সীমা তার বড় বোন দর্শনে স্নাতক পড়ুয়া ঝর্ণার কাছে দর্শনশাস্ত্র সম্পর্কে জানতে চাইল। ঝর্ণা তাকে বলল, দর্শন আমাদের জীবনের অর্থ, স্বরূপ, পরিণতি ও মূল্য নির্ধারণ করে। দর্শন চর্চা ও অনুশীলন জীবনকে করে সুশৃঙ্খল, ব্যক্তিকে করে সত্যানুসন্ধানী এবং সমাজ ও রাষ্ট্রকে করে সুসংহত। ঝর্ণার কাছে দর্শনের গুরুত্ব সম্পর্কে জানার পর সীমা দুর্শন পাঠে আগ্রহী হয়ে ওঠে। কিন্তু সে দর্শন পাঠ করতে গিয়ে দেখল, এটি খুবই কঠিন এবং দুর্বোধ্য। তখন ঝর্ণা সীমাকে বলল, দর্শন বুঝতে হলে অবশ্যই যুক্তিবিদ্যার জ্ঞান থাকতে হবে। কেননা, যুক্তিবিদ্যা হলো দর্শনের ভিত্তি।

Updated: 1 year ago
উত্তরঃ

ফলিত নৌ-বিদ্যার উদ্ভব হয়েছে জ্যোতির্বিজ্ঞানের উপর ভিত্তি করে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
উত্তরঃ

দর্শনের ইংরেজি শব্দ হলো 'Philosophy'। 'Philosophy' শব্দটি গ্রিক শব্দ 'Philos' এবং 'Sophia' থেকে উদ্ভব হয়েছে। যেখানে 'Philos' এবং Sophia' শব্দের অর্থ যথাক্রমে 'অনুরাগ' এবং 'জ্ঞান'। তাই বুৎপত্তিগত দিক থেকে দর্শন অর্থ হলো জ্ঞানের প্রতি অনুরাগ বা ভালোবাসা।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
উত্তরঃ

উদ্দীপকে সীমা তার বড় বোন দর্শনের স্নাতক পড়ুয়া ঝর্ণার কাছে দর্শনশাস্ত্র সম্পর্কে জানতে চাইলে ঝর্ণা তাকে বলল, দর্শন আমাদের জীবনের অর্থ, স্বরূপ, পরিণতি ও মূল্য নির্ধারণ করে। দর্শন চর্চা ও অনুশীলন জীবনকে করে সুশৃঙ্খল, ব্যক্তিকে করে সত্যানুসন্ধানী এবং সমাজ ও রাষ্ট্রকে করে সুসংহত। সমগ্র বিশ্বজগৎ এবং জীবন সম্পর্কে একটি সুসংবদ্ধ ও যৌক্তিক, বাস্তবসম্মত প্রায়োগিক ও ব্যবহারিক অভিজ্ঞতাপ্রসূত যুগোপযোগী জ্ঞান প্রদান করাই হলো দর্শনের মূল লক্ষ্য। বস্তুত দর্শন আমাদের জীবনের স্বরূপ, পরিণতি ও মূল্য নির্ধারণ করে। দর্শন চর্চা ও অনুশীলন জীবনকে সুশৃঙ্খল করে, ব্যক্তিকে সত্যানুসন্ধানী ও আগ্রহী করে এবং সমাজ ও রাষ্ট্রকে সুসংহত ও সুসামঞ্জস্যপূর্ণ করে। জীবন ও জগৎকে সমৃদ্ধ ও প্রগতিশীল করার ক্ষেত্রে দর্শনের ভূমিকা অনন্য। দর্শন চর্চা সামাজিক ও রাষ্ট্রীয় অস্থিরতা, সন্ত্রাস, নৈরাজ্যকে দূর করে পৃথিবীকে শান্তিময় ও বাসযোগ্য করে তোলে। বুদ্ধিবৃত্তিক চর্চার ক্ষেত্রে দর্শন অনুশীলন এবং দর্শনের যৌক্তিক মূল্যায়নকে স্বীকার্য সত্য হিসেবে গ্রহণ করার বিকল্প কোনো মাধ্যম নেই। কাজেই বলা যায়, দর্শন পাঠের গুরুত্ব অনস্বীকার্য।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
উত্তরঃ

যুক্তিবিদ্যা হলো দর্শনের ভিত্তি'- ঝর্ণার এ কথার সাথে আমি একমত। কেননা দর্শনের পরিসর অত্যন্ত ব্যাপক। জীবনের এমন কোনো দিক নেই যা দর্শন আলোচনা করে না। দর্শন হলো ভাষার যৌক্তিক বিশ্লেষণ এবং জীবন ও জগতের সামগ্রিক মূল্যায়ন। এজন্য বলা হয়, সমগ্র বিশ্বজগতে এমন কোনো বিষয় নেই, মানব অভিজ্ঞতার এমন কোনো দিক নেই যা দর্শনের আলোচনার অন্তর্ভুক্ত নয়। দর্শন হলো একটি সামগ্রিক বিষয় এবং যুক্তিবিদ্যা হলো দর্শনের একটি অপরিহার্য শাখা। কেননা যুক্তির আলোকেই দর্শন তার আলোচ্য বিষয়বস্তুকে বিশ্লেষণ ও মূল্যায়ন করে। জ্ঞান-বিজ্ঞানের যেকোনো বিষয় দর্শনের মর্যাদা পেতে হলে তা যৌক্তিক ভিত্তিসম্পন্ন হতে হয়। যুক্তিবিদ্যা যেমন একদিকে দর্শনের শাখা, তেমনি আবার দর্শনের অপরিহার্য ভিত্তি। যুক্তিবিদ্যা যুক্তিপদ্ধতির যে নিয়মাবলি নির্দেশ করে দর্শনকে তা মেনে চলতে হয় এবং সত্তার স্বরূপ ও অস্তিত্ব সম্পর্কে, দর্শন যে যুক্তি প্রদর্শন করে সেগুলোকে অবশ্যই যৌক্তিক নিয়মাবলির সাথে সঙ্গতিপূর্ণ হতে হয়। এদিক থেকে দর্শন যুক্তিবিদ্যার উপর নির্ভরশীল। যুক্তিবিদ্যার নিয়মাবলি ছাড়া দার্শনিক বিশ্লেষণ সম্ভব নয়। যুক্তিবিদ্যার যৌক্তিক পথ প্রদর্শন দর্শনের জন্য অতি মূল্যবান ও গুরুত্বপূর্ণ সহায়তা। এজন্য যুক্তিবিদ্যাকে 'দর্শনের ভিত্তি' বলা হয়।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
164

Related Question

View All
উত্তরঃ

ভাষায় প্রকাশিত চিন্তা সম্পর্কিত বিজ্ঞানকে 'যুক্তিবিদ্যা' বলে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
392
উত্তরঃ

দর্শন হলো জ্ঞানের প্রতি অনুরাগ বা ভালোবাসা। জগৎ, জীবন সম্পর্কে সার্বিক আলোচনাই হলো দর্শন। দর্শন শুধু ইন্দ্রিয়গ্রাহ্য জগতের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়। এটি অতীন্দ্রিয় জগৎ, সত্তা, যেমন- প্রাণ, স্রষ্টা, আত্মা ইত্যাদি নিয়ে আলোচনা করে থাকে। বিশ্ব জগতে এমন কোনো বিষয় নেই যা দর্শনের আলোচ্য বিষয় নয়।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
592
উত্তরঃ

উদ্দীপকে রিপন সাহেবের কর্মকাণ্ডে যুক্তিবিদ্যার বিষয়টি পরিলক্ষিত হয়। যুক্তিবিদ্যা হলো চিন্তা সম্পর্কিত বিজ্ঞান, যার মাধ্যমে অবৈধ যুক্তি থেকে বৈধ যুক্তি পৃথক করা যায়। যুক্তির সত্যতা বা বৈধতা যাচাই করার জন্য যুক্তিবিদ্যা নিয়ম প্রণয়ন করে। সত্যের আদর্শকে সামনে রেখেই যুক্তিবিদ্যা কতকগুলো সাধারণ নিয়ম প্রণয়ন করে।

উদ্দীপকের বর্ণনা অনুযায়ী এবং যুক্তিবিদ্যার সংজ্ঞা অনুযায়ী বলা যায় যে, রিপেরে কর্মকাণ্ডের সাথে যুক্তিবিদ্যার মিল রয়েছে। যুক্তিবিদ্যা যেমন বৈধ-অবৈধ যুক্তি পৃথক করে; তেমনি রিপন কোন কাজ দরকারী, কোনটি পরিহার্য তা পৃথক করতে পারে। বৈধ-অবৈধ যুক্তির পার্থক্য করার জন্য নির্দিষ্ট নিয়ম আছে। রিপন সাহেব জানে যে ভালো বক্তৃতা দিতে কীভাবে দোষ-ত্রুটি, পরিহার করতে হয় তার নিয়ম-কানুন। সুতরাং আমরা বলতে পারি যে, উদ্দীপকে রিপনের কর্মকাণ্ডে ভালো বক্তব্য দেওয়ার কৌশলের কথা বলা হয়েছে এবং বক্তব্যের বিভিন্ন দোষ-ত্রুটি শনাক্ত করার পদ্ধতি সম্পর্কে অবগত যা যুক্তিবিদ্যার সাথে মিলে যায়।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
354
উত্তরঃ

উদ্দীপকে রিপন, স্বপনের মধ্যে যে ধরনের পার্থক্য আছে তা হলো নীতিবিদ্যা ও যুক্তিবিদ্যার মধ্যে পার্থক্যের মতো।

যুক্তিবিদ্যা হলো ভাষায় প্রকাশিত চিন্তা সম্পর্কিত বিজ্ঞান। চিন্তার নিয়মাবলি নির্ণয় করে। যুক্তির বৈধতা-অবৈধতা বিচার করে। যুক্তির সত্যতা বা বৈধতা নির্দেশের নিয়মাবলি প্রণয়ন করে। শুধু প্রণয়ন করে না, এর দ্বারা সঠিক সিদ্ধান্তে পৌঁছে জ্ঞান অর্জন করার জন্য নির্দেশ প্রদান করে।

নীতিবিদ্যা হলো আদর্শ নিষ্ঠ বিজ্ঞান। সমাজে বসবাসকারী মানুষের আচরণের ভালো-মন্দ, ন্যায়-অন্যায়, উচিত-অনুচিত বিষয়গুলো নিয়ে আলোচনা করে। এখন আমরা বলতে পারি যে, উদ্দীপকে রিপন সাহেবের কার্যকলাপের সাথে যুক্তিবিদ্যার বিষয়গত মিল রয়েছে; স্বপন সাহেবের সাথে নীতিবিদ্যার কার্যাদির মিল পাওয়া যায়।

রিপন সাহেব বুঝতে পারে কোন কাজ দরকারি, কোন কাজটি পরিহারি; স্বপন তার কর্মকাণ্ডে সব সময় সৎ থাকার চেষ্টা করেছেন। রিপন ভালো বক্তব্য দেওয়ার কৌশল সম্পর্কে অবগত এবং বক্তৃতা করার সময় দূষণীয় বিষয়গুলো কীভাবে পরিহার করতে হয় তার কৌশল সম্পর্কে জানেন। যেমনভাবে যুক্তিবিদ্যায় বৈধ-অবৈধ যুক্তির মধ্যে পার্থক্যের কৌশল বর্ণিত আছে। অপর দিকে স্বপন পেশাগত দায়িত্ব নিষ্ঠার সাথে পালন করেন ও সৎ জীবনযাপন করেন যা নীতিবিদ্যার সাথে সম্পৃক্ত।. সুতরাং আমরা বলতে পারি যে, রিপনের কর্মকান্ডে যুক্তিবিদ্যার ছাপ পরিলক্ষিত হয় আর স্বপনের কর্মকাণ্ডে নীতিবিদ্যার ছাপ পরিলক্ষিত হচ্ছে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
356
উত্তরঃ

শিক্ষা হলো এমন বিষয় যার দ্বারা অভ্যাস, মনোভাব, ও দক্ষতার বিকাশ হয় এবং যা মানুষকে সফল জীবনযাপনে সহায়তা করে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
402
উত্তরঃ

জীবন ও জগৎ সম্পর্কে সার্বিক আলোচনা করে থাকে দর্শন। জগৎ ও জীবন সম্পর্কে একটি বাস্তব, সুসংবদ্ধ ও যৌক্তিক, প্রায়োগিক ও যুগোপযোগী জ্ঞান প্রদান করাই হলো দর্শনের মূল উদ্দেশ্য ও লক্ষ্য। এটি জগৎ ও জীবন সম্পর্কে বিচার-বিশ্লেষণ করে থাকে। নন্দনতত্ত্ব, নীতিবিদ্যা, গণিত, শিক্ষা, জগতের উৎপত্তি-ক্রমবিকাশসহ এমন কোনো দিক নাই যা দর্শন আলোচনা করে না। আর এ কারণে দর্শন জীবন ও জগতের সাথে সম্পৃক্ত।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
727
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র
মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews