সাইয়ারা প্রারম্ভিক শৈশবে আছে। সে সারাদিন তার চারপাশের জগৎ নিয়ে ভাবে এবং মাকে হাজারটা প্রশ্ন করে। তার মা তাকে সকল প্রশ্নের উত্তর বুঝিয়ে বলেন। ফলে সাইয়ারার সুষ্ঠু বিকাশ হয়। কারণএ সময়টা একটা শিশুর জন্য আনন্দের সময়। পৃথিবীটা তার কাছে একটি বিরাট বিস্ময়। নিজেকে অপরকে আশপাশের সবকিছু নিয়ে শিশুর মনে হাজারো প্রশ্নের উদয় হয়। সে প্রত্যেক বিষয়ে অনর্গল কথা বলে। সে সবকিছু শিখতে চায়। এ বয়সটা আগ্রহ ও কৌতূহলের বয়স। এটা কী, ওটা কী, এটা কেন হয় এভাবে কথা বলতে বলতে তার বুদ্ধির বিকাশ ঘটে। তাই এ সময়ে শিশুর কথা মনোযোগ দিয়ে শোনা উচিত, নতুন বিষয় সম্পর্কে শিশুকে ধারণা দেওয়া, তাদেরকে সময় দেওয়া, তাদের সাথে খেলাধুলা করা বাবা-মায়ের কর্তব্য। এ সময় শিশুদের সাথে সুন্দরভাবে কথা বললে তারাও সুন্দর ভাষায় কথা বলা শেখে। শিশুরা অনুকরণপ্রিয়। তারা বড়দের যা করতে দেখে তাই শেখে। এ বয়সে শিশুরা যা শেখে সারাজীবন তা মনে রাখতে পারে। শিশুর সুষ্ঠু মানসিক, বিকাশের জন্য বিভিন্ন বিষয় যেমন- ছড়া, গান, গল্প তাদেরকে শোনাতে হবে। সাইয়ারার মা এ কাজগুলো করেছেন।
সুতরাং উপরের আলোচনা থেকে বলা যায়, সাইয়ারার মায়ের ভূমিকা সাইয়ারার মতো শিশুদের সুষ্ঠু বিকাশে সহায়ক।
Related Question
View Allএকক পরিবার বলতে ওই পরিবারকে বোঝায় যেখানে পৃথক একটি বাসগৃহে শুধু মা-বাবা এবং তাদের অবিবাহিত সন্তান সন্ততি থাকে।' একক পরিবার হলো ছোট পরিবার। বর্তমানে অধিকাংশ পরিবার একক পরিবার।
উদ্দীপকের আবিদ যৌথ পরিবারে বেড়ে উঠেছে।
যে পরিবারে দাদা-দাদি, চাচা-চাচি, মা-বাবা ও সন্তানেরা একসাথে বসবাস করে তাকে যৌথ পরিবার বলে। এ ধরনের পরিবারে এক বা একাধিক কর্তা থাকে। সকলে একসাথে বসবাস করার কারণে একে অপরের বিপদে সাহায্য করে, পরামর্শ দেয়, সন্তান প্রতিপালনে একে অপরকে সাহায্য করে। যৌথ পরিবারে সকলের মতামতের ভিত্তিতে সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। যৌথ পরিবারে দাদা-দাদি, চাচা-চাচি সকলে একসাথে বসবাস করে বলে এটি শিশুদের জন্য একটি নিরাপদ পরিবার। এরূপ পরিবারে পুরুষের আয় উপার্জনের ওপর তার স্ত্রী, সন্তানের সেবা ও সুযোগ-সুবিধার মান নির্ভর করে। সুতরাং যৌথ পরিবার বলতে আমরা এমন একটি পরিবারকে বুঝি যেখানে এক বা একাধিক উপার্জনক্ষম ব্যক্তি থাকে এবং দাদা-দাদি, চাচা-চাচি, মা-বাবা, সন্তানেরা সকলে একসাথে বসবাস করে।
যৌথ পরিবারের সকল সদস্যের মধ্যে একটি গভীর সম্পর্ক বিরাজ করে। এটাই পারিবারিক বন্ধন। যখন যৌথ পরিবারের বন্ধন দৃঢ় থাকে, তখন তারা নানাভাবে একে অপরের সহযোগিতায় আসতে পারে। উদ্দীপকের পরিবারের বন্ধন দৃঢ় হওয়ার কারণেই আবিদের গোসল, খাওয়া ইত্যাদি কাজগুলো তার চাচি করে থাকেন। সারাদিন মা-বাবার অনুপস্থিতি সত্ত্বেও দাদা-দাদির সাথে আনন্দ হৈচৈ করে আবিদের দিন কেটে যায়। তাদের সঙ্গ ও ভালোবাসা আবিদকে সুষ্ঠুভাবে বেড়ে উঠতে সহায়তা করে।
পরিশেষে বলা যায়, আবিদের বয়সী শিশুদের বেড়ে উঠার পিছনে পরিবারের ভূমিকা বিশেষ গুরুত্ববহ।
জন্মের পর নবজাতকের প্রথম ভাষা হলো কান্না।
যেসব শিশু জন্মের সময় লালচে বা গোলাপি বর্ণের হয়, জন্মের পর পরই কাঁদে, স্বাভাবিকভাবে দুধ খেতে পারে, তারাই সুস্থ নবজাতক। নবজাতক প্রায় ১৮-২০ ঘণ্টা ঘুমায়। সুস্থ নবজাতক দু-তিন ঘণ্টা পর পর জেগে ওঠে, আহার করে মলমূত্র ত্যাগের পর আবার ঘুমায়।
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!