বাংলাদেশের দক্ষিণ-পশ্চিমে বঙ্গোপসাগরের তীরে সুন্দরবন অবস্থিত। ইউনেস্কো ১৯৯৭ সালে সুন্দরবনকে বিশ্বের একটি অন্যতম ঐতিহ্য বলে স্বীকৃতি দিয়েছে।
সুন্দরবন সম্পর্কে কয়েকটি বাক্য হলো-
১. সুন্দরবনের নাম সুন্দরি গাছের নাম অনুসারে করা হয়েছে।
২. এ বন দেশের উপকূলীয় অঞ্চলকে ঝড় ও জলোচ্ছ্বাস থেকে রক্ষা করে।
৩. এটি পৃথিবীর বৃহত্তম ম্যানগ্রোভ বন।
৪. সুন্দরবন পৃথিবীর একটি অন্যতম ঐতিহ্য বলে স্বীকৃত।
৫. এ বনে বাস করে পৃথিবী বিখ্যাত রয়েল বেঙ্গল টাইগার।
৬. এ বনে আছে চিত্রা হরিণ, বন্যশূকর, সজারুসহ আরও অনেক রকম পশুপাখি।
Related Question
View Allভূপ্রকতি হচ্ছে কোনো দেশের ভূমির গঠন ও অবস্থা, বিশেষ করে সে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলের ভূমির উচ্চতার তারতম্য। আমাদের দেশের দক্ষিণ-পূর্ব ও উত্তর-পূর্বদিকে কিছু পাহাড় আছে। দক্ষিণ-পূর্বদিকের পাহাড়গুলো রাঙামাটি, খাগড়াছড়ি, বান্দরবান ও চট্টগ্রাম জেলায় অবস্থিত। বাংলাদেশের সবচেয়ে উঁচু পাহাড়ের নাম তাজিনডং। এর উচ্চতা প্রায় ১২৮০ মিটার। তৃতীয় উঁচু পাহাড়ের নাম কেওক্রাডং। এর উচ্চতা ৯৮৬ মিটার। এই দুইটি পাহাড় বান্দরবান জেলায় অবস্থিত। এই পাহাড়ি এলাকায় রুনুভূমি আছে। এই বনভূমি বাংলাদেশের গুরুত্বপূর্ণ সম্পদ।
বাংলাদেশে ছয়টি ঋতু। বাংলাদেশের জলবায়ুকে প্রধানত তিনটি ভাগে ভাগ করা যায়। নিচে প্রতিটি ভাগ সম্পর্কে সংক্ষেপে লেখা হলো-
গ্রীষ্মকালঃ মার্চ থেকে মে মাস পর্যন্ত গ্রীষ্মকাল। এ সময় তাপমাত্রা ৩৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস পর্যন্ত হয়। বছরের সবচেয়ে উষ্ণ মাস এপ্রিল। এপ্রিল বা মে মাসে 'কালবৈশাখী' ঝড় হয়।
বর্ষাকালঃ জুন থেকে অক্টোবর মাস পর্যন্ত বর্ষাকাল। এ সময় প্রচুর বৃষ্টিপাত হয়। এই ঋতুতে দেশে গড়ে ২০৩ সেন্টিমিটার বৃষ্টিপাত হয়।
শীতকালঃ নভেম্বর থেকে ফেব্রুয়ারি মাস পর্যন্ত বাংলাদেশে শীতকাল। দেশের উত্তর অঞ্চলে বেশি শীত পড়ে এবং এ সময় গড়ে তাপমাত্রা থাকে ১৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস।
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!