সকল মানুষ একে অপরের সাথে আত্মার নিবিড় বন্ধনে আবদ্ধ। তাই মানুষ যখন একা একা সুখ উপভোগ করতে চায় তখন সে প্রকৃত সুখি হয় না; বরং সবাই যখন একত্রে সুখ উপভোগ করে তখনই মানুষ প্রকৃত সুখি হয়। একসাথে থাকার ই মাধ্যমেই মানুষ প্রকৃত সুখি হতে পারে।
Related Question
View Allতরুণদের উচিত তাদের অমূল্য জীবনকে সার্থক করার জন্য তাদের অনন্ত শক্তিকে কাজে লাগানো।পূর্বপুরুষদের লিখিত পুঁথি ঘেঁটে বসে না থেকে বরং বর্তমানের নতুন পরিবেষ্টনের সাথে খাপ খাওয়ানো ।তাদের বর্তমানের বেদনাকে উপেক্ষা করে ভবিষ্যতের জন্য আদর্শ স্থাপন করার চেষ্টা করা উচিত।অতীতের প্রতি আসক্তি মানুষকে অন্ধ করে দেয়, বর্তমানের পরিস্থিতি বুঝতে বাধা দেয়, ফলে দ্বন্দ্ব, সংঘর্ষ, বিগ্রহ-বিপ্লব এবং রক্ত-বন্যার মতো ঘটনা ঘটে।মানুষের উচিত অতীতের সৃষ্টিকে অক্ষুন্ন রাখার চেষ্টা না করে বর্তমানের নব পরিবেষ্টনের সাথে খাপ খাওয়ানো।তরুণদের চিরকালই অন্যায়ের বিরুদ্ধে অভিযান চালাতে হবে।
এ কালের দৃশ্যটি অত্যন্ত মন্দ এবং চিন্তামূলক। সমাজের প্রতিনিধিত্ব করা উচিত পরিস্থিতির মধ্যে পর্যায়ক্রমে হেঁটে যাচ্ছে অস্ত্রোচ্চারণ, অন্ধ প্রতিদ্বন্দ্বীতা, স্বতন্ত্রতার অভাব, এবং নৈতিক মূল্যবোধের হারানো অবস্থা। এ দৃশ্যে অনুভব হচ্ছে ক্রুরতা, অসহ্য প্রহরণ, এবং অমানুষিক ব্যবহারের উত্কৃষ্ট উদাহরণ। প্রত্যাশা ও নিরাপদতা এ সময়ে অস্তিত্বে নেই। এই সময়ে সতর্কতা ও শান্তিপূর্ণতা অত্যন্ত প্রয়োজন।
কবিতাংশটিতে কবি বর্তমান পৃথিবীর এক অদ্ভুত নৈতিক অধঃপতনের চিত্র তুলে ধরেছেন। এখানে মূল্যবোধের চরম অবক্ষয় হয়েছে, যেখানে অন্ধ, হৃদয়হীন, প্রেমবর্জিত ও করুনাশূন্য মানুষেরাই আজ সমাজের পরিচালক ও পথপ্রদর্শক। তাদের কুমন্ত্রণাতেই পৃথিবী পরিচালিত হচ্ছে। অন্যদিকে, যারা মানবতায় বিশ্বাসী, সত্য, শিল্প ও সাধনার প্রতি শ্রদ্ধাশীল এবং মহৎ মূল্যবোধ ধারণ করে, তাদের হৃদয় শকুন ও শেয়ালের খাদ্যে পরিণত হচ্ছে; অর্থাৎ, সৎ ও বিবেকবান মানুষেরা আজ অবহেলিত, নিগৃহীত ও বিলুপ্তপ্রায়। এটি এক বিপর্যস্ত সময়ের প্রতিচ্ছবি যেখানে শুভ ও কল্যাণের বিপরীতে অশুভ ও জীর্ণতাই প্রাধান্য পাচ্ছে।
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!