সাকিব ও সাহেদ দুই বন্ধু। তারা ভূগোল ক্লাসে মানচিত্র নিয়ে গবেষণা করছিল। তারা মানচিত্রের উপরে, নিচে, ডানে, বামে বহু বর্গাকার ঘর দেখতে পেল কিন্তু কিছু বুঝতে পারল না। তখন তারা ভূগোল শিক্ষকের কাছে গেল এবং শিক্ষক তাদেরকে বললেন, সমগ্র পৃথিবীকে সমতল কাগজের উপরে ক্ষুদ্রাকারে বোঝানোর জন্য অক্ষরেখা ও দ্রাঘিমারেখা দ্বারা কতিপয় ভাগে ভাগ করা হয়েছে যা মানচিত্র অভিক্ষেপ নামে পরিচিত। তিনি আরও বললেন এর যথেষ্ট গুরুত্ব রয়েছে।

Updated: 9 months ago
উত্তরঃ

ইরাটোসথেনিসকে প্রথম মানচিত্র অভিক্ষেপের স্রষ্টা বলা হয়।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
9 months ago
উত্তরঃ

কাগজের তৈরি কোনো নলের মধ্যে ভূগোলকটিকে স্থাপন করে আলোর দ্বারা তার উপর অক্ষরেখা ও দ্রাঘিমারেখাগুলোর ছায়া প্রতিফলিত করে কাগজের নলটিকে কেটে সোজা করলে যে ধরনের অভিক্ষেপ পাওয়া যায়, তাকে নলাকার বা বেলনাকার অভিক্ষেপ বলা হয়। পৃথিবীর নিরক্ষীয় অঞ্চলের আশপাশ অর্থাৎ ক্রান্তীয় অঞ্চলের মানচিত্র সঠিকভাবে অঙ্কন করার জন্য বেলনাকার অভিক্ষেপ ব্যবহার করা হয়।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
9 months ago
উত্তরঃ

মানচিত্র অভিক্ষেপের প্রধান তিনটি বৈশিষ্ট্য রয়েছে। নিচে তা উল্লেখ করা হলো-

১. অক্ষরেখা ও দ্রাঘিমারেখার সাহায্যে মানচিত্র অভিক্ষেপ অঙ্কন করা হয়।
২. পৃথিবীর প্রকৃত আকৃতি আনুপাতিক হারে ছোট করে অর্থাৎ নির্দিষ্ট স্কেলে অভিক্ষেপ অঙ্কন করা হয়।
৩. সমতলের উপরে অভিক্ষেপ অঙ্কন করা হয়।
উল্লিখিত তিনটি বৈশিষ্ট্যের যেকোনো একটির অভাব হলে তা অভিক্ষেপ হবে না।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
9 months ago
উত্তরঃ

মানচিত্র অভিক্ষেপের প্রয়োজনীয়তা অপরিসীম।
আমরা জানি পৃথিবী গোলাকার। তাই এ গোলাকার পৃথিবীকে সমতল কাগজে উপস্থাপন করার জন্য মানচিত্রের অভিক্ষেপের প্রয়োজন হয়। সমতল কাগজে পৃথিবীকে বসানো সম্ভব নয়। তাই অক্ষরেখা ও দ্রাঘিমারেখা অনুযায়ী বক্রাকারে ঘর তৈরি করে গ্র্যাটিকুল বা গ্রিড তৈরি করা হয়। এরপর এই গ্রিড অনুযায়ী বিভিন্ন দেশের অংশগুলো ক্ষুদ্রাকারে উপস্থাপন করা হয়। যার ফলশ্রুতিতে আমরা মানচিত্রের অভিক্ষেপ থেকে সহজেই ভূপ্রকৃতির আয়তন জানতে পারি।
সমগ্র পৃথিবী বা এর কোনো অংশের মানচিত্র আপেক্ষিক সঠিকতার সাথে অঙ্কন করার জন্য মানচিত্র অভিক্ষেপ ব্যবহৃত হয়। একটিমাত্র অভিক্ষেপে সমগ্র পৃথিবীর মানচিত্র অঙ্কন করলে স্থানভেদে দেশের আকৃতির বিকৃতি ঘটে। এসব ত্রুটি দূর করার জন্য বিভিন্ন সময় বিভিন্ন ধরনের মানচিত্র অভিক্ষেপ উদ্ভাবিত হয়েছে। তাছাড়া যেকোনো স্থানের বৃহৎ এলাকাকে স্কেলের মাধ্যমে ক্ষুদ্রাকৃতির করে কাগজে উপস্থাপন করা হয়। ফলে সহজেই মানচিত্র থেকে ঐ এলাকার আয়তন জানা যায়। তাছাড়া অক্ষরেখা ও দ্রাঘিমারেখা অনুযায়ী কোনো এলাকার অবস্থান জানা যায়।
সুতরাং বলা যায় যে, মানচিত্র অভিক্ষেপের গ্ৰুত্ব অপরিসীম।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
9 months ago
71

Map Projection

ভূগোলকে অক্ষ ও দ্রাঘিমারেখা দ্বারা সৃষ্ট জালের ন্যায় বিন্যস্ত ছকগুলোকে গ্রিড বা Graticule বলে। কোনো সমতল তলের উপর সৃষ্ট এই গ্রিডগুলোকেই মূলত মানচিত্র অভিক্ষেপ বলে। স্পর্শক তলের অবস্থান, দৃষ্টিবিন্দু বা আলোকের অবস্থান, জ্যামিতিক আকৃতি প্রভৃতি বিবেচনা করে অভিক্ষেপের শ্রেণিবিভাগ করা যায়। সমতলের উপর বস্তুর অবস্থানের ভিত্তিতে অভিক্ষেপগুলোকে বেলন, শাঙ্কব ও শীর্ষদেশীয় ভাগে ভাগ করা হয়। পৃথিবীর এক একটি অঞ্চলের জন্য ভিন্ন ভিন্ন অভিক্ষেপ ব্যবহৃত হয় যেন নির্দিষ্ট ভৌগোলিক উপাত্তের সমাবেশ ঘটানো যায়। ভৌগোলিক তথ্য উপস্থাপন, ব্যাখ্যা- বিশ্লেষণ ও মানচিত্রে তা প্রদর্শনের আধুনিক পদ্ধতি হলো জিওগ্রাফিক ইনফরমেশন সিস্টেম বা GIS। ভূগোলে GIS এর প্রয়োজনীয়তা দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে।

মানচিত্র অভিক্ষেপ- মোহা: আনিছুর রহমান ও মোঃ আব্দুর রাজ্জাক-স্যারে লেখা বই

Related Question

View All
উত্তরঃ

ভৌগোলিক তথ্য সংরক্ষণ ও বিশ্লেষণ ব্যবস্থাকে সংক্ষেপে জিআইএস বলা হয়।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
9 months ago
119
উত্তরঃ

মানচিত্র অভিক্ষেপ বলতে কোনো সমতলের ওপর সৃষ্ট গ্রাটিকুলকে বোঝায়।
কোনো সমতল কাগজের উপর সমগ্র পৃথিবী বা এর কোনো অংশের মানচিত্র অঙ্কন করার জন্য নির্দিষ্ট স্কেলে অক্ষরেখা ও দ্রাঘিমারেখাগুলো জালের ন্যায় ছকে প্রকাশ করা হয়। একে অভিক্ষেপ বলে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
9 months ago
125
উত্তরঃ

উদ্দীপকে উল্লিখিত অভিক্ষেপটি হচ্ছে সরল শাঙ্কব অভিক্ষেপ।
উক্ত অভিক্ষেপের ক্ষেত্রে °ব্যবধানে ১: ১,৪৭,০০,০০০ স্কেলে এবং ° পরিমিত অক্ষরেখা (এক পরিমিত) নিয়ে অভিক্ষেপটির গাণিতিক হিসাব নিচে নির্ণয় করা হলো-

হিসাব নিরূপণ :

