সাইদুল তার পোল্ট্রি খামারকে লাভজনক করতে প্রশিক্ষণের জ্ঞান কীভাবে কাজে লাগিয়েছিল? বিশ্লেষণ করো। (উচ্চতর দক্ষতা)

Updated: 1 year ago
উত্তরঃ

সাইদুল যুব উন্নয়ন কেন্দ্র থেকে প্রশিক্ষণ নিয়ে পোল্ট্রি খামার স্থাপন করে। পোল্ট্রি খামার স্থাপনের জন্যে সে জমি, অর্থ, সময়, শ্রমের ও কারিগরি জ্ঞানের যথাযথ ব্যবহার করেছিল।
কোনো খামারের সফলতা অত্যাবশ্যকভাবে এর সার্বিক পরিকল্পনা, মূলধন ও উপকরণ ব্যবস্থাপনার ওপর নির্ভর করে। খামার পরিচালনার কারিগরি বিষয়ের মধ্যে প্রধান হচ্ছে উঁচু ভূমিতে আলো-বাতাস চলাচলযুক্ত স্থানে। বাসস্থান নির্মাণ, বিদ্যুৎ ব্যবস্থা, প্রজনন কাজ নিশ্চিত করার জন্যে মোরগ-মুরগির অনুপাত ঠিক রাখা, নিয়মিত মুরগি বাছাই-ছাঁটাই ও রোগ দমনসহ সার্বিকভাবে বায়োসিকিউরিটি নিশ্চিত করা। এছাড়া বার্ষিক সম্ভাব্য আয়-ব্যয়, ব্রয়লারের ক্ষেত্রে মাংসের চাহিদা ও বাজারদর, লেয়ারের ক্ষেত্রে ডিমের রং, চাহিদা ও বাজারদর এবং খাবার ডিম ও বাচ্চা ফুটানোর ডিম উৎপাদনের প্রতি খেয়াল রাখা। পোল্ট্রি খামারকে লাভজনক করতে সাইদুলের গৃহীত পদক্ষেপগুলো নিম্নরূপ-

  • খামারের স্থান নির্বাচন থেকে বাসস্থান, জাত নির্বাচন, খাদ্য ব্যবস্থাপনা, রোগ প্রতিরোধ ইত্যাদি সকল বিষয়ে আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহার করা।
  • সঠিক ও স্বাস্থ্যসম্মত উপায়ে বাচ্চা প্রতিপালন করা।
  • উন্নত ও ভালো জাতের বাচ্চা সংগ্রহ ও পরিবহন।
  •  পর্যাপ্ত সুষম খাদ্য ক্রয় ও সরবরাহ করা।
  • পর্যাপ্ত পরিষ্কার ও বিশুদ্ধ পানির ব্যবস্থা করা।
  • রোগব্যাধি প্রতিরোধ ও প্রতিকারের ব্যবস্থা করা এবং
  • স্বাস্থ্যসম্মতভাবে ঘর তৈরি, মেরামত ও ব্যবস্থাপনা

উপরিউক্ত আলোচনার প্রেক্ষিতে বলা যায়, পোল্ট্রি খামারকে লাভজনক করতে সাইদুল সুনির্দিষ্ট কর্ম পরিকল্পনা তৈরি ও বাস্তবায়নে যুব উন্নয়ন কেন্দ্র থেকে প্রাপ্ত প্রশিক্ষণ জ্ঞানকে কাজে লাগিয়েছিল।

Tamanna
Tamanna
2 years ago
350

Related Question

View All
উত্তরঃ

পুলেট হলো প্রজনন ক্ষমতাসম্পন্ন ২০/২২ সপ্তাহ বয়সের মুরগি যাকে এখনো মোরগের সংস্পর্শে দেওয়া হয়নি।

Tamanna
Tamanna
2 years ago
919
উত্তরঃ

বাংলাদেশে হাঁস পালন লাভজনক কারণ হাঁস পালনের জন্য জায়গা কম লাগে। হাঁস বছরে প্রায় ৩০০টি পর্যন্ত ডিম দিতে পারে। মুরগির তুলনায় হাঁস ৪০-৪৫টি ডিম বেশি পাড়ে। অধিকাংশ হাঁস নিজের খাবার নিজে সংগ্রহ করে খেতে পারে বিধায় হাঁস পালনে যত্ন, পরিচর্যা ও খরচ কম লাগে। দ্রুত চলাফেরা করতে পারে। এসব কারণে বাংলাদেশে হাঁস পালন লাভজনক।

Tamanna
Tamanna
2 years ago
2.1k
উত্তরঃ

সাবিনার খামারের হাঁসগুলো ডাকপ্লেগ রোগে আক্রান্ত। এটি হাঁসের ডাকপ্লেগ ভাইরাস দ্বরা সংক্রমিত মারাত্মক ছোঁয়াচে রোগ। হাঁসের এই রোগ ডাক হারপেস ভাইরাস-১ (DHV-1) এর সংক্রমণে হয়ে থাকে।

এ রোগে হাঁস আলো দেখলে ভয় পায়। সাঁতার কাটতে চায় না। পানি পিপাসা বৃদ্ধি পায় এবং খাদ্য গ্রহণে অনীহা দেখায়। নাক দিয়ে তরল পদার্থ বের হয়। সবুজ ও হলুদ রঙের পাতলা মলত্যাগ করে। পালক এলোমেলো হয়ে ঝুলে পড়ে। মাথা, ঘাড় ও শরীরে কাঁপুনি দেখা দেয়। পা এবং পাখা অবশ হয়ে যায়। চোখ হতে অনবরত পানি ঝরে এবং চোখের ভিতরে সাদা রঙের আবরণ পড়ে চোখ বন্ধ হয়ে যায়। এ রোগে হাঁস খুঁড়িয়ে হাঁটে, ডিম পাড়া হাঁস ডিম পাড়া কমিয়ে দেয় এবং হঠাৎ মারা যায়।

সাবিনার খামারের হাঁসগুলোতে উল্লিখিত লক্ষণগুলো দেখা দেয়। অর্থাৎ সাবিনার খামারের হাঁসগুলো ডাকপ্লেগ রোগে আক্রান্ত।

Tamanna
Tamanna
2 years ago
587
উত্তরঃ

উদ্দীপকের প্রাণী চিকিৎসক সাবিনাকে তার খামারে ডাক প্লেগ রোগের প্রতিকার ও প্রতিরোধের জন্য করণীয় সম্পর্কে জানান।
সাবিনার খামারের হাঁসগুলো ডাক প্লেগ নামক ভাইরাসজনিত একটি মারাত্মক ছোঁয়াচে রোগে আক্রান্ত হয়েছে। উক্ত রোগ প্রতিরোধ ও প্রতিকারের উপায় বিশ্লেষণ করা হলো-

i. খামারের জৈব নিরাপত্তা নিশ্চিত করা।

ii. আক্রান্ত হাঁস অন্যত্র সরিয়ে ফেলা।

iii. মৃত হাঁস মাটিতে পুঁতে ফেলা।

iv. খামারে বহিরাগতদের প্রবেশাধিকার নিয়ন্ত্রণ করা।

V. বাসস্থান নিয়মিত জীবাণুনাশক দিয়ে পরিষ্কার করা।

vi. পরিষ্কার পানি সরবরাহ করা।

vii. হাঁসের ঘর ফিউমিগেশন করা।

viii. বাসস্থানে ঢোকার মুখে ফুটবাথের ব্যবস্থা করা।

ix. প্রতিষেধক হিসেবে খামারে নিয়মিত ডাক প্লেগ টিকা দেওয়ার ব্যবস্থা করা। হাঁসের বাচ্চাকে জন্মের ১৫-২০ দিন পর ১ম মাত্রা, ১ম মাত্রার ২৫ দিন পর বুস্টার বা ২য় মাত্রা এবং ২য় মাত্রার পর প্রতি ৫-৬ মাস অন্তর অন্তর এ টিকা দিতে হয়।

পরিশেষে বলা যায়, উল্লিখিত পদক্ষেপ এবং প্রয়োজনীয় চিকিৎসা ব্যবস্থা গ্রহণের মাধ্যমে ডাক প্লেগ রোগ প্রতিরোধ ও প্রতিকার করা সম্ভব।

Tamanna
Tamanna
2 years ago
660
উত্তরঃ

যে সকল ডিম থেকে বাচ্চা জন্ম নেয় না সেগুলোই অনুর্বর ডিম।

Tamanna
Tamanna
2 years ago
803
উত্তরঃ

কবুতর খুব অল্প জায়গায়, কম খরচে, উঁচুতে দেয়ালের পাশে বা ছাদের উপর বাসা তৈরি করে পালন করা যায়।

কবুতরের রোগবালাই কম হয় এবং খাদ্য খরচও কম লাগে। ৪ সপ্তাহের মধ্যেই কবুতরের বাচ্চা খাওয়ার উপযোগী হয়। এরা ৫-৬ মাস বয়সে ডিম দেয় এবং মাত্র ১৮ দিনে ডিম ফুটে বাচ্চা বের হয়। কাজের অবসরে পালন করা যায় বলে অতিরিক্ত শ্রমিকের প্রয়োজন হয় না। সময়, শ্রম ও অর্থ কম লাগে বলেই কবুতর পালন অর্থনৈতিকভাবে লাভজনক।

Tamanna
Tamanna
2 years ago
793
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র
মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews