পদ্ধতিতে ব্যবহৃত মোট স্বতন্ত্র অঙ্কসমূহের সংখ্যা।

Satt AI
Satt AI
2 hours ago
উত্তরঃ

ইউনিকোড হলো একটি আন্তর্জাতিক অক্ষর এনকোডিং স্ট্যান্ডার্ড, যা পৃথিবীর সব ভাষা এবং বর্ণমালার প্রতিটি অক্ষর, সংখ্যা, এবং প্রতীককে একটি নির্দিষ্ট, অদ্বিতীয় কোড প্রদান করে। এর মূল উদ্দেশ্য হলো বিভিন্ন ভাষার মধ্যে কম্পিউটারাইজড পাঠ্যের অভিন্ন এনকোডিং, প্রতিনিধিত্ব এবং পরিচালনার একটি বিশ্বব্যাপী পদ্ধতি তৈরি করা, যাতে কোনো ভাষার বর্ণ প্রদর্শনে ত্রুটি না হয়।

কম্পিউটার বাইনারি সংখ্যা পদ্ধতি ব্যবহার করে কাজ করে এবং ইউনিকোড এই বাইনারি কোডগুলিকে এমনভাবে সাজায় যেন প্রতিটি বর্ণ, সংখ্যা বা প্রতীকের জন্য একটি নির্দিষ্ট অদ্বিতীয় মান থাকে। ফলে, বাংলা, ইংরেজি, আরবি, চীনা ইত্যাদি যেকোনো ভাষার বর্ণকে কম্পিউটার সঠিকভাবে বুঝতে ও প্রদর্শন করতে পারে, যা পূর্বে ব্যবহৃত সীমিত অক্ষর সেটের এনকোডিং সিস্টেমগুলির (যেমন ASCII) সীমাবদ্ধতা অতিক্রম করে বিশ্বব্যাপী তথ্য আদান-প্রদানকে সহজ করেছে।

Satt AI
Satt AI
5 days ago
উত্তরঃ

উদ্দীপক অনুসারে, ‘সবুজ’ দলের প্রথম ইনিংসের রান ছিল (৩৪৭)১০। এই দশমিক সংখ্যাকে হেক্সাডেসিমেল সংখ্যা পদ্ধতিতে রূপান্তর করাই হলো প্রশ্নটির মূল কাজ।

দশমিক সংখ্যাকে হেক্সাডেসিমেল সংখ্যায় রূপান্তর করার জন্য, প্রদত্ত দশমিক সংখ্যাটিকে ১৬ দিয়ে বারবার ভাগ করতে হয়। প্রতিবার ভাগ করার পর প্রাপ্ত ভাগশেষগুলি সংরক্ষণ করা হয় এবং সর্বশেষ ভাগফল শূন্য না হওয়া পর্যন্ত এই প্রক্রিয়া চলতে থাকে। এরপর, প্রাপ্ত ভাগশেষগুলিকে নিচ থেকে উপরের দিকে পর্যায়ক্রমে সাজিয়ে হেক্সাডেসিমেল সংখ্যাটি গঠন করা হয়।

‘সবুজ’ দলের রান ৩৪৭১০ কে হেক্সাডেসিমেলে রূপান্তরের প্রক্রিয়া নিচে দেখানো হলো:

৩৪৭ ÷ ১৬ = ২১, ভাগশেষ ১১ (B)
২১ ÷ ১৬ = ১, ভাগশেষ ৫
১ ÷ ১৬ = ০, ভাগশেষ ১

অতএব, নিচ থেকে উপরের দিকে ভাগশেষগুলো সাজিয়ে আমরা পাই: ১ ৫ B। সুতরাং, ‘সবুজ’ দলের প্রথম ইনিংসের রান হেক্সাডেসিমেল সংখ্যা পদ্ধতিতে হলো (১ ৫ B)১৬ রান।

Satt AI
Satt AI
5 days ago
উত্তরঃ

উদ্দীপকে উল্লিখিত ক্রিকেট ম্যাচের স্কোর বিভিন্ন সংখ্যা পদ্ধতিতে প্রকাশ করা হয়েছে, যা আইসিটি (ICT) বিষয়ের সংখ্যা পদ্ধতি (Number System) অধ্যায়ের একটি বাস্তব উদাহরণ। সংখ্যা পদ্ধতি হলো তথ্য ও ডেটা উপস্থাপনের একটি কৌশল। বাইনারি (Binary), দশমিক (Decimal) ও হেক্সাডেসিমেল (Hexadecimal) – এই তিন ধরনের সংখ্যা পদ্ধতিতে প্রদত্ত রানগুলোকে দশমিকে রূপান্তর করে তাদের মধ্যে তুলনা করা সম্ভব। এই প্রশ্নে ‘লাল’ দলের দুই ইনিংসের মোট রান ‘সবুজ’ দলের প্রথম ইনিংসের রানের সাথে তুলনা করে একটি সিদ্ধান্তে উপনীত হতে হবে।

উদ্দীপক অনুসারে, প্রথমে ‘লাল’ দলের প্রথম ইনিংস ও দ্বিতীয় ইনিংসের রানকে এবং ‘সবুজ’ দলের প্রথম ইনিংসের রানকে দশমিক সংখ্যা পদ্ধতিতে রূপান্তর করতে হবে।

‘লাল’ দলের প্রথম ইনিংসের রান: \((1101010)_2\)
\( = 1 \times 2^6 + 1 \times 2^5 + 0 \times 2^4 + 1 \times 2^3 + 0 \times 2^2 + 1 \times 2^1 + 0 \times 2^0 \)
\( = 64 + 32 + 0 + 8 + 0 + 2 + 0 \)
\( = (106)_{10} \)

‘লাল’ দলের দ্বিতীয় ইনিংসের রান: \((C3)_{16}\)
\( = C \times 16^1 + 3 \times 16^0 \)
\( = 12 \times 16 + 3 \times 1 \)
\( = 192 + 3 \)
\( = (195)_{10} \)

সুতরাং, ‘লাল’ দলের দুই ইনিংসের মোট রান = \(106 + 195 = (301)_{10}\)
‘সবুজ’ দলের প্রথম ইনিংসের রান: \((347)_{10}\) (এটি পূর্বেই দশমিক সংখ্যা পদ্ধতিতে দেওয়া আছে)।

প্রাপ্ত ফলাফলের ভিত্তিতে তুলনা করলে দেখা যায় যে, ‘লাল’ দলের দুই ইনিংসের মোট রান হলো \(301\) এবং ‘সবুজ’ দলের প্রথম ইনিংসের রান হলো \(347\)। যেহেতু \(301 < 347\), তাই ‘লাল’ দলের দুই ইনিংসের রানের যোগফল ‘সবুজ’ দলের প্রথম ইনিংসের রানের চেয়ে কম। এই তুলনার মাধ্যমে সংখ্যা পদ্ধতির রূপান্তরের ব্যবহারিক দিকটি স্পষ্ট হয়।

বিভিন্ন সংখ্যা পদ্ধতির সঠিক রূপান্তর ডিজিটাল ডেটা প্রক্রিয়াকরণ ও বিশ্লেষণে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। উদ্দীপকের মতো বাস্তব জীবনের যেকোনো ডেটা যা ভিন্ন ভিন্ন ফরমেটে উপস্থাপন করা হতে পারে, তা নির্ভুলভাবে প্রক্রিয়াকরণের জন্য এই রূপান্তর দক্ষতা অপরিহার্য। যেমন, এখানে ক্রিকেট স্কোর তুলনা করার জন্য সমস্ত রানকে একটি সাধারণ ভিত্তিতে আনা হয়েছে, যা ডেটা তুলনা ও সঠিক সিদ্ধান্ত গ্রহণে সহায়তা করে। এটি শুধুমাত্র গণনার নির্ভুলতা নিশ্চিত করে না, বরং কম্পিউটার সিস্টেমে কীভাবে তথ্য সংরক্ষণ ও প্রক্রিয়া করা হয় সে সম্পর্কেও একটি সুস্পষ্ট ধারণা দেয়।

Satt AI
Satt AI
5 days ago
1.1k

Related Question

View All
উত্তরঃ

ভার্চুয়াল রিয়েলিটি হল কম্পিউটার সিমুলেশন এর সাহায্যে তৈরি ত্রিমাত্রিক পরিবেশ যা ব্যবহার কারীদের কাছে সত্য ও বাস্তব বলে মনে হয় একে সিমুলেশনের পরিবেশ ও বলা হয় কম্পিউটার প্রযুক্তি ও কোন করণ বিধায় প্রয়োগ কৃত্রিম পরিবেশকে এমন ভাবে তৈরি ও উপস্থাপন করা হয় যা ব্যবহারকারীর কাছে সত্য বাস্তব বলে মনে হয়।

Md Ashadul Haque
Md Ashadul Haque
3 years ago
7.4k
উত্তরঃ

রোবোটিক্স (Robotics) হল বিজ্ঞান ও প্রকৌশলের এমন একটি শাখা যেখানে রোবট তৈরির নকশা, নির্মাণ, কার্যক্ষমতা ও প্রোগ্রামিং নিয়ে কাজ করা হয়। এটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI), ইলেকট্রনিক্স, মেকানিক্স এবং কম্পিউটার সায়েন্সের সমন্বয়ে গঠিত একটি প্রযুক্তি।

রোবোটিক্সের প্রধান অংশ

১. যান্ত্রিক নকশা (Mechanical Design) – রোবটের শরীর বা কাঠামো গঠনের জন্য মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং ব্যবহার করা হয়।

২. ইলেকট্রনিক্স (Electronics) – সেন্সর, মোটর ও অন্যান্য ইলেকট্রনিক উপাদানের সাহায্যে রোবটকে কার্যক্ষম করা হয়।

৩. প্রোগ্রামিং (Programming) – সফটওয়্যার ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার মাধ্যমে রোবটের আচরণ নিয়ন্ত্রণ করা হয়।

রোবোটিক্সের ব্যবহার

শিল্প কারখানা: স্বয়ংক্রিয় মেশিনের মাধ্যমে উৎপাদন বাড়ানো হয়।

স্বাস্থ্যসেবা: সার্জারি রোবট ও চিকিৎসা সহায়তা রোবট ব্যবহার করা হয়।

গবেষণা ও মহাকাশ: মহাকাশ অনুসন্ধানে রোবটিক যান (যেমন, NASA-র মার্স রোভার) ব্যবহৃত হয়।

সেনাবাহিনী: সামরিক ড্রোন ও যুদ্ধক্ষেত্রে সহায়তা করার জন্য রোবট ব্যবহৃত হয়।

রোবোটিক্স দ্রুত উন্নতি করছে এবং ভবিষ্যতে এটি মানুষের দৈনন্দিন জীবনের গুরুত্বপূর্ণ অংশ হয়ে উঠবে।

mohua pervin
mohua pervin
1 year ago
4.3k
উত্তরঃ

বিজ্ঞান ইঞ্জিনিয়ারিং উপযুক্তির সমন্বয়ে গঠিত যে বিষয়টি উপর রোবটের  ধারণা নকশা উৎপাদন কার্যক্রম কিংবা সাধারণ বাস্তবায়ন করতে পারে তাই হচ্ছে রোবোটিক্স।

Md Ashadul Haque
Md Ashadul Haque
3 years ago
5.4k
উত্তরঃ

ডিজিটাল বাংলাদেশ বলতে দেশের প্রতিটি ক্ষেত্রে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তির ব্যবহার নিশ্চিতকরণকে বোঝায়। ডিজিটাল বাংলাদেশ ধারণাটির মূল বিষয় হলো সব ধরনের প্রযুক্তি ব্যবহার দেশের শিক্ষা স্বাস্থ্য কর্মসংস্থান এবং দারিদ্র্য মোচনের ব্যবস্থা করা। বর্তমান সরকার ২০২১ সালের মধ্যে ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ার পরিকল্পনা গ্রহণ করে।

MAGIC HERE
MAGIC HERE
2 years ago
9.4k
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র
মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews