সামুদ্রিক প্রাণীরা সমুদ্রের লবণাক্ত পানি, গভীরতা, আলো ও শত্রুর আক্রমণসহ নানা পরিবেশের সাথে মানিয়ে নিতে নিজেদের শরীর ও আচরণে বিশেষ পরিবর্তন আনে। একে অভিযোজন বলে।
এ অভিযোজনের ক্ষেত্রগুলো মূলত: ১. গঠনগত ও ২. শারীরবৃত্তীয়। নিচে ক্ষেত্রগুলো উদাহরণসহ ব্যাখ্যা করা হলো-
১. গঠনগত: সামুদ্রিক মাছের দেহের গঠনগত পরিবর্তন ঘটে। এদের মাথা ও লেজের দিকে সরু এবং মধ্যভাগ চওড়া হয়। এ কারণে সহজেই পাখনা ও লেজের সাহায্যে সাঁতার কাটতে পারে। যেমন- রূপচাঁদা, লইট্যা, কোরাল, ইলিশ মাছ ইত্যাদি।
২. শারীরবৃত্তীয়: সামুদ্রিক পরিবেশের প্রাণীদের বেশকিছু শারীরবৃত্তীয় অভিযোজন ঘটে। যেমন-
i. সমুদ্রের পানি খুব লবণাক্ত এবং গভীরে প্রবল চাপ থাকে। সামুদ্রিক জীবের এ চাপ মোকাবিলা করার যথেষ্ট ক্ষমতা রয়েছে। যেমন- তিমি মাছ বড়ো ও শক্তিশালী হওয়ায় সমুদ্রের গভীরের চাপ সহ্য করতে পারে।
ii. সামুদ্রিক মেরুদণ্ডী প্রাণীদের ফুসফুস দীর্ঘ সময় ধরে বাতাস জমা রাখতে পারে। যেমন- ডলফিনের ফুসফুস দীর্ঘ সময় ধরে বাতাস জমা রাখে।
iii. সামুদ্রিক প্রাণীরা শিকার ও আত্মরক্ষার জন্য অভিযোজিত হয়ে থাকে। এক্ষেত্রে এরা আলো, রং ও 'বিষাক্ত তরল ব্যবহার করতে পারে। যেমন- অক্টোপাস ভয় পেলে বিষাক্ত তরল বা কালো কালি ছড়ায়।
Related Question
View Allজলজ উদ্ভিদকে পানিতে ভেসে থাকতে সাহায্য করে বায়ুকুঠুরি l
তীব্র ঠান্ডায় প্রাণীর দেহকে গরম রাখে চর্বিন্তর l
ছায়াযুক্ত স্থানের একটি উদ্ভিদ হলো ফার্ন
মাটির পরিবেশ হলো স্থলজ আবাসস্থল।
স্যাঁতসেঁতে, ভেজা ও ঠান্ডা স্থানে জন্মে মস ও ফার্ন জাতীয় উদ্ভিদ।
বড়ো উদ্ভিদের গায়ে আশ্রয় নিয়ে বেঁচে থাকে অর্কিড ।
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!