সুদত্ত শ্রেষ্ঠী উত্তরাধিকার সূত্রে পিতার বিশাল ধনসম্পদের অধিকারী হন। সুদত্ত শ্রেষ্ঠী অত্যন্ত দানশীল ছিলেন।
গরিব ও দুখীদের সুদত্ত মুক্ত হস্তে দান করতেন। কোনো অসহায় মানুষ তাঁর বাড়ি থেকে শূন্য হাতে ফিরে যেত না। বিশেষত তিনি অনাথদের পিন্ড দান করতেন। পিণ্ড হলো আহার বা খাদ্যদ্রব্য। অনাথদের অকাতরে পিন্ড দান করতেন বলেই সবার কাছে তিনি অনাথপিণ্ডিক নামে পরিচিত।
Related Question
View Allথের মহাকশ্যপ ছিলেন বুদ্ধের প্রথম মহাশ্রাবক। বহু জন্মের পুণ্যফলে তিনি একবার ব্রহ্মলোকে জন্মগ্রহণ করেন। তাঁর গৃহী নাম ছিল পিপ্পলী মানব। তাঁর স্ত্রীর নাম ছিল কপিলানি।
ব্রহ্মলোক থেকে যাঁরা পৃথিবীতে জন্ম নেন সংসার ধর্মে তাঁদের আসক্তি থাকে না। পিপ্পলী মানব গৃহত্যাগের সংকল্প তাঁর স্ত্রীকে জানালে ভদ্রা কপিলানিও গৃহত্যাগের সংকল্প করেন। তাঁরা উভয়েই বুদ্ধের উদ্দেশ্যে গৃহত্যাগ করেন।
উৎপলবর্ণা শ্রাবস্তীর এক শ্রেষ্ঠী পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। সে ছিল অপরূপ সুন্দরী এবং বিভিন্ন দেশ থেকে রাজা, মহারাজা ও শ্রেষ্ঠীগণ তাঁর পিতার নিকট বিয়ের প্রস্তাব পাঠায়।
এক রাজার সাথে মেয়েকে বিয়ে দিলে অন্য রাজা অসন্তুষ্ট ও ক্রুদ্ধ হবেন। ফলে রাজায় রাজায় যুদ্ধ হবে এবং অনেক মানুষের মৃত্যু হবে। এ বিপদ থেকে উদ্ধার হওয়ার জন্য উৎপলবর্ণা প্রব্রজ্যা গ্রহণ করলেন। 'তিনি ধ্যান সাধনায় আত্মনিয়োগ করে সাধনার বলে পূর্বজন্মের স্মৃতি, পরচিত্ত জ্ঞান, দিব্যজ্ঞান ও ঋদ্ধিশক্তি লাভ করে। অবশেষে অর্হত্ব ফল লাভ করেন। বুদ্ধ জেতবনে সংঘ সম্মেলনের কর্মের স্বীকৃতিস্বরূপ উৎপলবর্ণাকে ঋদ্ধিশক্তিতে সর্বশ্রেষ্ঠার আসন দান করেন।
আম্রপালির জীবনী হতে আমরা দেখতে পাই, কর্মের প্রায়শ্চিত্ত সকলকেই ভোগ করতে হয়। কর্মের ফল ভোগ থেকে কেউ রেহাই পায় না। ভালো কাজের সুফল যেমন আছে, তেমনি খারাপ কাজের শাস্তিও রয়েছে। তাই মানুষকে সবসময় ক্রোধ নিয়ন্ত্রণ করতে হয়। কাউকে কটু কথা বলা উচিত নয়। কর্মের পরিণাম চিন্তা করে সবার অকুশল কর্ম হতে বিরত থাকা উচিত।
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!