সুফিয়া নিরক্ষর হওয়ার পেছনে যে কারণগুলো বিদ্যমান তা হলো, দারিদ্র্য এবং কন্যাসন্তানের প্রতি নেতিবাচক মনোভাব। দারিদ্র্যকে বাংলাদেশের নিরক্ষরতার প্রধান কারণ হিসেবে গণ্য করা হয়। দারিদ্র্যের কারণেই বিদ্যালয়ে পড়াশুনার আনুষঙ্গিক ব্যয় বহন করতে পারে না বলে অনেক অভিভাবক সন্তানকে বিদ্যালয়ে দিতে পারেন না। সরকারি বিদ্যালয়ে প্রাথমিক শিক্ষা অবৈতনিক হলেও দারিদ্র্যের কষাঘাতে জর্জরিত অনেক পরিবার সন্তানকে বিদ্যালয়ে পাঠানোর পরিবর্তে কাজ করার জন্য পাঠায়। যেমনটি সুফিয়ার ক্ষেত্রেও লক্ষ করা যায়।
দেশে নিরক্ষরতার আরেকটি কারণ হলো কন্যা সন্তানের প্রতি পিতামাতার নেতিবাচক মনোভাব। গ্রাম বাংলায় সন্তান প্রতিপালনের প্রতিটি পর্যায়ে অর্থাৎ সন্তানের পোশাক-পরিচ্ছদ, খাদ্য বন্টন, শিক্ষা, চিকিৎসাসহ প্রাধান্য পায়। মূলত পরিবারের লোকজন কন্যা সন্তানকে সানন্দে গ্রহণ করতে পারে না। তাই ছেলের জন্য তারা যথাসাধ্য শিক্ষার ব্যবস্থা করলেও মেয়ের জন্য তা করে না। গ্রামের নিরক্ষর মেয়ে সুফিয়ার ঢাকায় একটি পরিবারে কাজ করতে আসার ক্ষেত্রে এ কারণটিও দায়ী বলে আমি মনে করি।
Related Question
View Allজ্ঞাতিসম্পর্ককে সামাজিক সংগঠনের মূল বিষয় বলা হয়।
নগর সমাজের মানুষেরা ধর্মকে একটি আনুষ্ঠানিক বিষয় বলে গণ্য করে।
বাংলাদেশ সমাজবিজ্ঞানী ও নৃবিজ্ঞানীদের স্বর্ণস্বরূপ মন্তব্যটি করেছিলেন প্রখ্যাত ফরাসি নৃবিজ্ঞানী ক্লদ লেভি স্ট্রস।
পঞ্চাশের দশকে ক্লদ লেডি স্ট্রসের নেতৃত্বে ইউনেস্কো বিশেষজ্ঞ মিশন বাংলাদেশে সমাজবিজ্ঞান ও সামাজিক নৃবিজ্ঞান পঠন- পাঠনের সম্ভাব্যতা যাচাইয়ের উদ্দেশ্যে পার্বত্য চট্টগ্রাম পরিদর্শন করেন। লেভি স্ট্রস সেখানকার বিভিন্ন উপজাতির আদিম স্বতন্ত্র জীবনধারা দেখে এতই বিস্মিত হন যে, তিনি বাংলাদেশকে সমাজবিজ্ঞানী ও নৃবিজ্ঞানীদের স্বর্ণস্বরূপ বলে মন্তব্য করেন।
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!