সরোয়ার স্যারের শেখানো পদ্ধতিগুলো বিশ্লেষণ করো।

Updated: 9 months ago
উত্তরঃ

সরোয়ার স্যার শিক্ষার্থীদেরকে পুকুরে প্রাকৃতিক খাদ্য পরীক্ষা পদ্ধতিগুলো শেখালেন। পুকুরে পোনা মজুদের পূর্বেই সার প্রয়োগের ৫-৭ দিন পর পুকুরে প্রাকৃতিক খাদ্য তৈরি হয়েছে কিনা তা পরীক্ষা করে দেখতে হয়। কয়েকটি পদ্ধতিতে এটি করা যায়:
i. সেক্কিডিস্ক: ২০ সেমি ব্যাসযুক্ত টিনের একটি সাদা-কালো থালা (একে সেক্কিডিস্ক বলে) সুতা দ্বারা পানিতে ডুবানোর পর যদি ২৫- ৩০ সেমি গভীরতায় থালা না দেখা যায় তবে বুঝতে হবে পুকুরে প্রাকৃতিক খাদ্য রয়েছে। যদি ৩০ সেমি এর অধিক গভীরতায় সেক্কিডিস্ক দেখা যায় তবে বুঝতে হবে খাবার অনেক কম।
ii. হাত পরীক্ষা: পানিতে হাতের কনুই পর্যন্ত ডুবিয়ে যদি হাতের তালু দেখা না যায় তবে বুঝতে হবে খাদ্য পরিমাণমতো তৈরি হয়েছে।
iii. গ্লাস পরীক্ষা: একটি স্বচ্ছ কাচের গ্লাস দ্বারা পুকুরের পানি নিয়ে সূর্যের আলোর দিকে ধরলে যদি পানির রং সবুজ বা বাদামি সবুজ দেখা যায় এবং পানিতে অসংখ্য সূক্ষ্ম কণা ও ছোট পোকার মতো দেখা যায় তবে বুঝতে হবে পুকুরে প্রাকৃতিক খাদ্য পরিমাণমতো তৈরি হয়েছে।
উপরের যে কোনো একটি পদ্ধতি অবলম্বন করে পুকুরে প্রাকৃতিক খাদ্যের উপস্থিতি নির্ণয় করা যায়।

156

ফসল ফলানোর জন্য প্রয়োজনীয় মৌলিক উপাদানগুলোর মধ্যে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হলো ফসল বীজ ও বংশবিস্তারক উপকরণ। এদের ব্যবহারের মধ্য দিয়ে আমরা যেমন বছরের পর বছর ফসল উৎপাদন করতে পারি, তেমনি একটি দেশে নতুন ফসল আত্তীকরণ ও সংযোজন করতে পারি, একটি ফসলের জীবতাত্ত্বিক গুণাগুণ ধরে রাখতে পারি এবং নানা জীব কৌশল প্রয়োগের মধ্য দিয়ে উন্নততর করে তুলতে পারি ।

এ অধ্যায় পাঠ শেষে আমরা-

ফসল বীজ ও বংশবিস্তারক উপকরণ ও ধাপগুলো সম্পর্কে বর্ণনা করতে পারব;
ফসল বীজ ও বংশবিস্তারক উপকরণের গুরুত্ব ব্যাখ্যা করতে পারব;
মাছের পুকুরের স্বরূপ ও পুকুর প্রস্তুতির ধাপগুলো বর্ণনা করতে পারব;
মাছের পুকুর প্রস্তুতির প্রয়োজনীয়তা ব্যাখ্যা করতে পারব;
পুকুরের বিভিন্ন স্তরের বর্ণনা ও বাস্তুসংস্থান ব্যাখ্যা করতে পারব; স্থায়ী মৌসুমী ও আঁতুড় পুকুর বর্ণনা এবং এর প্রয়োজনীয়তা ব্যাখ্যা করতে পারব;
মাছের অভয়াশ্রমের গুরুত্ব সম্পর্কে ব্যাখ্যা করতে পারব;
মাছের আবাসস্থল রক্ষায় মৎস্য সংরক্ষণ আইনের গুরুত্ব ব্যাখ্যা করতে পারব;
গৃহপালিত পাখির আবাসন স্বরূপ এবং আবাসন তৈরির ধাপগুলো বর্ণনা করতে পারব;
গৃহপালিত পাখির আবাসন তৈরির প্রয়োজনীয়তা ব্যাখ্যা করতে পারব;
গৃহপালিত পাখির খাদ্য এবং খাদ্যের গুরুত্ব ব্যাখ্যা করতে পারব;
গবাদিপশুর খাদ্য ও খাদ্য তৈরির পদ্ধতি বর্ণনা করতে পারব;
গবাদিপশুর খাদ্যের গুরুত্ব ব্যাখ্যা করতে পারব ।

Related Question

View All
উত্তরঃ

গবাদিপশু যে সকল উপাদান খাদ্যরূপে গ্রহণ করে এবং পরিপাক, শোষণ ও বিপাকের মাধ্যমে দেহে শক্তি উৎপাদন করে তাকে গো-খাদ্য বলে।

3.5k
উত্তরঃ

যে খাদ্যে কম পরিমাণ আঁশ এবং বেশি পরিমাণে শক্তি পাওয়া যায় তাকে দানাজাতীয় খাদ্য বলে।
দুধাল বা মাংস উৎপাদনকারী গবাদিপশুর ক্ষেত্রে শুধু আঁশ জাতীয় খাদ্য সরবরাহ করলে কাঙ্ক্ষিত ফল পাওয়া যাবে না। সেক্ষেত্রে পর্যাপ্ত পরিমাণে দানাদার খাদ্য সরবরাহ করতে হবে। কারণ দানাজাতীয় খাদ্যে প্রচুর পরিমাণে শর্করা, আমিষ ও স্নেহ পদার্থ থাকে যা গবাদিপশুর দুধ ও মাংসের উৎপাদন বাড়ায়।

2.3k
উত্তরঃ

উদ্দীপকে উল্লিখিত কনক বড়ুয়া কাঁচা ঘাস শুকিয়ে হে তৈরির মাধ্যমে যথোপযুক্ত সংরক্ষণের ব্যবস্থা করেছিলেন।
তিনি হে তৈরির জন্য মে সঠিক পূর্ণতাপ্রাপ্ত গাছ (ফুল আসার আগে) কেটেছিলেন। কেননা সুগিত মানের হে তৈরির জন্য কম বয়সের গাছ বেশি উপযুক্ত। এরপর ঘাসগুলোকে সঠিকভাবে শুকিয়েছিলেন যাতে এটি মোল্ডমুক্ত ও অতিরিক্ত তাপমুক্ত অবস্থায় সংরক্ষণ করা যায়। অতিরিক্ত সূর্যের আলো পরিহার করে ঘাসগুলোকে দ্রুত শুকিয়েছিলেন। ঘাসগুলোকে কেটে রৌদ্রে এমনভাবে উল্টাপাল্টা করে দিয়েছিলেন যেন এগুলোর পাতা ঝরে পড়ে না যায়। এরপর এগুলো শুষ্ক অবস্থায় (১৫-২০% আর্দ্রতায়) সংরক্ষণ করেছিলেন।
উল্লিখিত উপায়ে কনক বড়ুয়া কাঁচা ঘাস সংরক্ষণ করেছিলেন।

1.2k
উত্তরঃ

কনক বড়ুয়া তার গবাদিপশুর সারাবছরের খাদ্য চাহিদা পূরণের লক্ষ্যে কাঁচা ঘাস সংরক্ষণ করেন।
খরা মৌসুমে মাটিতে রসের পরিমাণ কম থাকায় ঘাসের উৎপাদন কমে আসে। ফলে গবাদিপশুকে শুকনো খড় জাতীয় খাদ্যের উপর নির্ভর করতে হয়। শুষ্ক মৌসুমে খাদ্যের অভাবে কনক বড়ুয়ার গবাদিপশুর মাংস ও দুধের উৎপাদন কমে যায় এবং পশুগুলো দুর্বল হয়ে পড়ে। কনক বড়ুয়া তার চারণ ভূমিতে বর্ষা মৌসুমে উৎপাদিত অতিরিক্ত ঘাস হে তৈরির মাধ্যমে সংরক্ষণ করেছিলেন। এভাবে সবুজ ঘাস সংরক্ষণের মাধ্যমে সারাবছর গবাদিপশুর খাদ্য চাহিদা মেটানোর পাশাপাশির পশুর জন্য প্রয়োজনীয় প্রোটিন, ভিটামিন ও খনিজ উপাদানের চাহিদা মেটানো যায়। এতে করে গবাদিপশু পুষ্টিহীনতায় ভোগে না। মাংস ও দুধের উৎপাদনও হ্রাস পায় না। ফলে কৃষক আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয় না। যারা পশু পালনের সাথে জড়িত তাদের সবার উচিত এভাবে বর্ষা মৌসুমে উৎপাদিত অতিরিক্ত ঘাস সাইলেজ বা হে তৈরির মাধ্যমে সংরক্ষণের ব্যবস্থা করা। অর্থাৎ, কনক বড়ুয়ার কার্যক্রমটি সঠিক ও সুদূরপ্রসারি ছিল।

1k
উত্তরঃ

মাছ চাষের জন্য পুকুরের পানিতে প্রতি লিটারে কমপক্ষে ৫ মিলিগ্রাম দ্রবীভূত অক্সিজেন থাকা প্রয়োজন।

2.2k
উত্তরঃ

পানির পিএইচ কমে গেলে পুকুরে চুন প্রয়োগ করে পানির পিএইচ ঠিক করা হয়।
চুন পানির ঘোলাত্ব দূর করে পানি পরিষ্কার করে। সার প্রয়োগের আগে চুন প্রয়োগের মাধ্যমে সারের কার্যকারিতা বাড়ানো যায়। এভাবে চুন পানির উর্বরতা বাড়িয়ে পানির গুণগত মান বৃদ্ধি করে।

1.8k
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র
মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews