সুনীল ধর তার সহকর্মীদের নিয়ে বান্দরবানে গিয়েছিলেন। নৌকাতে বসে মুগ্ধ হয়ে দেখেছিলেন প্রকৃতি ও পরিবেশের বিস্ময়কর সমন্বয়। এ সমন্বয় তো আর এমনি ঘটেনি। এর মূলে রয়েছে কোনো এক শক্তি। তিনি হলেন ঈশ্বর। ঈশ্বর প্রকৃতির অপরূপ সম্মিলন ও সমন্বয় ঘটিয়েছেন।

Updated: 11 months ago
উত্তরঃ

হিন্দুধর্মের অপর নাম হচ্ছে সনাতন ধর্ম।

উত্তরঃ

নিজের আনন্দ ও তাঁর সৃষ্টির বৈচিত্র্যময় কল্যাণ বা ধ্বংসের জন্য ঈশ্বর সবকিছু করতে পারেন। ঈশ্বরের এই বৈচিত্র্যময় কর্মকেই তাঁর লীলা বলা হয়। মহাবিশ্বের আকাশ, বাতাস বিচিত্র সব জীবজন্তু সৃষ্টি করে ঈশ্বর তাঁর লীলার প্রকাশ ঘটিয়েছেন।

উত্তরঃ

সুনীল ধর প্রকৃতির মাঝে ঈশ্বরের অস্তিত্ব মানে তাঁর শক্তির প্রকাশ দেখে মুগ্ধ হয়েছেন। এই মহাবিশ্বের সবকিছুতে সৌন্দর্য ও বৈচিত্র্য ছড়িয়ে রয়েছে। নীল আকাশ, সুউচ্চ পাহাড়, সাগর, নদ-নদী, সুবিস্তৃত বন, গাছ-গাছালি, নানা রঙের ফুল-ফল, সুমধুর সুর এ সবই ঈশ্বরের সৃষ্টি। ঈশ্বর তাঁর লীলা প্রকাশের জন্য এগুলো সৃষ্টি করেছেন। এজন্য পৃথিবীর সবকিছুরই সুন্দরভাবে পরিচালিত হচ্ছে।

উদ্দীপকের সুনীল ধর প্রকৃতির যে অপরূপ সৌন্দর্য দেখে মুগ্ধ হয়েছেন তা ঈশ্বরেরই অপরূপ সৃষ্টি। অপরূপ সুন্দর সাজে এ প্রকৃতি তিনি সাজিয়েছেন বলে এ প্রকৃতি এত সুন্দর। ঈশ্বর প্রকৃতির প্রতিটি উপাদানের মধ্যে ঐক্য, শৃঙ্খলা ও গভীর সম্পর্ক প্রতিষ্ঠিত করেছেন, যা প্রতিটি মানুষের মধ্যে বিস্ময় সৃষ্টি করে। প্রকৃতির এ বিস্ময়কর রূপ দেখেই সুনীল ধর মুগ্ধ হয়েছেন।

উত্তরঃ

প্রকৃতির অপরূপ সম্মিলন ও সমন্বয় ঘটিয়েছেন ঈশ্বর। প্র ঈশ্বর। প্রশ্নোক্ত এ উক্তিটি যথার্থ ও সঠিক।

পৃথিবীর 'প্রাকৃতিক পরিবেশে অনেক সৌন্দর্য ছড়িয়ে রয়েছে। রয়েছে নদী, গাছপালা আরও কত রকমের বিচিত্র প্রাণী। পৃথিবীর উপরে রয়েছে সুনীল আকাশ। এগুলো সবই মহান ঈশ্বর সৃষ্টি করেছেন। এই সৌন্দর্য তার সুনিপুণ লীলার প্রকাশ।

উদ্দীপকের সুনীল ধর প্রকৃতির নানা সৃষ্টি এবং সৌন্দর্য দেখে মুগ্ধ হয়ে কৃতজ্ঞচিত্তে প্রকাশ করেছেন ঈশ্বরের ক্ষমতা। ঈশ্বরের নিয়ন্ত্রণ না থাকলে এত সুনিপুণভাবে এ পৃথিবী পরিচালিত হতো না। ঈশ্বর প্রকৃতি ও পরিবেশের নানা উপাদান, যেমন- বনজঙ্গল, পাহাড়-পর্বত, নদীনালা, জীবজন্তু প্রভৃতির মধ্যে সমন্বয় না করলে সবকিছু বিশৃঙ্খল হয়ে ধ্বংস হয়ে যেত। ঈশ্বর নিয়ন্ত্রণ করছেন বলেই এগুলো এত সুন্দরভাবে পরিচালিত হচ্ছে। তাই আমরা সব সময় প্রকৃতির মাঝে সৌন্দর্যের সমন্বয় দেখতে পাচ্ছি।
সুতরাং, এ কথা আমরা নিঃসন্দেহে বলতে পারি, ঈশ্বরই অপরূপ সম্মিলন ও সমন্বয় ঘটিয়েছেন।
প্রকৃতির

173

কোনো কিছু সৃষ্টির জন্য একজন স্রষ্টার প্রয়োজন হয়। স্রষ্টা ছাড়া কোনো কিছুর সৃষ্টি হয় না। এ মহাবিশ্ব ও মহাবিশ্বের সবকিছু অর্থাৎ মানুষ, গাছপালা, জীবজন্তু, চন্দ্র, সূর্য, গ্রহ, তারা, আকাশ-বাতাস প্রভৃতি এক-একটি সৃষ্টি। এ সকল সৃষ্টির একজন স্রষ্টা রয়েছেন। আমরা তাঁকে দেখতে পাই না কিন্তু তাঁর অস্তিত্ব অনুভব করি। আমরা তাঁকে ঈশ্বর নামে ডাকি। তাঁর অনেক নাম- ব্রহ্ম, পরমেশ্বর, পরমাত্মা, ভগবান, আত্মা ইত্যাদি। তিনি প্রতিটি জীবের মধ্যে আত্মারূপে বিরাজ করেন। তাই আমরা জীবের সেবা করব। জীবসেবাই আমাদের পরম ধর্ম। জীবসেবার মাধ্যমেই আমরা ঈশ্বরের অস্তিত্ব উপলব্ধি করতে পারি। এ অধ্যায়ে স্রষ্টা ও সৃষ্টির ধারণা, স্রষ্টা ও সৃষ্টির সম্পর্ক, সকল জীবের মধ্যে স্রষ্টা বা ঈশ্বরের অস্তিত্ব এবং ঈশ্বর সম্পর্কিত একটি সংস্কৃত মন্ত্র বা শ্লোক বাংলা অর্থসহ ব্যাখ্যা করা হয়েছে।

এ অধ্যায় শেষে আমরা-

  • স্রষ্টা ও সৃষ্টির ধারণা এবং তাদের মধ্যকার সম্পর্ক ব্যাখ্যা করতে পারব
  • সকল জীবের মধ্যে স্রষ্টা বা ঈশ্বরের অস্তিত্ব ব্যাখ্যা করতে পারব
  • ঈশ্বর সম্পর্কিত একটি সহজ সংস্কৃত মন্ত্র বা শ্লোক সহজ অর্থসহ বলতে পারব এবং ব্যাখ্যা করতে পারব
  • সৃষ্টির মধ্যে স্রষ্টার অস্তিত্ব উপলব্ধি করে জীবসেবায় উদ্বুদ্ধ হতে পারবো।

Related Question

View All
উত্তরঃ

জীবাত্মা হচ্ছে পরমাত্মার অংশ। সৃষ্টিকর্তা ঈশ্বর হচ্ছেন পরমাত্মা। এ ঈশ্বর যখন জীবের হৃদয়ে আত্মারূপে অবস্থান করেন তখন তাকে বলে জীবাত্মা। অতিক্ষুদ্র কীটপতঙ্গ থেকে শুরু করে 'সকল জীবের মধ্যে তিনি জীবাত্মারূপে অবস্থান করেন। দেহকে কেন্দ্র করে আত্মার আগমন ঘটে। দেহ ছাড়া আত্মা কখনও প্রকাশিত হয় না। তেমনি আত্মা ছাড়াও জীব হিসেবে পূর্ণতা পায় না। জীবের সকল বৈশিষ্ট্য ও বৈচিত্র্যতার মাঝে ঈশ্বরেরই রূপবৈচিত্র্য প্রতিফলিত হয়। জীবের মাঝে ঈশ্বর তথা পরমাত্মা অবস্থান করে। তাই জীবাত্মাকে পরমাত্মার অংশ বলা হয়।

478
উত্তরঃ

উদ্দীপকের বর্ণনার আলোকে বলা যায়, সজীব তার জীবন পরিচালনার ক্ষেত্রে এক গভীর অন্ধবিশ্বাসের পথকে বেছে নিয়েছে। সে বিশ্বাস হচ্ছে সৃষ্টিকর্তা ঈশ্বরের বিশ্বাস। সজীব সবকিছুই ঈশ্বরের সৃষ্টি এবং ঈশ্বর সবকিছু পরিচালনা করছেন মনে করে। অন্যদিকে তুষারের দৃষ্টিভঙ্গি হচ্ছে বিজ্ঞানভিত্তিক। সে যা সৃষ্টি করতে পারে তাই বিশ্বাস করে। তার ভিতর অন্যবিশ্বাস নেই। সে ঈশ্বরকে বিশ্বাস করতে পারে না। তাই সজীব ও তুষারের মধ্যে মূল পার্থক্য হচ্ছে গভীর বিশ্বাসের ক্ষেত্রে।

419
উত্তরঃ

সজীব বইপুস্তক ও বিভিন্ন ধর্মগ্রন্থ পড়ে জানতে পেরেছে যে, এ বিশাল পৃথিবী ও পৃথিবীর সবকিছু ঈশ্বরের সৃষ্টি। তাছাড়া সজীব যখন এ পৃথিবীর মানুষ, গাছপালা, জীবজন্তু, চন্দ্র, সূর্য, গ্রহ, তারা, আকাশ, বাতাস সবকিছু একটি নির্দিষ্ট নিয়মে চলতে দেখে এবং ঋতু পরিবর্তনের ক্ষেত্রেও দেখে শীতের পর বসন্ত আসে, মানুষের ক্ষেত্রেও দেখে কেউ কালো, কেউ ফর্সা, কেউ বেঁটে এবং কেউ লম্বা। তখন তার মনে এক গভীর বিশ্বাসবোধের জন্ম হয়। এ গভীর বিশ্বাসবোধ থেকেই সে সবসময় মনে করে এ সবকিছুর একজন সৃষ্টিকর্তা আছেন যিনি অত্যন্ত সুন্দরভাবে এগুলো সৃষ্টি করেছেন। তিনিই হচ্ছেন ঈশ্বর।

182
উত্তরঃ

আমাদের এ বিশাল পৃথিবী ও সকল জীবের সৃষ্টিকর্তা হচ্ছেন ঈশ্বর।

225
উত্তরঃ

সংস্কৃত মন্ত্র:

নমস্তে পরমং ব্রহ্ম

সর্বশক্তিমতে নমঃ।

নিরাকারোহপি সাকার:

স্বেচ্ছারূপং নমো নমঃ। (যজুর্বেদ, শান্তি পাঠ)

সরল অর্থ: যিনি পরম ব্রহ্ম, যিনি সর্বশক্তিমান, নিরাকার সাকার, ইচ্ছামতো রূপধারী, তাঁকে নমষ্কার করি।

196
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র
মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews