সুরেশ ছিল দৃষ্ট প্রকৃতির একটি লোক। সে ও দ্বিজেন বাবু একই গ্রামে বাস করে। দ্বিজেন বাবু গ্রামের একজন ভদ্রলোক মানুষ।
সবসময় নিজের সবকিছু বিলিয়ে দিয়ে পরের উপকার করে। সুরেশ একদিন দ্বিজেন বাবুর জমি দখল করে নেয়। এ ঘটনা নিয়ে দু পরিবারের মধ্যে অনেক দিন বিরোধ চলে। তারপর একদিন সুরেশ গুরুতর অসুস্থ হলে দ্বিজেন বাবু তার সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দেয়।
এতে সুরেশ তার কৃতকর্মের জন্য অনুশোচনা করে দ্বিজেন বাবুর নিকট ক্ষমা প্রার্থনা করলে দ্বিজেন বাবু তাকে বুকে জড়িয়ে নিয়ে ক্ষমা করে দেন।
মাধাই-এর ক্ষেত্রেও আমরা দেখতে পাই, মাধাই হরিনাম শুনলেই পাগলের মতো ছুটে আসত আক্রমণের জন্য। তারপরও আক্রমণকে উপেক্ষা করে শ্রীনিত্যানন্দ মহাপ্রভু তাদের উদ্ধারের জন্য হরিণামের কথা বললে মাধাই কলসির কানা দিয়ে নিত্যানন্দ মহাপ্রভুর কপালে আঘাত করে। এতে নিত্যানন্দ প্রভু রক্তাক্ত হয়। পরে মাধাই তার ভুল বুঝতে পেরে নিত্যানন্দ মহাপ্রভুর কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করলে নিত্যানন্দ মহাপ্রভু তাকে বুকে জড়িয়ে নেন।
তাই বলা যায়, সুরেশের অনুশোচনা যেন মাধাইয়ের অনুশোচনার অনুরূপ। এ যুক্তিটির সাথে আমিও একমত।
Related Question
View Allযে শিক্ষা দ্বারা মানুষের মনে নীতিবোধ জন্মে, কিছু আচার ও নিয়মকানুন আয়ত্ব হয়, তাকে নৈতিক শিক্ষা বলে। নৈতিক শিক্ষার মধ্যে রয়েছে সত্যবাদিতা, ক্ষমা, কর্তব্যনিষ্ঠা, গুরুভক্তি, ভ্রাতৃপ্রেম ইত্যাদি।
সত্যকথা বলার অভ্যাস গঠনে পরিবারের ভূমিকা অনস্বীকার্য। মা-বাবা পরিবারের প্রধান তাই তাদেরকেই এ বিষয়ে অধিক সচেতন হতে হয়। মা-বাবাকে পরিবারের সকল কাজকর্মে সত্যকথা বলার অভ্যাস করতে হবে। পরিবারে সত্যকথা বলার পরিবেশ সৃষ্টি হলেই সন্তানের আচরণে তা প্রতিভাত হবে। সন্তান কোনো কাজে কোনো কারণে সত্য বলা থেকে বিরত থাকলে মা-বাবা এক্ষেত্রে তার ভুল সংশোধনের সুযোগ দিয়ে সত্য বলতে উৎসাহিত করবেন।
ধর্মের বাহ্য লক্ষণ রয়েছে দশটি। এগুলো হলো- সহিষ্ণুতা, ক্ষমা, দয়া, চুরি না করা, শুচিতা, ইন্দ্রিয়-সংযম, শুভবুদ্ধি, জ্ঞান, সত্য ও অক্রোধ।
'নীতি' শব্দ থেকে 'নৈতিক' শব্দের উৎপত্তি। আর নীতি বিষয়ক শিক্ষণ বা জ্ঞান হলো নৈতিক শিক্ষা। যে শিক্ষা দ্বারা মানুষের মনে নীতিবোধ জন্মে, কিছু আচার ও নিয়মকানুন আয়ত্ত হয়, তাকে 'নৈতিক শিক্ষা' বলা হয়।
যে শিক্ষা দ্বারা মানুষের মনে নীতিবোধ জন্মে, কিছু আচার ও নিয়মকানুন আয়ত্ত হয় তাকে বলা হয় 'নৈতিক শিক্ষা'। হিন্দু ধর্মগ্রন্থসমূহে তাত্ত্বিক আলোচনার পাশাপাশি দৃষ্টান্তমূলক উপাখ্যানের মধ্য দিয়েও নৈতিক শিক্ষা প্রদান করা হয়ে থাকে। এর মাধ্যমে ব্যক্তির মধ্যে সত্যবাদিতা, ক্ষমার ধারণা জন্মে। আর এজন্যই নৈতিক শিক্ষাকে ধর্মের গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গ বলা হয়।
গোপন না করে অকপটে সবকিছু প্রকাশ করার নামই 'সত্যবাদিতা'। সত্যবাদিতা মানব চরিত্রের একটি বিশেষ মহৎ গুণ। এ গুণ যার থাকে, তিনি সমাজে বিশেষভাবে সম্মানিত হন। সত্যবাদিতা হলো ধর্মের গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গ।
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!