মানুষ অভ্যাসের দাস। তবে অভ্যাস একবার খারাপ হয়ে গেলে তা সংশোধন করতে সময় লাগে। এজন্য খারাপ অভ্যাস যাতে গড়ে না ওঠে, সেদিকে সতর্ক থাকতে হবে। সুঅভ্যাস গঠনের জন্য নিচের বিষয়গুলো অনুসরণ করা যেতে পারে-
১. অধিক রাত পর্যন্ত জেগে না থাকা। ২. সূর্য উঠার পরও ঘুমিয়ে না থাকা। ৩. নির্দিষ্ট সময়ে পরিমিত স্বাস্থ্যসম্মত খাবার খাওয়া। ৪. যেখানে-সেখানে মলমূত্র ত্যাগ না করা। ৫. অযথা সময় নষ্ট না করা।
Related Question
View Allদৈহিক ও মানসিক স্বাস্থ্য বজায় রাখা এবং আনন্দ লাভের জন্য নিয়মিতভাবে অঙ্গ চালনা করার নামই ব্যায়াম। এর ফলে শক্তি ও সহিষ্ণুতা বাড়ে, হূৎপিণ্ড দৃঢ় হয়, হজমশক্তি ও রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি পায়। শরীরের শক্তি ও সামর্থ্য অনুযায়ী ব্যায়ামের বিষয় নির্বাচন করতে হয়। পরিমিত ব্যায়াম সুস্বাস্থ্যের সহায়ক। এর দ্বারা দেহের অস্থি, মাংসপেশি ও অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গের সুষম বৃদ্ধি ঘটে। তাই স্বাস্থ্যসম্মত জীবনযাপনের জন্য ব্যায়ামের গুরুত্ব অপরিসীম।
কোনো উঁচু স্থানে দুটি রশির সাথে লোহার রিং ঝুলানো হলে তাকে রোমান রিং বলে। গাছের ডালের সাথে বেঁধে অথবা বাঁশ দিয়ে আড়া বানিয়ে সেখানেও রোমান রিং ব্যায়াম করা যায়। এর সাহায্যে বিভিন্ন কায়দায় ব্যায়াম করা যায়। নিচে এগুলো উল্লেখ করা হলো-
১. দুই হাত দিয়ে সুইং করে দোল খাওয়া যায়।
২. রিং ধরে দুই পা সামনে একত্র করে পায়ের 'এল পজিসন' করা যায়।
৩. রিং ধরে হাতের ওপর ভর করে মাথা নিচের দিকে এনে 'হ্যান্ড স্ট্যান্ড' করা যায়।
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!