পৃথিবীর ব্যাসার্ধ, r = পৃথিবীর প্রকৃত ব্যাসার্ধ

                                          প্রদত্ত স্কেল

=,,,,

= ১.৭ ইঞ্চি।

IN.B: পৃথিবীর প্রকৃত ব্যাসার্ধ ৪০০০ মাইল বা ( × ,) ইঞ্চি যা পূর্ণ সংখ্যায় ২৫০,০০০,০০০ ইঞ্চি ধরা হয়।।

= ××.×°°

= ০.৪৫% ইঞ্চি।

অতএব, অক্ষরেখাগুলোর মধ্যবর্তী পরস্পর দূরত্ব হবে ০.৪৫ ইঞ্চি। অর্থাৎ ০.৪৫ ইঞ্চি দূরে দূরে অক্ষরেখা নিয়ে একটি সরল শাঙ্কব অভিক্ষেপ আঁকতে হবে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
9 months ago
104
উত্তরঃ

উদ্দীপকে উল্লিখিত অভিক্ষেপটি হচ্ছে সরল শাঙ্কব অভিক্ষেপ। নিচে এর বৈশিষ্ট্য ও প্রয়োগ বিশ্লেষণ করা হলো-

এ অভিক্ষেপে দ্রাঘিমাগুলো সর্বদা সমান এবং একই কেন্দ্র হতে বিচ্ছুরিত। কিন্তু অক্ষরেখাগুলো চাপের ন্যায় দৈর্ঘ্য উত্তরে ক্রমশ কম ও দক্ষিণে বেশি। সকল দ্রাঘিমা বরাবর স্কেল ঠিক থাকে কিন্তু কেবল পরিমিত অক্ষরেখা (Standard Parallel) ছাড়া অন্যান্য অক্ষরেখা বরাবর স্কেল ঠিক থাকে না। পরিমিত অক্ষরেখা তথা অভিক্ষেপের মধ্যভাগে স্কেল ঠিক থাকায় সেখানকার মানচিত্রের বিকৃতি খুবই কম। কিন্তু অন্যান্য অঞ্চলের মানচিত্রে যথেষ্ট বিকৃতি ঘটে। এ অভিক্ষেপে কেবল একটি গোলার্ধ দেখানো সম্ভব হয়। একই সাথে দুটি গোলার্ধ দেখানো সম্ভব নয়।

পরিমিত অক্ষরেখা বরাবর ও তার উভয় পার্শ্বে স্বল্প পরিসর স্থানের আয়তন কিছুটা নির্ভুল হয় বলে এর সাহায্যে কোনো ক্ষুদ্রাকৃতি দেশের বা কোনো দেশের অল্পস্থানের মানচিত্র নির্ভুলভাবে অঙ্কন করা যায়। এ কারণে ইংল্যান্ড, নিউজিল্যান্ড, নেদারল্যান্ড প্রভৃতি ক্ষুদ্রাকৃতি দেশগুলোর মানচিত্র অঙ্কন করার জন্য এটি বিশেষভাবে উপযোগী।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
9 months ago
140
উত্তরঃ

সমগ্র পৃথিবী বা তার অংশবিশেষের মানচিত্র অঙ্কন করার জন্য নির্দিষ্ট স্কেলে পৃথিবীর অক্ষরেখা ও দ্রাঘিমারেখাগুলো সঠিকভাবে অঙ্কন করাকে অভিক্ষেপ বলে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
9 months ago
132
উত্তরঃ

পৃথিবী ও এর অংশবিশেষকে কোনো সমতল ক্ষেত্রে প্রতিরূপ প্রদান করাকে মানচিত্র (Map) বলা হয়। মানচিত্র একজন ভূগোলবিদের কাছে খুবই গুরুত্বপূর্ণ হাতিয়ার। এর সাহায্যে ঘরে বসে অল্প সময়ে সমগ্র পৃথিবী সম্পর্কে সম্যক ধারণা পাওয়া যায়।
মানচিত্র শব্দটির ইংরেজি প্রতিশব্দ Map যা ল্যাটিন শব্দ Mappa থেকে এসেছে; যার অর্থ কাপড়ের টুকরা। অতীতে মূলত কাপড়ের টুকরার উপরই মানচিত্র অঙ্কন করা হতো।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
9 months ago
211
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র
মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews