স্থলজ উদ্ভিদ ও প্রাণীর বিভিন্ন ধরনের বৈশিষ্ট্য রয়েছে। নিচে তা উল্লেখ করা হলো-
স্থলজ উদ্ভিদের বৈশিষ্ট্য:
১. স্থলজ উদ্ভিদ স্থলে বা মাটিতে জন্মায়।
২. বৃক্ষ জাতীয় উদ্ভিদের কাণ্ড ও মূল শক্ত, মোটা ও শাখা-প্রশাখাযুক্ত হয়।
৩. মূল-কান্ডকে দৃঢ়ভাবে মাটিতে আটকে রাখে।
৪. মূলের মাধ্যমে মাটি থেকে পানি ও খনিজ লবণ শোষণ করে।
৫. শক্ত কান্ড উদ্ভিদকে সোজাভাবে দাঁড়াতে সাহায্য করে।
৬. পাতায় প্রচুর ক্লোরোফিল থাকে যা আলোর সাহায্যে খাদ্য তৈরি করে।
৭. আত্মত্মরক্ষার জন্য কোনো কোনো উদ্ভিদের পাতায় রূপান্তরিত হয়।
স্থলজ প্রাণীর বৈশিষ্ট্য:
১. স্থলজ প্রাণী মাটিতে, মাটির গর্তে ও গাছে বাস করে।
২. এদের শ্বাস-প্রশ্বাসের জন্য ফুসফুস থাকে।
৩. এরা বায়ু থেকে অক্সিজেন গ্রহণ করে।
৪. এরা বায়ুতে কার্বন ডাইঅক্সাইড ত্যাগ করে।
৫. খাদ্য গ্রহণের জন্য অনেক প্রাণীর তীক্ষ্ণ ঠোঁট, ধারালো নখর ও দাঁত থাকে।
৬. দ্রুত ও দীর্ঘ পথ চলাচলের শক্তিশালী পা থাকে।
৭. অনেক প্রাণীর বায়ুথলি থাকে, যা উড়তে সহায়তা করে।
৮. আত্মরক্ষার জন্য অনেক প্রাণী পরিবেশের বর্ণ ধারণ করতে পারে।
৯. মরুজ পরিবেশের প্রাণীরা শরীরে পানি ও খাদ্য সঞ্চয় করে রাখতে পারে।
১০. তীব্র ঠান্ডায় উষ্ণ থাকার জন্য কিছু প্রাণীর চামড়ার নিচে পুরু চর্বিস্তর থাকে।
জলজ পরিবেশের উদ্ভিদ ও প্রাণীর বৈশিষ্ট্যগুলো উল্লেখ করা হলো-
জলজ পরিবেশের উদ্ভিদের বৈশিষ্ট্য:
১. জলজ উদ্ভিদ পানিতে জন্মায় ও বেঁচে থাকে।
২. এদের কান্ড নরম, হালকা ও মূল সংক্ষিপ্ত হয়।
৩. পানিতে ভেসে থাকার জন্য এদের প্রচুর বায়ুকুঠুরি থাকে।
৪. পাতা চওড়া ও পাতলা হয়।
৫. মূল সাধারণত ছোট ও দুর্বল হয়।
৬. এরা অধিকাংশ ক্ষেত্রে অঙ্গজ বংশবৃদ্ধি কুরে।
৭. পাতার উপরিভাগে রন্দ্র বেশি থাকে, যাতে সহজে গ্যাস বিনিময় করতে পারে।
জলজ পরিবেশের প্রাণীর বৈশিষ্ট্য:
১. জলজ প্রাণী পানিতে বাস করে ও চলাফেরা করে।
২. অনেক জলজ প্রাণীর দেহের মধ্যভাগ চ্যাপ্টা এবং মাথা ও লেজের দিকে সরু হয়।
৩: অনেকের পাখনা ও লেজ থাকে, যা তাদের, সাঁতার কাটতে সাহায্য করে।
৪. অধিকাংশ, প্রাণী ফুলকা দিয়ে পানিতে থাকা অক্সিজেন গ্রহণ করে শ্বাসকার্য চালায়।
৫. সামুদ্রিক মেরুদণ্ডী প্রাণীদের ফুসফুস দীর্ঘ সময় ধরে বাতাস জয়া রাখে।
৬. অনেক সামুদ্রিক প্রাণী শিকার ও আত্মরক্ষার জন্য আলো, রং ও বিষাক্ত তরল ব্যবহার করে।
৭. এদের শরীরে পাতলা আঁইশ বা চামড়া থাকে।
৮. খাদ্য সংগ্রহ ও বংশবৃদ্ধি পানিতেই সম্পন্ন করে।
সামুদ্রিক প্রাণীরা সমুদ্রের লবণাক্ত পানি, গভীরতা, আলো ও শত্রুর আক্রমণসহ নানা পরিবেশের সাথে মানিয়ে নিতে নিজেদের শরীর ও আচরণে বিশেষ পরিবর্তন আনে। একে অভিযোজন বলে।
এ অভিযোজনের ক্ষেত্রগুলো মূলত: ১. গঠনগত ও ২. শারীরবৃত্তীয়। নিচে ক্ষেত্রগুলো উদাহরণসহ ব্যাখ্যা করা হলো-
১. গঠনগত: সামুদ্রিক মাছের দেহের গঠনগত পরিবর্তন ঘটে। এদের মাথা ও লেজের দিকে সরু এবং মধ্যভাগ চওড়া হয়। এ কারণে সহজেই পাখনা ও লেজের সাহায্যে সাঁতার কাটতে পারে। যেমন- রূপচাঁদা, লইট্যা, কোরাল, ইলিশ মাছ ইত্যাদি।
২. শারীরবৃত্তীয়: সামুদ্রিক পরিবেশের প্রাণীদের বেশকিছু শারীরবৃত্তীয় অভিযোজন ঘটে। যেমন-
i. সমুদ্রের পানি খুব লবণাক্ত এবং গভীরে প্রবল চাপ থাকে। সামুদ্রিক জীবের এ চাপ মোকাবিলা করার যথেষ্ট ক্ষমতা রয়েছে। যেমন- তিমি মাছ বড়ো ও শক্তিশালী হওয়ায় সমুদ্রের গভীরের চাপ সহ্য করতে পারে।
ii. সামুদ্রিক মেরুদণ্ডী প্রাণীদের ফুসফুস দীর্ঘ সময় ধরে বাতাস জমা রাখতে পারে। যেমন- ডলফিনের ফুসফুস দীর্ঘ সময় ধরে বাতাস জমা রাখে।
iii. সামুদ্রিক প্রাণীরা শিকার ও আত্মরক্ষার জন্য অভিযোজিত হয়ে থাকে। এক্ষেত্রে এরা আলো, রং ও 'বিষাক্ত তরল ব্যবহার করতে পারে। যেমন- অক্টোপাস ভয় পেলে বিষাক্ত তরল বা কালো কালি ছড়ায়।
যেখানে কোনো জীব স্বচ্ছন্দে বসবাস করতে পারে সেটাই জীবের আবাসস্থল।
জীবের বিভিন্ন প্রকার আবাসস্থল রয়েছে। নিচে সংক্ষেপে লেখা হলো-
১.স্থলজ আবাসস্থল: মাটি বা ভূমির আবাসস্থল হলো স্থলজ আবাসস্থল। যেমন- বনজ, মরুজ, তৃণভূমি ইত্যাদি।
২.মেরু আবাসস্থল: বরফে ঢাকা আবাসস্থল হলো মেরু আবাসস্থল। যেমন- মেরু অঞ্চল।
৩. জলজ আবাসস্থল: সারা বছর পানি থাকে এমন আবাসস্থলগুলো হলো জলজ আবাসস্থল। যেমন- স্বাদুপানির আবাসস্থল, সামুদ্রিক আবাসস্থল, জলাভূমি ইত্যাদি।
মাটি বা ভূমির আবাসস্থল হলো স্থলজ আবাসস্থল স্থলজ আবাসস্থল তিন প্রকার। যথা-
১. বনজ আবাসস্থল, ২. তৃণভূমি ও ৩. মরুজ আবাসস্থল। উদ্ভিদের একটি বড়ো অংশ স্থলজ পরিবেশে বসবাস করে।
স্থলভাগের উদ্ভিদ হলো আম, জাম, কাঁঠাল, নারিকেল, কলা, নিম, কড়ই, মেহগনি ইত্যাদি। এসব বড়ো বড়ো উদ্ভিদের নিচে ছায়াযুক্ত স্থান হলো ছোটো ছোটো উদ্ভিদের আবাস, যেমন- বিভিন্ন ধরনের ঘাস বা তৃণজাতীয় উদ্ভিদ। স্যাঁতসেঁতে, ভেজা ও ঠান্ডা স্থানে জন্মে মস ও ফার্ন জাতীয় উদ্ভিদ। কোনো কোনো উদ্ভিদ আবার বড়ো উদ্ভিদের গায়ে আশ্রয় নিচে বেঁচে থাকে, যেমন- অর্কিড ও বিভিন্ন ধরনের ফার্ন।
যে স্থানে প্রাকৃতিকভাবে প্রচুর পরিমাণে উদ্ভিদ জন্মায় ও নানা ধরনের প্রাণী বসবাস করে সে স্থানকে বনজ আবাসস্থল বলে।
বনজ আবাসস্থলে বিভিন্ন ধরনের প্রাণী বসবাস করে। যেমন— আমাদের সুন্দরবনে বাঘ, হরিণ, বানর, কুমির ও বিভিন্ন ধরনের পাখির আবাসস্থল। ব্যাঙ উভচর প্রাণী, শিশু অবস্থায় (ব্যাঙাচি) এরা পানিতে থাকে। বড়ো হয়ে মাটি ও পানি উভয় স্থানে বসবাস করে। সাপ, ইঁদুর, কাঁকড়া মাটির গর্তে বাস করে। আমাদের দেশে হাতির আবাসস্থল হলো চট্টগ্রাম ও পার্বত্য চট্টগ্রামের বনভূমি। আমাদের জাতীয় প্রাণী রয়েল বেঙ্গল টাইগার শুধু সুন্দরবনেই বাস করে।
স্থলজ পরিবেশের মধ্যে অনেক স্থানে বিস্তীর্ণ এলাকা জুড়ে ঘাস জাতীয় উদ্ভিদের প্রাধান্য থাকে সেসব স্থানকে তৃণভূমি বলে।
তৃণভূমির বিভিন্ন ধরনের বৈশিষ্ট্য রয়েছে। নিচে তিনটি বৈশিষ্ট্য লেখা হলো-
১. এ ধরনের ভূমিতে প্রচুর ঘাস জন্মে।
২. এখানে বৃক্ষজাতীয় উদ্ভিদ কম থাকে।
৩. আবহাওয়া সাধারণত শুষ্ক থাকায় অল্প বৃষ্টিপাত হয়।
তৃণভূমিতে বিভিন্ন ধরনের উদ্ভিদ ও প্রাণী বসবাস করে। উদ্ভিদের মধ্যে রয়েছে শণ, নলখাগড়া, বীরুৎ ও গুল্ম। আবার প্রাণীদের মধ্যে থাকে 'হরিণ, কুকুর, খরগোশ, শেয়াল, বাজপাখি, পেঁচা, হায়েনা ইত্যাদি।
মরুভূমি হলো স্থলজ আবাসস্থলের মধ্যে একটি বিশেষ বৈশিষ্ট্যসম্পন্ন অঞ্চল।
মরুজ আবাসস্থলের তিনটি বৈশিষ্ট্য হলো-
১. মরুভূমিতে উচ্চ তাপমাত্রা বিরাজ করে।
২. বৃষ্টিপাত কম হয়।
৩. দিন ও রাতের তাপমাত্রার ব্যাপক পার্থক্য থাকে।
মরুজ আবাসস্থলে বিভিন্ন ধনের উদ্ভিদ ও প্রাণী বসবাস করে। খেজুর, ফণীমনসাসহ বিভিন্ন ধরনের ক্যাকটাস ও গুল্ম মরুজ আবাসস্থলের উদ্ভিদ। এই আবাসস্থলের প্রাণীদের মধ্যে রয়েছে উট, গিরগিটি, টিকটিকি, সান্ডা ও বিভিন্ন ধরনের পতঙ্গ।
পৃথিবীর যেসব অঞ্চল বরফে ঢাকা থাকে সেসব অঞ্চলকে মেরু আবাসস্থল বলে। যেমন- মেরু অঞ্চল।
মেরু আবাসস্থলের তিনটি বৈশিষ্ট্য হলো-
১. ভূমি বরফে ঢাকা থাকে।
২. এ অঞ্চলে খুবই কম উদ্ভিদ জন্মে।
৩. এ অঞ্চলে দীর্ঘ শীতকাল দেখা যায়।
মেরু অঞ্চলে খুবই কম উদ্ভিদ জন্মে। এদের রয়েছে আর্কটিক উইলো, কটন গ্রাস ও লাইকেন জাতীয় উদ্ভিদ। কিছু অনন্য বৈশিষ্ট্যের প্রাণী এ অঞ্চলে বাস করে। যেমন- শ্বেত ভল্লুক, সিল, পেঙ্গুইন ইত্যাদি।
জলজ আবাসস্থলের যে পরিবেশের পানি লবণাক্ত এবং বিভিন্ন ধরনের উদ্ভিদ ও প্রাণী বাস করে তাকে সামুদ্রিক পরিবেশ বলে।
সামুদিক্র পরিবেশের তিনটি বৈশিষ্ট্য হলো-
১. এ পরিবেশের পানি লবণাক্ত।
২. ঢেউ ও স্রোতের গতি বেশি।
৩. প্রচুর বৈচিত্র্যময় উদ্ভিদ ও প্রাণী বসবাস করে।
সামুদ্রিক পরিবেশের প্রধান উদ্ভিদ হলো বিভিন্ন ধরনের সামুদ্রিক শৈবাল। যেমন- ল্যামিনারিয়া, সারগাসাম ইত্যাদি। এছাড়াও সামুদ্রিক ঘাস এর মধ্যে রয়েছে যস্টেরা, হ্যালোডিউল ইত্যাদি।
জলজ আবাসস্থলের কিছু কিছু নিচু এলাকা বছরের বেশির ভাগ সময় জলমগ্ন থাকে, বাকি সময় শুষ্ক থাকে এসব এলাকাকে জলাভূমি বলে। যেমন- বাংলাদেশের হাওড় ও বাঁওড় ইত্যাদি।
জলাভূমির তিনটি বৈশিষ্ট্য হলো-
১. এ ভূমি নিচু এবং বছরের বেশিরভাগ সময় জলমগ্ন থাকে।
২. জলাভূমি বছরের কিছু সময় শুষ্ক থাকে।
৩. এসব এলাকায় ঋতু অনুযায়ী উদ্ভিদ ও প্রাণীর উপস্থিতি ভিন্ন ভিন্ন হয়।
পানির গভীরতার সাথে সাথে জলাভূমির জীববৈচিত্র্যের পরিবর্তন হয়। এখানকার বিশেষ উদ্ভিদ হলো কলমি, হেলেঞ্চা, হিজল, করচ, বরুন ইত্যাদি। এ পরিবেশে বিভিন্ন ধরনের প্রাণী যেমন-মাছ, সাপ, ব্যাঙ এবং জলচর পাখি দেখা যায়।
নির্দিষ্ট বাসস্থানের বা পরিবেশের সাথে জীবের খাপ খাইয়ে বেঁচে থাকার প্রক্রিয়াই অভিযোজন।
বায়ুকুঠুরি জলজ পরিবেশে উদ্ভিদের একটি অভিযোজন। কচুরিপানার মধ্যে যে ফাঁপা অংশ থাকে তাকে বায়ুকুঠুরি বলে। এই বায়ুকুঠুরি কচুরিপানাকে জলজ পরিবেশে ভেসে থাকতে থাকতে সাহায্য করে। এই কারণে কচুরিপানার জন্য বায়ুকুঠুরি গুরুত্বপূর্ণ।মুরগির তিনটি অভিযোজনিক বৈশিষ্ট্য হলো-
১. মুরগির পা-গুলো শক্ত হয়।
২. এদের পা বেশ লম্বা হয়।
৩. এদের পা শক্ত নখরযুক্ত হয়।
স্থলজ আবাসস্থলের প্রধান পরিবেশ হলো বনজ পরিবেশ।
বনজ পরিবেশের প্রাণীদের তিনটি অভিযোজনিক বৈশিষ্ট্য হলো-
১. এদের শ্বাসকার্য চালানোর জন্য শক্তিশালী ফুসফুস থাকে।
২. দ্রুত ও দীর্ঘ পথ চলাচলের জন্য এদের পা অনেক শক্তিশালী হয়।
৩. শিকার ধরা ও মাংস ছিঁড়ে খাওয়ার জন্য এদের তীক্ষ্ণ ধারালো নখ ও দাঁত থাকে।
বনজ পরিবেশের অন্যতম প্রাণী হলো পাখি। এরা মূলত আকাশচারী। কারণ, এদের ডানা আছে, হাড়ে মজ্জা কম থাকায় দেহ হালকা হয়। আবার দেহে বায়ুভর্তি থলি থাকে, যা উড়তে সহায়তা করে। এসব বৈশিষ্ট্যের কারণেই পাখিরা আকাশচারী।
মরুজ পরিবেশে কম বৃষ্টিপাত এবং উষ্ণ ও শুষ্ক, আবহাওয়ার কারণে উদ্ভিদগুলো ছোটো ছোটো ঝোপঝাড়ের মতো হয়।
মরুজ পরিবেশের তিনটি উদ্ভিদের নাম হলো-
১. ক্যাকটাস, ২. খেজুর ও ৩. ফণীমনসা। মরুজ পরিবেশের প্রাণীদের অভিযোজনিক বৈশিষ্ট্য হলো-
১. মরুজ পরিবেশের প্রাণীরা শরীরে পানি ও খাদ্য সঞ্চয় করে রাখতে পারে। যেমন- উট।'
২. সূর্যতাপ থেকে বাঁচার জন্য ছোটো ছোটো প্রাণীরা মাটির নিচে গর্ত করে বসবাস করে।
স্থলজ পরিবেশের মেরু অঞ্চল বরফে ঢাকা থাকে।
মেরু অঞ্চলে কিছু অনন্য বৈশিষ্ট্যের প্রাণী বাস করে। যেমন- শ্বেত ভল্লুক, সিল, পেঙ্গুইন ইত্যাদি।
মেরু অঞ্চলের প্রাণীদের অভিযোজনিক বৈশিষ্ট্য হলো-
১. তীব্র ঠান্ডায় উষ্ণ থাকার জন্য মেরু অঞ্চলের প্রাণীদের শরীরে চামড়ার নিচে পুরু চর্বির স্তর থাকে।
২. এদের অধিকাংশই বরফের মতো সাদা লোমযুক্ত হওয়ায় সহজেই লুকিয়ে থেকে আত্মরক্ষা ও শিকার করতে পারে।
৩. এদের লম্বা, বাঁকানো এবং শক্তিশালী পা বরফে চলার জন্য অভিযোজিত হয়েছে।
জলজ উদ্ভিদ বায়ুকুঠুরির সাহায্যে পানিতে ভেসে থাকে।
জলজ পরিবেশে পানির ঢেউয়ের সাথে খাপ খাওয়ানোর জন্য মাছের দেহের মধ্যভাগ চ্যাপ্টা এবং মাথা ও লেজের দিকে সরু হয়। পানিতে ভেসে থাকা ও চলাচলের জন্য এদের দেহে বায়ুথলি বা পটকা থাকে। পাখনা ও লেজ এদের সাঁতার কাটতে সাহায্য করে। এরা ফুলকা দিয়ে পানিতে থাকা অক্সিজেন গ্রহণ করে শ্বাসকার্য চালায়।
জলজ পরিবেশের সবচেয়ে বিস্তীর্ণ অঞ্চল হলো সামুদ্রিক পরিবেশ। এই পরিবেশে পানির লবণাক্ততা ও পানির প্রবল চাপ মোকাবেলার জন্য জীবের অভিযোজন ঘটে।
জলজ পরিবেশের সবচেয়ে বিস্তীর্ণ অঞ্চলই হলো সামুদ্রিক পরিবেশ। সামুদ্রিক পরিবেশের প্রাণীদের অভিযোজনগুলো হলো-
১. সামুদ্রিক মাছের মাথা ও লেজের দিকে সরু এবং মধ্যভাগ চওড়া হয়।
২. পাখনা ও লেজ সাঁতার কাটতে সাহায্য করে।
৩. সামুদ্রিক মেরুদণ্ডী প্রাণীদের ফুসফুস দীর্ঘ সময় ধরে বাতাস জমা রাখে।
৪. শিকার ও আত্মরক্ষার জন্য এরা আলো, রঙও বিষাক্ত তরল ব্যবহার করে।
জলাভূমির উদ্ভিদের তিনটি বৈশিষ্ট্য হলো-
১. এদের পাতা পাতলা ও প্রশস্ত।
২. মূল জলজ উদ্ভিদের চেয়ে শক্তিশালী।
৩. জলমগ্ন অবস্থায় শ্বাসকার্য চালানোর জন্য, শ্বাসমূল বের হয়
Related Question
View Allজলজ উদ্ভিদকে পানিতে ভেসে থাকতে সাহায্য করে বায়ুকুঠুরি l
তীব্র ঠান্ডায় প্রাণীর দেহকে গরম রাখে চর্বিন্তর l
ছায়াযুক্ত স্থানের একটি উদ্ভিদ হলো ফার্ন
মাটির পরিবেশ হলো স্থলজ আবাসস্থল।
স্যাঁতসেঁতে, ভেজা ও ঠান্ডা স্থানে জন্মে মস ও ফার্ন জাতীয় উদ্ভিদ।
বড়ো উদ্ভিদের গায়ে আশ্রয় নিয়ে বেঁচে থাকে অর্কিড ।
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!