সাদিক ও পরান উভয়ের কর্মকান্ডই বাংলাদেশের অর্থনীতির জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ। সাদিক সামুদ্রিক প্রাণী সংগ্রহ করে শুকানো ও হিমায়িত করার কাজ করে এবং পরান খনি অঞ্চল হতে খনিজ শিল্প কেন্দ্রগুলোতে সরবরাহ করে, উভয়ের কাজই প্রথম পর্যায়ের অর্থনৈতিক কর্মকান্ডের সাথে জড়িত।
বাংলাদেশ প্রতি বছর বিদেশে হিমায়িত মাছ রপ্তানি করে প্রচুর বৈদেশিক মুদ্রা আয় করছে, যা বাংলাদেশের অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখছে। এছাড়া মাছ হিমায়িত করা এবং শুকানোতে প্রচুর শ্রমিকের প্রয়োজন, যা নতুন কর্মসংস্থানের সৃষ্টি করছে। অপরদিকে শিল্পকারখানাগুলোতে শিল্প পণ্য উৎপাদনের জন্য প্রয়োজন শক্তি সম্পদ। আর এ শক্তি সম্পদ উৎপাদনের জন্য প্রয়োজন বিভিন্ন ধরনের খনিজ সম্পদ। যেমন, তাপ বিদ্যুৎ উৎপাদনে প্রয়োজন কয়লা। উৎপাদিত বিদ্যুৎ বিভিন্ন ধরনের শিল্প কারখানায় ব্যবহৃত হয়ে শিল্পের উৎপাদনকে আরও গতিশীল করে। ফলে উৎপাদন বৃদ্ধি পায়। আর এ উৎপাদন বৃদ্ধির ফলে অর্থনৈতিক আয়ও বৃদ্ধি পায় এবং কর্মসংস্থানের সুযোগও বৃদ্ধি পায়। এছাড়া কঠিন শিলা নির্মাণ সামগ্রী হিসেবে এদেশে গুরুত্বপূর্ণ।
সুতরাং বলা যায়, সদিক ও পরানের কর্মকান্ডগুলো অর্থনৈতিক আয় বৃদ্ধি এবং কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টিতে খুবই গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখে চলেছে।
Related Question
View All১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!