সুন্দর সকাল। কূজনে মুখরিত চারপাশ। আকাশটা যেন আজ ধূপছায়া শাড়িতে নিজেকে জড়িয়েছে। এমনি মনোরম নৈসর্গিক নান্দনিকতা ভেদ করে চিৎকার করে উঠল ভিনদেশি যন্ত্রদানব। ছুটল গুলি। ঝরল রক্ত! বিনিময়ে বায়ান্নতে আমরা পেলাম কথা বলবার অধিকার। চুয়ান্ন, ছেষট্টি, উনসত্তর পেরিয়ে একাত্তরে আমরা পেলাম লাল-সবুজের পতাকা, পবিত্র মানচিত্র আর প্রিয় স্বদেশ।

Updated: 4 months ago
উত্তরঃ

শহরের পথে কৃষ্ণচূড়া ফুল ফুটেছে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
4 months ago
উত্তরঃ

'অবিনাশী বর্ণমালা' বলতে কবি আমাদের রাষ্ট্রভাষার স্মারকচিহ্নের অমরত্বকে বুঝিয়েছেন।
বর্ণমালা ভাষার স্মারকচিহ্ন। আর রাষ্ট্রভাষা বাংলা ও বাংলার বর্ণমালা আমাদের অবিস্মরণীয় এক অর্জন। সে কারণে এই চিহ্ন কোনোভাবেই মুছে যাবে না। যুগ যুগ ধরে আমাদের চেতনার মধ্যে এ চিহ্ন বেঁচে থাকবে। এ কারণে কবি বর্ণমালার এই চিহ্নকে অবিনাশী বলেছেন।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
4 months ago
উত্তরঃ

উদ্দীপকে ঘাতকের নির্মমতা, জনগণের আত্মবিসর্জন এবং পরিশেষে অধিকার অর্জনের বিষয়গুলো 'ফেব্রুয়ারি ১৯৬৯' কবিতার সঙ্গে সাদৃশ্যপূর্ণ। 'ফেব্রুয়ারি ১৯৬৯' কবিতায় দেখা যায়, ১৯৬৯ সালের গণ-আন্দোলনের চিত্র। এই গণ অভ্যুত্থানে বাঙালি জাতি অধিকার আদায়ের লক্ষ্যে অসীম সাহস নিয়ে রাজপথে নেমেছিল। মিছিলের স্লোগানে রাজপথ প্রকম্পিত হয়েছিল। ঘাতকের নির্মম অস্ত্র প্রতিশোধপরায়ণ হয়ে উঠেছিল। ঘাতকের বুলেটের সামনে তাই ছিন্নভিন্ন হয়েছিল আন্দোলনকারীদের শরীর, নিহত হয়েছিল অনেকেই। কিন্তু এই মৃত্যু আন্দোলনকে দমাতে পারেনি বরং আন্দোলন দ্বিগুণ তেজে বলীয়ান হয়ে সর্বত্র ছড়িয়ে গিয়ে সাফল্য অর্জন নিশ্চিত হয়েছিল।
উদ্দীপকে ১৯৫২ সালের আন্দোলনের চিত্র দেখা যায়। মিছিলে মুখরিত রাজপথে বাংলাকে রাষ্ট্রভাষা করার দাবিতে নেমেছিল বাংলার জনসাধারণ। কিন্তু অত্যাচারী শাসকের যন্ত্রদানবের হাত থেকে রেহাই পায়নি তারা। জালিম শাসকের বন্দুকের গুলিতে ঝাঁজরা হয়ে গিয়েছিল নিরীহ নিরস্ত্র মানুষের বুক। ফলে আন্দোলন আরও বেগবান হয় এবং সর্বত্র ছড়িয়ে পড়ে আন্দোলনের গতি। শাসক শ্রেণি বাঙালিদের দাবি মেনে নিতে বাধ্য হয়। একই চিত্র দেখা যায় '৫৪, '৬৬, '৬৯ এমনকি '৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধে। তাই দেখা যায়, 'ফেব্রুয়ারি ১৯৬৯' কবিতার ঘাতকের বর্বরতা, সাধারণ মানুষের আত্মোৎসর্গ এবং পরিশেষে চূড়ান্ত সাফল্য অর্জনের বিষয়গুলো উদ্দীপকে প্রতিফলিত হয়েছে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
4 months ago
উত্তরঃ

উদ্দীপকে 'ফেব্রুয়ারি ১৯৬৯' কবিতার পূর্ণ অনুরণন ঘটেনি।"- কথাটি যথার্থ।
'ফেব্রুয়ারি ১৯৬৯' কবিতায় একুশে ফেব্রুয়ারির স্মৃতিচারণ করা হয়েছে ১৯৬৯ সালের গণ অভ্যুত্থানের চিত্রকে সামনে রেখে। দুই আন্দোলনের মধ্যকার মিল চমৎকারভাবে উপস্থাপিত হয়েছে কবিতায়। গণমানুষের আন্দোলন-মিছিল-সমাবেশ-স্লোগান ছড়িয়ে গিয়েছে দেশের সর্বত্র। আন্দোলন স্থিমিত করে দেওয়ার জন্য শাসক অবলীলায় গুলি করে হত্যা করেছে সাধারণ নিরস্ত্র মানুষকে। কিন্তু সাধারণ মানুষ এতে দমে না গিয়ে তাদের আন্দোলন আরও বেগবান করেছে, শোককে শক্তিতে পরিণত করেছে।

উদ্দীপকে কোনো স্মৃতিচারণ না করেই ঐতিহাসিক ঘটনার বর্ণনা দেওয়া হয়েছে। বায়ান্ন, চুয়ান্ন, ছেষট্টি, উনসত্তর এমনকি একাত্তর সালেও বাঙালিদের আত্মত্যাগ এবং এর ফলে রাষ্ট্রভাষা বাংলা কিংবা স্বাধীনতা অর্জনের বিষয়টি ফুটে উঠেছে প্রাসঙ্গিকভাবেই। আন্দোলনকারী মানুষের প্রতি শাসকের নির্মম অত্যাচার ও হত্যার বিবরণও সংক্ষিপ্তভাবে ফুটে উঠেছে।
উপর্যুক্ত আলোচনার পরিপ্রেক্ষিতে দেখা যায়, উভয়ক্ষেত্রেই অন্যায়ের বিরুদ্ধে বাঙালির প্রতিরোধের চিত্র ফুটে উঠেছে। কিন্তু উদ্দীপকে আলোচ্য কবিতায় বায়ান্নর ভাষা আন্দোলন থেকে প্রাপ্ত জাতীয়তাবাদী চেতনার দিকটি ফুটে ওঠেনি, পূর্বোক্ত ঐতিহাসিক চরিত্রকে বর্তমান প্রেক্ষাপটে দাঁড় করিয়ে আন্দোলনের আবেগকে বৃদ্ধি করা হয়নি। উদ্দীপকের মূল বিষয়বস্তু শাসকের নির্মমতা সত্ত্বেও আত্মত্যাগের মাধ্যমে বিজয় অর্জন। তাই বলা যায়, উদ্দীপকটিতে 'ফেব্রুয়ারি ১৯৬৯' কবিতার এক বৃহৎ অংশের মিল থাকলেও কবিতাটির পূর্ণ অনুরণন ঘটেনি।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
4 months ago
41

আবার ফুটেছে দ্যাখো কৃষ্ণচূড়া থরে থরে শহরের পথে 

কেমন নিবিড় হয়ে । কখনো মিছিলে কখনো-বা

 একা হেঁটে যেতে যেতে মনে হয়-ফুল নয়, 

ওরা শহিদের ঝলকিত রক্তের বুদ্বুদ, স্মৃতিগন্ধে ভরপুর । 

একুশের কৃষ্ণচূড়া আমাদের চেতনারই রংকে

এ-রঙের বিপরীত আছে অন্য রং, 

যে-রং লাগে না ভালো চোখে, যে-রং সন্ত্রাস আনে 

প্রাত্যহিকতায় আমাদের মনে সকাল-সন্ধ্যায়- 

এখন সে রঙে ছেয়ে গেছে পথ-ঘাট, সারা দেশ 

ঘাতকের অশুভ আস্তানা ।

আমি আর আমার মতোই বহু লোক

রাত্রি-দিন ভূলুণ্ঠিত ঘাতকের আস্তানায়, কেউ মরা, আধমরা কেউ, 

কেউ বা ভীষণ জেদি, দারুণ বিপ্লবে ফেটে পড়া । চতুর্দিকে

মানবিক বাগান, কমলবন হচ্ছে তছনছ

বুঝি তাই উনিশশো উনসত্তরেও

আবার সালাম নামে রাজপথে, শূন্যে তোলে ফ্ল্যাগ,

বরকত বুক পাতে ঘাতকের থাবার সম্মুখে।

সালামের চোখ আজ আলোচিত ঢাকা,

সালামের মুখ আজ তরুণ শ্যামল পূর্ব বাংলা ।

দেখলাম রাজপথে, দেখলাম আমরা সবাই

জনসাধারণ

দেখলাম সালামের হাত থেকে নক্ষত্রের মতো মতো *

ঝরে অবিরত অবিনাশী বর্ণমালা |

আর বরকত বলে গাঢ় উচ্চারণে

এখনো বীরের রক্তে দুঃখিনী মাতার অশ্রুজলে

ফোটে ফুল বাস্তবের বিশাল চত্বরে

হৃদয়ের হরিৎ উপত্যকায় । সেই ফুল আমাদেরই প্রাণ,

 শিহরিত ক্ষণে ক্ষণে আনন্দের রৌদ্রে আর দুঃখের ছায়ায় । [সংক্ষেপিত]

Related Question

View All
186
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র

Related Question

মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews