সুমনের পঠিত বই ও দর্শনীয় উপাদানগুলোর সমন্বয়ে পূর্ণাঙ্গ ইতিহাস রচনা সম্ভব- যুক্তি দাও।

Updated: 9 months ago
উত্তরঃ

উদ্দীপকে সুমনের পঠিত বই ইতিহাসের লিখিত উপাদানকে এবং তার দর্শনকৃত স্থানগুলো অলিখিত উপাদানকে নির্দেশ করে। এ দুই উপাদানের সমন্বয়ে পূর্ণাঙ্গ ইতিহাস রচনা করা সম্ভব।

ইতিহাস রচনায় লিখিত ও অলিখিত উভয় উপাদানই গুরুত্বপূর্ণ। শুধু লিখিত উপাদান বা অলিখিত উপাদান দ্বারা পূর্ণাঙ্গ ইতিহাস রচনা করা সম্ভব নয়। কেননা একটি মাত্র উপাদান ইতিহাস সম্পর্কে পূর্ণ তথ্য-উপাত্ত দিতে পারে না। একজন ঐতিহাসিকের দায়িত্ব হলো সমস্ত উৎস থেকে প্রাপ্ত তথ্যের সমন্বয়ে সঠিক ইতিহাস রচনা করা। যা হতে হবে যথার্থ ও বাস্তবধর্মী। আর এক্ষেত্রে ইতিহাসের লিখিত উপাদানের সাথে অলিখিত উপাদানের সমন্বয় সাধন করা প্রয়োজন।

অলিখিত উপাদান যেমন- মুদ্রা, শিলালিপি, স্তম্ভলিপি, তাম্রলিপি, ইমারত, সমরাস্ত্র প্রভৃতির বৈজ্ঞানিক পরীক্ষা-নিরীক্ষা এবং বিশ্লেষণের মাধ্যমে সেই সময়ের রাজনৈতিক, সামাজিক ও অর্থনৈতিক অবস্থা সম্পর্কে কিছুটা ধারণা পাওয়া যায়। অপরদিকে লিখিত উপাদানগুলোতে কোনো বিষয় সম্পর্কে সমকালীন বা পরবর্তী সময়ের ঐতিহাসিক, সাহিত্যিক, পর্যটকদের লিখিত বিবরণ পাওয়া যায়। এসব লিখিত বিবরণ ইতিহাসের পূর্ণাঙ্গ জ্ঞান অর্জনে সহায়ক ভূমিকা পালন করে। তাই বস্তুনিষ্ঠ ও নিরপেক্ষ ইতিহাস রচনার জন্য লিখিত ও অলিখিত উভয় ধরনের উপাদানের আবশ্যকতা রয়েছে।

উপরের আলোচনার প্রেক্ষিতে তাই বলা যায়, পূর্ণাঙ্গ ইতিহাস রচনায় লিখিত ও অলিখিত উভয় উপাদানই গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
214

১৯৭১ সালে বাংলাদেশে মহান মুক্তিযুদ্ধ সংঘটিত হয়। নয় মাস পাকিস্তান সেনাবাহিনীর বিরুদ্ধে প্রাণপণ লড়াই করে ১৬ ডিসেম্বর আমাদের দেশ শত্রুমুক্ত হয়। মুক্তিযুদ্ধ আমাদের গর্বের, গৌরবের কাহিনি। বাঙালি জাতির এমন অনেক গৌরবের কাহিনি আছে। সেসব জানতে হলে ইতিহাস পড়তে হবে, চর্চা করতে হবে। ইতিহাস সত্য ঘটনা উপস্থাপন করে। ইতিহাস সম্পর্কে গভীর অনুসন্ধান করতে হলে ইতিহাসের উপাদান, প্রকারভেদ সম্পর্কে অবহিত হতে হবে।

এজন্য আগে আমাদের নামতে হবে ইতিহাস কী? জানতে হবে কত ধরনের ইতিহাস লেখা যার যা ইতিহাস কত ধরনের হয়। ইতিহাস পাঠের প্রয়োজনীয়তাই বা কী? এই অধ্যায়ে এসব বিষয় নিয়েই আলোচনা করা হয়েছে। সুতরাং

 

এই অধ্যায় শেষে আমরা -

• ইতিহাস ও ঐতিহ্যের ধারণা, স্বরূপ ও পরিসর ব্যাখ্যা করতে পারব;

• ইতিহাসের উপাদান ও প্রকার বর্ণনা করতে পারব;

• ইতিহাস পাঠের প্রজোজনীয়তা আলোচনা করতে পারব;

• ইতিহাস ও ঐতিহ্যের প্রতি আগ্রহী হব ।

Related Question

View All
উত্তরঃ

সময়ের বিবর্তনে মানুষের কর্মকাণ্ডের পরিধি বৃদ্ধির ফলে ইতিহাসের পরিসর বিস্তৃত হচ্ছে।

সভ্যতার অগ্রগতি ও সময়ের বিবর্তনে ইতিহাসচর্চায় বৈজ্ঞানিক পদ্ধতি অনুসৃত হচ্ছে। ফলে ইতিহাস বিষয়ে শাখা-প্রশাখার সংখ্যাও বৃদ্ধি পাচ্ছে। আর এভাবেই ইতিহাসের পরিসর বিস্তৃত হচ্ছে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
2.4k
উত্তরঃ

সজল জাতীয় গণগ্রন্থাগারে ইতিহাসের লিখিত উপাদান দেখতে পায়।

ইতিহাস রচনার লিখিত উপাদানের মধ্যে সাহিত্য, নথিপত্র, জীবনী, রূপকথা, কিংবদন্তি, গল্পকাহিনি ইত্যাদি অন্তর্ভুক্ত। দেশি-বিদেশি বিভিন্ন সাহিত্য কর্মেও তৎকালীন সময়ের অনেক তথ্য পাওয়া যায়। এসব সাহিত্য কর্মের মধ্যে রয়েছে অর্থশাস্ত্র, তবকাত-ই-নাসিরী, আইন-ই- আকবরী ইত্যাদি।

এছাড়াও ইতিহাস রচনার লিখিত উপাদানের মধ্যে বৈদেশিক বিবরণসমূহও অন্তর্ভুক্ত। এ লিখিত উপাদানগুলোর মাধ্যমে আমরা সমকালীন সময়ের অনেক তথ্য পেয়ে থাকি।

উদ্দীপকের সজল গণগ্রন্থাগারে বিভিন্ন বইপত্র পড়ে। সে বিজ্ঞানের ছাত্র হলেও বিভিন্ন উৎস থেকে ইতিহাসের বইপত্র সংগ্রহ করে। পূর্বোক্ত আলোচনার প্রেক্ষিতে বলা যায়, সজলের পঠিত বিষয়গুলো ইতিহাসের লিখিত উপাদানের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
1.7k
উত্তরঃ

না, সজলের বন্ধুর মানসিকতার সাথে আমি একমত নই। কেননা নিজেকে বিকশিত করতে ইতিহাস পাঠের প্রয়োজন আছে।

ইতিহাস পাঠের তাৎপর্য অনেক। কেননা এটি মানুষকে অতীতের পরিপ্রেক্ষিতে বর্তমান অবস্থা বুঝতে এবং ভবিষ্যৎ অনুমান করতে সাহায্য করে। ইতিহাস পাঠের ফলে মানুষের পক্ষে নিজ সম্পর্কে ও নিজ দেশ সম্পর্কে মঙ্গল-অমঙ্গলের পূর্বাভাস পাওয়া সম্ভব হয়। এছাড়াও ইতিহাস পাঠ মানুষের জ্ঞানের পরিধি বৃদ্ধি করতে সাহায্য করে। আর এ বিবরণ যদি হয় নিজ দেশ, জাতির সফল সংগ্রাম ও গৌরবময় ঐতিহ্যের, তাহলে তা মানুষকে দেশপ্রেমে উদ্বুদ্ধ করে। একই সঙ্গে আত্মপ্রত্যয়ী, আত্মবিশ্বাসী হতে সাহায্য করে। তাছাড়াও ইতিহাস পাঠ মানুষকে সচেতন করে তোলে। বিভিন্ন মানবগোষ্ঠীর উত্থান-পতন এবং সভ্যতার বিকাশ ও পতনের কারণগুলো জানতে পারলে মানুষ ভালো- মন্দের পার্থক্য সহজেই বুঝতে পারে। ফলে সে তার কর্মের পরিণতি সম্পর্কে সচেতন থাকে। সর্বোপরি মানুষ ইতিহাস পাঠ করে অতীত ঘটনাবলির দৃষ্টান্ত থেকে শিক্ষা নিতে পারে।

পরিশেষে বলা যায় যে, ইতিহাস সম্পর্কে সজলের বন্ধুর নেতিবাচক মন্তব্যটি গ্রহণযোগ্য নয়।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
1.6k
উত্তরঃ

যেসব বস্তু বা উপাদান থেকে আমরা বিশেষ সময়, স্থান বা ব্যক্তি সম্পর্কে বিভিন্ন ধরনের ঐতিহাসিক তথ্য পাই সে সব বস্তু বা উপাদানই ইতিহাসের অলিখিত উপাদান। ইতিহাসের অলিখিত উপাদানকে আবার প্রত্নতাত্ত্বিক উপাদানও বলে। মুদ্রা, শিলালিপি, স্তম্ভলিপি, তাম্রলিপি ইত্যাদি হলো ইতিহাসের অলিখিত উপাদানের উদাহরণ।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
1k
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র
মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews