২০১২ বাংলাদেশের আঞ্চলিক সড়কপথের দৈর্ঘ্য ৪২৭৬ কি. মি ছিল।
নদীপথ বাংলাদেশের সুলভ পরিবহন ও যাতায়াত ব্যবস্থা।
অসংখ্য নদী ও খাল বিলের সমন্বয়ে গঠিত প্রায় ৮৪০০ কি. মি. দীর্ঘ অভ্যন্তরীণ নাব্য জলপথ আছে। এর মধ্যে প্রায় ৫৪০০ কি. মি. সারাবছর নৌচলাচলে উপযুক্ত থাকে। ফলে, অভ্যন্তরীণ ও আন্তর্জাতিক বাণিজ্য নৌপথের মাধ্যমে সহজে সম্ভব হয়। তাই বলা যায় বাংলাদেশের যোগাযোগ ব্যবস্থায় নদীপথের গুরুত্ব ব্যাপক।
উদ্দীপকে উল্লিখিত যোগাযোগের ব্যবস্থাটি হলো সড়কপথ। সড়ক
সমতলভূমি: সমতলভূমি সড়কপথে গড়ে ওঠার জন্য অত্যন্ত প্রয়োজন। এজন্য ঢাকা, খুলনা, চট্টগ্রাম ও সিলেট অঞ্চলে অনেক সড়কপথ গড়ে উঠেছে।
মৃত্তিকার গঠন: মৃত্তিকার বুনন যদি স্থায়ী বা মজবুত হয় তবে বৃষ্টিতে কম ক্ষয় হয়। শক্ত মৃত্তিকার উপর সড়কপথ গড়ে উঠলে তা স্থায়ী হয়।
সমুদ্রের অবস্থান ও শিল্পক্ষেত্রের অবস্থান: সমুদ্র উপকলে বন্দর গড়ে
ওঠে। বন্দর ও শিল্পক্ষেত্রকে কেন্দ্র করেও অনেক সড়কপথ গড়ে ওঠে। এজন্য মংলা এবং চট্টগ্রাম ও অন্যান্য শিল্প অঞ্চলে সড়কপথ গড়ে উঠেছে।
হাতিরঝিল প্রকল্পের মতো প্রকল্পগুলোর কারণে প্রতিবছর বাংলাদেশের সড়কপথের পরিমাণে পরিবর্তন হচ্ছে যেমন জাতীয় ও আঞ্চলিক মহাসড়কের পরিমাণ বাড়ছে এবং কাঁচা সড়কের পরিমাণ কমছে। গত ২০১২, ২০১৪ ও ২০১৮ সালের সড়ক পথের পরিমাণের পরিবর্তন নিম্নে দেয়া হলো-
| সড়কপথের নাম | বেড়েছে | কমেছে | কারণ |
| জাতীয় মহাসড়ক | ২০১২ ও ২০১৪ ২০১৮ সালে এই সড়কপথের সাল অপেক্ষা পরিমাণ বেড়েছে | যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়নের লক্ষ্যে নতুন নতুন করা হচ্ছে। সড়কপথ তৈরী |
সড়কপথের নাম | বেড়েছে | কমেছে | কারণ |
আঞ্চলিক মহাসড়ক | ২০১২ ও ২০১৪ সাল অপেক্ষা ২০১৮ সালে এই সড়কপথের পরিমাণ বেড়েছে | স্থানীয় যোগাযোগ রক্ষার জন্য আঞ্চলিক মহাসড়ক রেল ও নদী পথের পরিপূরক হিসেবে নির্মিত হয়েছে। | |
ইট বা কাঁচা সড়ক |
| ২০১৪ সাল থেকে এর পরিমাণ কমছে এবং ২০১৮ সালে তা অনেক কমেছে | সাধারণত কাঁচা সড়কগুলোকেই উন্নত করে পাকা সড়ক তৈরী করা হচ্ছে। তাই কাঁচা সড়কপথের পরিমাণ কমে যাচ্ছে। |
Related Question
View All১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!