সিলেট ও ময়মনসিংহের হাওর এলাকার অধিবাসীরা অত্যন্ত মানবেতর জীবনযাপন করছে। তাদের অবস্থার পরিবর্তনে এবং হাওর এলাকার উন্নয়নে সরকার গঠন করেছে 'বাংলাদেশ হাওর ও জলাভূমি উন্নয়ন বোর্ড' এবং প্রবর্তন করেছে 'বাংলাদেশ হাওর ও জলাভূমি উন্নয়ন বোর্ড আইন ২০১৪'। এছাড়া উক্ত এলাকার উন্নয়নে ৫০ কোটি টাকা বরাদ্দও দেওয়া হয়েছে।

Updated: 11 months ago
উত্তরঃ

পরিকল্পনা বাস্তবায়নে প্রতিটি পর্যায়ে মনিটরিং ব্যবস্থা জোরদার করতে হবে।

উত্তরঃ

জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হলে আমাদের নানামুখী সমস্যা হতে পারে। বর্তমানকালে জলাবদ্ধতা সমস্যা মারাত্মক রূপ পরিগ্রহ করেছে। এর ফলে যান চলাচল ব্যাহত হয়, রাস্তাঘাটের ক্ষতি হয়, স্বল্প আয়ের লোকদের কাজ বন্ধ থাকে, ঠিকমতো স্কুল, কলেজ বা কর্মস্থলে পৌঁছানো যায় না, দোকানপাট বন্ধ থাকে এবং সর্বোপরি নানা ধরনের রোগব্যাধির প্রাদুর্ভাব দেখা দেয়। জলাবদ্ধতা সৃষ্টির ফলে আমাদের এসব সমস্যাই হতে পারে।

উত্তরঃ

উদ্দীপকে সরকার গৃহীত কার্যক্রম দুর্গম অঞ্চলের মানুষদের উন্নয়ন সাধন করার মাধ্যমে এসডিজির চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় সহায়তা করবে। 

টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্য অর্জনে অন্যান্য দেশের মতো বাংলাদেশও কাজ করে যাচ্ছে। কিন্তু এ লক্ষ্য অর্জনের পথে রয়েছে নানা চ্যালেঞ্জ। এগুলো মোকাবিলা করেই বাংলাদেশকে এসডিজি অর্জনের পথে অগ্রসর হতে হবে। উদ্দীপকে ভৌগোলিকভাবে পিছিয়ে পড়া সিলেট ও ময়মনসিংহের হাওর এলাকার মানুষের জীবনচিত্র তুলে ধরা হয়েছে। তাদের উন্নয়নকল্পে সরকারের 'বাংলাদেশ হাওর ও জলাভূমি উন্নয়ন বোর্ড' গঠন, আইন পাস এবং ৫০ কোটি টাকা বরাদ্দ দেওয়ার কথাও উদ্দীপকে বলা হয়েছে। এ পদক্ষেপ এসডিজি অর্জনে অত্যন্ত সহায়ক। কেননা এসডিজি অর্জন করতে হলে ভৌগোলিকভাবে পিছিয়ে পড়া দুর্গম অঞ্চলের অধিবাসীদের বিশেষ বিবেচনায় রেখে উন্নয়ন পরিকল্পনা গ্রহণ করতে হবে। অতিদারিদ্র্য ও দারিদ্র্যের হার কমাতে প্রয়োজনে বিশেষ কর্মসূচি হাতে নিতে হবে। অর্থনৈতিক নীতিকাঠামো বিন্যাস এমন হতে হবে যাতে আর্থসামাজিক অগ্রগতি ন্যায়ভাবে সুবষ্টিত হতে পারে। উদ্দীপকে এর বাস্তবায়ন দেখা যায় বলে সরকার গৃহীত উক্ত কার্যক্রম প্রত্যক্ষভাবে এসডিজির চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় সহায়তা করবে।

উত্তরঃ

না, উদ্দীপকের কার্যক্রমই এসডিজির চ্যালেঞ্জ মোকাবিলার একমাত্র উপায় নয়। 

জাতিসংঘ ঘোষিত এসডিজি বাস্তবায়নের লক্ষ্যে বাংলাদেশ পুরাপুরিভাবে কাজ করে যাচ্ছে। এ লক্ষ্যে নানা ধরনের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করতে হচ্ছে। উদ্দীপকে সিলেট ও ময়মনসিংহের পিছিয়ে পড়া হাওর অঞ্চলের জনগণের জন্য সরকার গৃহীত কার্যক্রমকে তুলে ধরা হয়েছে। এটি এসডিজি চ্যালেঞ্জ মোকাবিলার একটি অংশ হলেও একমাত্র উপায় নয়। এক্ষেত্রে আরও যেসব চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করা প্রয়োজন সেগুলো হলো- আয়, ভোগ, জেন্ডার, অঞ্চল ও সম্পদ বৈষম্য কমিয়ে আনা, দারিদ্র্যের অবসান ঘটানো, অবাধ তথ্য প্রবাহ নিশ্চিত করা, জলবায়ু পরিবর্তনের ফলাফল মোকাবিলা, পরিবেশ সংরক্ষণ ও উন্নয়ন, কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা ও সম্পদের ন্যায্য প্রাপ্তি নিশ্চিতকরণ, মানবসম্পদ উন্নয়ন, আর্থসামাজিক অগ্রগতি সাধন, বিদেশে সম্পদ পাচার বন্ধ করা, রাজনৈতিক অস্থিরতা রোধ করা, শিক্ষা, সংস্কৃতি, স্বাস্থ্য, পয়ঃনিষ্কাশন ব্যবস্থার উন্নয়নকে অগ্রাধিকার দেওয়া, জ্বালানি খাতের উন্নয়ন ঘটানো, দুর্নীতি দমন, স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিতকরণ ইত্যাদি। এসডিজি অর্জনে উপরিউক্ত চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় বাংলাদেশকে অগ্রণী ভূমিকা রাখতে হবে। উদ্দীপকের আলোচ্য বিষয়ে পিছিয়ে পড়া জনগোষ্ঠীর উন্নয়নে কার্যক্রম গ্রহণ করা টেকসই উন্নয়নের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলার একটি উপায় হলেও এর বাইরেও আরও অনেক চ্যালেঞ্জ আছে, যা উপরের আলোচনা থেকে জানা যায়। 

তাই নিঃসন্দেহে বলা যায়, এসডিজির চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় উদ্দীপকের কার্যক্রমটি ছাড়াও আরও অনেক কার্যক্রম রয়েছে।

147

Related Question

View All
উত্তরঃ

জলবায়ু পরিবর্তনের নেতিবাচক প্রভাব দূর করতে কার্যকরী পদক্ষেপ গ্রহণ করাই হলো জলবায়ু কার্যক্রম।

376
উত্তরঃ

টেকসই উন্নয়নে অংশীদারিত্বের গুরুত্ব অপরিসীম। উন্নয়নের সুফল ভোগকারী গোষ্ঠীই হলো অংশীজন। তারা যদি উন্নয়নের সুফল ভোগ করতে চায় তাহলে অংশীজন হিসেবে তাদের কিছু দায়িত্ব ও কর্তব্য থাকে। সেই দায়িত্ব ও কর্তব্য ঠিকমতো পালন করলে উন্নয়নে তাদের অংশীদারিত প্রতিষ্ঠিত হয়। উন্নয়ন কর্মী বা সরকারের একার পক্ষে উন্নয়ন গতিধারাকে অব্যাহত রাখা সম্ভব নয়। তাই যার যতটুকু দায়িত্ব তা স্ব-স্ব অবস্থানে থেকে পালন করতে হবে। সকলের অংশীদারিত্ব ব্যতীত এসডিজি অর্জন করা অসম্ভব। তাই টেকসই উন্নয়নে অংশীদারিত্ব প্রয়োজন।

450
উত্তরঃ

দৃশ্যকল্প-১ ও ২ টেকসই উন্নয়ন অভীষ্ট অর্জনে বাংলাদেশের চ্যালেঞ্জ বিষয়টিকে নির্দেশ করছে।

এসডিজি বা টেকসই উন্নয়ন অভীষ্ট অর্জনে অংশীদারিত্বের পারস্পরিক দায়িত্ব পড়েছে বাংলাদেশসহ জাতিসংঘের সকল সদস্য দেশের ওপর। কিন্তু এ লক্ষ্য অর্জনের পথে বাংলাদেশকে বিভিন্ন চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হতে হচ্ছে। পরিবেশ সংরক্ষণ এমনই একটি চ্যালেঞ্জ। দৃশ্যকল্প-১ এ' বালু দিয়ে নদী ভরাট করে জমি বিক্রি এবং দৃশ্যকল্প-২ এ ট্যানারির বর্জ্য পার্শ্ববর্তী খালে ফেলার দৃশ্যপট তুলে ধরা হয়েছে। এ দুটি বিষয়ই পরিবেশের জন্য অত্যন্ত ক্ষতিকর। আর টেকসই উন্নয়নের একটি প্রধান ক্ষেত্র হলো পরিবেশ সংরক্ষণ করা। কিন্তু জনগণের অসচেতনতা এবং যথেচ্ছ আচরণের দরুন পরিবেশের মারাত্মক বিপর্যয় ঘটছে। তাই আমাদের পরিবেশ প্রতিনিয়তই দূষিত হচ্ছে। আর এ দূষণ রোধ করা বাংলাদেশের এসডিজি অর্জনের পথে এক বিরাট চ্যালেঞ্জ। উদ্দীপকের দৃশ্যকল্পে এমন দুটি বিষয়কে তুলে ধরা হয়েছে, যেগুলো পরিবেশ দূষণের জন্য দায়ী। তাই বলা যায়, উক্ত বিষয়সমূহ টেকসই উন্নয়ন অভীষ্ট অর্জনে বাংলাদেশের চ্যালেঞ্জের বিষয়টিকেই নির্দেশ করছে।

425
উত্তরঃ

দৃশ্যকল্প-৩ সকলের অংশীদারিত্বের চিত্র ফুটিয়ে তুলেছে, যা বিশ্বের সর্বত্র সার্বিক ও সর্বজনীন কল্যাণ নিশ্চিতের প্রকৃষ্ট উদাহরণ। এসডিজি অর্জনের অন্যতম উদ্দেশ্য হলো বিশ্বের সর্বত্র কল্যাণ নিশ্চিত করা। এ লক্ষ্য অর্জনে জাতিসংঘের সদস্য দেশগুলো কাজ করে যাচ্ছে। তবে সমাজের সর্বস্তরের মানুষের অংশীদারিত্ব ব্যতীত এ লক্ষ্য পূরণ সম্ভব নয়। দৃশ্যকল্প-৩-এ 'ক' সিটি কর্পোরেশনের নাগরিকগণ নিজ নিজ দায়িত্ব ও কর্তব্য পালন করেছে। এর মাধ্যমে তারা সুন্দর বাসযোগ্য নগর গড়ে তুলতে পেরেছে। এটি এসডিজি অর্জনের পথকে মসৃণ করবে। এসডিজি অর্জন হলো সামগ্রিক কল্যাণ নিশ্চিত করা। কেবল সরকারের একার পক্ষে তা নিশ্চিত করা সম্ভব নয়। সবাইকে নিজ নিজ অবস্থান থেকে অংশগ্রহণ করতে হবে এ লক্ষ্য অর্জন প্রক্রিয়ায়। সকলের সম্মিলিত প্রয়াস ও অংশীদারিত্বই পারে এসডিজি অর্জনের পথকে গতিশীল করতে। উদ্দীপকে 'ক' সিটি কর্পোরেশনের অধিবাসীরা সে লক্ষ্যেই কাজ করে যাচ্ছে। তাদের সম্মিলিত প্রয়াস ও দায়িত্ব-কর্তব্য পালন অংশীদারিত্বেরই নামান্তর, যা এসডিজি অর্জনকে ত্বরান্বিত করে। এর দ্বারাই নিশ্চিত হবে বিশ্বের সর্বত্র সার্বিক ও সর্বজনীন কল্যাণ।

পরিশেষে বলা যায়, প্রশ্নোক্ত উক্তিটি সঠিক হয়েছে।

230
উত্তরঃ

সকলের অংশীদারিত্বের মাধ্যমে উন্নয়নের গতিধারাকে অব্যাহত রাখা যায়। উন্নয়নকর্মী বা সরকারের একার পক্ষে উন্নয়ন গতিধারাকে অব্যাহত রাখা সম্ভব নয়। এক্ষেত্রে স্ব-স্ব অবস্থানে থেকে সবাইকে দায়িত্ব পালন করতে হবে। তবেই টেকসই উন্নয়ন অভীষ্ট অর্জন করা সম্ভব হবে এবং উন্নয়নের গতিধারাকে অব্যাহত রাখা যাবে।

234
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র
মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews