সাধারণ জাবেদার নমুনা ছকের বৈশিষ্ট্য নিম্নরূপ:
(i) তারিখের কলামে লেনদেন সংঘটিত হওয়ার তারিখ অর্থাৎ বছর, মাস ও দিন সহকারে উল্লেখ থাকবে। অবশ্যই লেনদেন সংঘটিত হওয়ার ধারাবাহিকতা রক্ষা করেই জাবেদা প্রদান করতে হবে। তারিখ লেখার সময় প্রথমে সাল, তারপর মাস এবং দিন বসাতে হয়।
(ii) বিবরণের কলামে লেনদেনের সঙ্গে জড়িত ডেবিট ও ক্রেডিট পক্ষ/হিসাব উল্লেখ করা হয়। সর্বদা ডেবিট পক্ষ প্রথম এবং ক্রেডিট পক্ষ দ্বিতীয় লাইনে লেখা হয়। পাশাপাশি অল্প কথায় লেনদেনটি ব্যাখ্যাও করা যায়।
আর্থিক ও অনার্থিক ঘটনা চিহ্নিতকরণের পর, আর্থিক লেনদেনসমূহ প্রাথমিক হিসাবের বইতে ডেবিট ও ক্রেডিট পক্ষ চিহ্নিতপূর্বক লিপিবদ্ধ করা প্রয়োজন। লেনদেনসমূহের মাঝে প্রকৃতিগত পার্থক্য বিদ্যমান, লেনদেনের বৈশিষ্ট্য ও প্রকৃতি বিবেচনা করেই জাবেদার শ্রেণিবিভাগ করা হয়েছে। লেনদেনের প্রকৃতি অনুযায়ী যে শ্রেণির জাবেদা প্রযোজ্য, ঐ জাবেদাতেই তা লিপিবদ্ধ করতে হবে। লেনদেন লিপিবদ্ধের ক্ষেত্রে প্রমাণপত্র যাচাই করা হলে সংরক্ষিত হিসাবের গ্রহণযোগ্যতা অনেকাংশে বৃদ্ধি পায় ৷

এই অধ্যায় শেষে আমরা—
- প্রারম্ভিক লিখন হিসেবে জাবেদার ধারণা ও গুরুত্ব ব্যাখ্যা করতে পারব।
- জাবেদার শ্রেণিবিভাগ করতে পারব।
- লেনদেনের সাধারণ জাবেদা দাখিলা প্রদান করতে পারব।
- চালানের ভিত্তিতে ক্রয় ও বিক্রয় জাবেদা, ডেবিট নোটের ভিত্তিতে ব্রুয় ফেরত জাবেদা এবং ক্রেডিট নোটের ভিত্তিতে বিক্রয় ফেরত জাবেদা প্রস্তুত করতে পারব।
Related Question
View All১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!